Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদি সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি দেশকে কোন দিকে নিয়ে চলেছে
তরুণকান্তি নস্কর

কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তর থেকে সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১৯-এর যে খসড়া প্রকাশিত হয়েছে তার যে অংশ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে হই চই পড়েছিল তা হল বিদ্যালয় স্তরে ত্রি-ভাষা নীতির মাধ্যমে অ-হিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি চাপানোর বিষয়টি। তামিলনাড়ুর মানুষের প্রবল আপত্তিতে তা কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তারপর থেকে সংবাদ মাধ্যমগুলি নিশ্চুপ, যেন খসড়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে আর উল্লেখযোগ্য কোনও বিষয় নেই। কিন্তু শিক্ষার উপর (১) কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, (২) ভারতীয়ত্ব ও ভারতীয় ঐতিহ্যের নামে শিক্ষার গৈরিকীকরণের ষড়যন্ত্র, (৩) মৌলিক শিক্ষার পরিবর্তে কর্মমুখী শিক্ষার উপর গুরুত্ব, (৪) মূলধারার শিক্ষণ পদ্ধতির পরিবর্তে অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলন এবং সর্বোপরি (৫) শিক্ষাকে বেসরকারিকরণ প্রভৃতির ঝোঁক স্পষ্ট ৪৮০ পাতার বেশি এই নথির ছত্রে ছত্রে। সব থেকে বড় কথা, সুবিশাল এই নথির সুললিত ভাষা—যদি অন্তর্নিহিত অর্থ কেউ বোঝার চেষ্টা না করেন তাহলে বিভ্রান্ত হয়ে তিনি মনে করতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমান ঘুণে ধরা শিক্ষা ব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিছু কিছু শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক সংগঠনের মধ্যে এই বিভ্রান্তি প্রকট বলে মনে হয়েছে। যাই হোক, পরিবর্তন তো নিশ্চয়, কিন্তু তা কোন দিকে দেশকে নিয়ে চলেছে সেই আলোচনা করার উদ্দেশ্যে এই প্রতিবেদন।
যে-কোনও শিক্ষানীতি সংস্কারের আগে পূর্বশর্ত হল মতাদর্শ নির্বিশেষে সর্বস্তরের শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, পড়ুয়া এবং তাদের সংগঠনগুলির মতামত গ্রহণ করা। দপ্তরের পূর্বতন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর এই খসড়া নীতির মুখবন্ধে দাবি করেছেন, ২০১৫ সাল থেকে তাঁর সরকার বহুদিক থেকে নানা ধরনের মানুষের মতামত সংগ্রহ করেছে এবং কস্তুরিরঙ্গনের নেতৃত্বে যে কমিটি এই খসড়া প্রস্তুত করেছে তারা ৭৪টি সংস্থা ও ২১৭ জন ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করেছে। এই ৭৪টি সংস্থার বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান বা দপ্তর, এমনকী প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও আছে। আর আছে নানা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও আছে কিন্তু তুলনায় তা খুবই নগণ্য। কিন্তু সারা দেশে এত ছাত্র সংগঠন থাকা সত্ত্বেও কমিটি কেবলমাত্র অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদকে বেছে নিয়েছে মতামত গ্রহণের জন্য—যা বিজেপির ছাত্র সংগঠন। শিক্ষক সংগঠন হিসেবে যাদের বেছে নিয়েছে সেগুলিও অদ্ভুত। একটি হল ‘ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডল’, ১৯৬৯ সালে রাম নবমীর দিনে যার প্রতিষ্ঠা। সংগঠনটি এই আধুনিক শিক্ষার যুগেও গুরুকুল শিক্ষার জয়গান করে এবং ‘ভারতীয়ত্ব শিক্ষার’ নামে যে শিক্ষার তারা প্রচারক তা যে শিক্ষার ‘গৈরিকীকরণের’ জন্য নয় কষ্ট করে বই লিখে তা তাদের জানাতে হয়! বিজেপির সঙ্গে শিক্ষক সংগঠনটির সম্পর্কের রসায়ন কী তা সংঘ-পরিবারের রীতিনীতি সম্পর্কে যাঁরা ওয়াকিবহাল তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। অপর যে শিক্ষক সংগঠনটির সঙ্গে ‘গভীরভাবে’ আলোচনা করেছেন বলে মন্ত্রী দাবি করেছেন তা হল ‘অল ইন্ডিয়া সেকেন্ডারি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন’—যার তেমন কোনও অস্তিত্ব ইন্টারনেটে পাওয়া শিক্ষক সংগঠনগুলোর জাতীয় বা বিশ্ব তালিকায় নেই। অন্য কোনও সর্বভারতীয় বা রাজ্য স্তরের শিক্ষক সংগঠন তাঁদের নজরে পড়েনি। উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত মূলস্রোতের কোনও সংগঠনের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন তাঁরা বোধ করেননি। যে ২১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির মতামত তাঁরা নিয়েছেন তাঁদের বেশিরভাগ দিল্লি, মুম্বই বা বেঙ্গালুরুর, যাঁরা মূলত সরকারি পদ অলংকৃত করেন অথবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেন। এই তালিকায় কলকাতার কোনও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নেই। মতামত নেওয়ার ধরন ও পাত্র বাছাই থেকে পরিষ্কার শিক্ষানীতি প্রণয়নে তাঁদের কেমন ধরনের পরামর্শ চেয়েছিলেন।
একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শিক্ষা পরিচালনার মূল বৈশিষ্ট্য হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধিকার। যার অর্থ হল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সমস্ত স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মূল দায়িত্বে থাকবেন শিক্ষক-শিক্ষাবিদ-পড়ুয়া-গবেষকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কোর্ট-কাউন্সিল-সেনেট-সিন্ডিকেট-অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল প্রভৃতি বিধিবদ্ধ (স্ট্যাট্যুটরি) সংস্থা। শিক্ষার আর্থিক দায়িত্ব সরকারের উপর বর্তাবে, কিন্তু অর্থ মঞ্জুর করার অজুহাতে সরকার কখনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাক গলাতে পারবে না। প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা এমনই একটি বিশেষ বিষয় যেখানে শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ব্যতিরেকে রাজনীতিবিদ বা অন্য কেউ, যাঁর অন্য বিষয়ে যত পারদর্শিতা থাকুক না কেন পঠন-পাঠন-পরীক্ষা-পাঠ্যবস্তু সম্পর্কিত বিষয়ে নীতি নির্ধারণে কোনও ভূমিকাই পালন করতে পারবেন না। এর অন্যথা হওয়ার অর্থই হল, শিক্ষার স্বাধিকারকে অস্বীকার করা। শিক্ষা পরিচালনার এটাই গণতান্ত্রিক ধারণা। শিক্ষায় উন্নত যেকোনও দেশ তার মান্যতা দিয়েছে।
প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষানীতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার এই মৌলিক নীতিটিকেই অগ্রাহ্য করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিচালনার দায়িত্বে যে ‘গভর্নিং বোর্ড’ থাকবে তার সদস্যদের মনোনয়নের প্রস্তাবিত পদ্ধতিটি খুবই গোলমেলে। (১) ‘খুব যত্ন সহকারে মনোনীত ব্যক্তি’, (২) ‘অত্যন্ত দক্ষতা সম্পন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তি’, (৩) ‘সমাজের খ্যাতনামা ব্যক্তি’— এঁরাই হবেন ‘গভর্নিং বোর্ডের’ মাননীয় সদস্য। এমন নামজাদা (!) ব্যক্তিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার কী সম্পর্ক তা আমাদের জানা নেই। ফলত বিশ্ববিদ্যালয় সমেত সমস্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনোনীত-রাজ চলবে—নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বমূলক প্রশাসনের কোন অস্তিত্ব থাকবে না। মনোনয়নের দায়িত্ব কাদের উপর বর্তাবে তা পরিষ্কার। কেন্দ্রীয় সরকারের বকলমে কেন্দ্রের শাসক দল তথা সংঘ-পরিবারের নিয়ন্ত্রণ যে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিতব্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ছড়ি ঘোরানোর প্রচেষ্টার শেষ এখানেই নয়। গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকেই শাসক দলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে চাওয়া হয়েছে। পেশাগত শিক্ষা সমেত সামগ্রিকভাবে উচ্চশিক্ষাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি নতুন সংস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে, যার নাম হবে ন্যাশানাল হায়ার এডুকেশন রেগুলেটরি অথরিটি (এনএইচইআরএ)। ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার জন্য অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল অফ টেকনিক্যাল এডুকেশন, আইন শিক্ষার জন্য বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া, ডাক্তারি শিক্ষার জন্য মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া ইত্যাদি গড়ে উঠেছিল ওই সমস্ত পেশাগত শিক্ষার মান নিয়মমাফিক করার উদ্দেশ্যে। বিধিবদ্ধ এই সংস্থাগুলি দীর্ঘ ঐতিহ্য সম্পন্ন। এই সমস্ত সংস্থাগুলিকে মিলিয়ে একটি নতুন সংস্থার তারা জন্ম দেবে। কিন্তু সমগ্র উচ্চশিক্ষার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ‘এনএইচইআরএ’-র উপর। আর এই এনএইচইআরএ-র মাথার উপর থাকবে অপর একটি নয়া সংস্থা—নাম হবে রাষ্ট্রীয় শিক্ষা আয়োগ (আরএসএ) বা জাতীয় শিক্ষা কমিশন। এই নব গঠিত সংস্থার উপর বিদ্যালয় শিক্ষা থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা তথা সমগ্র শিক্ষার ভার অর্পিত হবে। আরএসএ-র চেয়ারপার্সন হবেন প্রধানমন্ত্রী নিজে, ভাইস-চেয়ারপার্সন হবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। (উল্লেখ্য, বর্তমান কেন্দ্রীয় ‘মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক’টি পরিবর্তিত হয়ে হবে ‘শিক্ষা মন্ত্রক’)। যাই হোক, ‘আরএসএ’-র মোট ২০-৩০ জন সদস্যের মধ্যে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, ক্যাবিনেট সচিব, নানা দপ্তরের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, পালা করে কিছু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ‘সযত্ন মনোনীত’ কয়েকজন শিক্ষাবিদও থাকবেন শিক্ষা নিয়ন্ত্রক ওই সর্বোচ্চ সংস্থায়। অর্থাৎ দেশের সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। এমনকী উচ্চশিক্ষায় রাজ্য সরকারগুলোর কথা বলার কোনও জায়গা থাকবে না। যদিও সংবিধান অনুযায়ী শিক্ষা যুগ্ম তালিকা ভুক্ত এবং উচ্চশিক্ষার মূল আর্থিক দায়িত্ব রাজ্য সরকারগুলিই বহন করে, কেন্দ্রীয় সরকারের অবদান যৎ সামান্য। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সরকার তথা শাসক দলের হাতে কুক্ষিগত করার এমন সুপরিকল্পিত ও নগ্ন প্রয়াস এর আগে লক্ষিত হয়নি। অদ্ভুত ব্যাপার হল, শাসক দলের নিশ্ছিদ্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এমন অপ-ব্যবস্থাকে তাঁরা শিক্ষার স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ হিসেবে দেখাতে চাইছেন। এমন নির্লজ্জ রসিকতার নজির আর আছে কি না জানা নেই।
কিন্তু কেন তাঁরা শিক্ষার উপর এই অবাধ নিয়ন্ত্রণ চাইছেন? এর উত্তর পাওয়া যাবে আরএসএস ও সংঘ-পরিবার পুষ্ট বিজেপি সরকারের বিজ্ঞান ও শিক্ষা সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গিটি যা গত পাঁচ বছরে বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মহাভারতের যুগে নিশ্চয় ইন্টারনেট ছিল, নয়তো ধৃতরাষ্ট্র কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের লাইভ-স্ট্রিমিং পেলেন কীভাবে? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেছেন, আইনস্টাইন কী এমন নতুন কথা বলেছেন, এর থেকে ভালো তত্ত্ব বেদেই আছে। বিজ্ঞান কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে এক আরএসএস অনুগামী বললেন বেদের যুগে এরোপ্লেন ছিল। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ডারউইন তত্ত্ব ভুল, কারণ কেউ কোনও বাঁদরকে মানুষ হতে দেখেনি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বিধান দিয়েছেন, ভারতে প্ল্যাস্টিক সার্জারি অবশ্যই ছিল, নয়তো গণেশের ধড়ে হাতির মাথাটা বসানো হল কী করে? এইসব বিজ্ঞান বিরোধী হাস্যকর কথাবার্তা বলে তাঁরা দেশকে কেবল বিশ্বের দরবারে হেয় করছেন তাই নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান-অঙ্কশাস্ত্রের জগতে ভারতের প্রকৃত অবদানকে ভুলিয়ে দিচ্ছেন। আর এসব কিছু তাঁরা করছেন ভারতীয়ত্ব, ভারতীয় ঐতিহ্যের নাম করে।
নয়া শিক্ষানীতির কেন্দ্রবিন্দুই হল এই ভারতীয়ত্বের নাম করে মধ্যযুগীয় বাতিল চিন্তা ভাবনার জাবর কাটার প্রচেষ্টা। পঞ্চতন্ত্র, জাতক, হিতোপদেশের গল্পকে তাঁরা স্কুল পাঠ্য করতে চাইছেন, সংস্কৃত শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অথচ ইংরেজি ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বহীন করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। পাঠ্যতালিকায় বহু ব্যক্তির জীবনীচর্চার উল্লেখ আছে, কিন্তু সেই তালিকায় ভারতীয় নবজাগরণের পথিকৃৎ রামমোহন ও বিদ্যাসাগরের নাম সযত্নে বাদ দেওয়া হয়েছে। রামমোহন-বিদ্যাসাগরই যে এদেশে প্রথম ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাতিল করে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য লড়াই করেছিলেন তা কারোর অজানা নয়। ভারতীয় নবজাগরণের এই মনীষীরা যে আর এস এস-বিজেপির চক্ষুশূল তা আজ জলের মতো পরিষ্কার। পাঠ্যবস্তুকে এমনভাবে ঢেলে সাজানোর চেষ্টা কাজ করছে যাতে কিশোর মনে সংঘ-পরিবার সুলভ অবৈজ্ঞানিক চিন্তন প্রক্রিয়ার ছাপ পড়ে। তাঁদের লক্ষ্যবস্তু কেবল পড়ুয়ারাই নয়—শিক্ষকরাও, যাঁরা পড়ুয়াদের ছাঁচে ঢালার কারিগর হবেন। তাই শিক্ষানীতিতে শিক্ষণ-শিক্ষার উপর নজিরবিহীন জোর। শিক্ষাকে কুক্ষিগত না করতে পারলে এই কাজগুলো করা সম্ভব হবে না। তাই প্রস্তাবিত নীতির ছত্রে ছত্রে শিক্ষার উপর নিশ্ছিদ্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা। দেশের শিক্ষাক্ষেত্রটি আজ সমূহ বিপদের সম্মুখীন।
 লেখক আবুটা ও ওয়েবকুটার সহ-সভাপতি (মতামত ব্যক্তিগত)
11th  July, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: ঘোষণাই সার, বেআইনি টোটো বন্ধ হয়নি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। এনিয়ে একদিনের জন্যও কোনও অভিযান চালাতে দেখা যায়নি আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরকে। ফলে টোটোযন্ত্রণা নিয়ে ...

 বেঙ্গালুরু, ১৪ নভেম্বর (পিটিআই): যোগ দেওয়ার দিনই বরখাস্ত হওয়া ১৩ বিধায়ককে উপনির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করল কর্ণাটক বিজেপি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা ঘোষণা করে দিলেন, জয়ী হয়ে এলে এঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য করা হবে। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

বিএনএ, সিউড়ি: সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ভোটার তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ায় ৯৯ শতাংশ সাফল্য আসায় নজির গড়েছে বীরভূম। কিছুদিন আগে পর্যন্ত ভোটার তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার গতি শ্লথ ছিল। কিন্তু, বর্তমানে তা লক্ষ্যমাত্রার খুব কাছে গিয়ে পৌঁছেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৩: ইনকা সভ্যতার রাজধানী কুঝকোয় পদার্পণ করলেন ফ্রান্সিসকো পিজারিও
১৬৩০: জার্মান জ্যোতির্বিদ তথা গণিতজ্ঞ জোহানেস কেপলারের মৃত্যু
১৮৫৯: গ্রিসের এথেন্সে আধুনিক ওলিম্পিকসের সূচনা
১৯৪৯: মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার দায়ে ফাঁসি হল নাথুরাম গডসে এবং নারায়ণ আপ্তের
১৯৮২: মহাত্মা গান্ধীর অন্যতম অনুগামী তথা ভারতের জাতীয় শিক্ষক বিনায়ক নরহরি ভাবের মৃত্যু
১৯৮৬: টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার জন্ম
২০০০: পৃথক রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেল ঝাড়খণ্ড
২০০৭: ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, মৃত ৫ হাজার। ধ্বংস হয় সুন্দরবনের একাংশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.০০ টাকা ৯৪.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৯২ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৪/৪৩ রাত্রি ৭/৪৬। মৃগশিরা ৪৩/১৮ রাত্রি ১১/১২। সূ উ ৫/৫২/৪৬, অ ৪/৪৯/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৭ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৩/৪৬/২৯ রাত্রি ৭/২৪/৪৫। মৃগশিরা ৪৪/২৬/৪৪ রাত্রি ১১/৪০/৫১, সূ উ ৫/৫৪/৯, অ ৪/৫০/১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে ও ৭/৩১ গতে ৯/৩৯ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ৩/২৪ মধ্যে ও ৪/১৯ গতে ৫/৫৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৮/৭ গতে ১০/০/৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/০/৬ গতে ১১/২২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬/৩ গতে ৯/৪৪/৪ মধ্যে।
 ১৭ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কেতুগ্রামে পাঁচিল ভেঙে পড়ায় এক শ্রমিকের মৃত্যু
বর্ধমানের কেতুগ্রামে আচমকাই ভেঙে পড়ল একটি ধানের মিলের পাঁচিল। ঘটনায় ...বিশদ

12:10:00 PM

দাঁতনে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, উত্তেজনা 

12:03:20 PM

ইন্দোর টেস্ট: দ্বিতীয় দিনে ভারত ১৮৮/৩ (মধ্যাহ্নভোজের বিরতি) 

11:31:00 AM

আজ মুক্তি
ঘরে বাইরে আজ: অপর্ণা সেন পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, ...বিশদ

11:13:39 AM

মুর্শিদাবাদের পদ্মপুরে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
 

গতকাল জিয়াগঞ্জ থানার পদ্মপুর স্টেশনপাড়া এলাকায় বিএ প্রথম বর্ষের এক ...বিশদ

11:06:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, শুক্রবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:16:57 AM