Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে। পাঁচ রাজ্যের ভোট সামলে দলীয় দুর্গের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ দলবল নিয়ে এবার বহু আগে থেকেই নেমে পড়েছিলেন। রাজস্থানে রাজমাতার প্রতি জনতার ক্ষোভ, অভিমান, তেলেঙ্গানায় টিআরএস মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব, মধ্যপ্রদেশে নানান দুর্নীতির অভিযোগ, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী ঝামেলা ইত্যাদি সামলাতে দিনরাত এক করে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষনেতা থেকে সাধারণ সৈনিকেরা।
কিন্তু, তা সত্ত্বেও জনমত সমীক্ষার ফলগুলিতে খুব ভালো কিছু নজরে আসেনি। বরং, রিপোর্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই থেকে ক্ষমতাচ্যুতির মতো বিপদের গন্ধই মিলেছে! অবশ্য, রিপোর্টের কথা সবসময় সত্যি হয় না—এটাও বাস্তব। সুতরাং, ওই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল নিয়ে লোকসভার ভোট ভবিষ্যৎ ব্যাপারে আগাম সিদ্ধান্ত অর্থহীন। তবু, ওই জনসমীক্ষার ফল একেবারে মন থেকে ঝেড়েও কি ফেলা যাচ্ছে! ফেলতে পারছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষমহল? রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের একটা বড় অংশের ধারণা, পারছেন না।
অথচ, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বিধানসভা ভোটফলকে লোকসভার ভোটফলের আগাম আভাস বলে মনে করেন না। লোকসভার নির্বাচনী লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বও দিতে চান না। কারণ, তাঁদের মতে, বিধানসভা ভোটে জনতার মনে আঞ্চলিক উন্নয়নের ইস্যুগুলো বেশি কাজ করে আর লোকসভার ক্ষেত্রে নাকি জাতীয় ব্যাপার-স্যাপার। সেদিক থেকে পাঁচ রাজ্যের চলতি ভোটফল নিয়ে বিজেপি’র বিশেষ মাথা ঘামানোর কথা নয়। কেননা, এই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল বিরুদ্ধে গেলেও দেশের সিংহভাগ রাজ্য তাঁদের দখলেই থাকবে। তার ওপর শোনা যাচ্ছে পূর্বাঞ্চলের মিজোরামের ভোট পড়ার হার (৭৫ শতাংশ) নাকি পদ্ম দলে বিশেষ উৎসাহের সঞ্চার করেছে! ওই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে তাঁদের আশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এত সব সত্ত্বেও কি দিল্লির শাসক শিবির লোকসভার আসন্ন ভোট মহাযুদ্ধ নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারছে না!? আগামী লোকসভায় দলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় থাকার ব্যাপারে মোদিজি অমিতজিরা কি একটু বেশি সন্দিহান হয়ে পড়েছেন? না হলে হঠাৎ কেন মমতা-মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর এত নরম হয়ে এল? কেন সিপিএমকেও আর তাঁর তেমন বিপজ্জনক মনে হচ্ছে না! আর কেনই বা ব্যতিক্রম কংগ্রেস! কেন কংগ্রেসই মনে হচ্ছে একমাত্র শত্রু—তাড়াতে হবে দেশ থেকে? হ্যাঁ, একটা সাদা কারণ তার তো আছেই। লোকসভায় আসন যতই সামান্য হোক জাতীয় রাজনীতি তথা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কংগ্রেসের ঐতিহ্য গরিমা এখনও যথেষ্টই। সেই কংগ্রেসকে নরেন্দ্র মোদিজি প্রধান রাজনৈতিক শত্রু ও প্রতিপক্ষ বলে মনে করলে আশ্চর্যের কিছু নেই। সেই অবস্থান থেকে তিনি কংগ্রেস মুক্ত ভারতের ডাক দিতেই পারেন, বলতেই পারেন, অখিলেশ-মায়াবতী-মমতা সব ঠিক আছে। কেবল তাড়াতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, হায়দরাবাদের জনসভায় মোদিজির এই বক্তব্যের তাৎপর্য কি শুধু এটুকুই?
একথা ঠিক, উত্তরপ্রদেশের কয়েকটা উপনির্বাচনে অখিলেশ-মায়াবতী মিলে ভালো ধাক্কা দিয়েছিল রেকর্ড আসনে জেতা যোগী-বাহিনীকে। সেই ধাক্কা দিল্লির দরবারেও গিয়ে পৌঁছেছিল। আসন্ন লোকসভায় ওঁরা জোট বাঁধলে যে বিপদ সেটা আঁচ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অমন নরম কথা বলতেই পারেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা প্রায় একই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব-প্রতিপত্তিতে আচ্ছন্ন, মমতায় মুগ্ধ, মমতার উন্নয়নের জোয়ারে ভাসমান এই পশ্চিমবঙ্গে আগামী লোকসভা ছাড়, সুদূর ভবিষ্যতেও গেরুয়া বাহিনী দাঁত ফোটাতে পারবে এমন আশা সে দলের কেউই খুব বুক বাজিয়ে বলতে পারেন বলে শুনিনি। এমনি রাজনৈতিক প্রচারে সে কথা হয়তো অনেকে জোর গলায় সভাসমিতিতে বলছেন, দিল্লি নেতাদের উৎসাহে তাঁদের কর্মী সমর্থকদের আসন্ন লোকসভায় ২২/২৪ আসন দখলের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন—কিন্তু তাঁরাও খুব ভালোই জানেন বাস্তবে এই ২০১৯ সালে এমনটা ঘটানো খুব সহজ নয়, বরং অসম্ভবের কাছাকাছি।
তবু বলছেন, বলতে হয় বলেই বলছেন। উপায় কী? দলীয় রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা বলে একটা ব্যাপার তো পদ্মশিবিরেও আছে। ভোটের মুখে তার দাবি অস্বীকার করবে কে? কিন্তু, সেই বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও রূঢ় রাজনৈতিক বাস্তবকে উপেক্ষা করবেন কীভাবে? অতএব, মমতাকে ভোটযুদ্ধে কাহিল করার কোনও সম্ভাবনা নেই। তার ওপর আছে তাঁর ফেডারেল ফ্রন্ট। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে ফ্রন্ট গেরুয়া শিবিরের ভোটচিন্তায় আজ অন্যতম কাঁটা। সেখানেই শেষ নয়। ফেডারেল ফ্রন্টের বাইরেও গেরুয়া বিরোধী অভিযানে দানা বেঁধে ওঠা তৃতীয় শক্তির চোখেও যে নিজগুণে মমতা মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন সে খবরও তো আছে মোদিজি অমিত শাহের কাছে। এহেন শক্তিশালী রাজনৈতিক ক্ষমতাকে এত বড় ভোটের মুখে একটু ‘গুড হিউমারে’ রাখাই যে বিচক্ষণতা সেটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কি বুঝেছেন? আর তাই কি মমতাকে ভালোর দলে রাখা!? হতেই পারে। বাকি রইলেন সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামপন্থীরা। একসময় বাজপেয়ি-আদবানি যুগে বাংলার বামপন্থীদের সঙ্গে তাঁদের দহরম-মহরম ছিল। আজও সেটা ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই কি তাঁরা মোদিজির ভালোর দলে? এটাও হতেই পারে।
কিন্তু, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরা মনে করছেন, কংগ্রেসকে দেশ থেকে তাড়ানোর ডাক দেওয়ার পাশাপাশি মমতা-মায়াবতী-অখিলেশ মায় সিপিএম সমেত বামপন্থীদের প্রতি নরম মনোভাবের কারণ কেবল এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়। আসল উদ্দেশ্য, কংগ্রেসকেন্দ্রিক তৃতীয় ফ্রন্ট এবং মমতার নেতৃত্বাধীন ফেডারেল ফ্রন্টের মধ্যে অর্থাৎ বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলির মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা। একদিকে ‘মোদি হটাও দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে তৃতীয় ফ্রন্টের এবং অন্যদিকে একই লক্ষ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টের অভিযান ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে ভালো সাড়া ফেলেছে। কেন্দ্রে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাবনাও দেখতে শুরু করেছে দেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, দুই ফ্রন্টে এবং দেশের মানুষের মধ্যে এই মুহূর্তে মমতার মতো গ্রহণযোগ্যতা বিরোধী শিবিরের আর কোনও নেতানেত্রীরই নাকি নেই। তাই, ২০১৯ সালে যদি মোদিজি ক্ষমতাচ্যুত হন তবে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বিরোধীজোটের প্রথম এবং স্বতঃস্ফূর্ত চয়েস মমতাই হবেন—এমনটাই অভিমত ওই মহলের বিশেষজ্ঞদের।
বিজেপি শীর্ষনেতৃত্ব অবশ্য বাঙালির প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে বিশেষ ভাবিত বলে মনে হয় না। তাঁরা ক্ষমতা রক্ষা করতেই বেশি তৎপর। মুশকিলটা হল, এক্ষেত্রেও মমতাই তাঁদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। কারণ, মধ্যমণি হয়ে মমতাই কার্যত দেশ জুড়ে বিরোধীদের একট্টা করতে এবং তাঁর ‘একের বিরুদ্ধে এক’ প্রার্থী দেওয়ার ফর্মুলা সফল করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। আর তাতে সাফল্যও মিলছে ভালোই। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সমেত জোট নেতারা ভোটের পর প্রধানমন্ত্রী ঠিক করার নীতি মেনেছেন এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ও মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট মিলেমিশে একটা জোরদার মোদি-বিরোধী লড়াই দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে। অমিত শাহ সমেত মোদিজির রাজনৈতিক সেনাপতিরা জোটের প্রকৃত শক্তি এখনও কতটা আঁচ করতে পেরেছেন জানা নেই, তবে তাঁরা যে রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোট নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন তাতে সন্দেহ নেই।
আসলে, গেরুয়া শিবির একটা কথা স্পষ্ট বুঝে গেছে—দেশের মানুষ নরেন্দ্র মোদির শাসনে খুব একটা খুশি নয়। এক তো ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যাঙ্কের লক্ষ কোটি টাকা গায়েবের ঘটনা এবং অভিযুক্তদের ব্যাপারে সরকারি নিস্পৃহতা, তার সঙ্গে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, উন্নয়নহীনতা, নানাভাবে সাধারণের আয় কমে যাওয়া, রান্নার গ্যাস এবং কেরোসিন, পেট্রল, ডিজেলের মতো জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি—সবমিলিয়ে আজ দেশের জনতার মধ্যে একটা চোরা উল্টোস্রোত বইতে শুরু করেছে। মুখ ফেরাচ্ছে মানুষজন। আর প্রত্যাশিতভাবেই সেই স্রোতটাকে নানাভাবে কাজে লাগাতে চাইছেন বিরোধীরা। ভোটযুদ্ধের সেই গণ-অপ্রসন্নতাকে লোকসভা যুদ্ধে বিপজ্জনক রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন তাঁরা।
জোটের পরিসরও ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম একলপ্তে শতটাকার বেশি কমানোর মতো মলম দিয়ে জনমনের ওই ক্ষত বাকি ক’মাসে কতটা মেরামত করা যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে বলছেন, পদ্মবাহিনীর আত্মরক্ষার একটাই জোরালো কৌশল এখন অবশিষ্ট—যেন তেন প্রকারে বিরোধী জোট-রাজনীতিকে দুর্বল করে দেওয়া, অন্যদের কাছে টেনে কংগ্রেসকে বিচ্ছিন্ন করা। তথ্যভিজ্ঞদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার হায়দরাবাদের সভায় মায়াবতী-মমতা নিয়ে বিজেপি সুপ্রিমো তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওই ‘নরম’ মন্তব্যকে কি সেই কৌশলেরই ভূমিকা বলে মনে হচ্ছে না?
02nd  December, 2018
ভোটফলের পর রাজ্যে শান্তি
রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
শুভা দত্ত

 শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে ফিরে এলেন মোদিজি। ভোট পরবর্তী জনসমীক্ষার হরেক সম্ভাব্য ফলকে পিছনে ফেলে সাড়ে তিনশো আসনের জবরদস্ত গরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
বিশদ

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

25th  May, 2019
মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
 জাকার্তা, ২৫ মে (এপি): ইন্দোনেশিয়ায় মাউন্ট অগুঙ্গ আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুত্পাতের জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টা বালি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যহত হয়। শুক্রবার রাতে থেকে বেশ কিছু উড়ান বাতিল করে দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে শনিবার থেকে ফের তা চালু হয়েছে। ...

বিএনএ, জলপাইগুড়ি: বেতন আটকে রাখায় ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করে চাকরি খোয়ালেন জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। প্রায় ১২ বছর স্বাস্থ্য দপ্তরের কাজ করার পর চুক্তিভিত্তিক   ...

 মুম্বই, ২৫ মে (পিটিআই): সদ্য সমাপ্ত লোকসভার নির্বাচনে বিজেপি একাই ৩০৩টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ৩৫৩টি আসন পেয়েছে এনডিএ। সারা দেশের নিরিখে গেরুয়া শিবির বড় জয় পেলেও মহারাষ্ট্রে কিন্তু শতাংশের হিসেবে (গত লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে) তাদের ...

অরূপ ভট্টাচার্য, চুঁচুড়া, বিএনএ: সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনকে সামনে রেখে বামেদের এ রাজ্য থেকে উৎখাত করেছিল তৃণমূল। তারপরেই সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষিদের সরকারি সাহায্য দেওয়ার পাশাপাশি টাকাপয়সা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে, সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ১৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৯৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৯/৪০ দিবা ৮/৫০। ধনিষ্ঠা ২০/৪২ দিবা ১/১৪। সূ উ ৪/৫৬/৪৬, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১০/২৮ গতে ১২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪ গতে ১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৭/০/৩৮ দিবা ৭/৪৪/৪৪। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১৯/১/৩২ দিবা ১২/৩৩/৬, সূ উ ৪/৫৬/২৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪/৫৩ গতে ১১/৩৪/২১ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৪/২১ মধ্যে ও ১/১৩/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৫৪/৫৩ গতে ২/১৫/২৫ মধ্যে।
২০ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
খিদিরপুরের ভুকৈলাস রোডে একটি বহুতলে সিলিন্ডার ফেটে আগুন 

25-05-2019 - 09:28:17 PM

সরকার গঠনের দাবি জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ 

25-05-2019 - 09:05:17 PM

ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির জেরে শিয়ালদহ, হাওড়া শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল 

25-05-2019 - 08:36:42 PM

মালদহে তৃণমূল জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নুর 

25-05-2019 - 05:55:00 PM

ভোটে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচন কমিশন: মমতা 

25-05-2019 - 05:51:40 PM

নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে সিপিএম: মমতা 

25-05-2019 - 05:47:13 PM