Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরেও সেই মহাসংগ্রামের দিনক্ষণ স্থির করা নিয়ে এখন শেষ মুহূর্তের তৎপরতা, খবর তেমনই। এবং চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিকে দিন যত এগচ্ছে ততই শাসক ও বিরোধীপক্ষের তরজায় দেশ জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়ছে। অবশ্য, অনেকদিন ধরেই যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলোর বাদানুবাদ অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মহলে এমনকী সাধারণজনের মধ্যেও আসন্ন লোকসভা নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছিলই। প্রত্যাশিতভাবেই এখন তার পরিধি ও তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে এই বঙ্গে এবার সেই উত্তেজনার মাত্রা যেন একটু বেশি বলেই মনে হচ্ছে।
অবশ্য তার সঙ্গত কারণও আছে। দেশের মোদি-বিরোধী শিবিরে এবার যে মধ্যমণি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁকে কেন্দ্র করেই জোট বাঁধছে দেশের মোদি-বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো। আর তাতে ভোট রাজনীতির জাতীয় মঞ্চে বাংলার ভূমিকাও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা যে জাতীয় বিরোধী মঞ্চের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন এবং বিরোধীরা যে তাঁকেই সামনে রেখে মোদি-বিরোধী লড়াইতে যেতে চাইছেন সাম্প্রতিকে অন্তত দুটি ঘটনায় তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমটি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ এবং দ্বিতীয়টি মমতার ধর্না। দেশের প্রভাবশালী প্রথমসারির মোদি-বিরোধী নেতারা মমতার ব্রিগেডে উপস্থিত হয়ে বা ফোন করে কীভাবে তাঁর প্রতি আস্থা ও সংহতি জানিয়েছেন তা দেশ দেখেছে। জাতীয় কংগ্রেসও এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেনি বরং প্রতিনিধি পাঠিয়ে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী মমতার প্রতি তাঁর অকুণ্ঠ সমর্থন ও আস্থা জ্ঞাপন করেছেন। পরবর্তীতে রাজ্যের অধিকার উপেক্ষা করে সিবিআইয়ের আচমকা অভিযানের বিরোধিতায় মমতা যখন ধর্মতলা মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন তখনও বিরোধী শিবিরের নেতানেত্রীরা কেউ ধর্নামঞ্চে এসে কেউ ফোনে মমতার প্রতিবাদকে স্বাগত জানিয়েছেন, পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। এই দলেও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ছিলেন। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, কংগ্রেস সমেত পদ্মবিরোধীরা প্রায় সকলেই আজ বাংলার মা-মাটি-মানুষের লড়াকু নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতার পাশে মমতার সঙ্গে এবং আসন্ন ২০১৯ ভোটযুদ্ধে তাঁকেই চাইছেন নেতৃত্বে। সত্যি বলতে কী, রাহুল গান্ধী থেকে অখিলেশ যাদব মায়াবতী চন্দ্রবাবু নাইডু কানিমোঝি প্রমুখ দেশের বিরোধী নেতানেত্রীর এহেন মমতা-প্রীতিই পশ্চিমবঙ্গের জনমনে প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা উসকে দিয়েছে। পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে ভোট-রাজনীতির জাতীয় মঞ্চে এখন রাহুল-মোদির চেয়ে মমতা-মোদির লড়াইটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ২০১৯ লোকসভা রণাঙ্গনে কংগ্রেস বিজেপির লড়াইয়ের চেয়ে মানুষজন মমতার নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিজির গেরুয়াবাহিনীর টক্কর ও তার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়েই বেশি কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন!
আর সেজন্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর পদ্মবাহিনীর প্রধান টার্গেট এখন মমতা, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা-সমিতিতে মোদিজি ও তাঁর দলের নেতানেত্রীরা সব ছেড়ে মমতার নামে বিষোদ্গারে মাতছেন। যা মুখে আসে তাই বলছেন। নানা অভিযোগের বন্যা বহাচ্ছেন। তার সঙ্গে নতুন করে শুরু হয়েছে সারদা নারদা রোজভ্যালি নিয়ে নাড়াচাড়া, সিবিআই অভিযান! কদিন আগে কলকাতার পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অছিলায় তাঁর লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে আচমকা হানা দিয়েছিলেন সিবিআইয়ের কয়েকজন অফিসার। তাঁদের সঙ্গে প্রথমে পুলিস কমিশনারের বাড়িতে কর্তব্যরত পুলিসের এবং পরে উচ্চপদস্থ পুলিসকর্তাদের বাদবিতণ্ডায় রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হল। কিন্তু, আখেরে হলটা কী? মহামান্য আদালত সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজীব কুমারকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে কিন্তু তাঁর ওপর বলপ্রয়োগ বা তাঁকে আটক করতে পারবে না। সেইমতো শিলংয়ে ডেকে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ হচ্ছে। এই জিজ্ঞাসাবাদ রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে সোজা পথেও করা যেত। না করে লাভটা কী হল? মহামান্য আদালতের নির্দেশে জিজ্ঞাসাবাদের বেশি কিছু করার সামর্থ্যই তো রইল না! বরং, মাঝখান থেকে সিবিআইয়ের এহেন কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সেই প্রতিবাদে কংগ্রেসসমেত দেশের নানা প্রান্তের বিরোধী নেতানেত্রীর সমর্থন পেয়ে মমতা জাতীয় স্তরে তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি আরও বাড়িয়ে নিলেন! বলছেন দেশ-রাজ্যের মানুষ, বলছেন রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞরাও।
আচ্ছা, যাঁরা এত বছর মমতাকে দেখছেন, তাঁর রাজনৈতিক স্বভাব, মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় মনোভাব এবং সর্বোপরি তাঁর সততা ও আত্মবিশ্বাসের ভূরি ভূরি উদাহরণ দেখেছেন ও দেখছেন তাঁরা কি স্বপ্নেও ভাবতে পারেন এভাবে ফাঁকা অভিযোগ করে বা ভয় দেখিয়ে মমতার গতিরোধ করা যাবে? ভাবতে যে পারেন না সেটা এই বাংলার পথেঘাটে অফিস-কাছারিতে একটু ঘোরাঘুরি করলে প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর মন্ত্রী সেনাপতিরা অনায়াসে বুঝে যেতেন। ওই যে মমতা বলেছেন না, পাঙ্গা নিলে আমি চাঙ্গা হয়ে যাই—একেবারে ঠিক কথা। এই মনের জোর এই অকুতোভয় একরোখা প্রতিবাদী স্পিরিট না থাকলে কি সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেদের ৩৪ বছরের দুর্গ তিনি ধূলিসাৎ করতে পারতেন? প্রায় একক চেষ্টায় সিপিএমের দীর্ঘ শাসনে রুগ্ন বিবর্ণ শিল্পসম্ভাবনাহীন হতাশার রাজ্যে এত তাড়াতাড়ি এমন প্রাণ সঞ্চার করতে পারতেন? পারতেন দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষকোটির বিনিয়োগ আনতে, লাখ লাখ বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে? পারতেন, জঙ্গলমহল থেকে পাহাড় সাগর থেকে সীমান্ত এমন শান্তি সম্প্রীতি আর উন্নয়নে উজ্জ্বল এমন একটা বিশ্ববাংলা উপহার দিতে? শুধু কী তাই, জগৎসভায় আজ পশ্চিমবঙ্গ যে ফের একবার নতুন আলোয় আলোকিত। কন্যাশ্রীর মতো প্রকল্প যে আজ বিশ্ববন্দিত—সেও কি মমতার মতো এমন একনিষ্ঠ জননেত্রী অক্লান্তকর্মী মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া সম্ভব ছিল?
বাংলার মানুষ কি সাধে আজও এমন মমতামুগ্ধ? যাচাই করে তাঁরা তো দেখেছেন, ২০১১ সালের আগে এই রাজ্যের হাল কী ছিল আর আজ কী? সাধারণ গরিবের জীবনমান লালজমানায় কী ছিল আর মমতা রাজে কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। তবেই না তাঁরা সব ভুলে মমতাকে উজাড় করে দিয়েছেন তাঁদের সমর্থনের শক্তি। সেই অপরিমেয় জনশক্তি ও সমর্থন প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর পার্ষদদের দুটো অভিযোগে শেষ হয়ে ভেঙে পড়বে? সিবিআই এসে রামাসামা অভিযোগ ঠুকে দু’-চারজনকে নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া করলেই বাংলার পাবলিক মমতার পাশ থেকে সরে যাবেন? হয়, হতে পারে! বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো এমন একটি রাজনীতি সচেতন রাজ্যে তেমনটা হওয়া কি আদৌ সম্ভব! আমার এক বন্ধুর সামনে এমন একটা প্রশ্ন রেখেছিলাম। তিনি একটি অতি পরিচিত রসিকতা ছুঁড়ে দিয়ে বলেছিলেন, কইবেন না, কইবেন না দিদি, শুনলি ঘুড়ায় (ঘোড়া) হাসব!
আমার বন্ধুর মন্তব্যটি হয়তো নিছক রসিকতা। কিন্তু, আমাদের দেশে ভোট এলে এমন রসের কাণ্ডকীর্তি যে চিরকালই ঘটে তা কি কেউ অস্বীকার করতে পারেন? এই যেমন ধরুন কেউ যদি প্রশ্ন করেন, সারদা রোজভ্যালিতে সর্বস্বান্ত মানুষজনের দুঃখে যে প্রধানমন্ত্রীর আজ বুক ফেটে যাচ্ছে নোট বন্দি, জমা টাকায় সুদ কমানো, কৃষি সরঞ্জামের মতো গরিব সাধারণের নিত্যদিনের রুটিরুজির অবলম্বনে ভর্তুকি বন্ধ করা ইত্যাদির ক্ষেত্রে সেই দরদ কোথায় ছিল—কী জবাব দেবেন মোদিজি? জানি, বলবেন, দেশের আর্থিক সংস্কারের স্বার্থে কিছু কষ্ট সকলকেই করতে হয়। কিন্তু, কেউ যদি জানতে চান, সে না হয় হল, সারদা রোজভ্যালি কাণ্ড নিয়ে এমন মাঝে মাঝে জেগে ওঠা ও ঘুমিয়ে পড়া কেন? আর লক্ষ করলে দেখা যাচ্ছে ভোটের সময়ই যেন বেশি বেশি করে তেড়েফুঁড়ে উঠছে সিবিআই—কেন? কংগ্রেসের প্রিয়াঙ্কা যতদিন প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে আসেননি ততদিন তাঁর স্বামী রবার্ট ওয়াধেরাকে নিয়ে কথা নেই। প্রিয়াঙ্কা রাজনীতির ময়দানে নামতেই ওয়াধেরার পিছনে সিবিআই, ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! মানেটা কী? উত্তর মিলবে?
বঙ্গ রাজনীতির তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকেই মনে করছেন, ২০১৯ ভোট মহাযুদ্ধের আগে বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার কেবল মুখের বাণী নয় সিবিআইয়ের মতো শক্তিরও যথেচ্ছ প্রয়োগ হবে। কারও জেলযাত্রার ঘটনা ঘটলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু দিনের শেষে প্রশ্ন একটাই, ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার মতো মহানেত্রীর গতিরোধ করা যায়? দেয়ালের লিখনটা কিন্তু ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। গেরুয়া বন্ধুরা একটু চোখ মেলে দেখুন।
10th  February, 2019
ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 ম্যাঞ্চেস্টার, ১৫ জুন: ওল্ড ট্রাফোর্ডে শনিবার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির সাংবাদিক সম্মেলনে ভিড় উপচে পড়েছিল। উদ্যোক্তারা সবার বসার ব্যবস্থা করে উঠতে পারেননি। এমন দৃশ্যই তো ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ভুটান পাহাড় ও সমতলে শুক্রবার রাতভর বৃষ্টির জেরে বাংড়ি নদীর জলোচ্ছ্বাসে হান্টাপাড়ায় ভেসে গেল মাদারিহাট-টোটোপাড়া রাজ্য সড়কের ১০০ মিটার অংশ। এর ফলে শুক্রবার ...

 ভদোদরা, ১৫ জুন (পিটিআই): হোটেলের নর্দমা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসের কবলে পড়ে গুজরাতে মৃত্যু হল সাতজনের। শনিবার ভোররাতে ফরতিকুল গ্রামের দর্শন হোটেলে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে হোটেলের তিনকর্মীও। ...

 বিশকেক, ১৫ জুন (পিটিআই): ‘সমতার ভিত্তিতে’ এবং ‘সম্মানজনক পদ্ধতিতে’ আলোচনার ব্যবস্থা করা হলে ভারতের সঙ্গে কথা বলতে রাজি পাকিস্তান। এমনটাই জানালেন পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। শুধু তাই নয়, ভারতের কোর্টে বল ঠেলে পাক বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘এই ব্যাপারে ভারতকেই সিদ্ধান্ত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষায় সাফল্য পেতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি ক্ষেত্রে সাফল্যের যোগ আছে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: জাপানে সুনামিতে ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৫০: শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তালের জন্ম
১৯৫৩: চীনের প্রেসিডেন্ট জি জিনপিংয়ের জন্ম
১৯৬৯: জার্মানির গোলকিপার অলিভার কানের জন্ম 

15th  June, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭৩ টাকা ৭০.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৭ টাকা ৮৯.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৪ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩, ২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ৭৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২, ২৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/৪৬ দিবা ২/২। অনুরাধা ১২/৫৮ দিবা ১০/৭। সূ উ ৪/৫৫/৪২, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৩ গতে ১২/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭ গতে ২/১৭ মধ্যে।
৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, চতুর্দশী ২২/২২/৭ দিবা ১/৫২/২২। অনুরাধানক্ষত্র ১৪/৮/৫৬ দিবা ১০/৩৫/৫, সূ উ ৪/৫৫/৩১, অ ৬/২০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৭ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৭/২৫ গতে ১১/৩৮/৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৮/৩ গতে ১/১৮/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৭/২৫ গতে ২/১৬/৪৭ মধ্যে।
 ১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬৬/৬ (৩৫ ওভার), বৃষ্টির জন্য আপাতত: বন্ধ খেলা

10:50:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৯৫/১ (২১ ওভার) 

09:43:08 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৩৮/১ (১০ ওভার) 

08:56:50 PM

জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আগামীকাল ৩টের সময় নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর 
দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ...বিশদ

08:23:17 PM

ফিরহাদ হাকিমের নামে ভুয়ো প্রোফাইল, ধৃত যুবক 
মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নামে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো ...বিশদ

07:38:00 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩৩৭ রানের টার্গেট দিল ভারত 

07:32:44 PM