Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রিপোর্ট কার্ডে ‘ফেল’
পি চিদম্বরম

আমি দিল্লি থেকে লিখছি, যেটা পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল মহানগরীর একটা। এখনও শীতকাল। গত সপ্তাহে যে বসন্তের উল্লেখ করেছিলাম তা এখনও কয়েক সপ্তাহ দূরে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ রাজ্যের ভোটে সবক’টাতে পরাজয় সত্ত্বেও বিজেপি নেতৃত্ব এখনও সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপ্রবণ, উদ্ধত এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাচ্ছিল্যপূর্ণ। ১ জানুয়ারি ২০১৯ এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “তেলেঙ্গানা এবং মিজোরামে বিজেপিকে কেউ সুযোগ দেয়নি। ছত্তিশগড়ে মানুষের রায় স্পষ্ট—বিজেপি পরাজিত হয়েছে। কিন্তু দুটো রাজ্যে (রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশ) ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হয়েছিল।”
নিষ্পত্তিমূলক রায়
ত্রিশঙ্কু বিধানসভা মানে একটা দলও সরকার গড়ার অবস্থায় নেই। তিন রাজ্যে প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল মাত্র দুটো। ফলাফল প্রকাশের পর সরকার তৈরির সুযোগ যে দলের একদম ছিল না সে হল বিজেপি; সুযোগটা ছিল কংগ্রেসের—এবং তারা সরকার গড়ে ফেলেছে কোনোরকম বাধাবিঘ্ন ছাড়াই। আমি বলব, এটা ‘নিষ্পত্তিমূলক রায়’ ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’ নয়।
ছত্তিশগড়ে বিজেপির ৩৪টা (৪৯ থেকে ১৫) আসন কমেছে, মধ্যপ্রদেশে কমেছে ৫৬টা (১৬৫ থেকে ১০৯) এবং রাজস্থানে কমেছে ৯০টা (১৬৩ থেকে ৭৩) আসন। এটা বিজেপিকে পরিষ্কার বর্জনই বলব।
নরেন্দ্র মোদির ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। উদাহরণ হিসেবে আরএসএস-এর ভেতরের মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করতে পারি, আরএসএস-এর বিচারে এটা একটা বিরাট পরাজয়; অতএব আরএসএস হিন্দুত্বের উপর জোর দিচ্ছে এবং অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য অর্ডিন্যান্স জারি করার দাবি জানাচ্ছে, এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা ঝুলে থাকা সত্ত্বেও।
মোদির সাক্ষাৎকারটা মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে এবং মানুষ দেখেছে—মেয়াদ-শেষের রিপোর্ট কার্ড হিসেবে। সাক্ষাৎকারটা দুই দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন আর কী বলেননি।
উল্লেখ ও অনুল্লেখ
প্রধানমন্ত্রী যেসব বিষয় বললেন সেগুলো দিয়ে শুরু করা যাক: বিমুদ্রাকরণ, জিএসটি, সার্জিকাল স্ট্রাইক, গণপ্রহারে হত্যা, ড. উর্জিত প্যাটেলের ইস্তফা, শবরীমালা, তিন তালাক বিল, রাফাল, কৃষিঋণ মকুব, মহাগাটবন্ধন (বিরোধী দলগুলোর জোট)। তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হল তিনি কিছু ফাঁস করেন না, কোনও ভুল স্বীকার করেন না, তিনি বুঝিয়ে থাকেন যে তাঁর সরকার সবই ঠিক কাজ করে, এবং “মোদি হলেন কেবল জনগণের ভালোবাসা আর আশীর্বাদের প্রকাশ।”
যেসব মানুষ ভুল স্বীকার করে না আমি তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকি। বিমুদ্রাকরণ ছিল একটা বিরাট ভুল, জিএসটি গভীর ত্রুটিপূর্ণ এবং রূপায়ণের ত্রুটির ফলে সেটা আরও খারাপ হয়েছে, সার্জিকাল স্ট্রাইক না অভিনব না এর দ্বারা জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও ‌জঙ্গি কার্যকলাপ খতম হবে, তিন তালাক বিল একটা বাড়াবাড়ি রকমের ও পক্ষপাতমূলক পদক্ষেপ, রাফাল চুক্তির দ্বারা এয়ার ফোর্স এবং হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড উভয়ের সঙ্গেই অন্যায় করা হয়েছে, ভুল নীতিগুলোর প্রতি ধন্যবাদার্হ, কৃষিঋণ মকুবটা প্রয়োজনীয় হয়েছে। মানুষ এই বিশ্লেষণের সঙ্গে একমত মনে হয়, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধ মত পোষণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী যেসব বিষয়ে কথা বলেননি এবার তার তালিকা দেওয়া যাক: পাহাড়সমান বেকারত্ব, কৃষকদের দুর্দশা ও আত্মহত্যা, মহিলাদের নিরাপত্তা, সম্প্রদায়গত স্বার্থরক্ষায় স্বনিয়োজিত নজরদারি দল (ভিজিল্যান্ট গ্রুপ), শাস্তিছুটের বৃদ্ধি, জম্মু ও কাশ্মীর, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবনতি, বিভিন্ন প্রকল্পের অচলাবস্থা, পরিশোধে অক্ষম কোম্পানি, বাজেট ঘোষণা অনুযায়ী রাজস্ব এবং ফিসকাল ঘাটতি পূরণে সম্ভাব্য ব্যর্থতা, এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের সরকারের সংস্রব ত্যাগ করা।
আমার এটাই মনে হয় যে এই প্রধানমন্ত্রী হলেন সেই ড্রাইভার যিনি কেবল রিয়ার-ভিউ-মিররের দিকে তাকিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। তিনি কেবল অতীতের কথা আওড়ে গিয়েছেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে একটা শব্দও খরচ করেননি। তিনি সামনের দিকে তাকাতে অক্ষম, এবং যেসব মানুষ সামনে এগতে চান, যাঁরা অর্থনীতির উত্তরণ ঘটাবেন তাঁদেরকে দেবার মতো কিছু প্রধানমন্ত্রীর নেই। রিপোর্ট কার্ডের প্রতি পাতায় ‘ফেল’ লেখা।
মরিয়া ব্যবস্থা?
নতুন বছরে কোনও পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না। ২ জানুয়ারি লোকসভায় রাফাল নিয়ে তুমুল বিতর্ক হল, প্রধানমন্ত্রী অনুপস্থিত রইলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন দর্শক, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি (সব প্রয়োজনে যে মানুষটা) কোনও মূল প্রশ্নের জবাব দেননি (এই স্থানে ৮ অক্টোবর প্রকাশিত আমার লেখা—‘রাফাল তদন্ত কেন হওয়া উচিত? সামান্য দশটি কারণ জানাচ্ছি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে’ শিরোনামে বিশেষ নিবন্ধে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি)।
বসন্ত আগমনের আর দশ সপ্তাহ। ভোটের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণার আগে কী প্রত্যাশিত? আমি কিছু অনুমান করতে পারি।
যে আখ্যানটা মানুষের মধ্যে ঘুরছে তা হল, একটা পরিবর্তন ঘটার পথে। এই আখ্যানটা বদলাতে হলে এটা পরিষ্কার যে সরকারকে ‘কিছু’ একটা করতে হবে। শুক্রবার এই নিবন্ধ যখন লিখছি তখন গুঞ্জন কানে আসছে যে, যেসব ব্যবস্থা সরকারের গভীর ভাবনার মধ্যে আছে তার ভিতর রয়েছে সুদবিহীন শস্যঋণ (ক্রপ লোন) এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের কিছু নগদ প্রদান (ক্যাশ ট্রান্সফার)। এমনকী সরকার যদি কৃষকদের শস্যঋণ দেওয়ার টাকা জোগানোর জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোকে নির্দেশ দেয়, তবে তারপর তাদের ক্যাশ ট্রান্সফারের টাকার সংস্থানটা কীভাবে হবে? নভেম্বর ২০১৮-র শেষে ফিসকাল ঘাটতির পরিমাণ ছিল লক্ষ্যমাত্রার ১১৫ শতাংশ। তবুও, একটা মরিয়া সরকার কিছু ‘ছাড়’ (রিলিফ) ঘোষণা করতে পারে, টাকা ধার করতে পারে, সুবিধামতো হিসেব বানানোয় মদত দিতে পারে, এবং বিপরীত রাজনৈতিক স্রোত আশা করতে পারে। এই সমস্ত উপায় কাজে না এলে অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির নির্মাণের সুবিধা করে দিতে সরকার অর্ডিন্যান্স জারি করতে পারে। সেটা হবে সুপ্রিম কোর্টকে অবমাননা, পাশাপাশি অত্যন্ত উস্কানিমূলক ও বিভেদমূলক।
সাধারণভাবে, নির্বাচনের মুখোমুখি (এখানে পড়ুন দশ সপ্তাহ আগে) একটা সরকার যাই করে মানুষ সেটাকে সংশয় ও সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে। তাই বলব যে, রিপোর্ট কার্ড থেকে ‘ফেল’ শব্দটা মুছে ফেলা মোটেই সহজ হবে না।
07th  January, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি, ১৫ জুন: একইদিনে রাজ্যকে দুটি অ্যাডভাইসারি পাঠাল কেন্দ্র। চাওয়া হল রিপোর্টও। দিন দিন বাড়তে থাকা রাজনৈতিক সংঘর্ষে রাজ্যবাসী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়। আজ এই মর্মে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনা করল কেন্দ্র। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ভুটান পাহাড় ও সমতলে শুক্রবার রাতভর বৃষ্টির জেরে বাংড়ি নদীর জলোচ্ছ্বাসে হান্টাপাড়ায় ভেসে গেল মাদারিহাট-টোটোপাড়া রাজ্য সড়কের ১০০ মিটার অংশ। এর ফলে শুক্রবার ...

 ভদোদরা, ১৫ জুন (পিটিআই): হোটেলের নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসের কবলে পড়ে গুজরাতে মৃত্যু হল সাতজনের। শনিবার ভোররাতে ফরতিকুল গ্রামের দর্শন হোটেলে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে হোটেলের তিনকর্মীও। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেষ্টপুরে ট্যাক্সি চালককে চড় মেরে খুন করায় অভিযুক্ত যাত্রী সৌমেন রায়কে শনিবার আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কেষ্টপুরের রবীন্দ্রপল্লির ওই ঘটনায় বাগুইআটি থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে সৌমেনকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষায় সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি ক্ষেত্রে সাফল্যের যোগ আছে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 

15th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭৩ টাকা ৭০.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৭ টাকা ৮৯.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৪ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩, ২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ৭৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/৪৬ দিবা ২/২। অনুরাধা ১২/৫৮ দিবা ১০/৭। সূ উ ৪/৫৫/৪২, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭ গতে ২/১৭ মধ্যে।
৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/২২/৭ দিবা ১/৫২/২২। অনুরাধানক্ষত্র ১৪/৮/৫৬ দিবা ১০/৩৫/৫, সূ উ ৪/৫৫/৩১, অ ৬/২০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৭ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৭/২৫ গতে ১১/৩৮/৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৮/৩ গতে ১/১৮/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭/২৫ গতে ২/১৬/৪৭ মধ্যে।
 ১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬৬/৬ (৩৫ ওভার), বৃষ্টির জন্য আপাতত: বন্ধ খেলা

10:50:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৯৫/১ (২১ ওভার) 

09:43:08 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৩৮/১ (১০ ওভার) 

08:56:50 PM

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আগামীকাল ৩টের সময় নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ...বিশদ

08:23:17 PM

ফিরহাদ হাকিমের নামে ভুয়ো প্রোফাইল, ধৃত যুবক 
মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নামে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো ...বিশদ

07:38:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩৩৭ রানের টার্গেট দিল ভারত 

07:32:44 PM