Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না। কোনও প্রয়োজন থাকে না এতগুলো নির্বাচনের। কিন্তু যদি পরপর খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন নির্বাচনে মানুষের মতের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়, তখন তাকে জোর করে যুক্তিজালে ব্যাখ্যা করা শক্ত। বিশ্লেষণ তখন ফল জানার অব্যবহিত পরে গোঁজামিল দিয়ে অঙ্ক মেলানোর মতো। গত ৩০ মে কর্ণাটকের যে বিভিন্ন শহরকেন্দ্রিক পুরসভাগুলোতে নির্বাচন হয়েছে তাতে আবার বেশ কিছুটা পিছিয়ে গেছে বিজেপি। ভাবুন একবার ১৮ আর ২৩ এপ্রিল দু’-পর্বে হওয়া কর্ণাটকে লোকসভা নির্বাচনের কথা। সেখানে ২৮-টার মধ্যে ২৫টা আসন পেয়েছে বিজেপি আর কংগ্রেস মাত্র একটি। আর এবারের পুরসভা নির্বাচনে সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ১৩০০ মতো পুরপিতা বা পুরমাতা আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩৬৬, কংগ্রেস ৫০৯, জেডিএস ১৭৪ এবং নির্দল আর অন্যান্যরা ১৬০। অর্থাৎ ২৩ মে বিজেপির বিপুল জয় এবং তারপর মোদি সরকার গঠনের বিপুল উৎফুল্লতার মধ্যেও মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিল। মনে রাখতে হবে এবার আলাদা লড়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএস। লোকসভায় কিন্তু তেমনটা ঘটে নি, সেখানে তারা জোট বেঁধেছিল। গতবছরেও এরকম অন্য কয়েকটি আরবান লোকাল বডির নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ৯২৯টি আসন, কংগ্রেস ৯৮২টি এবং জেডিএস ৩৭৫। অর্থাৎ মোটের ওপর বিভিন্ন দলেরই গুরুত্ব ছিল এবং আছে পৌরসভা নির্বাচনগুলোতে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রেই বিষয়টা সম্পূর্ণ অন্যরকম।
ঘটনা যখন ঘটেছে তখন তার স্বপক্ষের অতিপরিচিত যুক্তিগুলো পেশ করে ফেলা যাক। নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা, বিজেপির স্থায়ী সরকারের ডাক, প্রথম ইনিংসের কিছু সাফল্য, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উগ্র জাতীয়তাবাদ, আরএসএস-এর বিপুল অবদান, বিরোধীদের জোট বাঁধার ব্যর্থতা, এবং বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব, এই সমস্ত কারণ আগেই এসেছে। এরকম আরও একশো একটা বিষয় অল্প মাটি খুঁড়লেই খুঁজে পাওয়া যাবে। ভোটযন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিভিপ্যাট মিলে গেছে সাফল্যের সঙ্গে। ফলে সেখানে সাদা চোখে খুব জটিল কিছু অনুসিদ্ধান্ত আবিষ্কার করা শক্ত। আর এটা তো সত্যি যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সাংবাদিক ভোট পূর্ববর্তী খোঁজখবরে বারবার লক্ষ করেছেন বিজেপির অগ্রগতি। বিভিন্ন বাধ্যবাধকতায় হয়তো নির্বাচনের আগে তাঁরা সে আলোচনা করেছেন চুপিসারে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও খুব পরিণত সাংবাদিকরা (এঁরা অনেকেই বিজেপির সমর্থক নন, সমালোচক) অনেকবার বলেছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে দ্বিতীয়বার। দেশের সার্বিক উন্নয়ন অবশ্যই জনগণের সমর্থন অর্জন করার সবথেকে স্বাভাবিক উপায়। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এই সোজা কারণটা মোটেও পুরোপুরি সত্য নয়। বিজেপির রাজত্বে উন্নতি হয়তো কিছু হয়েছে, কিন্তু তা তেমন কিছু চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার মতো নয়। অর্থাৎ বাজপেয়ির বিজেপি বা মনমোহনের কংগ্রেস রাজত্বগুলোর থেকে খুব আলাদা কিছু নয় বর্তমান বিজেপির সাফল্য। তা সত্ত্বেও এই বিপুল জনমত। সেই জন্যেই মেনে নেওয়া দরকার নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের সঠিক কারণ খোঁজায় সমাজবিজ্ঞানের অসম্পূর্ণতা। যে দীর্ঘ সমীক্ষা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজেপি দ্বিতীয়বার সরকারে আসার আসল কারণ খুঁজে বার করা সম্ভব হতে পারত, তার পেছনে সময় এবং অর্থ খরচ হবে প্রচুর পরিমাণে। কোনও স্বাধীন, স্বশাসিত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার ভোট মিটে যাওয়ার পর তাতে একগাদা টাকা ঢালার সম্ভাবনা কম। ভোটের আগে হয়তো সে সমীক্ষা করেছে বিজেপি নিজেই। সম্ভবত তাদের জানা আছে উন্নয়নের গল্প ছাড়াও বিশেষ কোন সূত্রগুলো নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার মূল কারণ, যাকে কিনা ইংরিজিতে বলে রুট কঅস অ্যানালিসিস। কিন্তু সে খবর আমজনতা জানে না। ভোটে জিততে ঠিক কীভাবে কোন পথ নিতে হয় তা নিয়ে অবশ্যই প্রচুর গবেষণা করেছে বিজেপি, তাদের চিন্তনদল এবং সর্বোপরি আরএসএস। তবে সে বিজনেস সিক্রেট জনগণেশের সামনে প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ নেই।
বিজেপি বিপুলভাবে জিতলেও, দেশের উন্নয়ন সংক্রান্ত সব খবর কিন্তু ইতিবাচক নয়। এর মধ্যেই সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় উঠে আসছে রেকর্ড বেকারত্বের তথ্য। শেষ পাঁচ বছরের হিসেবে দেশের আর্থিক উন্নয়নের হার নেমে এসেছে তলানিতে। সাধারণ হিসেব বলে ডানপন্থী অর্থনীতিতে এই অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু সংস্কারমূলক নীতি নির্ধারণ করা উচিত সরকারের। কিন্তু এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আবার ঘোষণা করেছেন পনেরো কোটি কৃষকের কাছে বছরে ৬ হাজার টাকা করে পৌঁছে দেওয়ার কথা। এই নব্বই হাজার কোটি টাকা অবশ্যই দেশের নিম্নবিত্ত মানুষের কাজে লাগবে। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। সব থেকে বড় কথা, বিজেপির যে বেসরকারিকরণ সংক্রান্ত ডানপন্থী অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তার সঙ্গে এই কৃষকদের খুশি করার আলগা বামপন্থী তত্ত্ব মেলে না। আর এই ঘোষণা তো নির্বাচনের আগেই হয়েছিল। সত্যি কথা বলতে কী, এপ্রিল মাসেই (আর্থিক বছরের শুরুতে) তো একদফা দুহাজার পৌঁছে যাওয়ার কথা। সে টাকা বণ্টিত হয়েছে কি? সেই বণ্টনের সাফল্য কতটা? নির্বাচনের জন্যে সে বণ্টন আটকে থাকলেও তা কবে শুরু হবে? সেই সমস্ত পরিসংখ্যান যাঁরা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন তাঁরা পাবেন কীভাবে? আর এই নব্বই হাজার কোটি টাকা দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে চাঙ্গা করবে সেটাও খুব পরিষ্কার নয়। একদিকে পেট্রল ডিজেলের দামের ওপর কোনও সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না, দাম বদলাবে যখন তখন; বিএসএনএল-এর মত রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা বেসরকারিকরণের দিকে এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্যে প্রচুর টাকা বিলোবে সরকার। এই ধরনের পাঁচমেশালি খিচুড়ি (মিশ্র ?) অর্থনীতিতে দেশ কতটা চাঙ্গা হবে তা বলবে ভবিষ্যৎ।
অর্থাৎ দেশের অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের মতই আপাতত বিজেপি চলছে চেনা পথে। বিশেষ নতুন কোনও খবর এখনও কানে আসে নি। তবে সবেতো দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হল। তাই অপরিচিত পিচে মোদি-শাহ জুটি শুরুতে একটু দেখেই খেলবেন। কিন্তু বারবার যে প্রশ্ন কুরে কুরে খাবে তা হল কর্ণাটকে এত তাড়াতাড়ি বিজেপি বিরোধীরা আবার জেগে উঠলেন কীভাবে? তাহলে কি বেঁচে গেল কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডিএসের জোট সরকার? তবে অন্য ধারার প্রশ্নকেও অস্বীকার করা শক্ত। কর্ণাটকের কংগ্রেস-জেডিএসের থেকেও বেশি পশ্চিমবঙ্গে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার, কিন্তু লোকসভা ভোটে ফল ভিন্ন। তাহলে কি রাজ্য এবং কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় ভোটপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ফল ভিন্ন হবে? সংসদীয় গণতন্ত্রে এর থেকে বড় বিপদ কিন্তু আর কিছু নেই। নির্বাচনী ফলের কারণ খোঁজার জন্যে সেক্ষেত্রে আর শব্দ খরচ না করলেও চলে।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
04th  June, 2019
নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে।   বিশদ

সভাপতি পদে সোনিয়াজির প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেস কি ছন্দ ফিরে পাবে
শুভা দত্ত

ছন্দ তো হারিয়েছে বহুদিন। ছন্দে ফেরার চেষ্টা—সেও শুরু হয়েছে বহুদিন। কিন্তু কিছুতেই যেন সেই পুরনো দমদার ছন্দে ফিরতে পারছে না জাতীয় কংগ্রেস! নেহরু-ইন্দিরার আমল থেকে গান্ধী পরিবারের ছত্রচ্ছায়ায় এবং নেতৃত্বে দলের যে অপ্রতিরোধ্য ছন্দ গোটা দেশকে কংগ্রেসি তেরঙ্গায় বেঁধে রেখেছিল, যে ছন্দ কংগ্রেস প্রতীক ইন্দিরার পাঞ্জার উপর বছরের পর বছর দেশের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ও আবেগ ধরে রেখেছিল, জরুরি অবস্থা, নাসবন্দির মতো কাণ্ডের পরও যে ছন্দ ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরিয়ে এনেছিল কংগ্রেসকে, ইন্দিরা এবং ইন্ডিয়া হয়ে উঠেছিলেন সমার্থক—জাতীয় কংগ্রেসের সেই অমিত শক্তি রাজনৈতিক ছন্দ অনেক কাল আগেই ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।
বিশদ

18th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

17th  August, 2019
স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

 ১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি।
বিশদ

12th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
একনজরে
গোপাল মিস্ত্রি, শিলিগুড়ি, বিএনএ: এরাজ্যের অন্যতম ভিআইপি ট্রেন দার্জিলিং মেলের যাত্রাপথ শিলিগুড়ি জংশন পর্যন্ত সম্প্রসারণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জবরদখল। রেলকর্তৃপক্ষের বক্তব্য, অনেক আগেই এনজেপির পরিবর্তে ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: রবিবার দীঘার সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যাওয়া এক পর্যটক যুবককে উদ্ধার করেছেন নুলিয়ারা। ওই যুবক বর্তমানে দীঘা স্টেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিন নিউ দীঘার ক্ষণিকা ঘাটে ঘটনাটি ঘটে।   ...

 লে, ১৮ আগস্ট (পিটিআই): ৩৭০ ধারা খারিজ নিয়ে সংসদে তাঁর ভাষণ নজর কেড়েছিল। এমনকী সোনিয়া গান্ধীকে পর্যন্ত মন দিয়ে শুনতে দেখা গিয়েছিল প্রথমবারের এই বিজেপি সাংসদের ভাষণ। তিনি লাদাখ থেকে নির্বাচিত এমপি জামিয়াং সেরিং নামগিয়াল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইস্ট বেঙ্গলে স্ট্রাইকার সমস্যা মেটাতে রবিবার বিকেলে কলকাতায় এলেন নতুন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার মার্কোস। অর্থ বাঁচাতে এই ফুটবলারটির সঙ্গে ১৫ আগস্ট থেকে চুক্তি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে। মাথা ও কোমরে সমস্যা হতে পারে। উপার্জন ভাগ্য শুভ নয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মনুষ্যত্ব দিবস
১৯৪০: পরিচালক গোবিন্দ নিহালনির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা উৎপল দত্তের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৮১ টাকা ৮৭.৯৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৩ টাকা ৮০.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
17th  August, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
18th  August, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ৫৫/৩০ রাত্রি ৩/৩০। উত্তরভাদ্রপদ ৩৬/১৫ রাত্রি ৭/৪৮। সূ উ ৫/১৮/২২, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৮ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/১৭ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৪ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৪৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৪০ মধ্যে। 
১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ৪৭/৩৯/৪৭ রাত্রি ১২/২১/২৫। উত্তরভাদ্রপদনক্ষত্র ৩২/১৮/৫৫ সন্ধ্যা ৬/১৩/৪, সূ উ ৫/১৭/৩০, অ ৬/৫/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ১০/২১ গতে ১২/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৪ মধ্যে ও ১১/১২ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ২/৫৩/১৮ গতে ৪/২৯/১৬ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৩/২৮ গতে ৮/২৯/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৭/২০ গতে ১১/৪১/২২ মধ্যে। 
১৭ জেলহজ্জ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
২ দিনের সফরে দীঘায় পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

03:55:11 PM

নেতাজি মৃত্যু নিয়ে ট্যুইট প্রত্যাহার পিআইবির 

03:27:00 PM

নিউ মার্কেট এলাকায় বাড়ির একাংশ ভেঙে জখম ১ 

03:09:00 PM

রাজ্য নেতাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় মালদহের প্রাক্তন জেলা সভাপতি সঞ্জিৎ মিশ্রকে বহিষ্কার করল বিজেপি 

02:02:28 PM

কোহলিদের খুনের হুমকি দিয়ে পাক বোর্ডে উড়ো মেল 
ভারতীয় ক্রিকেট দলের উপর হামলা হতে পারে এই মর্মে পাকিস্তান ...বিশদ

01:44:02 PM

বেলুড় স্টেশনে তরুণীকে ধারালো অস্ত্রের কোপ 
সাত সকালে বেলুড় স্টেশনে এক তরুণীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত ...বিশদ

01:09:06 PM