Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

প্রকৃতিরাজ্যের বিভিন্ন নিয়ম-শৃঙ্খলা

প্রকৃতিরাজ্যের বিভিন্ন বিভাগে শক্তির যে সব বিচিত্র পরিণাম, বিচিত্র ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, বিচিত্র গতিবিধি ও কার্য্যোৎপাদন আমরা সাধারণতঃ দেখতে পাই, তার মধ্যে প্রায়শঃ আমরা নিয়ম-শৃঙ্খলার পরিচয় পাই। সব ক্ষেত্রেই শক্তির যেন সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি আছে। বিজ্ঞান এরূপ অনেক নিয়ম আবিষ্কার করেছে ও করছে। এগুলিকে আমরা প্রাকৃতিক নিয়ম বলি এবং প্রায়শঃ অখণ্ডনীয় ব’লে গণ্য করি। কিন্তু সূক্ষ্মতর অনুসন্ধানে দেখতে পাই যে, সব ক্ষেত্রেই যে শক্তি এই সব নিয়মের বন্ধন মেনে চলে তা নয়। আমাদের আবিষ্কৃত নিয়মশৃঙ্খলাকে উল্লঙ্ঘন করেও শক্তি অনেক ক্ষেত্রেই ক্রিয়া করে এবং আপনার স্বাতন্ত্র্যের পরিচয় দেয়। শক্তিকে আমরা সর্ব্বতোভাবে নিয়মাধীন বলতে পারি না। শক্তির কার্য্য দেখেই নিয়ম আবিষ্কার করি, কিন্তু বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ক’রেও শক্তি কার্য্য করে। শক্তির ক্রিয়ার মধ্যে স্থূল জগতে আমরা এক জাতীয় নিয়ম দেখি, সূক্ষ্ম জগতে অন্যপ্রকার; জড় জগতে একপ্রকার, জীবজগতে কখনও কখনও তার বিপরীত। সুতরাং শক্তি যে শুধু নিজের সত্তায় সত্তাবতী, তা নয়; কার্য্যজগতে আপনাকে বিচিত্রভাবে অভিব্যক্ত করার পদ্ধতি সম্বন্ধে তার নিজস্ব স্বাতন্ত্র্যও আছে—এ সিদ্ধান্ত অনিবার্য্য হ’য়ে পড়ে।
এই পরিদৃশ্যমান জগতে আমরা যে এত বিভিন্ন স্তরের, বিভিন্ন প্রকারের শক্তিপরিণাম দেখি, এত অভিনব সৃষ্টি ও আকস্মিক ধ্বংস দেখি, এত নিয়মের বাঁধন ও তার সাথে এত নিয়মের ব্যভিচার দেখি, এর মধ্যেও আমাদের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি একথা অস্বীকার করতে পারে না যে, দেশ কাল দ্বারা অপরিচ্ছিন্ন, অসংখ্য সৌরমণ্ডল নক্ষত্রমণ্ডল বিশিষ্ট, অশেষ জটিলতা-সমাকীর্ণ এই বিশ্বপ্রপঞ্চ একটা রহস্যময় ঐক্যসূত্রে গ্রথিত। এর একটা আভ্যন্তরীণ যোগসূত্র আছে, এর সর্ব্বাবয়বে একটা অদ্ভুত সামঞ্জস্য আছে। একটা প্রাণশক্তি যেন এই বিশাল ব্রহ্মাণ্ডকে বিধৃত ক’রে রয়েছে। এটা যেন কারো একটা বিরাট দেহ; একথাটা শুধু কবিকল্পনা মনে হয় না।
এই বিরাট বিশ্বের একটা ক্ষুদ্র অংশ আমাদের পৃথিবী। এই পৃথিবীর ক্রম-বিকাশের ইতিহাসও সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, কি আকস্মিকভাবে সূর্য্যের একটা টুকরো খ’সে এসে একটা নির্দ্দিষ্ট কক্ষে সূর্য্যকেই প্রদক্ষিণ করতে আরম্ভ করল, কি অদ্ভুতভাবে একটা প্রচণ্ড তাপবিশিষ্ট অগ্নিগোলকের অবস্থা থেকে শক্তিপরিণামের ভিতর দিয়ে সূর্য্যের এই টুকরাটি আকাশে, বাতাসে, জলে, স্থলে, পর্ব্বতে অরণ্যে, অগ্নি, বিদ্যুদাদিতে বিভক্ত হ’য়ে এ সকলের সুন্দর সমাবেশে কালক্রমে জীববহসতির যোগ্যতা লাভ করলে, কি রহস্যময় প্রণালীতে এই জড় পিণ্ডের মধ্যে প্রাণের অভ্যুদয় হ’ল, প্রাণের মধ্যে আবার মনের বিকাশ হ’ল, মনের মধ্যে বুদ্ধির উদয় হ’ল, এবং ক্রমে এই পৃথিবী মনুষ্য সভ্যতার লীলাভূমি হ’ল। এই বিবর্ত্তনের মধ্যে কতবার কত প্রকার ভাঙ্গাগড়া হয়েছে, কত সৃষ্টি-প্রলয় ঘটেছে। বৈজ্ঞানিকদৃষ্টিতে এসবই তো শক্তিরই খেলা। প্রাণ, মন, বুদ্ধি, সবই তো এক শক্তিরই বিচিত্র রূপ। সূর্য শক্তিময়, নক্ষত্রাদি ও শক্তিময়, পৃথিবীও শক্তিময়ী। কত সৃষ্টি ও ধ্বংসের সমাবেশে কী অদ্ভুত সংগঠন!
বিজ্ঞান আমাদের সামনে যে সব তথ্য উপস্থাপিত করেছে, তা থেকে আমরা অক্লেশেই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, এই বিশ্বপ্রপঞ্চ অশেষ বৈচিত্র্যসমাকুল ও প্রতিনিয়ত পরিবর্ত্তনশীল হ’লেও এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে সর্ব্বদা সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়ের তাণ্ডবলীলা চললেও, এর সমস্ত অতীত, বর্তমান ভবিষ্যতের মধ্যে একটা একত্ব আছে, একটা যোগযুক্ত সংঘবদ্ধ ভাব আছে। সুতরাং নিশ্চয়ই এর একটা প্রাণকেন্দ্র অবশ্যই অনন্ত শক্তির আধার, স্বসত্তায় সত্তাবান, স্বয়ং প্রকাশ, স্বয়ং ক্রিয় ও স্বতন্ত্র। সেই প্রাণকেন্দ্র থেকেই চিরকাল অসংখ্য প্রকার শক্তি বিকীর্ণ হচ্ছে, অসংখ্য প্রকার রূপান্তরের সৃষ্টি হচ্ছে, সেই প্রাণকেন্দ্রই স্বীয় অসীম শক্তিতে বিশ্বের সকল অংশকে, সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে বিধৃত ক’রে, সংঘবদ্ধ ক’রে, যোগযুক্ত ক’রে ধ’রে রেখেছে, সেই প্রাণকেন্দ্রই বিশ্বের সকল ব্যষ্টি ও সমষ্টিসত্তার অফুরন্ত উৎস, আশ্রয় ও নিয়ামক।
মহানামব্রত ব্রহ্মচারীর ‘চণ্ডী চিন্তা’ থেকে
10th  September, 2019
মূর্ত ভারতাত্মা স্বামীজী 

শক্তির রাজ্যে সর্বোচ্চ স্থান আত্মার। প্রথমে দেহ, তাহার পর মন, তাহার পর আত্মা। স্বামীজী ছিলেন একাধারে দেহ মন ও আত্মার শক্তিতে শক্তিমান। মানব-আকাশে তাঁহার উদয় উল্কার মত, জ্যোতিষ্কের মত ছিল তাঁর আলোকউদ্ভাস। স্বল্পকালের জন্য স্বামীজী জীবিত ছিলেন বটে কিন্তু তাঁহার আবির্ভাব মানবাকাশকে দিয়াছে চির ভাস্বর প্রদোষ। 
বিশদ

 বাক্‌সূক্ত

ভারতের এক চিরস্মরণীয়া মহযোগিনী নারী—অম্ভৃণ ঋষির কন্যা বাগ্‌দেবী, এইরূপে ধ্যানযোগে সমগ্র বিশ্বপ্রকৃতির সহিত ঐকাত্ম্য অনুভব ক’রে স্বতঃস্ফূর্ত্ত অপূর্ব্ব কবিত্বপূর্ণ ভাষায় সেই অনুভূতির যে বর্ণনা দিয়াছিলেন, তাহাই ঋগ্‌঩বেদের দেবীসূক্ত বা ‘বাক্‌সূক্ত’ নামে লিপিবদ্ধ হয়ে আজ পর্য্যন্তও তত্ত্বপিপাসু হিন্দুগণের নিত্যপাঠ্য হয়ে আছে।
বিশদ

22nd  September, 2019
সংসার-বৈরাগ্য

 সংসার তুচ্ছ জেনে স্বর্গরাজ্য—অভিযানই চূড়ান্ত প্রজ্ঞা-নিদর্শন। ক্ষয়শীল ঐশ্চর্যের সন্ধান, অল্পায়ু সম্পদে আস্থা—মহা মূর্খতার পরিচয়। সংসারসুলভ সম্মানের অন্বেষণ, উচ্চপদের লিপ্সা—মহা মূর্খতার পরিচয়। বিশদ

21st  September, 2019
মানবরূপ 

শ্রীরামকৃষ্ণ একটি কথা বলতেন: ‘আমি ছাঁচ তৈরি করে রেখে গেলাম, তোরা নিজেদের জীবনকে সেই ছাঁচে ঢেলে নে, আমি আগুন জ্বেলে গেলাম, তোরা আগুন পুইয়ে নে, আমি রান্না করে রেখে গেলাম, তোরা বাড়া ভাতে বসে যা।’ প্রত্যেকটি কথাই অতিশয় তাৎপর্যপূর্ণ। 
বিশদ

19th  September, 2019
হিন্দু সভ্যতার চিরন্তন উপকূলে

আলমোড়ায় অবস্থানকালে স্বামীজী হিন্দু সভ্যতার চিরন্তন উপকূলে—আধুনিক চিন্তাতরঙ্গরাজির বহুদূর ব্যাপী প্লাবনের প্রথম ফলস্বরূপ বঙ্গদেশে যে-সকল উদার হৃদয় মহাপুরুষের আবির্ভাব হইয়াছিল, তাঁহাদিগের কথা বলিয়াছিলেন। রাজা রামমোহন রায়ের কথা নৈনিতালে শুনিয়াছিলাম। 
বিশদ

18th  September, 2019
 সমাধি

 প্রশ্ন: যখন সমাধিতে চিত্ত থাকে তখন উহাতে কোন চমৎকার প্রকাশ হয় কি না? যদি হয় তবে ধ্যেয় বস্তু হইতে চ্যুত হওয়া হইল কি না? আর উহার মূল কারণ কি?
মা: সমাধি মানে সমাধান— বিশদ

17th  September, 2019
ফুল আর কাঁটা 

মানুষের ভেতরে দুই-ই আছে, ফুল আর কাঁটা। আমরা ফুলটুকু গ্রহণ করবো। কাঁটা যখন পাব তখন কষ্ট কি হবে না? কষ্ট ঠিকই হবে, কিন্তু তাই ব’লে কাঁটার পরিবর্তে কাঁটা দেব না। আমরা সাধু, আমরা ফুলই দিয়ে যাব জগৎকে। যে যা নয়, সে যদি তাই সাজে—তবে সেটা মানাবে না, কিছুতেই মানাবে না।
বিশদ

16th  September, 2019
 দৃষ্টিভঙ্গি

 আকাশ ও পৃথিবীর নিজস্ব রূপ ছাড়াও অন্য রূপ আছে। সেই রূপ মানুষের মনে। দৃষ্টিভঙ্গির তারতম্যে যে-রূপ শিল্পীর কাছে ধরা পড়ে, কবির চোখে তা নগণ্য নয়; বরং তা অপরূপ করে তোলে ঐ আকাশ আর পৃথিবীকে, প্রতিভাবান মানুষ সম্পর্কেও একই কথা।
বিশদ

15th  September, 2019
জ্ঞানৈষণা

সকল জ্ঞানৈষণা যখন আমরা পার হয়ে গিয়েছি, তখনই আমরা পাব জ্ঞান। বিচার হয়েছিল সহায়, বিচারই এখন অন্তরায়। সকল কর্ম্মৈষণা যখন পার হয়ে গিয়েছি, তখনই আমরা পাব শক্তি। চেষ্টা হয়েছিল সহায়, চেষ্টাই এখন অন্তরায়। সকল ভোগৈষণা যখন আমরা পার হয়ে গিয়েছি, তখনই আমরা পাব আনন্দ।
বিশদ

14th  September, 2019
কর্ম

 কর্ম সম্বন্ধে সাধারণ লোকের স্পষ্ট ধারণা না থাকিলেও ইহা অধিকাংশ লোকেই বিশ্বাস করে যে এই সংসার প্রপঞ্চের এবং ব্যাপক দুঃখ জঞ্জালের মূল একমাত্র কর্ম। এই বিশ্বাস যে অমূলক তাহা নহে। তবে ইহা স্পষ্টরূপে বোধগম্য হওয়া উচিত। বিশদ

13th  September, 2019
অনুশোচনা

আত্মোন্নতি লাভের ইচ্ছা থাকলে ভগবৎভীতি হৃদয়ে পোষণ ক’রো, বিমূঢ় হ’য়ো না স্বাধীনতার মোহে; নিজের ইন্দ্রিয়বৃত্তিসমূহ-কে শাসন ক’রো, সব দিক থেকে নিজেকে সংযত ক’রে নিজেকে ভাসিয়ে দিও না অনর্থক উল্লাসে। মর্মে মর্মে অনুতাপ কর; অনুতাপই ভক্তির উৎস।
বিশদ

12th  September, 2019
  কর্মের রহস্য

 মানুষ শরীর বাক্য ও মন দ্বারা যাহা কিছু করে তাহাই কর্ম। জীবমাত্রই সকল অবস্থায় সর্বদা কোন-না-কোন কর্ম করে। ‘‘কর্মহীন হইলে শরীরযাত্রাও নির্বাহিত হয় না।’’ শারীরিক ও মানসিক ক্রিয়াই জীবনের লক্ষণ। ‘‘কর্ম না করিয়া কেহ ক্ষণকালও থাকিতে পারে না।’’
বিশদ

11th  September, 2019
ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ

জনসাধারণের ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ কামনায় পূর্ব্বাপর মঠ মন্দির সকল প্রতিষ্ঠিত হইত। ঐ সকল মঠই আমাদের দেশের ধর্ম্ম কর্ম্ম ও শিক্ষা দীক্ষার প্রধান কেন্দ্রস্থল ছিল এবং সাধারণের [সেবায়] মঠের সিংহদ্বার সর্ব্বদাই উন্মুক্ত থাকিত। বিদ্যাদানে এক একটী মঠই ভুবনখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হইয়াছিল।
বিশদ

09th  September, 2019
 শিক্ষা

 নিবেদিতার প্রতি স্বামীজীর নির্দেশ ছিল—ভারতীয় মেয়েদের জাতীয়ভাবে দেশীয় ঐতিহ্য বজায় রেখেই শিক্ষা দিতে হবে। তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, শ্রীরামকৃষ্ণ শুধুমাত্র নারীমুক্তির জন্য আসেননি, তিনি জনগণেরও ত্রাণকর্তা। বিশদ

08th  September, 2019
জপ

নামের যে নাদ তার মধ্যে যেমন নামী বিদ্যমান, নামের যে সত্তা তার মধ্যে আমিও স্বরূপত বিরাজমান। নামী নামের মধ্যে অবস্থান করছেন—নামের অন্তে বিরাজ করছেন—নামের আদিতে স্থিত আছেন। নামের লক্ষ্যার্থ হলেন তিনি। নাম একটি নাদ, একটি অর্থ, একটি ইঙ্গিত, একটি ভাব বহন করে—সেই নাদ, ভাব, অর্থ, ইঙ্গিত ইত্যাদি হলেন স্বয়ং তিনি।
বিশদ

07th  September, 2019
দুঃখ

 যেখানেই থাক, যে-দিকেই ফের, ভগবানের দিকে যতক্ষণ চোখ না ফেরাও ততক্ষণ দুঃখ থেকে তোমার মুক্তি নেই। তোমার ইচ্ছা ও অভিপ্রায় মতো সব কিছু করা না হলে তোমার এত দুঃখ হয় কেন? এমন কেউ কি কোথাও আছে যে সব কিছুই নিজের মনোমতো পেয়েছে, না আমি, না তুমি, না এই পৃথিবীর আর কেউ?
বিশদ

06th  September, 2019
একনজরে
বিএনএ, বর্ধমান: বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৫টি বেডের নতুন ডায়ালিসিস ইউনিটের কাজ শেষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত দিয়ে উদ্বোধন করিয়ে শীঘ্রই ওই ইউনিট চালু করতে চাইছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবার তার থিম পর্যটন এবং চাকরি। সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই পর্যটন শিল্পে চাকরির পরিসর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কলকাতায় আজ, সোমবার থেকে চাকরির মেলা শুরু করছে পর্যটন মন্ত্রক। ...

শ্রীনগর, ২২ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করার পর কেটে গিয়েছে টানা ৪৯ দিন। এখনও থমথমে উপত্যকা। স্বাভাবিক হয়নি মানুষের জীবনযাত্রা। এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ীভাবে সাপ্তাহিক বাজার বসল শ্রীনগরের রাস্তায়।  ...

সংবাদদাতা, মালদহ: ইংলিশবাজার শহরে চলাচলের অনুমতি দিতে শুরু হয়েছে টোটো বা ই-রিকশর নিবন্ধীকরণ কর্মসূচি। এই সুযোগে শহর জুড়ে পুজোর মুখে ফের হুহু করে বাড়ছে টোটো’র সংখ্যা।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধা-বিঘ্ন। হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্য আফশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৭: বাংলার প্রথম র‌্যাংলার ও সমাজ সংস্কারক আনন্দমোহন বসুর জন্ম
১৯৩২: চট্টগ্রাম আন্দোলনের নেত্রী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মৃত্যু
১৯৩৫: অভিনেতা প্রেম চোপড়ার জন্ম
১৯৪৩: অভিনেত্রী তনুজার জন্ম
১৯৫৭: গায়ক কুমার শানুর জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, নবমী ৩২/৫১ রাত্রি ৬/৩৭। আর্দ্রা ১৫/১ দিবা ১১/২৯। সূ উ ৫/২৮/৫৭, অ ৫/২৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১১/৫ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে। 
৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, নবমী ১৯/৪৮/৫৫ দিবা ১/২৪/১৪। আর্দ্রা ৫/৩৮/১৫ দিবা ৭/৪৪/৮, সূ উ ৫/২৮/৫০, অ ৫/৩১/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে, বারবেলা ২/৩০/৫০ গতে ৪/১/১০ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৯/১০ গতে ৮/১৯/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৩০ গতে ১১/৩০/১০ মধ্যে। 
২৩ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নদীয়ার কলেজে বোমাবাজি, জখম ২
নদীয়ার মাজদিয়া কলেজে বোমাবাজির ঘটনা ঘটল। টিএমসিপি-এবিভিপি একে অন্যের বিরুদ্ধে ...বিশদ

06:28:00 PM

গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা চন্দননগরে
এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল হুগলী-চুঁচুড়া পৌরসভার ...বিশদ

06:23:18 PM

ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী কেমন হচ্ছে কর্মচারীদের বেতন
ক্যাবিনেটেও অনুমোদিত হয়ে গেল ষষ্ঠ বেতন কমিশন । নতুন এই ...বিশদ

05:49:00 PM

ফায়ার লাইসেন্স ফি কমাল রাজ্য
ফায়ার লাইসেন্স ফি ৯২ শতাংশ কমিয়ে দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। ...বিশদ

04:54:52 PM

কাটোয়ায় বাজ পড়ে মৃত ১ 
আজ সোমবার দুপুরে কাটোয়ায় বাজ পড়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ...বিশদ

04:54:00 PM

রাজীব কুমারের কোয়ার্টারে ফের সিবিআই 
ফের নোটিস দিতে রাজীব কুমারের কোয়ার্টারে হানা দিল সিবিআই।   ...বিশদ

04:48:06 PM