Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-পাকিস্তান মিলিয়ে যে আটটি দেশ রয়েছে—তাদের সবগুলোই কমবেশি উত্তর-ঔপনিবেশিক ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৃতীয় গণতান্ত্রিক ঢেউ, তথা জাতীয়তাবাদী চেতনা ও অভিঘাতের ফসল। সে সময় ইতিহাসের দিকে মুখ ফেরালে আমরা দেখব যুদ্ধোত্তর আগ্নেয় পরিস্থিতি; ছাত্র, যুব ও শ্রমিকদের আবেগসর্বস্ব মিছিলে সেদিন বিশৃঙ্খলা হয়তো ছিল, কিন্তু ‘দেশভক্তির প্রেরণা আর সাম্রাজ্যবাদী শাসকদের প্রতি ঘৃণাই যে তাহাদিগকে কঠিন প্রতিজ্ঞায় শামিল করিয়াছিল সে কথা কে অস্বীকার করিবে?’ (অমলেন্দু সেনগুপ্ত: উত্তাল চল্লিশ)
অথচ এই উদ্দাম উচ্ছ্বাস ফুরিয়ে যেতেই আমরা দেখেছি সামাজিক বিভাজনের কঠিন রূপ। আবার যেখানে অপরিপক্ব রাজনৈতিক ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক চাহিদার ‘ওভারলোড’ নিতে পারেনি। যেমন পাকিস্তান, সেখানে পুনঃপুন সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। তবে এটাই সামগ্রিক চালচিত্রের সবটা নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় রাজনৈতিক ব্যবস্থার আপেক্ষিক দুর্বলতার জন্য দায়ী নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং বিরূপ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বাহ্যিক শক্তির সাঁড়াশি চাপ, যা প্রায়শই শৈশব অবস্থায় গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনকে ব্যাহত করেছে। রাজনীতিকে পরিচালিত করেছে সংঘাতের খাতে, টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে পারস্পরিক যুযুধান জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় ফ্রন্টগুলো যাতে রাষ্ট্রের দাপট তার বর্শামুখকে ভোঁতা না করে দেয়। তাই প্রথম থেকেই আমরা যতটা না জাতীয় লক্ষ্যের কথা ভেবেছি, তার থেকেও দেশ-ভাগ-উত্তর পরিস্থিতিতে পাকিস্তান-বিরোধিতা আমাদের রাজনীতির প্রধান আশ্রয় হয়ে উঠেছে। ফলে স্বাধীন দেশে যখন আমাদের সামনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও তদনুরূপ পরিবর্তনের একটা সুবর্ণ সুযোগ এল—তখনও সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী ঐতিহ্যের ওপরে ভর করে আমরা নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেয়েছি, যথার্থ inclusive policy আমরা প্রণয়ন করতে পারিনি।
ভেবে আশ্চর্য হতে হয় যে, স্বাধীনতার সাত দশক পরেও, নতুন করে জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেবার অপচেষ্টা আমরা লক্ষ করছি। এর মধ্যে দুটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য—(১) এটা রাজনীতিগতভাবে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচিতি তৈরি করার চেষ্টা। এই নির্মাণের প্রক্রিয়া আরও জোরদার হয়েছে কেন্দ্রে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক শক্তির কার্যকলাপে। দ্বিতীয়ত, সাম্প্রতিককালে উরিতে পাক-জঙ্গিহামলা বা কাশ্মীরের অবন্তীপুরায় ভারতের আধাসেনা কনভয়ে অভূতপূর্ব জয়েশ হামলার অভিঘাতে আমরা চমকে উঠে লক্ষ করলাম ভারত উত্তর-আধুনিক রাষ্ট্র নয়, সে এখনও পুরনো ধারায় বর্তমান, জাতীয় সুরক্ষার প্রশ্নে প্রতিক্রিয়াশীল, এবং এমনকী পাল্টা আক্রমণেও পিছপা নয়। বস্তুত এই জাতীয়তাবাদী আস্ফালন কি ভারতের নয়া অর্থনৈতিক কূটনীতির সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ? হয়তো এই বিপরীতধর্মী টানাপোড়েনের অস্বস্তি আম জনতার কাছে ধরা পড়ে না, কিন্তু ভারত-পাক দ্বৈরথের মোকাবিলায় মানুষের যে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া—তা দেখে মনে হয় যে তারা সন্ত্রাস নয়, শান্তি চায়। মানুষের এই যে চেতনা ও আগ্রহ তা কিন্তু সংকীর্ণভাবে কোনও ভূখণ্ডকেন্দ্রিক নয়, বরং এটাকে একটা বৃহত্তর আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে রেখে দেখা উচিত, যে রূপান্তরটা ইতিমধ্যেই আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠতে দেখেছি। ২০১৪ সালে মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কের গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রপ্রধানদের আহ্বানের মধ্য দিয়ে এমন একটা সৌহার্দপূর্ণ আঞ্চলিক বাতাবরণ নির্মাণের একটা রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যখন বিমুদ্রাকরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের সীমাহীন ক্ষোভ, অন্যদিকে রাফাল বিমানের দাম বিতর্কে যখন ‘চৌকিদার’-এর দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা, তখনই পুলওয়ামার ঘটনায় আশ্চর্যজনকভাবে ‘অক্সিজেন’ পেয়ে মোদি শিবির যেন খানিকটা চাঙ্গা। তবে ঘুরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই পাক উজির-এ-আজম ইমরান খানের মন্তব্যে বিজেপি শিবিরে অস্বস্তি বেড়েছে। ইমরান আশা করেছেন, বিজেপির (বস্তুত মোদি-শাহ জোটের) বিজয়ে ভারত-পাক আলোচনার দরজা খুলে যাবে। এতেই অস্বস্তির সূত্রপাত। কারণ এতদিন বিজেপির পোস্টারবয় এই দুই ব্যক্তির নিশানা ছিল পাকিস্তান। তবে কি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ধরে নিতে হবে ইমরানের ‘রিভার্স সুইং’ দুই পুরনো প্রতিপক্ষের গোপন বোঝাপড়ার ইঙ্গিতবাহী?
বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
অন্যদিকে, ভারতের নির্বাচনকে চীন গুরুত্ব দিলেও তাদের কাছে বিষয়টা কমিউনিস্ট-ভাবাদর্শের প্রোপাগান্ডাকে জোরদার করার দিক থেকে নয়, কারণ ভারতের কমিউনিস্ট দলগুলি বরাবরই চীনপন্থী। তাই আলাদা করে তাদের সমর্থন লাভের বিষয়টি বাহুল্যমাত্র। তাছাড়া ইতিমধ্যেই পুরনো ভুলের মাশুল দিতে যখন তাদের হিমশিম অবস্থা, তখন চীন এতটা অপরিপক্ব নয় যে, সে বিপন্ন কমিউনিস্ট দলগুলিকে নির্বাচনের বাজি ধরবে। অতএব চীনের কাছেও ভারতের লোকসভা নির্বাচন, তাদের জাতীয় স্বার্থ—ডোকালাম ইস্যু, অরুণাচল-সমস্যার মতো সীমান্তভিত্তিক ইস্যুগুলির মীমাংসার প্রধান উপায়।
তবে, শুধু চীন বা পাকিস্তানই নয়, এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হল কীভাবে তা সংঘটিত হচ্ছে। নির্বাচনের পবিত্রতা ও কমিশনের নিরপেক্ষতাকে টি এন সেশন যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন—তা কি আমরা বজায় রাখতে পারব? ইতিমধ্যেই আমরা উত্তরবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অন্যত্র হিংসা লক্ষ করেছি। গণতন্ত্র যদি ‘Soft Power’ হয়, তবে এই হিংসার দরুন ভারতের ইমেজ সাফার করবে। যথার্থ গণতন্ত্র যেমন বিরোধীপক্ষকে সম্মান করে, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ায় সেই সংস্কৃতি কবে গড়ে উঠতে আমরা দেখব?
 লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র- বিজ্ঞানের অধ্যাপক (মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)
20th  April, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

 দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

21st  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
জাতীয়তাবাদ আজ যে কানাগলিতে
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জ্যাক বারজুঁ (Jacque Barzun) ১৯৭২ সালে একুশ শতকে সন্ধান করার সময় যে, কথাটা বলেছিলেন, সেটা আজ এই সাতচল্লিশ বছর পর এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রযত্নে যে এমন সত্য হয়ে উঠবে, এটা কে জানত? জ্যাক বারজুঁ এক অ্যামেরিকান ঐতিহাসিক, যিনি বাহাত্তর সালে বলেছিলেন যে, অতীতের রাজনৈতিক ‘বাদ’ (ism) যা যা বোঝাত, সেইরকম কোনও ‘বাদ’ টিকে না থাকলেও একমাত্র জাতীয়তাবাদ অতি অদ্ভুতভাবে টিকে আছে।
বিশদ

13th  April, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার ভোরে সকলের নজর এড়িয়ে তারাপীঠে তারা মায়ের মন্দিরে পুজো দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সম্ভবত গুণগ্রাহীদের নজর এড়াতে টুপি পরে, চাদরে মুখ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 আমেথি, ২২ এপ্রিল (পিটিআই): কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর মনোনয়নকে সোমবার বৈধ বলে ঘোষণা করলেন আমেথির রিটার্নিং অফিসার রামমনোহর মিশ্র। আমেথি কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১, ৯৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৩৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৮১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
21st  April, 2019

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: সিএসকের সামনে ১৭৬ রানের টার্গেট খাড়া করল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ  

09:37:59 PM

 আইপিএল: হায়দরাবাদ ৯১/১ (১০ ওভার)

08:50:51 PM

গুরদাসপুরে সানি দেওলকে প্রার্থী করল বিজেপি 

08:08:03 PM

টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠাল সিএসকে 

07:36:29 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: দার্জিলিংয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী বিনয় তামাং 

06:06:23 PM

মনোনয়ন জমা দিলেন পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌতম গম্ভীর 

06:03:24 PM