বিশেষ নিবন্ধ
 

৩০ বছর: পুরনো চিত্রনাট্যে নতুন রিমেকের লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

আনন্দ ভার্মা ইউনিয়ন লিডার। শ্রমিকদের প্রাপ্য এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান। তাই শ্রমিকমহলে তিনি জনপ্রিয়ও বটে। স্ত্রী সুমিত্রা দেবী এবং দুই পুত্র বিজয় ভার্মা ও রবি ভার্মাকে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু সেই সুখের জীবনে নেমে এসেছিল অন্ধকার। মালিকপক্ষ একবার আনন্দ ভার্মাকে ব্ল্যাকমেল করে তাঁর শ্রমিক আন্দোলনকে সমাপ্ত করে দিতে বাধ্য করে। প্রকৃত সত্য না জেনেই তাঁর অতি প্রিয় শ্রমিকভাইয়েরা আনন্দ ভার্মাকে ঘুষখোর আখ্যা দেয়। এবং মারধর, লাঞ্ছনাও করে। অপমানিত আনন্দ ঘরসংসার ছেড়ে নিরুদ্দেশে চলে গেলেন। কলঙ্কের দাগ রয়ে গেল তাঁর পরিবারের মাথায়। বিশেষ করে আক্ষরিক একটি দাগ আজীবন লেপ্টে রইল তাঁর বড় পুত্র বিজয় ভার্মার বাম হাতে। সেখানে ক্ষিপ্ত শ্রমিকবাহিনী উল্কি দিয়ে লিপিবদ্ধ করে দেয় এক কলঙ্কবাক্য—মেরা বাপ চোর হ্যায়...। এ কাহিনী সকলের জানা। বিজয় ভার্মার জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সে কীভাবে তাঁর পরিবারকে ওই কলঙ্ক থেকে মুক্ত করবে। এবং পিতার অপমানকারীদের পাল্টা জবাব দেবে। এরপর কাহিনীর গতিপথ যেভাবে এগোয় তা অবশ্যই হিন্দি সিনেমার ওভারড্রামাটিক চিত্রনাট্যের পথ ধরে। কিন্তু ওই পিতার কলঙ্কের অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবল জেদ এই ছবির ধ্রুবপদ ছিল। যশ চোপরার দীওয়ার।
দীননাথ চৌহান গ্রামের জনপ্রিয় মাস্টারমশাই। তিনি বহিরাগত এক মাফিয়া লিডারকে গ্রামে হেরোইনের কেন্দ্রস্থল ও সাপ্লাইলাইন হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণে বাধা দিলেন। তাঁর সবথেকে অমূল্য সম্পদটিতেই আঘাত করা হল। তাঁর সম্মান। পরিকল্পিতভাবে সম্মানহানির পর তাঁকে এতটাই ঘৃণ্য চরিত্রে পরিণত করা হল যে প্রিয় গ্রামবাসীই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। এসব দৃশ্য চাক্ষুষ করে তখনই শপথ নিয়েছিল তাঁর পুত্র বিজয় চৌহান। এবং পরবর্তীকালে ভিলেনকে হারিয়ে এই গ্রামকে আবার স্ববশে নিয়ে এসে বিজয় চৌহান হৃত সম্মান অর্পণ করবেন মায়ের সামনে। এই ছিল ‘অগ্নিপথ’। মুকুল এস আনন্দের। সুতরাং এ ছবিরও একটাই থিম। বাবার অসম্মানের প্রতিশোধ গ্রহণ।
বয়স অনেক কম হলেও একটা সময় পর্যন্ত দিল্লির মহাদেব রোডে ফিল্মস ডিভিশনের অডিটোরিয়ামে তাঁর বাবার বন্ধু এবং মায়ের পাতানো ভাই অমিতাভ বচ্চনের এসব সিনেমা দেখতে যেতেন রাহুল গান্ধী। বোন প্রিয়াংকাকে নিয়ে। আংকল বলাই সঠিক ছিল। যেহেতু বাবার ছেলেবেলার বন্ধু। কিন্তু ১৯৬৮ সালে সদ্য ইতালি থেকে অচেনা দেশে আসা সোনিয়া গান্ধীকে বিয়ের আগে নিজের বাড়িতে তিনমাস রেখে অমিতাভ বচ্চনের মা তেজি বচ্চন হিন্দি ভাষা এবং ভারতীয়ত্ব শিখিয়েছিলেন। এবং রাজীবের সঙ্গে বিবাহের সময় কন্যা সম্প্রদানও করেন হরিবংশ রাই বচ্চন। তাই রাহুল প্রিয়াংকার কাছে অমিতাভ বচ্চন মামা। তাঁকে সম্বোধন করা হয় মামন নামে। রাহুল গান্ধীর অন্তরে কি কোনওভাবে তাঁর সেই প্রিয় মামনের সিনেমার চরিত্রগুলি ছাপ ফেলে গিয়েছে? কেন এই প্রশ্ন? কারণ তাঁর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কৌশলটি অবলোকন করে মনে হতেই পারে তিনি একটাই লক্ষ্য নিয়ে এগচ্ছেন। পিতার কলঙ্কের পাল্টা একটা প্রতিশোধ নেওয়া। এতদিন এই সুযোগ আসেনি। অবশেষে মোদি সরকারের শেষতম বছরে আকস্মিক একটি অস্ত্র হাতে পেয়েছেন রাহুল। আর তাই রাজস্থান থেকে ছত্তিশগড়। মধ্যপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় তিনি তাঁর রাজনৈতিক প্রচারে এক ও একমাত্র পাশুপত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন সেই ইস্যু। রাফাল যুদ্ধবিমান। তাঁর প্রচারের ভরকেন্দ্র হল এই যুদ্ধবিমান ফ্রান্সের ডাসল্ট সংস্থা থেকে কেনা হয়েছে যে চুক্তিতে তার সঙ্গে মিশে রয়েছে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অনিয়ম। যে অনিল আম্বানির সংস্থার সামান্যতম অভিজ্ঞতা নেই যুদ্ধবিমান কিংবা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের, তাকে কেন করা হল এই ডিলের অফসেট পার্টনার। এবং তিনি আর কাউকে নয়, সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন অনেক বেশি দামে রাফাল কেনা হচ্ছে? লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ১৯৮৭ সালে অবিকল এই ধাঁচেই বিজেপি এবং অন্য কংগ্রেস বিরোধী দলগুলি বোফর্স দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিল। ঠিক এভাবেই যাবতীয় আক্রমণের প্রধান নিশানা ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কী ছিল সেই বোফর্স মামলা?
সুইডিশ সংস্থা বোফর্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মার্টিন আর্দবোর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে দেখা গেল একটি বিশেষ নামের ব্যক্তিকে বোফর্স হাউইৎজার কামান ক্রয়ের ডিলে কমিশন দেওয়া হয়েছে। সেই নামটি হল মিস্টার Q। সুইডিশ রেডিও প্রথম প্রচার করল সেই মিস্টার কিউ হলেন ইতালিয়ান ইতালিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি স্ন্যামপ্রোগেতির ইন্ডিয়ান হেড ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি। শীঘ্রই আরও জানা গেল ভারতীয় সেনা যে টেণ্ডার ইস্যু করেছিল, সেখানে প্রাথমিকভাবে যাদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, তার এক নম্বর নামটি ছিল ফ্রান্সের সংস্থা সফমা। কিন্তু সফমাকে সরিয়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল বোফর্সকে। প্রশ্ন উঠল, কেন? ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে একের পর এক তথ্য। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার তদন্ত রিপোর্টে বলা হল বোফর্সের এজেন্ট এ ই সার্ভিস কাত্রোচ্চির অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৪ লক্ষ টাকা ডিপোজিট করেছে। কিন্তু সেটি আংশিক। ২০০৩ সালে ইন্টারপোল জানতে পারল, বি এস আই ব্যাঙ্ক এজিতে কাত্রোচ্চির নামে জমা হয়েছিল প্রথমে ১৬ কোটি টাকা এবং পরে আরও ৪ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। সিবিআই সেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার চেষ্টা করল। পাল্টা কাত্রোচ্চি সেই অ্যাকাউন্টগুলি ডিফ্রিজ করার প্রবল প্রভাব খাটানো শুরু করলেন। চলল আইনি লড়াই। যদিও এসবের অনেক আগে যখন অফিসিয়ালি কাত্রোচ্চির নাম বোফর্স চুক্তির প্রধান অপারেটর হিসেবে সিবিআই নথিভুক্ত করল এবং সবেমাত্র কাত্রোচ্চিকে আটক করার সব প্ল্যান রেডি, তখনই ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসের এক মধ্যরাতের বিমানে কাত্রোচ্চি ভারত ছেড়ে চিরকালের জন্য পালালেন। ২০০৭ সালে ইন্টারপোলের নোটিস অনুযায়ী কাত্রোচ্চি আচমকা ধরা পড়লেন আর্জেন্টিনায়। কিন্তু সিবিআই তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়ায় এতই দীর্ঘসূত্রিতা দেখিয়েছে যে তিনি অনতিবিলম্বে মুক্তি পেলেন। ২০০৯ সালের এপ্রিলে ইন্টারপোলকে সিবিআই আবেদন করে কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে রেড কর্ণার নোটিস প্রত্যাহার করা হোক। ২০১১ সালে দিল্লির ট্রায়াল কোর্ট কাত্রোচ্চিকে গোটা মামলা থেকে মুক্তি দেয়। এমনকী সিবিআইকে আদালত বলে, এই মামলায় দেখা যাচ্ছে কমবেশি ৬৪ কোটি টাকার একটা কমিশন প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সেই তদন্ত করতে তো সিবিআই ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে? অথচ কোনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ, সক্রিয় পদক্ষেপ কিছুই হয়নি। এ মামলা চালিয়ে লাভ কী? এই ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। ২০১৩ সালে ১৩ জুলাই ইতালির মিলানে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান ওত্তাভিও কাত্রোচ্চি।
গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সূত্রেই কাত্রোচ্চির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গেই যুক্ত হয় রাজীব গান্ধীর পরিবারের নাম। এবং সমস্যা হল সিবিআই ১৯৮৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ আদালতে জমা দিতে সক্ষম হয়নি। গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও এভিডেন্স সংবলিত চার্জশিটও তৈরি হল না কেন? এমনকী মাঝখানে দুটি এনডিএ জোটের সরকার এসেছে। রাজীব গান্ধীকে ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে স্রেফ বোফর্স মামলার কলঙ্ক হারিয়ে দিয়েছিল। ঠিক ৩০ বছর পর সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি চাইছেন রাহুল গান্ধী। এটাই তাঁর কাছে হয়তো মধুর প্রতিশোধ। ২০১৯ সালের নির্বাচনের আগে তাই তিনি মরিয়া হয়েছেন বোফর্স কামানের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানকে নির্বাচনে প্রধান ইস্যুতে পরিণত করতে। ১৯৮৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিলেন রাজীব গান্ধী। এবং মাত্র চার বছরের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে বোফর্স মামলার অভিযোগ এসেছিল। ৩০ বছর পর ২০১৪ সালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপিকে কেন্দ্রে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তাঁর সরকারের চতুর্থ বছরে তাঁর সরকারের উপরেও ঠিক ওই বোফর্সের মতোই রাফাল যুদ্ধবিমানের অভিযোগের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক আজীবনের রাজনৈতিক শত্রুরা হাত মিলিয়েছিল। বিজেপির হাতে ছিল সিপিএমের হাত। ৩০ বছর পর রাফাল নিয়ে কংগ্রেসের পাশে আজ সেই সিপিএম। সেদিন লক্ষ্য ছিল রাজীব গান্ধীকে পরাজিত করা। এবার লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত করা। ১৯৮৯ সালে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিংহ ছিলেন কারিগর। এবার সেই মহাজোটের কারিগর কখনও হতে চাইছেন চন্দ্রবাবু নাইডু, কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনতা দলের বিভিন্ন টুকরো, বামপন্থীরা, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা আঞ্চলিক দলগুলি হাত মেলাচ্ছে বিজেপিকে হারাতে।
রাহুল গান্ধী সম্ভবত ইতিহাসের এই হুবহু সাদৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। এবং তিনি রাফালকে বোফর্সের জবাব হিসেবেই বিবেচনা করছেন। ৩০ বছর আগে তিনি ছিলেন নিছক ১৯ বছরের এক তরুণ। আজ তিনি মধ্যবয়স স্পর্শ করতে চলা এক যুবক। এবং এতবছর ধরে সম্ভবত এই সময়টির জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। কবে হাতে পাবেন বিজেপির বিরুদ্ধে অবিকল বোফর্স ধাঁচের কোনও এক ব্রহ্মাস্ত্র। রাফালকে তাই রাহুল সামান্যতম ভুলতে দিচ্ছেন না। তিনি হয় রাজ্যে রাজ্যে প্রচারে লাগাতার বলে চলেছেন রাফালের কথা। অথবা এআইসিসি সদর দপ্তরে নিত্যনতুন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে, প্রেস কনফারেন্স করছেন। ১৯৮৭ সালের পর থেকে স্লোগান তোলা হয়েছিল, গলি গলি মে শোর হ্যায়..রাজীব গান্ধী চোর হ্যায়। আজ রাহুল গান্ধী প্রতিটি জনসভা ও সাংবাদিক সম্মেলনে বারংবার বলছেন, ‘রাফাল চুক্তিতে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে আমাদের চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী চোর।’ রাহুল গান্ধীকে এতটা আগ্রাসী কখনও তো দেখা যায়নি! এরকমভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে প্রতিপক্ষ বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করছেন, এই বডি ল্যাংগু঩঩য়েজও নতুন!
হঠাৎ এই পরিবর্তন কীভাবে এল? এই প্রশ্ন আজকাল খুব শোনা যায়। এই একই বিস্ময় রাজনৈতিক মহলেও। ওই প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর হল, রাহুল ধরেই নিয়েছেন এটাই সুবর্ণ সুযোগ। যে অস্ত্রে তাঁর পিতা এবং পরিবারকে বিগত ৩০ বছর ধরে বিদ্ধ হতে হয়েছে, তিনি যদি একবার সেই একই অস্ত্র হাতে নিয়ে ২০১৯ সালে বিজেপিকে পরাজিত করতে পারেন, তাহলে তিনি মনে করছেন সেটাই হবে পুত্র হিসেবে তাঁর সেরা জবাব। আর তখন চিরতরে বোফর্স ইস্যুর অবসান ঘটবে। কারণ সেক্ষেত্রে বোফর্সের পাল্টা রেফারেন্স হিসেবে আসবে রাফাল। এটাই মনেপ্রাণে চাইছেন রাহুল। তাই তিনি এত আগ্রাসী। এবং যে বিজেপি রাহুলকে অপরিণতমনস্ক আখ্যা দিয়ে এসেছে এতকাল, আজ তাঁদের মুখপাত্র ও মন্ত্রীরা দল বেঁধে প্রতিদিন রাহুল গান্ধীর একটি স্টেটমেন্টের পাল্টা বিবৃতি দিতে দিনভর ব্যয় করেন। অর্থাৎ বিজেপি রাহুলকে ইগনোর করতে পারছে না। তাঁরাই রাহুলকে অনেক বেশি গুরুত্ব পাইয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
রাহুল এবং তাঁর দলের নেতারা দিনের পর দিন বার্তা দিচ্ছেন রাহুল প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন না। আগে জোট ক্ষমতায় আসুক। তারপর স্থির হবে কে প্রধানমন্ত্রী। এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, রাহুলের কাছে পাখির চোখ হল, এক ও একমাত্র নরেন্দ্র মোদিকে পরাজিত হতে দেখা। সেটা তার কাছে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের থেকেও হয়তো বেশি কাম্য। তিনি জানেন, মায়াবতী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা সহজে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে মেনে নেবেন না। তাঁরা অনেক সিনিয়র। তাই তিনি চাইছেন ওই ইস্যুতে যেন অন্তত জোটে ধাক্কা না লাগে। এককভাবে কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব নয় বিজেপিকে পরাজিত করা। একের পর এক রা঩জ্যে দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের জোট হলেই বিজেপি হেরে যাচ্ছে। সুতরাং যেভাবেই হোক রাহুলের জোট চাই। আর সেজন্য তিনি সম্ভবত প্রাইম মিনিস্টারশিপ স্ট্যাটাস আপাতত স্যাক্রিফাইস করতে প্রস্তুত। ওই যে বললাম, রাজনৈতিক লড়াই নয়, এই প্রথম রাহুল হাতে পেয়েছেন এমন এক ইস্যু যা তাঁর কাছে একটি ব্যক্তিগত লড়াইয়ের রণকেন্দ্র। রাফালের সঙ্গে বোফর্সের কোনও তুলনা হয় কিনা, এই লড়াইয়ে আদৌ তিনি বাকি বিরোধী দলগুলিকে পাশে পাবেন কিনা, রাফাল চুক্তি সত্যিই কতটা অস্বস্তিতে ফেলতে পারছে মোদিকে কিংবা এখনও জাতীয় স্তরে তোলপাড় করা কোনও চর্চায় পরিণত হয়নি কেন রাফাল ডিল..এসব প্রশ্ন কিন্তু তাঁর কাছে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মোটেই উপস্থিত হচ্ছে না। তিনি যেন একটি একক লড়াইয়ে নেমেছেন। কারণ রাহুলের আচার আচরণ থেকে স্পষ্ট যে, তাঁর মনে পড়ছে ৩০ বছর আগের প্রতিটি দৃশ্যপট। তিনি চাইছেন, একটি নতুন চিত্রনাট্য সংবলিত রাজনৈতিক এপিসোড উপস্থাপিত হোক ২০১৯ সালে।
যা আসলে ৩০ বছর আগের চিত্রনাট্যেরই রিমেক! সেটি ফ্লপ হবে? নাকি হিট?
09th  November, 2018
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
একনজরে
মেলবোর্ন, ২০ জানুয়ারি: রড লেভার এরিনায় ইন্দ্রপতন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরার। রবিবার মেলবোর্ন পার্কের ভরা গ্যালারিকে হতাশায় ডুবিয়ে ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: পরীক্ষার খাতা দেখার জন্য নাম পাঠানো হলেও, সেই দায়িত্ব পালনে অনীহা দেখাচ্ছেন শিক্ষকরা। এমনই অভিযোগ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এ নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ তারা। কলেজগুলি যাতে পরীক্ষকদের খাতা দেখার জন্য চাপ দেয়, সেজন্য চিঠি পাঠিয়েছে তারা।  ...

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: উচ্চবর্ণের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোনা যাচ্ছে, মধ্যবিত্তের মন রাখতে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা আড়াই লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা করা হবে। কিন্তু ভোটের আগে আরও কল্পতরু হতে চান মোদি। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের শিল্প সম্মেলন শুরু হতে চলেছে আগামী মাসেই। ফেব্রুয়ারির সাত এবং আট তারিখে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে ওই সম্মেলন বসবে। বিনিয়োগ টানার ওই সামিটে এবার রাজ্য সরকার অন্যান্য সেক্টরের পাশাপাশি কৃষিজ শিল্পের উপরও বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যে কোনও শুভকর্মের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৫- স্বাধীনতা সংগ্রামী রাসবিহারী বসুর মৃত্যু
১৯৫০- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের মৃত্যু
১৯৬৮- চারটি হাইড্রোজেন বোমা সহ গ্রিনল্যান্ডে ভেঙে পড়ল আমেরিকার বি-৫২ যুদ্ধবিমান
১৯৮৬- অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  January, 2019

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১০/৫৮ দিবা ১০/৪৬। নক্ষত্র- পুষ্যা ৫০/১১ রাত্রি ২/২৭, সূ উ ৬/২২/৪৪, অ ৫/১২/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে।
৬ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১১/৩৩/৪২। পুষ্যানক্ষত্র রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৬। সূ উ ৬/২৫/০, অ ৫/১০/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৭ মধ্যে ও ঘ ১০/৪৩/১৬ থেকে ১২/৫২/২৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩/৩৬ থেকে ৮/৪২/২৮ মধ্যে ও ১২/২১/২১ থেকে ২/৫৩/১২ মধ্যে। বারবেলা ২/২৮/৫১ থেকে ৩/৪৯/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৫/৩৮ থেকে ৯/৬/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/১৩ থেকে ঘ ১১/৪৭/৩৪ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সোদপুর শ্যুটআউট কাণ্ড: ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিস, রামুয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৪০টি কার্তুজ

03:21:00 PM

মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় বোমা ফেটে জখম স্কুলছাত্র  
পুকুরপাড়ে গোরু চড়াতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম এক স্কুলছাত্র। ঘটনাটি ...বিশদ

02:49:57 PM

কার্শিয়াংয়ের কাছে খাদে যাত্রী বোঝাই গাড়ি 
কার্শিয়ায়ের অদূরে রোহিনী রোডে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী গাড়ি। ঘটনায় ন'জন ...বিশদ

02:42:13 PM

লোহার গার্ডার পড়ে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় খড়্গপুর আইআইটিতে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিকা শ্রমিকদের 

12:52:00 PM

ডোভার টেরেসে গোলমাল, প্রহৃত পুলিস 
গড়িয়াহাট থানা এলাকার ডোভার টেরেসে দু'পক্ষের গোলমাল থামাতে গিয়ে প্রহৃত ...বিশদ

12:45:46 PM

পিএনবি প্রতারণা: ভারতের নাগরিকত্ব ছাড়লেন মেহুল চোকসি 
১৩,৫০০ কোটি টাকার পিএনবি ঋণ প্রতারণা কাণ্ডে প্রত্যর্পণ এড়াতে ভারতের ...বিশদ

11:40:14 AM