কলকাতা, সোমবার ২৩ জানুয়ারি ২০১৭, ৯ মাঘ ১৪২৩

 

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড়ি | ম্যাগাজিন

বনি-কৌশানির চোখে তোমাকে চাই

বাঙালির ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ সরস্বতী পুজোর দিনই রিলিজ করছে বনি-কৌশানির পরের ছবি ‘তোমাকে চাই’। দু’জনের সঙ্গে শীতের দুপুরে জমে উঠল আড্ডা। তাঁদের মতে অনেকদিন পর নাকি এইরকম জমাটি প্রেমের ছবি তৈরি হয়েছে টলিউডে। এবারেও কি এই জুটি ‘ম্যাজিক’ দেখাতে পারবে? শুনে নেওয়া যাক তাঁদের মুখ থেকেই।

‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’-র পর আবার ‘বনি-কৌশানি’ একসঙ্গে। আপনারা কতটা এক্সাইটেড?
বনিঃ ছবিটার ইমপ্যাক্ট খুব ভালো ছিল। যেখানেই গিয়েছি মানুষ জানতে চেয়েছেন আমরা আবার কবে একসঙ্গে ছবি করব। নতুন জুটি হিসেবে মানুষের থেকে প্রচুর ভালোবোসা পেয়েছি। আবার আমরা একসঙ্গে ছবি করছি বলে ভালো লাগছে।
কৌশানিঃ নতুন করে কিছু বলার নেই। ‘পারব না...’র পর জুটি’ হিসেবে আমরা খুব সফল। আমি চাই এবারেও মানুষ আমাদের পছন্দ করুন।
আগের ছবিটা ছিল ‘রমকম’। এবারে ছবির গল্পটা কীরকম?
বনিঃ বলতে পারেন খুবই প্যাশনেট লাভস্টোরি। বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকদিন এই ধরনের ছবি তৈরি হয়নি। অনেকটা ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’, ‘প্রেম আমার’ বা ধরুন ‘অমানুষ’ এর মতো ছবি। দিয়া এবং জয়ের কলেজে দেখা, সেখান থেকে ভালোলাগা। কিন্তু এতটা সহজ নয়। একটা ট্যুইস্ট আছে। সেটা এখনই বলে দেব না।
কৌশানিঃ কমেডি,অ্যাকশন,রমকম অনেক হয়েছে। এই গল্পতে অনেক বেশি গভীরতা আছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি ছবিটা দর্শকদের পছন্দ হবেই।
রাজ চক্রবর্তীর পর রাজীবের সঙ্গে কাজ করলেন। কেমন অভিজ্ঞতা হল?
কৌশানিঃ আমার হাতেখড়ি রাজদার কাছে। তারপর রাজীবদার সঙ্গে। রাজীবদা আমাদের দুজনকে খুব ভালোভাবে বোঝাতেন। তাছাড়া আমি এখনও কোনও পরিচালকের থেকে বকুনি খাইনি ।
বনিঃ মানুষ হিসেবে রাজীবদার তুলনা হয় না। আমাকে নিজের ভাইয়ের মতো ভালোবাসেন।
বাংলায় তো অনেক জুটিই রয়েছে। দেব-কোয়েল, জিৎ-শুভশ্রী,অঙ্কুশ-নুসরত। আপনাদের জুটির মৌলিকত্ব কোথায়?
বনিঃ সেটা হল আমাদের বন্ডিং। কারণ অফ স্ক্রিন আমরা কিন্তু একসঙ্গে পার্টি করি, ঘুরতে যাই। এই বন্ধুত্বটা ছবির ক্ষেত্রেও খুব কাজে লেগেছে।
কৌশানিঃ বন্ধু হিসেবে আমরা নিজেদের পাগলের মতো ভালোবাসি। দুজনের ইকুয়েশন, মারপিট, ঝগড়া সবকিছুতেই আমাদের খুব মিল। আবার অমিলও রয়েছে।
এবারের অন স্ক্রিন কেমিস্ট্রিটা কতটা আলাদা হবে?
বনিঃ একেবারেই আলাদা। কারণ আগের ছবিটা ছিল রমকম। তাই রোম্যান্টিক অভিনয়ের পাশাপাশি আমাকে কমেডি অংশটার দিকেও খেয়াল রাখতে হয়েছিল। এবারে কিন্তু কোনও খুনসুটি নেই। রয়েছে জটিল প্রেম।
কৌশানিঃ সোজা কথায় নিজের ভালোবোসাকে পাওয়ার জন্য একজন কতদূর যেতে পারে তা নিয়েই ‘তোমাকে চাই’।
তার মানে শ্যুটিং তো বেশ গুরুগম্ভীর ছিল।
কৌশানিঃ একদম। গল্পটা এতটাই গম্ভীর যে শ্যুটিং-এর সময়ে হালকা মুহূর্ত খুব কম পেয়েছি। কান্নাকাটি, দুঃখ-কষ্টের দৃশ্যই ছিল বেশি।
বনিঃ সত্যি বলছি এই ছবিটার জন্য আমরা অনেক খেটেছি। পঁয়ত্রিশ দিনের শ্যুটিং শিডিউলের মধ্যে প্রায় তিরিশ দিন বৃষ্টিতে ভিজেছি! ভাবতে পারছেন!
কেন?
কৌশানিঃ আসলে এই ছবির একটা বড় ইউএসপি বৃষ্টি। আমি তো শ্যুটিং-এর সময়ে বার বার বলেছি ছবিটার নাম হওয়া উচিত ‘বর্ষার প্রেম’ ।
বনিঃ বুঝতে পারছেন তো একটা রিটেক মানেই আবার বৃষ্টিতে ভেজা! বাপরে বাপ। কিন্তু চ্যালেঞ্জিং কাজটা যে আমরা ভালোভাবে শেষ করতে পেরেছি এটাই বাঁচোয়া।
বনি আপনি কমার্শিয়াল ছবি করছেন। অন্য ধারার ছবি করার ইচ্ছে নেই?
বনিঃ এই তো সবে শুরু করলাম। আরও দু-তিনটে ছবি করার পর সমান্তরাল ছবি করার কথা ভাবব। এই মুহূর্তে কমার্শিয়াল ছবিতেই মন দিতে চাই।
সবাই জানেন বনির পরিবারের সঙ্গে টলিউডের একটা যোগসূত্র রয়েছে। কৌশানি আপনার শুরুটা সম্পর্কে কি বলবেন?
বনিঃ (কৌশানিকে থামিয়ে দিয়ে) ... এটা আমি বলব।
আচ্ছা বলুন। ভুল হলে কৌশানি না হয় কারেকশন করে দেবেন।
বনিঃ ওর পরিবারের সঙ্গে অভিনয়ের সম্পর্ক ছিল না,অভিনয়ে আসার ইচ্ছেও ছিল না...।
কৌশানিঃ আমি জানতাম ও খুব বাজে উত্তর দেবে। এই থাম...থাম!
বনিঃ আরে ও সময় নিয়ে উত্তর দিত, আমি সময় বাঁচিয়ে দিলাম(হাসি)। যাইহোক বাকিটাও বলে দিই। কৌশানিও নায়িকা হতে চায়নি...ও টিচার ছিল...শেষে বন্ধুর উৎসাহে অডিশন। প্রতিযোগিতায় জিতে রাস্তায় হোর্ডিং-এ ছবি, তা দেখে ভেঙ্কটেশ ফিল্মস থেকে ডাক—ইত্যাদি ইত্যাদি।
কৌশানি কোনও কারেকশন করবেন কি?
কৌশানিঃ একদম নয়। তবে হ্যাঁ, আমি কিন্তু অনেক মেয়েদের কাছেই আইডল হয়ে উঠেছি। কারণ আমি তো তাঁদের মধ্যে থেকেই উঠে এসেছি। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছেন যে কীভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে আসা যায়। যে মেয়েটা অভিনয় করতে চান তাঁর মনে প্রশ্ন থাকাটাই তো স্বাভাবিক।
তাহলে ইন্ডাস্ট্রির ভেতরটা কীরকম?
কৌশানিঃ খারাপ কিছুই নেই। দেখুন অনেক গুজব রটে। আসলে ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু একটা পরিবার এবং বিশেষ করে মেয়েদের জন্য খুবই সুরক্ষিত।
বনি একটা সত্যি কথা বলুন। আপনার প্রতিযোগী কারা?
বনিঃ আমার এখনও কাউকে প্রতিযোগী মনে হয়নি। কারণ এখন যাঁরা বানিজ্যিক ছবি করছেন তাঁরা প্রত্যেকেই আমার থেকে বয়সে বড়। তাছাড়া এই বয়সে আমাকে টিনএজ চরিত্রেই মানাবে বেশি। তাই পুলিশ বা উকিলের চরিত্র করতে পারব না।
কৌশানিঃ পারবে না তা নয়,বরং বল তোকে মানাবে না।
বনিঃ আমি ‘চকলেট বয়’ ইমেজেই খুশি। কারণ মেয়েরা এখন এটাই পছন্দ করে।
কৌশানিঃ চকলেট বয়!..ধ্যাত!
কৌশানি ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার ভালো বন্ধু কে?
কৌশানিঃ আমারও একই সমস্যা। আমার বয়সি নায়িকা কম! তাই খুব ভালো বন্ধু কোথায়। তবে বলতেই হবে ঐন্দ্রিলা,অঙ্কুশের কথা এবং অবশ্যই বনি। বনিকে আমি অন্ধের মতো ভরসা করি। রাত তিনটের সময়েও সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমি সবার আগে ওকেই ফোন করব।
‘পারব না...’র পর বলা হচ্ছিল আপনারা প্রেম করছেন। আবার পরে আপনাদের সঙ্গে অন্য কোনও সেলেবের নামও জড়ানো হয়েছে। গুজব রটলে নিজেদের মধ্যে কীভাবে ব্যাপারটা সামলান?
বনিঃ আমরা যেহেতু জানি আমাদের মধ্যে কি আছে...
কি আছে?
বনিঃ বন্ডিং, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা যাইহোক। আমাদের কোনও অসুবিধা হয় না। কিছু শুনলে আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনো করে নিই...‘ কীরে এরকম কিছু শুনেছিস নাকি?’
কৌশানিঃ দেখুন যার সঙ্গেই ছবি করবেন তার সঙ্গে নাম জড়াবেই। তাই গুজবে কান দেওয়াটা আমার বোকামো বলে মনে হয়। কো-অ্যাক্টরের সঙ্গে কফি খাওয়া বা লাঞ্চ করাটা কী অপরাধ? মানুষ ধরেই নেবেন আপনারা প্রেম করছেন!
আচ্ছা একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি। অভিনেতা হিসেবে একে অপরকে দশের মধ্যে কত নম্বর দেবেন?
বনিঃ কৌশানি পারলে নিজেকে দশে দশ দেয়।
কৌশানিঃ ও পারলে তো আমাকে দশে দুই দেবে!
বনিঃ এই রে! মেয়ে রেগে যাচ্ছে যে। ওকে তাহলে দশে দশই দিতে হবে।
কৌশানিঃ না না, আমি শুধু ওর এটিএম কার্ডটা নেব।
বনিঃ ঠাট্টা বাদ দিয়ে বলছি আমি ওকে দশে সাত দেব। কারণ ও এখন বেশ অভিজ্ঞ এবং এখনও ওর অনেকটা পথ চলা বাকি বলে ৩ নম্বর কেটে নিলাম।
কৌশানি আপনি?
কৌশানিঃ আমি তো ওকে ‘হিরো’ হিসেবে দেখিই না। বাইরে থেকে ও ইনোসেন্ট টাইপের। কিন্তু আমার চোখে ও দুষ্টু ছেলে! প্লিজ এগুলোও লিখবেন।
বনিঃ আরে ব্যক্তিগত মতামত চাওয়া হয়নি।
কৌশানিঃ আমি ওকে দশে আট দেব। কারণ ‘বরবাদ’ ছাড়া বাকি ছবিগুলোতে ও খুব ভালো কাজ করেছে।
‘বরবাদ’ বাদ কেন?
কৌশানিঃ ওই ছবিটা সম্পর্কে আমার কোনও ইন্টারেস্ট নেই।
বনিঃ ওই ছবিটায় তো ঋত্বিকা ছিল।
কৌশানিঃ না না... ঋত্বিকাকে নিয়েও আমার কোনও ইন্টারেস্ট নেই!
বুঝলাম। আপনাদের কাছে শেষ প্রশ্ন। দু’জনেই মেনস্ট্রিম ছবি করছেন। বাংলা কমার্শিয়াল ছবির ভবিষ্যৎ কি খুব ভালো?
বনিঃ মফসসল কমার্শিয়াল ছবির পীঠস্থান। সেখান থেকেই তো আসল ব্যাবসা আসে। শহরে চলে অন্য ধারার ছবি। ভালো ব্যাবসা করলে তৈরি হবে আরও বেশি কমার্শিয়াল ছবি। ক্ষতি নেই।
হলও তো কমছে।
কৌশানিঃ মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে দিনে দিনে টিকিটের দাম বাড়ছে। কি যে হবে!
বনিঃ মিনার, বিজলি, ছবিঘর একটা সময়ে কত জনপ্রিয় ছিল। আর এখন সিঙ্গল স্ক্রিনগুলোর কি খারাপ অবস্থা। ‘মাস’এর জন্য আরও বেশি সংখ্যক সিঙ্গল স্ক্রিন চালালে কমার্শিয়াল ছবির ভবিষ্যৎ কিন্তু উজ্জ্বল।

অভিনন্দন দত্ত                 
ছবিঃ দীপেশ মুখোপাধ্যায়  

ডিনামাইট কিং খান

শাহরুখ খানের রইস আর হৃত্বিক রোশনের কাবিল ক্ল্যাশ করল। বলিউডে আবার ক্ল্যাশ। তবু পিছতে রাজি হলেন না কেউ-ই। এই নিয়ে কিং খান দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘অনেক চেষ্টা করেছিলাম অন্য ডেট ফেলার। কিন্তু পারলাম না। অন্য কোনও মানানসই ডেটই পেলাম না। আর কিং খানকে দেখে রাকেশ রোশনের কী বক্তব্য? তিনি বলেছেন, ‘রইস দেখলাম। দারুণ কাজ করেছেন শাহরুখ। ওকে তো ডিনামাইটের মতো লাগছে।’ একই দিনে দুটো ছবি রিলিজ করা নিয়ে মোটেও খুশি নন রাকেশ, তবু রসিকতা করে বললেন, ‘একটা জিনিস ভালো লাগছে আমরা দু’জন মিলে বলিউডে ৩০০ কোটির ব্যবসা করব। আমিরের মতো একাই সেটা করা হল না। তবে আলাদা দিনে মুক্তি পেলে দুটো ছবিরই দারুণ পোটেনশিয়াল ছিল।

বিয়ের চিঠি

মুকেশের নাতির বিয়ে। কার্ডটাও ভীষণ অভিনব। কার্ডের শুরুতেই মুকেশের বিখ্যাত গানের লাইন, ‘এক পেয়ার কা নাগমা হ্যায়/ মওজো কি রাওয়ানি হ্যায়/ জিন্দেগি ওউর কুছ ভি নেহি/ তেরি মেরি কাহানি হ্যায়।’ এমন কার্ড দিয়ে যে বিয়ের শুরু, তা যে রোম্যান্টিকতার শেষ পর্যায়ে পৌঁছবে তাতে আর সন্দেহ কী? ব্রাউন অ্যান্ড গোল্ডেন এই কার্ডে নীল আর রুক্মিনীর নাম খোদাই করা। এমন কার্ড অবশ্য কয়েকটি মাত্র ছাপানো হয়েছে। শুধু মাত্র ক্লোজ ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামেলির জন্য। বাকিদের সাধারণ ইংরেজিতে ছাপানো কার্ড কাউকে হয়তো ই-মেলও করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারির ৪ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত বিশাল বিবাহ আসর অনুষ্ঠিত হবে উদয়পুরে।

বিবিবাবু

নায়িকাদের অদ্ভুত অভ্যাস

 করিনার নখ
শ্যুটিং করার আগের মুহূর্তে হঠাৎ প্যানিক করছেন করিনা কাপুর। নকল নখগুলো আনা হয়নি তাঁর। কেন? নকল কেন? আসলে কী দোষ করল? সেগুলো নেই যে। সব আধখাওয়া। অন্যমনস্ক অবস্থায় নখ খাওয়া করিনার এক বড় বদ অভ্যাস। তাই তো শ্যুটিং করেন নকল নখ লাগিয়ে।

 সুস্মিতার স্নানঘর
বন্ধ জায়গায় নাকি স্নান করতে অসুবিধে হয় সুস্মিতা সেনের। কি কাণ্ড! তাহলে কী করেন তিনি? হোটেলে থাকলে বড় বাথরুম তাঁর চাই-ই চাই। নাহলে সেই হোটেলে কিছুতেই থাকতে রাজি হন না। শুধু তাই নয়, শাওয়ার এনক্লেভও তাঁর বিলকুল না পসন্দ। খোলামেলা শাওয়ারই তাঁর প্রিয়। আর নিজের বাড়িতে তাঁর স্নানঘরটা কেমন শুনবেন? ছাদের ওপর খোলা বাথটব রয়েছে তাঁর। বিশাল বাথটবে ডুবে থাকাই মিস ইউনিভার্সের সবচেয়ে বড় প্যাশন।

 সানির পা
পায়ের যত্ন নেওয়ার একটা বাতিক আছে সানি লিয়নের। পা ধোয়াটা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছলেও কিছু করার নেই। নোংরা পা মোটেই সহ্য করতে পারেন না সানি লিয়ন। পায়ের যত্নও সেই রকম, বিভিন্ন ধরনের ফুট ক্রিম আছে তাঁর। নেল কেয়ারের প্রতিও তাঁর ভীষণ নজর। ঘণ্টায় ঘণ্টায় পা তো ধোবেনই অনেক সময় আবার এক ঘণ্টার মধ্যেই দু’তিনবারও পা ধুয়ে নেন সাবান দিয়ে।

 বিদ্যার শাড়ি
শাড়ির প্রতি এক অসম্ভব আকর্ষণ বিদ্যা বালনের। শাড়ি দেখলে নিজেকে সামলাতে পারেন না তিনি। একইরকম শাড়ি তাঁর একাধিক রয়েছে। শাড়ি জমান নেশার মতো। আলমারিতে বিদ্যার আটশো শাড়ি আছে।

 প্রীতির বাথরুম
বাথরুম একদম ঝকঝকে চাই প্রীতি জিন্টার। খুব পরিষ্কার না হলে তিনি সেই বাথরুমে যেতে পারেন না। প্রীতির বাড়ির বাথরুম তো ঝাঁ চকচকে থাকেই। তার জন্য চার জন লোক রেখেছেন তিনি। তার পরেও নিজে হাতে পরিষ্কার করেন সময় পেলেই। আর কোনও হোটেলে ঢুকেও প্রথমেই বাথরুম চেক করা তাঁর স্বভাব। হোটেলের বাথরুম নোংরা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চেক আউট করেন সেখান থেকে।






?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta