Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিধানসভা ভোট কিন্তু হবে মমতাকে দেখেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ইন্দিরা গান্ধীর টার্গেট ছিল একটাই। যেভাবে হোক সিপিএমের কোমর ভেঙে দিতে হবে। তিনি মনে করতেন, সিপিএম আসলে সিআইএ’র মদতপুষ্ট। ঠিকঠাক সুযোগ পেলে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে সশস্ত্র আন্দোলন করিয়ে বৃহত্তর বাংলা গঠন করে ফেলবে। কাজেই বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই পছন্দের তালিকায় থাকলেও সিপিএমকে মোটে বরদাস্ত করতে পারতেন না ইন্দিরা। তার উপর ১৯৬৭ এবং ’৬৯ সালে কংগ্রেসের গরিমা ধূলিসাৎ করে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসে গিয়েছে অজয় মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট সরকার। বহু শরিকের সমাহার। বাংলার মানুষ ভেবেছিল, এই সরকার উন্নয়নের নয়া দিশা দেখাবে। দিল্লি থেকে অন্তত একে পরিচালিত হতে হবে না। শেষ পর্যন্ত মানুষের ভরসা তারা রাখতে পারেনি। শুধু মানুষ বললে কম বলা হয়, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখোপাধ্যায় আস্থা রাখতে পারেননি তাঁর যুক্তফ্রন্টে। যার প্রধান কারণ ছিল অবশ্যই সিপিএম এবং জ্যোতি বসু। ১৯৭০ সালে অজয়বাবুর ইস্তফার পর মোক্ষম চালটা দিয়েছিলেন ইন্দিরা। দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করে পশ্চিমবঙ্গে বসিয়ে দিয়েছিলেন সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়কে। ততদিনে মুক্তিযুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। সিদ্ধার্থশঙ্করের কাছে বার্তা পৌঁছে গেল, প্রস্তুত হও। যুদ্ধ শেষ হলেই বাংলায় নির্বাচন করাব। কথা রেখেছিলেন ইন্দিরা। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় জম্মু-কাশ্মীর, গুজরাত, পাঞ্জাব, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মহীশূর, অন্ধ্র ও অসমে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথাই ছিল। তার সঙ্গে ইন্দিরা জুড়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারকে। পাকিস্তানকে সদ্য দুরমুশ করে আসার মহাপরাক্রমে বলীয়ান হয়ে দেশজুড়ে কংগ্রেসের পতাকা উড়িয়ে দিলেন ইন্দিরা গান্ধী। পশ্চিমবঙ্গেও কংগ্রেস ফিরল ২৮০টির মধ্যে ২১৬টি আসন নিয়ে। মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিল অজয় মুখোপাধ্যায় তথা যুক্তফ্রন্টের প্রত্যেক শরিকের থেকে। কেন? সুযোগ পেয়েও বাংলার মানুষের আস্থার মর্যাদা তাঁরা রাখতে পারেননি। আর ’৭৫ সালে সেই আস্থার বিসর্জন দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। মামলা, দলের নিয়ন্ত্রণ হাতের বাইরে চলে যাওয়া, জরুরি অবস্থা...। এরাজ্যে নকশাল আন্দোলনও তাতে অনুঘটকের কাজ করেছিল। পরবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছিল কমিউনিস্ট পার্টি। যাদের বিদায়ে সময় লেগে গিয়েছিল ৩৪ বছর। সেই জগদ্দল পাথরকে যিনি দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সরাতে সক্ষম হয়েছিলেন, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ ছিল পরিবর্তনের সরকার। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, নেতাই... একের পর এক আন্দোলনে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এই ক্ষমতা তিনি অর্জন করেছিলেন। কেউ প্লেটে সাজিয়ে তাঁর হাতে তুলে দেয়নি। এবং মানুষ তাঁর উপর আস্থা রেখেছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটই যার প্রমাণ।
এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ১৮টি আসন নিয়ে আশাতীত উত্থানের পর কোন প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বাংলার মানুষ মমতার উপর আস্থা রেখেছে? ক্ষমতা দখলের রাজনীতির কিছু ধূসর প্রেক্ষাপট আছে। যা সাদা চোখে দেখা যায় না। আমরা বুঝি শুধু কিছু সমীকরণ। রাজনীতির সোজা-সাপটা অঙ্ক। সেই অঙ্কে মমতার ভরাডুবিটাই আজ সামনে আসছে। ধূসর অংশে ঢাকা পড়ে রয়েছে অগ্নিকন্যা বিশেষণে ভূষিত বাংলার নেত্রীর প্রবল জনপ্রিয়তা। মানুষের মধ্যে কি ক্ষোভ নেই? আছে। থাকাটাই স্বাভাবিক। একটা সরকার যদি আট বছর রাজত্ব করে, তাহলে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়া তার গায়ে লাগতে বাধ্য। একজন কখনও সবার কাছে সমানভাবে প্রিয় হতে পারে না। আমাদের সমাজটাই হল দাঁড়িপাল্লার মতো। একজনের কাছে ভালো হতে গেলে অন্যজনের গোঁসা হবে। তৃণমূল সরকারের ক্ষেত্রেও হয়েছে। কিন্তু ৩৪ থেকে ২২টি আসনে নেমে যাওয়ার পর কয়েকটা বিষয় আমরা বিবেচনায় আনতে ভুলে যাচ্ছি। প্রথমত, গণিতের যে কোনও প্যাটার্নে ২২ সংখ্যাটি ১৮’র থেকে বেশি। তৃণমূল ২২টি আসন পেয়েছে। একটি-দু’টি নয়! দ্বিতীয়ত, তৃণমূল কংগ্রেসের এই জয়ের নেপথ্যে এখনও কিন্তু রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা। আজ প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার চাদরে ঢাকা পড়ে তৃণমূল দল কিংবা নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জন্মাতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও রাজ্যের সব প্রান্তে গ্রহণযোগ্য। যে তৃণমূল সমর্থকরা সদ্য সমাপ্ত লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রতীকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের অভিমান থাকতে পারে নেত্রীর প্রতি। তা এখনও ক্ষোভের রূপ নেয়নি। তৃতীয়ত, এটা ছিল লোকসভা ভোট। দেশের সরকার গড়ার পরীক্ষা। কোনও একটা রাজ্যের নয়! রাহুল গান্ধী ভোটের বছর খানেক আগে থেকে যতই সিংহবিক্রমে বিজেপির বিরোধিতা করুন না কেন, ভারতবাসী দেখিয়ে দিয়েছে এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির কোনও বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী পদে এখনও কোনও নেতা বা নেত্রী তেমন জায়গা তৈরি করে উঠতে পারেননি। যদি বিরোধী মহাজোট বাস্তব রূপ পেত, তাহলে অবশ্যই একটা বিকল্প ভাবনা আসার সম্ভাবনা ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রবল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও যা সম্ভব হয়নি। প্রত্যেক আঞ্চলিক দলেরই নিজস্ব এজেন্ডা আছে। এ বলেন আমি প্রধানমন্ত্রী হব, তো সেটা শুনে আর একজন মাথা তোলেন... আমিও যোগ্য! পরিস্থিতি এমন হলে আর যাই হোক, জোটের স্বপ্ন সফল হওয়া সম্ভব নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের বিরুদ্ধে একের ফর্মুলাও তাই দিনের আলো দেখল না! উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টি জোট গড়ল। কংগ্রেসকে নিল না। ফলে কংগ্রেস আলাদা প্রার্থী দিল। ভোট কাটাকাটি করে বিজেপির ঝুলিতে একগাদা আসন তুলে দেওয়ার রাস্তাও প্রশস্ত হয়ে গেল।
মোদি-ঝড়। ২০১৪ সালে যা ছিল স্বতঃপ্রণোদিত। ২০১৯ সালে পৌঁছে যা হয়েছে অনেক বেশি অর্গানাইজড। বছর খানেকের বেশি সময় ধরে বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ জুটি এই ঝড়ের পথ বানিয়েছে। বাস্তবিকই এটা ছিল সোশ্যাল মিডিয়া নির্বাচন। বিজেপি অত্যন্ত কৌশলে সমাজের বিভিন্ন স্তরের এবং আর্থিক সঙ্গতির মানুষের জন্য আলাদা আলাদা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বানিয়েছে। তাতে চালানো হয়েছে নিঃশব্দ প্রচার। সরাসরি প্রশ্ন করলে অবশ্য বিজেপির পক্ষ থেকে সবটাই অস্বীকার করা হয়েছে। কারণ, গোটাটাই দলের রঙের বাইরে গিয়ে। আলাদা সংস্থা বা সংগঠন বানিয়ে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর দিয়েছিল। কিন্তু তারা বিজেপির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি। এবং অবশ্যই, মোদি ছাড়া অন্য কেউ স্থিতিশীল সরকার দেবে বলে দেশবাসীর মনে হয়নি। সেটাই এবারের মোদি-ঝড়ের আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তার উপর, ইন্দিরা গান্ধীর মতো মুক্তিযুদ্ধ না থাকলেও মোদির সার্জিকাল স্ট্রাইক এবং বালাকোট রয়েছে। পাকিস্তান বা জাতীয়তাবাদী ইস্যু চিরকাল ভারতের ভোটারদের ভালো খাদ্য। খুড়োর কলে জাতীয়দাবাদ ঝুলিয়ে বিজেপি প্রচার চালিয়ে গিয়েছে। আর এই বিপুল জয়।
নরেন্দ্র মোদি আর যাই হোন, ইন্দিরা গান্ধী নন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে বাংলায় জরুরি অবস্থা জারি করা তাঁর পক্ষে একটু মুশকিল। রাজ্যসভার যে সমর্থন এক্ষেত্রে তাঁর প্রয়োজন হবে, তা মোদি পাবেন না। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে সরকার ভেঙে দিলে ক্ষমতায় আসার মতো আত্মবিশ্বাস এবং বিধায়ক সংখ্যা প্রয়োজন। যার কোনও দিশা এখনও পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। শাসক দলের ১০০ বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন বলে যত ঢাকের আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল, তেমন বাজনাও আর কানে আসছে না। কারণ, সরকার ভেঙে বিধানসভায় অনাস্থা আনতে গেলে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জন তৃণমূল বিধায়ককে বিজেপিতে যেতে হবে। সেটা এই মুহূর্তে খুব সম্ভব কি? দু’বছর বাকি বিধানসভা নির্বাচনের। ধরে নেওয়া যাক, পশ্চিমবঙ্গের বহু এমএলএ গেরুয়া শিবিরের দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন। তাঁরা যদি এখনই দল বদল করেন, তাহলে আগামী দু’বছর করেকম্মে খাওয়ার সুযোগ হারাবেন। আর তাঁদের দ্বিতীয় আশঙ্কার কারণ অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি প্রকল্প থেকে কাটমানি খাওয়া বা তোলাবাজি ঠেকানোর ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন তিনি। এভাবে যদি মমতা দলের ক্ষয়ে যাওয়া অংশগুলিকে বাদ দিয়ে দিতে পারেন, মানুষ আবার তাঁকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবে।
সবচেয়ে বড় কথা, বিধানসভা ভোটটা হবে কিন্তু মমতাকে দেখে। সেখানে নরেন্দ্র মোদি নগণ্য। কেন্দ্রে সরকার নির্বাচনের সময় ভোটারদের মনে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে হয়তো কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু তিনি তো আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রিত্বের জন্য লড়াই করবেন না! তাহলে বিজেপির মুখ কে? তিনি যেই হোন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি শক্তিশালী হবেন না। তাঁর জনপ্রিয়তাও মমতার মতো হবে না। এক বন্ধুর থেকে শোনা... ফাঁসিদেওয়ার একটি ভাতের হোটেলে বসে খাচ্ছিলেন। বাইরে বিজেপির পতাকা দেখে হোটেল মালিককে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনারা এখানে কি সবাই বিজেপি হয়ে গিয়েছেন?’ ভদ্রলোক কিছু না বলে শুধু একটু হাসলেন। ডাকলেন তাঁর বউদিকে... ‘দেখুন, আমার বউদি, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা। বিজেপির পতাকা যা দেখছেন, সব এই লোকসভা ভোটে। বিধানসভায় আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন।’
রাজ্যের বাস্তব চিত্র কিন্তু এখনও এটাই। এখন হাতি কাদায় পড়েছে। সময় ভালো যাচ্ছে না... বিরুদ্ধ ইস্যু তৈরি হচ্ছে, যা করতে যাচ্ছেন সেটা ঠিকঠাক হচ্ছে না। আর সেই সুযোগে মাছিও তাকে লাথি মেরে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি দু’বছর পরও থাকবে তো? একটা সময় লোকসভা নির্বাচনে দলের মাত্র একটি আসন পেয়েও হারিয়ে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরে এসেছিলেন সসম্মানে। মহা পরাক্রমে। এবারও যদি তিনি ঘুরে দাঁড়ান, তাঁর বিরুদ্ধে খোল-করতাল বাজানেওয়ালাদের খুঁজে পাওয়া যাবে তো? 
18th  June, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি।
বিশদ

03rd  November, 2019
বন্ধ হোক মৃত্যুকে রাজনীতির পণ্য বানানো
তন্ময় মল্লিক

জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত। শৈশবের গণ্ডি ছাড়াতে না ছাড়াতেই অমর কবির এই কবিতা প্রথম শিখিয়েছিল, জন্ম আর মৃত্যু এক সুতোয় বাঁধা। ভাবসম্প্রসারণ লিখতে গিয়ে শিখেছিলাম, জীবনের অবশ্যম্ভাবী পরিণতিই হল মৃত্যু। আধ্যাত্মিক মনোভাবাপন্ন মানুষের মতে, আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার মিলন।   বিশদ

02nd  November, 2019
চীনা সাম্রাজ্যবাদ
সমৃদ্ধ দত্ত

 কোনও এক সময় শুরু হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। কিন্তু পরবর্তীকালে প্রধানত বিহারের বিষহরি উৎসবের প্রধান হস্তশিল্প হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে যায় মঞ্জুষা। ভাগলপুরে ব্রিটিশ আমলে মঞ্জুষা শিল্প এতটাই খ্যাতি ও বাণিজ্য পেয়েছিল যে, এমনকী ম্যানচেস্টারেও নিয়ম করে যেত ওই সিরিয়াল আর্ট। বিশদ

01st  November, 2019
একনজরে
লাহোর, ১১ নভেম্বর (পিটিআই): বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের (৬৯)। তাঁর দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)-এর তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে। পরিবারের অনুরোধে শুক্রবারই চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি হয়েছেন শরিফ।  ...

নয়াদিল্লি, ১১ নভেম্বর (পিটিআই): উৎসবের মরশুম আর নয়া মডেল। এই দুইয়ের জেরে নিম্নগতি থেকে সামান্য হলেও মাথা তুলল গাড়ি শিল্প। অক্টোবরে যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রি বাড়ল ০.২৮ শতাংশ। অর্থাৎ গাড়ি বিক্রি হয়েছে ২ লক্ষ ৮৫ হাজার ২৭ ইউনিট। যেখানে গত বছরের ...

সংবাদদাতা, মালদহ: জাতীয় নাগরিকপঞ্জী বা এনআরসি নিয়ে প্রচার ও আন্দোলনের গতি আরও বাড়াতে চাইছে মালদহ জেলা কংগ্রেস। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে বিশদে অবহিত করে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি দিয়েছিলেন সুজাপুরের কংগ্রেস বিধায়ক ঈশা খান চৌধুরী।  ...

নাগপুর, ১১ নভেম্বর: ব্যাটিং অর্ডারের চার নম্বর পজিশন নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যা থেকে অবশেষে মুক্তি পেল ভারতীয় দল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত টি-২০ সিরিজ শেষে তেমনটাই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দলাভ হবে। সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪০: ফরাসি ভাস্কর অগ্যুস্ত রদ্যঁর জন্ম
১৮৯৩: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন চুক্তি স্বাক্ষরিত
১৮৯৬: পক্ষীবিদ সালিম আলির জন্ম
১৯৪৬: পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭০ টাকা ৭২.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৬ টাকা ৯৩.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৩ টাকা ৮০.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৬৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ কার্তিক ১৪২৬, ১২ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, পূর্ণিমা ৩৩/৪ রাত্রি ৭/৪। ভরণী ৩৭/৩১ রাত্রি ৮/৫১। সূ উ ৫/৫০/৫২, অ ৪/৫০/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১৮ গতে ১০/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে ৩/১৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/১৩ গতে ৮/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
২৫ কার্তিক ১৪২৬, ১২ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, পূর্ণিমা ৩২/৪৫/৪৭ রাত্রি ৬/৫৮/২০। ভরণী ৩৯/৩০/৩৪ রাত্রি ৯/৪০/১৫, সূ উ ৫/৫২/১, অ ৪/৫১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ৭/২৯ গতে ১১/৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে ও ৯/১২ গতে ১১/৪১ মধ্যে ও ১/৩৮ গতে ৩/২৪ মধ্যে ও ৫/১০ গতে ৫/৫৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৪/২৬ গতে ৮/৩৬/৫০ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৪/৪ গতে ২/৬/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮/৫৩ গতে ৮/৬/২৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৪ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্র: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ শিবসেনা
 

মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনে নতুন মোড়। অতিরিক্ত সময় চেয়ে এবার সুপ্রিম ...বিশদ

03:46:22 PM

বুলবুল নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করলেন মমতা 
বুলবুল নিয়ে টাস্ক ফোর্স গঠন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...বিশদ

03:39:00 PM

বরাকরে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষে নদীতে স্নান করতে নেমে নিখোঁজ মামা ও ভাগ্নে 

03:39:00 PM

মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ মোদি মন্ত্রিসভার 

03:38:23 PM

উলুবেড়িয়ায় উদ্ধার ১৮ কেজির ভেটকি, দাম উঠল ১২ হাজার টাকা
 

উলুবেড়িয়ায় গঙ্গা থেকে হুইল ছিপে ধরা পড়ল ১৮কেজির ভেটকি মাছ। ...বিশদ

01:35:00 PM

মুম্বইতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে দেখা করলেন কং নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, আহমেদ প্যাটেলরা 

01:02:00 PM