Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবকা বিকাশ কীভাবে হতে পারে
পি চিদম্বরম

বিপুল জনসমর্থন সবসময় আশীর্বাদ হয় না, একটি দুর্বলতর বিরোধী শাসনকার্যকে আরও দুঃসহ করে তোলে এবং উপর্যুপরি দু’দফায় ক্ষমতালাভ শাসকের অজুহাত খাড়া করার সুযোগ কেড়ে নেয়। আমি নিশ্চিত যে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আর তাঁর মন্ত্রিসভার উপর কতখানি বোঝা চাপল সেই কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খুব ভালো করেই জানেন। তাঁর প্রথম দফার শাসন পরিচালনা দেখার অভিজ্ঞতা থেকে আমি নিশ্চিত যে তিনি প্রতিটি পদক্ষেপ করবেন চ্যালেঞ্জ-সহকারে এগনোর লক্ষ্যে।
এই পন্থার সমস্যা দুটি। সমস্যার প্রথমটা হল, ভারতে কাজকর্ম হয়ে থাকে প্রচলিত বা পরম্পরাগত ধারায়। সমস্যার দ্বিতীয়টা হল সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর প্রতিযোগিতামূলক দাবি। তার মধ্যে অনড়ভাবে থাকবে দরিদ্রতম, দুর্বলতম, সবচেয়ে বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষের কণ্ঠ। এই সরকারের প্রথম দফা শেষ হওয়ার অভিজ্ঞতা এই যে—(১) প্রচলিত ধারার কর্মপদ্ধতি আরও বিলম্বিত হয়েছে এবং (২) দরিদ্রতম, দুর্বলতম, সবচেয়ে বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষ রয়ে গিয়েছে দরিদ্র, দুর্বল, বঞ্চিত ও শোষিত।
পরীক্ষিত ও ব্যর্থ
দ্বিতীয় দফা মোদিজি অবশ্যই প্রচলিত পথ ভেঙে যাত্রা শুরু করবেন। মোদিজির মিত্র অরবিন্দ পানাগড়িয়া এবং বেঙ্কটেশ কুমার নিম্নোক্ত পথ বাতলে দিয়েছেন:
‘তাঁর (মোদিজির) শাসনপদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান (কি এলিমেন্ট) হল—তিনি কয়েকটি গ্রুপে সচিবদের নিয়োগ করে থাকেন, প্রতিটি গ্রুপকে প্রজেক্ট, প্রোগ্রাম এবং পলিসির প্রেজেন্টেশন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়, পরবর্তী বছরে অর্থনীতির প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে সেগুলি রূপায়ণের জন্য। এটা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর প্রেজেন্টেশনগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর রোড ম্যাপ হয়ে ওঠে।’
এরপর লেখকদের হুঁশিয়ারি:
‘কিন্তু যখন এটা আমূল সংস্কারে (র‌্যাডিকাল রিফর্মস) গিয়ে দাঁড়ায় তখন এই পদ্ধতির একটি নেতিবাচক দিক ধরা পড়ে। প্রকৃতিগতভাবে, আমলারা সতর্ক হয়ে থাকেন এবং তাঁদের ঝোঁকটা অতি মাত্রায় থাকে প্রজেক্ট ও প্রোগ্রাম মুখী। এমনকী, তাঁরা যখন পলিসি পরিবর্তনের প্রস্তাব দেন, তখন তাঁরা ধাপে ধাপে করেন এবং ক্বচিৎ জোড়াতাপ্পির বাইরে যান।’
আমি এবিষয়ে একমত কিন্তু, তাঁদের বিকল্প পদ্ধতির সঙ্গে একমত হতে পারি না। খুব কাছ থেকে নিরীক্ষণ করে বুঝেছি, এটাতে কোনও তফাত হয় না। বিকল্প মডেলে মন্ত্রীর জায়গা নেবেন মিশন হেড, সচিবের জায়গা নেবেন উপদেষ্টা এবং আধুনিক পেশাদারদরা আসবেন যুগ্মসচিব এবং তাঁর টিমের জায়গায়!  
‘ডিসরাপশন’টাই মূল
স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বলা-তে যা প্রাপ্তি হয়েছে তার থেকে পৃথক কিছু ফললাভ ঘটবে না। স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের ক্ষেত্রে তিক্ত সত্যটি হল—গুজরাত ভিন্ন কোনও বড় রাজ্যকে ‘খোলা স্থানে মলত্যাগ মুক্ত (ওডিএফ)’ হিসেবে ঘোষণা করেনি। তৈরি হওয়া শৌচাগারের কত শতাংশ অব্যবহৃত বা ব্যবহারের অযোগ্য রয়ে গিয়েছে? উজ্জ্বলা প্রকল্পের ক্ষেত্রে সাফল্য অথবা ব্যর্থতার মাপকাঠি হল একজন উপকৃত ব্যক্তি (বেনিফিসিয়ারি) বছরে গড়ে ক’টি পরিবর্ত সিলিন্ডার কিনে থাকেন: এটা হতাশ হওয়ার মতো ৩ অথবা সর্বাধিক ৮ কি? আমি যতটা জানি আপনারাও জানেন ততটাই।
আমূল সংস্কার র‌্যাডিক্যাল পলিসি এবং ‘ডিসরাপশন’-এর মাধ্যমেই কার্যকরী হতে পারে মাত্র। ১৯৯১-৯৬ পর্বে আমরা ‘রেড বুক’-এর বহ্ন্যুৎসব করেছিলাম এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে আমূল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। আমরা পুরনো বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন (ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট) পাল্টে ফেলেছিলাম এবং তার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার (ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ) হু হু করে বেড়েছিল। শিল্প লাইসেন্স ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছিলাম এবং তার ফলে নতুন প্রজন্মের শিল্পোদ্যোগীদের দেখা পাওয়া গিয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, এবং গ্রামীণ সড়ক ও পরিবহণ ক্ষেত্রে মোদিজি অবশ্যই তেমন কিছু একটা করার চেষ্টা করবেন। স্কুলশিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার থেকে আইডিয়া ধার নিয়ে স্কুলশিক্ষাকে রাজ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে দিতে পারেন, রাজ্যগুলিকে টাকা দিতে পারেন, যাতে করে তারা স্বাধীনভাবে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বিকশিত হতে পারে। মানুষ তার রাজ্য সরকারের কাছে ‘রেজাল্ট’ দাবি করবে এবং, একটা সময়ে তারা সেটা পাবেও।
মূল আইডিয়া—যেটা হবে সবচেয়ে ‘ডিসরাপটিভ’—বিকেন্দ্রীকরণ। স্বল্পমেয়াদি রেজাল্ট অসন্তোষজনক হবে হয়তো কিন্তু মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে সুশাসিত রাজ্যগুলি এখনকার থেকে অনেক ভালো করবে এবং এটাই রাজ্যস্তরে সুশাসনের চাহিদা বাড়িয়ে দেবে মানুষের মনে। বিকেন্দ্রীকরণের সুফল যেসব ক্ষেত্রে অত্যন্ত বেশি পরিমাণে পৌঁছবে সেগুলি হল—প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্য পরিষেবা, পানীয় জল, শৌচাগার (স্যানিটেশন), পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি (রিনিউয়েবল এনার্জি), বিদ্যুৎ বণ্টন প্রভৃতি।
ড. সুব্রামনিয়ন শরণ
দ্বিতীয় মারাত্মক চ্যালেঞ্জটি হল ‘দরিদ্রের মধ্যে দরিদ্রতম’। তারা সবচেয়ে গরিব বলে সাক্ষরতায়, স্বাস্থ্যসূচকে, গৃহ ও শৌচাগার, খাদ্য ও জল, সরকারি পণ্য এবং পরিষেবা গ্রহণেও তাদের অবস্থান সবার নীচে। একটি গ্রামে আপনি তাদের দেখতে পাবেন সেই গ্রামটিরই প্রান্তিক এলাকাগুলিতে। অপেক্ষাকৃত গরিব রাজ্যগুলিতে দেখবেন গ্রামগুলি গরিব মানুষেই পরিপূর্ণ। এটাই মেনে নেওয়া যাক যে, উপর্যুপরি সরকারের অধীনে উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলে ভারতের সবচেয়ে গরিব যে ২০ শতাংশ মানুষ তাঁদেরকে এড়িয়ে। মন্ত্রীরা এবং সরকারি কর্তাব্যক্তিরা গ্রাম ও সরকারি কর্মসূচির পরিদর্শনে গিয়ে হয় বড় রাস্তাতেই থেমে যান অথবা তাঁদের সেখানেই থামিয়ে দেওয়া হয়।
দরিদ্রতম মানুষের কাছে পৌঁছনোর একমাত্র উপায় হল তাদের স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করা: আকাঙ্ক্ষাপূরণে ব্যাকুল হওয়ার আগুন জ্বালিয়ে দিতে হবে তাদের মনে, সেটা তাদের হৃদয় বিদীর্ণ করে ঘরে ঢুকে যাবে, দারিদ্রের শৃঙ্খল থেকে তাদের বেরতে দিতে হবে এবং নিজেদেরকেই উঁচুতে তুলে ধরতে হবে নিজেদেরকে। পিএম-কিসান তাদের কোনও সাহায্য করবে না, কারণ খুব কম মানুষেরই একখণ্ড জমি আছে, বেশিরভাগই কৃষিশ্রমিক অথবা অন্য কোথাও শ্রমিকের কাজ করেন এবং ভীষণ গরিব মানুষের একটা বড় অংশই থাকেন শহরে, মহানগরে। ডিসরাপটিভ পলিসি পরিবর্তনটা হবে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার করার মাধ্যমে একটি ‘বেসিক ইনকাম’। মোদিজি এই আইডিয়াটার জন্য ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়নকে কৃতিত্ব দিতে পারেন এবং তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের শীর্ষপদে বসিয়ে এই স্কিমটার রূপরেখা তৈরি ও রূপায়ণ করে নিতে পারেন।
যদি আমরা ৬-৭ শতাংশ হারে বার্ষিক বৃদ্ধির চিরাচরিত ক্লান্ত-মন্থর পথটিই আঁকড়ে থাকি তবে আমাদের বিশেষ পরিবর্তন হবে না। কোনও পরিবর্তনই দেখতে পাব না যদি আমরা বর্তমান পলিসিগুলো নিয়ে রগড়ারগড়ি করতে থাকি অথবা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থাটার মেরামতির পথটাই নিই। সংশ্লিষ্ট অফিসারদের অস্বাভাবিক ক্ষমতা বাড়িয়ে দিলে অথবা মানুষকে অভিযুক্ত করার কিংবা জেলে ভরে দেওয়ার হুমকি দিলে আরও ক্ষতি হবে। রূপান্তর গোছের পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকরী একক উপায়টি হল মানুষের ক্ষমতায়ন এবং তাদের জ্ঞান, শিল্প ও কর্মদক্ষতার উপর আস্থা স্থাপন।
03rd  June, 2019
বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা।
বিশদ

ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

 এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? বিশদ

16th  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির মালদ্বীপ সফর এবং ভারত মহাসাগরে ভারতের নতুন রণনীতি
গৌরীশঙ্কর নাগ

 মোদিজির এই দ্বীপপুঞ্জ-সফর কেবলমাত্র হাসি বিনিময় ও করমর্দনের রাজনীতি হবে না, বরং এর প্রধান অ্যাজেন্ডাই হল প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে মজবুত করা। তবে সেটা করতে গিয়ে ভারত যেন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অযথা হস্তক্ষেপ না করে বসে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, ভারত মালদ্বীপকে সন্ত্রাসবাদের নয়া ‘আঁতুড়ঘর’ হতে দেবে। কারণ ইতিমধ্যেই আমরা দেখেছি পাকিস্তান, আফগানিস্তান এমনকী মধ্যপ্রাচ্য থেকেও জেহাদি নেটওয়ার্কের কারবার মালদ্বীপেও পৌঁছে গিয়েছে। এই র‌্যাডিক্যালিজমের একমাত্র দাওয়াই হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তার সহায়ক শক্তি হিসেবে রাজনৈতিক স্থিরতা।
বিশদ

15th  June, 2019
সতর্কতার সময়
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতীয় সংস্কৃতির সনাতন ধারাটি হল দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ।
বিশদ

14th  June, 2019
ক্ষমতার ‘হিন্দি’ মিডিয়াম
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণের সীমারেখা। আর তার কারিগর আমরাই। আমাদের কাছে সাউথ ইন্ডিয়ান মানে মাদ্রাজি। দক্ষিণ ভারতের লোকজন নারকেল তেল খায়, অদ্ভুত ওদের উচ্চারণ, লুঙ্গি পরে বিয়েবাড়ি যায়... হাজারো আলোচনা। উত্তর ভারত মানে বিষম একটা নাক উঁচু ব্যাপার। আর দক্ষিণ মানেই রসিকতার খোরাক। তাই ওদের একটু ‘মানুষ’ করা দরকার। কীভাবে সেটা সম্ভব? হিন্দি শেখাতে হবে। বিশদ

13th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
একনজরে
 রিও ডি জেনেইরো, ১৭ জুন: কোপা আমেরিকার প্রথম ম্যাচে বলিভিয়ার চ্যালেঞ্জ সহজেই অতিক্রম করেছে ব্রাজিল। বুধবার সকালে (ভারতীয় সময়) গ্রুপ-এ’র দ্বিতীয় ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: বিধানসভা ভোটের দিকে লক্ষ্য রেখে আলিপুরদুয়ারে জেলা জুড়ে ফের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামছে বিজেপি। কিভাবে এই সদস্য সংগ্রহ হবে তার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে দলের জেলা ও মণ্ডল কমিটির চার নেতার নাম কলকাতায় পাঠানো হয়েছে।   ...

  চেন্নাই, ১৭ জুন: তামিলনাড়ু পুলিসের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বিশেষ রিপোর্টের ভিত্তিতে তিন আইএস সমর্থনকারীকে গ্রেপ্তার করল বিশেষ তদন্তকারী শাখা (এনআইএ)। ওই তিনজন কোয়েম্বাটোরের বিভিন্ন ধর্মীয়স্থানে আত্মঘাতী হামলার ছক করেছিল বলে পুলিসের দাবি। ধৃতদের নাম মহম্মদ হুসেন, শাহজাহান এবং শেখ সইফুল্লা। ...

 সৌম্যজিৎ সাহা  কলকাতা: রাজ্যে ক্রমশ কমছে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আসন। গতবার যেখানে ৩১ হাজারের বেশি আসন ছিল, এবার তা আরও কমে হয়েছে ২৯ হাজার ৬৫৯টি আসন। প্রাথমিক হিসেবে এই তথ্য মিলেছে। যদিও এখনও দু’টি কলেজ এবং কয়েকটি বিষয়ের আসন যুক্ত হওয়ার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দলাভ হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩৬- রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কির মৃত্যু
১৯৮৭- পরিচালক হীরেন বসুর মৃত্যু
২০০৫- ক্রিকেটার মুস্তাক আলির মৃত্যু
২০০৯- প্রখ্যাত সরোদ শিল্পী আলি আকবর খানের মৃত্যু  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৯ টাকা ৭০.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৩৪ টাকা ৮৯.৫৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৯ টাকা ৭৯.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৩২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৬১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ২৩/৫৮ দিবা ২/৩১। মূলা ১৭/১৬ দিবা ১১/৫০। সূ উ ৪/৫৬/০, অ ৬/১৮/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৯/২৩ গতে ১২/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৭ মধ্যে পুনঃ ১/১৮ গতে ২/৫৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩৯ গতে ৮/৫৮ মধ্যে। 
২ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, প্রতিপদ ২২/২২/৩৮ দিবা ১/৫২/৩৩। মূলানক্ষত্র ১৭/২৭/২৯ দিবা ১১/৫৪/৩০, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২১/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে ও ৯/২৭ গতে ১২/৮ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৪/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৯ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/১৫ গতে ৮/১৬/৫৯ মধ্যে, কালবেলা ১/১৯/১৩ গতে ২/৫৯/৫৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৪০/৪৩ গতে ২/৫৯/৫৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৪ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাঘ সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা ভারত-বাংলাদেশের

রাষ্ট্রসংঘের পরিবেশ বিষয়ক গোষ্ঠী আই ইউ সি এনের উদ্যোগে ওয়াইল্ডলাইফ ...বিশদ

09:13:12 AM

পুরমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে ইস্তফার ইচ্ছাপ্রকাশ বনগাঁর চেয়ারম্যানের 
বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৪ জন তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলারদের অনাস্থা ...বিশদ

09:11:59 AM

রেশনে আধার সংযুক্তিকরণের সময় বাড়ুক, চাইছে রাজ্য 
রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার সংযুক্তিকরণের সময়সীমা কেন্দ্রীয় সরকার এখনও বৃদ্ধি ...বিশদ

09:07:11 AM

আরও ৫০ সুইস ব্যাঙ্ক গ্রাহকের তথ্য পেতে চলেছে ভারত
 

কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। ২০১৪ সালে বিজেপির নির্বাচনী ...বিশদ

08:55:00 AM

এনইএফটি, আরটিজিএসের চার্জ মকুব এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের 
ন্যাশনাল ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা এনইএফটি এবং রিয়েল টাইম গ্রস ...বিশদ

08:50:00 AM

আজকের খেলা 
ইংল্যান্ড : আফগানিস্তান (ওল্ড ট্রাফোর্ড, বিকেল ৩টা)  ...বিশদ

08:47:31 AM