Bartaman Patrika
রাজ্য
 
 

রবিবার দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারে প্রার্থী মালা রায়ের সঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।- নিজস্ব চিত্র 

 পরিব্রাজক বিবেকানন্দ

গুঞ্জন ঘোষ: শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর নরেন্দ্রনাথ স্বামী বিবেকানন্দরূপে ভারত পরিক্রমায় বেরিয়ে নিজেকে জানার সঙ্গে সঙ্গে জেনেছিলেন কোথায় ভারতের শক্তি আর কোথায় তার দুর্বলতা। আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র ভারতবর্ষের লুপ্ত গৌরব পুনরুদ্ধারের সংকল্পে শিকাগো ধর্মমহাসভাকেই পাখির চোখ করলেন। কিন্তু সনাতন হিন্দুধর্মের আদর্শকে তৎকালীন মার্কিন দেশের হৃদয় মাঝে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি যেমন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গুণীজনদের মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন তেমনই অপমানিত হয়েছেন। নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন এদেশের ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার। শিকাগো ধর্মমহাসভাতে বিশ্বের যেসব ধর্মের প্রতিনিধিরা নিজের নিজের ধর্মকে পরিচিত করতে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মার্কিন জনগণের হৃদয় কেড়েছিলেন হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি ‘গৈরিক বসন ও বুদ্ধিদৃপ্ত দৃঢ় মুখমণ্ডল’ সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দই। যদিও শিকাগোতে প্রথম দিকে তাঁর নামের বানানবিধি নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি হয়েছে। কেউ বলত ‘বিব্‌কা নন্দ’ আবার কেউ শুধুই ‘কানন্দ’। এর পরও বিবেকানন্দে মুগ্ধ শিকাগোবাসী। এই অবস্থায় নিজেরই স্বদেশবাসী ও প্রিয়জনতুল্য বিবেকানন্দের নামযশ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই তুলনায় নিজের প্রতিপত্তিকে ক্ষয় হতে দেখে ঈর্ষায় জ্বলে উঠেছিলেন প্রতাপচন্দ্র। নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে সোজা পথে পর্যুদস্ত করতে না পেরে শেষটায় ধর্মমহাসভার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতাপচন্দ্র রটিয়ে দিলেন অদ্ভুত এক তত্ত্ব, ‘স্বামী বিবেকানন্দ ভারতের এমন এক ভবঘুরে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, যাহাদের কোন সামাজিক মর্যাদা বা প্রভাব নাই; বস্তুত তিনি ভণ্ড।’ মজুমদারের ঈর্ষাপরায়ণ কাজকর্ম দেখে ১৮৯৪ সালে আহত স্বামীজি গুরুভাই স্বামী রামকৃষ্ণানন্দকে শিকাগো থেকে লেখেন —
‘‘প্রভুর ইচ্ছায় মজুমদার মহাশয়ের সঙ্গে এখানে দেখা। প্রথমে বড়ই প্রীতি, পরে যখন শিকাগোসুদ্ধ নরনারী আমার উপর ভেঙে পড়তে লাগল তখন মজুমদার ভায়ার মনে আগুন জ্বলল।...আর মজুমদার পার্লামেন্ট অব রিলিজিয়নের পাদ্রীদের কাছে আমার যথেষ্ট নিন্দা করে, ‘ও কেউ নয়, ঠগ, জোচ্চোর; ও তোমাদের দেশে এসে বলে – আমি ফকীর’ ইত্যাদি বলে তাদের মন আমার উপর যথেষ্ট বিগড়ে দিলে!...’’
ধর্মমহাসভার অধিবেশন শেষ হলে স্বামীজি প্রচারের প্রয়োজনে একটি প্রচার সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিতে থাকেন। সেইসময় বিভিন্ন মার্কিন পত্রপত্রিকায় তাঁর বক্তৃতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হলে প্রতাপচন্দ্রের ঈর্ষার আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি এন্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকাটিকে সম্বল করে ময়দানে নামেন। ওই পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন শুধুমাত্র ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য। স্বামীজিকে ‘আমাদের পুরাতন বন্ধু’ বলে তীব্র কটাক্ষ করে একটি প্রবন্ধে লেখা হয়, ‘‘...আমরা জানি আমাদের বন্ধু যে নবীন হিন্দুমত প্রচার করিতেছেন, তাহা গোঁড়া হিন্দুধর্ম নহে। তাহার পক্ষে যাহা সম্পূর্ণ অকর্তব্য, তাহা হইতেছে কালাপানি পার হওয়া, ম্লেচ্ছদের অন্নগ্রহণ করা এবং সিগারেটের পর সিগারেট খাওয়া কিংবা ঐরূপ কিছু করা। খাঁটি গোঁড়া হিন্দু আমাদের যতখানি শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতে পারেন, আধুনিক হিন্দুমতাবলম্বী ব্যক্তি সেরূপ শ্রদ্ধা দাবি করিতে পারেন না। কিন্তু বিবেকানন্দের সুখ্যাতি বাড়াইবার জন্য আমাদের সহযোগী সাধ্যমত চেষ্টা করিলেও, তিনি যখন বাজে কথা বকিতে থাকেন, তখন আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।” ওই প্রবন্ধে তাঁর সম্বন্ধে এত কথা বলা হলেও আসল সত্যটি হল, ব্রাহ্মসমাজের ‘নববৃন্দাবন’ নাটকে যোগীর ভূমিকায় আর কাউকে না পেয়ে সুগায়ক নরেন্দ্রনাথকে বহু পীড়াপীড়ি পর অভিনয়ের জন্য রাজি করানো হয়েছিল এবং মুখ্যভূমিকায় ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাধন্য কেশবচন্দ্র সেন। নরেন্দ্রনাথ সেই বয়সে থিয়েটারকে এতই অপছন্দ করতেন যে শহরের রাস্তার যে ফুটপাতে থিয়েটার সেই ফুটপাত তিনি একেবারেই মাড়াতেন না।
প্রতাপচন্দ্র কলকাতায় ফিরে রটিয়ে দিলেন বদনামে ভরা অদ্ভুত এক তত্ত্ব— “বিবেকানন্দ আমেরিকায় সব রকমের পাপ কাজ করেছে।” তা শুনে স্বামীজির জবাব ছিল, “বেচারির এতদূর অধঃপতনে আমি বিশেষ দুঃখিত। ভগবান ভদ্রলোককে কৃপা করুন।” তবুও স্বামীজির মনে আশঙ্কা ছিল এই যে, কলকাতার লোকমুখে এ রটনা প্রচারিত হয়ে তাঁর জননীর কানে পৌঁছলে তিনি প্রচণ্ড আঘাত পাবেন। এই রটনায় স্বামীজি প্রচণ্ড মর্মাহত হয়েছিলেন – “আমার বুড়ি মা এখনো বেঁচে আছেন, সারা জীবন তিনি অসীম কষ্ট পেয়েছেন...কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ আশার, তাঁর সবচেয়ে ভালবাসার যে ছেলেটিকে তিনি দান করেছেন, সে দূরদেশে গিয়ে – কলকাতায় মজুমদার যেমন রটাচ্ছে তেমনিভাবে – জঘন্য নোংরা জীবনযাপন করছে, এ সংবাদ তাঁকে একেবারে শেষ করে দেবে।” ( যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড , পৃষ্ঠা ১১৭)
শুধু দেশবাসীর অপবাদ নয়, বিশেদেও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নানান কথা। তাঁর সমকালীন ভারতবর্ষকে অপপ্রচারের মাধ্যমে নরকের সিংহ দুয়ারে করে তুলে ছিল আমেরিকার খ্রিস্টান মিশনারীরা। তারা ভারতের মাটিকে নরক, ধর্মকে কুসংস্কার ও ভারতবাসীদের বিধর্মী আখ্যা দিয়ে এই দেশের উন্নতিকল্পে আমেরিকা থেকে অর্থসংগ্রহ করত। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘রমাবাঈ সার্কল’ নামে এক স্বার্থান্বেষী ধর্মীয় সংঘ। যারা পাশ্চাত্যে ভারতীয় বিধবাদের বৈধব্যজীবনের ভয়ঙ্করতা নিয়ে মিথ্যা গল্প ফেঁদে অর্থোপার্জনের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু স্বামীজি যখন বক্তৃতামঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের মিথ্যার আবরণ সরিয়ে ভারতের সনাতন রূপটিকে সর্বসমক্ষে তুলে ধরলেন, তখন সেই কপটাচারীর দল দুটি প্রতিজ্ঞা করে – ‘জাহান্নমে যাইতে হয় তো তাহাও স্বীকার, কিন্তু নচ্ছার বিবেকানন্দের সর্বনাশ করিতেই হইবে।’ (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৫)।
প্রতাপচন্দ্রের চেয়ে এরা ছিল শতগুণে ভয়ঙ্কর এবং স্বামীজির অনিষ্ট করতে এক কাঠি উপরে। ১৮৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডেট্রয়েট জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয় যে, এক বক্তৃতামঞ্চে বারোজন ধর্মযাজক মিলে স্বামীজি ও তাঁর মতাদর্শকে কটূক্তি ও অশ্রাব্য গালিগালাজ দিয়ে আক্রমণ করেছিলেন। স্বামীজির প্রতি আঘাত হানতে তারা কতদূর নীচে নামেন তা স্পষ্ট হয় যখন আমেরিকা জুড়ে প্রচারিত হল – “বিবেকানন্দের অসদ্ব্যবহারে উত্ত্যক্ত হইয়া (মিশিগানের ভূতপূর্ব গভর্নরের স্ত্রী) শ্রীযুক্তা ব্যাগলিকে তাঁহার একটি অল্পবয়স্কা ঝিকে বিদায় দিতে হয়েছিল; বিবেকানন্দ অসম্ভব রকম আত্মসংযমহীন।” (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃ ১২১ – ১২২)
শ্রীযুক্ত জর্জ ডব্লিউ হেল ও তাঁর পত্নী – যাঁদের স্বামীজি বলতেন ‘ফাদার পোপ’ ও ‘মাদার চার্চ’; তাঁদের দুই কন্যা হ্যারিয়েট হেল ও মেরি হেল এবং দুই বোনঝি হ্যারিয়েট ম্যাককিন্ডলি ও ইসাবেল ম্যাককিন্ডলি স্বামীজির কাছে ছিল নিজের বোনের মতো স্নেহের। তাঁদের প্রাণঢালা ভালোবাসার প্রমাণ ছড়িয়ে আছে স্বামীজির বিভিন্ন চিঠিতে। সেই হেল পরিবারকে বেনামী চিঠিতে জানানো হয় যে স্বামী বিবেকানন্দ দুশ্চরিত্র। অতএব মিঃ হেল যেন তাঁর বাড়ির মহিলাদের বিবেকানন্দের সংসর্গ থেকে দূরে রাখেন। যে স্বামীজি নারীশিক্ষার উন্নতিকল্পে ব্রতী হয়ে ভারতে স্ত্রীমঠ প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁকেই রমাবাঈ সার্কলের তরফ থেকে হিন্দু কন্যাদের শিক্ষার বিরোধী বলে নিন্দা করা হয়। মিশনারীরা তাঁকে ধর্মপ্রচারকের বেশধারী রাজনীতিক বলতেও ছাড়েনি। সেইসময়ে তাঁকে যে প্রাণে মারারও ষড়যন্ত্র চলছিল তা আমরা জানতে পারি ডেট্রয়েটে এক নৈশভোজ চলাকালীন। খাওয়ার টেবিলে বসে স্বামীজি কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে যাচ্ছেন, এমন সময় দেখেন শ্রীরামকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘খাসনি, ও বিষ!’
প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের জন্য বিশেষ বাণী বহন করে আনা স্বামীজি বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছেন। গায়ের ময়লা রঙের জন্য বহু হোটেল ও রুচিবোধসম্পন্ন মার্কিনদের গৃহে তাঁর জায়গা হয়নি। এমন কী গুরু হওয়ার করণে প্রিয় শিষ্যের সঙ্গে সঙ্গে কুৎসার শিকার হয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মিশনারীদের উদ্যোগে একটি সংবাদপত্রে শ্রীরামকৃষ্ণের একটি ছবি ছাপিয়ে তাঁর সম্বন্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। তা দেখে স্বামীজি ব্যথিত হয়ে বলেন, ‘হায়! এ যে সাক্ষাৎ ভগবদ্বিদ্বেষ!’
কিন্তু এত করেও আমেরিকা ও পরে ইংল্যান্ডে তিনি ছিলেন “সমস্ত প্রকৃত ব্রহ্মপ্রবক্তাদের রহস্যের ও আধ্যাত্মিক নিঃসঙ্গতার মূর্ত বিগ্রহ।” দেশে-বিদেশে স্বামীজি যতবার মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি দেখেছেন, ততবারই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছেন। তাঁর নিজের কথাতে ‘আমি জীবনে যত বাধা পেয়েছি ততই আমার শক্তির স্ফুরণ হয়েছে।’ বিবেকানন্দ এইখানেই আশ্চর্যের যে, তিনি কাউকে পরাস্ত করে নিজের জয়ের জন্য আনন্দ পেতেন না, বরং খুশি হতেন একটি সত্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেখে। তাঁর প্রতি মিথ্যে অপবাদ এলে কোনও কোনও সময় স্বামীজির হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মার্কিন সমাজের একাংশ। যেমন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীযুক্তা ব্যাগলি, জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইট, জর্জ ডব্লিউ হেল, মেরি হেল প্রমুখ। স্বামীজির এক বক্তৃতা শুনে বিশিষ্টা জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইটের মনে তাঁর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব সম্বন্ধে এমন গভীর ছাপ পড়ে যে স্বামীজির সঙ্গে করমর্দনের পর তিন দিন তিনি নিজের হাত ধোওয়ার কথা ভাবেননি।
নিজের প্রতি ধেয়ে আসা মিথ্যাচারের কারণে যখন তাঁর প্রচারকার্যে ব্যাঘাত ঘটছিল তখন স্বামীজি আশা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ সমর্থন করে নিশ্চয় ভারত থেকে চিঠি মারফত সমুচিত জবাব আসবে। কিন্তু পাশ্চাত্যে থাকাকালীন প্রথমদিকে তাঁকে নিয়ে ভারতীয়দের যে অমনোযোগিতা, সেই সম্পর্কে কিছু অভিমত ধরা পড়েছে তাঁরই এক চিঠিতে – “...এই যে এক বৎসর যাবৎ আমি এখানে আছি – এর মধ্যে ভারতবর্ষের একজন খ্যাতনামা লোকও এদেশবাসীকে এ কথাটি জানানো উচিৎ মনে করেন নাই যে, আমি প্রতারক নহি।...” কিন্তু পরমুহূর্তেই ব্যক্ত হয়েছে তাঁর মনের কথাটি —“আমার চরিত্রের সর্বপ্রধান ত্রুটি এই যে, আমি আমার দেশকে ভালবাসি, বড় একান্তভাবেই ভালবাসি।”
সমালোচনা, ঈর্ষা যে সাফল্যের অংশ তা তো স্বামীজি জানতেনই। মানুষের গোটা জীবনটাই কঠিন পরীক্ষার ঘেরাটোপে বন্দি। তাই শিষ্য শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বামীজি বলেছিলেন জীবনের সনাতন বাস্তব ও সারকথাটি — “...লোকে যখন আমায় খাতির করতে লাগল, তখন পাদ্রীরা আমার পেছনে খুব লাগল। আমার নামে কত কুৎসা কাগজে লিখে রটনা করেছিল! কত লোকে আমায় তার প্রতিবাদ করতে বলত। আমি কিন্তু কিছু গ্রাহ্য করতুম না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস— চালাকি দ্বারা জগতে কোন মহৎ কার্য হয় না; তাই ঐ সকল অশ্লীল কুৎসায় কর্ণপাত না করে ধীরে ধীরে আপনার কাজ করে যেতুম। দেখতেও পেতুম— অনেক সময় যারা আমায় অযথা গালমন্দ করত, তারাও অনুতপ্ত হয়ে আমার শরণ নিত এবং নিজেরাই কাগজে প্রতিবাদ করে ক্ষমা চাইত।...কি জানিস, বাবা, সংসারে সবই দুনিয়াদারি! ঠিক সৎসাহসী ও জ্ঞানী কি এসব দুনিয়াদারিতে ভোলে রে বাপ! জগৎ যা ইচ্ছে বলুক, আমার কর্তব্য কার্য করে চলে যাব – এই জানবি বীরের কাজ। নতুবা এ কি বলছে, ও কি লিখছে —ওসব নিয়ে দিনরাত থাকলে জগতে কোন মহৎ কাজ করা যায় না।” (বাণী ও রচনা ৯, পৃ ৭৪ - ৭৫)।
আশাহত হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি। শত বাধার প্রাচীর তৈরি করেও তাঁর গতিরোধ করায় যায়নি। নিজে ক্ষত হয়েছেন কিন্তু ক্ষতির বিস্তার চাননি। কেননা স্বামীজির হৃদয় জুড়ে ছিল ভারত ও ভারতবাসী।
12th  January, 2019
দার্জিলিংয়ে এনডিএ প্রার্থী হচ্ছেন রাজু বিস্ত
১২ কেন্দ্রের প্রার্থী দিতে
হিমশিম খাচ্ছে বিজেপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: আজ, সোমবার রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র পেশ করার শেষ দিন। অথচ এখনও ১২টি আসনে উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে পেতেই রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে বিজেপি। আগামীকাল, মঙ্গলবারের মধ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য তিনটি কেন্দ্রের প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশ করতে হবে। আর এই পরিস্থিতিতে রবিবার গোটা দিন নানা টালবাহানার পর রাতে বিজেপির তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে ঘোষণা করা হল, দার্জিলিং কেন্দ্রে তাদের প্রার্থী হচ্ছেন দলীয় যুব মোর্চার সদস্য রাজু সিং বিস্ত। এদিন জিএনএলএফ এবং বিমল গুরুংপন্থী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার পক্ষ থেকে যৌথভাবে রাজুর নাম বিজেপিকে প্রস্তাব করা হয়।
বিশদ

মমতাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে ঝড়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে তাঁকে দেখতে চাই। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল ও তার অনুগামী বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতি ব্যবহার করে এই প্রচার ঝড় তুলেছে। গত জানুয়ারিতে ব্রিগেডে মমতাকে মধ্যমণি করে দেশের তাবড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ‘ইউনাইটেড ইন্ডিয়া’ গড়ার ডাক দিয়েছিলেন।
বিশদ

ভোটের মুখে কালো টাকার হদিশ করতে রাজ্যে সাত হাজার করদাতার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল্লির

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: সামনেই লোকসভা ভোট। তাই কালো টাকার রমরমা চারদিকে। সব দিকেই কড়া নজর আয়কর দপ্তরের। বেআইনি লেনদেন বা সম্পত্তির পুরনো হিসেবের খাতাও খুলছে তারা।
বিশদ

 যাদবপুরে বিকাশের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী নাও দিতে পারে, সিদ্ধান্ত আজ

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে বাম প্রার্থী বিকাশ ভট্টাচার্যকে পরোক্ষে সমর্থন জানাতে চলেছে কংগ্রেস। আজ, সোমবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠক দিল্লিতে। সেখানে রাজ্যের অবশিষ্ট আসনের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হবে। সূত্রের খবর, সেক্ষেত্রে যাদবপুর আসনে প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হতে চলেছে।
বিশদ

 ৩ এপ্রিল শিলিগুড়ি হয়ে ব্রিগেডে আসছেন মোদি

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাম্প্রতিক অতীতে বার তিনেক বাতিল হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত ব্রিগেডের জনসভা। কিন্তু লোকসভা ভোটের দোরগোড়ায় আগামী ৩ এপ্রিল বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হাজির হচ্ছেন মোদি। সূত্রের দাবি, ওইদিন উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে প্রথম সভা করার কথা রয়েছে তাঁর। 
বিশদ

 ঘোষিত প্রার্থীদের নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বঙ্গ নেতৃত্বের উপর ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় নেতারাই

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৪ মার্চ: নিশীথ প্রামাণিক, খগেন মুর্মু, সায়ন্তন বসু, লকেট চট্টোপাধ্যায়—বিজেপির একের পর ঘোষিত প্রার্থীকে নিয়ে যেভাবে দলের মধ্যেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে, তাতে ব্যাপক উদ্বিগ্ন গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা।
বিশদ

 এসএসসি অনশনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে চিঠি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অনশনরত স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে চিঠি দিলেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, গত ২৫ দিন ধরে এই প্রার্থীরা অনশন করছেন।
বিশদ

 দেওয়াল লেখার শিল্পীর সংখ্যা কমছে, বাড়ছে অনীহাও

 সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: ভোট-প্রচারের প্রথম ধাপই হল দেওয়াল লিখন। কিন্তু দেওয়াল লেখার শিল্পীর সংখ্যা ক্রমেই কমছে। ফ্লেক্স, ব্যানার ও স্টিকারের মত আধুনিক প্রচার পদ্ধতির দাপটে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ওই শিল্পীদের। দলীয় কর্মীরা দেওয়াল দখলের পরেই ডাক পড়ত তাঁদের।
বিশদ

চুক্তিভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের বেতনে অসঙ্গতি দূর করার দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে চুক্তিতে নিযুক্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী কাজ করেন। অনেক কর্মী আট-দশ বছর ধরে কাজ করছেন। এবারের বাজেটে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মাসিক বেতন দুই হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা হয়। কিন্তু চুক্তিভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের চাকরির নিশ্চয়তা এখনও হয়নি।
বিশদ

 ধান সংগ্রহের গতি হল শ্লথ, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয়

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রথম পর্যায়ে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনার যে গতি ছিল, তাতে চলতি খরিফ মরশুমে ৫২ লক্ষ টনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হতেও পারে বলে আশা করছিলেন খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। কিন্তু মার্চ মাসে ধান সংগ্রহের গতি অনেকটাই কমে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগে প্রায় ৩২ লক্ষ টন ধান কেনা হয়েছে।
বিশদ

রাজ্যে এসে মোদি-মমতাকে
একযোগে আক্রমণ রাহুলের
নাম না করে মৌসমকে বিশ্বাসঘাতক বলে তোপ

অভিজিৎ চৌধুরী, চাঁচল, বিএনএ: পশ্চিমবঙ্গে ২০১৯ সালের প্রথম নির্বাচনী জনসভাতে এসেই মোদি ও মমতাকে একযোগে আক্রমণ করে গেলেন সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। শনিবার মালদহের চাঁচলের নির্বাচনী জনসভা থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও দিল্লির প্রধানমন্ত্রীর নাম করে তিনি দু’জনকেই মিথ্যেবাদী বলে দাবি করেন। রাহুল গান্ধী বলেন, নরেন্দ্র মোদি মিথ্যে কথা বলেন। আপনাদের মুখ্যমন্ত্রীও তাই। দু’জনেই প্রতিশ্রুতির পর প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। কিন্তু কাজ কিছু হয় না। দেশে এবং রাজ্যে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলেই গরিব মানুষের উন্নয়ন হবে। দেশ প্রসঙ্গে যেমন এদিন রাফাল, থেকে নীরব মোদি, মেহুল চোকসিদের নিয়ে রাহুল আক্রমণ শানিয়েছেন, তেমনই রাজ্যের ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থান থেকে শিল্প, স্বাস্থ্য প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর জোর সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি এদিন তিনি নাম না করে মৌসম নুরকে বিশ্বাসঘাতক বলে সম্বোধন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে গিয়েছেন।
বিশদ

24th  March, 2019
 এখানে কংগ্রেসের আর কোনও অস্তিত্ব
নেই, সময় নষ্ট করছেন রাহুল: তৃণমূল

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ রাজ্যে কংগ্রেসের কোনও গুরুত্ব নেই। রাহুল গান্ধী এখানে এসে সময় নষ্ট করছেন। তার চেয়ে যেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই, সেখানে তিনি সময় দিতে পারেন। 
বিশদ

24th  March, 2019
 লক্ষ্য এবার দিল্লি, ইস্তাহারে বাংলার
উন্নয়নকে মডেল করতে চান মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে তাঁর লক্ষ্য ‘দিল্লি চলো’। সেই অভিমুখেই এবার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তাহারে বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে সর্বভারতীয় প্রেক্ষিত। গত সাত বছরে বাংলায় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যে ধারা তৈরি করেছেন তিনি, তা ইতিমধ্যেই বিশ্বের দরবারে ঠাঁই করে নিয়েছে।
বিশদ

24th  March, 2019
শিলিগুড়ি দিয়ে রাজ্যে ৩ এপ্রিল ভোট প্রচার শুরু করবেন মোদি

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ৩ এপ্রিল শিলিগুড়িতে জনসভা করবেন তিনি। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার রাজ্যে প্রচারে আসবেন। সেই সূত্রে ৩ এপ্রিল শিলিগুড়িতে বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সারবেন তিনি।
বিশদ

24th  March, 2019

Pages: 12345

একনজরে
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: এবারের লোকসভা নির্বাচনে হলদিবাড়িতে অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠেছে টম্যাটো প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন ও বহুমূখী হিমঘর তৈরির দাবি। কেননা হলদিবাড়ি ব্লকের ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েতে অন্তত ১২০০ হেক্টর জমিতে টম্যাটো চাষ হয়।   ...

 লখনউ ও ভোপাল, ২৪ মার্চ (পিটিআই): শনিবার রাতে কংগ্রেস আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের জন্য অষ্টম দফায় ৩৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। কর্ণাটকের গুলবর্গা আসন থেকে লড়বেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চৌহান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন নানদেদ থেকে। ...

সংবাদদাতা, কান্দি: রবিবার কান্দি পুরসভা এলাকার আন্দুলিয়া গ্রামের কাছে অধীর চৌধুরীর সমর্থনে হওয়া মিছিলের বাইক আটকে দেয় পুলিস। এনিয়ে অধীরবাবু পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।  ...

 লন্ডন, ২৪ মে (এপি): ব্রেক্সিট ইস্যুতে ঘরেবাইরে ক্রমশঃ চাপ বাড়ছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মের উপর। নিজের দল কনজারভেটিভ পার্টি থেকেই দাবি উঠেছে হয় অবিলম্বে পদত্যাগ করতে, নয়তো পদত্যাগ দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে। রবিবার এই নিয়েই সরগরম ব্রিটিশ মিডিয়া।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৭: হকি খেলোয়াড় লেসলি ক্লডিয়াসের জন্ম
১৯৪৮: অভিনেতা ফারুক শেখের জন্ম
১৯৮৪: ক্রিকেটার অশোক দিন্দার জন্ম
১৯৯২: ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতল পাকিস্তান 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.১৫ টাকা ৬৯.৮৪ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭৭ টাকা ৯২.১৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৭ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  March, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৭১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ০৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৫০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮, ৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮, ৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
24th  March, 2019

দিন পঞ্জিকা

১০ চৈত্র ১৪২৫, ২৫ মার্চ ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী ৩৫/৫০ রাত্রি ৮/০। বিশাখা ৩/২৬ দিবা ৭/৩। সূ উ ৫/৪০/২৩, অ ৫/৪৫/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১০/৩০ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/১৯ গতে ২/২৯ মধ্যে, বারবেলা ৭/১২ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ২/৪৪ গতে ৪/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৪২ মধ্যে। 
১০ চৈত্র ১৪২৫, ২৫ মার্চ ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী রাত্রি ১২/১৯/৫। বিশাখানক্ষত্র ১১/৯/১১, সূ উ ৫/৪০/৪১, অ ৫/৪৪/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৭/১৩ মধ্যে ও ১০/৩০/১৭ থেকে ১২/৫৫/৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২/২৫ থেকে ৮/৫৫/৩৭ মধ্যে ও ১১/৫৮/৪৯ থেকে ২/২৯/৪৫ মধ্যে, বারবেলা ২/৪৩/৪১ থেকে ৪/১৪/১১ মধ্যে, কালবেলা ৭/১১/১১ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৩/১১ থেকে ১১/৪২/৪১ মধ্যে। 
১৭ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লি ক্যাপিটালস: ৮২/২ (১০ ওভার) 

24-03-2019 - 09:00:12 PM

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জয়ী কেকেআর 

24-03-2019 - 07:55:29 PM

টসে জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠাল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

24-03-2019 - 07:37:38 PM

ইডেন গার্ডেন্সে ফ্লাড লাইট বিভ্রাট, বন্ধ খেলা 

24-03-2019 - 07:22:47 PM

কেকেআর: ১১৪/৩ (১৫ ওভার) 

24-03-2019 - 07:20:08 PM

কেকেআর: ৪০/১ (৫ ওভার) 

24-03-2019 - 06:25:39 PM