Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’ গুজরাত ছেড়ে দিল্লির আঙিনায় আসার পর গত কয়েক বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন কোনও জনসভা করেননি, যেখানে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই তোপ দাগেননি। শুধু তাই নয়, পরিবারতন্ত্র নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ব্লগও লিখে ফেলেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, যে দলে পরিবারতন্ত্র প্রাধান্য পায়, সেই দল ক্ষমতায় থাকলে দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হয়। ১১৬৫ শব্দের ওই ব্লগে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের স্মৃতিকথা লিখেছেন মোদি। জানিয়েছেন, ‘ওই বছর দেশের মানুষ কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে হারিয়ে বিকাশের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। এতদিন ভারতের দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্রই সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। সামনে আসার মতো কোনও ইতিবাচক দিকই ছিল না। সেই কারণেই ২০১৪ সালে দেশের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছিল।’ মোদির কথায় স্পষ্ট, তাঁর দলে পরিবারতন্ত্রের কোনও ঠাঁই নেই। সত্যিই কি তাই?
ভারতের রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের পথিকৃৎ কংগ্রেস। এর শুরু জওহরলাল নেহরুকে দিয়ে, যখন তিনি তাঁর উত্তরসূরিকে নিজের পরিবার থেকেই বেছে নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৫৯ সালে তাঁর ৪২ বছরের কন্যা ইন্দিরাকে কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধী একবার বলেছিলেন যে স্বাধীনোত্তর যুগে কংগ্রেসকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে দলটিকে গণতান্ত্রিক ভারতের উপযুক্ত করে তোলা যায়, ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার সময়কার নয়। কিন্তু, এর এক দশকের মধ্যেই স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দল থেকে কংগ্রেস পারিবারিক-অধীনস্থ একটি সংস্থায় পরিণত হয়েছিল। ভারতের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির প্রথম পদক্ষেপটি নিয়েছিলেন জওহরলালই। তাঁর কন্যা ইন্দিরা সেই ধারাটিকে মজবুত করেছিলেন। রাজীব গান্ধী, সঞ্জয় গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে হালে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ওয়াধেরার প্রবেশ নতুন করে প্রমাণ করেছে যে ভারতের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি আদতে জন্মাধিকার সূত্রে নিয়ন্ত্রিত। শুনলে অবাক হবেন, দ্বিতীয় লোকসভায় পরিবারকেন্দ্রিক সাংসদের সংখ্যাটা ছিল ২। সেটাই পঞ্চদশ লোকসভায় হয়েছে ৫৩। স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে বেশি সময় দেশ চালিয়েছে কংগ্রেস। ফলে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলার সুযোগ বেশি। বিজেপির নির্বাচনী ইতিহাস শুরু হয়েছে সবে আশির দশকে। লোকসভার তথ্যই জানাচ্ছে, এরই মধ্যে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসেছে বিজেপিতেও। ইতিহাসের ধারা বজায় রয়েছে ১৬তম লোকসভা নির্বাচনেও। প্রয়াত বেদপ্রকাশ গোয়েলের নাম কে শোনেননি। বিজেপির রাষ্ট্রীয় কোষাধ্যক্ষ ছিলেন দীর্ঘদিন। অটলবিহারী বাজপেয়ির মন্ত্রিসভায় জাহাজ মন্ত্রীও ছিলেন। তাঁর ছেলে পীযূষ গোয়েল এখন কেন্দ্রের রেলমন্ত্রী। হিমাচলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেম কুমার ধুমলের ছেলে অনুরাগ ঠাকুর বিজেপি সংসদ সদস্যই শুধু নয়, ভারতীয় ক্রিকেটের হর্তাকর্তাও। ২০০৬ সালের ২২ এপ্রিল নিজের ভাই প্রবীনের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষনেতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রমোদ মহাজন। প্রয়াত প্রমোদ মহাজন কন্যা পুনম মহাজন এখন বিজেপির সংসদ সদস্য, যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভানেত্রীও। প্রমোদ মহাজন ছিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী তথা মহারাষ্ট্রের জনপ্রিয় বিজেপি নেতা গোপীনাথ মুন্ডের শ্যালকও। ২০১৪ সালে পথ দুর্ঘটনায় মারা যান গোপীনাথ মুন্ডে। বিড কেন্দ্রে উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জেতেন গোপীনাথ মুন্ডের দ্বিতীয় মেয়ে প্রীতম মুন্ডে। আর বড় মেয়ে পঙ্কজা মুন্ডে এখন মহারাষ্ট্রের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাবা গঙ্গাধর ফড়নবিশ বিজেপির শীর্ষ নেতা ছিলেন। পিসি শোভা ফড়নবিশ ওই রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজুর বাবা রিনচিন খারু অরুণাচল প্রদেশের প্রথম প্রোটেম স্পিকার ছিলেন। বাজপেয়ি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র প্রধান। তাঁর ছেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান এখন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী। আরও তথ্য চান?
উত্তরপ্রদেশের একসময়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিহারের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনের পুত্র আশুতোষ ট্যান্ডন এখন প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যশিক্ষা মন্ত্রী। রাজস্থানে বিজেপির শীর্ষনেতা বিজয়রাজে সিন্ধিয়া। বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া তাঁরই মেয়ে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন রাজস্থান থেকে। বসুন্ধরা রাজের ছেলে দুষ্মন্ত সিং এখন সংসদ সদস্য। এবারও লোকসভায় প্রার্থী হয়েছেন। বসুন্ধরা রাজের বোন যশোধরা রাজে মধ্যপ্রদেশে মন্ত্রী ছিলেন। বিজেপির নেতা ও বর্তমানে রাজস্থানের রাজ্যপাল কল্যাণ সিংয়ের ছেলের নাম রাজবীর সিং। তিনি এটা আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এবার লোকসভা ভোটে নয়ডা আসনের জন্য টিকিট পেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ছেলে পঙ্কজ সিং। কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তাঁর সাংসদ ছেলে বিওয়াই রাঘবেন্দ্র ওই রাজ্যের শিমোগা লোকসভা আসন থেকে ফের প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপিতেও যে পরিবারতন্ত্রের গভীর অবদান রয়েছে, এই অসম্পূর্ণ তালিকা তার উদাহরণ মাত্র। আসলে ভারতীয় রাজনীতি মানে, ছোটবেলার সেই সহজ বাক্যটা বারবার ফিরে আসে। ‘বাবার হল আবার জ্বর, সারিল ঔষধে।’ মোগল সাম্রাজ্যের অধিপতিদের নাম মনে রাখার জন্য এটাই ছিল টোটকা। সেই সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে বহুকাল। কিন্তু, সেই ‘ব্যামো’ সারেনি। পরিবারতন্ত্রের ব্যামো!
লোকসভার তথ্যই বলছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ পরিবারতন্ত্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে এমন সংসদ সদস্যের সংখ্যাটা কংগ্রেসের তুলনায় বিজেপিতে দাঁড়িয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। বিজেপির ২০ জন এবং কংগ্রেসের ৮ জন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পরিসংখ্যান ঘেঁটে যে তথ্য তুলে এনেছেন তাতে স্পষ্ট, পরিবারের গুরুত্বকে উপেক্ষা করতে পারছে না বিজেপিও। পরিবারতন্ত্রের প্রভাব যথেষ্ট আঞ্চলিক দলগুলিতেও। ত্রয়োদশ লোকসভায় বিজেপি শরিক শিরোমণি অকালি দলে সংখ্যাটা শতকরা ৫০। রাষ্ট্রীয় লোক দলেও তাই। জেডিইউয়ে ২২ শতাংশ। ফারুক আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্সে ২০ ও নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দলে ১৮ শতাংশ। পরিবারতন্ত্র কায়েম করার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলোও পিছিয়ে নেই। উত্তরপ্রদেশের যাদব পরিবারও কম যায় না। মুলায়ম সিংহ পরিবারে অনেক কোন্দল থাকলেও উত্তরপ্রদেশের ‘যাদববংশ’-ই দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক পরিবার। চমকে যেতে হয় যাদব পরিবারের বংশতালিকা দেখলে। সেখানে সবাই নেতা, সবাই বড় বড় দায়িত্বে। যে কোনও নির্বাচনেও ‘নেতাজি’ মুলায়ম সিং যাদবের গোটা পরিবারই অংশ নেয়। ছেলে অখিলেশ থেকে ছেলের বউ ডিম্পল, অপর্ণারা রাজনীতির সামনের সারিতে। এছাড়াও, ভাই, ভাইপো, ভাইপো বউ, শ্যালক — কাউকেই রাজনৈতিক ‘মধুভাণ্ড’ থেকে বঞ্চিত করেননি মুলায়ম সিং যাদব। অন্যদিকে, বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের পরিবারের দিকে তাকান। মেয়ে মিশা ভারতী থেকে ছেলে তেজস্বী যাদব — কেউ বিধায়ক তো কেউ সংসদ সদস্য। রামবিলাস পাশোয়ানের সংসদ সদস্য ছেলে চিরাগ বাদ যাবে কেন। তাঁকেও দলের টিকিট দেওয়া হয়েছে এবারের লোকসভা ভোটে। উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রীয় লোকদল প্রধান অজিত সিং নিজে এবার ভোটে লড়ছেন। তার সঙ্গেই ছেলে জয়ন্ত চৌধুরীকে ভোটে লড়াই করার সুযোগ করে দিয়েছেন। গজওয়েল বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর)-এর বিধানসভা কেন্দ্র। তাঁর হয়ে গোটাটাই সামলান ভাগ্নে হরিশ রাও। সিদ্দিপেট বিধানসভা থেকে রেকর্ড ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন হরিশ। চন্দ্রশেখর টিআরএসের কার্যকরী সভাপতি পদে তাঁর ছেলে তথা মন্ত্রিসভার সদস্য কে টি রামা রাওকে ইতিমধ্যে নিযুক্ত করে দিয়েছেন। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী নিজামাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছেন মেয়ে কে কবিতাকে। তামিলনাড়ুতে প্রয়াত জননেতা করুনানিধির পরিবারের পরিবারতন্ত্র কি কোনও অংশে গান্ধী পরিবারের থেকে কম? ডিএমকের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন একাধিক নেতা-মন্ত্রীর ছেলে-মেয়েরা। প্রার্থী করা হয়েছে প্রয়াত ডিএমকে সুপ্রিমো এম করুণানিধির কন্যা কানিমোঝি, প্রপৌত্র প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারান, পার্টির শীর্ষ নেতা দুরাই মুরুগানের ছেলে ডি এম কাথির আনন্দ, অপর শীর্ষ নেতা আর্কোট এন বীরস্বামীর ছেলে ডা. কলানিধি বীরস্বামী, বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী কে পোনমুডির ছেলে গৌতম সিগামানিদের। বারামতীতে যেমন শরদ পাওয়ারের উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে দলের সাংসদ। এ বারও ভোটে তিনি লড়ছেন। ওড়িশায় বিজু পট্টনায়েক পরিবার, পাঞ্জাবে অমরিন্দর সিংয়ের পরিবার, উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীর ভাই-ভাইপো। বালাসাহেব থ্যাকারেও এই রাজনীতিই করেছেন শিবসেনায়। সেখান থেকে আলাদা হয়েও এই সংস্কৃতির মধ্যে কোনও ভুল দেখে না এমএনএস। এমন উদাহরণ আরও আছে, আরও অনেক। ভারতে পরিবারতন্ত্রের এই গল্প শেষ হবার নয়। ফলে খাতায়-কলমে দেশের বহু লোকসভা আসন কখনও কংগ্রেস, কখনও বিজেপি, কখনও বা আঞ্চলিক দলগুলির হাতে গেলেও বাস্তবে এগুলি দলের হাতে নয়, থেকে যায় কয়েকটি পরিবারের হাতেই। ফলে পরিবারতন্ত্র চলছেই। জলে নেমে কুমিরের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন বালক নরেন্দ্র। এ কাহিনী গুজরাত জানে। এই কাহিনী প্রধানমন্ত্রীর সব জীবনীকারই তাঁদের বইতে লিখেছেন। আজকের নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি নিয়মিত স্নান করতেন বরানগরের শর্মিষ্ঠা সরোবরে। লোকে বলত, ওই সরোবরে অনেক কুমির রয়েছে। কিন্তু , সেই সব সাবধানবাণীকে পাত্তা না দিয়েই শর্মিষ্ঠা সরোবরে নিয়মিত এপার-ওপার করত বালক নরেন্দ্র। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। যে কাহিনী শোনা যায়, তাতে ওই সরোবরের মাঝখানে ছিল একটি কৃষ্ণ মন্দির। প্রবল বৃষ্টিতে সেবার গোটা মন্দিরটাই জলের নীচে চলে যায়। এমনকী, তার চূড়ায় যে গেরুয়া পতাকা ছিল সেটাও জলে ভেসে যায়। নিয়ম ছিল, সেই পতাকা বছরের একটি বিশেষ দিনে বদলাতে হবে। কিন্তু সেই পতাকা ভেসে গেলে কী হবে? গ্রামের অকল্যাণ হবে না তো! গোটা গ্রামেই ছিল আতঙ্ক। কিন্তু তার থেকেও বড় আতঙ্ক ছিল কুমির নিয়ে। কে নামবে জলে? সাহসী বালক নরেন্দ্র কিছু না ভেবেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পুরনো পতাকা নামিয়ে নতুন গৈরিক পতাকা বসিয়ে দিয়ে এসেছিলেন মন্দিরের চূড়ায়। আর তখনই জল থেকে ওঠার সময় তুলে নিয়ে এসেছিল জ্যান্ত কুমির ছানা। সকলে চিৎকার করে উঠছিল—‘ফেলে দে ফেলে দে।’ ফেলেও দিয়েছিলেন সবার কথা শুনে। পরে নাকি নরেন্দ্র বলেছিলেন, ‘মগর মাছ মানে যে ভয়ঙ্কর ব্যাপার, সেটা বুঝতে পারিনি।’
সেই নরেন্দ্র দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সত্যি সত্যিই হাঙর ধরেছেন। ভারতীয় রাজনীতিতে রাজনৈতিক ‘হাঙর’ পরিবারতন্ত্রের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর দলেও যে পরিবারতন্ত্র জাঁকিয়ে বসে আছে, তার উদাহরণও তো ভূরি ভূরি। নিজের দলের অন্দরে সেই পরিবারতন্ত্রের মূল কি উপড়ে ফেলার সাহস দেখাবেন? ভোট প্রচারে সেই প্রশ্নও যে মোদির পিছু নিয়েছে!
21st  April, 2019
২১ জুলাই সমাবেশ: মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক বাংলা
শুভা দত্ত

ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে বড়সড় সমাবেশের আয়োজন করে তাঁর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বিশদ

ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ্য রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি।
বিশদ

20th  July, 2019
জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিশদ

20th  July, 2019
অ্যাপোলো ৫০: গো ফর দ্য মুন
মৃণালকান্তি দাস

 মই বেয়ে লুনার মডিউল ঈগল থেকে চাঁদের বুকে নামতে নামতে নিল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘একজন মানুষের এই একটি পদক্ষেপ হবে মানবজাতির জন্য এক বিরাট অগ্রযাত্রা।’ সেই ছিল চাঁদের বুকে মানুষের প্রথম পদচিহ্ন আর মানবজাতির সেদিনের প্রমিথিউস ছিলেন নিল আর্মস্ট্রং। চাঁদের বুকে নিলের পা ফেলার মাধ্যমে মানুষ চাঁদকে জয় করেছিল।
বিশদ

19th  July, 2019
বাঙালির যে সংস্কৃতি হারিয়ে গেল
জিষ্ণু বসু

ইদানীং রাজ্যে একটা গেল গেল রব শোনা যাচ্ছে। বাঙালি তার সংস্কৃতি হারাচ্ছে। বিজেপি ও আরএসএসের দৌরাত্ম্যে বাংলা যে চেহারা নিচ্ছে সেটা এ রাজ্যের সংস্কৃতির পরিপন্থী। বাঙালি বড়জোর ‘জয়দুর্গা’ বলতে পারে, কিন্তু ‘জয় শ্রীরাম’ বলার প্রশ্নই ওঠে না।
বিশদ

18th  July, 2019
পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। 
বিশদ

16th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আরএসএস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার।
বিশদ

15th  July, 2019
সাত শতাংশ বৃদ্ধির ফাঁদে
পি চিদম্বরম

 কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটগুলির মধ্যে ২০১৯-২০ সালের বাজেট স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত জট খুলল। মানুষের মধ্যে এই বাজেট নিয়ে কিংবা আগের বাজেট প্রস্তাবটি নিয়ে কোনও আলোচনা নেই। অতিশয় ধনীরা (সুপার রিচ ৬৪৬৭) বিরক্ত, তবুও ভয়ে স্পিকটি নট। ধনীদের স্বস্তি এখানেই যে তাঁদের রেয়াত করা হয়ে থাকে।
বিশদ

15th  July, 2019
একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

 বিশ্বের চারদিক থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশিরভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক আর কাকে বলে।
বিশদ

14th  July, 2019
বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়।
বিশদ

13th  July, 2019
ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি? বিশদ

12th  July, 2019
মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

 কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
বিশদ

11th  July, 2019
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ২০ জুলাই (পিটিআই): আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তান। এরপরেও পাকিস্তানের উপর থেকে সন্দেহ যাচ্ছে না আমেরিকার। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রবীণ এক কর্তাব্যক্তি শুক্রবার জানিয়েছেন, আগেও হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছিল ইসলামাবাদ। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আগামী ২৩ জুলাই থেকে এক সপ্তাহ ধরে বীরভূম জেলাজুড়ে বিস্তারক বর্গ কমসূচিতে নামতে চলেছে বিজেপি। তবে গতবছর বিস্তারক কর্মসূচিতে মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা তুলে ধরে প্রচার করা হয়েছিল।   ...

সংবাদাতা, রায়দিঘি: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। তাই বৃষ্টি যাতে দ্রুত আসে, সেই কারণে ধুমধাম করে ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে হুগলির চাঁপদানির ডালহৌসি জুটমিলে কাজ শুরু হল। শুক্রবার বিকেলে একাংশের কর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর রাতে কারখানার সমস্ত কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি সময় ধরে কাজের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী
একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভাস্থলের প্রস্তুতি পর্ব ...বিশদ

20-07-2019 - 05:54:05 PM

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বৈঠক, মিলল না রফাসূত্র

20-07-2019 - 05:05:54 PM

ইন্দোনেশিয়া ওপেন: চেন ইউ ফেইকে হারিয়ে ফাইনালে পি ভি সিন্ধু 

20-07-2019 - 04:32:32 PM

শীলা দীক্ষিত প্রয়াত 
প্রয়াত দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিত। ...বিশদ

20-07-2019 - 04:12:00 PM

মমতাকে ফোন অমিত শাহর 
কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর পর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হতে চলেছেন জগদীপ ধানকর। এদিন ...বিশদ

20-07-2019 - 03:24:53 PM

১২৮২৭ হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস আজ বিকেল ৪:৫০ মিনিটের বদলে সন্ধ্যা ৬টায় হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

20-07-2019 - 03:09:36 PM