Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে। কোথাও সামনীতি অনুসরণ করে মধুর বাক্যে জনসংযোগ চলছে, কোথাও চলেছে দান দ্বারা সমাজের এক এক অংশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা। দণ্ড নীতিও স্থির হয়ে নেই। যার যত বকেয়া অপরাধ আছে তার হিসেব নেওয়া চলছে। সঙ্গে রয়েছে ভেদ প্রক্রিয়া। তার ফলে হঠাৎ করেই বহুকালের বিশ্বস্ত সাথী কোনও অছিলায় পুরাতন সঙ্গীকে ত্যাগ করে নতুন সঙ্গীর সন্ধানে বেরিয়ে পড়ছে। কেউ বা উপেক্ষা নীতিকে আশ্রয় করে নিজের ঘরটুকু সামলাবার চেষ্টা করে চলেছে। চারদিকে অনৃত ভাষণের ঝড়ে সত্য, ধর্ম, ন্যায় ইত্যাদির মতো চির কল্যাণকারী বিষয়গুলি বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। এই যুদ্ধের নির্ণায়ক জনগণেশ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে অগ্র-পশ্চাৎ বোধ হারিয়ে ফেলছে। সকল ক্ষেত্রের এই উদ্বায়ী অবস্থা যেমন সময়ে সময়ে মহাভারত যুদ্ধের কথা মনে পড়িয়ে দিচ্ছে, তেমনই মনে পড়ে যাচ্ছে স্কুলের নীচের ক্লাসের সেইসব পিশুনতাগ্রস্ত মেয়েদের কথা যারা অন্যের কৃতিত্বকে সব সময়েই ছোট করে, তুচ্ছ করে বলতে ভালোবাসত।
রবীন্দ্রনাথ মহাভারতকে দেখেছিলেন ‘একটি জাতির স্বরচিত স্বাভাবিক ইতিহাস’ রূপে। সেই জাতি যদিও এই বহু সহস্র বৎসরের ব্যবধানে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিরাজ করছে, তবু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির বিরাম নেই। মূলের সঙ্গে যুক্ত অথবা বিচ্ছিন্ন—সবার মধ্যে আজও মহাভারতকথার দুর্নিবার আকর্ষণ প্রবলভাবে রয়ে গেছে। তাই আজ থেকে প্রায় তিরিশ বছর আগে যখন প্রথমবার টিভি’তে রাহী মাসুম রজার তৈরি স্ক্রিপ্টে মহাভারত দেখানো হচ্ছিল তখন কলকাতায় যেমন বাস-ট্রাম ফাঁকা চলত তেমনই খবর ছিল পাকিস্তানেও সেই সময়টায় পথঘাট জনবিরল হয়ে পড়ত। সবাই তখন নিবিষ্ট মনে টিভি’র পর্দায় এই বিশাল ভারতের নিতান্ত আপন সেই প্রাচীন কথার সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেত। মহাভারতের সেই পুরুষার্থ, স্বার্থ বা পরমার্থের কাহিনীর মধ্যে সবাই নিজের মতো, আপন করা কিছু খুঁজে পেত।
বহুচর্চিত ও বহুশ্রুত সেই মহাভারত কাহিনীর বিভিন্ন পর্বকে আমরা চিরকালই জীবনের নানা পর্যায়ে নানাভাবে ঘটতে দেখি। বর্তমানের এই ভোটযুদ্ধ, অর্থাৎ ভারত খণ্ডের সকল সাবালক মানুষকে যুক্ত করা এই যুদ্ধও তেমনই এক ঘটনা। সেই যুদ্ধের সলতে পাকানো শুরু হয়েছে বেশ কিছুকাল আগেই। মানুষ চিরকালের মতো আজও চায় স্বার্থ, শঠতা, চৌর্য, মিথ্যা ইত্যাদি যেন জয়ী না হয়। সততা ও পুরুষার্থের জয়ের মধ্যে আজও মানুষ নিজের জয়কে খুঁজে পায়, তাদের শুভবুদ্ধি আজও জানায় পরিবারের, সন্তানাদি সকলের শাশ্বত কল্যাণ, স্বস্তি ও সমৃদ্ধি নিহিত রয়েছে ধর্মের জয় ও অধর্মের পরাজয়ের মধ্যে। তবু দুর্যোধনের অন্নদাস বা হস্তিনাপুরের সিংহাসনের নিঃশর্ত রক্ষাকারী হিসেবে দ্রোণ, ভীষ্ম ইত্যাদির মতো মহাবীরেরাও যেমন একবস্ত্রা কুলবধূ দ্রৌপদীর রাজ্যসভা মধ্যে বস্ত্র হরণের সময়েও প্রতিবাদহীন হয়ে নপুংসকের মতো নিশ্চুপে বসেছিলেন তেমনই বর্তমান সমাজেও বহু মানুষ নানাবিধ দাসত্বের চাপে চারদিকে ঘটে চলা শত সহস্র অন্যায়, অবিচার, অত্যাচার নিঃশব্দে দেখে যেতে বাধ্য হয়ে আছে। ত্রাস বা দাসত্ব, কারণ যাই হোক, অধিকাংশ মানুষই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। সবাই এখন নীরব দর্শক, অপেক্ষা করে আছে সেই মহাক্ষণের যখন আসন্ন ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে তারা নিঃশব্দে নিজেদের মতামত জানাতে পারবে, হয়তো বা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনও করতে পারবে।
মহাভারতে উল্লেখিত অধিকাংশ প্রধান রাজ্যগুলির অবস্থান ছিল বিন্ধ্য পর্বতের উত্তরে এবং গাঙ্গেয় অববাহিকা ও তার পশ্চিমের অংশে। সে সব অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম, সেচ ছাড়া ফসল ভালো হয় না। স্বাভাবিকভাবে জন্মানো তৃণের ওপর নির্ভর করে গো-পালন করা ছিল সেখানে এক গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা, যা আজও সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গাভি ছিল অমূল্য। রাজা নহুষের এক উপাখ্যানে পাই মহর্ষি চ্যবনের মূল্য হিসেবে যখন তাঁর সমগ্র রাজ্যও অকিঞ্চিৎকর বিবেচিত হয় তখন এক তপস্বী বলেন গো এবং ব্রাহ্মণ উভয়ই অমূল্য। তাই মহর্ষির মূল্যস্বরূপ একটি গাভিই ঠিক বলে বিবেচিত হয়। রাজা নহুষও সমস্যামুক্ত হন। আজও গোধন সেই বলয়ের শ্রেষ্ঠ ধন। গোপালন করা এক গুরুত্বপূর্ণ জীবিকা।
গোপালন এবং গোধন অপহরণের নানা ঘটনার কথা মহাভারতে রয়েছে, একেবারে সেই আদি পর্ব থেকেই। হস্তিনাপুরে গোধন চুরি নিয়ে রাজার কাছে অভিযোগের বর্ণনা আমরা পাই। বিরাট পর্বে গোধন অপহরণ এক বিরাট আকার পেয়েছে। মৎস্য দেশের অধিপতি অর্থাৎ বর্তমানে উত্তর-পূর্ব রাজস্থানের তৎকালীন রাজা বিরাটের ছিল বিপুল গোসম্পদ। প্রধানত সেই সম্পদের জোরেই তিনি ছিলেন কুবের তুল্য ধনী। তাঁর আশ্রয়েই পাণ্ডবেরা অজ্ঞাতবাসের এক বছর কাটিয়েছিলেন। তাঁদের অজ্ঞাতবাসের শেষ দিনটিতে মৎস্য দেশের পার্শ্ববর্তী ত্রিগর্ত্তদেশের রাজা সুশর্মা বিরাট রাজার গোধনের একাংশ হরণ করতে এসে বিরাট রাজার সাহায্যকারী পাণ্ডব ভাইদের বিক্রমে পরাজয় স্বীকার করে নতমস্তকে ফিরে যান। পরদিনই দুর্যোদন সপারিষদ বিশাল সৈন্যসহ বিরাট রাজার ষাট হাজার গাভি হরণ করলে যে যুদ্ধ হয় তাতে দুর্যোধনদের সকলেই হতচেতন হয়ে পড়ে। কর্ণের এক ভাইসহ অন্য বহুজনের মৃত্যুও হয়। হতচেতন কৌরবদের উত্তরীয়গুলি অর্জুন হরণ করে উত্তরার পুতুলের জন্য নিয়ে যায়। কিন্তু হতচেতন কাউকে তারা হত্যা করে না। বর্তমানেও বেশ কিছুকাল ধরে সেই গোবলয় অঞ্চলে নানাসময়ে গোধন হরণ ও হরণকারীর নিগ্রহ বা মৃত্যুর খবর আমরা পাই। তবে পার্থক্য এই থাকে গোধন হরণকারীকে নিগ্রহ করলে বা তার মৃত্যু ঘটলে তার অদ্ভুত সব ব্যাখ্যা করা হয়। গোধন হরণকারী কোন সম্প্রদায়ের বা জাতির তার ওপরে প্রায়ই নির্ভর করে সেইসব আলোচনার তীব্রতা। সেই আলোচনায় মানুষের জীবিকা, অর্থনীতি বা চৌর্যদোষের কোনও স্থান থাকে না। এখন মানুষ যত সম্প্রদায়ে বিভক্ত মহাভারতের যুগে তা ছিল না। এখন যেমন স্বর্গলাভের প্রকৃষ্টতম উপায় হিসেবে অন্য মতাদর্শীদের হত্যা বা লুণ্ঠন শ্রেষ্ঠতম উপায় বলে একদল মানুষ প্রচার করছে, মহাভারতের যুগে সম্মুখ সমরে মৃত্যুকেই স্বর্গলাভের উপায় বলা হতো। যুধিষ্ঠিরের মতো ধর্মপরায়ণ মানুষও ‘অশ্বত্থামা হত ইতি গজ’ বলার জন্য নরকে গমন করেছিলেন, সেই মানবধর্মের কথা আমরা জানি। দুর্যোধনাদির দুর্বৃত্ততার কথা তাঁর মাতা-পিতা সর্বদাই মানতেন ও নিন্দা করতেন। যুধিষ্ঠিরের সততা শত্রুপক্ষীয়দেরও প্রশংসার বিষয় ছিল। পুত্রস্নেহের বিবশতার কথা ধৃতরাষ্ট্রকে বহুবার স্বীকার করতে দেখা গেছে। তখন বলা হতো ‘শত্রোরপি গুণা বাচ্যা দোষা বাচ্যা গুরোরপি’ অর্থাৎ শত্রুরও গুণাগান করা উচিত এবং গুরু দোষযুক্ত হলে তা বলা উচিত। সেসব নীতিকথা এখন হালে পানি পায় না। এখন প্রতিপক্ষের গুণগান করার বা গুরু বা নেতার দোষ দেখার মতো লোক নেই। তারা সাহস, সততা সব হারিয়ে উলুখাগড়া হয়ে গেছে। ফলে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হলে উলুখাগড়ার প্রাণ যাবেই, ‘নষ্টমেব হি’। ভোটযুদ্ধের উদ্‌঩যোগপর্বের প্রাণহানি শুরু হয়ে গেছে। নিশ্চয় তা প্রতিবারের মতো যুদ্ধ শেষ হলেও চলবে। এই প্রাণহানি রোধে বা দোষীদের শাস্তিবিধানে চিরকালীন দৃষ্টান্তে হয়তো এবারও ব্যর্থ হবে প্রশাসন।
গোবলয়ের অর্থনীতি এবারের ভারতযুদ্ধে এক নির্ণয়কারী ভূমিকা নিতে চলেছে। গোরক্ষকদের একদেশদর্শিতার কারণে বাস্তব ক্ষেত্রে গোপালকেরা ও কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্তই হচ্ছে। গত কয়েকবছরে পশু খাদ্যের মূল্য প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি ঘটেছে। ফলস্বরূপ গো পালকেরা গোরু চুরির ভয় দূর হওয়ায় নিজেদের গোরুর পালকে মুক্ত করে দিচ্ছে যাতে তারা নিজেরাই চরে খায়। চারণভূমিই যেখানে নেই সেখানে কৃষকের শস্যক্ষেত্রে হামলা হচ্ছে। ফসল নষ্ট হচ্ছে। রাত জেগে কৃষকেরা ফসল পাহারা দিচ্ছে। দুর্ভাবনায় তাদের রাতের ঘুম চলে গেছে। আগে দুধ না দেওয়া গাভি বা অকেজো বলদকে গোপালকেরা অল্প মূল্যে বিক্রি করে দিয়ে সেগুলি পালন করার দায় থেকে মুক্ত হতো। সেই পশুগুলি স্বল্পমূল্যের মাংসের জোগান দিয়ে বহু মানুষকে অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করত। ইদানীং সেই সাম্যাবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে।
সুখ-দুঃখের মতো জয়-পরাজয়ও চক্রবৎ পরিবর্তিত হয়। চক্রবৎ পরিবর্ত্তন্তে। জগতে এ নিয়মের কোনও ব্যত্যয় নেই। শুধু কর্মটাই তো আমাদের আয়ত্তে থাকে, অধিকারে থাকে। ফল থাকে তো সেই ওপরওয়ালারই হাতে।
14th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে।   বিশদ

11th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
ভোটবাজার: ইস্যুগুলো সব গেল কোথায়!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

ইমরান খান বুদ্ধিমান। দুনিয়া কাঁপানো এই ক্রিকেটার আজকের হাই-টেক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা দর তার হিসেব না নিয়েও বলা যায়—তিনি বুদ্ধিমান এবং অবশ্যই বিচক্ষণ। তিনি জানেন, লড়াইয়ের ময়দানে কখনও-সখনও কৌশলগত কারণে এক-পা এগনোর জন্য দু-পা পিছিয়েও আসতে হয়, আসতে হতে পারে।  বিশদ

07th  March, 2019
শামিমার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া
কি আদৌ ব্রিটেনের সংস্কৃতির অঙ্গ!
রূপাঞ্জনা দত্ত

‘আমার মাত্র একটিই নাগরিকত্ব আছে। সেটাও যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমার আর কিছু থাকবে না। ব্রিটেনে যদি আমাকে শিশু সন্তানসহ ফিরতে দেওয়া হয়, তাহলে জেলে যেতেও রাজি।’ শামিমা বেগমের এই মম্তব্যই ব্রিটেনজুড়ে ঝড় তুলেছে অভিবাসী আইন নিয়ে।  বিশদ

07th  March, 2019
নীতি-যুদ্ধ-রাজনীতি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

নৈতিক দৃষ্টিতে যে আচার-আচরণ এবং ব্যবহার ভুল বলে মনে হয়, সেই আচার-আচরণ এবং ব্যবহার রাজনৈতিকভাবে কখনও ঠিক হতে পারে না—এই সত্যটা সকলের আগে বুঝে নেওয়া ভালো। এই সত্য ভাবগত বুদ্ধিতে যতটা সহজ, কার্যত এটা ততটাই কঠিন।
বিশদ

05th  March, 2019
যুদ্ধের চাপা দামামা
পি চিদম্বরম

একটি জাতি হিসেবে, বাইরের দিকের নিরাপত্তা (এক্সটার্নাল সিকিউরিটি) এবং অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তার (ইনটার্নাল সিকিউরিটি) মধ‌্যে স্বাতন্ত্র্যরচনায় আমরা যত্নবান। কোনও কারণে প্রথমটিকে ‘জাতীয়’ (ন‌্যাশনাল) আলখাল্লা পরার অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে কিন্তু পরেরটির ক্ষেত্রে নস‌্যাৎ করা হচ্ছে সেই বিশেষ সুবিধাটি।
বিশদ

04th  March, 2019
ভারত-পাক যুদ্ধ পরিস্থিতি আসন্ন ভোটযুদ্ধে মোদিজিকে কি এগিয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 এখনও শেষ হয়নি। চলছে। পুলওয়ামার ন্যক্কারজনক জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তার রেশ এখনও যথেষ্টই রয়েছে। রয়েছে প্রবল উত্তেজনাও। শুক্রবারও মেন্ধার আখনুর উরি নৌশেরা প্রভৃতি সেক্টরে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাক রেঞ্জাররা দফায় দফায় গোলাগুলি চালিয়েছে এবং তার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। অন্যদিকে এদিনই জঙ্গি সন্ত্রাসে ফের রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গের মাটি—নিহত হয়েছেন সেনা আধা-সেনা ও পুলিস মিলিয়ে পাঁচজন! গুরুতর আহত নিরাপত্তাবাহিনীর চার রক্ষী।
বিশদ

03rd  March, 2019
একনজরে
  সংবাদদাতা, বুদবুদ: বুদবুদে শান্তিনিকেতনের আদলে বসন্ত উৎসব ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। বুদবুদের মহাকালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই উৎসব এবার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করছে। শান্তিনিকেতনকে বাদ দিয়ে বাঙালির বসন্ত উৎসব কার্যত অসম্পূর্ণ। তাই দোল উৎসবে শান্তিনিকেতন যেতে মুখিয়ে থাকেন অনেকেই। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আগামী লোকসভা ভোটে হাওড়া জেলার ১৩ হাজার ৫৮২ জন শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাঁদের মধ্যে ১৪১৯ জন দৃষ্টিহীন, ২৩০৬ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও প্রায় তিন বছরে কয়েকটি চিঠির হাতের লেখা সম্পর্কে রিপোর্ট দেয়নি সিআইডি। অথচ, সেইসব চিঠিতে টাকা চেয়ে হুমকি ছাড়াও বিচারবিভাগ সম্পর্কে মারাত্মক অসম্মানজনক মন্তব্য রয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের জুট মিলগুলির শ্রমিকদের নতুন বেতন চুক্তি বুধবার বেশি রাতে শ্রম দপ্তরে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে সিটু সহ সাতটি শ্রমিক সংগঠন জানিয়েছে, আজ শুক্রবার জুট মিলগুলিতে প্রতীকী ধর্মঘট থেকে তারা সরে আসছে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় অধিক পরিশ্রম করতে হবে। ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তির পক্ষে দিনটি শুভ। প্রেম-প্রীতিতে আগ্রহ বাড়বে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৬৪ – জিজিয়া কর তুলে দেন মুঘল সম্রাট আকবর
১৮৯২ – লিভারপুল ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭২ - ভারতীয় সাক্ষ্য আইন প্রবর্তন।
১৯০৪ - স্বনামধন্য বাঙালি কবি ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম
১৯৩৪: রাজনীতিক কাঁসিরামের জন্ম
১৯৩৭ - পৃথিবীর প্রথম ব্লাডব্যাংক চালু হয় শিকাগোতে
১৯৩৯ - বাঙালি ভ্রমণ কাহিনী, রম্যরচনা ও উপন্যাস লেখক জলধর সেনের মৃত্যু
১৯৭৬: অভিনেতা অভয় দেওলের জন্ম
১৯৭৭: অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের জন্ম
১৯৮৩: সঙ্গীতশিল্পী হানি সিংয়ের জন্ম
১৯৮৫ – প্রথম ইন্টারনেট ডোমেইন নাম নিবন্ধিত হয়। (symbolics.com)

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭০ টাকা ৭০.৩৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৬৮ টাকা ৯৩.৯৭ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৫২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৩২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, নবমী ৪৯/৪৭ রাত্রি ১/৪৫। আর্দ্রা ৫৪/৪৫ রাত্রি ৩/৪৪। সূ উ ৫/৪৯/৫৫, অ ৫/৪১/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/১২ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে ৪/১১ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪৮ গতে ১১/৪৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৩ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৩০ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, নবমী রাত্রি ৯/০/৫০। আর্দ্রানক্ষত্র রাত্রি ১১/৩২/৪৫, সূ উ ৫/৫০/২৮, অ ৫/৪০/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৫/১১ মধ্যে ও ৮/১২/৩২ থেকে ১০/৩৪/৩৬ মধ্যে ও ১২/৫৬/৫১ থেকে ২/৩১/২৪ মধ্যে ও ৪/৬/৬ থেকে ৫/৪০/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৮/৬ থেকে ৮/৫৫/২৩ মধ্যে ও ৩/২৪/৩২ থেকে ৪/১৩/১১ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪৩/৩ থেকে ১০/১৬/৫১ মধ্যে, কালবেলা ১০/১৬/৫১ থেকে ১১/৪৫/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৩/১৪ থেকে ১০/১৪/২৬ মধ্যে।
 ৭ রজব
এই মুহূর্তে
দাসপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে বাস 
টোটোকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল কনেযাত্রীবোঝাই বাস। ...বিশদ

07:55:31 PM

২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামেরা 
১৭টি আসন ছেড়ে ২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। ...বিশদ

06:51:12 PM

আজ সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা 
আজ সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে ...বিশদ

05:01:43 PM

২৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

04:02:07 PM

নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ 

02:22:06 PM

মাদারিহাটে গাড়িতে ধাক্কা মারল ট্রাক, জখম ১০ 

01:36:00 PM