বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমতার শক্তি তার অব‌্যবহারের মধ্যে
পি চিদম্বরম

রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অ‌্যাক্ট, ১৯৩৪-এর ৭ নং ধারা বলছে: ‘‘জনস্বার্থে প্রয়োজন বোধ করলে ব‌্যাঙ্কের গভর্নরের সঙ্গে আলোচনার পর কেন্দ্রীয় সরকার ব‌্যাঙ্ককে সময়ে সময়ে এই ধরনের কিছু নির্দেশ দিতে পারে।’’
ধারাটি আইনের অন্তর্গত, কিন্তু এই ধারা কখনও প্রয়োগ করা হয়নি। এই ধারাটির অব‌্যবহারের ভিতরেই এর ক্ষমতা। সংসদ সরকারকে যা বলল সেটা নীচের মতো করে কল্পনা করা যায়:
৭ নং ধারার দিকগুলি
সরকার তুমি আছো, কিন্তু রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কও (আরবিআই) আছে।
নির্দেশদানের ক্ষমতা তোমাকে দেব আমরা কিন্তু ... (থেমে), গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে তুমি বাধ‌্য। মনে রেখো, তুমি অবশ‌্যই গভর্নরের সঙ্গে পরামর্শ করবে, ব‌্যাঙ্কের সঙ্গে বা ব‌্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সঙ্গে নয়।
আমরা ধরে নেব যে তুমি এবং গভর্নর একে অপরে নিয়মিত আলোচনা-পরামর্শ করো, কিন্তু এও মনে রেখ এটি একটি বিধিবদ্ধ পরামর্শ, কারণ তোমাদের মধ‌্যে স্বাভাবিক আলোচনা পরামর্শের সময় তোমরা সহমত হতে পারোনি। যখন তুমি বিধিবদ্ধ পরামর্শ করো, দয়া করে মাথায় রেখ যে, আরবিআই আইন অনুসারে, ‘অর্থনৈতিক সুস্থিতি সুনিশ্চিত রাখার জন‌্য ব‌্যাঙ্ক নোট ইস‌্যু নিয়ন্ত্রণ এবং ব‌্যাঙ্ক রিজার্ভ রক্ষা করা’টা হল রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের দায়িত্ব।
বিধিবদ্ধ আলোচনা-পরামর্শ শেষে তুমি এবং গভর্নর সহমত নাও হতে পার। তখন তুমি কী করবে? তোমার মতামত জানিয়ে ফিরে আসতে পার এবং আশা করতে পার যে ব‌্যাপারটা আর একটু গড়ালে গভর্নর তাঁর মত বদলে ফেলবেন? অথবা, তুমি কি তোমার চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে (প্রেস দ‌্য নিউক্লিয়ার বাটন) গভর্নরের ইস্তফার মতো অনিবার্য কাণ্ডটির জন‌্য প্রতীক্ষা করবে?
আরবিআই বিরোধী
উপরের কথাগুলো অবশ‌্য কিছু কাল্পনিক কথোপকথন, কিন্তু এটাই হল আইনের মর্মকথা। সাম্প্রতিক ঘটনা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গভর্নরের সঙ্গে নিয়মিত পরমার্শের সময় এই কাল্পনিক কথোপকথনের রিপ্লে সরকার তার মনে মনে আর করবে না। এর পরিণতিও নজিরবিহীন—সরকার ও আরবিআই সম্মুখসমর।  
ঘটনার অনুক্রমগুলি দেখা যাক। ড. রঘুরাম রাজন অবজ্ঞাত হয়েছিলেন, তবু ২০১৬-র সেপ্টেম্বরে প্রথম দফার কাজের মেয়াদ-পরবর্তী সময়েও তিনি ওই পদে কাজ চালিয়ে যেতে রাজি ছিলেন। তিনি ‘যথেষ্ট ভারতীয়’ নন—এইরকম একটি অপবাদ দিয়ে কার্যত তাঁকে সরে যেতে বাধ‌্য করা হয়েছিল। তাঁর জায়গায় উর্জিত প‌্যাটেলকে আনা হল কিন্তু, কয়েক সপ্তাহের মধ‌্যেই, তাঁর কর্তৃত্ব খর্ব করা হল বিমুদ্রাকরণ (ডিমনিটাইজেশন) নামক সাংঘাতিক ভুলটি করে। আন্তর্জাতিক কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্ক মহলে ড. প‌্যাটেলের সুনাম নষ্ট হল। তাঁর স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার মাধ‌্যমে ড. প‌্যাটেল সেই ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার চেষ্টা নিয়েছিলেন। সুদের হার-টা ছিল সরকারের প্রাথমিক ভাবনার বিষয় কিন্তু, ওটা নিয়ে ড. প‌্যাটেলের কোনও ভয় ছিল না—মনিটারি পলিসি কমিটির সমর্থনটা তাঁর পিছনেই ছিল। সরকার দ্রুত টের পেল যে একমাত্র সুদের হারটাই ‘উন্নয়নের পথে বাধা’ নয়; অন‌্য কারণগুলিও খোলসা হয়ে পড়ল।
নির্মাণ ক্ষেত্রের সমস‌্যার কথা ধরা যাক। বিমুদ্রাকরণের বিরাট বিশাল ধাক্কা এসে পড়েছে নির্মাণ শিল্পের উপর। তবুও রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ার দর দ্বিগুণেরও বেশি রেখেছিল! গত জানুয়ারি থেকে সেই সংস্থাগুলির শেয়ার দর ৪০ শতাংশ কমিয়ে দিল (এবং গত ছয় সপ্তাহে কমাল ২১ শতাংশ)। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই, যদি ব‌্যাঙ্কঋণ পরিশোধের ব‌্যাপারে রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলি নন ব‌্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) পদাঙ্ক অনুসরণ করে; ব্যাঙ্ক নয় এমনসব আর্থিক সংস্থা বা এনবিএফসিগুলি কমার্শিয়াল পেপার ইস‌্যু করে টাকা সংগ্রহ করেছিল; মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন‌্য ফান্ড-ভিত্তিক লগ্নিকারীরা পেপারগুলি কিনেছিল। আইএল অ‌্যান্ড এফএস ভেঙে পড়ার কারণে এই সার্কিটটাতেই জোর ধাক্কা লেগেছিল। আজ, এনবিএফসিগুলি নতুন করে অর্থ সংগ্রহ করতে অক্ষম, অর্থের জন‌্য যেসব ক্ষেত্র এনবিএফসি’র উপর ভরসা করে তারাও সমস‌্যাও পড়ে গিয়েছে, এবং যেসব ছোট ও মাঝারি সংস্থা এনবিএফসি থেকে ঋণ পেতে অভ‌্যস্ত তারা পুঁজি জোগাড় করতে গিয়ে আতান্তরে পড়েছে। বাজারকে গ্রাস করেছে ভয় আর ক্রোধ।
ফাটল
তিনটি ফাটল মেরামত করতে সরকার এখন মরিয়া। প্রথম হল লিকুইডিটি, বিশেষ করে এনবিএফসিগুলির লিকুইডিটি পরিস্থিতি এবং সেগুলির আসন্ন রিডেম্পশনের বাধ‌্যবাধকতা। দ্বিতীয় মাথাব‌্যথা হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব‌্যাঙ্কগুলির পুঁজির ক্ষয়, প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প পুঁজি এবং ঋণ দেওয়ার অক্ষমতা, যার দরুন ওই গোত্রের অনেক সংস্থাকে রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের প্রম্পট কারেকটিভ অ‌্যাকশনে (পিসিএ) পড়তে হয়েছে। তৃতীয়টি হল আগে ডিমনিটাইজেশন ও ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং এখন এনবিএফসি সংকটের কারণে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছে ছোট ও মাঝারি শিল্প। তাদের ঋণদানের জন‌্য ‘স্পেশাল উইনডো’ খোলার ব‌্যবস্থা করা হয়েছে। এর থেকে মনে হয় যে সরকার তার ইচ্ছের কথাটি রিজার্ভ ব‌্যাঙ্ককে বিশ্বাস করাতে ব‌্যর্থ হয়েছে। আরবিআই বোর্ডে সরকার মনোনীত সদস‌্যদের মাধ‌্যমেও গভর্নরের উপর চাপসৃষ্টির চেষ্টাও ব‌্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়।
সরকারের এই দুর্ভোগ বহুগুণ হওয়ার জেরেই বাজেট অনুমিত রাজস্ব এবং সরকারের প্রকৃত আদায়ের মধ‌্যে ফারাকটা চওড়া হচ্ছে। ডিমনিটাইজেশন থেকে একটি টাকাও ‘অর্জন’ করার ব‌্যর্থতা শেষে (যদিও সরকার ৪,০০,০০০ কোটি টাকার দম্ভ করেছিল ) সরকারের নজর পড়েছে আরবিআইয়ের রিজার্ভের উপর। এটা বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরকে ১,০০,০০০ কোটি টাকা
ট্রান্সফার করার নির্দেশ সরকার দিয়েছিল বাজেট অনুমিত ব‌্যয়ের প্রয়োজন এবং লক্ষ‌্যমাত্রা
অনুযায়ী ফিসকাল ডেফিসিট মেটাতে। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে গভর্নরও সরাসরি সেটি প্রত‌্যাখ‌্যান করেছিলেন। এটাই হল বিস্ফোরকপাত্রে অগ্নিসংযোগের স্ফুলিঙ্গ।
বুধবার, ৩১ অক্টোবর, দিল্লি ও মুম্বই উভয় জায়গারই ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ ছিল যে সরকার এক বা একাধিক বিষয়ে ৭ নং ধারামতে নির্দেশ জারি করবে এবং তার প্রতিবাদে গভর্নরও ইস্তফা দেবেন। অযাচিত, বুধবার সরকার একটি বিবৃতি জারি করে বলেছে যে, তারা রিজার্ভ ব‌্যাঙ্কের ‘অটোনমি’কে মর্যাদা দেয় এবং স্বাভাবিক আলোচনা-পরামর্শ করেছে। যদি ব‌্যাপারগুলো স্বাভাবিকই ছিল তবে ওই বিবৃতি জারি করাটা ছিল অপ্রয়োজনীয়; আর জিনিসগুলো যদি স্বাভাবিক না-হয় তবে বিবৃতিটা ছিল কপট!
শুক্রবার যখন এই নিবন্ধের উপসংহার টানছি, তখন একটি স্ফুলিঙ্গ এবং একটি বিস্ফোরকপাত্র রয়েছে। এবার একটি কি অন‌্যটির দিকে এগিয়ে যাবে?
05th  November, 2018
লোকসভা ভোটে কী হতে পারে
হিমাংশু সিংহ

 উৎসব মরসুম কাটতে না কাটতেই দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ দ্রুত বেগে চড়তে শুরু করেছে এবং সেই সঙ্গেই আগামী বছরে কেন্দ্রের ‘কোয়ালিশন’ সরকারের আসল চেহারাটা কী হবে তা নিয়ে হিসেব-নিকেশ শুরু হয়ে গিয়েছে জোর কদমে। একদিকে পাঁচ রাজ্যের ভোট এবং তার ফল ঘিরে নানাবিধ জল্পনা বাড়ছে।
বিশদ

পাওনা-দেনা হিসেব করার দিন 

পি চিদম্বরম: একজন তাঁর লেখায় যথার্থ বলেছেন যে, একটা তিনপেয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব‌্যাঙ্কের একটা টিম; তারা হয় একসঙ্গে দৌড়বে অথবা মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে। বিশদ

19th  November, 2018
বিজেপি’র রথযাত্রা: ভোটের মুখে রাজ্যে অশান্তি ছড়িয়ে লাভ হবে?
শুভা দত্ত

ভোটের দামামা বেজে গেছে। ২০১৯ লোকসভা জয়ের লক্ষ্যে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। দেশের শাসক বিজেপি, বিরোধী কংগ্রেস তো আছেই। তার পাশাপাশি মোদিজির দলের ভাবনা বাড়িয়ে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টও ক্রমশ ক্রমশ দানা বাঁধছে।
বিশদ

18th  November, 2018
আমেরিকায় মিড টার্ম ইলেকশনের ফলাফল প্রসঙ্গে কিছু কথা
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

গত ৬ নভেম্বর মঙ্গলবার নিউজার্সির বাঙালিরা সকাল/বিকেল সাজ বদল করে একবার গেছে ভোট দিতে। একবার গেছে কালীপুজোয়। ধর্ম ও জিরাফে সমান আনুগত্য। এ বছর মিড টার্ম ইলেকশনের প্রায় তিন মাস আগে থেকে শুধুই ভোটের তাগাদা। যখন-তখন বাড়িতে ফোন আসছিল। সামনের দরজায় টুংটাং ডোর-বেল। ডাক-বাক্সে ঘনঘন ক্যাম্পেনের চিঠি।
বিশদ

17th  November, 2018
Loading...
ভোটের আগেই পিছিয়ে পড়েছে খালেদার বিএনপি
মৃণালকান্তি দাস

হাসিনার এই সৌহার্দের রাজনীতিতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরেছে জেলবন্দি খালেদা জিয়ার! বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে হাইকোর্ট যেদিন ১০ বছর করে রায় দিয়েছিল, সেদিনই বিএনপি সহ চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে নির্বাচনী সমীকরণকে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশদ

16th  November, 2018
ভোটের মুখে রাম নাম

 উপায় কী? বাঘা বাঘা ডাক্তারের জবরদস্ত সব মেডিসিন যখন ফেল পড়ে যায় তখন অসহায় আর কী করে! টোটকা তাগা-তাবিজ, জলপড়া-তেলপড়া, মানত, সিন্নি। আর তাতেও কাজ না হলে? শেষ ভরসা সেই তিনি—তাঁকে খোদা, ভগবান, খ্রিস্ট, ঈশ্বর, পির-পয়গম্বর সে যে নামেই ডাকো—তিনি ছাড়া গতি নেই। বিশদ

15th  November, 2018
Loading...
প্রবাসে রাষ্ট্রের দোষে
হারাধন চৌধুরী

ভারতবাসী এখনও ভাগ্যের ভরসায়। আর ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে বিদেশের হাতছানি উপেক্ষা করার উপায় পাননি তাঁরা। প্রশ্নটা শিক্ষা কিংবা গবেষণায় প্রবেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে এতটা উষ্মার হতো না।
বিশদ

13th  November, 2018
যারা পিছনে পড়ে আছে
পি চিদম্বরম

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্ট‌্যাচুটা ভারতে। এটা ১৮২ মিটার উঁচু, ভাস্কর একজন ভারতীয় এবং চীনা নির্মাতা ও শ্রমিকদের সাহায‌্য নিয়ে মূর্তিটা খাড়া করা হয়েছে। খরচ হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা এবং, সাধারণ বিশ্বাস এই যে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে ওঠে সরকারি তহবিলের অর্থে, এক্ষেত্রে প্রায় পুরো টাকাটাই নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলো থেকে।
বিশদ

12th  November, 2018
পুজো শেষ, এবার ভোট
শুভা দত্ত

পুজোর মরশুম প্রায় শেষ। আগামী সপ্তাহে জগদ্ধাত্রী পুজো মিটলেই এবারের মতো বাঙালির শারদোৎসবে ইতি। আলোর রোশনাই বাজিপটকা চমৎকার সব প্যান্ডেল প্রতিমা আর পুজোর ছুটিতে কাছে দূরে বেড়িয়ে ফেরার স্মৃতি বুকে নিয়ে বাংলার মানুষ নেমে পড়বে কাজে।
বিশদ

11th  November, 2018
কলকাতাসহ বাংলায় দীর্ঘতর দুর্গাপুজোর সমাজনীতি, অর্থনীতি এবং রাজনীতি
শুভময় মৈত্র

বাম আমলেও কলকাতা এবং আশপাশে দুর্গাপুজোর মূল কর্মকর্তা ছিলেন কংগ্রেস বা তৃণমূলের নেতারা। সে চিত্র বদলায়নি। তবে পুজোর চরিত্রের যে মূল বদল হয়েছে তা হল সময়ের বিস্তার। মোটামুটিভাবে প্রথমা থেকে ত্রয়োদশী পর্যন্ত এখন দুর্গাপুজো। এতে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দলের যে সায় আছে তা নিয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই।
বিশদ

10th  November, 2018
নোটবন্দির কেলেঙ্কারির পর এবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে চাপ দিয়ে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা পেতে চাইছে কেন্দ্র
ডঃ অমিত মিত্র (অর্থমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার)

আজ এক কালো দিন। দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আজকের দিনটিতেই নোটবন্দির সর্বগ্রাসী ও স্বেচ্ছাচারী নীতি চাপিয়ে দিয়েছিল এনডিএ সরকার। আসমুদ্রহিমাচলের কোটি কোটি কৃষক, শিল্পোদ্যোগীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ছোট ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের জীবনে অন্ধকার নেমে আসে।
বিশদ

09th  November, 2018
৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার।
বিশদ

09th  November, 2018
Loading...
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পার্শ্বশিক্ষকদের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল ধর্মতলায়। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন এই শিক্ষকরা। পুলিস সেই অনুমতি না দেওয়ায় তাদের সঙ্গে শিক্ষকদের ধস্তাধস্তি হয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিস গ্রেপ্তারির নামে মারধর করেছে। কয়েকজন আহতও হয়েছেন। ...

সংবাদদাতা, কালনা: ক্যারাটের ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রুপোর পদক পেলেন পূর্বস্থলীর কলেজছাত্রী পামোলিকা দত্ত। পূর্বস্থলীর আরএক স্কুল পড়ুয়া নূপুর সরকার সদ্য বাংলাদেশে আয়োজিত এশিয়া ক্যারাটে প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্চ ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ওভারলোডিং বন্ধের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে মুরারই থানার রাজগ্রাম পাথর শিল্পাঞ্চলের রাস্তা অবরোধ করেন ছয় চাকা লরির মালিকরা। এর জেরে পাথর বোঝাই বহু লরি আটকে পড়ে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাদ্যদ্রব্য যাতে কোনওভাবেই স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করতে পারে, তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার পাশ করেছে খাদ্য সুরক্ষা আইন। বছরকয়েক আগে সেই আইনের কিছু পরিমার্জনাও হয়েছে। আইনের খুঁটিনাটি বিষয়ে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে পরামর্শ করেই আইন পাশ করা হয়েছে। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

নতুন কোনও কর্মপরিকল্পনায় সাফল্যের ইঙ্গিত। সম্পত্তি সংস্কার ঘিরে স্বজন বিরোধ। বক্ষঃপীড়ায় কষ্ট। দূর ভ্রমণের যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন পলি উমরিগড়

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.১৪ টাকা ৭২.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭০ টাকা ৯৩.৯৮ টাকা
ইউরো ৮০.৫৭ টাকা ৮৩.৬০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১,৪৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৯,৮৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৩০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, দ্বাদশী ২১/৫০ দিবা ঘ ২/৪০। নক্ষত্র- রেবতী ৩১/৩৪ রাত্রি ঘ ৬/৩৪, সূ উ ৫/৫৬/১৩, অ ৪/৪৮/৭, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৭/২৩ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩৪ গতে ৩/১৯ মধ্যে পুনঃ ৫/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ গতে ৮/৫ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, দ্বাদশী ১২/৩৫/৪৬। রেবতীনক্ষত্র রাত্রি ঘ ৫/৩৭/১১। সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৪০/১৮ মধ্যে ও ঘ ৭/২৩/৩৯ থেকে ঘ ১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮ থেকে ঘ ৮/১৭/৩৮ মধ্যে ও ঘ ৯/১০/১৮ থেকে ১১/৪৮/১৮ মধ্যে ও ১/৩৩/৩৮ থেকে ৩/১৮/৫৮ মধ্যে ও ঘ ৫/৪/১৮ থেকে ৫/৪৭/৪৫ মধ্যে। বারবেলা ৭/১৮/১৩ থেকে ৮/৩৯/২৮ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৩/১৩ থেকে ঘ ২/৪/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৫/৪৩ থেকে ঘ ৮/৪/২৮ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহর নোংরা করা রুখতে কমিটি গঠন 
শহর নোংরা করা রুখতে কমিটি গঠন করল রাজ্য সরকার। এদিন ...বিশদ

04:46:38 PM

দুপুর ৩টে পর্যন্ত ছত্তিশগড়ে ভোট পড়ল ৪৪.২০ শতাংশ

04:06:26 PM

আইলিগে মোহন বাগান ১:০ গোলে হারাল রিয়েল কাশ্মীর এফসিকে 

03:58:28 PM

৩০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:53:00 PM

দিল্লিতে সরকারি অফিসেই মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল গুঁড়োলঙ্কা

03:45:16 PM

চিৎপুরের নবাব পট্টিতে একটি দোকানে আগুন
চিৎপুরের নবাব পট্টিতে একটি দোকানে আগুন। অকুস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন ...বিশদ

03:14:00 PM

Loading...
Loading...