রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড়ি | ম্যাগাজিন

মমতা ভীতিই কি দিল্লিকে
এমন বেপরোয়া করে তুলছে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

খাদির ক্যালেন্ডারে মহাত্মাজির জায়গায় মোদিজি! ভাবতে পারেন! নাহ‌‌, ভাবতে পারছি না! সেকী! ভাবতে না পারলে তো চলবে না। ভাবতেই হবে। ভাবুন ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন। সবে তো তিনি মহাত্মাজিকে হটিয়ে দিয়ে তাঁর চরকাটি দখল করেছেন। আগে আগে দেখুন আরও কত কী হয়! যে নোট নিয়ে এত কাণ্ড সেই নোট থেকেও শোনা যাচ্ছে মহাত্মাকে বিদায় দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে গেরুয়া শিবিরে! সব নষ্টের গোড়া নাকি তিনিই! নোট তুলে আলোর সামনে ধরলে জাতির জনকের সেই মুণ্ডিত মাথা গোল চশমার ছবি ও জলছাপ আর দেখা যাবে না। তার বদলে ভেসে উঠবে চাপ দাড়ি শুভ্র কেশ ডিজিটাল ইন্ডিয়ার বলিষ্ঠ মুখচ্ছবি! কেন?! জনৈক সংঘ মহামতির বিশ্বাস, নোটে মহাত্মার ছবি ছাপার পথ থেকেই নাকি ভারতীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন শুরু হয়েছে! গত শনিবার থেকে হাওয়ায় ভাসছে এমনই এক পরমাশ্চর্য সংবাদ! এমনকী টেলিভিশনের চ্যানেলে চ্যানেলেও চারিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মহাসংবাদ! সূত্রের খবর, তাঁর এই বিশ্বাসে ইন্ধন জোগাবার মতো ‘উর্বর’ মস্তিষ্কেরও অভাব ঘটছে না! বরং, গেরুয়া মহাজনের মহামন্তব্যটি নাকি যাকে বলে একেবারে ‘ভাইরাল’ হয়ে গেছে সংঘলোকে!
অবশ্য, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আমাদের এই ভক্তিবাদী ইন্ডিয়ায় কর্তাভজা দলদাসের অভাব তো কোনও কালেই পড়েনি, আজই বা পড়বে কেন? তাছাড়া, যে দেশে ‘ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া’র মতো ব্যক্তিপূজাবাদী স্লোগান অনায়াসে তোলা যায় সেই ‘মহান উদার’ ভারতে মোহনদাস গান্ধী এবং দামোদরদাস মোদিকে একাকার করে দেখা কি মহাত্মার চেয়েও বেশি ভ্যালুয়েবল ভাবা অন্যায় হবে কেন! তাছাড়া, মহাত্মাজি করেছেনটা কী যে তাঁকে এখনও এত পাবলিসিটি দিতে হবে! নোটে নোটে তাঁর মুখ ছাপতে হবে! কী করেছেন? ডান্ডি মার্চ আর দেশ ভাগ! আর কিছু লেখালেখি। আর কী? ‘পরধানমন্ত্র’ হতে পেরেছেন? সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছেন? ঝাঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে স্বচ্ছ ভারত পেটিএমে মুখ ছেপে ডিজিটাল ইন্ডিয়া কালাধন জালিনোটের কারবার ঠেকাতে নোট বাতিল—কী? কোনটা করেছেন? আমাদের পিএম মোদিজিকে দেখুন, গান্ধীজির থেকে কত্তো অ্যাডভান্স। তো তাঁর মুখ নোটে ছাপা হলে আপত্তি উঠবে কেন?
সত্যিই তো, কোন আহাম্মক আপত্তি করে! কোন বেয়াকুফ পাবলিকের মত প্রকাশের স্বাধীনতার সীমা নিয়ে প্রশ্ন তোলে! আরে ভাই, সংঘপরিবারের নেতা তথা হরিয়ানি মন্ত্রী বা খাদি কোম্পানির আমলা বলে কি মানুষ নয়, দেশের নাগরিক নয়! তাঁদের মত প্রকাশ বা ইষ্টপূজনের অধিকার থাকবে না? তাই কি হয়? এই আত্মম্ভরী প্রচারসর্বস্ব রাজনীতির যুগে প্রচার ছাড়া নেতা বাঁচে? তাহলে? নববর্ষের ক্যালেন্ডারে গান্ধীজির ছবি তো দশক দশক ছাপা হল। এবার মোদিজি হলে ক্ষতি কী? কে বলল, গান্ধীজি খাদির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার? আরে মোহনদাসও খাদি পরতেন, চরকা কাটতেন, দামোদরদাস মোদিজিও খাদি পরেন। না হয় এবার তার সঙ্গে একটু চরকাও কাটবেন—তাতে এত জ্বলছে কেন উদো পাবলিক! আর বলুন তো, দেশের কোণে কোণে মে জনতার ঘরে ঘরে হাতে হাতে হাজির থাকার জন্য নোটের চেয়ে ভালো আর কিছু হয়? এখন নয়া নোট ছাপা হচ্ছে—তো এই চান্সটাকে কাজে লাগিয়ে ছবিটা বদলে দিলে অসুবিধে কোথায়!
কী বলছেন? সবকিছুর একটা সীমা আছে। মাত্রা আছে। আছে নাকি! হ্যাঁ হ্যাঁ আছে আছে—সাধারণ পাবলিকের জন্য অবশ্যই আছে। পাবলিক হল ‘সাধারণ’ পাবলিক হল ডরপোক পাবলিক সকলে প্রত্যেকে একা পাবলিক। আর তাই শক্তিক্ষমতার রাজ্য একেবারে অন্তেবাসী। তাদের যাবতীয় কিছুর জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট। তাদের সব ক্রিয়াকর্মে মাত্রা রক্ষা অবশ্য কর্তব্য। ওই সীমা পেরবার চেষ্টা করলে বা এই মাত্রা রক্ষা কর্তব্যে গাফিলতি ঘটালে পাবলিকের অভিভাবকেরা ছেড়ে কথা বলবে না। অভিভাবক তো একটা দুটো নয়—স্বঘোষিত অঘোষিত গুচ্ছ গুচ্ছ—ঘরে ঘরের বাইরে। সীমা ছাড়ালে মাত্রা হারালে দাদা দিদি পেয়াদা পুলিশ থেকে পাড়ার কানকাটা গালকাটা কেউ রেয়াত করবে না! পালাবে কোথায় বাছাধন! কিন্তু, ভারত ভূখণ্ডে যাঁরা দেশহিতব্রতে জীবনপাতের বাসনা নিয়ে রাজনীতির কেষ্টবিষ্টু কি নিদেনপক্ষে তাঁদের ফলোয়ার পেয়ারের জন তাঁদের ওসব মাত্রা সীমার কথা ভাবতে হয় না। ভাবতে হলে নাকি পলিটিক্সের কারবারটাই লাটে তুলে তিলক কেটে ঝোলামালা বগলে হিমালয়ে চালান হয়ে যেতে হবে! তা কি হয়? তাহলে দশক দশক ধরে সাজানো বাগানগুলোর কী হবে? শুকিয়ে যে সব কাঠ হয়ে যাবে ভাই। তখন পুত্রকলত্রর ভাইভাতিজা দাদাজি বহেনজিরা খাবে কী!
তাছাড়া, আমাদের দেশে রাজনীতির হর্তাকর্তাদের অধিকাংশই তো সীমার মাঝে অসীমের অবতার বলে মনে করেন নিজেদের। তাই হয়তো সীমা মাত্রার জ্ঞানকাণ্ড নিয়ে তাঁরা বিশেষ মাথা ঘামান না। ঘামানোর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করেন না! আর যে মস্তিষ্কে সীমার জ্ঞান বাড়ন্ত তাকে মাত্রাজ্ঞান শেখাতে যাওয়া বৃথা। যার সীমাই নেই তার আবার মাত্রা কী! সুতরাং, গান্ধীজির জায়গায় অনায়াসে মোদিজির ভোগদখলের আয়োজন করতে পারেন মোদিজির অনুগ্রহভাজন প্রিয়জনেরা, গান্ধীজির চেয়ে মোদিজির ব্র্যান্ডভ্যালুকে বেশি সরেস ও গ্রহণযোগ্য বলে ভাবতে প্রচার করতেও পারেন। অসুবিধে নেই। আমরা আম পাবলিক—আমাদের সব সইবে। না সইলে ভাবার মতো সওয়ানোটাও অভ্যাস করে নিতে হবে। নাহলে চলবে কেন? মোদিরাজ হোক কি স্বচ্ছ ভারত—আম পাবলিককে বাঁচতে হবে তো।
কিন্তু, কথা হল, প্রধানমন্ত্রীর ‘মুখ’ প্রচারে হঠাৎ এই বাড়তি আতিশয্য এই অতিউদ্যোগ কেন? কেন বারবার গান্ধীকে সরিয়ে মোদিজির মুখ দেখানো? এ কি এক আকাশে দুই নক্ষত্র সমস্যা? গুজরাত ক্রাইসিস! কিন্তু, সেক্ষেত্রে একটু ধন্দ আছে। খামোখা গান্ধীজিকে নাড়াঘাঁটা করে দেশের বিরাট অংশের গণসেন্টিমেন্ট নিয়ে আজকের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে খিলওয়ার করে বাড়তি চাপ ঘাড়ে নেবে দিল্লি—এটা এক বাক্যে মেনে নেওয়া মুশকিল। কারণ তথ্যভিজ্ঞরা বলেন, এখন দিল্লির মসনদ আলো করে আছেন যিনি সেই নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক বুদ্ধি একটু বেশিই তীক্ষ্ণ ও দূরদর্শী। সেই বুদ্ধির জোরেই লালকৃষ্ণ আদবানির মতো লৌহব্যক্তিত্বকে অত সহজে কোমল নিষ্প্রভ করে দলে ও সংঘে খুব অল্প সময়ের মধ্যে এমন একচ্ছত্র আধিপত্য ও মহিমা বিস্তার করতে পেরেছেন তিনি। যদি ধরে নিই ভারত চিত্তে সদা জাগ্রত গান্ধীছবি ও ছাপকে নিছক টক্কর দিতেই বিজ্ঞাপন থেকে নোট তাঁর মুখ ছাপার পরিকল্পনা—তাহলে আখেরে তাঁর সেই বহুল চর্চিত ও যথেষ্ট স্বীকৃত রাজনৈতিক বুদ্ধি ও দূরদর্শিতার বাস্তব মূল্য নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করতে হয়। সেটা সংগত নয়। তাহলে কী? কেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ ছড়ানোর এই প্রকল্প?
মমতা ভীতি? মমতা ভীতিই কি দিল্লিকে এমন বেপরোয়া করে তুলছে? হিতাহিতজ্ঞান হারিয়ে একের পর এক তাধৈমাধৈ কাণ্ড বাধিয়ে চলেছে দেশ জুড়ে? কিছুদিন চলল স্বচ্ছ ভারত। ঝাঁট দিয়ে দেশ সাফের মহাযজ্ঞ। দেশের গণ্যমান্য থেকে নগণ্যের সঙ্গে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেমে পড়লেন ধুলোপথে। শেষপর্যন্ত ঠিক মনের মতো জমল না। তারপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। কয়েকদিন রহস্য রোমাঞ্চে মুচমুচে গালগল্প চলল ভালোই। তার মাঝেই সেনা কৃতিত্ব মুছে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সাফল্য শিরোপা মোদিজির মাথায় বসিয়ে চালু গল্পগাছায় টুইস্ট ঝটকা দিলেন এক গেরুয়া মহাজন! তাও ঠিক নিল না ভোটভাবনাচ্ছন্ন ইউপি। শেষমেশ নোটকাণ্ড। ওরে বাপরে! কী কাণ্ড! শুরুতে জনতা ভাবল—যাক এতদিনে কিছু হবে। জালি নোট কালানোটের কারবারিরা জব্দ হবে। কোথায় কী? উলটে দেখা গেল কারবারিরা বহাল তবিয়তে নাক ডাকিয়ে ঘুমোচ্ছে আর আম নাগরিক সংসার চালাবার টাকা খুঁজতে পাহাড় থেকে সাগর রাতের পর রাত দিনের পর দিন এটিএম আর ব্যাংকের সামনে কাটাচ্ছে নিদ্রাহীন। এই অসহ অত্যাচারে কেউ কেউ ঢলে পড়ছে মৃত্যুর কোলেও! সমস্যা জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে দিন কে দিন আর তা সামলাতে মোদি সরকার সকাল সন্ধে নানান ফতোয়া জারি করে চলেছে! মানুষের ক্ষোভের তাপ উত্তরোত্তর বাড়ছে। ফেটে পড়ে অনর্থও ঘটাচ্ছে কোথাও কোথাও। আর দেশের মানুষের ওই ক্ষোভ সামলাতে প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী মায় গোটা সরকার এবং রিজার্ভ ব্যাংকের যে নাজেহাল ল্যাজেগোবরে অবস্থা—সেটা বুঝতেও কিছুমাত্র অসুবিধে হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে কার মুখ সবচেয়ে উজ্জ্বল সবচেয়ে প্রভাবশালী হয়ে দেখা দিয়েছিল মনে করুন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে দিল্লি দিল্লি থেকে ইউপি তামিলনাড়ু ওড়িশা—দেখতে দেখতে মমতার জনস্বার্থবাদী প্রচারে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে উঠছিল আর তার নাম ‘অনাস্থা’। মোদিরাজের প্রতি দেশের বিরাট সংখ্যক মানুষের অনাস্থা, মোদিজিকে নিয়ে মানুষের বিরাট আশা প্রত্যাশার যে বেসুর বাজতে শুরু করেছে মমতা সেটা বুঝিয়ে ছেড়েছিলেন। অবশ্য এর আগেই দেশের নানা প্রান্তে নানা ভোটফলে তার কিছু আভাস পাওয়া গিয়েছিল। মমতার নোট বাতিল বিরোধী প্রচার সেই আভাসকেই যেন আরও স্পষ্ট প্রত্যক্ষ করে তুলছিল। সেই সঙ্গে দিল্লিতে কংগ্রেস এবং উত্তরপ্রদেশে (এই মুহূর্তে শাসক বিজেপি’র এক নম্বর ভোট-টার্গেট) অখিলেশ যাদবের সঙ্গে সখ্য বাড়িয়ে মমতা তো কেবল জাতীয় রাজনীতিতেই নিজের প্রতিপত্তি বৃদ্ধি সম্ভাবনা ঘনিয়ে তুলছিলেন না দেশের মসনদ থেকে মোদি হঠানোর রসদও প্রকারান্তরে জড়ো করছিলেন। এই সত্যটি প্রধানমন্ত্রী মোদি বা তাঁর দলের কর্তারা বোঝেন না এমন তো নয়। যে মহিলা প্রায় একক প্রয়াসে সিপিএমের মতো এত বড় শক্তিক্ষমতাকে ধূলিসাৎ করে রাজ্যে সবুজ শাসন কায়েম করতে পারেন—দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পথে সেই সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেদের দুই থেকে তিন নম্বর জায়গায় নামিয়ে দিতে পারেন—তাঁকে বাইরে গুরুত্ব না দিলেও ভিতর থেকে সর্বান্ত উপেক্ষা করা কি সম্ভব!
নিন্দুকেরা বলছেন, রোজভ্যালি সারদা ইত্যাদির পুনর্জন্ম তৃণমূলের সাংসদ গ্রেপ্তার থেকে মঙ্গলবারের ভাঙড়—সবই নাকি ওই মমতা ভীতির বহিঃপ্রকাশ! তাই কি? তাহলে, মমতা ভীতিই কি দিল্লিকে এমন বেপরোয়া করে তুলছে! তথ্যভিজ্ঞরাও কেউ কেউ মনে করছেন, রাজ্যে মমতার চূড়ান্ত একাধিপত্যে এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সাম্প্রতিক প্রতাপ দর্শনে রাজ্যে এবং কেন্দ্রে বিভিন্ন মহল নাকি প্রমাদ গনতে বসে পড়েছেন, ভয় পাচ্ছেন। ভয় ২০১৯ নিয়ে। তাঁদের ধারণা, এমন চলতে থাকলে রাজ্যে তো বটেই কেন্দ্রেও ‘প্রবলেম’ হবে। আসন সংখ্যার বিচারে রাজ্যে বিরোধী বলে আর কিছু থাকবে কি না বা থাকলেও তা জনতার খালি চোখে ধরা পড়বে কি না—নিশ্চিত নয়। আর মমতা যদি শেষপর্যন্ত অখিলেশ বা তাঁর মতো মোদি বিরোধীদের হাতে হাত মেলাতে পারেন তবে ২০১৯-এর যুদ্ধ শেষে দিল্লির মসনদ শীর্ষে ভাগোয়া ঝান্ডা উড্ডীন থাকবে কি থাকবে না—তা নিয়েও এক আশ্চর্য অনিশ্চয়তার বাতাবরণ ক্রমশ ছড়াচ্ছে। তাঁর আঁচ নাকি গেরুয়া শিবিরও ছুঁয়েছে। সরকার প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে মানুষ ক্ষমা করে না। আর এই প্রত্যাশা পূরণের খামতিটা প্রকট থেকে প্রকটতর হয়ে উঠেছে মমতার প্রচারে। সুতরাং অনিশ্চয়তাজনিত একটা ভয় তো জাগতেই পারে। ক্ষমতা হারানোর ভয়। আর কে না জানে, ভয় বড় সংক্রামক! নোটে ক্যালেন্ডারে মোদিজির মুখ ছেপে পশ্চিমবঙ্গে সিবিআই কসরত দেখিয়ে সিনেমাহলে জাতীয় সংগীত বাজিয়ে গেরুয়া শিবির সেই ভয়কে জয় করতে পারে কি না—এখন সেটাই দেখার।




?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta