রাজ্য
 
 

মধুর টানে মৌটুসি। নদীয়ার বগুলায় তোলা নিজস্ব চিত্র

 পরিব্রাজক বিবেকানন্দ

গুঞ্জন ঘোষ: শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর নরেন্দ্রনাথ স্বামী বিবেকানন্দরূপে ভারত পরিক্রমায় বেরিয়ে নিজেকে জানার সঙ্গে সঙ্গে জেনেছিলেন কোথায় ভারতের শক্তি আর কোথায় তার দুর্বলতা। আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র ভারতবর্ষের লুপ্ত গৌরব পুনরুদ্ধারের সংকল্পে শিকাগো ধর্মমহাসভাকেই পাখির চোখ করলেন। কিন্তু সনাতন হিন্দুধর্মের আদর্শকে তৎকালীন মার্কিন দেশের হৃদয় মাঝে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি যেমন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গুণীজনদের মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন তেমনই অপমানিত হয়েছেন। নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন এদেশের ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার। শিকাগো ধর্মমহাসভাতে বিশ্বের যেসব ধর্মের প্রতিনিধিরা নিজের নিজের ধর্মকে পরিচিত করতে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মার্কিন জনগণের হৃদয় কেড়েছিলেন হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি ‘গৈরিক বসন ও বুদ্ধিদৃপ্ত দৃঢ় মুখমণ্ডল’ সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দই। যদিও শিকাগোতে প্রথম দিকে তাঁর নামের বানানবিধি নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি হয়েছে। কেউ বলত ‘বিব্‌কা নন্দ’ আবার কেউ শুধুই ‘কানন্দ’। এর পরও বিবেকানন্দে মুগ্ধ শিকাগোবাসী। এই অবস্থায় নিজেরই স্বদেশবাসী ও প্রিয়জনতুল্য বিবেকানন্দের নামযশ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই তুলনায় নিজের প্রতিপত্তিকে ক্ষয় হতে দেখে ঈর্ষায় জ্বলে উঠেছিলেন প্রতাপচন্দ্র। নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে সোজা পথে পর্যুদস্ত করতে না পেরে শেষটায় ধর্মমহাসভার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতাপচন্দ্র রটিয়ে দিলেন অদ্ভুত এক তত্ত্ব, ‘স্বামী বিবেকানন্দ ভারতের এমন এক ভবঘুরে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, যাহাদের কোন সামাজিক মর্যাদা বা প্রভাব নাই; বস্তুত তিনি ভণ্ড।’ মজুমদারের ঈর্ষাপরায়ণ কাজকর্ম দেখে ১৮৯৪ সালে আহত স্বামীজি গুরুভাই স্বামী রামকৃষ্ণানন্দকে শিকাগো থেকে লেখেন —
‘‘প্রভুর ইচ্ছায় মজুমদার মহাশয়ের সঙ্গে এখানে দেখা। প্রথমে বড়ই প্রীতি, পরে যখন শিকাগোসুদ্ধ নরনারী আমার উপর ভেঙে পড়তে লাগল তখন মজুমদার ভায়ার মনে আগুন জ্বলল।...আর মজুমদার পার্লামেন্ট অব রিলিজিয়নের পাদ্রীদের কাছে আমার যথেষ্ট নিন্দা করে, ‘ও কেউ নয়, ঠগ, জোচ্চোর; ও তোমাদের দেশে এসে বলে – আমি ফকীর’ ইত্যাদি বলে তাদের মন আমার উপর যথেষ্ট বিগড়ে দিলে!...’’
ধর্মমহাসভার অধিবেশন শেষ হলে স্বামীজি প্রচারের প্রয়োজনে একটি প্রচার সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিতে থাকেন। সেইসময় বিভিন্ন মার্কিন পত্রপত্রিকায় তাঁর বক্তৃতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হলে প্রতাপচন্দ্রের ঈর্ষার আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি এন্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকাটিকে সম্বল করে ময়দানে নামেন। ওই পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন শুধুমাত্র ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য। স্বামীজিকে ‘আমাদের পুরাতন বন্ধু’ বলে তীব্র কটাক্ষ করে একটি প্রবন্ধে লেখা হয়, ‘‘...আমরা জানি আমাদের বন্ধু যে নবীন হিন্দুমত প্রচার করিতেছেন, তাহা গোঁড়া হিন্দুধর্ম নহে। তাহার পক্ষে যাহা সম্পূর্ণ অকর্তব্য, তাহা হইতেছে কালাপানি পার হওয়া, ম্লেচ্ছদের অন্নগ্রহণ করা এবং সিগারেটের পর সিগারেট খাওয়া কিংবা ঐরূপ কিছু করা। খাঁটি গোঁড়া হিন্দু আমাদের যতখানি শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতে পারেন, আধুনিক হিন্দুমতাবলম্বী ব্যক্তি সেরূপ শ্রদ্ধা দাবি করিতে পারেন না। কিন্তু বিবেকানন্দের সুখ্যাতি বাড়াইবার জন্য আমাদের সহযোগী সাধ্যমত চেষ্টা করিলেও, তিনি যখন বাজে কথা বকিতে থাকেন, তখন আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।” ওই প্রবন্ধে তাঁর সম্বন্ধে এত কথা বলা হলেও আসল সত্যটি হল, ব্রাহ্মসমাজের ‘নববৃন্দাবন’ নাটকে যোগীর ভূমিকায় আর কাউকে না পেয়ে সুগায়ক নরেন্দ্রনাথকে বহু পীড়াপীড়ি পর অভিনয়ের জন্য রাজি করানো হয়েছিল এবং মুখ্যভূমিকায় ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাধন্য কেশবচন্দ্র সেন। নরেন্দ্রনাথ সেই বয়সে থিয়েটারকে এতই অপছন্দ করতেন যে শহরের রাস্তার যে ফুটপাতে থিয়েটার সেই ফুটপাত তিনি একেবারেই মাড়াতেন না।
প্রতাপচন্দ্র কলকাতায় ফিরে রটিয়ে দিলেন বদনামে ভরা অদ্ভুত এক তত্ত্ব— “বিবেকানন্দ আমেরিকায় সব রকমের পাপ কাজ করেছে।” তা শুনে স্বামীজির জবাব ছিল, “বেচারির এতদূর অধঃপতনে আমি বিশেষ দুঃখিত। ভগবান ভদ্রলোককে কৃপা করুন।” তবুও স্বামীজির মনে আশঙ্কা ছিল এই যে, কলকাতার লোকমুখে এ রটনা প্রচারিত হয়ে তাঁর জননীর কানে পৌঁছলে তিনি প্রচণ্ড আঘাত পাবেন। এই রটনায় স্বামীজি প্রচণ্ড মর্মাহত হয়েছিলেন – “আমার বুড়ি মা এখনো বেঁচে আছেন, সারা জীবন তিনি অসীম কষ্ট পেয়েছেন...কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ আশার, তাঁর সবচেয়ে ভালবাসার যে ছেলেটিকে তিনি দান করেছেন, সে দূরদেশে গিয়ে – কলকাতায় মজুমদার যেমন রটাচ্ছে তেমনিভাবে – জঘন্য নোংরা জীবনযাপন করছে, এ সংবাদ তাঁকে একেবারে শেষ করে দেবে।” ( যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড , পৃষ্ঠা ১১৭)
শুধু দেশবাসীর অপবাদ নয়, বিশেদেও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নানান কথা। তাঁর সমকালীন ভারতবর্ষকে অপপ্রচারের মাধ্যমে নরকের সিংহ দুয়ারে করে তুলে ছিল আমেরিকার খ্রিস্টান মিশনারীরা। তারা ভারতের মাটিকে নরক, ধর্মকে কুসংস্কার ও ভারতবাসীদের বিধর্মী আখ্যা দিয়ে এই দেশের উন্নতিকল্পে আমেরিকা থেকে অর্থসংগ্রহ করত। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘রমাবাঈ সার্কল’ নামে এক স্বার্থান্বেষী ধর্মীয় সংঘ। যারা পাশ্চাত্যে ভারতীয় বিধবাদের বৈধব্যজীবনের ভয়ঙ্করতা নিয়ে মিথ্যা গল্প ফেঁদে অর্থোপার্জনের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু স্বামীজি যখন বক্তৃতামঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের মিথ্যার আবরণ সরিয়ে ভারতের সনাতন রূপটিকে সর্বসমক্ষে তুলে ধরলেন, তখন সেই কপটাচারীর দল দুটি প্রতিজ্ঞা করে – ‘জাহান্নমে যাইতে হয় তো তাহাও স্বীকার, কিন্তু নচ্ছার বিবেকানন্দের সর্বনাশ করিতেই হইবে।’ (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৫)।
প্রতাপচন্দ্রের চেয়ে এরা ছিল শতগুণে ভয়ঙ্কর এবং স্বামীজির অনিষ্ট করতে এক কাঠি উপরে। ১৮৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডেট্রয়েট জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয় যে, এক বক্তৃতামঞ্চে বারোজন ধর্মযাজক মিলে স্বামীজি ও তাঁর মতাদর্শকে কটূক্তি ও অশ্রাব্য গালিগালাজ দিয়ে আক্রমণ করেছিলেন। স্বামীজির প্রতি আঘাত হানতে তারা কতদূর নীচে নামেন তা স্পষ্ট হয় যখন আমেরিকা জুড়ে প্রচারিত হল – “বিবেকানন্দের অসদ্ব্যবহারে উত্ত্যক্ত হইয়া (মিশিগানের ভূতপূর্ব গভর্নরের স্ত্রী) শ্রীযুক্তা ব্যাগলিকে তাঁহার একটি অল্পবয়স্কা ঝিকে বিদায় দিতে হয়েছিল; বিবেকানন্দ অসম্ভব রকম আত্মসংযমহীন।” (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃ ১২১ – ১২২)
শ্রীযুক্ত জর্জ ডব্লিউ হেল ও তাঁর পত্নী – যাঁদের স্বামীজি বলতেন ‘ফাদার পোপ’ ও ‘মাদার চার্চ’; তাঁদের দুই কন্যা হ্যারিয়েট হেল ও মেরি হেল এবং দুই বোনঝি হ্যারিয়েট ম্যাককিন্ডলি ও ইসাবেল ম্যাককিন্ডলি স্বামীজির কাছে ছিল নিজের বোনের মতো স্নেহের। তাঁদের প্রাণঢালা ভালোবাসার প্রমাণ ছড়িয়ে আছে স্বামীজির বিভিন্ন চিঠিতে। সেই হেল পরিবারকে বেনামী চিঠিতে জানানো হয় যে স্বামী বিবেকানন্দ দুশ্চরিত্র। অতএব মিঃ হেল যেন তাঁর বাড়ির মহিলাদের বিবেকানন্দের সংসর্গ থেকে দূরে রাখেন। যে স্বামীজি নারীশিক্ষার উন্নতিকল্পে ব্রতী হয়ে ভারতে স্ত্রীমঠ প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁকেই রমাবাঈ সার্কলের তরফ থেকে হিন্দু কন্যাদের শিক্ষার বিরোধী বলে নিন্দা করা হয়। মিশনারীরা তাঁকে ধর্মপ্রচারকের বেশধারী রাজনীতিক বলতেও ছাড়েনি। সেইসময়ে তাঁকে যে প্রাণে মারারও ষড়যন্ত্র চলছিল তা আমরা জানতে পারি ডেট্রয়েটে এক নৈশভোজ চলাকালীন। খাওয়ার টেবিলে বসে স্বামীজি কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে যাচ্ছেন, এমন সময় দেখেন শ্রীরামকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘খাসনি, ও বিষ!’
প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের জন্য বিশেষ বাণী বহন করে আনা স্বামীজি বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছেন। গায়ের ময়লা রঙের জন্য বহু হোটেল ও রুচিবোধসম্পন্ন মার্কিনদের গৃহে তাঁর জায়গা হয়নি। এমন কী গুরু হওয়ার করণে প্রিয় শিষ্যের সঙ্গে সঙ্গে কুৎসার শিকার হয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মিশনারীদের উদ্যোগে একটি সংবাদপত্রে শ্রীরামকৃষ্ণের একটি ছবি ছাপিয়ে তাঁর সম্বন্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। তা দেখে স্বামীজি ব্যথিত হয়ে বলেন, ‘হায়! এ যে সাক্ষাৎ ভগবদ্বিদ্বেষ!’
কিন্তু এত করেও আমেরিকা ও পরে ইংল্যান্ডে তিনি ছিলেন “সমস্ত প্রকৃত ব্রহ্মপ্রবক্তাদের রহস্যের ও আধ্যাত্মিক নিঃসঙ্গতার মূর্ত বিগ্রহ।” দেশে-বিদেশে স্বামীজি যতবার মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি দেখেছেন, ততবারই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছেন। তাঁর নিজের কথাতে ‘আমি জীবনে যত বাধা পেয়েছি ততই আমার শক্তির স্ফুরণ হয়েছে।’ বিবেকানন্দ এইখানেই আশ্চর্যের যে, তিনি কাউকে পরাস্ত করে নিজের জয়ের জন্য আনন্দ পেতেন না, বরং খুশি হতেন একটি সত্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেখে। তাঁর প্রতি মিথ্যে অপবাদ এলে কোনও কোনও সময় স্বামীজির হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মার্কিন সমাজের একাংশ। যেমন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীযুক্তা ব্যাগলি, জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইট, জর্জ ডব্লিউ হেল, মেরি হেল প্রমুখ। স্বামীজির এক বক্তৃতা শুনে বিশিষ্টা জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইটের মনে তাঁর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব সম্বন্ধে এমন গভীর ছাপ পড়ে যে স্বামীজির সঙ্গে করমর্দনের পর তিন দিন তিনি নিজের হাত ধোওয়ার কথা ভাবেননি।
নিজের প্রতি ধেয়ে আসা মিথ্যাচারের কারণে যখন তাঁর প্রচারকার্যে ব্যাঘাত ঘটছিল তখন স্বামীজি আশা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ সমর্থন করে নিশ্চয় ভারত থেকে চিঠি মারফত সমুচিত জবাব আসবে। কিন্তু পাশ্চাত্যে থাকাকালীন প্রথমদিকে তাঁকে নিয়ে ভারতীয়দের যে অমনোযোগিতা, সেই সম্পর্কে কিছু অভিমত ধরা পড়েছে তাঁরই এক চিঠিতে – “...এই যে এক বৎসর যাবৎ আমি এখানে আছি – এর মধ্যে ভারতবর্ষের একজন খ্যাতনামা লোকও এদেশবাসীকে এ কথাটি জানানো উচিৎ মনে করেন নাই যে, আমি প্রতারক নহি।...” কিন্তু পরমুহূর্তেই ব্যক্ত হয়েছে তাঁর মনের কথাটি —“আমার চরিত্রের সর্বপ্রধান ত্রুটি এই যে, আমি আমার দেশকে ভালবাসি, বড় একান্তভাবেই ভালবাসি।”
সমালোচনা, ঈর্ষা যে সাফল্যের অংশ তা তো স্বামীজি জানতেনই। মানুষের গোটা জীবনটাই কঠিন পরীক্ষার ঘেরাটোপে বন্দি। তাই শিষ্য শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বামীজি বলেছিলেন জীবনের সনাতন বাস্তব ও সারকথাটি — “...লোকে যখন আমায় খাতির করতে লাগল, তখন পাদ্রীরা আমার পেছনে খুব লাগল। আমার নামে কত কুৎসা কাগজে লিখে রটনা করেছিল! কত লোকে আমায় তার প্রতিবাদ করতে বলত। আমি কিন্তু কিছু গ্রাহ্য করতুম না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস— চালাকি দ্বারা জগতে কোন মহৎ কার্য হয় না; তাই ঐ সকল অশ্লীল কুৎসায় কর্ণপাত না করে ধীরে ধীরে আপনার কাজ করে যেতুম। দেখতেও পেতুম— অনেক সময় যারা আমায় অযথা গালমন্দ করত, তারাও অনুতপ্ত হয়ে আমার শরণ নিত এবং নিজেরাই কাগজে প্রতিবাদ করে ক্ষমা চাইত।...কি জানিস, বাবা, সংসারে সবই দুনিয়াদারি! ঠিক সৎসাহসী ও জ্ঞানী কি এসব দুনিয়াদারিতে ভোলে রে বাপ! জগৎ যা ইচ্ছে বলুক, আমার কর্তব্য কার্য করে চলে যাব – এই জানবি বীরের কাজ। নতুবা এ কি বলছে, ও কি লিখছে —ওসব নিয়ে দিনরাত থাকলে জগতে কোন মহৎ কাজ করা যায় না।” (বাণী ও রচনা ৯, পৃ ৭৪ - ৭৫)।
আশাহত হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি। শত বাধার প্রাচীর তৈরি করেও তাঁর গতিরোধ করায় যায়নি। নিজে ক্ষত হয়েছেন কিন্তু ক্ষতির বিস্তার চাননি। কেননা স্বামীজির হৃদয় জুড়ে ছিল ভারত ও ভারতবাসী।
12th  January, 2019
মৃত ব্যক্তির নামে রেশন, রাজ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ কার্ডে

কৌশিক ঘোষ, কলকাতা : মৃত রেশন গ্রাহকদের চিহ্ণিত করতে কয়েক মাস আগে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিল খাদ্য দপ্তর। সেই অনুসারে বিভিন্ন জেলা থেকে বিডিওদের পাঠানো তথ্য থেকে প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত রেশন গ্রাহককে চিহ্ণিত করা হয়েছে। তাঁদের কার্ডগুলি বাতিল করবে দপ্তর। তবে খাদ্য দপ্তর এতেই সন্তুষ্ট নয়। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, মৃত রেশন গ্রাহকের সংখ্যা এর থেকে অনেক বেশি।
বিশদ

আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব
মোবাইল-ট্যাবে নয়, বাচ্চারা ছবি দেখুক বড় পর্দায়, মত পরিচালক সন্দীপ রায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাচ্চারা এখন মোবাইল, ট্যাবেই ছবি দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। শিশু কিশোর অ্যাকাডেমির বাচ্চাদের জন্য এই চলচ্চিত্র উৎসব তাদের সঠিক জায়গায় ছবি দেখার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। মন্তব্য করলেন বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক সন্দীপ রায়। রবিবার অষ্টম কলকাতা শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা অনুষ্ঠানে।
বিশদ

মহাজোটের পরের সভা দিল্লিতে, চাইছেন মমতা
ব্রিগেডের সাফল্যে জোটের পথে আরও বহু দল

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শনিবারের ব্রিগেড সমাবেশ থেকে আক্রমণের অভিমুখ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন সারা দেশের নানা অংশ থেকে আসা শীর্ষনেতারা। হয় একের বিরুদ্ধে এক ফর্মুলা, অথবা অন্য যেভাবে সম্ভব বিজেপি-বিরোধী ভোট ভাগাভাগি ঠেকানো- গেরুয়া শিবিরকে পর্যুদস্ত করাই এখন মহাজোটের পাখির চোখ।
বিশদ

পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তের কাছে নতুন গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজে এগিয়ে গিয়েছে ওড়িশা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের কাছেই ওড়িশায় একটি নতুন গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ শুরুর প্রক্রিয়া অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। ওড়িশার বালেশ্বর জেলার এই সুবর্ণরেখা বন্দরটি প্রস্তাবিত তাজপুর বন্দরের প্রতিযোগী হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন কলকাতা বন্দরের আধিকারিকরা।
বিশদ

বাংলা ফসল বিমা যোজনায় নাম নথিভুক্ত করার সময়সীমা বাড়ল ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত 

বিশ্বজিৎ মাইতি, তমলুক, বিএনএ: বাংলা ফসল বিমা যোজনা প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার জন্য সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। যেসব অঋণী চাষি এখনও ফসল বিমা যোজনায় নাম নথিভুক্ত করতে পারেননি, আগামী ৩১জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁরা নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ পাবেন।  বিশদ

স্কুলে ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিজেপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের সর্বাত্মক বিরোধিতায় পথে নামল বিজেপি। রবিবার দলের যুব মোর্চার তরফে প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। লোকসভা ভোটের আগে এই ইস্যু নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
বিশদ

৩ ফেব্রুয়ারি বামেদের ব্রিগেডে দ্বিগুণ ভিড় হবে, দাবি সূর্যকান্তের

বিএনএ, চুঁচুড়া: কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম, বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা ও সাম্প্রদায়িক দলগুলিকে রুখতে ৩ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশে কর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বানে রবিবার তারকেশ্বরের জয়কৃষ্ণবাজার থেকে কামারপুকুর পর্যন্ত দু’দিনের পদযাত্রার সূচনা করলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।
বিশদ

প্রধান শিক্ষক নিয়োগের স্কুলের তালিকা প্রকাশ করল এসএসসি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রধান শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা আগেই প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। রবিবার স্কুলের তালিকা প্রকাশ করল তারা। মোট ২২৪৫টি শূন্যপদের জন্য প্রথম দফায় কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডাক পেয়েছেন ১৮৬৪ জন। 
বিশদ

জানুয়ারিতে শীতের আমেজ থাকবে, আশা করছেন আবহাওয়াবিদরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জানুয়ারি মাসের বাকি দিনগুলিতে কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ থাকবে বলে আশা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে এখনই আরও জাঁকিয়ে শীত পড়ার মতো পরিস্থিতি ঩নেই। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে তাপমাত্রার কিছুটা ওঠা-নামা চলবে। আবহাওয়াগত বিচারে শীত বলতে যা বোঝায়, তা ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে।
বিশদ

হোমিওপ্যাথি ব্যবহারের দিশা নির্ধারণে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ জানুয়ারি: বিশ্বজুড়ে চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে হোমিওপ্যাথির। তাই এর ব্যবহারের সঠিক দিশা নির্ধারণে এবার উদ্যোগী হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই লক্ষ্যে আগামী ২৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি গোয়ায় একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।
বিশদ

 ফড়েরা বিহার থেকে ধান কিনে বিক্রি করছে রাজ্যে, ঠেকাতে অভিযানে ইবি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিহারের কৃষকদের কাছ থেকে কম পয়সায় ধান কিনে এনে তা বেশি দামে এই রাজ্যে সরকারকে বিক্রি করছে ফড়েরা। এক্ষেত্রে কৃষকদের একাংশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিহার লাগোয়া উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা দিয়েই এভাবে ধান নিয়ে আসা হচ্ছে এই রাজ্যে।
বিশদ

শ্রমিক পরিবারের পড়ুয়াদের জন্য স্কলারশিপ শ্রমিক কল্যাণ পর্যদের

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শ্রমিক পরিবারের পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ স্কলারশিপ ব্যবস্থা চালু করল পশ্চিমবঙ্গ শ্রমিক কল্যাণ পর্যদ। উচ্চ মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায় এবং মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, পর্যদ অনুমোদিত অন্যান্য কারিগরি শিক্ষাক্রমের ক্ষেত্রে এই স্কলারশিপ কিংবা স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে।
বিশদ

চোর ধরতে ব্যর্থ পুলিসের পরামর্শ গাড়িতে জিপিএস, গোপন ইঞ্জিন সুইচ বসানোর
প্রতি মাসে ২০০-র বেশি বাইক চুরি

শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: রাজ্য জুড়েই বেড়েছে মোটরবাইক চুরির হিড়িক। যেভাবে এই দু’চাকা চোরদের দাপট বাড়ছে, তাতে রীতিমতো ঘুম ছুটেছে পুলিসকর্তাদের। চুরি আটকাতে কার্যত ব্যর্থ জেলার থানাগুলি। রীতিমতো দিশেহারা তারা। উদ্ধার হচ্ছে না সিংহভাগ বাইকই।
বিশদ

খাতা দেখতে গরহাজির শিক্ষকরা, ক্ষুব্ধ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিঠি কলেজগুলিকে

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: পরীক্ষার খাতা দেখার জন্য নাম পাঠানো হলেও, সেই দায়িত্ব পালনে অনীহা দেখাচ্ছেন শিক্ষকরা। এমনই অভিযোগ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ তারা। কলেজগুলি যাতে পরীক্ষকদের খাতা দেখার জন্য চাপ দেয়, সেজন্য চিঠি পাঠিয়েছে তারা। 
বিশদ

Pages: 12345

একনজরে
বিএনএ, বহরমপুর: চার মাসে ১০০০জন পুরুষ ভোটারের হিসেবে মহিলার সংখ্যা ১৭জন বাড়িয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত জেলায় ১০০০ পুরুষ ভোটারের হিসেবে মহিলা ছিল ৯৪১জন।   ...

মেলবোর্ন, ২০ জানুয়ারি: রড লেভার এরিনায় ইন্দ্রপতন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরার। রবিবার মেলবোর্ন পার্কের ভরা গ্যালারিকে হতাশায় ডুবিয়ে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের শিল্প সম্মেলন শুরু হতে চলেছে আগামী মাসেই। ফেব্রুয়ারির সাত এবং আট তারিখে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে ওই সম্মেলন বসবে। বিনিয়োগ টানার ওই সামিটে এবার রাজ্য সরকার অন্যান্য সেক্টরের পাশাপাশি কৃষিজ শিল্পের উপরও বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজারহাট রোডে সলুয়া মোড়ের কাছে বাজার সংলগ্ন প্লাস্টিক, আবর্জনায় ভর্তি হয়ে থাকা পুকুরটি অবশেষে পরিষ্কার করল বিধাননগর পুরসভা। ওই পুকুরে নোংরা জমে এমন অবস্থা হয়েছিল যে জল দেখা যাচ্ছিল না। পচা দুর্গন্ধ ছড়াত। স্থানীয়রা ওই পুকুরটি পরিষ্কারের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যে কোনও শুভকর্মের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৫- স্বাধীনতা সংগ্রামী রাসবিহারী বসুর মৃত্যু
১৯৫০- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের মৃত্যু
১৯৬৮- চারটি হাইড্রোজেন বোমা সহ গ্রিনল্যান্ডে ভেঙে পড়ল আমেরিকার বি-৫২ যুদ্ধবিমান
১৯৮৬- অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  January, 2019

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১০/৫৮ দিবা ১০/৪৬। নক্ষত্র- পুষ্যা ৫০/১১ রাত্রি ২/২৭, সূ উ ৬/২২/৪৪, অ ৫/১২/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে।
৬ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১১/৩৩/৪২। পুষ্যানক্ষত্র রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৬। সূ উ ৬/২৫/০, অ ৫/১০/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৭ মধ্যে ও ঘ ১০/৪৩/১৬ থেকে ১২/৫২/২৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩/৩৬ থেকে ৮/৪২/২৮ মধ্যে ও ১২/২১/২১ থেকে ২/৫৩/১২ মধ্যে। বারবেলা ২/২৮/৫১ থেকে ৩/৪৯/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৫/৩৮ থেকে ৯/৬/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/১৩ থেকে ঘ ১১/৪৭/৩৪ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় বোমা ফেটে জখম স্কুলছাত্র  
পুকুরপাড়ে গোরু চড়াতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম এক স্কুলছাত্র। ঘটনাটি ...বিশদ

02:49:57 PM

কার্শিয়াংয়ের কাছে খাদে যাত্রী বোঝাই গাড়ি 
কার্শিয়ায়ের অদূরে রোহিনী রোডে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী গাড়ি। ঘটনায় ন'জন ...বিশদ

02:42:13 PM

লোহার গার্ডার পড়ে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় খড়্গপুর আইআইটিতে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিকা শ্রমিকদের 

12:52:00 PM

ডোভার টেরেসে গোলমাল, প্রহৃত পুলিস 
গড়িয়াহাট থানা এলাকার ডোভার টেরেসে দু'পক্ষের গোলমাল থামাতে গিয়ে প্রহৃত ...বিশদ

12:45:46 PM

পিএনবি প্রতারণা: ভারতের নাগরিকত্ব ছাড়লেন মেহুল চোকসি 
১৩,৫০০ কোটি টাকার পিএনবি ঋণ প্রতারণা কাণ্ডে প্রত্যর্পণ এড়াতে ভারতের ...বিশদ

11:40:14 AM

উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষ, জখম প্রায় ৩০ 

11:30:00 AM