Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে। রাজ্য কংগ্রেসও চাইছে রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করতে। যে-কোনও নির্বাচনে প্রচার শুরুতে রাজ্যের প্রধান দলগুলি ব্রিগেড সমাবেশ করে থাকে। এটাই এই রাজ্যের রাজনৈতিক রেওয়াজ। ব্রিগেডে বড় মাপের জনসমাগম করে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ কর্মীদের সক্রিয় করতে চান যেমন, তেমনি ভোটারদের সামনে দলের শক্তি প্রদর্শন করে নির্বাচনে দলের মূল ভাবনা উপস্থাপন করতে চান। ব্রিগেডে সমাবেশ করার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলি প্রচারের কেন্দ্রে থাকার সুযোগ পায়।
রাজ্য-রাজনীতির চার পক্ষ—তৃণমূল, বিজেপি, বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে নানা কারণেই তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে রাজ্য তো বটেই, সারা দেশেই যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। বলা যায় ১৯ জানুয়ারি সারা দেশের রাজনৈতিক মহলের চোখ থাকবে ব্রিগেডের সমাবেশের দিকে। এই আগ্রহের পেছনে মূল কারণগুলি হল—
ক) বিমুদ্রাকরণের সময় থেকে তৃণমূল নেত্রী সারা দেশেই মোদি-বিরোধী অন্যতম মুখ হিসাবে উঠে এসেছেন। সুতরাং, মোদির বিরোধিতায় লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কী রাজনৈতিক বক্তব্য এই সমাবেশ থেকে উঠে আসে তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল তো বটেই, সাধারণ মানুষেরও যথেষ্ট আগ্রহ থাকবে।
খ) ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশকে তৃণমূল নেত্রী সর্বভারতীয় বিজেপি-বিরোধী মঞ্চ হিসাবে তুলে ধরতে চাইছেন। আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিজেপি-বিরোধী সমস্ত দলকে। ১৯ তারিখের ব্রিগেডে কোন কোন বিরোধী দলনেতা মমতার ডাকে সাড়া দেন সেই দিকে শাসক-বিরোধী সমস্ত নেতৃত্বের নজর থাকবে।
গ) বিজেপি শিবিরে একাধিক নেতা নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। এঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন যশোবন্ত সিন্‌হা, শত্রুঘ্ন সিন্‌হা, অরুণ শৌরি এবং রাম জেঠমালানি। মমতা শেষ পর্যন্ত বিজেপির চার বিক্ষুব্ধ নেতাকে ব্রিগেড সমাবেশে হাজির করতে পারেন কি না সেই বিষয়েও রাজনৈতিক মহলের আগ্রহ রয়েছে।
ঘ) মমতার ব্রিগেড সমাবেশে বিজেপি-বিরোধী জোটের প্রকৃতি নিয়েও যথেষ্ট আগ্রহ থাকবে। রাহুল গান্ধী হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে বিজেপিকে পরাজিত করবার পর ডিএমকে সমেত বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দল কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের পক্ষে। অন্যদিকে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা ফেডারেল ফ্রন্টের পক্ষে। মায়াবতী, নবীন পট্টনায়করা আবার এখনই কোনও শিবিরে যেতে চাইছেন না। ব্রিগেড থেকে মোদি-বিরোধী জোটের কোনও চেহারা বের হয় কি না সেই বিষয়েও নজর থাকবে।
ঙ) কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনার প্রশ্নে ব্রিগেড সমাবেশ থেকে মমতা নতুন কিছু কর্মসূচি বা ভাবনার কথা জনতার কাছে পেশ করেন কি না সেই বিষয়েও সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকবে। মোদির সরকার পরিচালনা নিয়েও যথেষ্ট সোচ্চার মমতা। অতএব মমতার ঝুলিতে সরকার পরিচালনায় নতুন কোনও ভাবনা রয়েছে কি না সেই বিষয়েও জল্পনা থাকবে।
মমতার ডাকা ব্রিগেড সমাবেশের তুলনায় বিজেপির ডাকে ব্রিগেড সমাবেশ হবে এককভাবে রাজ্য বিজেপির উদ্যোগে। মমতার ডাকা ব্রিগেডের মতো সেই সমাবেশের সর্বভারতীয় চরিত্র থাকার সম্ভাবনা নেই। কেবলমাত্র মোদি-কেন্দ্রিক সমাবেশ। অন্যদিকে, ব্রিগেডে সমাবেশ করে বামেদের লক্ষ্য থাকবে রাজ্য-রাজনীতিতে নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে রাখা। ওই সমাবেশ তৃণমূলের মতো না-হলেও বাম নেতৃত্ব চাইছেন মোদি-মমতা বিরোধী সমাবেশ হিসাবে সর্বভারতীয় চেহারা দেবার। কংগ্রেসও চাইবে রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখে পূর্ব ভারতে মোদি-বিরোধী সর্বভারতীয় সমাবেশ ব্রিগেডে আয়োজন করতে। ততদিনে নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে এই রাজ্যে যদি আসন সমঝোতা হয়ে যায়, তবে কংগ্রেসের ডাকা ব্রিগেডও বিরোধীদের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে।
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আয়োজিত ব্রিগেডের পর মূল প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসবে, কোন দলের ব্রিগেড সমাবেশে কত মানুষের ভিড় হয়েছিল? সাধারণত শাসক দলই এই ক্ষেত্রে অ্যাডভান্টেজ অবস্থায় থাকে। তৃণমূলের আজ সারা রাজ্যে যে ধরনের সাংগঠনিক শক্তি রয়েছে তাতে কেবলমাত্র উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই লোক এনে মাঠ ভরিয়ে দেবার ক্ষমতা রাখে, যেমনভাবে একসময় সিপিএম নেতা সুভাষ চক্রবর্তী কেবলমাত্র উত্তর ২৪ পরগনা থেকেই লোক এনে ব্রিগেড ভরে দেবার দাবি করতেন। প্রশাসন হাতে থাকলে বাস, লরি পেতে যেমন সুবিধে, তেমনি সরকারের উপভোক্তাদের সহজেই দলীয় সমাবেশে হাজির করা যায়। সেই তুলনায় বিরোধীদের ক্ষেত্রে ব্রিগেড ততটা সহজ নয়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন একাধিকবার ব্রিগেডে ঐতিহাসিক জনসমাবেশে করেছিলেন। এর মধ্যে ১৯৯২ সালে মমতার ডাকে ব্রিগেড ছিল আক্ষরিক অর্থেই ঐতিহাসিক। ওই সমাবেশে তিনি বামফ্রন্টের মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে বাম-বিরোধিতাকে এক অন্যমাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে ব্রিগেড ভরলেই যে ভোটের বাক্স ভরবে তেমন নিশ্চয়তা নেই। বাংলায় বুথ যার ভোট তার। বুথস্তরে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া এই রাজ্যে বিজেপি-সিপিএম বা কংগ্রেস কোনও দলেরই মজবুত সংগঠন নেই। ফলের ব্রিগেড ভরালেও ভোটের বাক্স ভরবে কি না তার নিশ্চয়তা নেই। যদিও লোকসভা নির্বাচনের আগে শক্তি প্রদর্শন করে কর্মী-সমর্থক ও ভোটারদের কাছে বার্তা দেওয়ার সুযোগ কোনও দলই হাতছাড়া করতে চায় না।
১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সভার তুলনা টানা চলবে দুইদিক থেকে: (এক) ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪-য় যে ব্রিগেড জনসভা হয়েছিল এবং (দুই) বিভিন্ন সময়ে দিল্লির রামলীলা ময়দানে কিংবা বিহারের পাটনায় বিরোধী নেতাদের নিয়ে যে জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়।
২০১৪-র ৩০ জানুয়ারি ব্রিগেডে বিপুল জনসমাবেশ দেখে সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ইন্দিরা-মুজিবর রহমানের জনসভার তুলনা করেছিলেন। তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে চ্যালেঞ্জ—২০১৪ ভিড়ের রেকর্ডকে অতিক্রম করা। অতীতের রামলীলা ময়দানের বা পাটনায় বিরোধী নেতাদের ডাকা সমাবেশগুলির সঙ্গে মমতার ডাকা এই ব্রিগেড সমাবেশেরও কিন্তু একটা তুলনা আসবে। এখানেই আঞ্চলিক নেতা হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্য।
এই সমস্ত বিষয় ছেড়ে ১৯ জানুয়ারি মমতার ব্রিগেডের মূল চর্চার বিষয় কিন্তু মোদি-বিরোধী জোটের অভিমুখ এই সভা থেকে পাওয়া যাবে কি না। সেই বিষয়ে উত্তরে কাশ্মীরে ফারুক আবদুল্লা থেকে দক্ষিণে চন্দ্রবাবু নাইডু, পূর্বে লালুপ্রসাদের পুত্র তেজস্বী যাদব থেকে পশ্চিমে দলিত নেতা জিগনেশ-অল্পেশ-হার্দিকরা, বা উত্তর-ভারত থেকে অখিলেশ-অরবিন্দ কেজরিওয়ালরা থাকবেন। কিন্তু মমতার ব্রিগেডে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী আসবেন কি? রাহুল এলে ফেডারেল ফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসকে কীভাবে মেলাবেন? না কি মমতা কংগ্রেস বা ইউপিএ-র সমান্তরালভাবে ফেডারেল ফ্রন্টকে মোদির বিরুদ্ধে পরিচালনা করবেন?
মমতার ব্রিগেড থেকে এইসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। তবে, মোদির বিরুদ্ধে একাধিক ফ্রন্ট তৈরি করলে কিন্তু রাজনৈতিকভাবে বিজেপির লাভের সম্ভাবনা থাকছে। বহু মানুষ বিজেপিকে চায় না যেমন সত্য, তেমনি ১৯৮৯ বা ১৯৯৬-এর মতো কেন্দ্রে অস্থির সরকার গঠিত হোক সেটারও বিরুদ্ধে মানুষ। বিজেপি-বিরোধী দলগুলি যদি একাধিক ফ্রন্টে বিভক্ত থাকে তবে ১৯৮৯ বা ১৯৯৬-এর অভিজ্ঞতা ভোটারদের শুনিয়ে মোদি আবারও দিল্লির মসনদে বসবেন না তার নিশ্চয়তা কোথায়?
লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
10th  January, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেষ্টপুরে ট্যাক্সি চালককে চড় মেরে খুন করায় অভিযুক্ত যাত্রী সৌমেন রায়কে শনিবার আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কেষ্টপুরের রবীন্দ্রপল্লির ওই ঘটনায় বাগুইআটি থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে সৌমেনকে। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ভুটান পাহাড় ও সমতলে শুক্রবার রাতভর বৃষ্টির জেরে বাংড়ি নদীর জলোচ্ছ্বাসে হান্টাপাড়ায় ভেসে গেল মাদারিহাট-টোটোপাড়া রাজ্য সড়কের ১০০ মিটার অংশ। এর ফলে শুক্রবার ...

 ম্যাঞ্চেস্টার, ১৫ জুন: ওল্ড ট্রাফোর্ডে শনিবার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির সাংবাদিক সম্মেলনে ভিড় উপচে পড়েছিল। উদ্যোক্তারা সবার বসার ব্যবস্থা করে উঠতে পারেননি। এমন দৃশ্যই তো ...

সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি ঘিরে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে তৃণমূল। শুক্রবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আমাদের অনুরোধে বৃহস্পতিবার রাতে জুনিয়র ডাক্তাররা অবস্থান বিক্ষোভ আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ান ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষায় সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি ক্ষেত্রে সাফল্যের যোগ আছে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 

15th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭৩ টাকা ৭০.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৭ টাকা ৮৯.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৪ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩, ২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ৭৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/৪৬ দিবা ২/২। অনুরাধা ১২/৫৮ দিবা ১০/৭। সূ উ ৪/৫৫/৪২, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭ গতে ২/১৭ মধ্যে।
৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/২২/৭ দিবা ১/৫২/২২। অনুরাধানক্ষত্র ১৪/৮/৫৬ দিবা ১০/৩৫/৫, সূ উ ৪/৫৫/৩১, অ ৬/২০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৭ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৭/২৫ গতে ১১/৩৮/৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৮/৩ গতে ১/১৮/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭/২৫ গতে ২/১৬/৪৭ মধ্যে।
 ১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬৬/৬ (৩৫ ওভার), বৃষ্টির জন্য আপাতত: বন্ধ খেলা

10:50:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৯৫/১ (২১ ওভার) 

09:43:08 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৩৮/১ (১০ ওভার) 

08:56:50 PM

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আগামীকাল ৩টের সময় নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ...বিশদ

08:23:17 PM

ফিরহাদ হাকিমের নামে ভুয়ো প্রোফাইল, ধৃত যুবক 
মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নামে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো ...বিশদ

07:38:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩৩৭ রানের টার্গেট দিল ভারত 

07:32:44 PM