Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই
শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো?
শুভা দত্ত

দ্বিতীয় দফাও শেষ। লোকসভা ভোটযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্বও মোটের ওপর শান্তিতেই মিটল। গত বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও রায়গঞ্জ—এই তিন আসনে ভোটের লড়াইতে একমাত্র ব্যতিক্রম হয়ে রইল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া! বাংলার ভোটে রক্তারক্তি, মারামারি, বোমাগুলি, খুনোখুনি কোনও নতুন কথা নয়। কিন্তু এবার প্রথম পর্ব তো বটেই, পরের পর্বেও অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের ভোটেও চিরচেনা ঝামেলা-ঝঞ্ঝাটের ছবিটা তেমনভাবে দেখা গেল না। প্রায় সর্বত্রই ভোটপর্ব মিটল শান্তিতে, পুলিস, আধাসেনা ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের কড়া নজরদারিতে। এজন্য কমিশন কর্তাদের এবং রা‌জ্য প্রশাসনের একটা ধন্যবাদ অবশ্য প্রাপ্য। কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনক এই যে, সেই শান্তি-সম্প্রীতির বাতাবরণের সুর কাটল চোপড়ায়—সেখানে সারাদিন ধরে প্রবল উত্তেজনা, বোমাবাজি, ইটপাটকেল, ভোটারদের ভয় দেখানো, ইভিএম ভাঙচুর, পুলিস, র‌্যাফ, আধাসেনার দৌড়াদৌড়ি-ছুটোছুটি, কাঁদানেগ্যাস, লাঠিচার্জে সরগরম হয়ে রইল ভোটযুদ্ধের ময়দান। শুধু তাই নয়, গণ্ডগোলের মধ্যে গুলি চলেছে—এমন অভিযোগও উড়ে এল স্থানীয় সাধারণের মহল থেকে! এই ঝামেলায় কারও প্রাণ যায়নি ঠিকই, তবে যতদূর খবর, আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। গণ্ডগোলের জেরে বেশ কয়েকটি বুথে ভোটগ্রহণ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত করে দিতেও হয়েছে। অবশ্য, নির্বাচন কমিশনের তৎপরতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সময়োচিত সহযোগিতায় দুষ্কৃতী উপদ্রুত বুথগুলোতেও শেষপর্যন্ত ভোট মিটেছে শান্তিতেই। তবে, একথা অনস্বীকার্য—বৃহস্পতিবারের শান্তিপূর্ণ ভোটের আবহে মারমুখী চোপড়ার ভূমিকা অনেকটা একমন দুধে একফোঁটা চোনার মতো হয়ে রইল। শুধু চোপড়া কেন আরও অন্তত দুটি জায়গায় দুটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে—রায়গঞ্জ কেন্দ্রের ইসলামপুরে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিমের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় আর গোয়ালপোখরে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কয়েকজন।
এটুকু ছাড়া সত্যি বলতে কী, আর একটিও ঝামেলার ঘটনা বৃহস্পতিবার চোখে পড়েনি। এটা প্রকৃত অর্থেই সাধারণ মানুষের কাছে যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। গত পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা নিয়ে অনেক কথা তুলেছিলেন এ রাজ্যের বিরোধীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রশাসন পুলিসের নামে অজস্র অপবাদ দাখিল করেছিলেন জনতার দরবারে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী শাসক তৃণমূলের প্রার্থীদের নিয়ে অনেক কটাক্ষও করেছিলেন। তাঁদের প্রতিবাদ আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছিল। কিন্তু তাতেও পঞ্চায়েত স্তরে মমতার ব্যাপক জনপ্রীতি বা তৃণমূলের একাধিপত্যে কোথাও কোনও টান পড়েনি।
আর এবারের ভোট তো এখনও প্রায় ঘটনাশূন্য। দু’পর্ব মিলিয়ে যেটুকু ঘটেছে তা সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রগুলির মোট আয়তন, জনসংখ্যা, জটিল রাজনৈতিক বিন্যাস ও যুযুধান পক্ষগুলির মধ্যবর্তী আবেগ উত্তেজনার ব্যাপ্তি ও তীব্রতার নিরিখে সামান্যই বলতে হবে। কিন্তু সেটি সরাসরি স্বীকার করলে প্রকারান্তরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর প্রশাসন-পুলিসের দক্ষতা যোগ্যতাকেই স্বীকৃতি দিতে হয়। সেটা আর পাঁচজনের পক্ষে সম্ভব হলেও সিপিএম বা তার সমমনোভাবাপন্নদের পক্ষে অসম্ভব। তাই, সিপিএমের মুখপত্র দ্বিতীয় দফার পরদিন প্রথম পাতায় সেলিমের হেনস্তা ও চোপড়ার ঝামেলার কথা উল্লেখ করেও লিখতে বাধ্য হয়েছে ‘ভোট-লুঠেরাদের হার মানুষের জেদের কাছে!’ ‘মানুষের জেদ’কে সামনে এনে শান্তির ব্যাপারটা যেন এড়াতে চেয়েছে, ঊহ্য রাখতে চেয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোটে কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী, মমতা-প্রশাসন ও পুলিসের সদর্থক ভূমিকাটিও! মজার ব্যাপার, এই লিড খবরের সঙ্গের ছবিতে ভোটের লাইনে নিশ্চিন্তমুখে দাঁড়ানো সারিবদ্ধ মহিলা ভোটার ও একজন পুলিসের ছবির ক্যাপশনে এঁরাই লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, ভোট করছে সেই রাজ্য পুলিসই।’ তাহলে সব মিলিয়ে মানেটা কী দাঁড়াল? মানুষের জেদের কাছেই হোক, কি নিরাপত্তা বাহিনীর দাপটে ‘ভোট-লুঠেরারা’ বৃহস্পতিবার যে কায়দা করতে পারেনি—সেটি সত্যি, গণশক্তিও মেনেছে। অর্থাৎ ভোট হয়েছে নির্বিঘ্নে এবং তাতে মানুষ যে রাজ্য পুলিসের তত্ত্বাবধানেও নিশ্চিন্তে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে পেরেছে গণশক্তির প্রথম পাতার ওই ছবি ও তার ক্যাপশনই তার প্রমাণ—নয় কি?
অবশ্যই। বলতে কী, প্রথম দুই পর্বের নির্বাচনী যুদ্ধের সামগ্রিক ছবিটা দেখার পর জনমনেও ভোট নিয়ে ভয় ভাবনার ক্রমবর্ধমান পারদ যে একটু থমকেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। পথেঘাটে লোকজনের আলাপ-আলোচনা শুনলেই সেটা বোঝা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্যের পুলিসের ওপরও তাঁদের আস্থা যে দুই পর্বের ভোটচিত্র দেখার পর অনেকটাই বেড়েছে—সাধারণ জনের কথাবার্তা থেকে সেটাও বেশ স্পষ্ট। এই আমজনতার এখন একটাই জিজ্ঞাসা: এই শান্তি শেষপর্যন্ত বজায় থাকবে তো? বৃহস্পতিবারের পর থেকে আমার পরিচিত একাধিক জনের মুখে ঘুরেফিরে এই প্রশ্নটাই শুনেছি। পরের পর্বে নব্বই শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিস থাকবে বলে খবর চাউর হতে তাঁদের যেন মনের জোর আরও বেড়েছে। একজন তো বলেই ফেললেন, এবার আর টেনশন নেই। বউ-ছেলেমেয়ে নিয়ে দিদির ভোটটা নিশ্চিন্তে দিতে পারব। যা সব শুরু হয়েছিল! এসব তো কোনওকালে এ রাজ্যে আমরা দেখিনি। যাক, মনে হচ্ছে অসুবিধা হবে না।
আসলে, এবারের ভোট শুরুর বহু আগে থেকেই, বলা ভালো সেই রামনবমীর অস্ত্রমিছিলের পর থেকেই, রাজ্যজুড়ে সাধারণ ঘরে একটা চিন্তার বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল। গেরুয়া শিবিরের শক্তি বৃদ্ধি এবং শাসক তৃণমূলের সঙ্গে তার হাড্ডাহাড্ডি রাজনৈতিক লড়াইয়ের আয়োজন উদ্‌যোগ সেই চিন্তাকে আরও ঘনীভূত করে তুলছিল। তারপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোদি-বিরোধী জাতীয় জোটের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে ওঠার পর থেকে যেভাবে জননেত্রী ও তাঁর বাংলা দিল্লির শাসকের নিশানা হয়ে উঠেছে তাতে এবার লোকসভার ভোটযুদ্ধের ময়দানে একটা ধুন্ধুমার মহাসংগ্রামের আভাসও ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাগ্‌যু঩দ্ধে প্রাক্‌঩ভোটের আসর রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল বলা যায়। সেই পরিস্থিতি এখনও বহাল এবং ভোটযুদ্ধের শেষপর্ব অবধি বজায় থাকবে বলেই মনে করছেন সকলে। একটা সময় তো এই বাগ্‌যু঩দ্ধের প্রচণ্ডতায় মনে হচ্ছিল মোদিজির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী নন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসল লড়াই মোদি বনাম দিদির, মোদিজির গেরুয়া বাহিনীর সঙ্গে মমতার নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের। আর সে লড়াইয়ের প্রধান ক্ষেত্র এই বাংলা! ফলে, সাধারণ জনমনে ভোটের আগে-পরে এবং ভোটের দিনে সংঘাত সংঘর্ষ নিয়ে একটা আশঙ্কার মেঘ যে জমছিল তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু, পর পর দুই পর্বের শান্ত ও প্রায় নির্বিঘ্ন ভোট তাঁদের মন থেকে যে সেই শঙ্কার কালো মেঘ অনেকটাই হালকা করে দিতে পেরেছে তা অনস্বীকার্য। এখন তাই তাঁদের একটাই প্রশ্ন, একটাই জিজ্ঞাসা—এই শান্তি শেষপর্ব পর্যন্ত বজায় থাকবে তো? থাকবেই এটা নিশ্চিত করে কেউই এখনই বলতে পারবেন বলে মনে হয় না। তার কারণ আজ ভোট ময়দানে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ তৃণমূল এবং বিজেপি হলেও অপ্রধান অনেক আছে। তার মধ্যে ৩৪ বছর বাংলায় রাজ চালানো সিপিএম এবং তার শরিকেরা যেমন আছে, তেমনি আছে বহুদিন ক্ষমতাচ্যুত কংগ্রেসও। আছে নানা ছোটখাট কিন্তু বিপজ্জনক শক্তিও। ভোটটা তো একটা যুদ্ধই—রাজনৈতিক যুদ্ধ। আর কে না জানে যুদ্ধে, প্রেমে কোনও কিছুই ‘আনফেয়ার’ অর্থাৎ অন্যায্য অন্যায় নয়। সোজা কথায়—মারি অরি পারি যে কৌশলে। ঠিকই, ভোটটা দেশের পরবর্তী শাসক নির্বাচনের। দেশ শাসনের ভার পেতে প্রধান পক্ষগুলির যে রথী-মহারথীরা মহাসংগ্রামে নেমেছেন তাঁদের ভোটদাতাদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তাঁদের নিরাপত্তার জন্য চিন্তাভাবনা অবশ্যই আছে। কিন্তু, তাঁদের বাইরেও তো অনেক সুযোগসন্ধানী এই ভোটযুদ্ধের আনাচকানাচে ঘাপটি মেরে থাকতে পারে। পুলিস, গোয়েন্দা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদাসতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে তারা ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট পাকাবার চেষ্টা করতেই পারে। তাই, এখনই শেষ নিয়ে শেষকথা বলতে যাওয়া মনে হয় না সঠিক হবে। তবে, একথা ঠিক ভোটের প্রথম দুই পর্ব আমাদের মনে যথেষ্ট আশা জাগিয়েছে। আশ্বস্ত করেছে বাংলার ভোটজনতাকেও। এখন দেখার ভোটযুদ্ধের ময়দানে এই শান্তি ও সম্প্রীতির আবহ শেষপর্ব পর্যন্ত বজায় থাকে কি না, পরবর্তী পর্যায়গুলোতে বাংলার সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসতে পারেন কি না। মমতার উন্নয়নের বিশ্ববাংলা যেমন গোটা দেশে নজির গড়েছে, জগৎসভা থেকে নিয়ে এসেছে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা, তেমনি তাঁর এই ভোটবাংলাও শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে এবার দেশে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—শান্তির দুই পর্বের পর বাংলার জনমহলে এমন একটা প্রত্যাশা কিন্তু জেগেছে। সে প্রত্যাশা শেষপর্যন্ত কতটা পূরণ হবে তা বলবে সময়। বলবে শেষ দফার শেষ বিকেল। আমরা অপেক্ষায় রইলাম।
21st  April, 2019
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ভোট
শুভা দত্ত

 সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে দু’টি দফার ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যে সমাপ্ত। এই নির্বাচনে সাত দফায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৯০ কোটি মানুষ। এক্ষেত্রে একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য হল, এখন দেশে ৫৬ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত। তাদের সিংহভাগ তরুণ-তরুণী। তারা নিয়মিত ফেসবুক, ট্যুইটার আর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে খবর দেওয়া নেওয়া করে।
বিশদ

মোদিজি বনাম ইস্তাহার
পি চিদম্বরম

ভারতে প্রতিটি লোকসভার নির্বাচনই অনন‌্য, এমনকী যদি প্রধান দুই প্রতিপক্ষ পুরনোও থাকে। একটি কারণ হল, দুটি নির্বাচনের মাঝে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বাদে বাকি রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলে ফেলে।
বিশদ

22nd  April, 2019
কংগ্রেস তো পরিবারকেন্দ্রিক দল, বাকিরা?
মৃণালকান্তি দাস

‘কংগ্রে একটি পরিবারকেন্দ্রিক দল। কংগ্রেসের বেশিরভাগ সভাপতিই নেহরু-গান্ধী পরিবার থেকে এসেছেন। এটা থেকেই বোঝা যায়, এই দলে গণতন্ত্র নেই, একটা বিশেষ পরিবারই এই দল চালায়। বছরের পর বছর ধরে এই পরিবার শুধু নিজেদের উন্নতির কথা ভেবেছে, দেশের উন্নতির কথা ভাবেনি।’
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতিবেশীর চোখে ভারতের নির্বাচন
গৌরীশঙ্কর নাগ

বস্তুত আশ্চর্যজনক হলেও পাকিস্তানের তরফে ভারতের নির্বাচনকে সর্বদাই দেখা হয়েছে তাদের জাতীয় স্বার্থের নিরিখে, বিশেষত কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ঘুঁটি সাজানোর ‘গেম প্ল্যান’ হিসেবে। প্রসঙ্গত স্মরণীয়, ১৯৬২ সালের সীমান্ত-সংঘাতের পর থেকে কাশ্মীরের ৩৮,০০০ বর্গকিমি চীনের দখলে রয়েছে। তদুপরি ১৯৬৩ সালে চীনের সঙ্গে সীমান্ত-বোঝাপড়ার মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের ৫,১৮০ বর্গ কিমি চীনকে ছেড়ে দেয়। এখন ভারতের হাতে থাকা অবশিষ্টাংশও পাকিস্তান কব্জা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই ভারতের লোকসভা নির্বাচন পাকিস্তানের কাছে মুসলিমপক্ষীয় বা মুসলিম-বিরোধী এমন অক্ষ গঠনের তাৎপর্যের নিরিখে নয়; পাকিস্তান এ ব্যাপারে অবহিত যে, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৭.২২ কোটি (২০১১ সেনসাস অনুযায়ী)। সেক্ষেত্রে পাক হামলায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাও ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
বিশদ

20th  April, 2019
তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ও
বিরোধীদের অনৈক্য
রঞ্জন সেন

এবারের ভোটে ফিরে এসেছে এক পুরনো বিতর্ক। তা হল কোনটা ঠিক—একদলীয় শাসন না বহুদলীয় সরকার? আমাদের দেশ দুরকম অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে। দুরকম শাসনেরই স্বপক্ষে ও বিপক্ষে বলার মত নানা কথা আছে। তাই এককথায় এর উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ মানুষ দুরকম সরকারেরই ভালো-খারাপ দুটি দিকই দেখেছেন।
বিশদ

20th  April, 2019
মধ্যবিত্তের ভোটচর্চা 

সমৃদ্ধ দত্ত: ভোট নিয়ে সবথেকে বেশি গল্প কারা করে? মধ্যবিত্ত। ভোট নিয়ে সারাদিন বন্ধুবান্ধব আর পরিচিতদের সঙ্গে ঝগড়া কারা করে? মধ্যবিত্ত। যে নেতানেত্রীরা তাঁদের চেনেনই না, তাঁদের হয়ে জানপ্রাণ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটবেলার বন্ধু কিংবা আত্মীয়স্বজন অথবা পরিচিত ফ্যামিলি ফ্রেণ্ডকে আক্রমণ করে কারা? মধ্যবিত্ত।  বিশদ

19th  April, 2019
কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে কিছু সহজ প্রশ্ন
শুভময় মৈত্র

সপ্তদশ লোকসভা গঠনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেল ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। সাত দফায় চলবে এই ভোট, ১৯ মে পর্যন্ত। তারপর ২৩ তারিখ ভোটফল। মোদি সরকার আবার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেটাই এবারের মূল প্রশ্ন। আপাতত বিভিন্ন সমীক্ষা যা খবর দিয়েছে তাতে সেই আশা একেবারে অলীক নয়।
বিশদ

18th  April, 2019
সেই প্রশ্নগুলির জবাব মিলছে না কেন?
মোশারফ হোসেন 

দেশজুড়ে রাজনীতির ময়দানে এই মুহূর্তে গনগনে আঁচ। রাজনীতির মাটি গরম। রাজনীতির বাতাস গরম। কারণ দেশে ভোট যে শুরু হয়ে গিয়েছে! ভোটগ্রহণ সব মিলিয়ে সম্পন্ন হবে সাত দফায়।  
বিশদ

16th  April, 2019
দুটি ইস্তাহারের গল্প
পি চিদম্বরম

গত ৮ এপ্রিল বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ হল কোনও প্রকার তূর্যনিনাদ ছাড়াই। বিজেপির পক্ষে এই যে নম্রতা একেবারে অস্বাভাবিক! বিজেপির নরম হওয়ার অনেক কারণ ছিল। 
বিশদ

15th  April, 2019
লোকসভা ২০১৯: বাংলার ভোটে
মমতাভক্তি ঠেকানো যাবে?
শুভা দত্ত

যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। ভোটযুদ্ধ ২০১৯। আগামী লোকসভার দখল কে নেবেন, আগামী পাঁচ বছর কার হাতে থাকবে দেশ-শাসনের ভার তার ফয়সালা হবে এই যুদ্ধের ময়দানে। গত বৃহস্পতিবার এ রাজ্যের সঙ্গে সারা দেশে শুরু হয়ে গেল সেই যুদ্ধ।
বিশদ

14th  April, 2019
দলগুলির ইস্তাহারে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা
ভবিষ্যতে সংকট ডেকে আনবে না তো?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে। আমাদের রাজ্যে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেস চতুর্মুখী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চার শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারগুলির তূলনামূলক পর্যালোচনা থেকে বেরিয়ে আসছে যে, প্রতিটি শিবিরই নাগরিকদের আরও বেশি করে রাষ্ট্রমুখী করতে চাইছে।
বিশদ

14th  April, 2019
জাতীয়তাবাদ আজ যে কানাগলিতে
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জ্যাক বারজুঁ (Jacque Barzun) ১৯৭২ সালে একুশ শতকে সন্ধান করার সময় যে, কথাটা বলেছিলেন, সেটা আজ এই সাতচল্লিশ বছর পর এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রযত্নে যে এমন সত্য হয়ে উঠবে, এটা কে জানত? জ্যাক বারজুঁ এক অ্যামেরিকান ঐতিহাসিক, যিনি বাহাত্তর সালে বলেছিলেন যে, অতীতের রাজনৈতিক ‘বাদ’ (ism) যা যা বোঝাত, সেইরকম কোনও ‘বাদ’ টিকে না থাকলেও একমাত্র জাতীয়তাবাদ অতি অদ্ভুতভাবে টিকে আছে।
বিশদ

13th  April, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 জিয়াং (চীন), ২২ এপ্রিল: এশিয়ান কুস্তি প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রত্যাশা বেশি ওলিম্পিক ব্রোঞ্জ জয়ী সাক্ষী মালিক ও বিশ্বের একনম্বর বজরং পুনিয়াকে ঘিরে। মঙ্গলবার থেকে এই প্রতিযোগিতা ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি লোকসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রিগিং করতে পারছেন না। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও সুদৃঢ পদক্ষেপ দিদির রিগিং প্রক্রিয়ায় বড়সড় আঘাত হেনেছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারপিট চলার সময় ভাইয়ের ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে যান দাদা। যোধপুর পার্কের তালতলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উপার্জন বেশ ভালো হলেও ব্যয়বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। শরীর খুব একটা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব বই দিবস
১৬১৬ -ইংরেজী সাহিত্য তথা বিশ্বসাহিত্যের প্রথম সারির নাট্যকার ও সাহিত্যিক উইলিয়াম শেক্সপীয়রের জন্ম
১৯৪১ - বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী রে টমলিনসনের জন্ম
১৯৬৯: অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ির জন্ম
১৯৯২: সত্যজিৎ রায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৮ টাকা ৯২.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৯৮ টাকা ৭৯.৯৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩১, ৯৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৩৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৮১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭, ৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭, ৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
21st  April, 2019

দিন পঞ্জিকা

৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ১৪/৩৫ দিবা ১১/৪। জ্যেষ্ঠা ৩০/৫ অপঃ ৫/১৬। সূ উ ৫/১৪/২০, অ ৫/৫৫/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ গতে ১০/১৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে ৫/৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৪৯ গতে ৮/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২০ গতে ৮/৪৫ মধ্যে।
৯ বৈশাখ ১৪২৬, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, চতুর্থী ২০/১৭/২৩ দিবা ১/২১/৪৫। জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ৩৫/৫৫/৫৪ রাত্রি ৭/৩৭/১০, সূ উ ৫/১৪/৪৮, অ ৫/৫৭/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১০/১৫ মধ্যে ও ১২/৫১ গতে ২/৩৫ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৫/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৭ মধ্যে ও ৯/০ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫০/৬ গতে ৮/২৫/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১১/১৮ গতে ২/৪৬/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২১/৫৪ গতে ৮/৪৬/৩৬ মধ্যে।
১৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: সিএসকের সামনে ১৭৬ রানের টার্গেট খাড়া করল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ  

09:37:59 PM

 আইপিএল: হায়দরাবাদ ৯১/১ (১০ ওভার)

08:50:51 PM

গুরদাসপুরে সানি দেওলকে প্রার্থী করল বিজেপি 

08:08:03 PM

টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠাল সিএসকে 

07:36:29 PM

বিধানসভা উপনির্বাচন: দার্জিলিংয়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রার্থী বিনয় তামাং 

06:06:23 PM

মনোনয়ন জমা দিলেন পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌতম গম্ভীর 

06:03:24 PM