Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে। ভাবনায় যেন প্রভাব না ফেলে অন্ধ রাজনৈতিক মতামত। এ বড় কঠিন দাবি, বিশেষত আজকের পরিস্থিতিতে, যখন লোকসভা ভোট দোরগোড়ায়।
সাধারণভাবে বিরোধী দলগুলো যুদ্ধের বিরুদ্ধে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটা অতি সরলীকরণ। বিরোধীরা মনে করে, দেশের উপর আঘাত এলে তার প্রত্যাঘাত করা জরুরি (নিউটনের তৃতীয় সূত্র), কিন্তু ঘটনাগুলো ঠিক কী হচ্ছে তাতে যেন অস্বচ্ছতা না-থাকে (প্রমাণ চাই)। অর্থাৎ, আমাদের দেশের সেনা বাহিনীর উপর যখন আক্রমণ হবে তখন প্রশ্ন উঠবে যে দেশের সুরক্ষাব্যবস্থায় কোনও গলদ ছিল কি না। যখন আমাদের দেশের বিমান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে হাজার কিলো বোমা টপকে আসবে তখন জানাতে হবে যে সে বোমা জয়েশের সন্ত্রাসবাদীদের ঘাড়ে পড়ল নাকি ফাঁকা মাঠে। বিমানহানায় পাইনবনে তিনটে কাক মরলে কিংবা পরিবেশ দূষণ হলে সেটাই জানাতে হবে। বালাকোটে জয়েশের জঙ্গিঘাঁটিতে সাড়ে তিনশো লাশের দাবির সত্যতা এবং সেই তালিকায় মাসুদের শালা কিংবা সম্বন্ধী আছে কি না সে ব্যাপারে দেশের মানুষকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে। বিরোধীদের মতের পক্ষে যুক্তি দেওয়া যেতেই পারে যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আলুওয়ালিয়ার ৩ মার্চের বক্তব্যেও এ নিয়ে যথেষ্ট অস্পষ্টতা আছে। তিনি বলেছেন, বালাকোট আক্রমণ জঙ্গিদের হত্যা করার জন্যে নয়, তাদের একটা বার্তা দেওয়ার জন্যে। ফলে, আক্রমণের উদ্দেশ্য বার্তা দেওয়া নাকি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস, তার ফল সাড়ে তিনশো জঙ্গি নিধন নাকি শুধুই প্রচার, এ-সমস্ত প্রশ্ন বিরোধী শিবিরে আলোচিত হবেই। অমিত শাহ নাকি সাড়ে তিনশোকে এর মধ্যেই দরাদরি করে আড়াইশোতে নামিয়ে এনেছেন! ফলে লাশের সংখ্যায় অস্পষ্টতা যে আছে তা স্পষ্ট। এর সঙ্গে বিজেপি বিরোধীদের সবথেকে বড় দাবি যে যুদ্ধের সাফল্য পুরোটাই সেনা বাহিনীর এবং তার ভাগ নেওয়া চলবে না মোদি সরকারের। বায়ুসেনার বীরত্বে কর্ণাটকে বিজেপির ক’টা আসন বাড়বে এই নিয়ে বক্তব্য পেশ করা বিজেপি নেতার নীতিহীনতার পরিচয়।
অন্যদিকে, বিজেপির বিবৃতি হল যে এই যুদ্ধে ভারতের সেনা বাহিনীর যে বীরত্ব তাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে কেন্দ্রের সরকার। এরকম সাহসী সরকার আছে বলেই সন্ত্রাসবাদী পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিচ্ছে দেশ। কংগ্রেস বা অন্যান্য বিরোধী দল ক্ষমতায় থাকলে ভারত এত দ্রুত ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করত। তার ফলে কঠিন হতো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। সন্ত্রাসবাদী হামলায় বারবার ক্ষতি হয়েছে ভারতের, আর সেই সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান। তাই আজকের দিনে বিরোধী দলগুলো যে সমস্ত উদ্ভট প্রশ্ন তুলছে তা আসলে জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা এবং তীব্র দেশদ্রোহিতা। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে ভারতের কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের বিমানকে খেদিয়ে দিলে তা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পাইলট প্রোজেক্ট’। এরপর পাকিস্তানকে আরও কঠিন শিক্ষা দেবে ভারত। পুরনো মিগ নিয়েই পাকিস্তানের অধিক শক্তিশালী এফ-১৬-কে মাটি ধরিয়েছেন অভিনন্দন। ফলে, আমাদের আসল অস্ত্র যখন দিল্লির রাস্তায় সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ পেরিয়ে পড়শি দেশে ঢুকবে তখন বোঝা যাবে কত ধানে কত চাল। সন্ত্রাসবাদ দমনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সফলতায় অর্থ বদল হয়েছে অভিনন্দনের। এই অনুপ্রেরণার মূলে আছে ভারতের মানুষ এবং বর্তমান সরকারের ইচ্ছাশক্তি। সাম্প্রতিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে সমস্ত খবর তো আর সংবাদমাধ্যমের রাজপথে হাঁটিয়ে পাকিস্তানের পকেটে পৌঁছে দেওয়া যায় না। তাই উপযুক্ত গোপনীয়তা মাথায় রেখে তবেই রণকৌশল ঠিক করা জরুরি। বিরোধীদের অবিমৃশ্যকারিতায় সত্যি-মিথ্যের হিসেব গাঢ় অক্ষরে ছাপিয়ে বিদেশি শক্তিকে কোনওরকম সুবিধে করে দিতে নারাজ কেন্দ্রের সরকার। যুদ্ধপরিস্থিতিতে গুজব এখন অনেক রকমই রটবে, যেমন মাসুদবাবু এবং তার বৃক্কের স্বাস্থ্য নিয়ে সংশয়। ঠিক তেমনই বায়ুসেনার পক্ষে বোমা ফেলার পর আবার ভূমিতে অবতরণ করে লাশ গোনা বাস্তবোচিত দাবি নয়। আনুমানিক সংখ্যাই সেখানে একমাত্র ভরসা।
অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলতে গেলে একদিকে যুদ্ধবাজ, আর অন্যদিকে যুদ্ধবাজ-না। শান্তির পূজারিরা বলবে, যুদ্ধবাজ বাজে। লড়াই যারা করতে চায় তারাও ছাড়ার পাত্র নয়। তাদেরও যুক্তি আছে যে যুদ্ধবাজ-নাও বাজে। অর্থাৎ এখানে যুদ্ধ জারি যুদ্ধের পক্ষের এবং বিপক্ষের মধ্যে। বাম আর কংগ্রেসের মতামত এক্ষেত্রে বিজেপির উল্টোদিকে এবং তার ফলে যুদ্ধপরিস্থিতিতে এই দুই দলের বক্তব্যকে তৃণমূলের থেকে খুব একটা আলাদা করা যাচ্ছে না। যুদ্ধ বিষয়টা যেহেতু রাজনীতির, তাই যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনা হলে অবশ্যই সেই নিরিখে নির্বাচনী বিশ্লেষণ চলবে। আলোচনা হবে দেশের বিজয় সংকল্পের সমর্থনে বিজেপির বাইক মিছিল নিয়ে। আলোচনা হবে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল সেই মিছিলের অনুমতি দেবে কি দেবে না তা নিয়েও। মোটের উপর যুদ্ধপরিস্থিতিতে তৃণমূল, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের মতামত এক হলেও, নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সমর্থনে কোনও মতামত দেওয়ার আগে দশবার ভাববে বাম এবং কংগ্রেস। তার কারণ, রাজ্যে বাম-কংগ্রেস একাধারে বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী। ফলে, এখানে তৃণমূলের ছায়ায় তারা ঢাকা পড়তে চাইবে না। সারা দেশের প্রেক্ষিতে ভাবলেও বিষয়টা একই রকম। সাধারণভাবে দেশজুড়ে লড়াই বিজেপি ও তার সহযোগী দল এবং তাদের বিরোধীদের। তবে তার মধ্যেও রাজ্যবিশেষে বিরোধী দলগুলির পারস্পরিক দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে দেবে। যুদ্ধ এবং আসন্ন নির্বাচন মিলে ভাবনা চিন্তা গুলিয়ে যাবে অনেকটা।
ঠিক এই জায়গাটাতে ফিরে আসা যাক নিজের মগজ বিক্রির কথায়। কেউ যদি কোনও রাজনৈতিক দলের অন্ধ সমর্থক হন, তাহলে তাঁর সেই দলের মতে শামিল হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই, বিজেপির সমর্থক আপাতত আগ্রাসনের পক্ষে। আর বিজেপি-বিরোধীরা মোটের উপর হিসেব চাইবেন হানাহানির ক্ষয়ক্ষতির, প্রার্থনা করবেন আলোচনার মাধ্যমে যাতে মীমাংসা হয় সমস্যার। কিন্তু, স্বাধীনভাবে ভাবলে দেখতে হবে এই যুদ্ধে মুনাফা করছে কে? যার মুনাফা সবথেকে বেশি, তারই বেশি সম্ভাবনা এই যুদ্ধ বাধানোর, কিংবা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার। সীমান্তে উত্তেজনা বজায় রাখার। এই জায়গায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজারের বিশাল অবদান আছে। যারা অস্ত্র বানায়, তাদের তো সেগুলো বিক্রি করতে হবে। বিশেষত আমরা যেমন পুরনো জামা কাপড় দিয়ে বাসন কিনি, তেমনই উন্নত দেশগুলো তাদের পুরনো অব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র কিংবা যুদ্ধবিমান তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে গছিয়ে দেয়। সে জন্যেই দুই পড়শি দেশের আকাশে ওড়া সব বিমানই অনেক দূরের ভূখণ্ড থেকে আমদানি করা। ফলে, আজকের হানাহানি আমাদের নির্বাচনে প্রভাব ফেললেও সেটা অগভীর অনুসিদ্ধান্ত মাত্র। যুদ্ধের শিকড় অনেক গভীরে। মগজের কারফিউ সরিয়ে রেখে সেটুকু বোঝা হয়তো সম্ভব। আবার এটাও বাস্তব যে আমাদের অতিক্ষুদ্র মতামত বিশ্ব রাজনীতিতে কোনও প্রভাবই ফেলবে না। ফলে, মগজ বিক্রির ব্যাপারটা আপাতত সামনের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে আপনার আমার সবার মগজের মূল্য একটা করে ভোট। সেখানে আশি কোটি ভোটারের মধ্যে অল্প ক’টা বিক্রি হলে এমন কী আর ক্ষতি? বরং এরাজ্যে সুযোগ বুঝে দলবদল করলে বিজেপির যুদ্ধ আর তৃণমূলের শান্তির মধ্যে চটজলদি ডিগবাজি খাওয়ার অবকাশ বর্তমান। নিয়মিত ব্যায়ামে মগজের কার্যকারিতা বজায় থাকবে অনেক বেশি। সেটাই হোক দুধের ডিপোয় তর্করত বাঙালি ঘিলুর সঠিক অবস্থান।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
11th  March, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
ভুবনেশ্বর, ২৪ মে (পিটিআই): পাঁচে পাঁচ। রেকর্ড গড়ে পরপর পাঁচবারের জন্য ওড়িশার ক্ষমতা নিজেদের দখলে রাখল বিজু জনতা দল (বিজেডি)। ১৪৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১১২টিতে ...

 বেজিং, ২৪ মে (পিটিআই): চীনের দক্ষিণপশ্চিম গুইঝৌউ প্রদেশে নৌকাডুবিতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ওই ঘটনায় আরও আটজন নিখোঁজ। শুক্রবার সেদেশের সরকারি সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, ২৯ জন যাত্রীকে নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি নৌকা বেইপান নদীতে ডুবে যায়। ...

 লন্ডন, ২৪ মে: বল বিকৃতি কাণ্ডের জেরে এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন তিনি। তবু ব্যাটের ধার এতটুকু কমেনি ডেভিড ওয়ার্নারের। বরং নির্বাসন কাটিয়ে ঢের ...

সংবাদদাতা, কান্দি: নিজের জীবনের অন্তত ২০ বছর বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলোর মাধ্যমে কাটিয়েছেন। কখনও কাবাডি নিয়ে মেতে উঠেছিলেন, আবার কখনও ভলিবল খেলায় উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। যদিও ফুটবল তাঁর প্রিয় খেলা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হরিপালে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ 
দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত আরামবাগ লোকসভার অন্তর্গত হুগলির হরিপাল। জানা ...বিশদ

02:26:51 PM

রাজ্য থেকে ৩১৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের 

01:41:00 PM

শালবনির একাধিক জায়গায় বিজেপির বিরদ্ধে হামলার অভিযোগ, বোমাবাজি

12:23:00 PM

নানুরে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ 
বীরভূমের নানুর থানার চারকল গ্রামে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। অভিযোগ, এই পঞ্চায়েতে ...বিশদ

12:17:02 PM

ওন্দায় বিজেপির বিজয় মিছিলে যোগ দিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান, চাঞ্চল্য 

12:04:21 PM

বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে, ঘটনাস্থলে পুলিস 

11:49:41 AM