Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জাতীয়তাবাদ আজ যে কানাগলিতে
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

জ্যাক বারজুঁ (Jacque Barzun) ১৯৭২ সালে একুশ শতকে সন্ধান করার সময় যে, কথাটা বলেছিলেন, সেটা আজ এই সাতচল্লিশ বছর পর এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রযত্নে যে এমন সত্য হয়ে উঠবে, এটা কে জানত? জ্যাক বারজুঁ এক অ্যামেরিকান ঐতিহাসিক, যিনি বাহাত্তর সালে বলেছিলেন যে, অতীতের রাজনৈতিক ‘বাদ’ (ism) যা যা বোঝাত, সেইরকম কোনও ‘বাদ’ টিকে না থাকলেও একমাত্র জাতীয়তাবাদ অতি অদ্ভুতভাবে টিকে আছে।
সেযুগে জাতীয়তাবাদ তৈরি হওয়ার একটা নির্দিষ্ট পরিসর ছিল বিদেশি ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার জায়গায়। ইয়োরোপীয় দেশগুলি ভিন দেশে নিজস্ব উপনিবেশ তৈরি করত লুটেপুটে ভোগ করার জন্য। আর ইংল্যান্ড এ বিষয়ে ছিল অধিক সুচারু এবং কৌশলী। তাঁরা শোষণ চালাতেন শাসনের নামে এবং সেটা এমনভাবেই এই ভারতবর্ষে চেপে গিয়েছিল যেখানে এই ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হবার জন্য দেশাত্মবোধ এবং জাতীয়তাবাদ সেখানে সাধারণ প্রবৃত্তি হয়ে ওঠে। শুধু ভারতবর্ষ নয়, উনবিংশের শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক থেকেই বহু জায়গায় মানুষ দেশ স্বাধীন করার আন্দোলনে নেমে পড়ে এবং স্বাভাবিকভাবেই দেশাত্মবোধ এবং জাতীয়তাবাদ সেখানে প্রয়োজন এবং আস্বাদন দুইই দিল। পুনশ্চ দেশ স্বাধীন হলে প্রয়োজনের চেয়ে আস্বাদন আরও বেশি স্মৃতিমেদুর।
জ্যাক বারজুঁ ভাবনাগতভাবে যে কতটা সঠিক ছিলেন, তা ভাবা যায় না। তিনি ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস কতটুকু জানতেন সেটা বলতে পারব না, কিন্তু তিনি এটা বলেছিলেন যে, ১৯২০ সাল থেকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য সমস্ত পৃথিবী জুড়ে যে চেষ্টা হয়েছে, জাতীয়তাবাদ সেখানে ছিল প্রধান অবলম্বন। কিন্তু দেশ স্বাধীন হবার পরে সেই চরম দেশাত্মবোধক আন্তরিক জাতীয়তাবাদের তাৎপর্য ফুরিয়ে গেলেও জাতীয়তাবাদ টিকে রইল অন্যতম এক সংকীর্ণ প্রত্যয়ের মধ্যে। জ্যাক বারজুঁ লিখলেন—পুরাতন দেশাত্মবোধক জাতীয়তাবাদের সঙ্গে পরবর্তী-কালীন জাতীয়তাবাদ এইখানেই ভিন্ন হয়ে ওঠে যে, সেটা মোটেই দেশাত্মবোধের সঙ্গে জড়িত হয়ে ওঠেনি এবং এই ধরনের জাতীয়তাবাদ মানুষকে আত্মীকরণও করতে শেখায়নি, ফলত সকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেও তা চলতে শেখায় না—It is not patriotic and it does not want to absorb and assimilate.
‘১৯২০ সালের পর’—এই কথাটার মধ্যেই ঘটে গেছে সেই আশ্চর্য সমাপতন। ভারতবর্ষের রাজনীতির তখন একদিকে স্বাধীনতাকামী আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে, হিন্দু-মুসলমানের সাম্প্রদায়িক রাজনীতিও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছিল তখন থেকেই। দেশের সামগ্রিক জাতীয়তাবাদী ভাবনাগুলির মধ্যে ধর্মের অনুপ্রবেশ নতুন এক রাজনৈতিক ধারা উস্কে দিতে আরম্ভ করল অদ্ভুত কতগুলি অন্তঃসুপ্ত পরিকল্পনার মাধ্যমে। সমস্যা হল—এঁরা সব অনেকেই কংগ্রেসের নেতা ছিলেন—মদনমোহন মালব্য, পুরুষোত্তমদাস ট্যান্ডন, কে এম মুন্সি কিংবা শেঠ গোবিন্দ দাস—এঁরা কংগ্রেসের নেতা হলেও ১৯২২-২৩ সাল থেকেই গো-রক্ষণের অত্যুৎসাহ দেখাতে থাকেন তথা হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত করার শুদ্ধিবচন দিতে থাকেন। ১৯২৩ সালে হিন্দু মহাসভা এবং আর্যসমাজ একত্র হয়ে যে নিদান দিতে থাকে, সেগুলি অক্ষরে প্রতিবিম্বিত থাকে গীতা প্রেস থেকে প্রকাশিত ধর্মগ্রন্থগুলির মধ্যে এবং তার রাজনৈতিক শাখাপত্র কল্যাণ পত্রিকার মধ্যে।
ওই ১৯২০ সাল থেকেই মারওয়ারি আগরওয়াল মহাসভায় যে ঘরোয়া আলোচনাগুলি চলতে থাকে—যেখানে বিখ্যাত জি ডি বিড়লা, আত্মারাম খেমকা, যমনালাল বাজাজ—যাঁরা সমকালীন গান্ধীবাদী মানুষ ছিলেন, তাঁরাই কিন্তু ভগবদ্‌গীতার শক্তিমাধুর্যে আপ্লুত হয়ে গীতা প্রেস স্থাপন করলেন উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে। সম্ভবত, ১৯২৩ সালে। এই আপাত নিরীহ প্রকাশন-সংস্থা থেকে গীতা, রামচরিত মানস, রামায়ণের মতো নামী দামি গ্রন্থগুলি হিন্দি অনুবাদে বেরতে থাকে এবং তা এত সস্তা দামে, যা আমাদের ছোটবেলায় বিনা পয়সায় পাওয়া পকেট বাইবেলের কথা মনে করিয়ে দেবে। এর সঙ্গে ১৯২৬ সালে কল্যাণ পত্রিকা, যার সম্পাদক ছিলেন বিড়লার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হনুমানপ্রসাদ পোদ্দার—পণ্ডিতদের মতে, Poddar was equally at ease with Gandhi and with the Hindu Mahasabha.
বস্তুত স্বাধীনতা, স্বাদেশিকতা এবং জাতীয়তাবাদের সঙ্গে দ্বিচারিতার শুরু এইখান থেকেই। এইসময় থেকেই জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মধ্যে ধর্মের সূক্ষ্ম মিশেল দিয়ে এমনভাবেই এক বিকল্প আন্দোলনের ধারা তৈরি হতে থাকে, যেখানে জাতীয়তাবাদ দেশকে বিদেশি শাসনমুক্ত করতে চাইছে, নাকি আরও বহু পূর্বের মুঘল শাসকদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছে, সেটা বোঝা যাচ্ছিল না। লক্ষণীয় গত চার-পাঁচ বছর ধরে গো-মাতা এবং গো-মাংস নিয়ে যত রাজনৈতিক চর্চা হয়েছে, তার ঐতিহ্য এবং পরম্পরা নেমে আসছে ওই কল্যাণ পত্রিকায় লিখিত প্রবন্ধগুলি থেকে। আর তৎকালীন সেই মারওয়ারি মহাসভা, হিন্দু মহাসভা এবং ১৯২৫-এর নবজাতক রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ—এঁরা সবাই কেমন যেন এক সাম্প্রদায়িক প্রতিযোগিতা, অথবা বলা উচিত, প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতার মধ্যে নেমে পড়ে। জাতীয়তাবাদের মধ্যে এই ‘হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্থানের’ সংক্রমণ স্বাদেশিকতা এবং দেশাত্মবোধকে অন্যতর এক মাত্রায় পিছন দিকে টানতে থাকে।
ওঁরা জাতীয়তাবাদের নামে ‘গৌ রক্ষণী’ সভাগুলি নিয়ে বেশি ব্যস্ত হলেন। অনেক বেশি তর্ক করলেন মসজিদগুলির সামনে কীর্তন সঙ্গীতের স্বাধিকার নিয়ে এবং অনেক বেশি জাগ্রত থাকলেন হিন্দি ভাষাকে উর্দু, হিন্দুস্থানী এবং ফার্সি ভাষার মাথায় চাপিয়ে দেবার জন্য। হনুমানপ্রসাদের কল্যাণ পত্রিকায় দুটি বিশেষ সংখ্যা ছিল গো-মাতা এবং গো-সেবা (গৌ অঙ্ক্‌, গো সেবা অঙ্ক্‌) ঩নিয়ে, আর ‘গৌ রক্ষণী’ সভাগুলি এতই বেশি পরিমাণ এতই জাতীয়তাবাদ উদ্‌঩গিরণ করত গো-ভিত্তিক হিন্দুত্ব নিয়ে যে, ১৯২৩ থেকে ১৯২৭ সালের মধ্যে ৯১টি ‘রায়ট’ নথিভুক্ত হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।
জাতীয়তাবাদের এই অদ্ভুত বৈকল্পিক ধারাকে তখনকার দিনের জাতীয়তাবাদের মূলস্রোতী কংগ্রেসিরা আটকাতে পারেনি। মদনমোহন মালব্য কিংবা জগৎনারায়ণ লাল অথবা শেঠ গোবিন্দ দাসদের কংগ্রেসিরা আটকাতে তো পারেনইনি, এমনকী তাঁদের উগরাতেও পারেননি, ফেলতে পারা তো দূরের কথা। ১৯২২ সালের পর ১৯৩৭ পর্যন্ত কংগ্রেসিদের বার্ষিক সভার সঙ্গে সঙ্গে হিন্দু মহাসভার আয়োজন। ১৯৩৭ সালের পর এটা বন্ধ হয়।
কিন্তু তার আগে সর্বনাশগুলো হতেই থাকল। মদনমোহন মালব্য গোষ্ঠী কংগ্রেসের মধ্যে থেকেই ১৯২৫ সালে সেই সংশোধনী চেষ্টাগুলি বন্ধ করে দিলেন যাতে করে মসজিদের সামনে দিয়ে হিন্দুদের ধর্মযাত্রা বিষয়ে একটা আন্তরিক সমাধান হতে পারত। ১৯২৬-এ নেহরু আবার উদ্যোগ নেন সমাধানের, কিন্তু সে চেষ্টাও ফলবতী হয়নি। ফলে ভারতজুড়ে স্বাধীনতার জন্য যে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন চলেছে, তার একাংশে সেই প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতার কাঁটাটুকু রয়েই গেল। এটা এমনই এক কাঁটা যা ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে মাঝে-মাঝেই কণ্টকিত করেছে বিচ্ছিন্নতার যন্ত্রণায়।
আমরা জ্যাক বারজুঁর কথা দিয়ে এই প্রবন্ধ শুরু করেছিলাম এবং সত্যিই আমরা এটা দেখেছি যে, আমাদের জাতীয়তাবাদের প্রধান তাৎপর্য স্বাধীতালাভের সঙ্গে সঙ্গেই ‘এক্‌জ঩স্টেড’ হয়ে যায়নি। কিন্তু যেভাবে তা টিকে থাকার কথা ছিল, তার প্রধান পরিসর হতে পারত জাতি-গঠন এবং দেশের অর্থনীতি এবং শিক্ষানীতিকে জাতির জাগরণ-মাত্রা হিসেবে গ্রহণ করার মধ্যে। কিন্তু আমাদের তা হয়নি। আমাদের ১৯৪৭-এর স্বাধীনতা বরণ করতে হয়েছে হিন্দু-মুসলমানের সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে। ওদিকে ১৫ আগস্টের মধ্য রাত্রে যখন দিল্লিতে স্বাধীনতার পতাকা উঠতে আরম্ভ করেছে, তখন গান্ধীকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো বসে থাকতে হয়েছে বেলেঘাটায়। কলকাতা শহরে রায়ট আরম্ভ হয়েছিল ক’দিন আগে থেকেই, এমনকী স্বাধীনতার আগের দিন ১৪ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে পাইকপাড়া, বাগমারি কাঁকুড়গাছিতে সংঘর্ষের জায়গাগুলি ঘুরে আসতে হয়েছে। দেখতে হয়েছে আমাদের মুসলমান ভাইদের জীবন যেন আর না যায়। তাঁকে শুনতে হয়েছে এই অভিযোগ যে, ১৯৪৬-এর আগস্ট মাসে কোথায় ছিলেন আপনি? যখন জিন্না সাহেব ‘ডিরেক্ট অ্যাকশনের’ ফতোয়া দিয়েছিলেন, আর শত শত হিন্দু মারা গিয়েছিল—সেদিন কোথায় ছিলেন আপনি? কোনও সন্দেহ নেই—জিন্নার প্ররোচনা ঠিক ছিল না।
গান্ধী ১৯৪৬-এর ১৬ আগস্ট কলকাতায় আসতে পারেননি। তাই তাঁকে কথা শুনতে হয়েছে একবছর পর ১৯৪৭-এর ১৪ আগস্ট। স্বাধীনতার আগের দিন। কিন্তু আজকে আমার জিজ্ঞাসা—স্বাধীনতার ৬৯ বছর কেটে যাবার পর ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট হঠাৎ করে মহম্মদ আলি জিন্না সাহেবের সেই ‘ডিরেক্ট অ্যাকশনের’ দিনটাকে উল্টো করে স্মরণ করার প্রয়োজন পড়ল কেন? ১৬ আগস্টের রবিবার, ২০১৫। সকাল ৮টা থেকেই হিন্দু সংহতি নামে একটা গোষ্ঠী বাসে বাসে লোক এনে ওয়েলিংটন স্কয়ার ভরিয়ে তুলল। তাদের উদ্দেশ্য, ১৯৪৬-এর ১৬ আগস্টে পৃথক ভূখণ্ডকামী মুসলমান সম্প্রদায় হিন্দুদের ওপর সন্ত্রাস চালিয়েছিল এবং সেই সন্ত্রাসকে স্তব্ধ করার জন্য শ্রীযুক্ত গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায় যে পাল্টা সন্ত্রাস তৈরি করেছিলেন, বঙ্গের সেই ‘হিন্দু বীর’ ‘কলকাতার রক্ষাকর্তা’ সেই মানুষটাকে সম্মান জানিয়ে তাঁর নামে বহুমাননী জয়ধ্বনি এবং পোস্টার স্লোগান তৈরি করে হিন্দু সংহতির লোকেরা ওয়েলিংটন থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত হাঁটলেন।
এই গোপাল মুখোপাধ্যায়কে আমার ছোটবেলায় আমি দেখেছি। কেউ এই ভদ্রলোককে ‘মুখোপাধ্যায়’ পদবিতে চিনত না। সম্ভবত বউবাজার অঞ্চলে ওঁর একটা পাঁঠার মাংসের দোকান ছিল, তাতেই একটা ব্যবসায়িক পদবি তাঁর হয়ে গিয়েছিল গোপাল পাঁঠা। আমি যখন তাঁকে দেখেছি, তখন তাঁর কালীপুজো দেখতে যেত লোকে। ১৯৪৬-এর ১৬ আগস্ট যে ভয়ঙ্কর দাঙ্গা লেগেছিল, সেদিন আক্রমণকারী আততায়ীদের ওপর গোপাল পাঁঠাও তাঁর দলবল নিয়ে অস্ত্রশিক্ষা দিয়েছিলেন বিপক্ষকে। খুব আকস্মিকভাবেই এবং প্রধানত সেইদিনের লগ্ন তাঁকে এমনই প্ররোচিত করেছিল যে গোপাল পাঁঠা সেদিন ‘হিরো’ হয়ে উঠলেন। কিন্তু ওইদিনের আগে কোনও রাজনৈতিক স্বাদেশিকতা তাঁর মধ্যে দেখা যায়নি। কিন্তু সেদিনটা তাঁকে এমনই তৈরি করে দিল যে গোপাল পাঁঠা যেন হিন্দুদের ‘ত্রাতা’ হয়ে উঠলেন।
১৯৪৬-এর সেই দিনটা হিন্দুদের পক্ষে আত্মরক্ষার বাতাবরণ করেছিল এবং গোপাল পাঁঠার কাজটাও আকস্মিকতার মুহূর্তে হিন্দুদের বাঁচানোর তাগিদ হিসেবেই ব্যাখ্যাত হয়েছে। কিন্তু ১৯৪৭-এ স্বাধীনতা-পূর্ব দাঙ্গবাজি হল কলকাতায়। গান্ধী বেলেঘাটায় বসে সকলকে অস্ত্র ত্যাগের আর্জি জানালেন, সেদিন কিন্তু গোপাল পাঁঠা গান্ধীকে বলেছিলেন—আমি একটা ‘পেরেক’ও জমা দেব না আপনার কাছে। যে অস্ত্র হিন্দুরক্ষার কাজে লাগে তার একটিও জমা দেব না। গান্ধীর একান্ত চেষ্টায় সেদিন দাঙ্গা বন্ধ হয়েছিল এবং পরের দিন স্বাধীনতা দিবস ১৯৪৭, ১৫ আগস্ট হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতিতে কেটেছিল। কিন্তু ওই যে হিন্দুরক্ষার একটা কবচ তৈরি হল, সেটা সেদিনকার রাজনীতির মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল এবং সেটাকে পোষণ করে গেছেন হিন্দু হিতৈষিণী মহাসভা এবং সংঘ পরিষদের মানুষেরা। লক্ষণীয়, অনেককাল আমরা দাঙ্গার চেহারা ভুলে ছিলাম। গোপাল পাঁঠার নামে একটিও স্মারকসভা হয়নি কোথাও কোনও দিন। আধুনিক প্রজন্ম গোপাল পাঁঠাকে স্বাদেশিকতার জন্যও চেনে না, দাঙ্গাবাজ হিসেবেও চেনে না, হিন্দুরক্ষী হিসেবেও চেনে না। তাহলে হিন্দু-সংহতি ওয়ালারা ২০১৫ সালে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার ৬৯ বছর পর দাঙ্গার বার্ষিকী পালন করছেন, তাও এই বাংলায়! এটা কোন রাজনীতি?
একটা কথা বলেছিলাম আগে। আমাদের জাতীয়তাবাদ স্বাদেশিকতার ভাবনা হারিয়ে এক শ্রেণীর রাজনীতিকের হাতে হিন্দু-হিন্দুত্ব এবং বিচ্ছিন্নতার মধ্যে আত্মলাভ করেছে। ঠিক এই কারণেই জ্যাক বারজুঁ দিব্যদৃষ্টিতে বলেছিলেন—The only Political ism surviving in full strength from the past is nationalism. This was partly to be expected from the liberation of so many colonies simultaneously, begining in the 1920s. But this nationalism differs from the old in two remarkable ways: it is not patriotic and it does not want to absorb and assimilate. On the contrary, it wants to shrink and secede, too limit its control to its one small group of like-minded-we-ourselves-alone. It is in that sense racist, particularist, sectarian, minority-inspired. ["Towards the Twenty-First Century" (1972) p. 169].

 মতামত ব্যক্তিগত
13th  April, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি লোকসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রিগিং করতে পারছেন না। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সুদৃঢ পদক্ষেপ দিদির রিগিং প্রক্রিয়ায় বড়সড় আঘাত হেনেছে। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: চিতাবাঘের আতঙ্কে রাত জাগছে ধূপগুড়ি ব্লকের বানারহাটের ডুডুমারি, জ্বালাপাড়া ও আলে এই তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা। এছাড়াও ওই তিনটি গ্রামের ছয়টি স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠাল সিএসকে 

07:32:44 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: দার্জিলিংয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী বিনয় তামাং 

06:06:23 PM

মনোনয়ন জমা দিলেন পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌতম গম্ভীর 

06:03:24 PM

রাজ্যের পাঁচটি আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৭৮.৯৭ শতাংশ ভোট পড়ল 

05:49:35 PM

শ্রীলঙ্কায় বিস্ফোরণ: সন্দেহভাজন জঙ্গির ছবি প্রকাশিত 
শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এল। সেখানে এক ...বিশদ

05:31:56 PM

শ্রীলঙ্কায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করল আইএস 

04:25:01 PM