Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

মানুষের সঙ্গে, মানুষের পাশে 

হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ফিরতে হলে যেখানে যা ঘাটতি আছে তা পূরণ করার কাজ এখনই শুরু করা দরকার। এবারের লোকসভা নির্বাচনে শতকরা হিসেবে ভোটের হার তৃণমূলের না কমলেও এই রাজ্যে বহু মানুষের মধ্যে বিজেপিকে সমর্থনের প্রবণতা যে দেখা দিয়েছে তা অস্বীকার করার নয়। এই প্রবণতা আটকাতে হলে সবার আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরি করতে হবে তৃণমূলকে, বিশেষত লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে এসে মোদিজি, অমিত শাহরা রাজ্যে প্রমোটারি, তোলাবাজি, কাটমানি, সিন্ডিকেটরাজ ইত্যাদি বিষয়কে সামনে এনে যেভাবে তা তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রচারের হাতিয়ার করেছিলেন এবং সেটা যে মানুষের মনে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল তাও অস্বীকার করা যায় না। তাই মানুষের আস্থা পেতে হলে সবার আগে এই অভিযোগগুলি যাতে কোনওভাবেই আর না ওঠে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি। তৃণমূল সরকারের জনহিতকর প্রকল্পগুলির সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা সত্ত্বেও কেন রাজ্যের বহু ভোটার বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে, অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের ভোটবাক্সে যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে তা পর্যালোচনা করতে গিয়ে আসল সত্যটি উঠে এসেছে। ফলাফল বিশ্লেষণের পর তৃণমূল শিবির মনে করছে, কাটমানি এবং কমিশন খাওয়ার কারবার একটি কারণ হতে পারে, যার ফলে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। মানুষের এই ক্ষোভ প্রশমনে উদ্যোগী হলেন নেত্রী। দলের সমস্ত স্তরের জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছেন, এসব কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তাই কাটমানি কমিশন খাওয়া রুখতে গড়া হল নজরদারি সেল। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ যাতে সরাসরি তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারেন, সেজন্য টোল ফ্রি নম্বর দেওয়া হয়েছে। ই-মেলেও অভিযোগ জানানো যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে ভালো। এই ব্যবস্থাটি করে তিনি একইসঙ্গে বুঝিয়ে দিলেন তাঁর সরকার মানুষের স্বার্থে মানুষের পাশে আছে, মানুষের মতামতটা যে তাঁর কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ সেই বার্তাটিও দিলেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ সঠিক হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াটাও কিন্তু অনেক বেশি জরুরি। সেটা সম্ভব হলে অবশ্যই তা দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। আর দোষীর শাস্তি হলে সরকারের প্রতি মানুষের ভরসা যে বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই, এই ব্যবস্থা করে দুর্নীতির সঙ্গে যেসব দলীয় কর্মী যুক্ত তাঁদের উদ্দেশেও সতর্ক বার্তা দিলেন নেত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্যে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, খাদ্যসাথী, সবুজসাথী, স্বাস্থ্যসাথী, আবাস যোজনা, বিধবাভাতা, সমব্যথীসহ নানা জনহিতকর প্রকল্প চালু রয়েছে। এবং, এসব ক্ষেত্রে অনুদানের সুবিধাও ভোগ করছেন রাজ্যের বহু মানুষ। দুর্ভাগ্যজনক হলেও বাস্তব সত্যটি হল—এক শ্রেণীর লোকজন ওইসব পরিষেবার সুবিধা পাইয়ে দিতে কেউ চাইছে কমিশন, কেউ-বা প্রাপ্য সরকারি বরাদ্দ থেকে চাইছে কাটমানি। এভাবেই আর্থিক দিক থেকে ফুলেফেঁপে উঠেছে বহু তৃণমূল কর্মী, যা নজর এড়াবার নয়। এ ব্যাপারে অভিযোগও দীর্ঘ দিনের। মুখ্য্যমন্ত্রী বারবার দলীয় কর্মীদের এর জন্য সতর্কও করেছেন। কিন্তু, কাজের কাজ বিশেষ হয়নি। অর্থাৎ কমিশন নেওয়ার কারবার যে চলছিল তা মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যেই স্পষ্ট। তিনি স্বীকার করেছেন, অভিযোগ আসছে বেশ কিছু জায়গা থেকে—কোথাও কন্যাশ্রীর বরাদ্দ ছাড়া হচ্ছে না, কোথাও আবার খাদ্যসাথী মিলছে না, কেউ আবার সরকারি বরাদ্দ পুরো পাচ্ছে না। অন্যদিকে আবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পঞ্চায়েত স্তরে পরিষেবা পেতে শাসক দলের এক শ্রেণীর মাতব্বরকে কোথাও কাটমানি, কোথাও-বা কমিশন দিতে হচ্ছে সাধারণ নাগরিকদের।। এমন বিস্তর অভিযোগ নবান্নেও জমা পড়ছিল। এমনকী, বিধবাভাতা মিলছে না বলেও অভিযোগ এসেছে। অপ্রিয় হলেও এই সত্যটি স্বীকার করে নেওয়ার মানসিকতা দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে গ্রিভান্স সেল গঠন করলেন, তার প্রয়োজন তো ছিলই। এবার সেখানে সরাসরি সাধারণ মানুষ পরিষেবা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ জানাতে পারবেন। এই উদ্যোগে মানুষের মধ্যে কোথায় কী ক্ষোভ আছে তা আঁচ করা যেমন সম্ভব তেমনি সমস্যার সমাধান করাও সহজতর হবে। মা-মাটি-মানুষের সরকার যে মানুষের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে প্রস্তুত এই ব্যবস্থা তারও দৃষ্টান্ত।
তবে, মানুষের ক্ষোভ অভিযোগ শুধু শুনলে বা জানলেই হবে না, দরকার প্রতিকার। সেই কাজটি যদি রাজনীতি ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষভাবে করা সম্ভব হয় তাহলে এই সরকারের উপর মানুষের আস্থা আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে দলের ছোট বড় বা মাঝারি স্তরের নেতা-কর্মী যে-ই হোন, বাছ-বিচার না করে অভিযুক্তের দোষ প্রমাণিত হলে শাস্তি দেওয়াটাও জরুরি। দরকার হলে বড় নেতারও ডানা ছাঁটতে হবে। দুর্নীতিকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। কারণ, সরকারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিটাই আসল ব্যাপার। সেখানেই মানুষের আস্থা। 
বন্ধ হোক খুনোখুনি, রক্তপাত

রাজনীতি মানে তো নীতির রাজা। অর্থাৎ যে নীতি শুধুই মানুষের কল্যাণ করবে। যে নীতির মধ্যে থাকবে না আগ্রাসী ও দখলদারী মনোভাব। সেই নীতিতে হিংসার কোনও স্থান নেই। কিন্তু সময় বদলে গিয়েছে। এখন রাজনীতি মানে রাজার নীতি। রাজাই হলেন সর্বোচ্চ ক্ষমতাবান ব্যক্তি। তিনি যা মনে করবেন, সেটাই হবে।
বিশদ

11th  June, 2019
ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতেও রেকর্ড!

 টাকা অরক্ষিত রাখলে লুট হতে পারে—একথা কে না জানেন। তাই ক্রমাগত কমতে থাকা সুদের হার সত্ত্বেও আমাদের গচ্ছিত টাকা রাষ্ট্রের নির্ধারিত সিন্দুকেই রাখি, শুধুমাত্র নিরাপত্তার সুবন্দোবস্তের কথা মাথায় রেখে। সেই রাজকোষই যদি চুরি হয়ে যায়, তার দায় নেবে কে?
বিশদ

10th  June, 2019
মোদির বিদেশ কূটনীতি

একটা দেশ প্রভাকরণ জমানার পর চলতি বছর ইস্টারে সন্ত্রাসের পুনর্জন্মের সাক্ষী হয়েছে। জঙ্গি হামলায় প্রায় আড়াইশো নিরপরাধ মানুষের মৃত্যুর পর তার রেশ কাটিয়ে এখনও বেরতে পারেনি তারা। শ্রীলঙ্কা। আর একটা দেশ কয়েক বছরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে ফের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। মালদ্বীপ।
বিশদ

09th  June, 2019
সম্মান ফিরে পেলেও দেওয়ালের লিখন পড়তে পারছেন রাজনাথ

 ব্যাপক শোরগোল ও বিতর্কের পর আপাতত নিজের গুরুত্ব কিছুটা হলেও ফিরে পেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার বেলা গড়াতেই রটে যায় অমিত শাহের গুরুত্ব বাড়াতে এবং নরেন্দ্র মোদির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মন্ত্রিসভার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত আটটি কমিটিতেই তাঁকে স্থান দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

08th  June, 2019
ফকির পাকিস্তানের ছদ্মবেশ

ভারতের বিরুদ্ধে একনাগাড়ে মহড়া যুদ্ধ, জঙ্গি তালিম, তাদের আশ্রয়দান ও আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে আর্থিক ও সামরিক সাহায্যদানের খয়রাতি চালাতে গিয়ে খেয়ালই নেই যে জাতীয় অর্থনীতির জাহাজ পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে ফুটো হয়ে গিয়েছে।
বিশদ

07th  June, 2019
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরি

শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্রে ক্রেডিট রেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা। ঋণগ্রহণ এবং ঋণদান বা অর্থলগ্নি বাণিজ্যের একটি বড় দিক। সব ধরনের বাণিজ্যিক সংস্থাকেই ঋণ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এগতে হয়। বিশদ

06th  June, 2019
রোজ হোক পরিবেশ দিবস 

আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার মেনে বিশ্বের সমস্ত দেশ এই দিনটি পালন করছে। এদিন ঈদের ছুটি থাকায় মঙ্গলবারই রাজ্যে সরকারিভাবে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালন করা হল। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পরিবেশ রক্ষার্থে স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক পথনাটিকা প্রভৃতি অনেক কিছুই হল।
বিশদ

05th  June, 2019
হিংসা-হানাহানি বন্ধ হোক 

বউমা তৃণমূলের সমর্থক। ভাশুর বিজেপি নেতা। পারিবারিক শান্তি বিঘ্নিত করে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয়ই হয়ে উঠেছিল বিবাদের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু তার যে পরিণতি এমন মর্মান্তিক হবে, তা কে জানত! শনিবার রাত ৮টা নাগাদ সন্তানকে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন বউমা শিপ্রাদেবী।  
বিশদ

04th  June, 2019
সামনে অসংখ্য চ্যালেঞ্জ, এখন কিন্তু কাজের সময়

 দীর্ঘ ভোট প্রক্রিয়ার পর কেন্দ্রে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিসভার শপথও সমাপন। এখন উচ্ছ্বাসকে কমিয়ে এনে কাজ করার সময়। প্রতিটি দপ্তরের মন্ত্রী তাঁদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। কিন্তু মনে রাখা দরকার, দ্বিতীয় নরেন্দ্র মোদি সরকারের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। বিশদ

03rd  June, 2019
মন্ত্রিসভা ও সংগঠন 

যেমন শোনা গিয়েছিল, ঠিক তেমনটা হল না। নরেন্দ্র মোদি মোটেও ছোটখাটো মন্ত্রিসভায় নিজের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাকে সীমাবদ্ধ রাখলেন না। পূর্ণ ও রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে সংখ্যাটা ৫৮। বহরে বড়। চমকেও। যাবতীয় জল্পনাকে মিথ্যা প্রমাণ করে নির্মলা সীতারামনকে অর্থমন্ত্রক দিয়েছেন মোদি।  
বিশদ

02nd  June, 2019
বাংলার দিল্লি-ভাগ্য

স্বাধীনতা আন্দোলনে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলা। বাংলার রেনেসাঁ শিক্ষা সাহিত্য শিল্প সংস্কৃতি ধর্ম ও সমাজসংস্কার থেকে জীবনের নানা ক্ষেত্রে পথ দেখিয়েছে সারা ভারতকে। এবং, বাংলার এই অবদান এতটাই স্পষ্ট এখনও যে কারও পক্ষেই তা অস্বীকার করা সম্ভব হয়নি। ভারতের এবং বহির্ভারতের একটি নামী প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যেখানে এক বা একাধিক বঙ্গসন্তান বিশেষ সাক্ষ্য রাখছেন না।
বিশদ

01st  June, 2019
হিংসার রাজনীতির অবসান হোক

ভোট শেষ। গণনা শেষ। বৃহস্পতিবার হল শপথগ্রহণ। কিন্তু, কিছুতেই হিংসা-রক্তপাতের শেষ হচ্ছে না। যতটুকু খবর মিলছে তাতে দেখা যাচ্ছে নির্বাচনোত্তর হিংসাত্মক ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গই শীর্ষে থেকে যাচ্ছে। এরাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা কিছুতেই দমন করা যাচ্ছে না। ভোটে এবার বিজেপি খুবই ভালো ফল করেছে, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
বিশদ

31st  May, 2019
সবাইকে নিয়েই দেশের বিকাশ

 আজ দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। রাজনৈতিক সৌজন্য শিষ্টাচার দেখানোর কাজটাও তিনিই শুরু করেছেন। বিপুল জনাদেশে বিজেপির ক্ষমতায় ফেরা নিশ্চিত হওয়ার দিনই তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনী প্রচার পর্বে আমায় যে যা বলেছেন তার সবটাই ভুলে গিয়েছি।
বিশদ

30th  May, 2019
রাজনীতি কবে মানুষের হবে

কল্যাণকামী রাষ্ট্রের লক্ষ্য হল নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান একটু উন্নত করার ব্যবস্থা করা। ভারত হল বৃহত্তম গণতন্ত্র। আমাদের রাষ্ট্রে নাগরিককল্যাণের দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে নির্বাচিত সরকারের উপর। এদেশে কেন্দ্রে এবং রাজ্যে রাজ্যে সরকার তৈরি হয় বহু দলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে।
বিশদ

29th  May, 2019
সমস্যা কাটাতে হবে তৃণমূলকেই

 শেষ পর্যন্ত বামেদের ভোট রামে চলে গিয়েছে, শুধু এই দাবি তুলে লোকসভা ভোটে আসন কমার দায় হয়তো এড়াতে চাইছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। শুধু শীর্ষস্তরেই নয়, এলাকায় এলাকায় নিচুস্তরেও এক রা। ভোটের এই পাটিগণিত কেউই অস্বীকার না করলেও, এটাই যে একমাত্র কারণ নয় তা এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।
বিশদ

28th  May, 2019
বাংলায় বিজেপির জয়ের অনুঘটক লাঞ্ছিত বামেরা

ছ’বছর আগের কথা। বিজেপি তখন রাজ্যে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠেনি। তারা তখন নেহাতই নগণ্য এক শক্তি। এ রাজ্যে তাদের নিয়ে বড় একটা চিন্তিত ছিল না শাসক দল। সকলের অলক্ষে বিজেপি টার্গেট করেছিল একদা বামদুর্গ জঙ্গলমহলকেই।
বিশদ

27th  May, 2019
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...

 পবিত্র ত্রিবেদি, কলকাতা: বর্ষায় জল জমার দুর্ভোগ থেকে এবারও রেহাই মিলছে না বিধাননগর পুরসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গার বাসিন্দাদের। সল্টলেকে জল না জমলেও বিধাননগর পুরসভার বাকি অংশে এই সমস্যা এলাকাবাসীর যন্ত্রণার কারণ হয়। ...

বিএনএ, বাঁকুড়া: এনআরএসের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল থেকে কর্মবিরতি শুরু করলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন সকাল থেকে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক থাকলেও ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত হয়েছেন শীলা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন এমেরিটাস শীলা গৌতম। গত ৮ জুন তিনি পরলোক গমন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি শীলা ফোম তৈরি করেন, যা ক্রমশ সফল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 
এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM