Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। একটি তামিল রসিকতার ভিত্তি করে এখানে বলা যায়—বিজেপির ইস্তাহারটি হল ব্রেকফাস্টে বেঁচে যাওয়া ‘ইডলি’ দিয়ে ডিনারের জন‌্য ‘উপ্‌মা’ বানানো গোছের একটা ব্যাপার!
একটা প্রবাদ আছে যে খাবারের স্বাদই বলে দেয় তার ভিতরে পুডিং আছে কি না। প্রকাশ করার ১২ দিন বাদেও কংগ্রেসের ইস্তাহার ‘টক অফ দ‌্য টাউন’ রয়ে গিয়েছে। কংগ্রেসের ইস্তাহারের এক বা একাধিক বিষয়ের উল্লেখ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটা ভাষণও সম্পূর্ণ করতে পারছেন না। তিনি কংগ্রেসের ইস্তাহার পড়তে অস্বীকার করেছেন, এই বিষয়ে কোনও পরামর্শও নেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এবং মিথ‌্যাভাষণেও তিনি লজ্জিত নন। আমার আশা, বিজেপির ভিতর কোনও একজন সাহস করে কংগ্রেসের ইস্তাহারটি অথবা গত ৮ এপ্রিল প্রকাশিত আমার লেখা বিশেষ নিবন্ধটি (জাতীয় কংগ্রেসের ইস্তাহার বিজেপিকে এবার লড়াইতে টেনে এনেছে) প্রধানমন্ত্রীকে পড়াবেন।  

বিজেপির দম্ভোক্তি
বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের একদিন বাদেই আলোচিত হওয়ার প্রাসঙ্গিকতা হারাল। তর্জমার ভুল এবং মুদ্রণপ্রমাদ বাদ দেওয়া যায় কিন্তু ইস্তাহারজুড়ে যে ঔদ্ধত‌্যপূর্ণ মানসিকতার পরিচয় রয়েছে তা একজন রেয়াত করেন কী করে?
দম্ভোক্তিগুলোর তালিকা দেওয়া যাক:
১. পঞ্চাশ কোটি ভারতবাসী স্বাস্থ‌্য বিমার সুবিধা পেয়েছেন, ‘আয়ুষ্মান ভারত’কে ধন‌্যবাদ (বাস্তবটা হল: আয়ুষ্মান ভারত কেবলমাত্র হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসার সুবিধাটা দেয় এবং যত দূর সম্ভব, গত ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ১০ লক্ষ ৫৯ হাজার ৬৯৩ জনের কাছে এই সুবিধা পৌঁছেছে)।
২. অসংগঠিত ক্ষেত্রের চল্লিশ কোটির বেশি মানুষ এখন পেনশন কভারেজ পেতে পারেন (বাস্তবটা হল: মাত্র ২৮ লক্ষ ৮৬ হাজার ৬৫৯ জন এই প্রকল্পে তাঁদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। প্রথম দফার পরিশোধের (পেআউট) সময় আসবে ২০৩৯ সাল। এখনই অথবা অদূর ভবিষ‌্যতে কেউই এই স্কিমের সুবিধা কিছু পাবেন না)।
৩. শৌচালয় নির্মাণের প্রায় ৯৯ শতাংশ করে ফেলা গিয়েছে (বাস্তবটা হল: ভূরি ভূরি দৃষ্টান্ত আছে যে তড়িঘিড় বানানো বিরাট সংখ‌্যক শৌচাগার অব‌্যবহৃত অবস্থা পড়ে রয়েছে মানুষের অনভ‌্যাসের কারণে অথবা জলের অভাবে সেগুলো ব‌্যবহারযোগ‌্য করে তোলা যায়নি বলে)। পাশাপাশি বেজওয়াডা উইলসনকে জিজ্ঞাসা করুন তিনি আপনাকে বলে দেবেন যে স্কিমটার গোড়ায় কতখানি গলদ।
৪. ‘মুদ্রা যোজনা’কে ধন‌্যবাদ যে ছোট ছোট শহরের যুবক-যুবতীদের শিল্প-বাণিজ‌্য উদ‌্যোগী হওয়ার সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে (কিন্তু বাস্তবটা হল: মুদ্রা ঋণের গড়পড়তা চেহারাটা মোটেই ভালো নয়— মাত্র ৪৭,৫৭৫ টাকার ঋণ মেলে এবং এটা একটা বড় বিস্ময়কর ব‌্যাপার হবে যদি ওই এক-একটা ঋণ থেকে একটা করে কর্মসংস্থানও সম্ভব হয়)।
৫. উত্তর-পূর্ব ভারত নানা ভাবে এখন জাতীয় মূলস্রোতের অনেক কাছাকাছি চলে এসেছে  (বাস্তবটা হল: দ‌্য ন‌্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস বা এনআরসি প্রয়োগ এবং নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ‌্যগুলিকে আলাদাভাবে কাঁদাচ্ছে, পরিণামে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে এবং সবচেয়ে অবিশ্বাসের পরিবেশ রচনা করেছে, যা অতীতে হয়নি)।  
৬. বিমুদ্রাকরণ, জিএসটি, ... প্রভৃতি হল আমাদের সরকারের কয়েকটি ঐতিহাসিক সাফল‌্য (বাস্তবটা হল: ডিমনিটাইজেশন ভারতীয় অর্থনীতিটাকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে এবং এই ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি ব‌্যবসা-বাণিজ‌্য (বিশেষত মাঝারি, ছোট ও খুব ছোট শিল্প বা এমএসএমই-কে) ধ্বংস করে দিয়েছে)।

ব‌্যক্তি-নির্দিষ্ট বনাম মানুষের চাহিদা ভিত্তি
আগের ওই উদাহরণগুলোই যথেষ্ট। ইস্তাহার প্রস্তুত প্রক্রিয়ার দিকে তাকানো যাক। ইস্তাহার কমিটির শীর্ষকর্তা রাজনাথ সিং দাবি করেছেন যে, তাঁরা কোটি কোটি মানুষকে যুক্ত করেছেন এবং তাঁদের ইস্তাহারে মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন রয়েছে। ভূমিকার শেষ অনুচ্ছেদে দাবিটা এইভাবে খোলসা হয়েছে যে, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভিশন’-এর উপর ভিত্তি করেই উপরোক্ত সারসংক্ষেপ দেওয়া গেল।’’ কংগ্রেস এবং বিজেপির ইস্তাহারের তফাতটা এরই মধ‌্যে এবং পার্থক‌্যটা প্রকট হয় যখন আমরা এই দুই দলের প্রতিশ্রুতিগুলি ভালো করে খেয়াল করি।
জাতীয় নিরাপত্তা এবং অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তার দিকটা এবার দেখা যাক। সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের অভ‌্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। সব সরকার এটাই করেছে এবং ভবিষ‌্যতেও তাই করবে।
এর বাইরে একটি শব্দও উচ্চারিত হয়নি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) অথবা জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতা পর্ষদ (এনএসএবি) অথবা জাতীয় সন্ত্রাস মোকাবিলা কেন্দ্র (এনসিটিসি)  অথবা জাতীয় ইন্টেলিজেন্স গ্রিড (ন‌্যাট-গ্রিড) সম্পর্কে। ডেটা সিকিউরিটি, সাইবার সিকিউরিটি, ফিনান্সিয়াল সিকিউরিটি, কমিউনিকেশন সিকিউরিটি অথবা ট্রেড রুটের সিকিউরিটিরও কোনও উল্লেখ নেই বিজেপির ইস্তাহারে।
এবার প্রসঙ্গ কৃষি। কৃষকের আয় দ্বিগুণ করার না-রাখা কথাটি ফের বলেছে বিজেপি, কিন্তু লক্ষ‌্যপূরণের কোনও রোড ম‌্যাপ তারা দেয়নি। কৃষি ও কৃষকের প্রশ্নে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি রীতিমতো সাহসী—যেমন এগ্রিকালচারাল প্রোডিউস মার্কেট কমিটি (এপিএমসি) অ‌্যাক্ট প্রত‌্যাহার, ফার্মার্স মার্কেট প্রতিষ্ঠা, কৃষিপণ‌্য বিক্রির বন্দোবস্ত (রপ্তানি এবং আন্তঃরাজ‌্য বাণিজ‌্য সমেত), সমস্ত ধরনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত।

এবার আসুন স্কুলশিক্ষার প্রসঙ্গে। এই বিষয়ে বিজেপি মোটামুটি একইরকম প্রতিশ্রুতি রেখেছে—গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে শিক্ষার মান, স্মার্ট ক্লাসরুম এবং কেন্দ্রীয় বিদ‌্যালয় ও নবোদয় বিদ‌্যালয়ের উপর। কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছে—স্কুলশিক্ষাকে রাজ‌্য তালিকায় স্থানান্তরিত করবে, শিক্ষার অধিকার আইনের রূপায়ণ ঘটবে, মোট অভ‌্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার জন‌্য বরাদ্দ করা হবে এবং নবম-দ্বাদশ শ্রেণীতে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ বাধ‌্যতামূলক করার বিষয়টি যুক্ত করা হবে।

গাণিতিক ধাঁধা
দুটি ইস্তাহারের পাতায় পাতায় এই যে তফাত তার কারণ হল—মোদি-কেন্দ্রিক ভাবনার সঙ্গে মানুষের চাহিদা ভিত্তির তফাত। বিজেপির ইস্তাহার মোদিজির চিন্তা-চেতনা আর প্রাজ্ঞ নর-নারীর কথা শোনায় অনীহার মধ‌্যেই সীমিত। গাণিতিক একটি ধাঁধা দিয়ে এই লেখায় ইতি টানব। কংগ্রেসের ‘ন‌্যায়’ (ন‌্যূনতম আয় যোজনা) প্রতিশ্রুতিকে আক্রমণ করল বিজেপি এবং বলল যে, যখন কর্মসূচির পুরো পাঁচ কোটি পরিবারকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন আসবে তখন বছরে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় যুক্তিপূর্ণ হবে না এবং এটা আর্থিক দিক থেকেও হবে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। তবু, বিজেপি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করে যে তারা বিনিয়োগ করবে (পাঁচ বছরে) কৃষি ক্ষেত্রে ২৫ লক্ষ কোটি টাকা এবং পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ১০০ লক্ষ কোটি টাকা। ২৫ লক্ষ কোটি টাকা + ১০০ লক্ষ কোটি টাকা = ১২৫ লক্ষ কোটি টাকা। এটাকে ৫ বছর দিয়ে ভাগ করলে হয় বছরে ২৫ লক্ষ কোটি টাকা। বছরে ৩.৬ লক্ষ কোটি টাকা এবং ২৫ লক্ষ কোটি টাকার মধ্যে কোন সংখ্যাটি বৃহত্তর?
15th  April, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
জাতীয়তাবাদ আজ যে কানাগলিতে
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জ্যাক বারজুঁ (Jacque Barzun) ১৯৭২ সালে একুশ শতকে সন্ধান করার সময় যে, কথাটা বলেছিলেন, সেটা আজ এই সাতচল্লিশ বছর পর এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রযত্নে যে এমন সত্য হয়ে উঠবে, এটা কে জানত? জ্যাক বারজুঁ এক অ্যামেরিকান ঐতিহাসিক, যিনি বাহাত্তর সালে বলেছিলেন যে, অতীতের রাজনৈতিক ‘বাদ’ (ism) যা যা বোঝাত, সেইরকম কোনও ‘বাদ’ টিকে না থাকলেও একমাত্র জাতীয়তাবাদ অতি অদ্ভুতভাবে টিকে আছে।
বিশদ

13th  April, 2019
একনজরে
নোৎরদমের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ একরের ওক গাছের জঙ্গল কেটে সাফ করে বানানো হয়েছিল এই গির্জা। অন্দরসজ্জার মূল কাঠামো তৈরি করতে লেগেছিল অন্তত ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে তারাপীঠে তারা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সম্ভবত গুণগ্রাহীদের নজর এড়াতে টুপি পরে, চাদরে মুখ ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: সিএসকের সামনে ১৭৬ রানের টার্গেট খাড়া করল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ  

09:37:59 PM

 আইপিএল: হায়দরাবাদ ৯১/১ (১০ ওভার)

08:50:51 PM

গুরদাসপুরে সানি দেওলকে প্রার্থী করল বিজেপি 

08:08:03 PM

টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠাল সিএসকে 

07:36:29 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: দার্জিলিংয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী বিনয় তামাং 

06:06:23 PM

মনোনয়ন জমা দিলেন পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌতম গম্ভীর 

06:03:24 PM