বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর হঠাৎ এত নরম হয়ে এল কেন?
শুভা দত্ত

গেরুয়া শিবির এবার কি সত্যিই বিপদের আঁচ পাচ্ছে? দিল্লির দরবারে কি দেশের মানুষের মতিগতি নিয়ে কোনও অশনিসংকেত পৌঁছল! দেশের পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে এখন ভোট চলছে। যখন এই লেখা লিখছি তখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে ভোট হয়ে গেছে। রাজস্থান, মিজোরাম, তেলেঙ্গানায় হবে। সেজন্য রাজ্যগুলিতে ভোটপ্রস্তুতি ও রাজনৈতিক প্রচার তুঙ্গে। পাঁচ রাজ্যের ভোট সামলে দলীয় দুর্গের আধিপত্য বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ দলবল নিয়ে এবার বহু আগে থেকেই নেমে পড়েছিলেন। রাজস্থানে রাজমাতার প্রতি জনতার ক্ষোভ, অভিমান, তেলেঙ্গানায় টিআরএস মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাব, মধ্যপ্রদেশে নানান দুর্নীতির অভিযোগ, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী ঝামেলা ইত্যাদি সামলাতে দিনরাত এক করে দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষনেতা থেকে সাধারণ সৈনিকেরা।
কিন্তু, তা সত্ত্বেও জনমত সমীক্ষার ফলগুলিতে খুব ভালো কিছু নজরে আসেনি। বরং, রিপোর্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই থেকে ক্ষমতাচ্যুতির মতো বিপদের গন্ধই মিলেছে! অবশ্য, রিপোর্টের কথা সবসময় সত্যি হয় না—এটাও বাস্তব। সুতরাং, ওই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল নিয়ে লোকসভার ভোট ভবিষ্যৎ ব্যাপারে আগাম সিদ্ধান্ত অর্থহীন। তবু, ওই জনসমীক্ষার ফল একেবারে মন থেকে ঝেড়েও কি ফেলা যাচ্ছে! ফেলতে পারছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষমহল? রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের একটা বড় অংশের ধারণা, পারছেন না।
অথচ, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বিধানসভা ভোটফলকে লোকসভার ভোটফলের আগাম আভাস বলে মনে করেন না। লোকসভার নির্বাচনী লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বও দিতে চান না। কারণ, তাঁদের মতে, বিধানসভা ভোটে জনতার মনে আঞ্চলিক উন্নয়নের ইস্যুগুলো বেশি কাজ করে আর লোকসভার ক্ষেত্রে নাকি জাতীয় ব্যাপার-স্যাপার। সেদিক থেকে পাঁচ রাজ্যের চলতি ভোটফল নিয়ে বিজেপি’র বিশেষ মাথা ঘামানোর কথা নয়। কেননা, এই পাঁচ রাজ্যের ভোটফল বিরুদ্ধে গেলেও দেশের সিংহভাগ রাজ্য তাঁদের দখলেই থাকবে। তার ওপর শোনা যাচ্ছে পূর্বাঞ্চলের মিজোরামের ভোট পড়ার হার (৭৫ শতাংশ) নাকি পদ্ম দলে বিশেষ উৎসাহের সঞ্চার করেছে! ওই রাজ্য জয়ের ব্যাপারে তাঁদের আশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
এত সব সত্ত্বেও কি দিল্লির শাসক শিবির লোকসভার আসন্ন ভোট মহাযুদ্ধ নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারছে না!? আগামী লোকসভায় দলের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় থাকার ব্যাপারে মোদিজি অমিতজিরা কি একটু বেশি সন্দিহান হয়ে পড়েছেন? না হলে হঠাৎ কেন মমতা-মায়াবতী নিয়ে মোদিজির সুর এত নরম হয়ে এল? কেন সিপিএমকেও আর তাঁর তেমন বিপজ্জনক মনে হচ্ছে না! আর কেনই বা ব্যতিক্রম কংগ্রেস! কেন কংগ্রেসই মনে হচ্ছে একমাত্র শত্রু—তাড়াতে হবে দেশ থেকে? হ্যাঁ, একটা সাদা কারণ তার তো আছেই। লোকসভায় আসন যতই সামান্য হোক জাতীয় রাজনীতি তথা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কংগ্রেসের ঐতিহ্য গরিমা এখনও যথেষ্টই। সেই কংগ্রেসকে নরেন্দ্র মোদিজি প্রধান রাজনৈতিক শত্রু ও প্রতিপক্ষ বলে মনে করলে আশ্চর্যের কিছু নেই। সেই অবস্থান থেকে তিনি কংগ্রেস মুক্ত ভারতের ডাক দিতেই পারেন, বলতেই পারেন, অখিলেশ-মায়াবতী-মমতা সব ঠিক আছে। কেবল তাড়াতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, হায়দরাবাদের জনসভায় মোদিজির এই বক্তব্যের তাৎপর্য কি শুধু এটুকুই?
একথা ঠিক, উত্তরপ্রদেশের কয়েকটা উপনির্বাচনে অখিলেশ-মায়াবতী মিলে ভালো ধাক্কা দিয়েছিল রেকর্ড আসনে জেতা যোগী-বাহিনীকে। সেই ধাক্কা দিল্লির দরবারেও গিয়ে পৌঁছেছিল। আসন্ন লোকসভায় ওঁরা জোট বাঁধলে যে বিপদ সেটা আঁচ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অমন নরম কথা বলতেই পারেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা প্রায় একই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব-প্রতিপত্তিতে আচ্ছন্ন, মমতায় মুগ্ধ, মমতার উন্নয়নের জোয়ারে ভাসমান এই পশ্চিমবঙ্গে আগামী লোকসভা ছাড়, সুদূর ভবিষ্যতেও গেরুয়া বাহিনী দাঁত ফোটাতে পারবে এমন আশা সে দলের কেউই খুব বুক বাজিয়ে বলতে পারেন বলে শুনিনি। এমনি রাজনৈতিক প্রচারে সে কথা হয়তো অনেকে জোর গলায় সভাসমিতিতে বলছেন, দিল্লি নেতাদের উৎসাহে তাঁদের কর্মী সমর্থকদের আসন্ন লোকসভায় ২২/২৪ আসন দখলের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন—কিন্তু তাঁরাও খুব ভালোই জানেন বাস্তবে এই ২০১৯ সালে এমনটা ঘটানো খুব সহজ নয়, বরং অসম্ভবের কাছাকাছি।
তবু বলছেন, বলতে হয় বলেই বলছেন। উপায় কী? দলীয় রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা বলে একটা ব্যাপার তো পদ্মশিবিরেও আছে। ভোটের মুখে তার দাবি অস্বীকার করবে কে? কিন্তু, সেই বাধ্যবাধকতা সত্ত্বেও রূঢ় রাজনৈতিক বাস্তবকে উপেক্ষা করবেন কীভাবে? অতএব, মমতাকে ভোটযুদ্ধে কাহিল করার কোনও সম্ভাবনা নেই। তার ওপর আছে তাঁর ফেডারেল ফ্রন্ট। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে ফ্রন্ট গেরুয়া শিবিরের ভোটচিন্তায় আজ অন্যতম কাঁটা। সেখানেই শেষ নয়। ফেডারেল ফ্রন্টের বাইরেও গেরুয়া বিরোধী অভিযানে দানা বেঁধে ওঠা তৃতীয় শক্তির চোখেও যে নিজগুণে মমতা মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন সে খবরও তো আছে মোদিজি অমিত শাহের কাছে। এহেন শক্তিশালী রাজনৈতিক ক্ষমতাকে এত বড় ভোটের মুখে একটু ‘গুড হিউমারে’ রাখাই যে বিচক্ষণতা সেটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কি বুঝেছেন? আর তাই কি মমতাকে ভালোর দলে রাখা!? হতেই পারে। বাকি রইলেন সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামপন্থীরা। একসময় বাজপেয়ি-আদবানি যুগে বাংলার বামপন্থীদের সঙ্গে তাঁদের দহরম-মহরম ছিল। আজও সেটা ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই কি তাঁরা মোদিজির ভালোর দলে? এটাও হতেই পারে।
কিন্তু, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরা মনে করছেন, কংগ্রেসকে দেশ থেকে তাড়ানোর ডাক দেওয়ার পাশাপাশি মমতা-মায়াবতী-অখিলেশ মায় সিপিএম সমেত বামপন্থীদের প্রতি নরম মনোভাবের কারণ কেবল এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়। আসল উদ্দেশ্য, কংগ্রেসকেন্দ্রিক তৃতীয় ফ্রন্ট এবং মমতার নেতৃত্বাধীন ফেডারেল ফ্রন্টের মধ্যে অর্থাৎ বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক জোটগুলির মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা করা। একদিকে ‘মোদি হটাও দেশ বাঁচাও’ স্লোগান তুলে তৃতীয় ফ্রন্টের এবং অন্যদিকে একই লক্ষ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেডারেল ফ্রন্টের অভিযান ইতিমধ্যেই দেশ জুড়ে ভালো সাড়া ফেলেছে। কেন্দ্রে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাবনাও দেখতে শুরু করেছে দেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, দুই ফ্রন্টে এবং দেশের মানুষের মধ্যে এই মুহূর্তে মমতার মতো গ্রহণযোগ্যতা বিরোধী শিবিরের আর কোনও নেতানেত্রীরই নাকি নেই। তাই, ২০১৯ সালে যদি মোদিজি ক্ষমতাচ্যুত হন তবে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বিরোধীজোটের প্রথম এবং স্বতঃস্ফূর্ত চয়েস মমতাই হবেন—এমনটাই অভিমত ওই মহলের বিশেষজ্ঞদের।
বিজেপি শীর্ষনেতৃত্ব অবশ্য বাঙালির প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে বিশেষ ভাবিত বলে মনে হয় না। তাঁরা ক্ষমতা রক্ষা করতেই বেশি তৎপর। মুশকিলটা হল, এক্ষেত্রেও মমতাই তাঁদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। কারণ, মধ্যমণি হয়ে মমতাই কার্যত দেশ জুড়ে বিরোধীদের একট্টা করতে এবং তাঁর ‘একের বিরুদ্ধে এক’ প্রার্থী দেওয়ার ফর্মুলা সফল করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। আর তাতে সাফল্যও মিলছে ভালোই। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী সমেত জোট নেতারা ভোটের পর প্রধানমন্ত্রী ঠিক করার নীতি মেনেছেন এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ও মমতার ফেডারেল ফ্রন্ট মিলেমিশে একটা জোরদার মোদি-বিরোধী লড়াই দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে। অমিত শাহ সমেত মোদিজির রাজনৈতিক সেনাপতিরা জোটের প্রকৃত শক্তি এখনও কতটা আঁচ করতে পেরেছেন জানা নেই, তবে তাঁরা যে রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জোট নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন তাতে সন্দেহ নেই।
আসলে, গেরুয়া শিবির একটা কথা স্পষ্ট বুঝে গেছে—দেশের মানুষ নরেন্দ্র মোদির শাসনে খুব একটা খুশি নয়। এক তো ব্যাপক দুর্নীতি, ব্যাঙ্কের লক্ষ কোটি টাকা গায়েবের ঘটনা এবং অভিযুক্তদের ব্যাপারে সরকারি নিস্পৃহতা, তার সঙ্গে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, উন্নয়নহীনতা, নানাভাবে সাধারণের আয় কমে যাওয়া, রান্নার গ্যাস এবং কেরোসিন, পেট্রল, ডিজেলের মতো জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি—সবমিলিয়ে আজ দেশের জনতার মধ্যে একটা চোরা উল্টোস্রোত বইতে শুরু করেছে। মুখ ফেরাচ্ছে মানুষজন। আর প্রত্যাশিতভাবেই সেই স্রোতটাকে নানাভাবে কাজে লাগাতে চাইছেন বিরোধীরা। ভোটযুদ্ধের সেই গণ-অপ্রসন্নতাকে লোকসভা যুদ্ধে বিপজ্জনক রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন তাঁরা।
জোটের পরিসরও ক্রমশ চওড়া হচ্ছে। এই অবস্থায় গ্যাসের দাম একলপ্তে শতটাকার বেশি কমানোর মতো মলম দিয়ে জনমনের ওই ক্ষত বাকি ক’মাসে কতটা মেরামত করা যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তথ্যভিজ্ঞদের অনেকে বলছেন, পদ্মবাহিনীর আত্মরক্ষার একটাই জোরালো কৌশল এখন অবশিষ্ট—যেন তেন প্রকারে বিরোধী জোট-রাজনীতিকে দুর্বল করে দেওয়া, অন্যদের কাছে টেনে কংগ্রেসকে বিচ্ছিন্ন করা। তথ্যভিজ্ঞদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার হায়দরাবাদের সভায় মায়াবতী-মমতা নিয়ে বিজেপি সুপ্রিমো তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওই ‘নরম’ মন্তব্যকে কি সেই কৌশলেরই ভূমিকা বলে মনে হচ্ছে না?
02nd  December, 2018
রথধ্বনি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

‘এই-সকল টানিয়া বুনিয়া বর্ণনা আমাদের কর্ণে অসম-ভূমি-পথে বাধা-প্রাপ্ত রথচক্রের ঘর্ঘর শব্দের ন্যায় কর্কশ লাগে।’ —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমাদের দেশের রাজনীতি এখন শতরঙ্গে ভরা। দেশের কেন্দ্রে অধিকাংশের ভোটে একটি কুনির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসন হঠাৎই রাজতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রধান এবং দলমুখ্যকে মাঝে-মাঝেই মাথায় পাগড়ি এবং হাতে তরবারি নিয়ে ছবি তুলতে দেখছি।
বিশদ

ভোটের পর সংসদীয় মূল‌্যবোধ কি অক্ষত থাকবে?  

পি চিদম্বরম: আপনি এই লেখাটি পড়ছেন পাঁচ রাজ‌্যে নির্বাচন শেষ হওয়ার (৭ ডিসেম্বর) তিনদিন বাদে এবং গণনার (১১ ডিসেম্বর) ঠিক আগের দিন। সুতরাং অত সতর্ক না-থাকলেও আমার চলে।   বিশদ

10th  December, 2018
হাঁক পাড়লেই হবে? মমতার সামনে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে এমন মুখ কোথায়?
শুভা দত্ত

এবারের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপি কটা আসন পাবে? পেতে পারে? এই মুহূর্তে বোধহয় স্বয়ং ভগবানও বলতে পারবেন না। জ্যোতিষীরা হয়তো তিথি নক্ষত্র ইত্যাদি গুনেগেঁথে কিছু একটা বলে দিতে পারেন, তবে সেটাই শেষপর্যন্ত মিলে যাবে এমন স্থির সিদ্ধান্ত একমাত্র আহাম্মক ছাড়া কেউ করবেন না। কারণ, ভোট এখনও অনেকটা দূরে।
বিশদ

09th  December, 2018
ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ রাজস্থান ভোটের ফল?

আমরা সবাই এখন ভোটফলের অপেক্ষায়। এর মধ্যে ৭ ডিসেম্বর শুক্রবার হল রাজস্থান বিধানসভার ভোট। গত বিধানসভায় ২০১৩ সালে এই তারিখ ছিল ১ ডিসেম্বর, রবিবার। সেদিন পরিবার নিয়ে জয়পুরে থাকার সুযোগ হয়েছিল। কাজের সূত্রে যে বন্ধুরা জয়পুরে থাকেন, তাঁদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হচ্ছিল যাওয়ার আগে।
বিশদ

08th  December, 2018
Loading...
ওয়াটার মার্কেট
সমৃদ্ধ দত্ত

বিহারের গয়া জেলার কাপাসিয়া ব্লকের গুলাড়িয়া চক গ্রামের গনৌরি কুমার আর মুসাফির মাঝি পার্লামেন্ট স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে এক পুলিস কর্মীকে বললেন, তোমাদের এখানে যমুনা নদীটা দেখতে যাব কীভাবে? কেন? না, মানে, কেমন জল আছে একবার দেখতাম! আবার কবে আসা হবে তা তো জানি না। এরপর যখন আসব যদি শুকিয়ে যায়! পুলিস কর্মী হাসলেন।
বিশদ

07th  December, 2018
লম্বা লম্বা মূর্তি বানিয়ে কি ভাবমূর্তি ফেরানো যায়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 মহাপুরুষদের আজ সত্যিই মহাবিপদ! এই নরলোকে যখন তাঁরা রক্তমাংসে জীবন্ত ছিলেন মনে হয় না তখন এই মহাবিপদের আঁচটি তাঁরা পেয়েছিলেন। বিশদ

06th  December, 2018
Loading...
পরিচ্ছন্নতাকে নির্বাচনী ইস্যু করার সাহস জরুরি
হারাধন চৌধুরী

গত দশকের কথা। কলকাতা থেকে দূরে দক্ষিণবঙ্গের এক জেলায় গিয়েছিলাম পঞ্চায়েত ভোটের খবর সংগ্রহের জন্য। জেলা সদরকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ব্লকে যাতায়াতের জন্য মূলত গণপরিবহণের উপরেই ভরসা রেখেছিলাম। বলা বাহুল্য, তখন গরম কাল। একটু বাড়তি হাওয়া বাতাসের লোভে জানালার ধারের একটা সিট দখল করার জন্য কসরতও করেছি।
বিশদ

04th  December, 2018
ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন।
বিশদ

03rd  December, 2018
উইঙ্কল টুইঙ্কল: ২০৩৮ কি এক মূর্তিস্থানের গল্প?
অতনু বিশ্বাস

 পরের পুজোয় গুজরাত বেড়াতে যাবেন অমলকান্তি। ঠিক করে ফেলেছেন এখনই। আমেদাবাদ, গির, দ্বারকা, ঢোলাবিরা, ইত্যাদি। আর সেইসঙ্গে অবশ্যই যেতে হবে বরোদার ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, নর্মদা বাঁধ থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে, ‘সাধু বেত’ নামে নদীর দ্বীপে। যেখানে রয়েছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের সুবিশাল মূর্তিখানা।
বিশদ

01st  December, 2018
আঞ্চলিক রাজনীতি বনাম মোদি, নির্ধারক কিন্তু পাঁচ রাজ্যই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মাসখানেক আগেও চারমিনার চত্বর ছাড়া গোটা হায়দরাবাদে একটাও রাজনৈতিক পোস্টার বা ফ্লেক্স চোখে আসেনি। যাও বা নজরে এসেছে, মেরেকেটে খান দশেক। আমরা এমন রাজ্যের বাসিন্দা, যেখানে সকালের চা থেকে ডিনার শেষ করে মুখ ধোওয়া পর্যন্ত মন এবং মস্তিষ্কের আনাচে কানাচে রাজনীতি ঘোরাফেরা করে।  
বিশদ

30th  November, 2018
ভোট সমীক্ষার ভ্রান্ত দিগ্‌নির্দেশ
শুভময় মৈত্র

আমরা সকলেই তাকিয়ে আছি পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফলাফলের দিকে। অবশ্যই সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কংগ্রেস আর বিজেপি এই নির্বাচনে কেমন ফল করতে চলেছে। তবে অন্যান্য দলগুলিকেও একেবারে ভুলে থাকা ঠিক হবে না। কারণ এর মধ্যে অনেক রাজ্যেই লড়ছে বিএসপি, যাদের ভোট কোথাও কোথাও পাঁচ শতাংশের বেশি।
বিশদ

29th  November, 2018
প্রায়োরিটি মমতা
মোশারফ হোসেন

১৯৯১ সালের মে মাস। আগের দু’বছরে দেশের রাজনীতিতে একাধিক নাটকীয় ঘটনা ঘটে গিয়েছে। রাজীব গান্ধী ১৯৮৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিশ্বনাথপ্রতাপ সিংকে তাঁর সরকারে প্রথমে অর্থ ও পরে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু বিদ্রোহ করেন বিশ্বনাথপ্রতাপ। বিশদ

27th  November, 2018
Loading...
একনজরে
 নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: প্রয়াত হলেন স্বর্ণযুগের চিত্র পরিচালক শচীন অধিকারী। রবিবার সকাল ৯টায় বাইপাসস্থিত এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। উত্তমকুমার, অঞ্জনা ভৌমিক অভিনীত ‘রৌদ্রছায়া’ ছবির পরিচালক ছিলেন তিনি। ...

 মুম্বই, ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): সপ্তাহের প্রথম দিনে বড়সড় ধস নামল শেয়ার বাজারে। সোমবার সেনসেক্স পড়ল ৭১৪ পয়েন্ট। পাশাপাশি নিফটি কমে এসে দাঁড়াল ১০,৪৮৮.৪৫। মূলত পাঁচ রাজ্যের বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপির খারাপ ফলের আশঙ্কা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ওপেকের তেল উৎপাদন কমানোয় ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বালুরঘাট পুরসভা এলাকার শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের মিড ডে মিলের কাজ খতিয়ে দেখতে মাস ছ’য়েক আগে ৫০ জনকে সুপারভাইজার হিসাবে পুরসভা নিয়োগ করেছিল। বর্তমানে বালুরঘাট পুরসভা প্রশাসক পরিচালনা করছে। প্রশাসক ওই কর্মীদের ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।   ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: বিক্রির হাত থেকে বাঁচাতে হাসপাতালে আশ্রয় নেওয়া চার মাসের শিশুকন্যা ও তার মাকে হোমে পাঠাল হুগলি জেলা প্রশাসন। নিজের মেয়েকে বিক্রির হাত থেকে বাঁচাতে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিলেন শিউলি দাস নামে ওই গৃহবধূ। ...


Loading...

আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যলাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যে অবনতি। কর্মে সাফল্য। ব্যবসায় মন্দাবৃদ্ধি।প্রতিকার: আজ হলুদ রঙের পোশাক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০. ৫৪ টাকা ৭২.২৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯. ৪১ টাকা ৯২.৬৫ টাকা
ইউরো ৮০.০৬ টাকা ৮৩. ০৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১, ৯৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৩৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৮১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, চতুর্থী ৩৫/৩০ রাত্রি ঘ ৮/২২। নক্ষত্র- উত্তরাষাঢ়া ১৮/১৮ দিবা ঘ ১/২৯, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ২/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৬/২৯ গতে ৮/৯ মধ্যে। 
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, চতুর্থী রাত্রি ৬/১৪/১৮। উত্তরাষাঢ়ানক্ষত্র ১২/২৪/২৯। সূ উ ৬/১০/২৯, অ ৪/৪৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৫৩/০ মধ্যে ও ঘ ৭/৩৫/৩১ থেকে ঘ ১১/৮/৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮/৪৩ থেকে ঘ ৮/২২/১২ মধ্যে ও ৯/১৫/৪১ থেকে ১১/৫৬/৮ মধ্যে ও ১/৪৩/৫ থেকে ৩/৩০/৩ মধ্যে ও ৫/১৭/১ থেকে ৬/১১/১২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩০/১২ থেকে ৮/৪৯/৫৬ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৬ থেকে ঘ ২/৮/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮/৩৪ থেকে ঘ ৮/৮/৫০ মধ্যে। 
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিজয় মালিয়াকে ভারতে প্রত্যর্পণে সায় দিল ব্রিটিশ আদালত

10-12-2018 - 06:00:00 PM

রামরাজাতলায় বেলাইন ট্রেন, ভাঙল ওভারহেড পোস্ট 

10-12-2018 - 05:42:47 PM

পদত্যাগ করলেন আরবিআই গভর্নর উর্জিত প্যাটেল 
আজ, আরবিআইয়ের গভর্নর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন উর্জিত প্যাটেল। ব্যক্তিগত ...বিশদ

10-12-2018 - 05:27:00 PM

৫ দিনের মায়ানমার সফরে রওনা দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ 

10-12-2018 - 04:49:00 PM

৭১৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

10-12-2018 - 04:02:48 PM

সবংয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, পলাতক অভিযুক্ত 

10-12-2018 - 02:36:07 PM

Loading...
Loading...