Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঢাকের সুপরিচিত শব্দ
পি চিদম্বরম

নরেন্দ্র মোদি ২০১৩-১৪ সাল থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন।  প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী মোদি নিজেকে পরিচিত করেছিলেন বিকাশপুরুষ হিসেবে। মানে তিনি উন্নয়নের মুখ হয়ে উঠেছিলেন। ২০১৪-র মে মাসে যে ৩১ শতাংশ মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল তাদের একটা বড় অংশ ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়ন) স্লোগানে আন্দোলিত হয়েছিলেন। আর একটা আর্ষণীয় স্লোগান ছিল: ‘আচ্ছে দিন আনেওয়ালে হ‌্যায়’ (সুদিন আসছে)। সেদিন প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল: প্রত‌্যেক নাগরিকের ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা; বছরে ২ কোটি চাকরি; কৃষকের আয় দ্বিগুণ; ছোট সরকার কিন্তু সুশাসন; ৪০ টাকায় ডলার কেনাবেচা; পাকিস্তানকে উপযুক্ত (এবং চূড়ান্ত) জবাব; এবং আরও অনেক।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাগাড়ম্বরটা ধরে রেখেছেন। ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট তাঁর প্রথম স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় তিনি সমস্ত বিভেদমূলক কাজকর্ম দশ বছরের জন‌্য স্থগিত রাখার (মোরাটরিয়াম) প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁর কথাগুলো যথাযথরূপে ছিল এই:
‘‘আমাদের অনেক লড়াই করতে হয়েছে, অনেকের প্রাণও গিয়েছে। বন্ধুগণ, পিছনে ফিরে দেখুন, তাহলেই বুঝবেন, এর ফলে কারও কোনও লাভ হয়নি। ভারতমাতাকে কলঙ্কিত করা ছাড়া আমরা কিছুই করিনি। জাতিবিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা, আঞ্চলিকতাবাদ, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিভেদ প্রভৃতি হল আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা—সুতরাং সবার কাছে আমার আবেদন, এই সমস্ত ব‌্যাধির ঊর্ধ্বে আমাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আসুন, হৃদয় থেকে আমরা স্থিরসঙ্কল্প হই, এই সমস্ত নীচতা একটা দশকের জন‌্য বন্ধ রাখি,
এমন ধরনের ভয় উদ্বেগ থেকে মুক্ত একটা সমাজের পথে আমরা অগ্রসর হই।’’
দারুণ শুরু, ভয়ংকর অবনমন
শুরুটা সত‌্যিই দারুণ হয়েছিল। অনেকে ভেবেছিলেন মোদি সকলের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। হায়, তিনি কথা রাখলেন না। ‘গোরক্ষক’ নামক দুর্বৃত্তদের তিনি কড়া হাতে শায়েস্তা করলেন না। অ‌্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড, ঘর ওয়াপসি গোষ্ঠী কিংবা খাপ পঞ্চায়েত প্রভৃতি অপকম্মের একটাও তিনি থামাতে উদ‌্যোগী হলেন না। এইসব দুর্বৃত্তদের যে শাস্তিছুট হল তার জন‌্য প্রধানমন্ত্রী কোনোভাবেই ভর্ৎসনা করলেন না। পরিণামে কী হল—গণহিংস্রতা, গণপিটুনিতে মৃত‌্যু এবং তথাকথিত সম্মানের জন‌্য হত‌্যা ক্রমবর্ধমান। গড় পড়তা ভদ্রজন তাঁর উপর আস্থা হারাল।
যদিও প্রধানমন্ত্রী প্রেস কনফারেন্স করতে অস্বীকার করেছেন, এবং মিডিয়ার একটা বৃহৎ অংশকে বিজেপি নির্বীর্য করে ফেলেছে, সুযোগমতো সম্পাদকএবং অ‌্যাঙ্করদের চাকরি খেয়েছে এবং ‘হ‌্যান্ডআউট জার্নালিজম’-এর যুগ প্রবর্তন করেছে, তবু প্রশ্নগুলো সংবাদ মাধ‌্যম তুলেছে এবং সমালোচনামূলক সম্পাদকীয় এবং উত্তর-সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। তৎসত্ত্বেও শঙ্কাহীন সোশ‌্যাল মিডিয়াকে কেউ রুখতে পারেনি, বিজেপি সরকারগুলোর সামনে তারা আয়না ধরে চলেছে।
বাজার নির্মম
বাজারের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীও খাটো করে দেখেছিলেন। এই বাজারই সর্বপ্রথম সরকারকে সতর্ক করে দিয়েছিল। ডিমনিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণের মতো অমার্জিত ঝঞ্ঝাট বাজার কখনও পছন্দ করে না। ওই ঘটনায় বহু কোটি মানুষের অপরিমেয় কষ্ট দুর্ভোগ হয়রানি এবং ব‌্যবসা বাণিজ‌্যের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, আমরা জানি। এছাড়া ডিমনিটাইজেশন গভীর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছিল। এই অনিশ্চয়তা বাজারের মোটে পছন্দ নয়। বাজারের আরও অপছন্দ হল সরকারের পলিসি অ‌্যাকশনের খামখেয়ালি চরিত্র। ডিমনিটাইজেশনের পিছন পিছন লাগু করা হল সবদিক থেকে দুর্বল জিএসটি। তাদের এই অদক্ষতার জন‌্য মার্কেট কী করল—পলিসিমেকার বা নীতিনির্ধারকদের সাজা দিল।
যা ঘটেছে সেটা অবশ‌্যম্ভাবী ছিল: পুঁজি অন‌্য দেশে চলে যাওয়া, লগ্নি কমে যাওয়া, অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) বেড়ে যাওয়া, ক্রেডিট গ্রোথের গতি হ্রাস, নিশ্চল রপ্তানি, কৃষিক্ষেত্রের দুর্দশা, এবং বেকারত্বের বিস্ফোরণ।
এই সময়ে বিজেপি জোর একটা ধাক্কা খেয়েছে বিহারে। উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে বিপুল জয় পেলেও তারা পাঞ্জাব, গোয়া ও মণিপুরে রাজ‌্যপাট খুইয়েছে। উপনির্বাচনগুলোতেও রামধাক্কা
খেয়েছে, এমনকী ক্ষমতাসীন রাজ‌্যগুলোতেও।
আমার মতে, কর্ণাটকে পরাস্ত হওয়ার পরই মোদি ‘সকলের প্রধানমন্ত্রী’র আলখাল্লাটা গায়ে চাপিয়েছেন। এই সুযোগেও তিনি আর একবার ‘ক‌্যান্ডিডেট’ (প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী) মোদি পারলেন না, কারণ বিজেপির দেওয়া সেইসময়ের প্রতিশ্রুতিগুলো হাস‌্যকর হয়ে গিয়েছে। মোদি সুতরাং পুরনো পথে ফিরে যাওয়াই মনস্থ করেছেন, পরে নিয়েছেন
‘হিন্দু হৃদয়সম্রাট’-এর আলখাল্লা, তাঁর
গুজরাতের ইউএসপি।
মন্দিরের জন‌্য আইন
সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও অযোধ‌্যায় বিতর্কিত জমিতে মন্দিরের জন‌্য আইনের দাবিতে বিউগল বাজিয়ে দিলেন আরএসএস সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। সেই খেই ধরে হিন্দুত্ববাদী অন‌্য সংগঠনগুলোও ওই আইনের দাবি তুলেছে। কারও কারও দাবি, মন্দির নির্মাণের প্রয়োজনে অর্ডিন‌্যান্স জারি করা হোক। এক বিজেপি এমপি এই ব‌্যাপারে প্রাইভেট মেম্বার্স বিল আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সরকারকে অর্ডিন‌্যান্স জারি করার সাহস দিয়েছে শিব সেনা। আইনপ্রণয়নের পক্ষে সওয়াল করতে ২৫ নভেম্বর একটা ‘ধর্মসভা’রও আয়োজন করা হল। ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ কুম্ভমেলায় মন্দির নির্মাণের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিজেপি সভাপতি সহায়ক ইঙ্গিত দিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিছু বলতে পারছেন না, উল্লেখনীয় নীরবতা রক্ষা করছেন। এইসব কাজের একটা ধরন আছে। সবাই জানে—মোদির নির্দেশ ছাড়া বিজেপিতে কিছুই নড়েচড়ে না, আরএসএসের সম্মতি বিনা কোনও হিন্দুত্বাদী সংগঠন এগয় না, এবং ভাগবত ও মোদির মধ‌্যে শলা ভিন্ন আরএসএস ও বিজেপি কোনও বড় সিদ্ধান্ত নেয় না। ভোটের আগে ভগবান রামচন্দ্রের কাছে একজন আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে পারে। ভোটের পরে ভগবান রামচন্দ্রের কাছে প্রার্থনার সঙ্গে কৃতজ্ঞতাও জানাতে পারে একজন। কিন্তু, ভোটে জেতার জন‌্য যখন ভগবান রামচন্দ্রের উপরেই বিজেপিকে পুরো ভরসা করতে হয় তখন সেটা তাদের স্বীকারোক্তি (কনফেসান) হয়ে দাঁড়ায় যে—মানুষ বিজেপির উপর আস্থা হারিয়েছে।
পাঠক, ২০১৪ সালে স্বাধীনতা দিবসে মোদি যেসব ভালো ভালো কথা বলেছিলেন, সেগুলো একবার স্মরণ করে দেখুন—তিনি অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছেন।
03rd  December, 2018
ভোটফলের পর রাজ্যে শান্তি
রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
শুভা দত্ত

 শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে ফিরে এলেন মোদিজি। ভোট পরবর্তী জনসমীক্ষার হরেক সম্ভাব্য ফলকে পিছনে ফেলে সাড়ে তিনশো আসনের জবরদস্ত গরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
বিশদ

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

25th  May, 2019
মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: লোকসভা ভোটের ফলাফলের রামপুরহাট পুরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬টিতে তৃণমূলের পরাজয় হয়েছে। এমনকী, খোদ পুরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডেই গোহারা হেরেছে শাসক দল। এই অবস্থায় চেয়ারম্যানের ইস্তফা দাবি করেছে বিজেপি।  ...

 জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট না হোক অন্তত আসন সমঝোতা করলে তারা দু’ পক্ষই লাভবান হতো। ভোটের ফল প্রকাশের পর এখন এভাবেই হাত কামড়াচ্ছেন বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ। তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হলে ভোটের মেরুকরণ এতটা মসৃণ হতো না। ...

বিএনএ, জলপাইগুড়ি: বেতন আটকে রাখায় ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করে চাকরি খোয়ালেন জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। প্রায় ১২ বছর স্বাস্থ্য দপ্তরের কাজ করার পর চুক্তিভিত্তিক   ...

  প্যারিস, ২৫ মে: ফরাসি ওপেনে নোভাক ডকোভিচের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। বিশ্বের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে একটানা চারটি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতবেন এবার ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ২০১৬ সালে বছরের চারটি গ্র্যান্ডস্ল্যামই জিতেছিলেন এই সার্বিয়ান তারকা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে, সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ১৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৯৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৯/৪০ দিবা ৮/৫০। ধনিষ্ঠা ২০/৪২ দিবা ১/১৪। সূ উ ৪/৫৬/৪৬, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১০/২৮ গতে ১২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪ গতে ১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৭/০/৩৮ দিবা ৭/৪৪/৪৪। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১৯/১/৩২ দিবা ১২/৩৩/৬, সূ উ ৪/৫৬/২৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪/৫৩ গতে ১১/৩৪/২১ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৪/২১ মধ্যে ও ১/১৩/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৫৪/৫৩ গতে ২/১৫/২৫ মধ্যে।
২০ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
খিদিরপুরের ভুকৈলাস রোডে একটি বহুতলে সিলিন্ডার ফেটে আগুন 

25-05-2019 - 09:28:17 PM

সরকার গঠনের দাবি জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ 

25-05-2019 - 09:05:17 PM

ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির জেরে শিয়ালদহ, হাওড়া শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল 

25-05-2019 - 08:36:42 PM

মালদহে তৃণমূল জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নুর 

25-05-2019 - 05:55:00 PM

ভোটে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচন কমিশন: মমতা 

25-05-2019 - 05:51:40 PM

নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে সিপিএম: মমতা 

25-05-2019 - 05:47:13 PM