Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল। এবার ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ১৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী। মান্ড্য লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে জেডিএস, শিমোগা লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার ছেলে মাত্র ৫২ হাজার ১৪৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে বাবার ছেড়ে আসা আসনটি ধরে রাখতে পেরেছেন। দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও কংগ্রেস ও জেডিএস প্রার্থীরা ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করেছেন। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী স্ত্রীকে প্রার্থী করেছিলেন। ওই কেন্দ্রে ভোটের দুদিন আগে বিজেপির প্রার্থী বিজেপি ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করেন। লিঙ্গায়েত ভোটাররা সাধারণত বিজেপিকে সমর্থন করে থাকেন। এবার লিঙ্গায়েত প্রধান জামকন্ডিতে যে বড় ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তাতে নিশ্চিত করেই বলা যায় কর্ণাটকের উপনির্বাচনে বিজেপির লিঙ্গায়েত ভোটব্যাঙ্কেও ধস নেমেছে।
কর্ণাটকের এবারের উপনির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর, ফুলপুর এবং কৈরানা লোকসভার উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির বিরুদ্ধে গিয়েছিল। গোরক্ষপুর উত্তরপ্রদেশের বিজেপির হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথের ছেড়ে আসা কেন্দ্র। ফুলপুর লোকসভা কেন্দ্রটি ছিল উত্তরপ্রদেশের বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যের ছেড়ে-আসা কেন্দ্র। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে-আসা আসনে পরাজয় এবং কিছুদিনের মধ্যে জাঠ প্রধান কৈরানাতে বিজেপির পরাজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিলেই মোদি-অমিত শা-র ম্যাজিক অকার্যকারী হয়ে পড়ে। এবারের কর্ণাটকের উপনির্বাচনেও জয়ের পেছনে রয়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএসের নির্বাচনী আঁতাত। এর আগে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ঘটেছিল কংগ্রেস—জেডিইউ এবং আর-জেডির মহাজোটের কাছে।
মাত্র ৩১.৩৪ শতাংশ মানুষের সমর্থন নিয়ে মোদি ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে ২৮২টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। অবিজেপি দলগুলির ভোট বিভাজনের সুযোগ নিয়ে। যখনই বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা ৬৯ শতাংশ ভোটারের একটা বড় অংশকে বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা দলগুলি ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছে তখনই বিজেপিকে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে বারবার।
২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি বিকাশের যে স্বপ্ন কমবয়সি ভোটারদের সামনে রেখেছিলেন তাতে প্রায় পুরো ‘এক্স জেনারেশন’-এর সমর্থন জোগাড় করতে পেরেছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাকে বিজেপির বাইরে থাকা বহু মানুষও মোদির সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদির উন্নয়নের বার্তায় প্রভাবিত হয়েছিলেন মহিলা, জনজাতির মানুষ এমনকী সংখ্যালঘুদের একাংশ। গত লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটাররা বিজেপির বিরুদ্ধে কোথাও ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটদান করেননি। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যেও সংখ্যালঘু ভোটাররা বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছিলেন। এতে বিজেপির জয় সুগম হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশে বিজেপি একাই ৭১টি আসন পেয়েছিল। উন্নয়নের স্লোগানে দেশের বিভিন্ন বর্গের মানুষ (যাদের মধ্যে অনেকেই বিজেপির মতাদর্শের সঙ্গে ভিন্ন মত প্রকাশ করেন) মোদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে সমর্থন জানিয়েছিলেন।
উন্নয়নের স্লোগানকে মুখ্য রেখে বিজেপি যতবার সাম্প্রতিককালে ভোটে গিয়েছে ততবারই আসন বাড়াতে পেরেছে। অন্যদিকে, হিন্দুত্বের প্রচারকে প্রাধান্য দিয়ে ভোটে লড়াই করে বারবার আসন সংখ্যা কমিয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ অবশ্যই রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর সময়ের নিরিখে করা। রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর পর্যায়ে অটলবিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বে জোট গড়ে কংগ্রেসকে হারানোর ডাকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি—১৬১টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। ১৩ দিনের সরকার অভিজ্ঞতার নিরিখে সংসদীয় রাজনীতি ও জোটবদ্ধভাবে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে ১৯৯৮-র লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮২টি আসন। ১৯৯৮-এর পর ১৩ মাসের সরকার পড়ে গেলে ১৯৯৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বাজপেয়ি রামমন্দির ইস্যুকে বাদ দিয়েই ভোটে লড়েছিলেন এবং ১৮২টি আসন পেয়ে ৫ বছরের জন্য জোট সরকার কেন্দ্রে চালান। আবার গুজরাত দাঙ্গার পর নরেন্দ্র মোদি দলের ভেতর হিন্দুত্বের পোস্টার বয় হয়ে উঠলে আরএসএস-সমেত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির চিন্তাভাবনা লোকসভা নির্বাচনে শাইনিং ইন্ডিয়ার ভাবনাকে ঢেকে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ অটলবিহারী বাজপেয়ির সরকার পরিচালনার সাফল্য থাকা সত্ত্বেও সংখ্যালঘু ভোটের ঐক্য এবং বিরোধী ভোটের ঐক্যের প্রভাবে বিজেপির ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮২ থেকে আসন ১৩৮-এ নেমে আসে। পাঁচবছর পর ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচন বিজেপি লড়েছিল লালকৃষ্ণ আদবানির নেতৃত্বে। আদবানি ৯০-এর দশকে রামমন্দির রথযাত্রা ধাঁচে নির্বাচনের প্রাক্কালে জনসংযোগ যাত্রা করেছিলেন রামের ভাবনাকে উস্কে ভোটে জয়ের প্রত্যাশায়। কিন্তু, ওই নির্বাচনের ফলাফল থেকে দেখা যায় ভোটাররা আর রামমন্দিরের স্লোগানে নতুন করে সাড়া দিতে রাজি ছিলেন না। ২০০৯-এ বিজেপির আসন সংখ্যা আরও কমে ১১৬-তে দাঁড়ায়। পরবর্তী ২০১৪-র নির্বাচনে মোদি ম্যাজিকের মূল মন্ত্রই ছিল বিকাশ, দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক ভারতের স্বপ্ন। আর তাতেই বিজেপি বাজিমাত করে ১৯৮৪ সালের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। ১৯৮৪-এর নির্বাচনে শেষবার রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। সুতরাং রামমন্দির রথযাত্রা-উত্তর বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের যে প্রবণতা ধরা পড়ে তাতে দেখা যাচ্ছে উন্নয়নের প্রশ্ন সামনে রেখে বিজেপি অধিক সাফল্য পেয়েছে। আবার নির্বাচনী প্রচারে হিন্দুত্ব বিষয়কে যখনই বিজেপি প্রাধান্য দিয়েছে তখনই নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে।
এই প্রবণতার পেছনে মূল কারণ হল, উন্নয়নের প্রশ্নে বিজেপি সমাজের নানা বর্গের মানুষের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হচ্ছে। এর ফলশ্রুতি হিসেবে দলের আসন বাড়ছে। আবার দল যখনই কঠোর হিন্দুত্বের ভাবনাকে নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে আনছে তখনই বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপি-বিরোধী কোনও দলকে ভোট দিচ্ছে। একইসঙ্গে উগ্র হিন্দুত্বকে ঠেকানোর জন্য অবিজেপি দলগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যেমন ২০০৪ সালে কংগ্রেসকে সামনে রেখে বেশিরভাগ বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এবারও কিন্তু রামমন্দিরকে সামনে রেখে উগ্র হিন্দুত্বের লাইনে বিজেপি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণি পেরতে চাইছে। ফলস্বরূপ কৈরানা থেকে বেলারি পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি বিরোধী ভোটারদের বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভোটদানের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর এই প্রবণতাই বিজেপির পক্ষে বিপজ্জনক।
বিজেপি নেতৃত্বকে ‘বিকাশ-মোদি’ বনাম ‘রামভক্ত মোদি’র মধ্যে কোনটা অধিক ফলদায়ক তা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আরও একবার পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রামমন্দির আন্দোলনোত্তর পর্যায়ে ভারতবাসী কিন্তু বিজেপিকে কংগ্রেসের বিকল্প সর্বভারতীয় সংসদীয় দল হিসেবেই দেখতে চাইছে। নির্বাচনী বৈতরণি পেরনোর জন্য বারবার উগ্র হিন্দুত্বের ভাবমূর্তি বিজেপির পক্ষে যে লাভজনক হচ্ছে না তা অন্তত বিগত কুড়ি বছরের দেশের নির্বাচনী প্রবণতা থেকে স্পষ্ট। নরেন্দ্র মোদি উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি। তাতে ভোটারদের যে আশাভঙ্গ হয়েছে তাকে অন্য পথে পরিচালিত করবার জন্য বিজেপি ফৈজাবাদকে বদলে অযোধ্যা বা রামের বাবা দশরথের নামে মেডিক্যাল কলেজ বা রামমন্দির তথা হিন্দুত্ব নিয়ে যতই তৎপর হবে ততই কিন্তু সংখ্যালঘু ভোটাররা এবং বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দেবে। তাই আরও বড় বিপর্যয় ঠেকাতে উন্নয়নের ইস্যুকেই বিজেপির নির্বাচনের হাতিয়ার করা উচিত। এতে সমাজের নানা বর্গের সমর্থনের রাস্তা খোলা থাকতে পারে। অন্যথায় উগ্র হিন্দুত্বের ইস্যুকে সামনে আনলে ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার সম্মুখীন হয়ে আসনসংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাই থাকছে।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
08th  November, 2018
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
নোৎরদমের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ একরের ওক গাছের জঙ্গল কেটে সাফ করে বানানো হয়েছিল এই গির্জা। অন্দরসজ্জার মূল কাঠামো তৈরি করতে লেগেছিল অন্তত ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 জিয়াং (চীন), ২২ এপ্রিল: এশিয়ান কুস্তি প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রত্যাশা বেশি ওলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী সাক্ষী মালিক ও বিশ্বের একনম্বর বজরং পুনিয়াকে ঘিরে। মঙ্গলবার থেকে এই প্রতিযোগিতা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: সিএসকের সামনে ১৭৬ রানের টার্গেট খাড়া করল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ  

09:37:59 PM

 আইপিএল: হায়দরাবাদ ৯১/১ (১০ ওভার)

08:50:51 PM

গুরদাসপুরে সানি দেওলকে প্রার্থী করল বিজেপি 

08:08:03 PM

টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠাল সিএসকে 

07:36:29 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: দার্জিলিংয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী বিনয় তামাং 

06:06:23 PM

মনোনয়ন জমা দিলেন পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌতম গম্ভীর 

06:03:24 PM