কলকাতা, সোমবার ২৩ জানুয়ারি ২০১৭, ৯ মাঘ ১৪২৩

রবিবার | রেসিপি | আমরা মেয়েরা | দিনপঞ্জিকা | শেয়ার | রঙ্গভূমি | সিনেমা | নানারকম | টিভি | পাত্র-পাত্রী | জমি-বাড় | ম্যাগাজিন


রাজ্যজুড়ে চলছে সরস্বতী পুজোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। নিজস্ব চিত্র।

নেতাজি সংক্রান্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রকের হাতে থাকা পাণ্ডুলিপি প্রকাশ হোক, চায় তৃণমূল

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি: প্রতিরক্ষামন্ত্রকের হাতে থাকা নেতাজি সংক্রান্ত পাণ্ডুলিপি এখনও কেন প্রকাশ হল না? এই মর্মে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীর জবাব চায় তৃণমূল। দলের তরফে রাজ্যসভায় তৃণমূলের ডেপুটি লিডার সুখেন্দুশেখর রায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সন্তোষজনক কোনও জবাব বা কেন্দ্রীয় সরকারের তেমন ইতিবাচক উদ্যোগ না দেখে এবার তিনি আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ওই পাণ্ডুলিপি প্রকাশ করার ক্ষেত্রে কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে বলে সরকারের দাবি।

যদিও সুখেন্দুবাবুর পালটা বক্তব্য, নেতাজি সংক্রান্ত ওই পাণ্ডুলিপি প্রকাশের ব্যাপারে মামলা হয়েছিল কংগ্রেস আমলে। যারা নেতাজি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য গোপন রাখারই নীতি নিয়েছিল। এখন তো ক্ষমতায় মোদি। তাঁর নীতি নেতাজি সংক্রান্ত যাবতীয় গোপন ফাইল প্রকাশ করা। তাহলে তারপরেও কেন প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ওই প্রকাশনার পাণ্ডুলিপি প্রকাশ হবে না? তাছাড়া এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার নেতাজি সংক্রান্ত যেসব গোপন ফাইল প্রকাশ করল, তারমধ্যে সুভাষচন্দ্র বসুর ‘অন্তর্ধান রহস্যে’র কোনও সমাধান সূত্র মেলেনি। নেতাজি সংক্রান্ত যাবতীয় গোপন ফাইল সরকার প্রকাশ করেনি বলেও অভিযোগ করেছেন সুখেন্দুবাবু।

জয়ার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ অন্য গোষ্ঠীর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার দল। তার মধ্যেই সংগঠনের রাজ্য সভাপতি জয়া দত্তের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ জমা পড়ল। অভিযোগকারীরা সংগঠনেরই সদস্য বলে পরিচিত। এ নিয়ে জয়াদেবী কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে ঘটনা জানাজানি হতেই সংগঠনের অন্দরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এদিকে এই অবস্থার মধ্যেই, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে আগামীকাল, মঙ্গলবার টিএমসিপি’র দুই গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

অভিযোগপত্রে জয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন টিএমসিপি’র কয়েকজন সদস্য। তাঁরা বলেছেন, গত আট মাস ধরে রাজ্য সভাপতির আচরণে আমরা মানসিকভাবে আহত। একাধিক ছাত্রছাত্রীকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, কখনও সমর্থকদের এসএফআই, কখনও এবিভিপি’ তকমা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, কয়েকজনকে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বিচার চেয়েছেন ওই সদ্যসরা।

ক’দিন বাদেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন। তার আগে এই ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তাহলে কি রাজ্য সভাপতির পদে জয়া দত্তের পদ সুরক্ষিত নয়? রাজ্য সভাপতির পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই যে মাত্রায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে, তাতে সংগঠনের অন্দরেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তার উপর, ক’দিন আগে যেভাবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের শক্তি প্রদর্শন করলেন জয়াদেবী, তাও ভালোভাবে নেননি মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর এই অভিযোগ, বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আজ নেতাজির জন্মদিনে রাজ্যজুড়ে নানা অনুষ্ঠান, জেলে স্বদেশি গানের আসর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, সোমবার ২৩ জানুয়ারি। সারা দেশের সঙ্গে এ রাজ্যেও নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হবে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তী। মূল ও কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানটি প্রতিবারের মতো এবারও হবে রেড রোডে নেতাজি মূর্তির পাদদেশে। নেতাজি জন্মজয়ন্তী কমিটির উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন বামফ্রন্টের নেতারা। কংগ্রেসের নেতারাও উপস্থিত থাকেন। যোগ দেন রাজ্য সরকারের তরফে কোনও নেতা-মন্ত্রী।

আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এবার আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে তাঁর স্মৃতি-বিজড়িত সেলে বসে কথায় ও গানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাবেন বন্দিরা। স্বদেশী গানের ওই আসরে অংশ নেবেন বিচারাধীন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত বেশ কিছু বন্দি। গত কয়েকদিন ধরে তাঁরা জেলের চার দেওয়ালের মধ্যে তালিম নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, স্বাধীনতা সংগ্রামে এই বীর সৈনিকের অবদানকে তুলে ধরা হয়েছে একটি লেখায়। আর তাতেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের গৌরবময় নানা কাহিনীর মাঝে মাঝে রয়েছে দেশাত্মবোধক সংগীত। এর পাশাপাশি অনুষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে আবৃত্তি, শ্রতিনাটক প্রভৃতি।

ইতিমধ্যে জেলের পিছনে হেরিটেজ ভবন সংলগ্ন ওই সেলটির ঝাড়পোছ একেবারে শেষ পর্যায়ে। সেলে পড়েছে নতুন রং-এর প্রলেপ। লাগানো হয়েছে নতুন আলো। নেতাজির আবক্ষ মূর্তিটিও পরিষ্কার করা হয়েছে। জেল সূত্রের খবর, ওইদিন নেতাজির জন্ম মুহুর্তে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে ফুল-মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো এবং সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার পরই শুরু হবে বন্দিদের নিবেদিত ওই স্বদেশি গানের আসর। সন্ধ্যায় ওই সেলের কাছে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে মাটির প্রদীপ এবং মোমবাতি। জেলের কর্মীদের একাংশের কথায়, এই জেলে এই মহান মানুষটির সেল থাকায় আমরা অত্যন্ত গর্ব অনুভব করি। আর তাই শুধুমাত্র ২৩ জানুয়ারি তাঁর জন্মদিনেই নয়, ২৬ জানুয়ারি, ১৫ আগস্ট, শহিদ দিবস, বালেশ্বর আত্মোৎসর্গ দিবস- এই বিশেষ বিশেষ দিনেও জেলের তরফে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর এই সেলে পুষ্পার্ঘ দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ইংরেজ আমলে কলকাতায় একটি জনসভায় জ্বালাময়ী ভাষণ দেওয়ার কারণে ইংরেজ পুলিশ নেতাজিকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তাঁর স্থান হয় আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের ওই নির্জন স্থানের একটি ‘বিশেষ’ সেলে। বেশ কিছুদিন তাঁকে সেখানে ২৪ ঘন্টা কড়া প্রহরায় আটকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ইংরেজ পুলিশ তাঁকে ওই ছোট সেলের মধ্যেও দমিয়ে রাখতে পারেনি। ওই সেলেই বসেই তিনি গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে যেতেন। যা দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছিল প্রহরারত পুলিশ বাহিনী। সেই কথা গোয়েন্দারা লালবাজারের সদর দপ্তরকে রিপোর্টে জানিয়েছিলেন। জেল সূত্রের খবর, শুধু তাই নয়, ওই সেলে থাকার সময় তাঁকে কোনওভাবেই বিচলিত হতে দেখা যায়নি। সেখানে তিনি ছিলেন একেবারেই ধীর, স্থির এবং শান্ত।

জানা গিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আলিপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই সেলটি অনাদারেই পড়েছিল। ওই সেলের দরজা বন্ধ অবস্থায় ছিল। সেখানে নোংরা-আবর্জনা ভরতি ছিল। পরবর্তী সময় সেলটি সাফসুতরো করা হয়। সেখানে বসানো হয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর একটি আবক্ষ মূর্তি। সেই মূর্তিটিকে ঘিরেই বছরভর শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছেন জেলের বন্দিরা। অনেকেরই বক্তব্য, এই সেলটির কথা সেভাবে প্রচার করা হয়নি। সরকার থেকে যদি এবিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে অনেকেই এই সেলটির অনেক না জানা ‘কথা-কাহিনি’ জানতে পারবেন।

রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষার প্রসারে জোর চেয়ে
দাবি পেশ করবেন রাজ্যের আদিবাসী প্রতিনিধিরা

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জানুয়ারি: পশ্চিমবঙ্গের পিছিয়ে থাকা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে আরও জোর দেওয়া হোক। সাধারণতন্ত্র দিবসের অতিথি হয়ে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এই দাবিই করতে চলেছেন বাংলার আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা। আগামী ২৬ জানুয়ারি রাজপথে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করতে রাজধানীতে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের অশুর এবং মাহালি আদিবাসী গোষ্ঠীর দু’জন প্রতিনিধি। সাধারণতন্ত্র দিবসের পরদিন, অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকে আগত আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তাঁরা। সেখানেই শিক্ষার প্রসারে জোর দেওয়ার আবেদন জানাবেন তাঁরা। তবে শুধুমাত্র রাজপথে সশরীরে হাজির হয়ে কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করা কিংবা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতই নয়, দিল্লির বিভিন্ন দ্রষ্টব্য স্থানও তাঁদের ঘুরিয়ে দেখানো হবে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের অতিথি হয়ে বাংলা থেকে যে দু’জন আদিবাসী গোষ্ঠীর প্রতিনিধি দিল্লিতে এসেছেন, তাঁরা হলেন সন্তোষ অসুর এবং গণেশ মাহালি। সন্তোষবাবুর বাড়ি উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলাতে। গণেশ মাহালি থাকেন পুরুলিয়াতে। গণেশবাবু বলেন, শুধুমাত্র আমাদের মাহালি সম্প্রদায়ই নয়, রাজ্যের গোটা আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যেই শিক্ষার প্রসারে এখনও সেভাবে জোর দেওয়া হয়নি। শিক্ষালাভের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকায় ক্রমশ আমাদের রুটিরুজিতে টান পড়ছে। কারণ যেসব হস্তশিল্পের উপর আমাদের জীবন-জীবিকা নির্ভর করত, সেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলি এখন অনেক ছোটবড় কোম্পানি তৈরি করে আরও সস্তায় বিক্রি করছে। কিন্তু শিক্ষাগতভাবে আমরা পিছিয়ে থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চাইলেও সেইসব কারখানায় আমাদের কাজ দেওয়া হচ্ছে না। প্রসঙ্গত, বর্তমানে বাঁশ দিয়ে নানা শৌখিন এবং দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের জিনিস তৈরি করেন গণেশবাবু। তাঁর সেই সংগ্রহ থেকেই বাঁশের তৈরি একটি ট্রে এবং কলমদানি রাষ্ট্রপতিকে উপহার দেবেন তিনি।

আদিবাসী গোষ্ঠীর এই দুই প্রতিনিধিকে যিনি দিল্লি নিয়ে এসেছেন, রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের অর্ন্তগত কালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সেই ডেপুটি ডিরেক্টর সমীরণ বিশাই কিন্তু শিক্ষায় আদিবাসীদের পিছিয়ে থাকার তত্ত্ব খুব একটা মানতে চাননি। তিনি বলেন, এঁরা কিছুটা পিছিয়ে আছে ঠিকই। কিন্তু ২০০১ সালের জনগণনা অনুসারে বাংলার আদিবাসীদের মধ্যে শিক্ষার যে হার ছিল, ২০১১ সালের সমীক্ষায় কিন্তু তার পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সমীরণবাবু বলেন, ২০০১ সালে মাহালি সম্প্রদায়ের শিক্ষার হার ছিল প্রায় ৪২ শতাংশ। ২০১১ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৫৫ শতাংশ। অশুর সম্প্রদায়ের শিক্ষার হারও ১০ বছরে ৩০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪৫ শতাংশ। ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষার হার ৫৮ শতাংশ।

রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের ওই কর্তার দাবি, বাংলার আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে লাগাতার গবেষণা হয়ে চলেছে। অপুষ্টিজনিত নানা রোগে আক্রান্ত আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিশুদের পরিমাণও গত ১০ বছরে প্রায় ২০ শতাংশ কমিয়ে আনা গিয়েছে বলে সমীরণবাবু জানান। প্রসঙ্গত, এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসে শারোদৎসবকে থিম করে নিজেদের ট্যাবলো সাজিয়েছে রাজ্য সরকার।

সর্বশিক্ষা মিশন এবার নতুন তথ্য চাইছে, তিতিবিরক্ত শিক্ষকরা

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: মিড ডে মিল নিয়ে দৈনিক তথ্য চাওয়ার পাশাপাশি এবার স্কুলগুলিকে নজরদারির আওতায় আনছে রাজ্য সর্বশিক্ষা মিশন। ভুয়ো শিক্ষকদের নামে বেতন তুলে নেওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখানোর মতো অনৈতিক কাজ বাম আমল থেকেই চালু। সেসব রুখতে ডিআইদের মাধ্যমে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুলগুলির কাছে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে তথ্য চাওয়া হয়েছে। এটাকে বলা হচ্ছে ‘স্কুল মনিটরিং ফরম্যাট’। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে সমস্ত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে স্কুলগুলিকে। এই তথ্য ডাইস রিপোর্টের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তারিত। কিন্তু স্কুল প্রশাসনকে যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলেছে এই নতুন পদ্ধতি। কাজের চাপও অনেক বেড়ে গিয়েছে। এই সপ্তাহেই ‘শগুন’ নামে একটি ওয়েবপোর্টাল উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর। সর্বশিক্ষা অভিযান সংক্রান্ত সেই পোর্টালের জন্যই এই তথ্য সংগ্রহ বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক।

নতুন এই ফরম্যাটে কী নেই! শুধুমাত্র কতজন ছাত্রছাত্রী রয়েছে এই তথ্য দিয়েই কাজ শেষ হবে না। প্রতি শ্রেণিতে কত জন ছাত্র কোন বিষয়ে কী গ্রেড পেয়েছে, তা জানাতে হবে। ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও দিতে হবে আলাদা হিসাব। কোন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হয়, তাও জানাতে হবে। শিক্ষকদের সংখ্যা কত, তাঁরা ট্রেনিংপ্রাপ্ত কি না, কোন কোন ক্ষেত্রে তাঁদের ট্রেনিং রয়েছে, দিতে হবে তার হিসাবও। স্কুলছুট কমানোর ক্ষেত্রে শিক্ষকরা কতটা দায়িত্ব নিচ্ছেন, সে ব্যাপারেও নজরদারি করা হচ্ছে। কতজন স্কুলছুট হয়েছে তার হিসাব দেওয়ার পাশাপাশি তাদের স্কুলে ফেরানোর জন্য শিক্ষকরা কী করেছেন, তার বিস্তারিত বিবরণ দিতে হবে। স্কুলছুটের কারণ জানলেই চলবে না, অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের বোঝানো, পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে স্কুলে ফেরানো প্রভৃতি দায়িত্ব নিতে হবে। থাকবে সেই হিসাবও। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদেরও বিস্তারিত হিসাব দিতে হচ্ছে। কতজন এমন ছাত্রছাত্রী আছে, তাদের শারীরিক ত্রুটির বর্ণনা প্রভৃতি দিতে হবে।

এক আধিকারিক বলেন, বহু স্কুলে পর্যাপ্ত ছাত্রছাত্রী নেই। তাদের স্কুলে টেনে আনতে শিক্ষকদের খুব একটা তাগিদও থাকে না। যাতে স্কুলটি বন্ধ করে দেওয়া না হয়, তার জন্য পড়ুয়াদের সংখ্যা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়ে থাকে। বিশেষত কলকাতার স্কুলগুলিতে এরকম সমস্যা রয়েছে। আর প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলে বাম আমল থেকেই ভুয়ো শিক্ষকদের নামে বেতন তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠত। তখন অনলাইন স্যালারি সিস্টেম চালু ছিল না বলে, দুর্নীতিগুলি ধরাও কঠিন হত। এই মনিটরিং চালু হলে এসব বিষয়গুলি প্রায় পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তাছাড়া পঠনপাঠন উন্নত হচ্ছে কি না, সেটাও তো দেখা দরকার। শিক্ষক নিয়োগ করলেই, পরিকাঠামো বাড়ালেই তো সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়ে যেতে পারে না। এর মাধ্যমে তার একটা লেখচিত্রও মিলবে।

কিন্তু এত বাড়তি কাজের জন্য বহু প্রধান শিক্ষকই তিতিবিরক্ত। একজন বলেন, একেই ক্লাস করানোর জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব রয়েছে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে কোনও শিক্ষাকর্মীও থাকেন না। এত কাজ করবে কে? এমনিতেই ডাইস রিপোর্ট রয়েছে। নভেম্বরে ছাত্রছাত্রীদের একটি বিস্তারিত রিপোর্টও দিতে হয়েছে। মিড ডে মিলের দৈনিক ঝক্কি তৈরি হয়েছে। তার সঙ্গে আবার মনিটরিং রিপোর্ট। জানুয়ারিতে বহু স্কুলে ভরতিও শেষ হয় না। ফলে রিপোর্ট দেওয়া হলেও তা অসমাপ্তই থেকে যাবে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির রাজ্য সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলও এ ব্যাপারে অনেকটাই একমত। তিনি বলেন, শিক্ষক এবং কর্মী সংকটের মধ্যে এ ধরনের বাড়তি কাজ শিক্ষকদের দিয়ে করানো হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে পঠনপাঠনে। নিত্যনতুন নিয়ম চালুর আগে সরকারের সবদিক বিবেচনা করা দরকার।

২০ মাস ওষুধ নেই গ্রামে ৫৭৪টি আয়ূশ কেন্দ্রে

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৫৭৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের আয়ূশ ডিসপেনসারিতে প্রায় ২০ মাস হল কোনও ওষুধ নেই। ২০১৫ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ওষুধ কেনার জন্য মিলেছিল প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে। তারপর থেকে ওষুধ কেনা প্রায় বন্ধ। রোগীরা চিকিৎসা করাতে এলে বিনা পয়সার ওষুধ তুলে দেওয়া যাচ্ছে না তাঁদের হাতে। সম্প্রতি এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানালেন তৃণমূলপন্থী পঞ্চায়েতের আয়ূশ চিকিৎসকরা। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক ডাঃ সমীর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মূলত হোমিওপ্যাথিক ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের আয়ূশ পরিষেবা চলে। টাকা আসে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) খাত থেকে। কিন্তু, ওষুধ কেনার টাকা পাঠানো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরিব রোগীদের হাতে বিনা পয়সার ওষুধ তুলে দিতে পারছি না আমরা। প্রতিটি এমন ডিসপেনসারিতে দিনে গড়ে ৫০ জন করে রোগী আসেন। ভাবুন দেখি, কী লজ্জাজনক অবস্থার মধ্যে পড়েছি আমরা।

সংগঠনের তরফে আরও অভিযোগ, আগে চার ঘণ্টা ডিউটিতে তাঁরা ১৬ হাজার টাকা মাসিক বেতন পেতেন। এখন ডিউটির সময়সীমা বেড়ে ছ’ঘণ্টা হলেও বেতন বাড়েনি। বর্তমানে সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম বেতন পশ্চিমবঙ্গের এনএইচএম ডাক্তারদের। শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্য ও পঞ্চায়েত- দুই দপ্তরের মাঝে পড়ে ত্রিশঙ্কুর মতো হাল হয়েছে তাঁদের।

এ বিষয়ে রবিবার বিকালে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ বিশ্বরঞ্জন শতপথী কোনও মন্তব্য করতে চাননি। পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম জমানার থেকে এখন পঞ্চায়েতের ডাক্তারদের অনেক উন্নতি হয়েছে। আমরা বেতন বাড়িয়েছি। আরও বাড়লে ভালো হয়। কিন্তু, বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের। আর মুখ্যমন্ত্রী তো সর্বত্র বিনা পয়সার ওষুধ চালু করে দিয়েছেন। ফলে গ্রামের মানুষের সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

ওষুধ এবং রি-এজেন্ট বাকি: এবার সরব তৃণমূলপন্থী ডাক্তাররাই

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: টাকার অভাবে ওষুধ ও ল্যাবরেটরি রি-এজেন্ট কেনা যাচ্ছে না। ভোগান্তিতে পড়ছেন হাজার হাজার রোগী ও বাড়ির লোকজন। এই ইস্যুতে এবার সোচ্চার হল ইএসআই হাসপাতালের ডাক্তার ও প্রশাসকদের তৃণমূল সংগঠনই। সম্প্রতি তৃণমূলপন্থী প্রোগ্রেসিভ ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিডিএ) ইএসআই ইউনিটের সভায় এই নিয়ে নিজের ক্ষোভ জানালেন সংগঠনের সভাপতি এবং শিয়ালদহ ইএসআই হাসপাতালের সুপার ডাঃ প্রদীপ ভট্টাচার্য। সভায় তখন উপস্থিত ছিলেন পিডিএ সভাপতি ডাঃ নির্মল মাজি, সংসদ সদস্য দোলা সেন, পিডিএ’র অন্যতম রাজ্য সম্পাদক ডাঃ সাক্ষীগোপাল সাহা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের ১২টি ইএসআই হাসপাতালে রক্তপরীক্ষা, ওষুধ, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা এমনকী রোগীদের কাপড়জামা কাচা বাবদ ১০ কোটি টাকারও বেশি বকেয়া পড়ে ছিল। এগুলি হল উলুবেড়িয়া, আসানসোল, ব্যান্ডেল, শ্রীরামপুর, বজবজ, মানিকতলা, শিয়ালদহ, গৌরহাটি, কামারহাটি, কল্যাণী, দুর্গাপুর ও বালিটিকুরি। এই খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর কিছু কিছু করে টাকা মেটাতে শুরু করেছে প্রশাসন। তাও এখনও কয়েক কোটি টাকা বাকি। সভায় এইসব দাবিদাওয়া ছাড়াও ইএসআই ডাক্তারদের স্বাস্থ্য দপ্তরের মতোই ‘স্কেললিংকড ডেজিগনেশন’ দেওয়ার দাবিতে সরব হন তৃণমূলপন্থী ডাক্তাররা।

ভাঙর: মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ সূর্যর

সংবাদদাতা, বহরমপুর: ভাঙড় প্রসঙ্গ তুলে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের সমাবেশ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। এদিন বহরমপুর টেক্সটাইল কলেজ মোড়ের সমাবেশ মঞ্চ থেকে সূর্যকান্তবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর দলের জমি মাফিয়ারা ভাঙড়ে যে ঘটনা ঘটিয়েছে তার জন্য মুখমন্ত্রী, পুলিশ ভাঙড়ে ঢুকতে ভয় পাচ্ছে। আগামী দিনে রাজ্যে এমন আরও ১০০ ভাঙড় হবে। এদিনের সভায় সূর্যকান্তবাবু ছাড়াও বক্তব্য রাখনে জেলা সম্পাদক মৃগাঙ্ক ভট্টাচার্য, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন সংসদ সদস্য রামচন্দ্র ডোম, প্রাক্তন সংসদ সদস্য মইনুল হাসান, মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের সংসদ সদস্য বদরোদ্দোজা খান, ডোমকলের বিধায়ক আনিসুর রহমান প্রমুখ।

এদিনের সভার শুরুতে মঞ্চের সামনের দিক ও পিছনের দিক ভরাট থাকলেও সময় যত গড়িয়েছে সভা হালকা হয়েছে। সূর্যকান্তবাবু বলেন, ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রিড নয়, জমি মাফিয়ারা নিজেদের সুবিধার জন্য আন্দোলন শুরু করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দলের যারা ওই এলাকায় সিন্ডিকেট রাজ চালায়, যারা জমি হাঙড় তারাই নিজেদের স্বার্থে গন্ডগোল পাকিয়েছে। ঘটনায় জড়িতরা শাসক দলের লোক। তাই পুলিশ, মুখ্যমন্ত্রী এলাকায় ঢুকতে ভয় পাচ্ছেন।

অল্প নামল পারদ, তবে ফিরছে না জাঁকিয়ে শীত

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তুরে হাওয়া কিছুটা গতি পাওয়ায় রবিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে নেমে এল। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, শীতের আমেজ আপাতত থাকবে। তবে কয়েকদিন আগে যেমন জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছিল, তা ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েকদিন কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩-১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। তারপর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। কলকাতায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.১ ডিগ্রি। দক্ষিণবঙ্গের আসানসোল, বর্ধমান, বাঁকুড়াসহ কিছু জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে রয়েছে। বীরভূমের শ্রীনিকেতনে তা নেমে এসেছে প্রায় ৮ ডিগ্রিতে।

কয়েকদিন আগে পশ্চিম হিমালয় সংলগ্ন কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশের উপর দিয়ে যে পশ্চিমী ঝঞ্ঝাটি গিয়েছিল, সেটি এখন রাজস্থানের উপর আছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ওই ঝঞ্ঝাটি উত্তুরে হাওয়াকে টেনে নিচ্ছে। এই কারণে দক্ষিণবঙ্গের দিকে আসা উত্তুরে হাওয়া খুব জোরালো হচ্ছে না। তবে কিছুটা শুষ্ক উত্তুরে হাওয়া আসার জন্য ভোরের তাপমাত্রা অল্প কমেছে। দুপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিক মাত্রায় আছে। কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গত কয়েকদিন ধরে ২৬ ডিগ্রির আশপাশে রয়েছে। পশ্চিম হিমালয় এলাকায় কয়েকদিনের মধ্যে ফের একটি নতুন ঝঞ্ঝা আসবে। তখন উত্তুরে হাওয়া আরও দুর্বল হবে। এর জেরে বাড়বে তাপমাত্রা। তবে তাপমাত্রা বাড়লেও শীতের আমেজ থাকবে। তখন ১৫-১৬ ডিগ্রির আশপাশে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার আশা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আগের দফার মতো কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের ১১ ডিগ্রির আশপাশে নেমে আসার আশা বিশেষ করছেন না তাঁরা।

শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষার দিন ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অবশেষে শিক্ষাকর্মী নিয়োগ পরীক্ষার দিন ঘোষণা করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ ডি নিয়োগের পরীক্ষা হবে। আর ক্লার্কের পরীক্ষার দিন ঠিক হয়েছে ৫ মার্চ। পরীক্ষা হবে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত। এই পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে কমিশন জানিয়েছে। উল্লেখ্য, এই দু’টি বিভাগে পাঁচ হাজারের মতো শূন্যপদ ঘোষণা করা হয়েছিল। তার জন্য ২৭ লক্ষ আবেদন জমা পড়ে। বহুদিন ধরেই এই পরীক্ষার দিনক্ষণ নিয়ে টালবাহানা চলছিল। অবশেষে এই পরীক্ষা নেওয়ার দিনক্ষণ ঠিক করল কমিশন।

 

 






?Copyright Bartaman Pvt Ltd. All rights reserved
6, J.B.S. Haldane Avenue, Kolkata 700 105
 
Editor: Subha Dutta