Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়। কিন্তু এবার প্রথম পর্ব তো বটেই, পরের পর্বেও অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের ভোটেও চিরচেনা ঝামেলা-ঝঞ্ঝাটের ছবিটা তেমনভাবে দেখা গেল না। প্রায় সর্বত্রই ভোটপর্ব মিটল শান্তিতে, পুলিস, আধাসেনা ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের কড়া নজরদারিতে। এজন্য কমিশন কর্তাদের এবং রা‌জ্য প্রশাসনের একটা ধন্যবাদ অবশ্য প্রাপ্য। কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনক এই যে, সেই শান্তি-সম্প্রীতির বাতাবরণের সুর কাটল চোপড়ায়—সেখানে সারাদিন ধরে প্রবল উত্তেজনা, বোমাবাজি, ইটপাটকেল, ভোটারদের ভয় দেখানো, ইভিএম ভাঙচুর, পুলিস, র‌্যাফ, আধাসেনার দৌড়াদৌড়ি-ছুটোছুটি, কাঁদানেগ্যাস, লাঠিচার্জে সরগরম হয়ে রইল ভোটযুদ্ধের ময়দান। শুধু তাই নয়, গণ্ডগোলের মধ্যে গুলি চলেছে—এমন অভিযোগও উড়ে এল স্থানীয় সাধারণের মহল থেকে! এই ঝামেলায় কারও প্রাণ যায়নি ঠিকই, তবে যতদূর খবর, আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। গণ্ডগোলের জেরে বেশ কয়েকটি বুথে ভোটগ্রহণ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত করে দিতেও হয়েছে। অবশ্য, নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সময়োচিত সহযোগিতায় দুষ্কৃতী উপদ্রুত বুথগুলোতেও শেষপর্যন্ত ভোট মিটেছে শান্তিতেই। তবে, একথা অনস্বীকার্য—বৃহস্পতিবারের শান্তিপূর্ণ ভোটের আবহে মারমুখী চোপড়ার ভূমিকা অনেকটা একমন দুধে একফোঁটা চোনার মতো হয়ে রইল। শুধু চোপড়া কেন আরও অন্তত দুটি জায়গায় দুটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে—রায়গঞ্জ কেন্দ্রের ইসলামপুরে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় আর গোয়ালপোখরে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কয়েকজন।
এটুকু ছাড়া সত্যি বলতে কী, আর একটিও ঝামেলার ঘটনা বৃহস্পতিবার চোখে পড়েনি। এটা প্রকৃত অর্থেই সাধারণ মানুষের কাছে যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। গত পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা নিয়ে অনেক কথা তুলেছিলেন এ রাজ্যের বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রশাসন পুলিসের নামে অজস্র অপবাদ দাখিল করেছিলেন জনতার দরবারে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী শাসক তৃণমূলের প্রার্থীদের নিয়ে অনেক কটাক্ষও করেছিলেন। তাঁদের প্রতিবাদ আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছিল। কিন্তু তাতেও পঞ্চায়েত স্তরে মমতার ব্যাপক জনপ্রীতি বা তৃণমূলের একাধিপত্যে কোথাও কোনও টান পড়েনি।
আর এবারের ভোট তো এখনও প্রায় ঘটনাশূন্য। দু’পর্ব মিলিয়ে যেটুকু ঘটেছে তা সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রগুলির মোট আয়তন, জনসংখ্যা, জটিল রাজনৈতিক বিন্যাস ও যুযুধান পক্ষগুলির মধ্যবর্তী আবেগ উত্তেজনার ব্যাপ্তি ও তীব্রতার নিরিখে সামান্যই বলতে হবে। কিন্তু সেটি সরাসরি স্বীকার করলে প্রকারান্তরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর প্রশাসন-পুলিসের দক্ষতা যোগ্যতাকেই স্বীকৃতি দিতে হয়। সেটা আর পাঁচজনের পক্ষে সম্ভব হলেও সিপিএম বা তার সমমনোভাবাপন্নদের পক্ষে অসম্ভব। তাই, সিপিএমের মুখপত্র দ্বিতীয় দফার পরদিন প্রথম পাতায় সেলিমের হেনস্তা ও চোপড়ার ঝামেলার কথা উল্লেখ করেও লিখতে বাধ্য হয়েছে ‘ভোট-লুঠেরাদের হার মানুষের জেদের কাছে!’ ‘মানুষের জেদ’কে সামনে এনে শান্তির ব্যাপারটা যেন এড়াতে চেয়েছে, ঊহ্য রাখতে চেয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোটে কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী, মমতা-প্রশাসন ও পুলিসের সদর্থক ভূমিকাটিও! মজার ব্যাপার, এই লিড খবরের সঙ্গের ছবিতে ভোটের লাইনে নিশ্চিন্তমুখে দাঁড়ানো সারিবদ্ধ মহিলা ভোটার ও একজন পুলিসের ছবির ক্যাপশনে এঁরাই লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, ভোট করছে সেই রাজ্য পুলিসই।’ তাহলে সব মিলিয়ে মানেটা কী দাঁড়াল? মানুষের জেদের কাছেই হোক, কি নিরাপত্তা বাহিনীর দাপটে ‘ভোট-লুঠেরারা’ বৃহস্পতিবার যে কায়দা করতে পারেনি—সেটি সত্যি, গণশক্তিও মেনেছে। অর্থাৎ ভোট হয়েছে নির্বিঘ্নে এবং তাতে মানুষ যে রাজ্য পুলিসের তত্ত্বাবধানেও নিশ্চিন্তে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে পেরেছে গণশক্তির প্রথম পাতার ওই ছবি ও তার ক্যাপশনই তার প্রমাণ—নয় কি?
অবশ্যই। বলতে কী, প্রথম দুই পর্বের নির্বাচনী যুদ্ধের সামগ্রিক ছবিটা দেখার পর জনমনেও ভোট নিয়ে ভয় ভাবনার ক্রমবর্ধমান পারদ যে একটু থমকেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। পথেঘাটে লোকজনের আলাপ-আলোচনা শুনলেই সেটা বোঝা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্যের পুলিসের ওপরও তাঁদের আস্থা যে দুই পর্বের ভোটচিত্র দেখার পর অনেকটাই বেড়েছে—সাধারণ জনের কথাবার্তা থেকে সেটাও বেশ স্পষ্ট। এই আমজনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো? বৃহস্পতিবারের পর থেকে আমার পরিচিত একাধিক জনের মুখে ঘুরেফিরে এই প্রশ্নটাই শুনেছি। পরের পর্বে নব্বই শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিস থাকবে বলে খবর চাউর হতে তাঁদের যেন মনের জোর আরও বেড়েছে। একজন তো বলেই ফেললেন, এবার আর টেনশন নেই। বউ-ছেলেমেয়ে নিয়ে দিদির ভোটটা নিশ্চিন্তে দিতে পারব। যা সব শুরু হয়েছিল! এসব তো কোনওকালে এ রাজ্যে আমরা দেখিনি। যাক, মনে হচ্ছে অসুবিধা হবে না।
আসলে, এবারের ভোট শুরুর বহু আগে থেকেই, বলা ভালো সেই রামনবমীর অস্ত্রমিছিলের পর থেকেই, রাজ্যজুড়ে সাধারণ ঘরে একটা চিন্তার বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। গেরুয়া শিবিরের শক্তি বৃদ্ধি এবং শাসক তৃণমূলের সঙ্গে তার হাড্ডাহাড্ডি রাজনৈতিক লড়াইয়ের আয়োজন উদ্‌যোগ সেই চিন্তাকে আরও ঘনীভূত করে তুলছিল। তারপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোদি-বিরোধী জাতীয় জোটের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে ওঠার পর থেকে যেভাবে জননেত্রী ও তাঁর বাংলা দিল্লির শাসকের নিশানা হয়ে উঠেছে তাতে এবার লোকসভার ভোটযুদ্ধের ময়দানে একটা ধুন্ধুমার মহাসংগ্রামের আভাসও ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাগ্‌যু঩দ্ধে প্রাক্‌঩ভোটের আসর রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল বলা যায়। সেই পরিস্থিতি এখনও বহাল এবং ভোটযুদ্ধের শেষপর্ব অবধি বজায় থাকবে বলেই মনে করছেন সকলে। একটা সময় তো এই বাগ্‌যু঩দ্ধের প্রচণ্ডতায় মনে হচ্ছিল মোদিজির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী নন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসল লড়াই মোদি বনাম দিদির, মোদিজির গেরুয়া বাহিনীর সঙ্গে মমতার নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের। আর সে লড়াইয়ের প্রধান ক্ষেত্র এই বাংলা! ফলে, সাধারণ জনমনে ভোটের আগে-পরে এবং ভোটের দিনে সংঘাত সংঘর্ষ নিয়ে একটা আশঙ্কার মেঘ যে জমছিল তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু, পর পর দুই পর্বের শান্ত ও প্রায় নির্বিঘ্ন ভোট তাঁদের মন থেকে যে সেই শঙ্কার কালো মেঘ অনেকটাই হালকা করে দিতে পেরেছে তা অনস্বীকার্য। এখন তাই তাঁদের একটাই প্রশ্ন, একটাই জিজ্ঞাসা—এই শান্তি শেষপর্ব পর্যন্ত বজায় থাকবে তো? থাকবেই এটা নিশ্চিত করে কেউই এখনই বলতে পারবেন বলে মনে হয় না। তার কারণ আজ ভোট ময়দানে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূল এবং বিজেপি হলেও অপ্রধান অনেক আছে। তার মধ্যে ৩৪ বছর বাংলায় রাজ চালানো সিপিএম এবং তার শরিকেরা যেমন আছে, তেমনি আছে বহুদিন ক্ষমতাচ্যুত কংগ্রেসও। আছে নানা ছোটখাট কিন্তু বিপজ্জনক শক্তিও। ভোটটা তো একটা যুদ্ধই—রাজনৈতিক যুদ্ধ। আর কে না জানে যুদ্ধে, প্রেমে কোনও কিছুই ‘আনফেয়ার’ অর্থাৎ অন্যায্য অন্যায় নয়। সোজা কথায়—মারি অরি পারি যে কৌশলে। ঠিকই, ভোটটা দেশের পরবর্তী শাসক নির্বাচনের। দেশ শাসনের ভার পেতে প্রধান পক্ষগুলির যে রথী-মহারথীরা মহাসংগ্রামে নেমেছেন তাঁদের ভোটদাতাদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তাঁদের নিরাপত্তার জন্য চিন্তাভাবনা অবশ্যই আছে। কিন্তু, তাঁদের বাইরেও তো অনেক সুযোগসন্ধানী এই ভোটযুদ্ধের আনাচকানাচে ঘাপটি মেরে থাকতে পারে। পুলিস, গোয়েন্দা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদাসতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে তারা ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট পাকাবার চেষ্টা করতেই পারে। তাই, এখনই শেষ নিয়ে শেষকথা বলতে যাওয়া মনে হয় না সঠিক হবে। তবে, একথা ঠিক ভোটের প্রথম দুই পর্ব আমাদের মনে যথেষ্ট আশা জাগিয়েছে। আশ্বস্ত করেছে বাংলার ভোটজনতাকেও। এখন দেখার ভোটযুদ্ধের ময়দানে এই শান্তি ও সম্প্রীতির আবহ শেষপর্ব পর্যন্ত বজায় থাকে কি না, পরবর্তী পর্যায়গুলোতে বাংলার সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসতে পারেন কি না। মমতার উন্নয়নের বিশ্ববাংলা যেমন গোটা দেশে নজির গড়েছে, জগৎসভা থেকে নিয়ে এসেছে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা, তেমনি তাঁর এই ভোটবাংলাও শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে এবার দেশে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—শান্তির দুই পর্বের পর বাংলার জনমহলে এমন একটা প্রত্যাশা কিন্তু জেগেছে। সে প্রত্যাশা শেষপর্যন্ত কতটা পূরণ হবে তা বলবে সময়। বলবে শেষ দফার শেষ বিকেল। আমরা অপেক্ষায় রইলাম।
21st  April, 2019
 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
এবার ভোটে যে-কথা কেউ বলেনি
শুভা দত্ত

 ভোটপর্ব শেষ হয়ে এল। সামনের রবিবারেই ভোটগ্রহণ শেষ। প্রচারও শেষ হল। বৈশাখের দহন জ্বালা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপ। মারদাঙ্গা, ভাঙচুর, ব্যক্তিগত আক্রমণ, সবই চলছে। এবার একটা বড় ইস্যু দেশের সুরক্ষা। তার সঙ্গে দুর্নীতি, বেকারত্ব, চাষিদের দুর্দশা এসবও আছে। কিন্তু একটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলেনি। বিষয়টি হল বায়ুদূষণ। বিশদ

17th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: নিজের জীবনের অন্তত ২০ বছর বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলোর মাধ্যমে কাটিয়েছেন। কখনও কাবাডি নিয়ে মেতে উঠেছিলেন, আবার কখনও ভলিবল খেলায় উৎসাহ জুগিয়েছিলেন। যদিও ফুটবল তাঁর প্রিয় খেলা। ...

 নয়াদিল্লি ও মুম্বই, ২৪ মে (পিটিআই): মোদি-ঝড়ে দ্বিতীয় দিনেও চাঙ্গা শেয়ার বাজার। শুক্রবার ৬২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৩৯ হাজার ৪৩৪.৭২ পয়েন্টে পৌঁছল বম্বে শেয়ার বাজার সূচক সেনসেক্স। ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: ব্যবধান মাত্র তিন বছরের। তার মধ্যেই হাওড়া সদর লোকসভার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রেই তৃণমূলের জয়ের মার্জিন অনেকখানি কমল। যদিও শতাংশের হারে তৃণমূলের ভোট না কমলেও সিপিএমের ভোট প্রায় সবটাই বিজেপির বাক্সে গিয়েছে। ...

 লন্ডন, ২৪ মে: বল বিকৃতি কাণ্ডের জেরে এক বছর ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন তিনি। তবু ব্যাটের ধার এতটুকু কমেনি ডেভিড ওয়ার্নারের। বরং নির্বাসন কাটিয়ে ঢের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,১৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ৩/৪১ দিবা ৬/২৬। শ্রবণা ১৩/১৪ দিবা ১০/১৫। সূ উ ৪/৫৭/০, অ ৬/৯/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ষষ্ঠী ২/১০/২৫ দিবা ৫/৪৮/৪৮। শ্রবণানক্ষত্র ১২/৪০/১৪ দিবা ১০/০/৪৪, সূ উ ১/২৯/৫, অ ৬/১১/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৬ গতে ৬/১২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/০ গতে ৭/৪২ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১/১৩/৪১ গতে ২/৫৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৬/৩ মধ্যে ও ৪/৩২/৩১ গতে ৬/১১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩২/৩০ মধ্যে ও ৩/৩৬/২ গতে ৪/৫৬/৩১ মধ্যে।
১৯ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির জেরে শিয়ালদহ, হাওড়া শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল 

08:32:13 PM

মালদহে তৃণমূল জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নুর 

05:55:00 PM

ভোটে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচন কমিশন: মমতা 

05:51:40 PM

নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে সিপিএম: মমতা 

05:47:13 PM

আগামী ৩১ তারিখ ফের বৈঠকে বসব: মমতা 

05:42:00 PM

পাহাড়ে গৌতম দেবকে সরিয়ে অমর সিং রাইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে: মমতা 

05:41:00 PM