Bartaman Patrika
রাজ্য
 
 

তোমার দেখা নাই রে...। সকাল থেকে আকাশে কালো মেঘ। কিন্তু বৃষ্টির দেখা নেই। শনিবার নদীয়ার তাহেরপুরে তোলা অভি ঘোষের ছবি।

 পরিব্রাজক বিবেকানন্দ

গুঞ্জন ঘোষ: শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর নরেন্দ্রনাথ স্বামী বিবেকানন্দরূপে ভারত পরিক্রমায় বেরিয়ে নিজেকে জানার সঙ্গে সঙ্গে জেনেছিলেন কোথায় ভারতের শক্তি আর কোথায় তার দুর্বলতা। আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র ভারতবর্ষের লুপ্ত গৌরব পুনরুদ্ধারের সংকল্পে শিকাগো ধর্মমহাসভাকেই পাখির চোখ করলেন। কিন্তু সনাতন হিন্দুধর্মের আদর্শকে তৎকালীন মার্কিন দেশের হৃদয় মাঝে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি যেমন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গুণীজনদের মাঝে প্রশংসিত হয়েছেন তেমনই অপমানিত হয়েছেন। নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন এদেশের ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার। শিকাগো ধর্মমহাসভাতে বিশ্বের যেসব ধর্মের প্রতিনিধিরা নিজের নিজের ধর্মকে পরিচিত করতে উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মার্কিন জনগণের হৃদয় কেড়েছিলেন হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি ‘গৈরিক বসন ও বুদ্ধিদৃপ্ত দৃঢ় মুখমণ্ডল’ সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দই। যদিও শিকাগোতে প্রথম দিকে তাঁর নামের বানানবিধি নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি হয়েছে। কেউ বলত ‘বিব্‌কা নন্দ’ আবার কেউ শুধুই ‘কানন্দ’। এর পরও বিবেকানন্দে মুগ্ধ শিকাগোবাসী। এই অবস্থায় নিজেরই স্বদেশবাসী ও প্রিয়জনতুল্য বিবেকানন্দের নামযশ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই তুলনায় নিজের প্রতিপত্তিকে ক্ষয় হতে দেখে ঈর্ষায় জ্বলে উঠেছিলেন প্রতাপচন্দ্র। নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীকে সোজা পথে পর্যুদস্ত করতে না পেরে শেষটায় ধর্মমহাসভার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতাপচন্দ্র রটিয়ে দিলেন অদ্ভুত এক তত্ত্ব, ‘স্বামী বিবেকানন্দ ভারতের এমন এক ভবঘুরে সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত, যাহাদের কোন সামাজিক মর্যাদা বা প্রভাব নাই; বস্তুত তিনি ভণ্ড।’ মজুমদারের ঈর্ষাপরায়ণ কাজকর্ম দেখে ১৮৯৪ সালে আহত স্বামীজি গুরুভাই স্বামী রামকৃষ্ণানন্দকে শিকাগো থেকে লেখেন —
‘‘প্রভুর ইচ্ছায় মজুমদার মহাশয়ের সঙ্গে এখানে দেখা। প্রথমে বড়ই প্রীতি, পরে যখন শিকাগোসুদ্ধ নরনারী আমার উপর ভেঙে পড়তে লাগল তখন মজুমদার ভায়ার মনে আগুন জ্বলল।...আর মজুমদার পার্লামেন্ট অব রিলিজিয়নের পাদ্রীদের কাছে আমার যথেষ্ট নিন্দা করে, ‘ও কেউ নয়, ঠগ, জোচ্চোর; ও তোমাদের দেশে এসে বলে – আমি ফকীর’ ইত্যাদি বলে তাদের মন আমার উপর যথেষ্ট বিগড়ে দিলে!...’’
ধর্মমহাসভার অধিবেশন শেষ হলে স্বামীজি প্রচারের প্রয়োজনে একটি প্রচার সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে বক্তৃতা দিতে থাকেন। সেইসময় বিভিন্ন মার্কিন পত্রপত্রিকায় তাঁর বক্তৃতার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হলে প্রতাপচন্দ্রের ঈর্ষার আগুন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি এন্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকাটিকে সম্বল করে ময়দানে নামেন। ওই পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন শুধুমাত্র ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য। স্বামীজিকে ‘আমাদের পুরাতন বন্ধু’ বলে তীব্র কটাক্ষ করে একটি প্রবন্ধে লেখা হয়, ‘‘...আমরা জানি আমাদের বন্ধু যে নবীন হিন্দুমত প্রচার করিতেছেন, তাহা গোঁড়া হিন্দুধর্ম নহে। তাহার পক্ষে যাহা সম্পূর্ণ অকর্তব্য, তাহা হইতেছে কালাপানি পার হওয়া, ম্লেচ্ছদের অন্নগ্রহণ করা এবং সিগারেটের পর সিগারেট খাওয়া কিংবা ঐরূপ কিছু করা। খাঁটি গোঁড়া হিন্দু আমাদের যতখানি শ্রদ্ধা আকর্ষণ করিতে পারেন, আধুনিক হিন্দুমতাবলম্বী ব্যক্তি সেরূপ শ্রদ্ধা দাবি করিতে পারেন না। কিন্তু বিবেকানন্দের সুখ্যাতি বাড়াইবার জন্য আমাদের সহযোগী সাধ্যমত চেষ্টা করিলেও, তিনি যখন বাজে কথা বকিতে থাকেন, তখন আমাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।” ওই প্রবন্ধে তাঁর সম্বন্ধে এত কথা বলা হলেও আসল সত্যটি হল, ব্রাহ্মসমাজের ‘নববৃন্দাবন’ নাটকে যোগীর ভূমিকায় আর কাউকে না পেয়ে সুগায়ক নরেন্দ্রনাথকে বহু পীড়াপীড়ি পর অভিনয়ের জন্য রাজি করানো হয়েছিল এবং মুখ্যভূমিকায় ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের নেতা ও শ্রীরামকৃষ্ণের কৃপাধন্য কেশবচন্দ্র সেন। নরেন্দ্রনাথ সেই বয়সে থিয়েটারকে এতই অপছন্দ করতেন যে শহরের রাস্তার যে ফুটপাতে থিয়েটার সেই ফুটপাত তিনি একেবারেই মাড়াতেন না।
প্রতাপচন্দ্র কলকাতায় ফিরে রটিয়ে দিলেন বদনামে ভরা অদ্ভুত এক তত্ত্ব— “বিবেকানন্দ আমেরিকায় সব রকমের পাপ কাজ করেছে।” তা শুনে স্বামীজির জবাব ছিল, “বেচারির এতদূর অধঃপতনে আমি বিশেষ দুঃখিত। ভগবান ভদ্রলোককে কৃপা করুন।” তবুও স্বামীজির মনে আশঙ্কা ছিল এই যে, কলকাতার লোকমুখে এ রটনা প্রচারিত হয়ে তাঁর জননীর কানে পৌঁছলে তিনি প্রচণ্ড আঘাত পাবেন। এই রটনায় স্বামীজি প্রচণ্ড মর্মাহত হয়েছিলেন – “আমার বুড়ি মা এখনো বেঁচে আছেন, সারা জীবন তিনি অসীম কষ্ট পেয়েছেন...কিন্তু তাঁর শ্রেষ্ঠ আশার, তাঁর সবচেয়ে ভালবাসার যে ছেলেটিকে তিনি দান করেছেন, সে দূরদেশে গিয়ে – কলকাতায় মজুমদার যেমন রটাচ্ছে তেমনিভাবে – জঘন্য নোংরা জীবনযাপন করছে, এ সংবাদ তাঁকে একেবারে শেষ করে দেবে।” ( যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড , পৃষ্ঠা ১১৭)
শুধু দেশবাসীর অপবাদ নয়, বিশেদেও তাঁকে সহ্য করতে হয়েছে নানান কথা। তাঁর সমকালীন ভারতবর্ষকে অপপ্রচারের মাধ্যমে নরকের সিংহ দুয়ারে করে তুলে ছিল আমেরিকার খ্রিস্টান মিশনারীরা। তারা ভারতের মাটিকে নরক, ধর্মকে কুসংস্কার ও ভারতবাসীদের বিধর্মী আখ্যা দিয়ে এই দেশের উন্নতিকল্পে আমেরিকা থেকে অর্থসংগ্রহ করত। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘রমাবাঈ সার্কল’ নামে এক স্বার্থান্বেষী ধর্মীয় সংঘ। যারা পাশ্চাত্যে ভারতীয় বিধবাদের বৈধব্যজীবনের ভয়ঙ্করতা নিয়ে মিথ্যা গল্প ফেঁদে অর্থোপার্জনের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু স্বামীজি যখন বক্তৃতামঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের মিথ্যার আবরণ সরিয়ে ভারতের সনাতন রূপটিকে সর্বসমক্ষে তুলে ধরলেন, তখন সেই কপটাচারীর দল দুটি প্রতিজ্ঞা করে – ‘জাহান্নমে যাইতে হয় তো তাহাও স্বীকার, কিন্তু নচ্ছার বিবেকানন্দের সর্বনাশ করিতেই হইবে।’ (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৫)।
প্রতাপচন্দ্রের চেয়ে এরা ছিল শতগুণে ভয়ঙ্কর এবং স্বামীজির অনিষ্ট করতে এক কাঠি উপরে। ১৮৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডেট্রয়েট জার্নাল’-এ প্রকাশিত হয় যে, এক বক্তৃতামঞ্চে বারোজন ধর্মযাজক মিলে স্বামীজি ও তাঁর মতাদর্শকে কটূক্তি ও অশ্রাব্য গালিগালাজ দিয়ে আক্রমণ করেছিলেন। স্বামীজির প্রতি আঘাত হানতে তারা কতদূর নীচে নামেন তা স্পষ্ট হয় যখন আমেরিকা জুড়ে প্রচারিত হল – “বিবেকানন্দের অসদ্ব্যবহারে উত্ত্যক্ত হইয়া (মিশিগানের ভূতপূর্ব গভর্নরের স্ত্রী) শ্রীযুক্তা ব্যাগলিকে তাঁহার একটি অল্পবয়স্কা ঝিকে বিদায় দিতে হয়েছিল; বিবেকানন্দ অসম্ভব রকম আত্মসংযমহীন।” (যুগনায়ক বিবেকানন্দ ২য় খণ্ড, পৃ ১২১ – ১২২)
শ্রীযুক্ত জর্জ ডব্লিউ হেল ও তাঁর পত্নী – যাঁদের স্বামীজি বলতেন ‘ফাদার পোপ’ ও ‘মাদার চার্চ’; তাঁদের দুই কন্যা হ্যারিয়েট হেল ও মেরি হেল এবং দুই বোনঝি হ্যারিয়েট ম্যাককিন্ডলি ও ইসাবেল ম্যাককিন্ডলি স্বামীজির কাছে ছিল নিজের বোনের মতো স্নেহের। তাঁদের প্রাণঢালা ভালোবাসার প্রমাণ ছড়িয়ে আছে স্বামীজির বিভিন্ন চিঠিতে। সেই হেল পরিবারকে বেনামী চিঠিতে জানানো হয় যে স্বামী বিবেকানন্দ দুশ্চরিত্র। অতএব মিঃ হেল যেন তাঁর বাড়ির মহিলাদের বিবেকানন্দের সংসর্গ থেকে দূরে রাখেন। যে স্বামীজি নারীশিক্ষার উন্নতিকল্পে ব্রতী হয়ে ভারতে স্ত্রীমঠ প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ছিলেন, তাঁকেই রমাবাঈ সার্কলের তরফ থেকে হিন্দু কন্যাদের শিক্ষার বিরোধী বলে নিন্দা করা হয়। মিশনারীরা তাঁকে ধর্মপ্রচারকের বেশধারী রাজনীতিক বলতেও ছাড়েনি। সেইসময়ে তাঁকে যে প্রাণে মারারও ষড়যন্ত্র চলছিল তা আমরা জানতে পারি ডেট্রয়েটে এক নৈশভোজ চলাকালীন। খাওয়ার টেবিলে বসে স্বামীজি কফির পেয়ালায় চুমুক দিতে যাচ্ছেন, এমন সময় দেখেন শ্রীরামকৃষ্ণ আবির্ভূত হয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘খাসনি, ও বিষ!’
প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যের জন্য বিশেষ বাণী বহন করে আনা স্বামীজি বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছেন। গায়ের ময়লা রঙের জন্য বহু হোটেল ও রুচিবোধসম্পন্ন মার্কিনদের গৃহে তাঁর জায়গা হয়নি। এমন কী গুরু হওয়ার করণে প্রিয় শিষ্যের সঙ্গে সঙ্গে কুৎসার শিকার হয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণও। মিশনারীদের উদ্যোগে একটি সংবাদপত্রে শ্রীরামকৃষ্ণের একটি ছবি ছাপিয়ে তাঁর সম্বন্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। তা দেখে স্বামীজি ব্যথিত হয়ে বলেন, ‘হায়! এ যে সাক্ষাৎ ভগবদ্বিদ্বেষ!’
কিন্তু এত করেও আমেরিকা ও পরে ইংল্যান্ডে তিনি ছিলেন “সমস্ত প্রকৃত ব্রহ্মপ্রবক্তাদের রহস্যের ও আধ্যাত্মিক নিঃসঙ্গতার মূর্ত বিগ্রহ।” দেশে-বিদেশে স্বামীজি যতবার মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি দেখেছেন, ততবারই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছেন। তাঁর নিজের কথাতে ‘আমি জীবনে যত বাধা পেয়েছি ততই আমার শক্তির স্ফুরণ হয়েছে।’ বিবেকানন্দ এইখানেই আশ্চর্যের যে, তিনি কাউকে পরাস্ত করে নিজের জয়ের জন্য আনন্দ পেতেন না, বরং খুশি হতেন একটি সত্যের প্রতিষ্ঠা হয়েছে দেখে। তাঁর প্রতি মিথ্যে অপবাদ এলে কোনও কোনও সময় স্বামীজির হয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মার্কিন সমাজের একাংশ। যেমন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীযুক্তা ব্যাগলি, জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইট, জর্জ ডব্লিউ হেল, মেরি হেল প্রমুখ। স্বামীজির এক বক্তৃতা শুনে বিশিষ্টা জার্মান ভাষাবিদ শ্রীমতী মার্গুয়েরাইটের মনে তাঁর পবিত্রতা ও মহত্ত্ব সম্বন্ধে এমন গভীর ছাপ পড়ে যে স্বামীজির সঙ্গে করমর্দনের পর তিন দিন তিনি নিজের হাত ধোওয়ার কথা ভাবেননি।
নিজের প্রতি ধেয়ে আসা মিথ্যাচারের কারণে যখন তাঁর প্রচারকার্যে ব্যাঘাত ঘটছিল তখন স্বামীজি আশা করেছিলেন যে তাঁর পক্ষ সমর্থন করে নিশ্চয় ভারত থেকে চিঠি মারফত সমুচিত জবাব আসবে। কিন্তু পাশ্চাত্যে থাকাকালীন প্রথমদিকে তাঁকে নিয়ে ভারতীয়দের যে অমনোযোগিতা, সেই সম্পর্কে কিছু অভিমত ধরা পড়েছে তাঁরই এক চিঠিতে – “...এই যে এক বৎসর যাবৎ আমি এখানে আছি – এর মধ্যে ভারতবর্ষের একজন খ্যাতনামা লোকও এদেশবাসীকে এ কথাটি জানানো উচিৎ মনে করেন নাই যে, আমি প্রতারক নহি।...” কিন্তু পরমুহূর্তেই ব্যক্ত হয়েছে তাঁর মনের কথাটি —“আমার চরিত্রের সর্বপ্রধান ত্রুটি এই যে, আমি আমার দেশকে ভালবাসি, বড় একান্তভাবেই ভালবাসি।”
সমালোচনা, ঈর্ষা যে সাফল্যের অংশ তা তো স্বামীজি জানতেনই। মানুষের গোটা জীবনটাই কঠিন পরীক্ষার ঘেরাটোপে বন্দি। তাই শিষ্য শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বামীজি বলেছিলেন জীবনের সনাতন বাস্তব ও সারকথাটি — “...লোকে যখন আমায় খাতির করতে লাগল, তখন পাদ্রীরা আমার পেছনে খুব লাগল। আমার নামে কত কুৎসা কাগজে লিখে রটনা করেছিল! কত লোকে আমায় তার প্রতিবাদ করতে বলত। আমি কিন্তু কিছু গ্রাহ্য করতুম না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস— চালাকি দ্বারা জগতে কোন মহৎ কার্য হয় না; তাই ঐ সকল অশ্লীল কুৎসায় কর্ণপাত না করে ধীরে ধীরে আপনার কাজ করে যেতুম। দেখতেও পেতুম— অনেক সময় যারা আমায় অযথা গালমন্দ করত, তারাও অনুতপ্ত হয়ে আমার শরণ নিত এবং নিজেরাই কাগজে প্রতিবাদ করে ক্ষমা চাইত।...কি জানিস, বাবা, সংসারে সবই দুনিয়াদারি! ঠিক সৎসাহসী ও জ্ঞানী কি এসব দুনিয়াদারিতে ভোলে রে বাপ! জগৎ যা ইচ্ছে বলুক, আমার কর্তব্য কার্য করে চলে যাব – এই জানবি বীরের কাজ। নতুবা এ কি বলছে, ও কি লিখছে —ওসব নিয়ে দিনরাত থাকলে জগতে কোন মহৎ কাজ করা যায় না।” (বাণী ও রচনা ৯, পৃ ৭৪ - ৭৫)।
আশাহত হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি। শত বাধার প্রাচীর তৈরি করেও তাঁর গতিরোধ করায় যায়নি। নিজে ক্ষত হয়েছেন কিন্তু ক্ষতির বিস্তার চাননি। কেননা স্বামীজির হৃদয় জুড়ে ছিল ভারত ও ভারতবাসী।
12th  January, 2019
জুনিয়র ডাক্তাররা মৃতদেহ আটকে
রাখাতেই তুঙ্গে উঠেছিল গোলমাল
এনআরএস কাণ্ডে জানতে পেরেছে পুলিস

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরএস কাণ্ডে পুলিসি তদন্তে বিবিবাগানের বহিরাগতদের পাশাপাশি এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তাররাও কাঠগড়ায়। কলকাতা পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে তা জানা গিয়েছে।
বিশদ

  বামেদের সঙ্গে যৌথ আন্দোলন নিয়ে আলোচনা কংগ্রেসে

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০১৬ সালে বাম ও কংগ্রেসের নির্বাচনী সমঝোতা হওয়াতেই ঠেকানো গিয়েছিল বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। এবার তেমন কিছু শেষপর্যন্ত না হওয়ায় মানুষের কাছে তৃণমূল-বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপি সমর্থন বাড়াতে পারল।
বিশদ

বেহাল হাসপাতাল পরিষেবা: মমতাকে পরপর চিঠি
রাজ্যপালের, শেষে মুখ্যমন্ত্রীর ফোন কেশরীনাথকে

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জুনিয়র ডাক্তারদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে কার্যত রাজ্যজুড়ে ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল দেখে বেজায় চিন্তিত রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। প্রকৃতপক্ষে রাজ্যের তামাম সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি এবং একের পর এক রোগীর বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ঘটনা জেনে গত তিন দিন ধরে ছটফট করেছেন তিনি রাজভবনে বসে।
বিশদ

ফের মমতার আবেদন, অনড় ডাক্তাররা
পঞ্চম দিনেও ভোগান্তি চরমে, বিনা চিকিৎসায় বাড়ছে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা এবং বিএনএ: আসুন, কাজে যোগ দিন। শনিবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে বাংলার আন্দোলনরত ডাক্তারদের প্রতি ফের এই আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং আবার প্রত্যাখ্যাত হল তাঁর সেই আহ্বান। উল্টে জুনিয়র ডাক্তাররা জানালেন, উনি জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। মূল দাবি থেকে সরে এসে আন্দোলনের মুখ ঘোরাতে চাইছেন। আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। মুখ্যমন্ত্রীকে এনআরএসে এসে জনসমক্ষে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ফলে পাঁচদিনে পড়লেও ডাক্তারদের ধর্মঘট মেটার নামগন্ধ নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দিন আনি দিন খাই মানুষদের সরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে ভোগান্তি এখন চরমে উঠেছে। রোগী মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। প্রতি ক্ষেত্রেই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। 
বিশদ

সক্রিয় মুখ্যমন্ত্রী, আরও দুই কড়া
ধারা জোড়া হল ধৃতদের বিরুদ্ধে

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরএস‑কাণ্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আরও কড়া ধারা সংযোজন করল সরকারপক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এই সংযোজন বলে সূত্রের খবর। শনিবার শিয়ালদহ আদালতে বিচারক শুভদীপ রায়ের এজলাসে এন্টালি থানার পুলিস ওই কড়া ধারা প্রয়োগের জন্য আবেদন জানায়।
বিশদ

হরিণঘাটার ৭ কাউন্সিলার, কাঁচরাপাড়ার
চেয়ারম্যান বিজেপি যোগ দিলেন

 বিএনএ, বারাকপুর: রাজ্যে তৃণমূল সরকার ছ’মাসের বেশি টিকবে না। শনিবার বিকেলে কাঁচরাপাড়ার আদর্শ সংঘের মাঠে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপির সংসদ সদস্য অর্জুন সিং। এদিনের সভায় হরিণঘাটার সাতজন কাউন্সিলার এবং কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুদামা রায় বিজেপিতে যোগদান করেন।
বিশদ

পুলিস নিগ্রহের মামলায় রাকেশের জেল হেফাজত

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুলিস নিগ্রহের অভিযোগে বিজেপি নেতা রাকেশ সিংকে ফের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। শুক্রবার বিচারক ওই নির্দেশ দেন। মামলাটি আদালতে উঠলে মুখ্য সরকারি আইনজীবী সৌরিণ ঘোষাল ধৃতের জামিনের আপত্তি জানান।
বিশদ

নিম্নচাপ অক্ষরেখার জেরে মেঘলা
পরিবেশ তাপমাত্রা কমাল শহরে
উত্তরবঙ্গের দোরগোড়ায় বর্ষা

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেঘলা আকাশের জেরে শনিবার এক ঝটকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটা নেমে গেল শহরে। এতে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। এদিন কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা শুক্রবারের তুলনায় প্রায় সাত ডিগ্রি কম।
বিশদ

ধৃতের মা, মামার আগাম জামিনের আবেদন
তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে
সঙ্গীতশিল্পীর ফের জেল হেফাজত

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এক তরুণীকে মাদক মিশ্রিত ঠান্ডা পানীয় খাইয়ে বেহুশ করে ধর্ষণের অভিযোগে ধৃত সঙ্গীতশিল্পী সৌম্য চক্রবর্তীর জামিনের আবেদন আবারও বাতিল করে দিল আদালত। শনিবার শিয়ালদহ আদালতের বিচারক শুভদীপ রায় অভিযুক্তকে ফের ২৯ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
বিশদ

কড়া অবস্থান মোদি সরকারের
ডাক্তারদের উপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে
কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক, বললেন হর্ষ বর্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১৫ জুন: ডাক্তারদের উপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। প্রয়োজনে আনা হোক আইন। এনআরএস কাণ্ডের জেরে চলতে থাকা প্রায় গোটা দেশজুড়ে সরকারি হাসপাতালে কর্মবিরতির পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই মর্মে মোদি সরকারের কড়া অবস্থানের কথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।
বিশদ

হাসপাতালে অচলাবস্থা
গ্রেপ্তার বা উদ্ধার হওয়া শিশুদের মেডিক্যাল
টেস্ট করাতে কালঘাম ছুটছে রেল পুলিসের

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের টানা কর্মবিরতির জেরে দুর্ভোগের অন্ত নেই রোগী ও তাঁদের পরিবার-পরিজনদের। নিত্যদিন চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বহু রোগী। তার মধ্যেই এই ঘটনায় বেজায় সমস্যা ও দুর্ভাবনায় পড়েছেন রেল পুলিসের বিভিন্ন থানার অফিসাররা।
বিশদ

রেশনে বেশি দামে চিনি সরবরাহ,
টেন্ডার বাতিল করল খাদ্য দপ্তর

 কৌশিক ঘোষ, কলকাতা: রেশনে সরবরাহ করার জন্য চিনি কেনায় বড় অনিয়ম ধরা পড়ল খাদ্য দপ্তরের তৎপরতায়। টেন্ডারে বরাত পাওয়া একটি সংস্থা বাজারদরের থেকে অনেক বেশি দামে চিনি সরবরাহ তো করেছেই, পাশাপাশি তারা টেন্ডারের অন্য শর্তও লঙ্ঘন করেছে।
বিশদ

  সংঘর্ষ ও ডাক্তারি আন্দোলন নিয়ে রিপোর্ট তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, পাঠানো হল অ্যাডভাইজরি

 সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি, ১৫ জুন: একইদিনে রাজ্যকে দুটি অ্যাডভাইসারি পাঠাল কেন্দ্র। চাওয়া হল রিপোর্টও। দিন দিন বাড়তে থাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষে রাজ্যবাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। আজ এই মর্মে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনা করল কেন্দ্র।
বিশদ

 বিচারের দাবি জানিয়ে গলায় স্টেথো ঝুলিয়ে মিছিল জুনিয়র ডাক্তারদের, পাশে বিশিষ্টরা

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এমন মিছিল সাম্প্রতিক অতীতে দেখেনি কলকাতা। গলায় স্টেথো ঝুলিয়ে জনাকীর্ণ সরকারি হাসপাতালের করিডরে ব্যস্তভাবে হাঁটতে দেখা যায় যাঁদের, তাঁরাই আজ ‘বিচার’-এর দাবিতে নেমে এসেছিলেন রাজপথে। স্লোগান উঠল, ‘ভয় পেয়ো না এনআরএস/ পাশে আছে গোটা দেশ’।
বিশদ

15th  June, 2019

Pages: 12345

একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেষ্টপুরে ট্যাক্সি চালককে চড় মেরে খুন করায় অভিযুক্ত যাত্রী সৌমেন রায়কে শনিবার আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কেষ্টপুরের রবীন্দ্রপল্লির ওই ঘটনায় বাগুইআটি থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে সৌমেনকে। ...

সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি ঘিরে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে তৃণমূল। শুক্রবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আমাদের অনুরোধে বৃহস্পতিবার রাতে জুনিয়র ডাক্তাররা অবস্থান বিক্ষোভ আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ান ...

 বিশকেক, ১৫ জুন (পিটিআই): ‘সমতার ভিত্তিতে’ এবং ‘সম্মানজনক পদ্ধতিতে’ আলোচনার ব্যবস্থা করা হলে ভারতের সঙ্গে কথা বলতে রাজি পাকিস্তান। এমনটাই জানালেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। শুধু তাই নয়, ভারতের কোর্টে বল ঠেলে পাক বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘এই ব্যাপারে ভারতকেই সিদ্ধান্ত ...

 ম্যাঞ্চেস্টার, ১৫ জুন: ওল্ড ট্রাফোর্ডে শনিবার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির সাংবাদিক সম্মেলনে ভিড় উপচে পড়েছিল। উদ্যোক্তারা সবার বসার ব্যবস্থা করে উঠতে পারেননি। এমন দৃশ্যই তো ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষায় সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি ক্ষেত্রে সাফল্যের যোগ আছে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 

15th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭৩ টাকা ৭০.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৭ টাকা ৮৯.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৪ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩, ২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ৭৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/৪৬ দিবা ২/২। অনুরাধা ১২/৫৮ দিবা ১০/৭। সূ উ ৪/৫৫/৪২, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭ গতে ২/১৭ মধ্যে।
৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/২২/৭ দিবা ১/৫২/২২। অনুরাধানক্ষত্র ১৪/৮/৫৬ দিবা ১০/৩৫/৫, সূ উ ৪/৫৫/৩১, অ ৬/২০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৭ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৭/২৫ গতে ১১/৩৮/৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৮/৩ গতে ১/১৮/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭/২৫ গতে ২/১৬/৪৭ মধ্যে।
 ১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬৬/৬ (৩৫ ওভার)

10:50:03 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৯৫/১ (২১ ওভার) 

09:43:08 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৩৮/১ (১০ ওভার) 

08:56:50 PM

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আগামীকাল ৩টের সময় নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ...বিশদ

08:23:17 PM

ফিরহাদ হাকিমের নামে ভুয়ো প্রোফাইল, ধৃত যুবক 
মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নামে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো ...বিশদ

07:38:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩৩৭ রানের টার্গেট দিল ভারত 

07:32:44 PM