Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’
ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি। এই ধারাটির অব‌্যবহারের ভিতরেই এর ক্ষমতা। সংসদ সরকারকে যা বলল সেটা নীচের মতো করে কল্পনা করা যায়:
৭ নং ধারার দিকগুলি
সরকার তুমি আছো, কিন্তু রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কও (আরবিআই) আছে।
নির্দেশদানের ক্ষমতা তোমাকে দেব আমরা কিন্তু ... (থেমে), গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে তুমি বাধ‌্য। মনে রেখো, তুমি অবশ‌্যই গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করবে, ব‌্যাঙ্কের সঙ্গে বা ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সঙ্গে নয়।
আমরা ধরে নেব যে তুমি এবং গভর্নর একে অপরে নিয়মিত আলোচনা-পরামর্শ করো, কিন্তু এও মনে রেখ এটি একটি বিধিবদ্ধ পরামর্শ, কারণ তোমাদের মধ‌্যে স্বাভাবিক আলোচনা পরামর্শের সময় তোমরা সহমত হতে পারোনি। যখন তুমি বিধিবদ্ধ পরামর্শ করো, দয়া করে মাথায় রেখ যে, আরবিআই আইন অনুসারে, ‘অর্থনৈতিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত রাখার জন‌্য ব‌্যাঙ্ক নোট ইস‌্যু নিয়ন্ত্রণ এবং ব‌্যাঙ্ক রিজার্ভ রক্ষা করা’টা হল রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের দায়িত্ব।
বিধিবদ্ধ আলোচনা-পরামর্শ শেষে তুমি এবং গভর্নর সহমত নাও হতে পার। তখন তুমি কী করবে? তোমার মতামত জানিয়ে ফিরে আসতে পার এবং আশা করতে পার যে ব‌্যাপারটা আর একটু গড়ালে গভর্নর তাঁর মত বদলে ফেলবেন? অথবা, তুমি কি তোমার চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে (প্রেস দ‌্য নিউক্লিয়ার বাটন) গভর্নরের ইস্তফার মতো অনিবার্য কাণ্ডটির জন‌্য প্রতীক্ষা করবে?
আরবিআই বিরোধী
উপরের কথাগুলো অবশ‌্য কিছু কাল্পনিক কথোপকথন, কিন্তু এটাই হল আইনের মর্মকথা। সাম্প্রতিক ঘটনা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গভর্নরের সঙ্গে নিয়মিত পরমার্শের সময় এই কাল্পনিক কথোপকথনের রিপ্লে সরকার তার মনে মনে আর করবে না। এর পরিণতিও নজিরবিহীন—সরকার ও আরবিআই সম্মুখসমর।  
ঘটনার অনুক্রমগুলি দেখা যাক। ড. রঘুরাম রাজন অবজ্ঞাত হয়েছিলেন, তবু ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে প্রথম দফার কাজের মেয়াদ-পরবর্তী সময়েও তিনি ওই পদে কাজ চালিয়ে যেতে রাজি ছিলেন। তিনি ‘যথেষ্ট ভারতীয়’ নন—এইরকম একটি অপবাদ দিয়ে কার্যত তাঁকে সরে যেতে বাধ‌্য করা হয়েছিল। তাঁর জায়গায় উর্জিত প‌্যাটেলকে আনা হল কিন্তু, কয়েক সপ্তাহের মধ‌্যেই, তাঁর কর্তৃত্ব খর্ব করা হল বিমুদ্রাকরণ (ডিমনিটাইজেশন) নামক সাংঘাতিক ভুলটি করে। আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক মহলে ড. প‌্যাটেলের সুনাম নষ্ট হল। তাঁর স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার মাধ‌্যমে ড. প‌্যাটেল সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা নিয়েছিলেন। সুদের হার-টা ছিল সরকারের প্রাথমিক ভাবনার বিষয় কিন্তু, ওটা নিয়ে ড. প‌্যাটেলের কোনও ভয় ছিল না—মনিটারি পলিসি কমিটির সমর্থনটা তাঁর পিছনেই ছিল। সরকার দ্রুত টের পেল যে একমাত্র সুদের হারটাই ‘উন্নয়নের পথে বাধা’ নয়; অন‌্য কারণগুলিও খোলসা হয়ে পড়ল।
নির্মাণ ক্ষেত্রের সমস‌্যার কথা ধরা যাক। বিমুদ্রাকরণের বিরাট বিশাল ধাক্কা এসে পড়েছে নির্মাণ শিল্পের উপর। তবুও রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ার দর দ্বিগুণেরও বেশি রেখেছিল! গত জানুয়ারি থেকে সেই সংস্থাগুলির শেয়ার দর ৪০ শতাংশ কমিয়ে দিল (এবং গত ছয় সপ্তাহে কমাল ২১ শতাংশ)। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, যদি ব‌্যাঙ্কঋণ পরিশোধের ব‌্যাপারে রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলি নন ব‌্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) পদাঙ্ক অনুসরণ করে; ব্যাঙ্ক নয় এমনসব আর্থিক সংস্থা বা এনবিএফসিগুলি কমার্শিয়াল পেপার ইস‌্যু করে টাকা সংগ্রহ করেছিল; মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন‌্য ফান্ড-ভিত্তিক লগ্নিকারীরা পেপারগুলি কিনেছিল। আইএল অ‌্যান্ড এফএস ভেঙে পড়ার কারণে এই সার্কিটটাতেই জোর ধাক্কা লেগেছিল। আজ, এনবিএফসিগুলি নতুন করে অর্থ সংগ্রহ করতে অক্ষম, অর্থের জন‌্য যেসব ক্ষেত্র এনবিএফসি’র উপর ভরসা করে তারাও সমস‌্যাও পড়ে গিয়েছে, এবং যেসব ছোট ও মাঝারি সংস্থা এনবিএফসি থেকে ঋণ পেতে অভ‌্যস্ত তারা পুঁজি জোগাড় করতে গিয়ে আতান্তরে পড়েছে। বাজারকে গ্রাস করেছে ভয় আর ক্রোধ।
ফাটল
তিনটি ফাটল মেরামত করতে সরকার এখন মরিয়া। প্রথম হল লিকুইডিটি, বিশেষ করে এনবিএফসিগুলির লিকুইডিটি পরিস্থিতি এবং সেগুলির আসন্ন রিডেম্পশনের বাধ‌্যবাধকতা। দ্বিতীয় মাথাব‌্যথা হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব‌্যাঙ্কগুলির পুঁজির ক্ষয়, প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প পুঁজি এবং ঋণ দেওয়ার অক্ষমতা, যার দরুন ওই গোত্রের অনেক সংস্থাকে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশনে (পিসিএ) পড়তে হয়েছে। তৃতীয়টি হল আগে ডিমনিটাইজেশন ও ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং এখন এনবিএফসি সংকটের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ছোট ও মাঝারি শিল্প। তাদের ঋণদানের জন‌্য ‘স্পেশাল উইনডো’ খোলার ব‌্যবস্থা করা হয়েছে। এর থেকে মনে হয় যে সরকার তার ইচ্ছের কথাটি রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ককে বিশ্বাস করাতে ব‌্যর্থ হয়েছে। আরবিআই বোর্ডে সরকার মনোনীত সদস‌্যদের মাধ‌্যমেও গভর্নরের উপর চাপসৃষ্টির চেষ্টাও ব‌্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়।
সরকারের এই দুর্ভোগ বহুগুণ হওয়ার জেরেই বাজেট অনুমিত রাজস্ব এবং সরকারের প্রকৃত আদায়ের মধ‌্যে ফারাকটা চওড়া হচ্ছে। ডিমনিটাইজেশন থেকে একটি টাকাও ‘অর্জন’ করার ব‌্যর্থতা শেষে (যদিও সরকার ৪,০০,০০০ কোটি টাকার দম্ভ করেছিল ) সরকারের নজর পড়েছে আরবিআইয়ের রিজার্ভের উপর। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরকে ১,০০,০০০ কোটি টাকা
ট্রান্সফার করার নির্দেশ সরকার দিয়েছিল বাজেট অনুমিত ব‌্যয়ের প্রয়োজন এবং লক্ষ‌্যমাত্রা
অনুযায়ী ফিসকাল ডেফিসিট মেটাতে। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরও সরাসরি সেটি প্রত‌্যাখ‌্যান করেছিলেন। এটাই হল বিস্ফোরকপাত্রে অগ্নিসংযোগের স্ফুলিঙ্গ।
বুধবার, ৩১ অক্টোবর, দিল্লি ও মুম্বই উভয় জায়গারই ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ ছিল যে সরকার এক বা একাধিক বিষয়ে ৭ নং ধারামতে নির্দেশ জারি করবে এবং তার প্রতিবাদে গভর্নরও ইস্তফা দেবেন। অযাচিত, বুধবার সরকার একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, তারা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের ‘অটোনমি’কে মর্যাদা দেয় এবং স্বাভাবিক আলোচনা-পরামর্শ করেছে। যদি ব‌্যাপারগুলো স্বাভাবিকই ছিল তবে ওই বিবৃতি জারি করাটা ছিল অপ্রয়োজনীয়; আর জিনিসগুলো যদি স্বাভাবিক না-হয় তবে বিবৃতিটা ছিল কপট!
শুক্রবার যখন এই নিবন্ধের উপসংহার টানছি, তখন একটি স্ফুলিঙ্গ এবং একটি বিস্ফোরকপাত্র রয়েছে। এবার একটি কি অন‌্যটির দিকে এগিয়ে যাবে?
05th  November, 2018
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের যাবতীয় নথি পরীক্ষা করলেন নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক বিনোদ জুৎসি। বুধবার আগরতলায় পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের দপ্তরে ওই লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের পর্যালোচনাব বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। ...

 কলম্বো, ২৪ এপ্রিল (পিটিআই): শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে ছিল এক মহিলা সহ মোট ন’জন। তদন্তে নেমে এই তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। হামলাকারী ন’জনের মধ্যে আটজনকে ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্দরে নানা জটিলতার জেরে রাজ্যস্তরের বিভিন্ন খেলায় অংশ নিতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছেন জেলার কৃতী খেলোয়াড়দের একাংশ। একটি প্রতিযোগিতায় জেলা থেকে একাধিক টিম পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু একটা টিমকে মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য ক্রীড়া সংস্থা। এনিয়ে দু’পক্ষের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুরে বোমা, ওয়ান শটার, কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার ১ দুষ্কৃতী 

11:52:00 AM

বাঁকুড়ার সারুলিয়া গ্রামে বেআইনি পিস্তল উদ্ধার করল পুলিস 

11:44:00 AM

মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতি 

11:13:00 AM

বাঁকুড়ায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত রোড শোয়ে উপস্থিত বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র 

11:05:00 AM

ভাইকে অপহরণের পর মুক্তিপণ চেয়ে দাদার মোবাইলে ছবি পাঠাল দুষ্কৃতীরা 
ভাইকে অপহরণ করে অপহৃতের মোবাইল থেকেই তাঁর দাদার হোয়াটসঅ্যাপে ছবি ...বিশদ

11:03:00 AM

হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার নদীয়ার নোডাল অফিসার অর্ণব রায়

10:59:51 AM