Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা নজিরবিহীন,
কিন্তু তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে?

সমাধান হয়তো শেষপর্যন্ত একটা মিলবে। কবে মিলবে তা অবশ্য এখনও পরিষ্কার নয়। তবে মিলবে। হয়তো এই লেখা আপনাদের হাতে যাওয়ার আগেই মিলবে। মিলতেই হবে। কারণ, এভাবে তো চলতে পারে না! এভাবে সরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য-পরিষেবার মতো অত্যাবশ্যক ক্ষেত্র কেবল আন্দোলনের জেরে তো দিনের পর দিন অকেজো হয়ে থাকতে পারে না! দূরদূরান্ত থেকে আসা অসহায় গরিবগুর্বো হাজার হাজার রোগী তো এভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে লাগাতার বঞ্চিত হতে পারেন না। সরকারি হাসপাতালে রোগ সারাতে এসে কার্যত চিকিৎসা-বন্‌঩ধের মুখে পড়ে শিশু বৃদ্ধ থেকে সাধারণ মানুষ চূড়ান্ত নাজেহাল হবে, এমনকী প্রাণ হারাবে— তাও কি নাগাড়ে চলতে পারে! অসম্ভব। ছবির পর ছবি বেরচ্ছে কাগজে মিডিয়ায়। দুধের শিশু থেকে ক্যান্সার রোগী—কী অবর্ণনীয় কষ্ট পাচ্ছে। মারাও যাচ্ছে! মৃত শিশু কোলে হতভাগ্য বাবা-মা— অভিযোগ জানাবার ভাষাটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন!
তাছাড়া কার কাছেই বা জানাবেন? ডাক্তারবাবুদের আন্দোলনের জোয়ারে যে সব ভেসে গেছে। গোটা রাজ্য। গোটা দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে সেই ঢেউ। কথায় কথায় ডাক্তার নিগ্রহের প্রতিকার চাই। নিরাপত্তা চাই। এনআরএস কাণ্ডে জড়িতদের সকলের উপযুক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক সাজা চাই। দাবি কোনওটাই অমূলক বা অন্যায্য নয়। আর তাই, দাবি আদায়ে জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিনিয়ররা, পথে নেমেছেন বিদ্বজ্জন শিল্পী কলাকুশলী থেকে সাধারণ প্রতিবাদী মানুষজন। তাঁদের লম্বা মিছিল শুক্রবার শহরের একাংশ স্তব্ধ করে হেঁটে গেল এনআরএস থেকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল। দিল্লির এইমস থেকে জয়পুর রায়পুর হায়দরাবাদ মুম্বই—হাসপাতালে হাসপাতালে বাংলায় আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থনে দেখা গেল মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে বা হেলমেট পরে বিচিত্র ভঙ্গির প্রতিবাদ, কোথাও কোথাও স্তব্ধ হল আউটডোর পরিষেবা, হয়রান হলেন লক্ষ রোগী ও তাঁদের অসহায় আত্মীয়-পরিজন। তাঁদের অনেকে হয়তো জানলেনই না কেন এই লাঞ্ছনা, কেন এই চিকিৎসা সংকট।
দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা শনিবার থেকেই স্বাভাবিক হয়েছে আশা করি, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে কবে? শনিবার সকালেও জানা বোঝা যাচ্ছে না। সাধারণ স্বাস্থ্য পরিষেবা বা সংকটাপন্ন রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই অচলাবস্থা তো দিনের পর দিন চলতে পারে না। সুতরাং, সমাধান আজ হোক, কাল হোক হবেই। কীভাবে হবে, কে করবেন, মুখ্যমন্ত্রীর আবেগ সদিচ্ছা নাকি আন্দোলনরত ডাক্তারবাবুদের মানবিকতা দায়বদ্ধতা—সমাধান আসবে কোন পথে আমরা জানি না। অন্তত, শনিবার সকালে এই লেখা যখন লিখছি তখনও সেইসব পথের গোটাটাই ঘন কুয়াশার অন্ধকারে ঢাকা। শুক্রবার শেষবিকেলে নবান্নে কয়েকজন প্রবীণ চিকিৎসকের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে সামান্য একটু আলোকরেখা দেখা গেলেও তা কতদূর স্থায়ী হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। তার কারণ, জুনিয়র ডাক্তারেরা শুক্রবার শেষরাত অবধি নিজেদের দাবিতে অনড়, তাঁদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিকিৎসক নিগ্রহের মূল কেন্দ্র এনআরএস হাসপাতালে আসতে হবে এবং আন্দোলন নিয়ে তাঁর বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে!
একথা অনস্বীকার্য, ক’দিন আগে এক বৃদ্ধের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ‘পেসেন্ট পার্টি’র নামে শদুয়েক লোক এনআরএস হাসপাতালে যে কাণ্ড ঘটিয়েছে, যেভাবে কর্মরত জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর হামলা চালিয়েছে তা কেবল ভয়াবহই নয়, রীতিমতো ন্যক্কারজনক এবং ক্ষমার অযোগ্য। পুলিসের ভূমিকাও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। যতদূর জানা গেছে, পুলিসি নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়েই দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। তাঁদের আক্রমণে তরুণ চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায় সমেত বেশ কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার গুরুতর আহত হয়েছেন। কপালের ওপরের খুলি ফেটে পরিবহর তো প্রায় প্রাণসংশয় হয়েছিল। তবে শুনেছি, ভগবানের আশীর্বাদে ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সের ডাক্তারদের দক্ষতায় আপাতত তিনি নিরাপদ। কিন্তু, এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে তাতে হাজার হাজার সাধারণ গরিব মধ্যবিত্ত রোগী ও তাঁদের আত্মীয়জনেরা যে গভীর সংকটে তা আজ আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এবং এই সংকটকে সাংঘাতিক ঘনীভূত করে তুলেছে রাজ্য জুড়ে হাসপাতালে হাসপাতালে কর্মরত সিনিয়র ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফা! এনআরএস তো বটেই, তার সঙ্গে আরজিকর, ন্যাশনাল, সাগর দত্ত, পিজি, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের একটা বড় অংশ শুক্রবার গণ-ইস্তফা দিয়ে চলে গেলেন! আর তাঁদের যাওয়ার পথের দিকে আকুল চোখে অসহায় চেয়ে রইলেন দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা করাতে আসা হাজারো মানুষ শিশু বৃদ্ধ অশক্ত মরণাপন্ন! আক্রান্ত জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি রেখেই বলতে হচ্ছে, এমন নির্দয় আন্দোলন সত্যি বলতে কী এই পশ্চিমবঙ্গে অভূতপূর্ব!
শোনা যাচ্ছে, হাসপাতালগুলোতে আউটডোর বন্ধ থাকলেও ডাক্তারবাবুদের একাংশ বাইরে বসে আউটডোরে রোগী দেখছেন, জরুরি পরিষেবা ইমার্জেন্সিতেও কাজ করছেন। কিন্তু, প্রয়োজনের তুলনায় এই সহৃদয়তা যে যথেষ্ট নয় তা স্বীকার করছেন সকলেই। বিশেষত, শত শত সিনিয়রের গণ-ইস্তফার পর পরিস্থিতি যে রীতিমতো ঘোরালো হয়ে উঠেছে এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থা যে প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে তাতেই বা সন্দেহ কি? সিনিয়র ডাক্তারবাবুরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগান দিতে দিতে হাত ছুঁড়তে ছুঁড়তে দল বেঁধে বেরিয়ে আসছেন আর তা দেখে আন্দোলনরত জুনিয়রদের জমায়েত উল্লাসে ফেটে পড়ছে— এমন দৃশ্য টিভিতে অনেকবার দেখা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিসরে এমন দৃশ্য নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন। ডাক্তারবাবুদের গণ-ইস্তফাও নজিরবিহীন। কিন্তু, প্রশ্ন হল— তাতে কি হাসপাতাল সমস্যা মিটবে? হাসপাতালের পরিকাঠামোগত অভাব ঘুচবে? পরিবহর মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঠেকানো যাবে? পুলিসের হুঁশ ফিরবে? ঈশ্বরের দূত হিসেবে ডাক্তারবাবুরা মানুষের শ্রদ্ধাভক্তি ভালোবাসা ফিরে পাবেন?
আমি বলছি না এই আন্দোলন অর্থহীন। প্রতিবাদ আন্দোলন নিশ্চয়ই চাই। কেন কারণে অকারণে লোক চিকিৎসকের গায়ে হাত তুলবে? অমন খুনে মার মারবে? চিকিৎসক ছাড়া আমাদের চলবে? বিভিন্ন সময় তো আমরা দেখেছি চিকিৎসায় গাফিলতি হোক কি অন্য কোনও একটা অজুহাত—রাজনৈতিক নেতামন্ত্রী থেকে সাধারণ লোক কি লুম্পেন, মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে ডাক্তারদের মারধর করছে, হাসপাতালে নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালাচ্ছে—আর পুলিস নিরাপত্তাকর্মীরা হাঁ করে দাঁড়িয়ে দেখছে। শুধু বাংলা বলে নয়, গোটা দেশেই এমন কাণ্ড ঘটেছে এবং ঘটেই চলেছে। সাম্প্রতিক এনআরএস কাণ্ড তারই এক ন্যক্কারজনক উদাহরণ। টিভিতে দেখলাম একজন বলছে, ডাক্তারবাবু এল, ইনজেকশন দিল আর পেসেন্ট মরে গেল! এই কথা বলা যায়, বলা উচিত? আরে, তুমি ডাক্তার? কী ইনজেকশন কেন দিল তখন পেসেন্টের অবস্থা কেমন ছিল কিছুই জান না— বলে দিলে আর এত বড় কাণ্ড বেধে গেল! প্রিয়জন
হারানো রোগী পরিবারের সহমর্মী হয়েই বলছি, ডাক্তারবাবুরা সবসময়ই চান তাঁর রোগী বাঁচুক। তার জন্য শেষপর্যন্ত চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু, তাঁদের আমরা যতই ভগবানের দূত বলি, তাঁরা মানুষ। তাঁদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। মৃত্যুকে তাই সবসময় তাঁরা হার মানাতে পারেন না। এই কঠিন সত্যটা মানতেই হবে। এবং তা মেনে অমন অবিবেচক মন্তব্য করা যতদিন না বন্ধ হবে, হাসপাতালে শান্তি ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হওয়া মুশকিল।
দ্বিতীয়ত, জুনিয়রদের আন্দোলনের যাথার্থ্য স্বীকার করেও বলতে হচ্ছে, গরিব সাধারণের স্বার্থে এবার তাঁরা একটু নরম হবেন এমনটাই প্রত্যাশা করছেন আমাদের মতো অসহায় রাজ্যবাসী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো সেদিন একটু কটু কথা বলেছেন। কিন্তু, এ-কথাও তো সত্যি যে, হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বা ডাক্তারবাবুদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধানে তাঁর সদিচ্ছা আছে এবং ইতিমধ্যেই তার যথেষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রবীণদের বৈঠকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী সমাধানসূত্র খুঁজছেন— সেটাও কি ওই সদিচ্ছারই নামান্তর নয়? শুক্রবার রাতেও জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠক করে পূর্ব সিদ্ধান্তেই অটল ছিলেন, তাঁদের দাবি— মুখ্যমন্ত্রীকে এনআরএসে আসতে হবে, মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতাও কিন্তু চাইছেন আন্দোলনরত ডাক্তারদের প্রতিনিধিরা শনিবার বিকেলে নবান্নে তাঁর সমাধান বৈঠকে যোগ দিন। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে শেষ পর্যন্ত কোথাকার জল কোথায় গড়াবে, কে কার কাছে আসবেন বসবেন জানা নেই— তবে দিনের শেষে যে যাবতীয় দুর্ভোগ দুর্যোগ জ্বালাযন্ত্রণার সিংহভাগ বয়ে চিকিৎসা করাতে আসা মানুষকেই বাড়ি ফিরতে হবে তা নিশ্চিত। এবং অচল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য মাথাকুটে আরও কোনও প্রাণ হারিয়ে গেলেও আশ্চর্যের কিছু নেই।
কারণ, শনিবার সকাল অব্দি তো বরফ গলার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না! কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা রাজ্যপালের উদ্বেগ আশঙ্কা, মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা সমাধান বৈঠক—কিছুই কি কাজে আসবে যদি না আন্দোলনকারী জুনিয়রেরা একটু ভাবেন? সিনিয়রদের গণ-ইস্তফায় চমক থাকতে পারে কিন্তু চলতি সমস্যার সমাধান যে নেই—সেটা কি ডাক্তারবাবুরা জানেন না? আলবাত জানেন। তাহলে? এই প্রশ্নটা কিন্তু মানুষের মনে উঠতে শুরু করেছে। এই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর না পেলে শেষপর্যন্ত ডাক্তারদের এই আন্দোলনের প্রতি সহমর্মী জনতার সহানুভূতিতে টান পড়বে না তো? একটু ভাবুন।
16th  June, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি।
বিশদ

03rd  November, 2019
বন্ধ হোক মৃত্যুকে রাজনীতির পণ্য বানানো
তন্ময় মল্লিক

জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত। শৈশবের গণ্ডি ছাড়াতে না ছাড়াতেই অমর কবির এই কবিতা প্রথম শিখিয়েছিল, জন্ম আর মৃত্যু এক সুতোয় বাঁধা। ভাবসম্প্রসারণ লিখতে গিয়ে শিখেছিলাম, জীবনের অবশ্যম্ভাবী পরিণতিই হল মৃত্যু। আধ্যাত্মিক মনোভাবাপন্ন মানুষের মতে, আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।   বিশদ

02nd  November, 2019
চীনা সাম্রাজ্যবাদ
সমৃদ্ধ দত্ত

 কোনও এক সময় শুরু হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। কিন্তু পরবর্তীকালে প্রধানত বিহারের বিষহরি উৎসবের প্রধান হস্তশিল্প হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে যায় মঞ্জুষা। ভাগলপুরে ব্রিটিশ আমলে মঞ্জুষা শিল্প এতটাই খ্যাতি ও বাণিজ্য পেয়েছিল যে, এমনকী ম্যানচেস্টারেও নিয়ম করে যেত ওই সিরিয়াল আর্ট। বিশদ

01st  November, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১১ নভেম্বর (পিটিআই): সরকার গঠনের জন্য সময় বেঁধে দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল। এনসিপিও জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সমর্থন পেতে হলে এনডিএ ছাড়তে হবে শিবসেনাকে। মোদি সরকারের ...

নয়াদিল্লি, ১১ নভেম্বর (পিটিআই): উৎসবের মরশুম আর নয়া মডেল। এই দুইয়ের জেরে নিম্নগতি থেকে সামান্য হলেও মাথা তুলল গাড়ি শিল্প। অক্টোবরে যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রি বাড়ল ০.২৮ শতাংশ। অর্থাৎ গাড়ি বিক্রি হয়েছে ২ লক্ষ ৮৫ হাজার ২৭ ইউনিট। যেখানে গত বছরের ...

লাহোর, ১১ নভেম্বর (পিটিআই): বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের (৬৯)। তাঁর দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)-এর তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে। পরিবারের অনুরোধে শুক্রবারই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি হয়েছেন শরিফ।  ...

নাগপুর, ১১ নভেম্বর: ব্যাটিং অর্ডারের চার নম্বর পজিশন নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যা থেকে অবশেষে মুক্তি পেল ভারতীয় দল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত টি-২০ সিরিজ শেষে তেমনটাই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দলাভ হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪০: ফরাসি ভাস্কর অগ্যুস্ত রদ্যঁর জন্ম
১৮৯৩: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন চুক্তি স্বাক্ষরিত
১৮৯৬: পক্ষীবিদ সালিম আলির জন্ম
১৯৪৬: পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭০ টাকা ৭২.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৬ টাকা ৯৩.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৩ টাকা ৮০.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৬৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ কার্তিক ১৪২৬, ১২ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, পূর্ণিমা ৩৩/৪ রাত্রি ৭/৪। ভরণী ৩৭/৩১ রাত্রি ৮/৫১। সূ উ ৫/৫০/৫২, অ ৪/৫০/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১৮ গতে ১০/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে ৩/১৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/১৩ গতে ৮/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
২৫ কার্তিক ১৪২৬, ১২ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, পূর্ণিমা ৩২/৪৫/৪৭ রাত্রি ৬/৫৮/২০। ভরণী ৩৯/৩০/৩৪ রাত্রি ৯/৪০/১৫, সূ উ ৫/৫২/১, অ ৪/৫১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ৭/২৯ গতে ১১/৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে ও ৯/১২ গতে ১১/৪১ মধ্যে ও ১/৩৮ গতে ৩/২৪ মধ্যে ও ৫/১০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৪/২৬ গতে ৮/৩৬/৫০ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৪/৪ গতে ২/৬/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮/৫৩ গতে ৮/৬/২৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৪ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  টাস্ক ফোর্স নিয়ে বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হল?
বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্থ এলকায় গিয়ে কালকের মধ্যে নবান্নে রিপোর্ট জমা দিতে ...বিশদ

05:07:23 PM

 আজব কাণ্ড! পেঁপের পেটেই মিলল পেঁপে
পেঁপের পেটেই পেঁপে মিলল। শুনলে অবাক লাগলেও বাস্তবে এটাই ...বিশদ

04:43:28 PM

মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিতে এলেন সংসদ সদস্য নিশীথ প্রামানিক 
চল্লিশটি ঢাক বাজিয়ে রাজ বেশে কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে এসে পুজো ...বিশদ

04:03:00 PM

জলপাইগুড়িতে আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ, আটক ১ 

04:00:00 PM

মহারাষ্ট্র: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ শিবসেনা
 

মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনে নতুন মোড়। অতিরিক্ত সময় চেয়ে এবার সুপ্রিম ...বিশদ

03:46:22 PM

বুলবুল নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করলেন মমতা 
বুলবুল নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...বিশদ

03:39:00 PM