Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইমেজ বদল
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছু কিছু ফলাফল বড় গোলমেলে হয়। এই যেমন এবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বহু আসনে এভাবে হেরে গেলেন সেটা নিয়ে বিস্তর ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, ময়নাতদন্ত চলছে। হওয়াই সঙ্গত। এইসব ব্যাখ্যা থেকে যেটা স্পষ্ট বোঝা গেল যে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছে না। তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রবল ক্ষোভই এই ফলাফলের কারণ। এটা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করার প্রশ্নই নেই। একদম ঠিক। বিজেপি খুব উল্লসিত। হওয়ারই কথা। এই বিপুল সাফল্য আশাতীত। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানুষ ভোট দেননি এই নিয়ে যতটা সময় ব্যয় করা হচ্ছে, তার থেকে তো বেশি চর্চা হওয়া উচিত উল্টোটা নিয়ে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও এত বিপুল পরিমাণ ভোট পেলেন কেন? বিজেপির উচিত এই মেগা সাফল্যে ভেসে না গিয়ে এই দিকটাও একটু ভাবা। মমতার বিরুদ্ধে মানুষের এই তীব্র ক্রোধ থাকা সত্ত্বেও এবারও এক নম্বর দল কেন তৃণমূল। কীভাবে সম্ভব? এটা বিজেপির কাছে ভাবনার বিষয় আগামী সাফল্যের জন্য। খুব সরল উত্তর অনেকেই দেবেন। রিগিং! বিজেপি ৩৯ শতাংশ। তৃণমূল ৪৩ শতাংশ। শুধুই রিগিং? যেসব কেন্দ্রে তৃণমূল জয়ী হয়েছে সেরকম অনেক এলাকা থেকে কিন্তু সারাদিন ধরে টিভি চ্যানেলে রিগিং এর খবর আসেনি। সুতরাং নেহাত রিগিং বলে মমতার ওইসব কেন্দ্রের জয়গুলিকে এড়িয়ে গেলে চ্যালেঞ্জার হিসেবে বিজেপি ভুল করবে। বিরোধীদের বক্তব্য, মমতাকে মানুষ পছন্দ করছে না। অথচ মমতার দল এবারও এক নম্বর স্থানে। ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে। তার মানে তো এখনও মমতাপন্থী মানুষই সিংহভাগ। অন্তত পরিসংখ্যান তো সেরকমই বলে। তাঁরা কারা? তাঁরা কেন মমতাকে এখনও এই তীব্র বিরোধিতার সময়ও তাঁর দলকেই ভোট দিচ্ছেন? শুধুই রিগিং এবং মুসলিম ভোট বলে প্রশ্নটি পাশ কাটিয়ে গেলে সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে না সম্ভবত। নিরপেক্ষ পর্যালোচনা দরকার। এই বিপুল মমতা বিরোধী ক্রোধের মধ্যেও যদি মমতা এক নম্বর স্থানেই থেকে যান, তাহলে তো আগামীদিনে তাঁকে পরিপূর্ণভাবে হারানো কঠিন হয়ে যাবে। কারণ অত্যন্ত স্বাভাবিক যে আগামীদিনে তিনি এই ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে অনেককিছুই আবার মেরামতি করার মরিয়া চেষ্টা করবেন। যদিও সেটা আদৌ কতটা সম্ভব তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করছেন। সুতরাং ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলার রাজনৈতিক দাবাখেলাটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
বিজেপির ইমেজটি বেশ গোলমেলে। বিজেপির জনপ্রিয়তা ক্রমেই আকাশ স্পর্শ করছে। হু হু করে ভোট বাড়ছে। দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে অন্য দলের নেতানেত্রী, বিধায়ক, কাউন্সিলর। দল তৈরি হওয়ার ৩৯ বছরেও বিজেপির কাছে এই সাফল্য আসেনি। বিজেপির এই বিপুল সাফল্যের কারিগর হিসেবে মোদি ম্যাজিক ছাড়া সংগঠনগতভাবে কাকে প্রতিভাত করা হচ্ছে? মুকুল রায়কে। কে মুকুল রায়? একদা কংগ্রেসি, পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম স্ট্র্যাটেজিস্ট। অর্থাৎ ৩৯ বছরে বিজেপি বাংলায় নিজেদের কোনও স্ট্র্যাটেজিস্ট ও রাজনৈতিক রণকৌশলে নিপুণ নেতা তৈরি করতে পারেনি। সেই অভাব পূরণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এক প্রাক্তন নেতা। একদিকে স্ট্র্যাটেজিস্ট মুকুল রায়। আবার দলের প্রভাব ও উপস্থিতি এক ধাক্কায় একটা গোটা মহকুমায় প্রবলভাবে বেড়ে গেল কার বদান্যতায়? অর্জুন সিং। তিনি আসার আগে পর্যন্ত ওই মহকুমাজুড়ে বিজেপির এই রমরমা ছিল না। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও তৃণমূল থেকে আসা এক নেতাই গোটা চিত্রটা বদলে দিলেন। সাফল্য তাঁর। উপরের দিকে যখন এই চিত্র, তখন নিচুতলায় ঠিক কেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে? ভোটের পর রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল করে ফেলছে বিজেপি ঝান্ডাহাতে নিচুতলার কর্মীরা। এবং সেই পার্টি অফিস দখল, আগুন দেওয়ার ধরণটা দেখেই স্পষ্ট একেবারেই সিপিএমের মার্কামারা ছাপ। অর্থাৎ বিজেপির হয়ে সামনের সারিতে যারা সন্ত্রাসে নেমেছে তারা আসলে প্রাক্তন সিপিএম বাহিনী। এসব তারা বাম আমলে বহু করেছে। আবার এতদিন পর বিজেপির জয়ের দৌলতে প্রিয় কাজ পেয়ে তারা খুব উৎসাহ পেয়েছে। তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে। বিজেপিকে মানুষ ঢেলে ভোট দিয়েছে কোনও নেতানেত্রীর কথা না ভেবেই। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে। কিন্তু তারপরই দেখা যাচ্ছে সেই তৃণমূলের বিধায়ক, কাউন্সিলার, নেতারাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে চলেছেন। অর্থাৎ বিজেপির উপরতলার অংশটির দখল নিচ্ছেন তৃণমূল থেকে আসা নেতারা। আর নিচুতলায় রাজত্ব করতে গেরুয়া ঝান্ডা হাতে সুযোগ নিচ্ছে সিপিএমের শক্তিশালী বাহিনী। এই যে দল থেকে যোগদান করানো হচ্ছে এর অন্যতম বার্তা হল বিজেপি স্বীকার করে নিচ্ছে তাদের কাছে সংঘ পরিবারের আদর্শে গড়ে ওঠা প্রভাবশালী নেতা নেই যাঁকে বিধায়ক, কাউন্সিলার, এমপি করা যায়। এর বিপক্ষে অবশ্যই যুক্তি আছে। সেটি হল তৃণমূল তো ঠিক এই রাজনীতিটাই করেছে। তারাও তো অন্য দলকে ভেঙে এনে দলে নিয়েছে। একদম ঠিক। কিন্তু তার মানে তো আবার তৃণমূলের থেকেই রাজনৈতিক শিক্ষায় প্রশিক্ষিত হতে হচ্ছে বিজেপিকে। তারা তৃণমূলের থেকে পৃথক হলেন কীভাবে? আজ বিজেপি যদি তৃণমূলের দেখানো পথেই হাঁটে, তাহলে তো স্বীকার করে নেওয়া হল যে তৃণমূল এসব ঠিক করেছিল। ভুল করেনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেষ দফায় রাজ্যে প্রচারে এসে যখন বলছেন তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমাদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে এক তীব্র উল্লাস ছড়িয়েছিল। এবার বিজেপি কর্মীদের ভাবার সময় এসেছে যদি প্রধানমন্ত্রীর সেই কথা সত্যিও হয় এবং আগামীদিনে তৃণমূলের দলে দলে বিধায়ক বিজেপিতে চলেও আসেন, তার মানে আগামীদিনে তৃণমূল বিধায়করাই বিজেপি বিধায়ক হবেন। কাউন্সিলাররাই কাউন্সিলার হবেন। বিজেপি নেতাদের একাংশ বলছেন, এসব সংশয় অমূলক। কারণ আগে তৃণমূলকে দুর্বল করতে হবে। অর্থাৎ এটা একটা কৌশল। সিংহভাগ বিধায়কদের বিজেপিতে নিয়ে এসে অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে বিধানসভায় হারিয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতাচ্যুত করা। সময়সীমার আগেই ভোট। বিজেপির অঙ্ক সেই ভোটে জিতে এসে সরকার গঠন করবে পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু ততদিন পর্যন্ত দলের একনিষ্ঠ কর্মীদের কাছে দলীয় নীতি আদর্শের ইমেজ রক্ষাই সবথেকে বড় কাজ এটা মাথায় রাখতে হবে।
বাঙালির রাজনৈতিক অবস্থান বেশ গোলমেলে। মমতা বিরোধীদের সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তাঁরা স্বীকার করেন, না না, কাজ হয়নি এটা বলব না। কাজ হয়েছে। প্রচুর কাজ হয়েছে। তাহলে মমতার বিরোধী কেন তাঁরা। কারণ তৃণমূলের দাদাগিরি, সিণ্ডিকেট, দুর্নীতি। এসবও তো ঠিক। জেলা, মহকুমা, পাড়ায় পাড়ায় এই ক্ষোভ বিদ্যমান। রাজনৈতিক দল তো বিরোধিতা করবেই, মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি ক্ষোভ শিক্ষা নিয়ে আর চাকরি প্রার্থীদের। তারই বিপুল প্রতিফলন হয়েছে। কিন্তু এগুলোই কি একমাত্র কারণ? বিজেপিকে ধন্যবাদ যে বিজেপি এবার ভোটে প্রমাণ করিয়ে দিয়েছে এসব মোটেই মমতা বিরোধিতার একমাত্র কারণ নয়। সবথেকে বেশি যেটি কারণ, সেটি এবার জানা যাচ্ছে ভোটের পর সমীক্ষায়। অর্থাৎ পোস্ট পোল সার্ভে। লোকনীতি-সি এস ডি এস সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে এবার ভোট হয়েছে সম্পূর্ণ ধর্মীয় মেরুকরণে (দ্য হিন্দু- লোকনীতি-সি এস ডি এস সার্ভে, ২৮ মে, ২০১৯)। সেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলায় ৫৭ শতাংশ হিন্দু ভোটার ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাত্র ৩২ শতাংশ হিন্দুর ভোট পেয়েছেন। উল্টোদিকে মমতা পেয়েছেন মুসলিমদের মধ্যে ৭০ শতাংশ ভোট। বিজেপি পেয়েছে ৪ শতাংশ। সামগ্রিক আপার কাস্ট অর্থাৎ উচ্চবর্ণের ভোটও বিজেপি পেয়েছে ৫৭ শতাংশ। মমতা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ। অর্থাৎ মমতা মুসলিমকে তোষণ করেন এই প্রচারই মমতা বিরোধী বাঙালি সবথেকে বেশি গ্রহণ করেছেন। ওসব বিকাশ, উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা হল ছদ্মকারণ। মুখ্য কারণ মুসলিমভীতি অথবা দ্বেষ। তাই বিজেপি এবার বাঙালি জাতিকে নতুন করে আবিষ্কার করার কৃতিত্বের অধিকারী। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ অত্যন্ত সঠিকভাবে অনুধাবন করেছেন যে রবীন্দ্রজয়ন্তী, নেতাজি জন্মদিনে প্রভাত ফেরি, কল্পতরু উৎসবে দক্ষিণেশ্বর যাওয়া, বইমেলার ভিড়, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে নেহরু যুব কেন্দ্রে সেমিনার এসব সংস্কৃতি সংস্কৃতি খেলার পাশাপাশি বাঙালির বৃহৎ অংশের অন্যতম জোরদার আইডেন্টিটি হিসেবে প্রোথিত হয়েছে হিন্দুত্ব। অর্থাৎ এবারের ভোট একদিকে যেমন হয়েছে প্রো মমতা বনাম অ্যান্টি মমতা অ্যাজেণ্ডায়, ঠিক তেমনই হয়েছে প্রো হিন্দুত্ব বনাম সেকুলার মনোভাবের। সেকুলার মনোভাবাপন্নদের হিন্দুত্ববাদীরা আবার প্রো মুসলিম তকমা দিয়ে থাকেন। সেকুলারদের নিয়ে বিদ্রুপ করা হয়। সেকুলার শব্দটি সংবিধানে রয়েছে। অর্থাৎ সংবিধানকে বিদ্রুপ করা হয়। তা হোক। এদিকে সিপিএমকে আদ্যন্ত একটি মমতা বিরোধী পার্টিতে পরিণত করেছেন স্বয়ং মমতা সেকথা পুরোদস্তুর প্রমাণ হল। কারণ সিপিএমের বিরাট অংশের সমর্থকদের কাছে সমাজতন্ত্র নয়, মেহনতী মানুষের হয়ে আন্দোলন নয়, সর্বহারার একনায়কতন্ত্র নয়, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ব্রিগেড চলো স্লোগান নয়, আমরা আবার ক্ষমতায় ফিরব নয়, এসবকে ছাপিয়ে একমাত্র মনের মন্ত্র ছিল মমতাকে হারাও! তাই সিপিএম সমর্থকরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। যদিও সকলে নয়। এখনও সিপিএমে নিবেদিত প্রাণ ভোট আছে। যতই হাসাহাসি করা হোক, ওই সাড়ে ৫ শতাংশ সিপিএম ভোট, যা এখনও তাদের কাছে আছে, সেটা কিন্তু অবশ্যই উপেক্ষণীয় নয়। এবং একমাত্র আরএসএস জানে যে ওই সাড়ে ৫ শতাংশ বেশ বিপজ্জনক। বিজেপির আগামীদিনের প্রচারের প্রধান গ্রহণযোগ্য প্রতিপাদ্য হতে চলেছে কেন্দ্রে মোদি সরকার এবং রাজ্যেও যদি বিজেপি সরকার হয় তাহলে এই প্রথম বাংলায় সত্যিকারের উন্নয়নের জোয়ার আসবে। সুতরাং মোদির বাংলার বিকাশযাত্রার প্রতিশ্রুতি ও বাঙালির হিন্দুত্ববাদের যোগফলকে সঙ্গে নিয়েই বিজেপি এগতে চাইবে পরবর্তী লক্ষ্যপূরণে।
প্রশ্ন হল, তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ব্যর্থ নেত্রী? ১৯৮৪ সালে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন তিনি যা অবিশ্বাস্য! একটানা সাতবার এমপি। দু’বার রেলমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারে যুবকল্যাণ, ক্রীড়া, কয়লা, শিশু ও নারীকল্যাণ মন্ত্রী। একাই কংগ্রেসকে শূন্য করে দিয়ে বেরিয়ে এসে মাত্র ২০ বছরের মধ্যে সর্ববৃহৎ দলে পরিণত হয়েছেন। সিপিএমের ৩৪ বছরের শাসনকে একাই ধ্বংস করেছেন। ২০১১, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৯...একের পর এক নির্বাচনে এখনও তিনিই সর্ববৃহৎ দল। এই কেরিয়ার আর কার আছে? সুতরাং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিনিশ, এখনই একথা বলা বোধহয় একটু প্রিম্যাচিওর হয়ে যাবে। তিনি বহুবার খাদের কিনারা থেকে ফিরেছেন।
২০১৯ সালের ভোট সবথেকে বেশি যেটা দেখিয়েছে সেটা ইমেজবদল। বাংলার রাজনীতি ক্রমেই ইমেজ বদল করছে। বাঙালি দৃপ্ত ভঙ্গিতে লিবারাল-সেকুলার ইমেজ ছেড়ে এই প্রথম সরবে হিন্দুত্বে পর্যবসিত হয়েছে। বিজেপি ক্রমেই সংঘ কাঠামোর ইমেজ বদলে তৃণমূল তৃণমূল দেখতে হয়ে যাচ্ছে। বামপন্থা ইমেজ বদলে রামপন্থায় প্রবেশ করেছে। উন্নয়নের পক্ষে বিপক্ষে ভোট আজকাল হয় না। স্রেফ প্রোপাগাণ্ডা আর ইমেজে হয়। সত্যি অথবা মিথ্যা, ভোটে জেতার প্রধান মন্ত্র এখন ইমেজ বিল্ডিং ও প্রচারযন্ত্র! বিভিন্ন কার্যকলাপ, মন্তব্য, আচরণ ও সিদ্ধান্তে মমতা ও তাঁর দলের সম্পর্কে যে সামগ্রিক একটা বিরূপ ইমেজ তৈরি হয়েছে সেটাই তাঁর পরাজয়ের প্রধান কারণ। দেখা যাচ্ছে কাজকে হারিয়ে দিয়েছে ইমেজ। সুতরাং ঘুরে দাঁড়াতে হলে তাঁকে সেই ইমেজ ভাঙতে হবে। যা ভোটে জেতার থেকেও অনেক শক্ত! অতএব ভোটের লড়াই নয়, মমতার এবার আসল চ্যালেঞ্জ ইমেজবদলের! তিনি কি পারবেন ফিরে আসতে? আমরা বলার কে? আমরা অতি সহজেই জাজমেন্ট দিয়ে ফেলি। আমরা এই আমজনতা সামান্য নিজেদের পারিবারিক, সাংসারিক, পেশাগত সমস্যাই বছরের পর বছর মেটাতে পারি না। অথচ প্রতিনিয়ত কঠিন রাজনৈতিক সমস্যাগুলির সমাধান করি চোখের নিমেষে তর্কে,আড্ডায়, সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমরা নেতানেত্রীদের নিয়ে সিরিয়াস আলোচনা করি, গলা ফাটাই। কিন্তু তাঁরা আমাদের সিরিয়াসলি নেন কি?
31st  May, 2019
বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা।
বিশদ

ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: জেলার সেচবাঁধ ও শর্ট কাট চ্যানেলগুলির অবস্থা খতিয়ে দেখে পঞ্চায়েত সমিতিগুলিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল জেলা প্রশাসন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্যে বর্ষা ঢুকবে বলে জেলা প্রশাসনের কর্তারা মনে করছেন। ...

  ফিলাডেলফিয়া ও লোয়া, ১৭ জুন (এপি): মার্কিন মুলুকে ফের বন্দুকবাজের হামলা। পার্টি চলাকালীন ফিলাডেলফিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক পড়ুয়ার। জখম হয়েছে আরও ৮ জন। রবিবার রাত সাড়ে ১০টার কিছুটা আগে সাউথ সেভেনটি স্ট্রিট এবং রিড বার্ড স্ট্রিটের কাছে ...

  চেন্নাই, ১৭ জুন: তামিলনাড়ু পুলিসের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বিশেষ রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন আইএস সমর্থনকারীকে গ্রেপ্তার করল বিশেষ তদন্তকারী শাখা (এনআইএ)। ওই তিনজন কোয়েম্বাটোরের বিভিন্ন ধর্মীয়স্থানে আত্মঘাতী হামলার ছক করেছিল বলে পুলিসের দাবি। ধৃতদের নাম মহম্মদ হুসেন, শাহজাহান এবং শেখ সইফুল্লা। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বিধানসভা ভোটের দিকে লক্ষ্য রেখে আলিপুরদুয়ারে জেলা জুড়ে ফের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামছে বিজেপি। কিভাবে এই সদস্য সংগ্রহ হবে তার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে দলের জেলা ও মণ্ডল কমিটির চার নেতার নাম কলকাতায় পাঠানো হয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দলাভ হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩৬- রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির মৃত্যু
১৯৮৭- পরিচালক হীরেন বসুর মৃত্যু
২০০৫- ক্রিকেটার মুস্তাক আলির মৃত্যু
২০০৯- প্রখ্যাত সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের মৃত্যু  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৯ টাকা ৭০.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৩৪ টাকা ৮৯.৫৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৯ টাকা ৭৯.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৩২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৬১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ২৩/৫৮ দিবা ২/৩১। মূলা ১৭/১৬ দিবা ১১/৫০। সূ উ ৪/৫৬/০, অ ৬/১৮/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৩ গতে ১২/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৭ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩৯ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
২ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ২২/২২/৩৮ দিবা ১/৫২/৩৩। মূলানক্ষত্র ১৭/২৭/২৯ দিবা ১১/৫৪/৩০, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২১/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে ও ৯/২৭ গতে ১২/৮ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৯ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/১৫ গতে ৮/১৬/৫৯ মধ্যে, কালবেলা ১/১৯/১৩ গতে ২/৫৯/৫৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪০/৪৩ গতে ২/৫৯/৫৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৪ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: আফগানিস্তানকে ১৫০ রানে হারাল ইংল্যান্ড

10:48:34 PM

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, চালু কলকাতা পুলিসের হেল্প লাইন 
গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জনিত সমস্যার ...বিশদ

09:48:24 PM

বিশ্বকাপ: আফগানিস্তান ৮৬/২ (২০ ওভার) 

08:17:00 PM

দার্জিলিং পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার 

08:08:39 PM

জাপানে বড়সড় ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৫, জারি সুনামি সতর্কতা 

07:34:58 PM

বিশ্বকাপ: আফগানিস্তান ৪৮/১ (১০ ওভার) 

07:05:00 PM