Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

উপভোক্তার সচেতনতা

বাংলার আবাস যোজনা, যা গ্রামবাংলার রূপটাই বদলে দিতে পারে। কাঁচামাটির বাড়িতে বসবাসের ঝুঁকি কাটাতে তৈরি করা হচ্ছে পাকাবাড়ি। বাড়ি তৈরির এই প্রকল্পে কেন্দ্র দেয় ৬০ শতাংশ টাকা আর রাজ্যের টাকা বাকি ৪০ শতাংশ। গত অর্থবর্ষেও বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পে রাজ্যে ৫ লক্ষ ৮৬ হাজার বাড়ি তৈরি হয়েছে। নিজের মনের মতো হোক বা না-হোক মাথা গোঁজার একটা পাকাপোক্ত ঠাঁই পেলে উপভোক্তাদের খুশি হওয়ারই কথা। কিন্তু সেখানেও কাটমানির কাঁটা। এই প্রকল্পের টাকা পেতে হলে গ্রামের কেষ্টবিষ্টু বা অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তার চাহিদা মতো কাটমানির টাকা না-দিলেই বিপত্তি। হয় হয়রানি, নয়তো-বা নানা অজুহাতে প্রকল্পের টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে টালবাহানা, কখনও-বা টাকা আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। আছে বঞ্চনা অনিয়ম দুর্নীতির গুচ্ছ অভিযোগও। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠুভাবে যেখানে গ্রামের গরিব মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন সেখানেই কাটমানি নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য পঞ্চায়েত দপ্তরকে কড়া হয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামতে হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বলেছেন, কাটমানি নেওয়া যাবে না, তা কোনও মতেই বরদাস্ত করা হবে না। অবশেষে বাংলা আবাস যোজনায় উপভোক্তার থেকে টাকা চাওয়া আটকাতে নড়েচড়ে বসল পঞ্চায়েত দপ্তর। এবার তাই পঞ্চায়েত দপ্তর থেকে প্রতিটি জেলায় পাঠানো নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে (৬ নং পয়েন্ট) সবরকম অনিয়ম এড়িয়ে চলতে হবে। কোনও স্তরেই উপভোক্তার কাছে টাকা চাওয়া যাবে না। যদি কোনও অভিযোগ ওঠে তাহলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এটা যেন কথার কথা না হয়। যদিও নির্দেশিকা পাঠিয়ে এমন ফরমান জারি অতীতে কখনও দেখা যায়নি। প্রশ্নটা হল, এ ব্যাপারে আরও আগে উদ্যোগী হলে ভালো হতো না? রাজনৈতিক দলগুলিকে মনে রাখতেই সংখ্যার বিচারে শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলেই ভোটার সংখ্যা বেশি। তাই ২০২১ সালের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগতে হলে এই ভোটব্যাঙ্কটিকে অক্ষত রাখাই তাদের টার্গেট। শাসক বা বিরোধী উভয়েরই লক্ষ্য এই ভোটব্যাঙ্কটি। কারণ এই ভোটাররাই হতে পারেন ওই নির্বাচনে জয় পরাজয়ের ডিসাইডিং ফ্যাক্টর। আর পঞ্চায়েত হল এমন ব্যবস্থা যার সঙ্গে এই ভোটারদের সরাসরি যোগাযোগ ঘটে।
রাজ্যের জনমুখী প্রকল্পগুলির সুফল যাতে মানুষ পায় সেজন্য মমতার সরকার সক্রিয়। তবু পচা শামুকে যাতে পা না কাটে সেজন্য এবার সতর্ক পদক্ষেপ করতে উদ্যোগ নিল তাঁর সরকারের বিভিন্ন দপ্তরও। পঞ্চায়েত দপ্তরও ব্যতিক্রম নয়। এই দপ্তরের নানা কাজের মাধ্যমে গ্রামের সিংহভাগ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনো সম্ভব। সেই পথেই হাঁটছে তৃণমূল সরকার। সকলেই জানে, এই পঞ্চায়েতের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় একটি বাড়ি করার জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা এবং জঙ্গলমহলে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। যদিও অভিযোগ ওঠে বাড়ি পেতে ২০ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েতের কোনও কোনও কর্তাকে। এটা ঠেকাতেই সরকারি উদ্যোগ। তাই বাড়ির জন্য অনুমোদনের পর উপভোক্তাকে ডেকে এই প্রকল্প সম্পর্কে সচেতন করার নির্দেশ দেওয়া হল। বিডিওরা উপভোক্তাদের জন্য সচেতনতা শিবির করবেন। সেখানে তাঁদের বোঝানো হবে—কী ধরনের বাড়ি হবে, ঘর কত বড় হবে, রান্নাঘর কেমন ইত্যাদি। নিঃসন্দেহে এমন ব্যবস্থায় উপভোক্তারা এই প্রকল্পে তাঁদের প্রাপ্য বিষয়ে ওয়াকিবহাল হতে পারবেন। উদ্যোগটি নিশ্চয়ই ভালো। তবে এর বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব হল তা পরে জানা যাবে। দেখতে হবে বাড়ি তৈরির আগে গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন বা ব্লক অফিসে ডেকে উপভোক্তাকে বিস্তারিত বোঝানোর ক্ষেত্রে যেন কোনও ত্রুটি না-থাকে বা দুর্নীতি বাসা বাঁধতে না-পারে। উপভোক্তাদের বোঝানোর নির্দেশটি এবারই প্রথম, যা তাঁদের সচেতনতা বৃদ্ধির সহায়ক।
উদ্দেশ্য মহৎ হলে দুর্নীতিও আটকানো যাবে। যেহেতু এই প্রকল্পে কেন্দ্রও টাকা দিচ্ছে, তাই তারাও থেমে নেই। লক্ষণীয় যে উপভোক্তাসহ নির্মীয়মাণ বাড়ির ছবি চারবার তুলে জিআই ট্যাগ করে দিল্লিতে পাঠাতে বলা হয়েছে। আগেও ছবি পাঠানো হতো। তবে এবার চারবার ছবি পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বাধ্যতামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজটি ঠিকমতো হচ্ছে কি না সে বিষয়ে নজরদারি করতে পারবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। আশার কথা যে সোশিও ইকনমিক কাস্ট সেন্সাস অনুযায়ী রাজ্যের ৩৮ লক্ষ বাড়ি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে কেন্দ্র। কাজটি সম্পূর্ণ ও সফল হলে গ্রামবাংলার রূপটাই হয়তো বদলে যাবে। উপকৃত হবে গ্রামের লক্ষ লক্ষ পরিবার। তবে কাজটি ঠিকমতো করতে হলে কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয়কে সচেষ্ট হতে হবে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছাটাই বড় কথা।
11th  September, 2019
দ্বিশতজন্মবর্ষে শ্রদ্ধা 

১৮২০ সালে মোট বাঙালির সংখ্যা নাকি ছিল চার কোটি। রবীন্দ্রনাথের মতে, তার মধ্যে একজনই মনুষ্যপদবাচ্য—তাঁর নাম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। যাঁর জন্ম ওই সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। তাই এই সেপ্টেম্বর বাঙালির আত্মপরিচয় গঠনের ইতিহাসে অবিস্মরণীয়। 
বিশদ

কর্পোরেট এবং করকাঠামো

 অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার আশায় সুয়োরানি কর্পোরেট। শুক্রবার সকালে কর্পোরেট ট্যাক্সকে প্রায় ৩৫ শতাংশ থেকে ২৫.২ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর মধ্যে যুক্ত রয়েছে সেস এবং সারচার্জ। অর্থাৎ কোনও কোম্পানির বাৎসরিক টার্নওভার যাই হোক না কেন, তাকে ওই ২৫.২ শতাংশই ট্যাক্স দিতে হবে।
বিশদ

22nd  September, 2019
নবজাতকের কাছে অঙ্গীকার

জলের আর এক নাম যে জীবন—তা একটু একটু করে উপলব্ধিও করা যাচ্ছে। খাণ্ডব দহন করে যে ইন্দ্রপ্রস্থ গড়ে তুলেছে মানুষ, তার কড়ায় গণ্ডায় হিসেব চুকিয়ে নিতে চাইছে প্রকৃতি। বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ মাটি খুঁড়ে ভূগর্ভস্থ জল বের করে নিতে শিখেছে।
বিশদ

21st  September, 2019
 হে করুণানিধান

 হে করুণানিধান! তোমার নির্দ্দেশ অবহেলা ক’রে, অহংকার অভিমানে মত্ত হ’য়ে যখন বিপথে ছুটে গিয়েছি, তখন তুমিই তো ব্যস্ত হ’য়ে ত্রস্ত পদে এগিয়ে গিয়ে আমায় ফিরিয়ে নিয়ে এসেছ। আবিলতা, পঙ্কিলতা যখন আমায় চারিদিক থেকে ঘিরে ধরেছে, স্তূপীকৃত পাপতাপ, পুজ্ঞীভূত জজ্ঞাল-জাল যখন জীবনকে দুর্ব্বহ ক’রে তুলেছে, তখন হে আমার প্রিয়তম! বিশদ

20th  September, 2019
দেশ কবে মানবিক হবে?

 ‘ভদ্রলোকরা’ যে ময়লা দেখে বিশেষ দূরত্ব তৈরি করেন এবং নাকে মুখে রুমাল চাপা দেন, সাফাইকর্মীদের সেই ময়লা সাফ করতে হয় হাতে করে, এবং নির্বিকার চিত্তে। এজন্য তাঁদের সামান্য গ্লাভস কিংবা মাস্ক দেওয়া হয় না। বিশদ

20th  September, 2019
রাজনীতি কবে সাহসী হবে?  

ভারত বহু ধর্ম সংস্কৃতি ও ভাষার এক মিলন ক্ষেত্র। আমাদের দেশটিকে বস্তুত গোটা পৃথিবীর এক ক্ষুদ্র সংস্করণ বললে অত্যুক্তি হয় না। এটা অবশ্য একদিনে হয়নি। বহু শত বছর ধরে পৃথিবীর নানা প্রান্তের মানুষ ভারতে এসেছে।  
বিশদ

19th  September, 2019
হিন্দি: ঐক্যের সামনে আশঙ্কা  

ভাষার প্রধান কাজ মনের ভাব ব্যক্ত করা। অর্থাৎ ভাষা হল মনের ভাব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম। আমাদের মনে কত কী থাকে! ভালোবাসা প্রেম বিরহ স্নেহ আনন্দ দুঃখ আবেগ উচ্ছ্বাস দাবি চাওয়া পাওয়া প্রত্যাখ্যান রাগ অনুরাগ হিংসা অহিংসা শান্তি প্রশান্তি ... বলে শেষ হয় না। মনের এই অবস্থাগুলি আমরা ভাষার মাধ্যমেই কারও কাছে প্রকাশ করে থাকি।
বিশদ

18th  September, 2019
ইমরান খানের বোধোদয়

যতদিন ক্রিকেট মাঠে খেলেছেন, ইমরান খান ছিলেন এক সাহসী পুরুষ। বহু দেশের বিরুদ্ধে বহুবার তিনি তাঁর সাহস এবং বুদ্ধি দিয়ে ম্যাচ বের করে নিয়ে গিয়েছেন। মাঠের বাইরে তিনি ছিলেন আবার অনেকটা ফ্ল্যামবয়েন্ট চরিত্রের মানুষ।
বিশদ

17th  September, 2019
আমাজনের ক্ষত সারার নয় 

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অক্লান্তভাবে পুড়ে চলেছে আমাজন জঙ্গলের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। যেখান থেকে আসে পৃথিবীর প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন। ছ’কোটি বছরের পুরনো পৃথিবীর সেই ফুসফুসে এখন ক্ষয়রোগ। প্রতি মিনিটে প্রায় তিনটি ফুটবল মাঠের সমান জঙ্গল পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। এখনও সে আগুন থামেনি। এমন নয় যে অন্য বছর আমাজন অরণ্যে আগুন লাগে না। 
বিশদ

16th  September, 2019
যান জরিমানা এবং কেন্দ্র

মোটর ভেহিকেলস আইনের নয়া সংস্করণ নিয়েও কি এবার পচা শামুকে পা কাটার দশা হতে চলেছে বিজেপির? আর্থিক সংস্কারের নামে আচমকা নোট বাতিল এবং তারপর পুরোপুরি প্রস্তুত না হয়ে জিএসটি চালু করে প্রথম ইনিংসে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল নরেন্দ্র মোদি সরকারকে। বিশদ

15th  September, 2019
মন্দার দুর্গতি নাশ হোক

 বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন পরেই। কিন্তু, চারপাশের দিকে তাকালে কোথাও কি তেমন আনন্দ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে? শহুরে মল ও বাজারে সন্ধ্যা নামলে একটু-আধটু ভিড় দেখা গেলেও গ্রামগঞ্জের চেহারাটা একেবারেই ভিন্ন।
বিশদ

14th  September, 2019
পাকিস্তানের মুখেও মানবাধিকার!

 ভারতের শাসনব্যবস্থাকে হেয় করতে গিয়ে ইমরান খান কিছুদিন আগে দাবি করেছিলেন, সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করতে হয় তা পাকিস্তান শিখিয়ে দিতে পারে! অবশ্য জবাব দেওয়ার জন্য ভারতকে অপেক্ষা করতে হয়নি। বিশদ

13th  September, 2019
শুধরে যাক পাকিস্তান

পাকিস্তানের রাজনীতি আবর্তিত হয় ভারতকে কেন্দ্র করে। পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি হল তীব্র ভারত-বিরোধিতার এক নির্মম পরিণাম। সোজা কথায়, ‘হিন্দু-ভারত’-এর বিরোধিতা থেকেই মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তানের জন্ম। কিন্তু এই প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্রটি তাতেও কোনোদিন স্বস্তি পায়নি।
বিশদ

12th  September, 2019
একশো দিনের কাজ ও নয়া সঙ্কট 

একসময় যে ১০০ দিনের কাজকে ঘিরে গ্রাম বাংলার অর্থনীতিতে লক্ষণীয় পরিবর্তন এসেছিল, সেই প্রকল্পই এখন রাজনীতির আঙিনায় চর্চার মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। লোকসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপির অভাবনীয় উত্থানের পর থেকেই বিবদমান দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তলে তলে অস্ত্রে শান দিচ্ছে একে অন্যকে ঘায়েল করার জন্য।
বিশদ

10th  September, 2019
অর্থনীতি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে

গাড়ি শিল্পে ‘রক্তক্ষরণ’ অব্যাহত। নাগাড়ে গাড়ি বিক্রি কমছে। কোপ পড়ছে কাজে। গাড়ি শিল্পে ইতিমধ্যে ৩.৫ লক্ষ কাজ খুইয়েছে। এই অবস্থায় শিল্প মহলের হুঁশিয়ারি, অবস্থার উন্নতি না-হলে আরও কর্মী চাকরি হারাবেন। দেশে গাড়ি শিল্পের বৃদ্ধির ছবিটা প্রায় মুছে যাওয়ার মুখে। বাধ্য হয়ে উত্তর ভারতে মানেসর ও গুরুগ্রামের কারখানা দুটি দু’দিন বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে মারুতি-সুজুকি।
বিশদ

09th  September, 2019
প্লাস্টিকের বিষ

 মার্চ মাসের ঘটনা। ফিলিপিন্সে একটি তিমির দেহ পাওয়া গিয়েছিল। যার পেটে পাওয়া গিয়েছিল ৮৮ পাউন্ড প্লাস্টিক বর্জ্য। প্রশান্ত মহাসাগরের নীচে মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। যার তল পর্যন্ত পৌঁছনোর অনেক আগেই আলোর গতিপথ শেষ হয়ে যায়। যেখানে আস্ত মাউন্ট এভারেস্ট ঢুকে যাওয়ার পরও জায়গা থেকে যাবে।
বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
হিউস্টন, ২২ সেপ্টেম্বর: অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির পাশাপাশি রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ভাষণ দেওয়ার নির্ঘণ্টও রয়েছে। কিন্তু মার্কিন সফর চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদির পাতে থাকছে কী কী পদ? খাবার-দাবার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে বিশেষ কোনও অনুরোধ করেননি। তাঁর খাবার তৈরির দায়িত্বে থাকছেন শেফ কিরণ ...

বিএনএ, বর্ধমান: বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৫টি বেডের নতুন ডায়ালিসিস ইউনিটের কাজ শেষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে উদ্বোধন করিয়ে শীঘ্রই ওই ইউনিট চালু করতে চাইছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  ...

সংবাদদাতা, মালদহ: ইংলিশবাজার শহরে চলাচলের অনুমতি দিতে শুরু হয়েছে টোটো বা ই-রিকশর নিবন্ধীকরণ কর্মসূচি। এই সুযোগে শহর জুড়ে পুজোর মুখে ফের হুহু করে বাড়ছে টোটো’র সংখ্যা।  ...

শ্রীনগর, ২২ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করার পর কেটে গিয়েছে টানা ৪৯ দিন। এখনও থমথমে উপত্যকা। স্বাভাবিক হয়নি মানুষের জীবনযাত্রা। এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ীভাবে সাপ্তাহিক বাজার বসল শ্রীনগরের রাস্তায়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধা-বিঘ্ন। হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্য আফশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৭: বাংলার প্রথম র‌্যাংলার ও সমাজ সংস্কারক আনন্দমোহন বসুর জন্ম
১৯৩২: চট্টগ্রাম আন্দোলনের নেত্রী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মৃত্যু
১৯৩৫: অভিনেতা প্রেম চোপড়ার জন্ম
১৯৪৩: অভিনেত্রী তনুজার জন্ম
১৯৫৭: গায়ক কুমার শানুর জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, নবমী ৩২/৫১ রাত্রি ৬/৩৭। আর্দ্রা ১৫/১ দিবা ১১/২৯। সূ উ ৫/২৮/৫৭, অ ৫/২৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১১/৫ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে। 
৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, নবমী ১৯/৪৮/৫৫ দিবা ১/২৪/১৪। আর্দ্রা ৫/৩৮/১৫ দিবা ৭/৪৪/৮, সূ উ ৫/২৮/৫০, অ ৫/৩১/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে, বারবেলা ২/৩০/৫০ গতে ৪/১/১০ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৯/১০ গতে ৮/১৯/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৩০ গতে ১১/৩০/১০ মধ্যে। 
২৩ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নদীয়ার কলেজে বোমাবাজি, জখম ২
নদীয়ার মাজদিয়া কলেজে বোমাবাজির ঘটনা ঘটল। টিএমসিপি-এবিভিপি একে অন্যের বিরুদ্ধে ...বিশদ

06:28:00 PM

গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা চন্দননগরে
এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল হুগলী-চুঁচুড়া পৌরসভার ...বিশদ

06:23:18 PM

ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী কেমন হচ্ছে কর্মচারীদের বেতন
ক্যাবিনেটেও অনুমোদিত হয়ে গেল ষষ্ঠ বেতন কমিশন । নতুন এই ...বিশদ

05:49:00 PM

ফায়ার লাইসেন্স ফি কমাল রাজ্য
ফায়ার লাইসেন্স ফি ৯২ শতাংশ কমিয়ে দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। ...বিশদ

04:54:52 PM

কাটোয়ায় বাজ পড়ে মৃত ১ 
আজ সোমবার দুপুরে কাটোয়ায় বাজ পড়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ...বিশদ

04:54:00 PM

রাজীব কুমারের কোয়ার্টারে ফের সিবিআই 
ফের নোটিস দিতে রাজীব কুমারের কোয়ার্টারে হানা দিল সিবিআই।   ...বিশদ

04:48:06 PM