Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা। আর সেই শতসহস্র জিজ্ঞাসার মধ্যে ঘুরে ফিরে একটাই সবচেয়ে বড় হয়ে ঘুরে ফিরে আসছে—সবুজ ঘাসফুলের একচ্ছত্র রাজ্যে কীভাবে গেরুয়া রথ এতদূর এল, মমতার সর্বব্যাপ্ত প্রভাব প্রতিপত্তির দেশে কী করে ফুটল এত পদ্ম! ফুটল কেন? এবং তার সঙ্গেই উঠে আসছে সংশয় সন্দেহ—তবে কি এবার ইভিএমে সত্যিই কোনও ছুমন্তরের খেলা ছিল, নাকি গদ্দারি করেছে নিজেদের লোক! নাকি গোটাটাই বাম-কংয়ের লীলা! হিসেব কষতে কষতে দিনরাত কাবার হয়ে যাচ্ছে—কিন্তু কেউই যেন শত শতাংশ নিশ্চিত হতে পারছেন না! কী ঝকমারি!
এদিকে ভোট মিটতেই আঠারোর বাদ্যি বাজিয়ে কার্যত দখল যুদ্ধে নেমে পড়েছে বিজেপি। একদিকে গেরুয়া ঢেউ আছড়ে পড়ছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। তৃণমূলের সবুজ পার্টি অফিস রাতারাতি রং পাল্টে গেরুয়া ধারণ করছে, রং পাল্টানো নিয়ে ধস্তাধস্তি মারামারি রক্তারক্তি হচ্ছে, মন্ত্রীর সামনে আঙুল উঁচিয়ে চলছে প্রতিবাদ, গো-ব্যাক স্লোগান, পুরসভার চেয়ারম্যানের টেবিল চাপড়ে ফেটে পড়ছে জমানো ক্ষোভ, ব্যারাকপুর কাঁচরাপাড়া ভাটপাড়ায় গেরুয়া দাপটে সন্ত্রাসের তাপ ঝলসাচ্ছে, শাসক তৃণমূলের হাত ছাড়িয়ে গোটা পুরসভা চলে যাচ্ছে গেরুয়া কব্জায় এবং আরও কত কীই না হচ্ছে! সংশ্লিষ্ট এলাকায় এতদিনের প্রবল প্রতাপ তৃণমূলকেও মাঝেমধ্যে কেমন যেন একটু অসহায় অস্থির দেখাচ্ছে! অন্যদিকে, ভোটফলে অভূতপূর্ব সাফল্যের পর পদ্মদলে ‘চাণক্য’ শিরোপা পাওয়া মুকুল রায়ের কার্যক্রম নিয়েও যেন একটা কী হয় কী হয় ভাব ছড়িয়েছে। রাজ্য রাজনীতির মহলে তো বটেই সাধারণ মানুষের মধ্যেও ‘এর পর কে, কোনও রথী না কোনও মহারথী’—নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। তার ওপর মুকুল রায় অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের তরফে দফায় দফায় যে সব চেতাবনি উড়ে আসছে—তৃণমূলের মন্ত্রী বিধায়ক কাউন্সিলার নেতা উপনেতা ছোটনেতাদের গেরুয়া ধারণের যে লম্বা অপেক্ষা-লিস্টের কথা বলা হচ্ছে এবং সর্বোপরি রাজ্য বিধানসভা ভোট এগিয়ে এনে পদ্মশাসন কায়েমের যে সম্ভাবনা গণপরিসরে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে রাজ্যের রাজনৈতিক প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সর্বস্তরেই কৌতূহল উত্তেজনা উদ্বেগ যে ক্রমবর্ধমান তাতে কিছুমাত্র সন্দেহ নেই।
মানতেই হবে, এসবের সম্মিলিত চাপে যথেষ্ট অস্বস্তিতে শাসক তৃণমূলও। আর তাতে আশ্চর্যেরও কিছু নেই। বলতে কী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে এমন রাজনৈতিক আলোড়ন, শাসকের সঙ্গে এমন জোরালো টক্কর তো এককথায় সত্যিই নজিরবিহীন। মুকুল রায়ের দলভাঙানোর কৌশলও একদিক থেকে শাসকদলকে বেশ অসুবিধেয় ফেলছে। অর্জুন সিং কি তাঁর মতো কয়েকজন দল ছাড়লে এত বড় একটা দল বিশেষত যার সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো জননেত্রী—তার বিশেষ কিছু যায় আসে না। বাস্তবিকই তাই। কিন্তু, বিজেপির ১৮ প্রাপ্তি ও এই দলবদলুদের উদাহরণ করে মমতা বিরোধীরা যে বোঝাতে শুরু করেছেন, এ হল তৃণমূলরাজের ওপর রাজ্যবাসীর অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ! তাঁরা এবার বিকল্প চাইছেন। এমন বোঝানোতে যাঁরা বুঝবেন তাঁদের রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা যেতেই পারে। কেননা, লোকসভা ভোট এবং রাজ্য বিধানসভা ভোট যে প্রকৃতিগতভাবে আলাদা এবং দুই ক্ষেত্রে একই ভোটদাতার মানসিক বিচারবুদ্ধিও যে একভাবে কাজ করে না—সেটা অতীতে কিন্তু প্রমাণিত। ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা-আবেগ ভোটে কংগ্রেসের রেকর্ড আসনে জয়ের পর অনেক বোদ্ধাই ভেবেছিলেন ১৯৮৭ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেদের হটিয়ে ফের একবার কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াবে, ১৯৭২ সালের কলঙ্ক মুছে পশ্চিমবঙ্গে আবার কংগ্রেস-রাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। হয়নি। ১৯৮৪ লোকসভা ভোটে পূর্ববর্তী লোকসভার ১২ আসন ও প্রায় ৫ শতাংশ ভোট খুইয়ে মাত্র ২৬ আসন এবং ৪৭.৬ পাওয়া সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামেরা ২৫১ আসন ও ৫৩ শতাংশ ভোটের বিপুল ক্ষমতা নিয়ে ফিরে এসেছিল ১৯৮৭-র বিধানসভায়! তবে, এই বোঝানোর ভবিষ্যৎ ফলটিকে সন্দেহ করতেই হয়! এবং এক্ষেত্রে আমার মনে হয়, বরং সন্দেহ করে ভুল করা ভালো, সন্দেহ না করে ভুল করা মারাত্মক— এই তত্ত্ব মানাটাই বিধেয়। কেননা, মহাপুরুষেরা বলেছেন, মানুষের মন, বিচলিত হইতে কতক্ষণ!
আর এবার এ রাজ্যের লোকসভা ভোটে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের পিছনে এই বিচলিত মন মানুষের ভূমিকা কতটা গুরুতর তা তো পরিসংখ্যানেই প্রমাণিত। বিগত লোকসভার চেয়ে যে ২২ শতাংশ ভোট বেশি পেয়ে বিজেপি আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রাঙ্গণে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে তার মধ্যে কটা তাঁদের নিজস্ব ভোট মানে গেরুয়া শিবিরের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ, কমিটেড? বুকে হাত দিয়ে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায় থেকে শুরু করে দিলীপ ঘোষ কেউই খুব জোর দিয়ে বলতে পারবেন না। বরং, সাধারণ ধারণা দাঁড়িয়েছে এই যে মূলত সিপিএমের বামমনস্ক ভোট (সিপিএমের ভোট কমেছে ২২ শতাংশ) এবং সঙ্গে কংগ্রেসের হতাশ ভোট (ভোট কমেছে ৪.৫ শতাংশ) আর তৃণমূলের সামান্য কিছু বিভ্রান্ত ভোট (তৃণমূলের ভোট ৬ শতাংশ বেড়েছে জেনেও) মিলেমিশেই ওই ২২ শতাংশের বিকাশ। অর্থাৎ, অবিজেপি ভোটে বাজিমাত করেছে বিজেপি। কিন্তু, তারপর? তারপরই শুরু হয়ে গেছে তোলপাড়। বারাকপুর, নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া থেকে কোচবিহার জঙ্গলমহলের নানা জেলা মায় কলকাতা ও তার সন্নিহিত এলাকায় শাসক তৃণমূলের সঙ্গে সমানে সমানে শক্তি প্রদর্শনে নেমে পড়েছে গেরুয়াবাহিনী। আমাদের রাজ্যে অবশ্য, ভোট পরবর্তী এই সন্ত্রাস একটা রীতি রেওয়াজের মতো।
কিন্তু সমস্যা হল, যে নির্বাচনটা গেল সেটা দেশের সরকার গড়ার নির্বাচন এবং সেখানে যাবতীয় হিসেবপত্তর উল্টে দিয়ে প্রায় নজিরবিহীন জয় পেয়েছে বিজেপি এবং মোদিজির নেতৃত্বে দেশে একটা জবরদস্ত সরকার কায়েম করেছে। সেই সরকারে পশ্চিমবঙ্গের ১৮ আসনের অভাবিত সাফল্যও নিশ্চয়ই আলাদা সমীহ পাবে। আপাতত দু’জন মন্ত্রী ভবিষ্যতে বেড়ে যেতেও পারে সংখ্যায়। কিন্তু, এ রাজ্যে বিজেপির মূল লক্ষ্য তো বিধানসভা। নিয়ম মোতাবেক ২০২১ সালে বিধানসভার ক্ষমতা দখলের যুদ্ধ হওয়ার কথা। মাঝে আছে কলকাতা সমেত রাজ্যের পুরসভাগুলোর নির্বাচন। ভোটে ভোটে সময়ের ব্যবধান রাজনৈতিক প্রস্তুতির দিক থেকে দেখলে খুব বেশি নেই। এমন পরিস্থিতিতে নবজাগ্রত বিজেপি এ রাজ্যে যে চড়া সুরে তাদের রাজনীতির তার বেঁধেছে তা ওই অবিজেপি ভোটের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হচ্ছে তো? বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে নৈহাটি, কাঁচরাপাড়ায় বা রাজ্যের অন্যত্র গেরুয়া নিশান ওড়ার পরে পরিস্থিতির যে অগ্নিগর্ভ রক্তঝরা সন্ত্রস্ত রূপ দেখা যাচ্ছে, তা নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের বলিষ্ঠ সূচক হিসেবে চিহ্নিত হতেই পারে কিন্তু বাংলার শান্তিপ্রিয় মানুষজনের কাছে নতুন দলের সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা পাঠাচ্ছে তো!? মনিরুল ইসলামের মতো বিতর্কিত তৃণমূলীকে দলে নেওয়ার পর হাওড়ার বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও অসন্তোষ আড়াল করেননি। ফলে, মনিরুল ইসলামের পদ্মসফর শেষপর্যন্ত দীর্ঘস্থায়ী হল না। এতে বীরভূমের সাধারণ মানুষের কাছে একটা ভালো বার্তা হয়তো গেল। কিন্তু, সেইসঙ্গে রাজ্য বিজেপিতে মুকুল রায় বিজয়বর্গীয়দের সঙ্গে দিলীপ-রন্তিদেবদের দলীয় লাইনগত বোঝাপড়ার ঘাটতিটাও কি উঠে এল না? প্রশ্নটা কিন্তু তুলছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের আরও বক্তব্য, মনিরুলের সাম্প্রতিকে তেমন কোনও সক্রিয়তাই তো ছিল না, যা ছিল সব অতীতে ছিল। কিন্তু বর্তমানে বারাকপুর নৈহাটি ভাটপাড়ায় যা চলছে তা তো ভয়ঙ্কর! সে ব্যাপারে বিজেপি নেতৃত্ব নীরব কেন!? তাহলে কি বিজেপিতেও আসন জেতাটাই সব! পরবর্তীতে সেই জয়ের জোরে যা ইচ্ছে করা যায়!
অবিজেপি ভোটকে বিজেপিতে স্থায়ী করে আগামী বিধানসভা যুদ্ধে কিছু করে দেখাতে হলে কিন্তু এই প্রশ্নের জবাব অবিলম্বে খুঁজে দিতে হবে আম জনতাকে। কেননা, বিজেপির সবচেয়ে বেশি সমর্থন মিলেছে বাম-মনস্কদের কাছ থেকে। সাধ করে তাঁরা বিজেপির বাক্স ভরাননি। ২০১৪ সালে বামেদের বাক্স ভরিয়েও (৩০ শতাংশ প্রায়) মাত্র ০২! সেই হতাশা আর চলতি সরকারের কাজকর্মে অসন্তোষ মিলেমিশে তাদের টেনেছে পদ্মে। অবিজেপি সেই ভোটকে পরের নির্বাচনগুলোতে পাশে পেতে হলে বিজেপির কর্মকাণ্ডে সংযম শান্তি ফেরাতেই হবে। মনিরুলের মতো কে দলে এল গেল তাতে মানুষ ভাবিত নয়। ভাবিত তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে। সেখানে যদি সন্ত্রাসের বাতাবরণ দীর্ঘস্থায়ী হয় আর তার জন্য অভিযোগের অধিকাংশ তির বিজেপির দিকে ধায় তাহলে ওই অবিজেপি মানুষজনের গেরুয়া বিশ্বাস শেষঅবধি কতদূর বজায় থাকবে তা নিয়ে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞজনেরাও নিশ্চিত নন। এমন পরিস্থিতিতে বলতে কী, ওই বিপুল অবিজেপি ভোট ধরে রাখাটাই রাজ্যে বিজেপির কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভোট এগিয়ে এনে সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে চাইছেন পদ্ম নেতৃত্বের একাংশ। অন্তত খবর তেমনই। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেবল
ভোট এগিয়ে এনে কি ওই চ্যালেঞ্জ জেতা যাবে?
06th  June, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): উৎসবের মরশুমে সুখবর। বুধবার রেলকর্মীদের জন্য ৭৮ দিনের উৎপাদনভিত্তিক বোনাস ঘোষণা করল কেন্দ্র। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন প্রকাশ জাভরেকর ও নির্মলা সীতারামন।  ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মঙ্গলবার মেদিনীপুর সদর ব্লকের মহারাজপুর এলাকায় বিজেপির মিছিলের ঘটনায় জেলা সম্পাদক অরূপ দাস সহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।   ...

 রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার, সংবাদদাতা: নিম্ন অসমে এনআরসি তালিকা থেকে বাদ পড়া বাঙালিদের মন ভালো নেই। তাই এনআরসির জেরে নিম্ন অসম থেকে প্রতিমারও বরাত এবার আলিপুরদুয়ারের মৃৎশিল্পীদের কাছে আসেনি। ফলে একইভাবে মন ভালো নেই এখানকার মৃৎশিল্পীদেরও। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম
 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৭০ টাকা ৯০.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৩ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৩৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৪৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
18th  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৩৪/৫৭ সন্ধ্যা ৭/২৭। ভরণী ৮/১৩ দিবা ৮/৪৫। সূ উ ৫/২৭/৪৭, অ ৫/৩৩/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩১ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। 
১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ২৬/১২/৩৯ দিবা ৩/৫৬/৩৩। ভরণী ৩/৩৯/২৫ দিবা ৫/৫৫/১৫, সূ উ ৫/২৭/২৯, অ ৫/৩৫/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৮ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪/২৯ গতে ৫/৩৫/২৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৩৩/২৯ গতে ৪/৪/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/২৯ গতে ১/০/২৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৯ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমার: সিবিআইকে কী বলল আদালত?
আজ সিবিআইয়ের কাছে তারা রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে ঠিক কী আবেদন ...বিশদ

04:04:51 PM

৫৫০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:36:11 PM

রাজীব কুমারকে ফের নোটিস সিবিআই-য়ের
রাজীব কুমারকে ফের নোটিস দিল সিবিআই। পার্ক স্ট্রিটে তাঁর কোয়ার্টারে ...বিশদ

03:34:41 PM

দঃ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু 

03:31:00 PM

বারুইপুরে ঘরের একাংশ ভেঙে আহত প্রাক্তন পুলিসকর্মী 
বাড়ির একাংশ ভেঙে আহত হলেন প্রাক্তন মহিলা পুলিসকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে ...বিশদ

03:03:00 PM

পুরুলিয়ায় এক হোটেল কর্মীর মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি এলাকার পাটডি গ্রামে এক হোটেল কর্মীর মৃত্যুকে ঘিরে ...বিশদ

02:41:00 PM