বিশেষ নিবন্ধ
 

উন্নয়নের মোদি বনাম রামভক্ত মোদি
ভোটে বিজেপির পক্ষে লাভজনক কোন জন?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পাঁচ রাজ্যে ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের আগেই কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপি শিবির বড় ধাক্কা খেল। বেলারি লোকসভা কেন্দ্রের পরাজয় ঘটল কংগ্রেসের কাছে। গত ১৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রে বিজেপি বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আসছিল। এবার ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ১৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী। মান্ড্য লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে জেডিএস, শিমোগা লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার ছেলে মাত্র ৫২ হাজার ১৪৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে বাবার ছেড়ে আসা আসনটি ধরে রাখতে পেরেছেন। দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও কংগ্রেস ও জেডিএস প্রার্থীরা ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করেছেন। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী স্ত্রীকে প্রার্থী করেছিলেন। ওই কেন্দ্রে ভোটের দুদিন আগে বিজেপির প্রার্থী বিজেপি ত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করেন। লিঙ্গায়েত ভোটাররা সাধারণত বিজেপিকে সমর্থন করে থাকেন। এবার লিঙ্গায়েত প্রধান জামকন্ডিতে যে বড় ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তাতে নিশ্চিত করেই বলা যায় কর্ণাটকের উপনির্বাচনে বিজেপির লিঙ্গায়েত ভোটব্যাঙ্কেও ধস নেমেছে।
কর্ণাটকের এবারের উপনির্বাচনের আগে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর, ফুলপুর এবং কৈরানা লোকসভার উপনির্বাচনের ফলাফল বিজেপির বিরুদ্ধে গিয়েছিল। গোরক্ষপুর উত্তরপ্রদেশের বিজেপির হিন্দুত্বের পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথের ছেড়ে আসা কেন্দ্র। ফুলপুর লোকসভা কেন্দ্রটি ছিল উত্তরপ্রদেশের বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্যের ছেড়ে-আসা কেন্দ্র। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে-আসা আসনে পরাজয় এবং কিছুদিনের মধ্যে জাঠ প্রধান কৈরানাতে বিজেপির পরাজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রার্থী দিলেই মোদি-অমিত শা-র ম্যাজিক অকার্যকারী হয়ে পড়ে। এবারের কর্ণাটকের উপনির্বাচনেও জয়ের পেছনে রয়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএসের নির্বাচনী আঁতাত। এর আগে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ঘটেছিল কংগ্রেস—জেডিইউ এবং আর-জেডির মহাজোটের কাছে।
মাত্র ৩১.৩৪ শতাংশ মানুষের সমর্থন নিয়ে মোদি ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে ২৮২টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। অবিজেপি দলগুলির ভোট বিভাজনের সুযোগ নিয়ে। যখনই বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা ৬৯ শতাংশ ভোটারের একটা বড় অংশকে বিজেপির বিরুদ্ধে থাকা দলগুলি ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছে তখনই বিজেপিকে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে বারবার।
২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি বিকাশের যে স্বপ্ন কমবয়সি ভোটারদের সামনে রেখেছিলেন তাতে প্রায় পুরো ‘এক্স জেনারেশন’-এর সমর্থন জোগাড় করতে পেরেছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাকে বিজেপির বাইরে থাকা বহু মানুষও মোদির সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদির উন্নয়নের বার্তায় প্রভাবিত হয়েছিলেন মহিলা, জনজাতির মানুষ এমনকী সংখ্যালঘুদের একাংশ। গত লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোটাররা বিজেপির বিরুদ্ধে কোথাও ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটদান করেননি। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যেও সংখ্যালঘু ভোটাররা বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছিলেন। এতে বিজেপির জয় সুগম হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশে বিজেপি একাই ৭১টি আসন পেয়েছিল। উন্নয়নের স্লোগানে দেশের বিভিন্ন বর্গের মানুষ (যাদের মধ্যে অনেকেই বিজেপির মতাদর্শের সঙ্গে ভিন্ন মত প্রকাশ করেন) মোদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে সমর্থন জানিয়েছিলেন।
উন্নয়নের স্লোগানকে মুখ্য রেখে বিজেপি যতবার সাম্প্রতিককালে ভোটে গিয়েছে ততবারই আসন বাড়াতে পেরেছে। অন্যদিকে, হিন্দুত্বের প্রচারকে প্রাধান্য দিয়ে ভোটে লড়াই করে বারবার আসন সংখ্যা কমিয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ অবশ্যই রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর সময়ের নিরিখে করা। রামমন্দির-রথযাত্রা-উত্তর পর্যায়ে অটলবিহারী বাজপেয়ির নেতৃত্বে জোট গড়ে কংগ্রেসকে হারানোর ডাকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজেপি—১৬১টি লোকসভার আসন পেয়েছিল। ১৩ দিনের সরকার অভিজ্ঞতার নিরিখে সংসদীয় রাজনীতি ও জোটবদ্ধভাবে লড়াইয়ের ডাক দিয়ে ১৯৯৮-র লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ১৮২টি আসন। ১৯৯৮-এর পর ১৩ মাসের সরকার পড়ে গেলে ১৯৯৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বাজপেয়ি রামমন্দির ইস্যুকে বাদ দিয়েই ভোটে লড়েছিলেন এবং ১৮২টি আসন পেয়ে ৫ বছরের জন্য জোট সরকার কেন্দ্রে চালান। আবার গুজরাত দাঙ্গার পর নরেন্দ্র মোদি দলের ভেতর হিন্দুত্বের পোস্টার বয় হয়ে উঠলে আরএসএস-সমেত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির চিন্তাভাবনা লোকসভা নির্বাচনে শাইনিং ইন্ডিয়ার ভাবনাকে ঢেকে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ অটলবিহারী বাজপেয়ির সরকার পরিচালনার সাফল্য থাকা সত্ত্বেও সংখ্যালঘু ভোটের ঐক্য এবং বিরোধী ভোটের ঐক্যের প্রভাবে বিজেপির ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৮২ থেকে আসন ১৩৮-এ নেমে আসে। পাঁচবছর পর ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচন বিজেপি লড়েছিল লালকৃষ্ণ আদবানির নেতৃত্বে। আদবানি ৯০-এর দশকে রামমন্দির রথযাত্রা ধাঁচে নির্বাচনের প্রাক্কালে জনসংযোগ যাত্রা করেছিলেন রামের ভাবনাকে উস্কে ভোটে জয়ের প্রত্যাশায়। কিন্তু, ওই নির্বাচনের ফলাফল থেকে দেখা যায় ভোটাররা আর রামমন্দিরের স্লোগানে নতুন করে সাড়া দিতে রাজি ছিলেন না। ২০০৯-এ বিজেপির আসন সংখ্যা আরও কমে ১১৬-তে দাঁড়ায়। পরবর্তী ২০১৪-র নির্বাচনে মোদি ম্যাজিকের মূল মন্ত্রই ছিল বিকাশ, দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক ভারতের স্বপ্ন। আর তাতেই বিজেপি বাজিমাত করে ১৯৮৪ সালের পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। ১৯৮৪-এর নির্বাচনে শেষবার রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার লোকসভায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল। সুতরাং রামমন্দির রথযাত্রা-উত্তর বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের যে প্রবণতা ধরা পড়ে তাতে দেখা যাচ্ছে উন্নয়নের প্রশ্ন সামনে রেখে বিজেপি অধিক সাফল্য পেয়েছে। আবার নির্বাচনী প্রচারে হিন্দুত্ব বিষয়কে যখনই বিজেপি প্রাধান্য দিয়েছে তখনই নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে।
এই প্রবণতার পেছনে মূল কারণ হল, উন্নয়নের প্রশ্নে বিজেপি সমাজের নানা বর্গের মানুষের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হচ্ছে। এর ফলশ্রুতি হিসেবে দলের আসন বাড়ছে। আবার দল যখনই কঠোর হিন্দুত্বের ভাবনাকে নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে আনছে তখনই বিজেপির বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপি-বিরোধী কোনও দলকে ভোট দিচ্ছে। একইসঙ্গে উগ্র হিন্দুত্বকে ঠেকানোর জন্য অবিজেপি দলগুলি ঐক্যবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যেমন ২০০৪ সালে কংগ্রেসকে সামনে রেখে বেশিরভাগ বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এবারও কিন্তু রামমন্দিরকে সামনে রেখে উগ্র হিন্দুত্বের লাইনে বিজেপি ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণি পেরতে চাইছে। ফলস্বরূপ কৈরানা থেকে বেলারি পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি বিরোধী ভোটারদের বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভোটদানের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর এই প্রবণতাই বিজেপির পক্ষে বিপজ্জনক।
বিজেপি নেতৃত্বকে ‘বিকাশ-মোদি’ বনাম ‘রামভক্ত মোদি’র মধ্যে কোনটা অধিক ফলদায়ক তা বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে আরও একবার পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। রামমন্দির আন্দোলনোত্তর পর্যায়ে ভারতবাসী কিন্তু বিজেপিকে কংগ্রেসের বিকল্প সর্বভারতীয় সংসদীয় দল হিসেবেই দেখতে চাইছে। নির্বাচনী বৈতরণি পেরনোর জন্য বারবার উগ্র হিন্দুত্বের ভাবমূর্তি বিজেপির পক্ষে যে লাভজনক হচ্ছে না তা অন্তত বিগত কুড়ি বছরের দেশের নির্বাচনী প্রবণতা থেকে স্পষ্ট। নরেন্দ্র মোদি উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি। তাতে ভোটারদের যে আশাভঙ্গ হয়েছে তাকে অন্য পথে পরিচালিত করবার জন্য বিজেপি ফৈজাবাদকে বদলে অযোধ্যা বা রামের বাবা দশরথের নামে মেডিক্যাল কলেজ বা রামমন্দির তথা হিন্দুত্ব নিয়ে যতই তৎপর হবে ততই কিন্তু সংখ্যালঘু ভোটাররা এবং বিরোধীরা বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দেবে। তাই আরও বড় বিপর্যয় ঠেকাতে উন্নয়নের ইস্যুকেই বিজেপির নির্বাচনের হাতিয়ার করা উচিত। এতে সমাজের নানা বর্গের সমর্থনের রাস্তা খোলা থাকতে পারে। অন্যথায় উগ্র হিন্দুত্বের ইস্যুকে সামনে আনলে ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতার সম্মুখীন হয়ে আসনসংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কাই থাকছে।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
08th  November, 2018
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
একনজরে
মেলবোর্ন, ২০ জানুয়ারি: রড লেভার এরিনায় ইন্দ্রপতন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরার। রবিবার মেলবোর্ন পার্কের ভরা গ্যালারিকে হতাশায় ডুবিয়ে ...

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: উচ্চবর্ণের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোনা যাচ্ছে, মধ্যবিত্তের মন রাখতে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা আড়াই লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা করা হবে। কিন্তু ভোটের আগে আরও কল্পতরু হতে চান মোদি। ...

বিএনএ, বহরমপুর: চার মাসে ১০০০জন পুরুষ ভোটারের হিসেবে মহিলার সংখ্যা ১৭জন বাড়িয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত জেলায় ১০০০ পুরুষ ভোটারের হিসেবে মহিলা ছিল ৯৪১জন।   ...

 দুবাই, ২০ জানুয়ারি (পিটিআই): মানবপাচার রুখতে ১৯৮৩ সালের অভিবাসন আইনে বদল আনতে চলেছে কেন্দ্র। নতুন খসড়া অভিবাসন বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চাওয়া হয়েছিল। তার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর টনক নড়ল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে বসবাসকারী অনাবাসী ভারতীয়দের। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যে কোনও শুভকর্মের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৫- স্বাধীনতা সংগ্রামী রাসবিহারী বসুর মৃত্যু
১৯৫০- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের মৃত্যু
১৯৬৮- চারটি হাইড্রোজেন বোমা সহ গ্রিনল্যান্ডে ভেঙে পড়ল আমেরিকার বি-৫২ যুদ্ধবিমান
১৯৮৬- অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  January, 2019

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১০/৫৮ দিবা ১০/৪৬। নক্ষত্র- পুষ্যা ৫০/১১ রাত্রি ২/২৭, সূ উ ৬/২২/৪৪, অ ৫/১২/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে।
৬ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১১/৩৩/৪২। পুষ্যানক্ষত্র রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৬। সূ উ ৬/২৫/০, অ ৫/১০/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৭ মধ্যে ও ঘ ১০/৪৩/১৬ থেকে ১২/৫২/২৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩/৩৬ থেকে ৮/৪২/২৮ মধ্যে ও ১২/২১/২১ থেকে ২/৫৩/১২ মধ্যে। বারবেলা ২/২৮/৫১ থেকে ৩/৪৯/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৫/৩৮ থেকে ৯/৬/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/১৩ থেকে ঘ ১১/৪৭/৩৪ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সল্টলেকের শান্তিনগরে দম্পতির দেহ উদ্ধার 

04:02:51 PM

সোদপুর শ্যুটআউট কাণ্ড: ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিস, রামুয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৪০টি কার্তুজ

03:21:00 PM

মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় বোমা ফেটে জখম স্কুলছাত্র  
পুকুরপাড়ে গোরু চড়াতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম এক স্কুলছাত্র। ঘটনাটি ...বিশদ

02:49:57 PM

কার্শিয়াংয়ের কাছে খাদে যাত্রী বোঝাই গাড়ি 
কার্শিয়ায়ের অদূরে রোহিনী রোডে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী গাড়ি। ঘটনায় ন'জন ...বিশদ

02:42:13 PM

লোহার গার্ডার পড়ে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় খড়্গপুর আইআইটিতে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিকা শ্রমিকদের 

12:52:00 PM

ডোভার টেরেসে গোলমাল, প্রহৃত পুলিস 
গড়িয়াহাট থানা এলাকার ডোভার টেরেসে দু'পক্ষের গোলমাল থামাতে গিয়ে প্রহৃত ...বিশদ

12:45:46 PM