Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
তিন তালাকের বিলে কী বলা হয়েছে? মুসলমান কোনও পুরুষ তাঁর স্ত্রীকে এক সঙ্গে তিন তালাক উচ্চারণ করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং পুরুষটির তিন বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে। বিল অনুযায়ী, তিন তালাক হল ফৌজদারি অপরাধ। ওদিকে সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাককে অবৈধ ঘোষণা করেছে গত বছরেই, কিন্তু দণ্ডনীয় অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করেনি। কোনও ধর্মের আইনে বা ধর্মশাস্ত্রে এমন অবৈধ বিচ্ছেদকে দণ্ডনীয় হিসাবে ঘোষণা করা হয়নি; কেন মুসলমানদের পুরুষদের ক্ষেত্রে এমন ভাবনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তিন তালাকের অবৈধকরণ নিয়ে একটু পিছু হাঁটলে দেখতে পাওয়া যাবে, ২০১৭ সালের অগস্ট মাসে সর্বোচ্চ আদালতের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চের দু’জন—প্রধান বিচারপতি জে এস খেহর ও এস এ নাজির তাৎক্ষণিক তালাক প্রথা ছয়মাসের জন্য স্থগিত রেখে সরকারকে আইন প্রণয়নের কথা বলেছিলেন। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতি (জাস্টিস জোসেফ, নরিম্যান ও ললিত) তাঁদের ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী রায়ে বলেছিলেন, তাৎক্ষণিক তিন তালাক অসাংবিধানিক ও অ-ইসলামীয়। পার্লামেন্টে আইন প্রণয়নের কথা তাঁরা বলেননি। স্পষ্টতই সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের রায় (যেটি প্রকৃত রায় বলে গৃহীত) গ্রহণ না করে অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টকে অগ্রাহ্য করে পার্লামেন্টে তালাক বিল এনেছে বিজেপি সরকার।
তাৎক্ষণিক তিন তালাক অবৈধ, অসাংবিধানিক, সর্বোচ্চ আদালতের এই রায় সত্ত্বেও নতুন করে সংসদে আইন প্রণয়নের তোড়জোড়ের কোনও অর্থ দেখতে পাওয়া যায় না। ওই সময় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় যেহেতু এই তালাককে বাতিল করা হয়েছে, তাই পার্লামেন্টে আইন প্রণয়নের কোনও প্রয়োজন নেই। কোর্টের নির্দেশ না মানা হলে দেশের যে গার্হস্থ্য আইন রয়েছে সেই মোতাবেক দোষীর বিচার ও শাস্তি হবে। যা অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুসলমান পুরুষদের জন্য তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধ বলে শাস্তি দেওয়ার বিল আনল সরকার। লোকসভায় সেই বিল পাশ
হয়েছে, রাজ্যসভায় পেশ হলেও মান্যতা পায়নি।
সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী, একজন মুসলমান স্বামী তাঁর মুসলিম স্ত্রীকে ‘তালাক তালাক তালাক’ (তোমার সঙ্গে থাকছি না) বললেও বিবাহ-বিচ্ছেদ হবে না। এত কাল যে হত, সেটাই চরম লজ্জার। ধর্মীয় অনুশাসন না মেনে এক দল লোক এমন কুপ্রথাকে আঁকড়ে ছিল। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সেই লজ্জা দেরিতে হলেও ঘুচেছে। এখানেই বিষয়টা শেষ হয়ে যেতে পারত। তেমন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তালাক বিলে মুসলমান পুরুষদের শাস্তির (অন্য ধর্মে এটা দণ্ডনীয় নয়) কথা বলে সংবিধানের সমানাধিকারে কুঠারাঘাত করা হয়েছে। তালাক বিলে বলা হয়েছে, স্বামী যদি ‘বিচ্ছেদ বিচ্ছেদ বিচ্ছেদ’ এহেন কথা স্ত্রীকে বলে, তবে তাঁর তিন বছর পর্যন্ত জেল হবে। এমন ফৌজদারি অপরাধ হল নন-কগনিজেবল অফেন্স। কিন্তু এখানে অপরাধটি ঠিক কী সংঘটিত হচ্ছে, তা বোঝা যাচ্ছে না। যদি কোনও স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন যে গত রাতে উনি নিভৃতে তিন বার তালাক শব্দ উচ্চারণ করেছেন, পুলিশ ওই পুরুষকে প্রমাণ ছাড়াই তুলে নিয়ে যেতে পারবে। তার পর জেলের ঘানি টেনে ওই পুরুষের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর সম্পর্কের উন্নতি হবে নিশ্চয়! ওই কারাবাসের তিন বছর স্ত্রীর দেখভাল করবে কে, কে তাঁর ও সন্তানদের খোরপোষ দেবে, সেসব কথা বিলে লেখা নেই! ফুসকুড়ি (তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথাকে ফুসকুড়ি বলা হচ্ছে না) ভাল করতে গিয়ে গোটা পা-টাকে কেটে বাদ দেওয়ার নিদান দেওয়ায় এই বিলকে মানবতা-বিরোধী আখ্যা দেওয়া যায়। শাস্তিতত্ত্বের নিয়ম অনুযায়ী, যে-কোনও শাস্তির পিছনে চরম অনিবার্যতা না থাকলে ওই শাস্তি হয়ে পড়ে অত্যাচার, প্রজাপীড়ন ও ক্ষমতার অপব্যবহার। সরকার এই বিলের ক্ষেত্রে তাই করতে চলেছে।
জেরেমি বেন্থাম বলেছিলেন, তিনটি ক্ষেত্রে ফৌজদারি আইন ব্যবহার করা যাবে না, যার অন্যতম হল—যেখানে কুকর্মের চেয়ে শাস্তির ওজন বেশি। বর ঝগড়ার সময় বউকে যদি ‘তোমার সঙ্গে বাস করা যায় না’ বা ‘আর থাকছি না তোমার সঙ্গে’ জাতীয় কথা বেশ কয়েক বার বলে ফেলেন, দম্পতিরা যা আকছার নিজেদের ঝগড়ায় বলে থাকেন; এমন ক্ষেত্রে বরের জেল হবে। কুকর্ম ও শাস্তির পার্থক্য এখানে পাতাল আর আকাশ। তাছাড়া, এই তালাক বিল যে আইন আনতে চলেছে, আধুনিক শাস্তিতত্ত্ব অনুযায়ী তা মধ্যযুগীয়। আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ গত বছরেই বলেছিলেন, তাৎক্ষণিক তালাক হল পাপ। মুসলমান আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হওয়া অনিবার্য। মন্ত্রীমশাই জানেন না যে, এই দেশের শাস্তিতত্ত্ব মধ্যযুগীয় প্রতিশোধাত্মক মতবাদে বিশ্বাসী নয়। ভারতে নিবৃত্তিমূলক শাস্তির প্রচলন আছে। শাসক দল ‘ন্যায়-এর পথ অনুসরণ না করে ‘ক্ষমতা’র অপব্যবহার করছেন। সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাককে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে, এই রায় যথেষ্ট। অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পার্লামেন্টে আইন প্রণয়ন করার মধ্য দিয়ে নরেন্দ্র মোদির সরকার আসলে মুসলমান সমাজের সর্বনাশ ডেকে আনছে। সেইসঙ্গে নিজের অপদার্থতা, কুশাসন ইত্যাদির অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়েছে এই ধর্ম-অধর্ম সার্কাসে।
২০১১ সালে আদমশুমারি অনুয়ায়ী, এই দেশে প্রায় ২৩ লক্ষ ৭০ হাজার মহিলা স্বামী পরিত্যক্তা, আইনিভাবে বিচ্ছিন্না নন। ওই মহিলারা স্বেচ্ছায় আলাদা থাকেন নাকি স্বামীরা তাঁদের ত্যাগ করেছেন বা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন তা জানার উপায় নেই। ওই মহিলাদের মধ্যে ১৯ লক্ষ হিন্দু আর ২.৮ লক্ষ মুসলমান। সুতরাং যাঁরা ভাবছেন যে মহামারীর মতো মুসলমান নারী স্বামী পরিত্যক্তা হচ্ছেন, অতএব তিন তালাক বিল এনে মুসলমান পুরুষদের ভয় না দেখালে চলবে না, তাঁরাও ভুল ভাবছেন। পক্ষান্তরে, ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, মুসলমানদের মধ্যে আইনি বিবাহবিচ্ছেদের পরিমাণ ০.৫৬%, হিন্দুদের ক্ষেত্রে ০.৭৬%। এই দেশে দেওয়ানি আইনের ভিন্নতা থাকলেও ফৌজদারি আইনের তেমন ভিন্নতা নেই বলেই জানা ছিল। এই তালাক বিল সেই বৈষম্যের সূচনাও করল।
দেশে যদি স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদের জন্য আইন হয় এবং সংশ্লিষ্ট পুরুষকে শাস্তির আওতায় আনা ন্যায়বিচার বলে মনে করা হয়, তবে ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ নামক স্লোগান মেনে ওই হতভাগ্য ২৩ লক্ষ ৭০ হাজার নারীর সকলের ক্ষেত্রেই তা হোক। সেটাই হবে সর্বজনীন ন্যায়। যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে রহিম শেখ-রামা কৈবর্তরা অভিন্ন ফৌজদারি আইনের একটি ছাতার নীচে আসবেন।
 লেখক বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরে দর্শন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক
12th  January, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 ভদোদরা, ১৫ জুন (পিটিআই): হোটেলের নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসের কবলে পড়ে গুজরাতে মৃত্যু হল সাতজনের। শনিবার ভোররাতে ফরতিকুল গ্রামের দর্শন হোটেলে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে হোটেলের তিনকর্মীও। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেষ্টপুরে ট্যাক্সি চালককে চড় মেরে খুন করায় অভিযুক্ত যাত্রী সৌমেন রায়কে শনিবার আদালতে তোলা হলে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কেষ্টপুরের রবীন্দ্রপল্লির ওই ঘটনায় বাগুইআটি থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে সৌমেনকে। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ভুটান পাহাড় ও সমতলে শুক্রবার রাতভর বৃষ্টির জেরে বাংড়ি নদীর জলোচ্ছ্বাসে হান্টাপাড়ায় ভেসে গেল মাদারিহাট-টোটোপাড়া রাজ্য সড়কের ১০০ মিটার অংশ। এর ফলে শুক্রবার ...

 বিশকেক, ১৫ জুন (পিটিআই): ‘সমতার ভিত্তিতে’ এবং ‘সম্মানজনক পদ্ধতিতে’ আলোচনার ব্যবস্থা করা হলে ভারতের সঙ্গে কথা বলতে রাজি পাকিস্তান। এমনটাই জানালেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। শুধু তাই নয়, ভারতের কোর্টে বল ঠেলে পাক বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘এই ব্যাপারে ভারতকেই সিদ্ধান্ত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষায় সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি ক্ষেত্রে সাফল্যের যোগ আছে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 

15th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭৩ টাকা ৭০.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৭ টাকা ৮৯.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৪ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩, ২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ৭৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/৪৬ দিবা ২/২। অনুরাধা ১২/৫৮ দিবা ১০/৭। সূ উ ৪/৫৫/৪২, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭ গতে ২/১৭ মধ্যে।
৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/২২/৭ দিবা ১/৫২/২২। অনুরাধানক্ষত্র ১৪/৮/৫৬ দিবা ১০/৩৫/৫, সূ উ ৪/৫৫/৩১, অ ৬/২০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৭ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৭/২৫ গতে ১১/৩৮/৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৮/৩ গতে ১/১৮/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭/২৫ গতে ২/১৬/৪৭ মধ্যে।
 ১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৯৫/১ (২১ ওভার) 

09:43:08 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৩৮/১ (১০ ওভার) 

08:56:50 PM

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আগামীকাল ৩টের সময় নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ...বিশদ

08:23:17 PM

ফিরহাদ হাকিমের নামে ভুয়ো প্রোফাইল, ধৃত যুবক 
মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নামে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো ...বিশদ

07:38:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩৩৭ রানের টার্গেট দিল ভারত 

07:32:44 PM

বিশ্বকাপ: ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭:১০ মিনিটে শুরু হবে খেলা 

07:10:54 PM