কলকাতা, সোমবার ২৩ জানুয়ারি ২০১৭, ৯ মাঘ ১৪২৩

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড় | ম্যাগাজিন


প্রজাতন্ত্র দিবসের মহড়ায় পাঞ্জাব ট্যাবলোর শিল্পীদের ফটো সেশন। -পি টি আই

অসমে জঙ্গি হামলায় হত দুই জওয়ান, পালটা গুলিতে খতম ২ সন্ত্রাসবাদীও

গুয়াহাটি, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হল অসম রাইফেলসের দুই জওয়ানের। রবিবার অসম-অরুণাচল প্রদেশ সীমান্ত থেকে পর্যটকদের পাহারা দিয়ে ফেরানোর সময় তিনসুকিয়া জেলায় জঙ্গিরা হামলা চালায়। জওয়ানদের গাড়ি লক্ষ্য করে নাগাড়ে গ্রেনেড ছুঁড়তে থাকে জঙ্গিরা। ঘটনাস্থলেই দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়। জখম হয়েছেন তিনজন। হামলার আকষ্মিকতা কাটিয়ে পালটা গুলি চালাতে শুরু করেন জওয়ানরা। তাতে দুই জঙ্গি মারা গিয়েছে বলে অসম রাইফেলস জানিয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ উলফা (১) জঙ্গিগোষ্ঠী। সংগঠনের কম্যান্ডার পরেশ অসোম (বড়ুয়া) এবং কো-অর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান এম এম নগউবা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনসুকিয়া জেলায় চারটি সংগঠন একত্রিত হয়ে জওয়ানদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাতে তিন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে তাঁরা দাবিও করেছেন।

প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে অসম রাইফেলসের তরফে জানানো হয়েছে, জখম জওয়ানদের অবস্থা গুরুতর। জওয়ানদের একটি গাড়ি ও পর্যটক বোঝাই তিনটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জখমদের তালিকায় পর্যটকরা রয়েছেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয় নি। প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেছেন, এদিন ভারত-মায়ানমার সীমান্তে প্যাংসাউ পার্বন দেখতে গিয়েছিলেন বহু পর্যটক। তাঁদের এসকর্ট করে নিয়ে আসার সময় অসমের তিনসুকিয়া জেলার জগুন এলাকা সংলগ্ন ৫৩ নম্বর জাতীয় সড়কে অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। জওয়ান ও পর্যটকদের গাড়ি লক্ষ্য করে একের পর এক গ্রেনেড ছুঁড়তে শুরু করে তারা। জওয়ানরাও পালটা গুলি চালায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয়ের মধ্যে গুলির লড়াই চলছে বলে জানা গিয়েছে। দু’জন জঙ্গি মারাও গিয়েছে বলে খবর। তাদের কাছ থেকে দু’টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই ঘটনার জেরে চরম বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা। অসহায় অবস্থায় বহু পর্যটক জাতীয় সড়কের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

স্থায়ী সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ, জালিকাট্টুর উদ্বোধন না করেই ফিরে যেতে হল মুখ্যমন্ত্রীকে

মাদুরাই ও চেন্নাই, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): অর্ডিন্যান্সের জেরে আপাতত বৈধ হয়েছে ষাঁড়ের খেলা জালিকাট্টু। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পনিরসেলভাম নিজেই জানিয়েছিলেন, মাদুরাইয়ের আলাঙ্গানাল্লুরে ঐতিহ্যবাহী এই খেলার উদ্বোধন করবেন রবিবার। কিন্তু পারলেন না। প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ে খেলার উদ্বোধন না করেই চেন্নাই ফিরে যেতে হল তাঁকে। কিন্তু কেন এই বিক্ষোভ? আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে জালিকাট্টু তো বৈধ হয়ে গিয়েছে! উত্তরে আন্দোলনকারীদের দাবি, ‘অর্ডিন্যান্সের বৈধতা শেষ হলে ফের এই নিয়ে দড়ি টানাটানি শুরু হবে। আমরা চাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হোক। একইসঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে পেটাকে। এগুলি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বিক্ষোভ চলবে।’

রবিবার সকাল ১০টা আলাঙ্গানাল্লুরে আসার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী পনিরসেলভামের। কিন্তু বিক্ষোভের আঁচ তিনি টের পান চেন্নাইয়ের মেরিনা বিচেই। জালিকাট্টু বিতর্কের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে তখনও কয়েকশো মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সেখানে। আলাঙ্গানাল্লুরে পৌঁছেও বিক্ষোভের টের পান মুখ্যমন্ত্রী। হোটেল থেকে বেরতে পারেননি তিনি। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা ছিল নাথাম কোভিলপত্তিতে। কিন্তু সেখানেও বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায় জালিকাট্টুর স্থায়ী সমাধানের দাবিতে। ফলে ওখানেও যেতে পারেননি পনিরসেলভাম। শেষমেশ চেন্নাই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ফেরার পথে মাদুরাইতে তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকার যে অর্ডিন্যান্স এনেছে, সেটা স্থায়ীই। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিধানসভা অধিবেশনে এই অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করা হবে। ফলে জালিকাট্টু আয়োজনের ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকবে না আইনত।’ একইসঙ্গে তিনি জানান, ‘স্থানীয়রাই ঠিক করবেন, আলাঙ্গানাল্লুরে কবে জালিকাট্টু আয়োজিত হবে।’

তবে শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, থাঞ্জাভুরের মানোজিপত্তি গ্রামে জালিকাট্টুর উদ্বোধনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুরাইকান্নুও। এমনকী, কোয়েম্বাটোরে ষাঁড়ের গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে গিয়েও বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় প্রশাসনিক মন্ত্রী এস পি ভেলুমনি। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করতে পারলেও, তাঁর মঞ্চের সামনে ধরনায় বসে পড়েন বেশকিছু পড়ুয়া। দাবি, জালিকাট্টু বিতর্কের স্থায়ী সমাধান করতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে বেরনোর সময় ভেলুমনি বলেন, ‘কেউ কেউ এই অর্ডিন্যান্স নিয়ে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে। আমি পরিষ্কার করে দিতে চাই, জালিকাট্টুর স্থায়ী সমাধানের জন্যই এই অর্ডিন্যান্স আনা হয়েছে।’ মুখ্যমন্ত্রী পনিরসেলভাম থেকে শুরু করে ভেলুমনির কথার প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজুর ট্যুইটেও। তাঁর মত, ‘অর্ডিন্যান্সটা স্থায়ী সমাধান নয়, এটা ঠিকই। তাই তামিলনাড়ুর মানুষের এই শঙ্কাটা অমূলক নয়। কিন্তু রাজ্য সরকার যদি সেটাকে আইনে পরিণত করে ফেলে, তবে সেটা জালিকাট্টুর স্থায়ী সমাধান হিসাবেই চিহ্নিত হবে।’ আর এই নতুন অর্ডিন্যান্স নিয়ে কেউ মামলা করলে তা যাতে রাজ্যকে জানানো হয়, সেজন্য ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে তামিলনাড়ু প্রশাসন। তামিলনাড়ুর কাউন্সেল যোগেশ কাননা রবিবার বলেন, ‘শনিবারই আমরা ক্যাভিয়েট দাখিল করেছি শীর্ষ আদালতে। যাতে কেউ যদি এই অর্ডিন্যান্সের বিরোধিতা করে মামলা করে, তা যাতে রাজ্য সরকারকে জানানো হয়।’

কিন্তু এই আইনি মারপ্যাঁচে পড়তে রাজি নন তামিলনাড়ুর জনগণ। তাদের সাফ কথা, অর্ডিন্যান্স মোটেই এর স্থায়ী সমাধান নয়। তা না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে। যে বিক্ষোভে ইতিমধ্যে মাদুরাইতে মৃত্যু হয়েছে চন্দ্রমোহন নামে এক ব্যক্তির। তিরুনেলভেলিতে বিক্ষোভ দেখানোর সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। ফলে শনিবার রাজ্যপাল বিদ্যাসাগর রাও অর্ডিন্যান্সে সম্মতি দিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী খেলাকে ফের আইনি বৈধতা দিয়েছিলেন, সেই বৈধতার স্থায়ীকরণের দাবিতেই ফের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে দক্ষিণের এই রাজ্যে। যার আঁচ পেয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীই।

বরফ-দুর্যোগে বিধ্বস্ত কাশ্মীর, বিপর্যস্ত জনজীবন, অবরুদ্ধ জাতীয় সড়ক

শ্রীনগর ও সিমলা, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): ফের নতুন করে বরফ পড়তে শুরু করেছে গোটা কাশ্মীরে। সঙ্গে দোসর বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও। আর এই দু’য়ের দাপটে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত ভূস্বর্গ। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, রবিবার কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জম্মু-কাশ্মীর। বরফে ঢাকা পড়েছে জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক। পিচ্ছল পথে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ। কাশ্মীরের সঙ্গে যোগাযোগকারী প্রধানরাস্তাগুলির হালও একই রকম। কোথাও চার আবার কোথাও আট থেকে ১৩ সেন্টিমিটার পুরু বরফ পড়েছে। মুখ থুবড়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবনও। আগামী ৪-৫দিনের মধ্যে পরিস্থিতির তেমন কোনও হেরফের হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের হাওয়া অফিস। বরং কাল মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বরফ পড়ার সঙ্গে নামতে পারে বৃষ্টিও। এদিকে প্রবল শৈত্যপ্রবাহে জবুথবু হিমাচলপ্রদেশ। এখনই তার দাপট কমার কোনও লক্ষ্ণণ নেই বলে পূর্বাভাস রাজ্য হাওয়া অফিসের। উলটে আরও বেশি বরফ পড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়াবিদরা।

বেশ কয়েক বছর কার্পণ্য দেখানোর পর এবার শীত মরশুমে জম্মু-কাশ্মীরে অত্যন্ত সদয় হয়েছে প্রকৃতি। টানা শৈত্য প্রবাহের পর ঢালাও বরফ পড়তে শুরু করেছে গোটা উপত্যকায়। বিশেষ করে জম্মু-কাশ্মীরের অপেক্ষাকৃত উঁচু এলাকায় এবার রেকর্ড বরফ পড়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এমনকী, সেই তালিকায় ঢুকে পড়ে শ্রীনগরও। গতকাল রাত থেকে নাগাড়ে বরফ পড়তে শুরু করে শহরে। এদিন দুপুর পর্যন্ত বরফের চাদর পুরু হয়েছে ০.৮ সেন্টিমিটার।

উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারাসহ প্রভৃতি এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ সেন্টিমিটারের মতো বরফ পড়েছে। পহেলগাঁওয়ের রাস্তায় ১৩ সেন্টিমিটারেরও বেশি বরফ পড়েছে। সঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। বরফ-বৃষ্টির দুর্যোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই পর্যটনকেন্দ্র। যোগাযোগও প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে এই দুই শহরের সঙ্গে।

বরফে বেহাল জাতীয় সড়কও। একমুখী যান চলাচলে কোনওরকমে সচল রাখা হয়েছিল শ্রীনগর থেকে জম্মু যাওয়ার রাস্তা। এদিন সেটাও কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের ট্র্যাফিক দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, জাতীয় সড়কের কোথাও কোথাও বরফের চাদর পুরু হয়েছে। এবং তা এতটাই পিচ্ছল যে, যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে কোনওরকম ঝুঁকি নেওয়া যাচ্ছে না। ফলে জাতীয় সড়ক আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন।

হিমাচলপ্রদেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছিলই। গত ২৪ ঘণ্টায় পার্বত্য এলাকাগুলিতে বরফ পড়তে শুরু করে। এদিন আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনে বরফের সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিও নামতে পারে। কারণ, উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানে পশ্চিমি ঝঞ্ঝা চলছে। তারই প্রভাব পড়বে গোটা হিমাচলপ্রদেশে।

সুরেশ প্রভুর সদিচ্ছা থাকলেও কেন্দ্র রেলের বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করছে: মমতা

নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): সুরেশ প্রভুর সদিচ্ছা থাকলেও কেন্দ্রীয় সরকার রেলের বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে চলেছে। এমনই মন্তব্য করে অন্ধ্রপ্রদেশে রেল দুর্ঘটনার পরের দিনই বর্তমান রেলমন্ত্রী পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জগদলপুর-ভুবনেশ্বর হীরাখণ্ড এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা দুর্ঘটনার জন্য কখনোই মন্ত্রীকে দায়ী করব না। তাঁর সদিচ্ছা রয়েছে। কিন্তু সরকারের উচিত রেল সম্পর্কে আরও মনোযোগী হওয়া। পর পর তিনটি রেল দুর্ঘটনার জেরে যখন জাতীয়স্তরে সুরেশ প্রভুর সমালোচনার মুখে পড়ছেন, সেই পরিস্থিতিতে রেলমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন তথ্যাভিজ্ঞ মহল।

এদিকে, নভেম্বর থেকে তিনটি দুর্ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে রেল দপ্তর। যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দূরপাল্লার ট্রেনের পুরানো কামরাগুলিকে বদল করার চেষ্টা চলছে। ২০১৭-’১৮ আর্থিক বছরে নতুন এলএইচবি কোচ তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যাতে ২০১৮-’১৯ সালে পুরানো কামরা ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করে এলএইচবি কোচ ব্যবহার করা যায়। এই ধরনের কোচে যাত্রীরা অনেক বেশি সুরক্ষিত। ২০১৭-’১৮ সালে ৩ হাজার ২৫টি এলএইচবি কোচ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

হীরাখণ্ড এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন বারিপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ রঞ্জন মোহান্তি। তবে, এখনও আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারেননি এই প্রৌঢ়। আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে ওই অভিশপ্ত ট্রেনে উঠেছিলেন রঞ্জন মোহান্তি। তিনি বললেন, আমি ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ প্রচণ্ড ঝাঁকুনি দিয়ে ট্রেন থেমে যায়। আমি নীচে ছিটকে পড়ি। অন্ধকারের মধ্যে কোনও মতে সরু একটা জায়গা দিয়ে কামরার বাইরে বের হই। ঈশ্বরের অসীম কৃপা যে, প্রাণে বেঁচে ফিরতে পেরেছি। গুরুতর চোট লাগেনি। হাতে পায়ে সামান্য চোট পেয়েছি। একই ধরনের অভিজ্ঞতা ওই অভিশপ্ত এক্সপ্রেসের আরও এক যাত্রী প্রকাশ সাহুর।

এবারই প্রথম ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভাগ্য নির্ধারণ হবে পাঞ্জাবে

চণ্ডীগড়, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): নভজ্যোৎ সিধুর হাত ধরে কি পাঞ্জাবে ভাগ্য খুলবে কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধীর? দিল্লির পর আবার অপ্রত্যাশিত ফল করবেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল? নাকি ভোট কৌশলের মাস্টার সুখবীর সিং বাদল এবারও বাজিমাৎ করবেন? এবারই প্রথম পাঞ্জাবের ভোটে ত্রিমুখী লড়াই। শাসক অকালি-বিজেপি জোটের সঙ্গে লড়াই কংগ্রেস ও আপের।

হাতে আর মাত্র ১২ দিন। এর মধ্যেই পাঞ্জাবে নিজেদের ভাগ্য ঠিক করতে তৎপর হয়েছে সব দলই। এবারের লড়াই মূলত তিন পক্ষে। প্রধান দুই প্রতিপক্ষ অবশ্যই শাসক শিরোমণি অকালি-বিজেপি জোট ও কংগ্রেস। তৃতীয় শক্তি হিসাবে উঠে এসেছে আম আদমি পার্টি।

পাঞ্জাবে এবার কংগ্রেসের মুখ ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোদির বিজয়রথে একফোটা চোনা ফেলে দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেনই। অমৃতসর কেন্দ্রে তিনি হারিয়ে দিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা মোদি ঘনিষ্ঠ অরুণ জেটলিকে। সেই ক্যাপ্টেন এবার শপথ নিয়েছেন ‘দুষ্ট বাদল’ পরিবারকে উৎখাত করবেন। পাঞ্জাবে কংগ্রেসের ভালো ফলের উপর নির্ভর করছে দলের সহ সভাপতি রাহুল গান্ধীর ভবিষ্যৎও। কারণ পাঁচ রাজ্যের মধ্যে কংগ্রেসের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে পাঞ্জাবেই। কেন? গত ১০ বছর ধরে পাঞ্জাবে ক্ষমতায় রয়েছে অকালি-বিজেপি জোট। ফলে প্রতিষ্ঠানবিরোধী ভোট এবার কংগ্রেসের সম্পদ হতে পারে। সদ্য কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি এমপি নভজ্যোৎ সিং সিধু। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি শুধু দলের স্বার্থই দেখছে। তিনি দেখতে চান পাঞ্জাবের স্বার্থ। সেই কারণে দল বাদল পরিবারের সঙ্গে হাত মেলালেও, তিনি তাদের সঙ্গে যেতে পারেননি। যোগ দিয়েছেন অমরিন্দরের সঙ্গে। এবার তাঁর লক্ষ্য কংগ্রেসের হাত ধরে রাজ্য থেকে বাদল পরিবারকে উচ্ছেদ।

২০১২ সালের নির্বাচনে ইতিহাস গড়েছিল শিরোমণি অকালি দল। ১৯৬৬ সালের পর থেকে রাজ্যে প্রতিটি নির্বাচনেই পালা করে জিতেছিল কংগ্রেস ও শিরোমণি অকালি দল। ব্যতিক্রম ছিল ২০১২। সেবার রেকর্ড করে টানা দ্বিতীয়বার ভোটে জিতেছিল অকালি দল। টানা দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন প্রকাশ সিং বাদল। কিন্তু সকলেই জানেন তাঁর ছেলে তথা উপমুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং-ই ছিলেন জয়ের কারিগর। তাঁর মস্তিষ্ক, পরিকল্পনাই কংগ্রেসের ভাতে ছাই দিয়েছিল। এবারও তিনি বাবাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে রেখে আসরে লড়াইয়ে। কিন্তু প্রথমত ১০ বছরের শাসন, দ্বিতীয়ত পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ভুরি ভুরি অভিযোগ টপকে তৃতীয়বারের জন্য দলকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা সুখবীরের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে রয়েছে দলে বাদল পরিবারের বজ্রমুষ্টি সত্ত্বেও নেতৃত্বে অনাস্থা দেখানো বেশ কয়েকজন নেতার কারিকুরি। দল ও মন্ত্রিসভায় বাদল পরিবারের দাপট অনেক অকালি নেতাই মানতে পারছেন না। তবুও একগুচ্ছ সামাজিক প্রকল্পের রূপায়ণের মাধ্যমে সুখবীর নিজের দিকে হাওয়া টেনে নিতেই পারেন।

দুই প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ের ফাঁকে এবার হঠাৎ করেই উদয় হয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। গত লোকসভা নির্বাচনে এই পাঞ্জাব থেকেই সবচেয়ে ভালো ফল করেছিল আপ। জিতেছিল চারটি আসন। সম্প্রতি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত ভালো ফল করে বিজেপিকে ধুইয়ে দিয়েছিল আপ। এবার পাঞ্জাবে সেই ফলের পুনরাবৃত্তি চাইছে রাজ্যে প্রথমবার বিধানসভা ভোটে লড়তে নামা আপ নেতৃত্ব। বছর খানেক ধরেই তারা রাজ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। একসময় মনেও হয়েছিল অকালি জোটকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসবে আপ। কিন্তু অভ্যন্তরীণ কোন্দলে এখন সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমেছে। তবুও কংগ্রেস ও অকালি জোট-দু’পক্ষই মানছে আপ অপ্রত্যাশিত প্রতিপক্ষ। কী করবে কেউই জানে না। সব হিসাব যে কোনও মুহূর্তে গুলিয়ে দিতে পারে তারা। তাই এবারের নির্বাচন তিন পক্ষের কাছেই লিটমাস টেস্ট।

কেজরিওয়ালের মন্তব্যের জবাব দিতে নারাজ কমিশন

পানাজি, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মন্তব্যের কোনও জবাব দিতে রাজি হলেন না মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নাসিম জাইদি। এদিন তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন তার নির্দেশ দিয়েছে। এখন এ নিয়ে কমিশন কোনও বিতর্কে জড়াতে রাজি নয়। কমিশনের নির্দেশ অত্যন্ত স্পষ্ট এবং সাধারণ মানুষও সেই নির্দেশ দেখতে পাবে। কমিশন এ বিষয়ে কোনও জবাব দিতে প্রস্তুত নয়। প্রসঙ্গত, ঘুষ নিয়ে ভোট দেওয়া প্রসঙ্গে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকে সেন্সর করেছে কমিশন। এরপরেই কমিশনের সেই নির্দেশকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করবেন বলে ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।

গোয়ার এক নির্বাচনী সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছিলেন, অন্য রাজনৈতিক দলের নেতারা টাকা দিতে এলে তা নিয়ে নেবেন। কিন্তু ভোট দেবেন আপকে। সেই ঘুষ মন্তব্যের জন্য নির্বাচন কমিশন গতকাল কেজরিওয়ালকে সেন্সর করে। কমিশনের তরফে স্পষ্টই জানিয়ে দেওয়া হয়, এরপরেও যদি তিনি মডেল কোড অব কন্ডাক্ট ভঙ্গ করেন, তবে তাঁর ও তাঁর দলের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে দলকে সাসপেন্ড বা স্বীকৃতি কেড়েও নেওয়া হবে। এই নির্দেশের পরেই ক্ষুব্ধ কেজরিওয়াল কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কমিশনের এই নির্দেশ বেআইনি, অসাংবিধানিক ও ভুল। তাই কমিশনের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হবে।

এদিন গোয়ায় দলের হয়ে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিক্কর। রাজ্যে ২০১২ সাল থেকেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। কিন্তু তাঁর দল যে প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে পূরণ করতে পারেনি, তা এদিন স্বীকার করে নেন পারিক্কর। তবে এর দায় তিনি চাপিয়েছেন পূর্বতন কংগ্রেস সরকারের উপর। পারিক্কর বলেন, বিজেপি যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন নানাবিধ কেলেঙ্কারির মাধ্যমে রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ করে দিয়েছিল কংগ্রেস। খনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছিল রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্যে। মানুষ মনে করছে যে সব সামাজিক প্রকল্পের কথা বিজেপি ঘোষণা করেছিল, তা রূপায়িত করতে পারবে না। কিন্তু গত দু’বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে রাজ্যের আর্থিক অবস্থা শুধরে ফেলা হয়েছে। এখন সেই সব প্রকল্পও রূপায়িত হবে।

এবার গোয়া ভোটে পোস্টাল ব্যালটে নতুন পদ্ধতি কার্যকর করছে নির্বাচন কমিশন। যিনি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন, তিনি সরাসরি তাঁর ভোটের ব্যালট রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠিয়ে দিতে পারবেন। ভারতের মধ্যে গোয়াই প্রথম রাজ্য যেখানে এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নাসিম জাইদি বলেছেন, সার্ভিস ভোটাররা ব্যালট ডাউনলোড করে ফরম পূরণ করে মেল করে রিটার্নিং অফিসারকে পাঠিয়ে দিতে পারবেন। পাশাপাশি রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রায়াল মেশিন থাকবে। এর ফলে একজন ভোটার বুঝতে পারবেন, তার প্রদত্ত ভোট সঠিক জায়গায় পড়েছে কি না।

সপা-কংগ্রেস জোট নিশ্চিত করাতে আলোচনা চালিয়ে গিয়েছি, দাবি লালুর

পাটনা, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): অখিলেশ ও মুলায়ম সিং যাদবের মধ্যে মনোমালিন্যের সময় বরফ গলানোর চেষ্টা করেছিলেন। লক্ষ্য ছিল পারিবারিক আত্মীয়তার জায়গা থেকে বাবা ও ছেলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে তোলা। এবার উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের মধ্যে জোট নিশ্চিত করতেও মধ্যস্থতা করলেন লালুপ্রসাদ যাদব। রবিবার নিজেই এই দাবি করেছেন আরজেডি সুপ্রিমো। লালুর দাবি, উত্তরপ্রদেশে সপা ও কংগ্রেসের মধ্যে জোট নিশ্চিত করতে তিনি দুই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেই আলোচনা চালিয়ে গিয়েছেন।

দীর্ঘ ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে কংগ্রেস ও সপার মধ্যে জোট ইতিমধ্যেই পাকা হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় এদিন লালুর ট্যুইট, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস ও সপা যাতে জোট গড়ে লড়াই করে সেজন্য দুই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে টানা আলোচনা চালিয়ে গিয়েছি। বিহারের মতো করে সেখানে যাতে একটি জোট হয়, সেই আশায় অপ্রাণ চেষ্টা করেছি। উল্লেখ্য, বিজেপিকে ঠেকাতে বিহারেও মহাজোট গড়ে লড়েছিল লালুর দল। সেখানে আরজেডি, জেডিইউ ও কংগ্রেসের মধ্যে জোট হয়েছিল। ক্ষমতাসীন এই জোট সরকারে জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হলেও সবচেয়ে বেশি বিধায়ক রয়েছে লালুর দলের। গতমাসে মুলায়ম ও অখিলেশের মধ্যে মনোমালিন্য চরমে ওঠার সময় তাঁদের মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন লালু নিজে। মুলায়মের পারিবারিক আত্মীয় হিসাবে। এরপর অখিলেশ সপার সর্বোচ্চ ক্ষমতা দখল করার পর তাঁর প্রতিই সমর্থন জানিয়েছিল লালুর পরিবার। অখিলেশ শিবিরের হয়ে প্রচারে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন লালু। এবার সপা-কংগ্রেস জোট গড়ার পিছনেও ভূমিকা পালন করলেন তিনি।

প্রবীণদের স্বার্থে জাতীয় নীতি সংসদে অনুমোদনের দাবি

নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): দেশের বয়স্ক মানুষদের জন্য তৈরি জাতীয় নীতিটিকে অনুমোদন দেওয়া উচিত সংসদের। বিশেষ করে যেভাবে দেশে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে এই দাবি করল একটি এনজিও।

বয়স্ক মানুষের কল্যাণের স্বার্থে তৈরি এই নীতি ও সুপারিশসহ একটি রিপোর্ট পেশ করা হয় বিচারপতি এম বি লকুর ও পি সি পন্থকে নিয়ে গড়া সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চে। সুপ্রিম কোর্ট এটি গ্রহণ করে ও কেন্দ্রকে তা খতিয়ে দেখতে বলে। প্রবীণ মানুষের কল্যাণে প্রকল্পগুলি কার্যকর করার দাবিতে একটি জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন প্রাক্তন আইনমন্ত্রী তথা প্রবীণ আইনজীবী অশ্বিনী কুমার। এই ইস্যুতে হেল্প এজ ইন্ডিয়া নামে এনজিএটিকে আদালত বান্ধব হিসাবে নিযুক্ত করে সুপ্রিম কোর্ট। এনজিওটি বলে, কেন্দ্রীয় সরকারের নিযুক্ত একটি কমিটি ২০১১ সালের ৩০ মে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য একটি জাতীয় নীতির খসড়া তৈরি করেছিল। তবে পাঁচ বছর পেরিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও এই বিষয়টি থমকে রয়েছে। এই ইস্যুতে পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছে শীর্ষ আদালত।

যৌন হেনস্তার প্রতিবাদ করে আক্রান্ত নির্যাতিতার পরিবার

মুজফফরনগর, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): যৌন হেনস্তার প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হল নির্যাতিতার পরিবার। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে মুজফফরনগরে। পুলিশ জানিয়েছে, ২৩ বছরের ওই ছাত্রী সন্ধ্যায় টিউশন সেরে বাড়ি ফিরছিল। সিভিল লাইন থানার অধীনস্ত জনকপুরি এলাকায় অঙ্কুর এবং অঙ্কুশ নামে দুই যুবক তাঁকে যৌন হেনস্তা করে বলে অভিযোগ। বাড়ি ফিরে ঘটনার কথা পরিবারকে বলায় পুলিশে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। সেইমতো থানায় গিয়ে অভিযোগও দায়ের করা হয়। এরপর রাতে আসবানী, দীপক ও রেখা নামে তিনজনকে নিয়ে অঙ্কুর এবং অঙ্কুশ নির্যাতিতার বাড়িয়ে হামলা চালায়। মারধর করা হয় তাঁর পরিবারের সদস্যদের। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পাঁচজনই আপাতত পলাতক।

নির্বাচন কমিশনের নোটিস

মথুরা, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): ‘পেইড নিউজ’-এর ছাপানোর অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা প্রদীপ মাথুরকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। প্রদীপ মাথুর মথুরা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একইসঙ্গে নোটিস পাঠানো হয়েছে ওই আঞ্চলিক সংবাদপত্রের সম্পাদককেও। অন্যদিকে, আদর্শ নির্বাচনী বিধি ভেঙে মনোনয়ন জমা দিতে আসা এবং নির্বাচনী জনসভা করার দায়ে মন্ত কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী এস কে শর্মাকে অভিযুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।

কয়লা দুর্নীতি: রঞ্জিৎ সিনহাকে
নিয়ে আজ রায় জানাবে সুপ্রিম কোর্ট

নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি (পিটিআই): কয়লা খনি দুর্নীতিতে নয়া মোড়। প্রাক্তন সিবিআই প্রধান রঞ্জিৎ সিনহাকে অভিযুক্ত করা হবে কি না সে বিষয়ে আজ সোমবার রায় শোনাতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম বি লোকুরের নেতৃত্বাধীন বিশেষ বেঞ্চ এই রায় দেবে। প্রসঙ্গত, কয়লা দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগ রয়েছে রঞ্জিৎ সিনহার বিরুদ্ধে।

 






?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta