Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে। ভাবনায় যেন প্রভাব না ফেলে অন্ধ রাজনৈতিক মতামত। এ বড় কঠিন দাবি, বিশেষত আজকের পরিস্থিতিতে, যখন লোকসভা ভোট দোরগোড়ায়।
সাধারণভাবে বিরোধী দলগুলো যুদ্ধের বিরুদ্ধে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটা অতি সরলীকরণ। বিরোধীরা মনে করে, দেশের উপর আঘাত এলে তার প্রত্যাঘাত করা জরুরি (নিউটনের তৃতীয় সূত্র), কিন্তু ঘটনাগুলো ঠিক কী হচ্ছে তাতে যেন অস্বচ্ছতা না-থাকে (প্রমাণ চাই)। অর্থাৎ, আমাদের দেশের সেনা বাহিনীর উপর যখন আক্রমণ হবে তখন প্রশ্ন উঠবে যে দেশের সুরক্ষাব্যবস্থায় কোনও গলদ ছিল কি না। যখন আমাদের দেশের বিমান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে হাজার কিলো বোমা টপকে আসবে তখন জানাতে হবে যে সে বোমা জয়েশের সন্ত্রাসবাদীদের ঘাড়ে পড়ল নাকি ফাঁকা মাঠে। বিমানহানায় পাইনবনে তিনটে কাক মরলে কিংবা পরিবেশ দূষণ হলে সেটাই জানাতে হবে। বালাকোটে জয়েশের জঙ্গিঘাঁটিতে সাড়ে তিনশো লাশের দাবির সত্যতা এবং সেই তালিকায় মাসুদের শালা কিংবা সম্বন্ধী আছে কি না সে ব্যাপারে দেশের মানুষকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে। বিরোধীদের মতের পক্ষে যুক্তি দেওয়া যেতেই পারে যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আলুওয়ালিয়ার ৩ মার্চের বক্তব্যেও এ নিয়ে যথেষ্ট অস্পষ্টতা আছে। তিনি বলেছেন, বালাকোট আক্রমণ জঙ্গিদের হত্যা করার জন্যে নয়, তাদের একটা বার্তা দেওয়ার জন্যে। ফলে, আক্রমণের উদ্দেশ্য বার্তা দেওয়া নাকি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস, তার ফল সাড়ে তিনশো জঙ্গি নিধন নাকি শুধুই প্রচার, এ-সমস্ত প্রশ্ন বিরোধী শিবিরে আলোচিত হবেই। অমিত শাহ নাকি সাড়ে তিনশোকে এর মধ্যেই দরাদরি করে আড়াইশোতে নামিয়ে এনেছেন! ফলে লাশের সংখ্যায় অস্পষ্টতা যে আছে তা স্পষ্ট। এর সঙ্গে বিজেপি বিরোধীদের সবথেকে বড় দাবি যে যুদ্ধের সাফল্য পুরোটাই সেনা বাহিনীর এবং তার ভাগ নেওয়া চলবে না মোদি সরকারের। বায়ুসেনার বীরত্বে কর্ণাটকে বিজেপির ক’টা আসন বাড়বে এই নিয়ে বক্তব্য পেশ করা বিজেপি নেতার নীতিহীনতার পরিচয়।
অন্যদিকে, বিজেপির বিবৃতি হল যে এই যুদ্ধে ভারতের সেনা বাহিনীর যে বীরত্ব তাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে কেন্দ্রের সরকার। এরকম সাহসী সরকার আছে বলেই সন্ত্রাসবাদী পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিচ্ছে দেশ। কংগ্রেস বা অন্যান্য বিরোধী দল ক্ষমতায় থাকলে ভারত এত দ্রুত ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করত। তার ফলে কঠিন হতো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। সন্ত্রাসবাদী হামলায় বারবার ক্ষতি হয়েছে ভারতের, আর সেই সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান। তাই আজকের দিনে বিরোধী দলগুলো যে সমস্ত উদ্ভট প্রশ্ন তুলছে তা আসলে জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা এবং তীব্র দেশদ্রোহিতা। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে ভারতের কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের বিমানকে খেদিয়ে দিলে তা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পাইলট প্রোজেক্ট’। এরপর পাকিস্তানকে আরও কঠিন শিক্ষা দেবে ভারত। পুরনো মিগ নিয়েই পাকিস্তানের অধিক শক্তিশালী এফ-১৬-কে মাটি ধরিয়েছেন অভিনন্দন। ফলে, আমাদের আসল অস্ত্র যখন দিল্লির রাস্তায় সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ পেরিয়ে পড়শি দেশে ঢুকবে তখন বোঝা যাবে কত ধানে কত চাল। সন্ত্রাসবাদ দমনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সফলতায় অর্থ বদল হয়েছে অভিনন্দনের। এই অনুপ্রেরণার মূলে আছে ভারতের মানুষ এবং বর্তমান সরকারের ইচ্ছাশক্তি। সাম্প্রতিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে সমস্ত খবর তো আর সংবাদমাধ্যমের রাজপথে হাঁটিয়ে পাকিস্তানের পকেটে পৌঁছে দেওয়া যায় না। তাই উপযুক্ত গোপনীয়তা মাথায় রেখে তবেই রণকৌশল ঠিক করা জরুরি। বিরোধীদের অবিমৃশ্যকারিতায় সত্যি-মিথ্যের হিসেব গাঢ় অক্ষরে ছাপিয়ে বিদেশি শক্তিকে কোনওরকম সুবিধে করে দিতে নারাজ কেন্দ্রের সরকার। যুদ্ধপরিস্থিতিতে গুজব এখন অনেক রকমই রটবে, যেমন মাসুদবাবু এবং তার বৃক্কের স্বাস্থ্য নিয়ে সংশয়। ঠিক তেমনই বায়ুসেনার পক্ষে বোমা ফেলার পর আবার ভূমিতে অবতরণ করে লাশ গোনা বাস্তবোচিত দাবি নয়। আনুমানিক সংখ্যাই সেখানে একমাত্র ভরসা।
অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলতে গেলে একদিকে যুদ্ধবাজ, আর অন্যদিকে যুদ্ধবাজ-না। শান্তির পূজারিরা বলবে, যুদ্ধবাজ বাজে। লড়াই যারা করতে চায় তারাও ছাড়ার পাত্র নয়। তাদেরও যুক্তি আছে যে যুদ্ধবাজ-নাও বাজে। অর্থাৎ এখানে যুদ্ধ জারি যুদ্ধের পক্ষের এবং বিপক্ষের মধ্যে। বাম আর কংগ্রেসের মতামত এক্ষেত্রে বিজেপির উল্টোদিকে এবং তার ফলে যুদ্ধপরিস্থিতিতে এই দুই দলের বক্তব্যকে তৃণমূলের থেকে খুব একটা আলাদা করা যাচ্ছে না। যুদ্ধ বিষয়টা যেহেতু রাজনীতির, তাই যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনা হলে অবশ্যই সেই নিরিখে নির্বাচনী বিশ্লেষণ চলবে। আলোচনা হবে দেশের বিজয় সংকল্পের সমর্থনে বিজেপির বাইক মিছিল নিয়ে। আলোচনা হবে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল সেই মিছিলের অনুমতি দেবে কি দেবে না তা নিয়েও। মোটের উপর যুদ্ধপরিস্থিতিতে তৃণমূল, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের মতামত এক হলেও, নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সমর্থনে কোনও মতামত দেওয়ার আগে দশবার ভাববে বাম এবং কংগ্রেস। তার কারণ, রাজ্যে বাম-কংগ্রেস একাধারে বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী। ফলে, এখানে তৃণমূলের ছায়ায় তারা ঢাকা পড়তে চাইবে না। সারা দেশের প্রেক্ষিতে ভাবলেও বিষয়টা একই রকম। সাধারণভাবে দেশজুড়ে লড়াই বিজেপি ও তার সহযোগী দল এবং তাদের বিরোধীদের। তবে তার মধ্যেও রাজ্যবিশেষে বিরোধী দলগুলির পারস্পরিক দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে দেবে। যুদ্ধ এবং আসন্ন নির্বাচন মিলে ভাবনা চিন্তা গুলিয়ে যাবে অনেকটা।
ঠিক এই জায়গাটাতে ফিরে আসা যাক নিজের মগজ বিক্রির কথায়। কেউ যদি কোনও রাজনৈতিক দলের অন্ধ সমর্থক হন, তাহলে তাঁর সেই দলের মতে শামিল হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই, বিজেপির সমর্থক আপাতত আগ্রাসনের পক্ষে। আর বিজেপি-বিরোধীরা মোটের উপর হিসেব চাইবেন হানাহানির ক্ষয়ক্ষতির, প্রার্থনা করবেন আলোচনার মাধ্যমে যাতে মীমাংসা হয় সমস্যার। কিন্তু, স্বাধীনভাবে ভাবলে দেখতে হবে এই যুদ্ধে মুনাফা করছে কে? যার মুনাফা সবথেকে বেশি, তারই বেশি সম্ভাবনা এই যুদ্ধ বাধানোর, কিংবা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার। সীমান্তে উত্তেজনা বজায় রাখার। এই জায়গায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজারের বিশাল অবদান আছে। যারা অস্ত্র বানায়, তাদের তো সেগুলো বিক্রি করতে হবে। বিশেষত আমরা যেমন পুরনো জামা কাপড় দিয়ে বাসন কিনি, তেমনই উন্নত দেশগুলো তাদের পুরনো অব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র কিংবা যুদ্ধবিমান তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে গছিয়ে দেয়। সে জন্যেই দুই পড়শি দেশের আকাশে ওড়া সব বিমানই অনেক দূরের ভূখণ্ড থেকে আমদানি করা। ফলে, আজকের হানাহানি আমাদের নির্বাচনে প্রভাব ফেললেও সেটা অগভীর অনুসিদ্ধান্ত মাত্র। যুদ্ধের শিকড় অনেক গভীরে। মগজের কারফিউ সরিয়ে রেখে সেটুকু বোঝা হয়তো সম্ভব। আবার এটাও বাস্তব যে আমাদের অতিক্ষুদ্র মতামত বিশ্ব রাজনীতিতে কোনও প্রভাবই ফেলবে না। ফলে, মগজ বিক্রির ব্যাপারটা আপাতত সামনের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে আপনার আমার সবার মগজের মূল্য একটা করে ভোট। সেখানে আশি কোটি ভোটারের মধ্যে অল্প ক’টা বিক্রি হলে এমন কী আর ক্ষতি? বরং এরাজ্যে সুযোগ বুঝে দলবদল করলে বিজেপির যুদ্ধ আর তৃণমূলের শান্তির মধ্যে চটজলদি ডিগবাজি খাওয়ার অবকাশ বর্তমান। নিয়মিত ব্যায়ামে মগজের কার্যকারিতা বজায় থাকবে অনেক বেশি। সেটাই হোক দুধের ডিপোয় তর্করত বাঙালি ঘিলুর সঠিক অবস্থান।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
11th  March, 2019
এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার
বামফ্রন্ট এবং তার প্রার্থীতালিকা
শুভময় মৈত্র

এ দেশে বামপন্থার ইতিহাস আজকের নয়। প্রায় একশো বছর আগে ১৯২৫ সালের বড়দিনের ঠিক পরের তারিখেই কানপুরে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (সিপিআই) প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বলে শোনা যায়। সিপিএমের আবার অন্য তত্ত্বও আছে। তাদের একাংশের মতে ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির পথ চলা শুরু।
বিশদ

21st  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

19th  March, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
একনজরে
সম্প্রতি নেতাজী নগর ডে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষাবন্ধু কর্মীদের একাংশ পৌঁছে গিয়েছিলেন সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের সাতজেলিয়া দ্বীপের লাহিড়িপুর অঞ্চলের চরঘেরী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সোনাগাঁ, গোসাবা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের বেসরকারি বা সরকারি উভয়ক্ষেত্রে যোগাযোগের সম্ভাবনা প্রবল। অংশীদারী ব্যবসায় যুক্ত হলেও শুভ। কোনও রোগের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক জল দিবস
১৭৩৯- দিল্লি জয় করে নাদির শাহ ময়ূর সিংহাসনের মণিরত্ন লুট করে নিয়ে গেলেন
১৮৮৩ - বাঙালি সাহিত্যিক এবং গবেষক যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের জন্ম
১৮৯৪- বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের জন্ম।
১১৯৪৭ - লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভাইসরয় পদে নিযুক্ত হয়ে ভারতে আসেন।
১৯৬৩- বিটলস-এর প্রথম অ্যালবাম ‘প্লিজ প্লিজ মি’ প্রকাশিত হয়
১৯৯২- আলবেনিয়ায় কমিউনিজমের পতন। পার্লামেন্ট নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অব আলবেনিয়া
১৯৯৭- হেল-বপ নামে ধুমকেতু পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৩৩ টাকা ৭০.০২ টাকা
পাউন্ড ৯০.০২ টাকা ৯৩.৩০ টাকা
ইউরো ৭৭.০৪ টাকা ৮০.০০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  March, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
21st  March, 2019

দিন পঞ্জিকা

আজ দোলযাত্রা উৎসব
৬ চৈত্র ১৪২৫, ২১ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ৩/৪২ দিবা ৭/১৩ পরে (ফাল্গুন কৃষ্ণপক্ষ) প্রতিপদ ৫৫/২২ রাত্রি ৩/৫৩। উত্তরফাল্গুনী ১৯/৩৪ দিবা ১/৩৪। সূ উ ৫/৪৪/১৩, অ ৫/৪৪/৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৫৫ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ২/৪৪ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩ গতে ১/১৪ মধ্যে।
আজ দোলযাত্রা উৎসব
৬ চৈত্র ১৪২৫, ২১ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ৭/২৩/৪৩ পরে প্রতিপদ রাত্রিশেষ ৫/১৯/৫৬। উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র ২/১৬/০, সূ উ ৫/৪৪/৩৫, অ ৫/৪৩/১২, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৫৬/২ থেকে ৩/২০/১৮ মধ্যে, বারবেলা ৪/১৩/২৩ থেকে ৫/৪৩/১২ মধ্যে, কালবেলা ২/৪৩/৩৩ থেকে ৪/১৩/২৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪৩/৫৩ থেকে ১/১৪/৪ মধ্যে।
১৩ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইতিহাসে আজকের দিনে
আন্তর্জাতিক জল দিবস১৭৩৯- দিল্লি জয় করে নাদির শাহ ময়ূর সিংহাসনের ...বিশদ

07:50:00 AM

শুভেচ্ছা ও ছুটি

আজ বৃহস্পতিবার রং-এর উৎসব দোল উপলক্ষে বর্তমান-এর সকল পাঠক পাঠিকা, ...বিশদ

21-03-2019 - 02:00:00 AM

কংগ্রেসের জেতা ২টি আসনে প্রার্থী দিল বামফ্রন্ট
কংগ্রেসের জেতা ২টি আসনে প্রার্থী দিল বামফ্রন্ট। জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বাম ...বিশদ

20-03-2019 - 07:51:00 PM

 ইডেনে চরম বিশৃঙ্খলা
কেকেআর-এর প্র্যাকটিস দেখাকে ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলা ইডেনে। কেকে আর-এর সমর্থকরা ...বিশদ

20-03-2019 - 05:28:00 PM

নিরাপত্তা তুলে নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল অর্জুন সিং 

20-03-2019 - 04:46:00 PM

 রবীন্দ্রনাথ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে জেলাশাসকের রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

20-03-2019 - 04:45:00 PM