Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইমেজ বদল
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছু কিছু ফলাফল বড় গোলমেলে হয়। এই যেমন এবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বহু আসনে এভাবে হেরে গেলেন সেটা নিয়ে বিস্তর ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, ময়নাতদন্ত চলছে। হওয়াই সঙ্গত। এইসব ব্যাখ্যা থেকে যেটা স্পষ্ট বোঝা গেল যে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছে না। তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভই এই ফলাফলের কারণ। এটা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করার প্রশ্নই নেই। একদম ঠিক। বিজেপি খুব উল্লসিত। হওয়ারই কথা। এই বিপুল সাফল্য আশাতীত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানুষ ভোট দেননি এই নিয়ে যতটা সময় ব্যয় করা হচ্ছে, তার থেকে তো বেশি চর্চা হওয়া উচিত উল্টোটা নিয়ে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও এত বিপুল পরিমাণ ভোট পেলেন কেন? বিজেপির উচিত এই মেগা সাফল্যে ভেসে না গিয়ে এই দিকটাও একটু ভাবা। মমতার বিরুদ্ধে মানুষের এই তীব্র ক্রোধ থাকা সত্ত্বেও এবারও এক নম্বর দল কেন তৃণমূল। কীভাবে সম্ভব? এটা বিজেপির কাছে ভাবনার বিষয় আগামী সাফল্যের জন্য। খুব সরল উত্তর অনেকেই দেবেন। রিগিং! বিজেপি ৩৯ শতাংশ। তৃণমূল ৪৩ শতাংশ। শুধুই রিগিং? যেসব কেন্দ্রে তৃণমূল জয়ী হয়েছে সেরকম অনেক এলাকা থেকে কিন্তু সারাদিন ধরে টিভি চ্যানেলে রিগিং এর খবর আসেনি। সুতরাং নেহাত রিগিং বলে মমতার ওইসব কেন্দ্রের জয়গুলিকে এড়িয়ে গেলে চ্যালেঞ্জার হিসেবে বিজেপি ভুল করবে। বিরোধীদের বক্তব্য, মমতাকে মানুষ পছন্দ করছে না। অথচ মমতার দল এবারও এক নম্বর স্থানে। ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে। তার মানে তো এখনও মমতাপন্থী মানুষই সিংহভাগ। অন্তত পরিসংখ্যান তো সেরকমই বলে। তাঁরা কারা? তাঁরা কেন মমতাকে এখনও এই তীব্র বিরোধিতার সময়ও তাঁর দলকেই ভোট দিচ্ছেন? শুধুই রিগিং এবং মুসলিম ভোট বলে প্রশ্নটি পাশ কাটিয়ে গেলে সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে না সম্ভবত। নিরপেক্ষ পর্যালোচনা দরকার। এই বিপুল মমতা বিরোধী ক্রোধের মধ্যেও যদি মমতা এক নম্বর স্থানেই থেকে যান, তাহলে তো আগামীদিনে তাঁকে পরিপূর্ণভাবে হারানো কঠিন হয়ে যাবে। কারণ অত্যন্ত স্বাভাবিক যে আগামীদিনে তিনি এই ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেককিছুই আবার মেরামতি করার মরিয়া চেষ্টা করবেন। যদিও সেটা আদৌ কতটা সম্ভব তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করছেন। সুতরাং ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলার রাজনৈতিক দাবাখেলাটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
বিজেপির ইমেজটি বেশ গোলমেলে। বিজেপির জনপ্রিয়তা ক্রমেই আকাশ স্পর্শ করছে। হু হু করে ভোট বাড়ছে। দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে অন্য দলের নেতানেত্রী, বিধায়ক, কাউন্সিলর। দল তৈরি হওয়ার ৩৯ বছরেও বিজেপির কাছে এই সাফল্য আসেনি। বিজেপির এই বিপুল সাফল্যের কারিগর হিসেবে মোদি ম্যাজিক ছাড়া সংগঠনগতভাবে কাকে প্রতিভাত করা হচ্ছে? মুকুল রায়কে। কে মুকুল রায়? একদা কংগ্রেসি, পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম স্ট্র্যাটেজিস্ট। অর্থাৎ ৩৯ বছরে বিজেপি বাংলায় নিজেদের কোনও স্ট্র্যাটেজিস্ট ও রাজনৈতিক রণকৌশলে নিপুণ নেতা তৈরি করতে পারেনি। সেই অভাব পূরণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এক প্রাক্তন নেতা। একদিকে স্ট্র্যাটেজিস্ট মুকুল রায়। আবার দলের প্রভাব ও উপস্থিতি এক ধাক্কায় একটা গোটা মহকুমায় প্রবলভাবে বেড়ে গেল কার বদান্যতায়? অর্জুন সিং। তিনি আসার আগে পর্যন্ত ওই মহকুমাজুড়ে বিজেপির এই রমরমা ছিল না। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও তৃণমূল থেকে আসা এক নেতাই গোটা চিত্রটা বদলে দিলেন। সাফল্য তাঁর। উপরের দিকে যখন এই চিত্র, তখন নিচুতলায় ঠিক কেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে? ভোটের পর রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল করে ফেলছে বিজেপি ঝান্ডাহাতে নিচুতলার কর্মীরা। এবং সেই পার্টি অফিস দখল, আগুন দেওয়ার ধরণটা দেখেই স্পষ্ট একেবারেই সিপিএমের মার্কামারা ছাপ। অর্থাৎ বিজেপির হয়ে সামনের সারিতে যারা সন্ত্রাসে নেমেছে তারা আসলে প্রাক্তন সিপিএম বাহিনী। এসব তারা বাম আমলে বহু করেছে। আবার এতদিন পর বিজেপির জয়ের দৌলতে প্রিয় কাজ পেয়ে তারা খুব উৎসাহ পেয়েছে। তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে। বিজেপিকে মানুষ ঢেলে ভোট দিয়েছে কোনও নেতানেত্রীর কথা না ভেবেই। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে। কিন্তু তারপরই দেখা যাচ্ছে সেই তৃণমূলের বিধায়ক, কাউন্সিলার, নেতারাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে চলেছেন। অর্থাৎ বিজেপির উপরতলার অংশটির দখল নিচ্ছেন তৃণমূল থেকে আসা নেতারা। আর নিচুতলায় রাজত্ব করতে গেরুয়া ঝান্ডা হাতে সুযোগ নিচ্ছে সিপিএমের শক্তিশালী বাহিনী। এই যে দল থেকে যোগদান করানো হচ্ছে এর অন্যতম বার্তা হল বিজেপি স্বীকার করে নিচ্ছে তাদের কাছে সংঘ পরিবারের আদর্শে গড়ে ওঠা প্রভাবশালী নেতা নেই যাঁকে বিধায়ক, কাউন্সিলার, এমপি করা যায়। এর বিপক্ষে অবশ্যই যুক্তি আছে। সেটি হল তৃণমূল তো ঠিক এই রাজনীতিটাই করেছে। তারাও তো অন্য দলকে ভেঙে এনে দলে নিয়েছে। একদম ঠিক। কিন্তু তার মানে তো আবার তৃণমূলের থেকেই রাজনৈতিক শিক্ষায় প্রশিক্ষিত হতে হচ্ছে বিজেপিকে। তারা তৃণমূলের থেকে পৃথক হলেন কীভাবে? আজ বিজেপি যদি তৃণমূলের দেখানো পথেই হাঁটে, তাহলে তো স্বীকার করে নেওয়া হল যে তৃণমূল এসব ঠিক করেছিল। ভুল করেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেষ দফায় রাজ্যে প্রচারে এসে যখন বলছেন তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমাদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে এক তীব্র উল্লাস ছড়িয়েছিল। এবার বিজেপি কর্মীদের ভাবার সময় এসেছে যদি প্রধানমন্ত্রীর সেই কথা সত্যিও হয় এবং আগামীদিনে তৃণমূলের দলে দলে বিধায়ক বিজেপিতে চলেও আসেন, তার মানে আগামীদিনে তৃণমূল বিধায়করাই বিজেপি বিধায়ক হবেন। কাউন্সিলাররাই কাউন্সিলার হবেন। বিজেপি নেতাদের একাংশ বলছেন, এসব সংশয় অমূলক। কারণ আগে তৃণমূলকে দুর্বল করতে হবে। অর্থাৎ এটা একটা কৌশল। সিংহভাগ বিধায়কদের বিজেপিতে নিয়ে এসে অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে বিধানসভায় হারিয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতাচ্যুত করা। সময়সীমার আগেই ভোট। বিজেপির অঙ্ক সেই ভোটে জিতে এসে সরকার গঠন করবে পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু ততদিন পর্যন্ত দলের একনিষ্ঠ কর্মীদের কাছে দলীয় নীতি আদর্শের ইমেজ রক্ষাই সবথেকে বড় কাজ এটা মাথায় রাখতে হবে।
বাঙালির রাজনৈতিক অবস্থান বেশ গোলমেলে। মমতা বিরোধীদের সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তাঁরা স্বীকার করেন, না না, কাজ হয়নি এটা বলব না। কাজ হয়েছে। প্রচুর কাজ হয়েছে। তাহলে মমতার বিরোধী কেন তাঁরা। কারণ তৃণমূলের দাদাগিরি, সিণ্ডিকেট, দুর্নীতি। এসবও তো ঠিক। জেলা, মহকুমা, পাড়ায় পাড়ায় এই ক্ষোভ বিদ্যমান। রাজনৈতিক দল তো বিরোধিতা করবেই, মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ক্ষোভ শিক্ষা নিয়ে আর চাকরি প্রার্থীদের। তারই বিপুল প্রতিফলন হয়েছে। কিন্তু এগুলোই কি একমাত্র কারণ? বিজেপিকে ধন্যবাদ যে বিজেপি এবার ভোটে প্রমাণ করিয়ে দিয়েছে এসব মোটেই মমতা বিরোধিতার একমাত্র কারণ নয়। সবথেকে বেশি যেটি কারণ, সেটি এবার জানা যাচ্ছে ভোটের পর সমীক্ষায়। অর্থাৎ পোস্ট পোল সার্ভে। লোকনীতি-সি এস ডি এস সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোট হয়েছে সম্পূর্ণ ধর্মীয় মেরুকরণে (দ্য হিন্দু- লোকনীতি-সি এস ডি এস সার্ভে, ২৮ মে, ২০১৯)। সেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলায় ৫৭ শতাংশ হিন্দু ভোটার ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাত্র ৩২ শতাংশ হিন্দুর ভোট পেয়েছেন। উল্টোদিকে মমতা পেয়েছেন মুসলিমদের মধ্যে ৭০ শতাংশ ভোট। বিজেপি পেয়েছে ৪ শতাংশ। সামগ্রিক আপার কাস্ট অর্থাৎ উচ্চবর্ণের ভোটও বিজেপি পেয়েছে ৫৭ শতাংশ। মমতা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ। অর্থাৎ মমতা মুসলিমকে তোষণ করেন এই প্রচারই মমতা বিরোধী বাঙালি সবথেকে বেশি গ্রহণ করেছেন। ওসব বিকাশ, উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা হল ছদ্মকারণ। মুখ্য কারণ মুসলিমভীতি অথবা দ্বেষ। তাই বিজেপি এবার বাঙালি জাতিকে নতুন করে আবিষ্কার করার কৃতিত্বের অধিকারী। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ অত্যন্ত সঠিকভাবে অনুধাবন করেছেন যে রবীন্দ্রজয়ন্তী, নেতাজি জন্মদিনে প্রভাত ফেরি, কল্পতরু উৎসবে দক্ষিণেশ্বর যাওয়া, বইমেলার ভিড়, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে নেহরু যুব কেন্দ্রে সেমিনার এসব সংস্কৃতি সংস্কৃতি খেলার পাশাপাশি বাঙালির বৃহৎ অংশের অন্যতম জোরদার আইডেন্টিটি হিসেবে প্রোথিত হয়েছে হিন্দুত্ব। অর্থাৎ এবারের ভোট একদিকে যেমন হয়েছে প্রো মমতা বনাম অ্যান্টি মমতা অ্যাজেণ্ডায়, ঠিক তেমনই হয়েছে প্রো হিন্দুত্ব বনাম সেকুলার মনোভাবের। সেকুলার মনোভাবাপন্নদের হিন্দুত্ববাদীরা আবার প্রো মুসলিম তকমা দিয়ে থাকেন। সেকুলারদের নিয়ে বিদ্রুপ করা হয়। সেকুলার শব্দটি সংবিধানে রয়েছে। অর্থাৎ সংবিধানকে বিদ্রুপ করা হয়। তা হোক। এদিকে সিপিএমকে আদ্যন্ত একটি মমতা বিরোধী পার্টিতে পরিণত করেছেন স্বয়ং মমতা সেকথা পুরোদস্তুর প্রমাণ হল। কারণ সিপিএমের বিরাট অংশের সমর্থকদের কাছে সমাজতন্ত্র নয়, মেহনতী মানুষের হয়ে আন্দোলন নয়, সর্বহারার একনায়কতন্ত্র নয়, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ব্রিগেড চলো স্লোগান নয়, আমরা আবার ক্ষমতায় ফিরব নয়, এসবকে ছাপিয়ে একমাত্র মনের মন্ত্র ছিল মমতাকে হারাও! তাই সিপিএম সমর্থকরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। যদিও সকলে নয়। এখনও সিপিএমে নিবেদিত প্রাণ ভোট আছে। যতই হাসাহাসি করা হোক, ওই সাড়ে ৫ শতাংশ সিপিএম ভোট, যা এখনও তাদের কাছে আছে, সেটা কিন্তু অবশ্যই উপেক্ষণীয় নয়। এবং একমাত্র আরএসএস জানে যে ওই সাড়ে ৫ শতাংশ বেশ বিপজ্জনক। বিজেপির আগামীদিনের প্রচারের প্রধান গ্রহণযোগ্য প্রতিপাদ্য হতে চলেছে কেন্দ্রে মোদি সরকার এবং রাজ্যেও যদি বিজেপি সরকার হয় তাহলে এই প্রথম বাংলায় সত্যিকারের উন্নয়নের জোয়ার আসবে। সুতরাং মোদির বাংলার বিকাশযাত্রার প্রতিশ্রুতি ও বাঙালির হিন্দুত্ববাদের যোগফলকে সঙ্গে নিয়েই বিজেপি এগতে চাইবে পরবর্তী লক্ষ্যপূরণে।
প্রশ্ন হল, তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্যর্থ নেত্রী? ১৯৮৪ সালে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন তিনি যা অবিশ্বাস্য! একটানা সাতবার এমপি। দু’বার রেলমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারে যুবকল্যাণ, ক্রীড়া, কয়লা, শিশু ও নারীকল্যাণ মন্ত্রী। একাই কংগ্রেসকে শূন্য করে দিয়ে বেরিয়ে এসে মাত্র ২০ বছরের মধ্যে সর্ববৃহৎ দলে পরিণত হয়েছেন। সিপিএমের ৩৪ বছরের শাসনকে একাই ধ্বংস করেছেন। ২০১১, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৯...একের পর এক নির্বাচনে এখনও তিনিই সর্ববৃহৎ দল। এই কেরিয়ার আর কার আছে? সুতরাং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিনিশ, এখনই একথা বলা বোধহয় একটু প্রিম্যাচিওর হয়ে যাবে। তিনি বহুবার খাদের কিনারা থেকে ফিরেছেন।
২০১৯ সালের ভোট সবথেকে বেশি যেটা দেখিয়েছে সেটা ইমেজবদল। বাংলার রাজনীতি ক্রমেই ইমেজ বদল করছে। বাঙালি দৃপ্ত ভঙ্গিতে লিবারাল-সেকুলার ইমেজ ছেড়ে এই প্রথম সরবে হিন্দুত্বে পর্যবসিত হয়েছে। বিজেপি ক্রমেই সংঘ কাঠামোর ইমেজ বদলে তৃণমূল তৃণমূল দেখতে হয়ে যাচ্ছে। বামপন্থা ইমেজ বদলে রামপন্থায় প্রবেশ করেছে। উন্নয়নের পক্ষে বিপক্ষে ভোট আজকাল হয় না। স্রেফ প্রোপাগাণ্ডা আর ইমেজে হয়। সত্যি অথবা মিথ্যা, ভোটে জেতার প্রধান মন্ত্র এখন ইমেজ বিল্ডিং ও প্রচারযন্ত্র! বিভিন্ন কার্যকলাপ, মন্তব্য, আচরণ ও সিদ্ধান্তে মমতা ও তাঁর দলের সম্পর্কে যে সামগ্রিক একটা বিরূপ ইমেজ তৈরি হয়েছে সেটাই তাঁর পরাজয়ের প্রধান কারণ। দেখা যাচ্ছে কাজকে হারিয়ে দিয়েছে ইমেজ। সুতরাং ঘুরে দাঁড়াতে হলে তাঁকে সেই ইমেজ ভাঙতে হবে। যা ভোটে জেতার থেকেও অনেক শক্ত! অতএব ভোটের লড়াই নয়, মমতার এবার আসল চ্যালেঞ্জ ইমেজবদলের! তিনি কি পারবেন ফিরে আসতে? আমরা বলার কে? আমরা অতি সহজেই জাজমেন্ট দিয়ে ফেলি। আমরা এই আমজনতা সামান্য নিজেদের পারিবারিক, সাংসারিক, পেশাগত সমস্যাই বছরের পর বছর মেটাতে পারি না। অথচ প্রতিনিয়ত কঠিন রাজনৈতিক সমস্যাগুলির সমাধান করি চোখের নিমেষে তর্কে,আড্ডায়, সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমরা নেতানেত্রীদের নিয়ে সিরিয়াস আলোচনা করি, গলা ফাটাই। কিন্তু তাঁরা আমাদের সিরিয়াসলি নেন কি?
31st  May, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
একনজরে
গোপাল মিস্ত্রি, শিলিগুড়ি, বিএনএ: এরাজ্যের অন্যতম ভিআইপি ট্রেন দার্জিলিং মেলের যাত্রাপথ শিলিগুড়ি জংশন পর্যন্ত সম্প্রসারণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জবরদখল। রেলকর্তৃপক্ষের বক্তব্য, অনেক আগেই এনজেপির পরিবর্তে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিকেন্দ্রীকৃত কাউন্সেলিংয়ের দ্বিতীয় দিনেই ভরে গেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সব আসন। যদিও আর্কিটেকচার এবং ফার্মাসিতে হাতে গোনা কয়েকটি আসনই খালি রয়ে গিয়েছে। অনলাইন কাউন্সেলিংয়ের পর মোট ২৬১টি আসন ফাঁকা ছিল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি পাঠ্যক্রম থেকে পড়াশোনা, তাও ডায়াবেটিসের মতো এখন প্রায় প্রতিটি গৃহস্থবাড়িতে থাকা অসুখের মোকাবিলায় পড়াশোনা করেও সরকারি স্তরে কাজের সুযোগ নেই। এমনকী রাজ্য সরকার নির্দিষ্টস্তরের কর্মী বা ‘ক্যাডার’ হিসেবেও গণ্য করছে না। এমনই অভিযোগ চার মেডিক্যাল কলেজ ...

 লে, ১৮ আগস্ট (পিটিআই): ৩৭০ ধারা খারিজ নিয়ে সংসদে তাঁর ভাষণ নজর কেড়েছিল। এমনকী সোনিয়া গান্ধীকে পর্যন্ত মন দিয়ে শুনতে দেখা গিয়েছিল প্রথমবারের এই বিজেপি সাংসদের ভাষণ। তিনি লাদাখ থেকে নির্বাচিত এমপি জামিয়াং সেরিং নামগিয়াল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে। মাথা ও কোমরে সমস্যা হতে পারে। উপার্জন ভাগ্য শুভ নয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মনুষ্যত্ব দিবস
১৯৪০: পরিচালক গোবিন্দ নিহালনির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা উৎপল দত্তের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৮১ টাকা ৮৭.৯৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৩ টাকা ৮০.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
17th  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
18th  August, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ৫৫/৩০ রাত্রি ৩/৩০। উত্তরভাদ্রপদ ৩৬/১৫ রাত্রি ৭/৪৮। সূ উ ৫/১৮/২২, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৮ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/১৭ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৪ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৪৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৪০ মধ্যে। 
১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ৪৭/৩৯/৪৭ রাত্রি ১২/২১/২৫। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র ৩২/১৮/৫৫ সন্ধ্যা ৬/১৩/৪, সূ উ ৫/১৭/৩০, অ ৬/৫/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ১০/২১ গতে ১২/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৪ মধ্যে ও ১১/১২ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ২/৫৩/১৮ গতে ৪/২৯/১৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৩/২৮ গতে ৮/২৯/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৭/২০ গতে ১১/৪১/২২ মধ্যে। 
১৭ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
২ দিনের সফরে দীঘায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

03:55:11 PM

নেতাজি মৃত্যু নিয়ে ট্যুইট প্রত্যাহার পিআইবির 

03:27:00 PM

নিউ মার্কেট এলাকায় বাড়ির একাংশ ভেঙে জখম ১ 

03:09:00 PM

রাজ্য নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় মালদহের প্রাক্তন জেলা সভাপতি সঞ্জিৎ মিশ্রকে বহিষ্কার করল বিজেপি 

02:02:28 PM

কোহলিদের খুনের হুমকি দিয়ে পাক বোর্ডে উড়ো মেল 
ভারতীয় ক্রিকেট দলের উপর হামলা হতে পারে এই মর্মে পাকিস্তান ...বিশদ

01:44:02 PM

বেলুড় স্টেশনে তরুণীকে ধারালো অস্ত্রের কোপ 
সাত সকালে বেলুড় স্টেশনে এক তরুণীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ...বিশদ

01:09:06 PM