Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্মার্ট সিটি এবং সুশাসন
রঞ্জন সেন

স্মার্ট হওয়া ভালো, কিন্তু আরও ভালো হল সুশাসিত হওয়া। আর এটা হয় না বলেই রাতারাতি স্মার্ট বলে দেগে দেশের স্মার্ট সিটিগুলিতে হঠাৎ প্রয়োজনে জরুরি পরিষেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তার প্রশস্ত রাজপথে চরে বেড়ায় গোরু। তার পরিণতিতে মানুষের প্রাণও যায়। প্রশস্ত রাস্তা বানানো হল, তার দু’পাশে লাগানো হল গাছও, কিন্তু সে রাজপথে দিনের ব্যস্ততম সময়ে গোরু চরা বন্ধ হয়নি। বন্ধ করা গেল না সংলগ্ন এলাকার খাটাল ব্যবসা। এটাই হল স্মার্টনেসের সঙ্গে সুশাসনের তফাৎ।
শহর সত্যিই বড়সড় একটা জটিল ব্যাপার। সেখানে থাকবে পরিবেশ, জীবিকা, আবাসন, পরিবহণ, নিরাপত্তা, নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং বিনোদনের এক সুচারু আয়োজন। এর কোনও একটি বিষয়ের ব্যবস্থাপনা দুর্বল হলে তা সহজেই অন্যান্য ক্ষেত্রগুলিকে প্রভাবিত করে। গাড়ি বা প্লেন চালানোর মতো বাইরে থেকে চাপানো কোনও ব্যবস্থা দিয়ে সুশাসনের ব্যাপারটা ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া যায় না। মানবিক সম্পর্কনির্ভর এই ব্যবস্থাটা বেড়ে ওঠে ভেতর থেকে। তাকে শুধু বেড়ে ওঠার সেই পরিসরটুকু দিতে হয়। সুশাসন মানে আধুনিক পরিষেবার সঙ্গে সেখানে বসবাসকারী বা যাতায়াত করা মানুষের সমন্বয় সাধন। এটা না করা গেলে তাঁরা সেই সুযোগ নিতে পারবেন না।
কিন্তু আমরা দেখছি স্মার্ট সিটি বলে বিজ্ঞাপিত দেশের বহু শহরেই সে কাজটা এখনও সেভাবে হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ প্রযুক্তির কল্যাণে শহরটি ঝাঁ-চকচকে হয়ে উঠলেও সেখানে এমনকী ন্যূনতম নাগরিক পরিষেবারও অভাব থেকে গেছে। আধুনিকীকরণ সেখানে আটকে গেছে গ্যাজেটে, তা মানবিক স্পর্শ পায়নি। রাত-বিরেতে অসুস্থ হলে সে শহরে বাড়ি থেকে হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন, অ্যাপ নির্ভর ক্যাব ছাড়া সেখানে নিকট দূরত্বে যাওয়াও সম্ভব নয়। সুশাসন মানে কিন্তু প্রযুক্তির সঙ্গে মানবিক পরিষেবার ধারাবাহিক সমন্বয় সাধন। এটা কোনওভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে তা সামলে উঠতে অনেক বেশি সময় লাগে। সেই বিপর্যয় সামাল দেওয়া কঠিন, সময় সময় অসম্ভবও বটে। নীতি আয়োগ সম্প্রতি স্মার্ট সিটি’র চেহারা-চরিত্রের যে ধারণা দিয়েছে সেখানে জোর দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও মেলামেশা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, জরুরি নাগরিক পরিষেবা ইত্যাদি ক্ষেত্রের ওপর। কিন্তু অভিজ্ঞতায় আমরা দেখছি দেশের প্রায় প্রতিটি স্মার্ট সিটিতেই এ ব্যাপারে অনেক সমস্যা রয়ে গেছে। শুধু সিসি টিভি, হেল্পডেস্ক, পুলিস কিয়স্ক এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না।
বাড়ির কাছেই স্মার্ট সিটিতে সন্ধ্যা সাতটার পর বাড়ি চেনার জন্য ঠিকানা জিজ্ঞাসা করার কোনও লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। শহর মানে তো শুধু তার বাসিন্দা নয়, সেখানে নানা সূত্রে যাতায়াত ও কাজ করা মানুষজনও। নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি সেখানে পরিচারক থেকে শুরু করে মিস্ত্রি ও অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রের কর্মীরা হঠাৎ অসুস্থ হলে উচ্চকোটির গুটিকতক হাসপাতাল ছাড়া অন্যত্র চিকিৎসার জন্য ভর্তি হতে পারে না। হোম ডেলিভারি বা রুম সার্ভিস আছে, কিন্তু তা চাহিদা ও প্রয়োজনের তুলনায় কম। যে নির্মাণ কর্মীরা এ শহরগুলি গড়ে তুলেছেন, যাঁরা নিরাপত্তা দিচ্ছেন, যাঁরা সেখানকার মানুষদের নানা পরিষেবা দেন তাঁরা নিজেরা আপদ-বিপদে কোথায় যাবেন সে ব্যাপারে একটা বিরাট সমস্যা থেকে যাচ্ছে। অনেকে বলেন, জনবসতি বাড়লে লোকজন বেশি বাস করতে শুরু করলে এসব সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল, স্মার্ট সিটিতে কখনওই পুরনো শহরগুলির মতো ঘন জনবসতি গড়ে উঠবে না। আর এই সমস্যাগুলির সমাধান জনসংখ্যার ওপর নির্ভর করে না, এটা পরিষেবাগত সমস্যা। পরিষেবা প্রদানকারীদের জন্য এলাকাভিত্তিক নির্দিষ্ট কোনও ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্যে দিয়েই এই সমস্যা সমাধান করা যায়। এটা মানবিক সমস্যা, শুধু প্রযুক্তি নয়, মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।
আজ থেকে প্রায় বছর পাঁচেক আগে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্মার্ট সিটি প্রকল্পের সূচনা। আগে আমরা শুনতাম স্মার্ট ছেলে বা স্মার্ট মেয়ে, তারপর শুনলাম স্মার্ট সিটি। প্রযুক্তি দুনিয়াদারির খোলনলচে বদলে দেবে বলে যাঁদের অগাধ বিশ্বাস তাঁরা এতে পুলকিত হলেন। কিন্তু গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি ভুল দৃষ্টিভঙ্গি ও অপব্যবহারের কারণে প্রযুক্তি আমাদের সামাজিক কাঠামোয় মৌলিক কোনও পরিবর্তন আনতে পারেনি, বরং তা নিয়ে আমাদের ভুল প্রত্যাশা সমস্যা আরও বাড়িয়েছে। এটা দু’ভাবে ঘটেছে, এক, আমরা সব সমস্যার সমাধান শুধু প্রযুক্তিতেই খুঁজছি। শহরে চুরি-ডাকাতি বাড়ছে। আমরা আওয়াজ তুললাম, সিসি ক্যামেরা লাও, নিরাপত্তাহীনতার সমাধান যে শুধু গ্যাজেটে নয়, মানুষে মানুষে সম্পর্কে আছে, একসঙ্গে মিলেমিশে থাকার মধ্যে আছে, এভাবে দেখার চোখটাই নষ্ট
হয়ে যাচ্ছে আমাদের। দুই, আমরা সাধারণ মানুষকে তা ব্যবহারের উপযুক্ত করে তুলছি না। আসলে গলদটা রয়েছে আমাদের ভাবনার গোড়াতেই। নীতি আয়োগ বলছে, স্মার্ট সিটি হচ্ছে নগরজীবনের রূপান্তর ও আধুনিকীকরণ। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে দিয়েছে এখানে বসবাসকারী নাগরিকদের কাছে সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তা পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা গেলে অর্থাৎ সুশাসন না থাকলে স্মার্ট কথাটার কোনও অর্থই থাকবে না।
ডিজিটাল সাক্ষরতাবিহীন মানুষের কাছে স্মার্ট রোডস, স্মার্ট কম্যান্ড, স্মার্ট কন্ট্রোল সেন্টার, স্মার্ট পার্কস এসব কথা হিব্রুর মতো শোনায়। সুশাসনের সঙ্গে স্মার্টনেসের কোনও সমন্বয় না থাকায় স্মার্ট সিটিতে ডিজিটাল সাক্ষরতাহীন মানুষ দিশেহারা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই শহরে তাদের বাস করার প্রাথমিক আয়োজনটুকু না করা গেলে শহরগুলি কিন্তু স্বার্থপর দৈত্যের বাগান হয়ে থাকবে।
12th  February, 2019
আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম।
বিশদ

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে।
বিশদ

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

23rd  April, 2019
মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
একনজরে
 বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: বিদেশি পর্যটক টানার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা মোটেই খারাপ নয়। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের সর্বশেষ হিসেব বলছে, দেশে যত বিদেশি পর্যটক পা রাখেন, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ স্থানে। এমনকী কেরল বা গোয়া— পর্যটন সংক্রান্ত আলোচনায় যে অঙ্গরাজ্যগুলির নাম আগে ...

 কলম্বো, ২৪ এপ্রিল (পিটিআই): শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পিছনে ছিল এক মহিলা সহ মোট ন’জন। তদন্তে নেমে এই তথ্য জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। হামলাকারী ন’জনের মধ্যে আটজনকে ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, ধনেখালি: বুধবার সকালে তারকেশ্বর বিধানসভা ও ধনেখালি থানার অন্তর্গত গোপীনাথপুর ১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার করলেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপরূপা পোদ্দার। হুডখোলা ৩০টি টোটো, প্রায় ৫০টি বাইক নিয়ে শোভাযাত্রা করেন তৃণমূল প্রার্থী। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৮: গায়ক ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলি খানের মৃত্যু
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৮ টাকা ৭০.৬৭ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭১ টাকা ৯১.৯৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৮৪ টাকা ৭৯.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ১৮/৫৫ দিবা ১২/৪৭। পূর্বাষাঢ়া ৩৮/৩১ রাত্রি ৮/৩৭। সূ উ ৫/১২/৪৮, অ ৫/৫৬/৪০, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ২/২৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে।
১১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ২৩/২৪/২৫ দিবা ২/৩৫/৭। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ৪২/৫৩/২ রাত্রি ১০/২২/৩৪, সূ উ ৫/১৩/২১, অ ৫/৫৭/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/২২/১৯ গতে ৫/৫৭/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৬/৪৫ গতে ৪/২২/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩৫/৩৭ গতে ১/০/৪ মধ্যে।
১৯ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুরে বোমা, ওয়ান শটার, কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার ১ দুষ্কৃতী 

11:52:00 AM

বাঁকুড়ার সারুলিয়া গ্রামে বেআইনি পিস্তল উদ্ধার করল পুলিস 

11:44:00 AM

মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতি 

11:13:00 AM

বাঁকুড়ায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত রোড শোয়ে উপস্থিত বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র 

11:05:00 AM

ভাইকে অপহরণের পর মুক্তিপণ চেয়ে দাদার মোবাইলে ছবি পাঠাল দুষ্কৃতীরা 
ভাইকে অপহরণ করে অপহৃতের মোবাইল থেকেই তাঁর দাদার হোয়াটসঅ্যাপে ছবি ...বিশদ

11:03:00 AM

হাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার নদীয়ার নোডাল অফিসার অর্ণব রায়

10:59:51 AM