Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দমনমূলক ফেডারালিজম
পি চিদম্বরম

১৯৯৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট ভাষণে আমি ‘কোঅপারেটিভ ফেডারাল পলিটি’—এই ফ্রেজ বা বাগধারাটি ব্যবহার করেছিলাম। এই বাগধারা আমিই প্রথম ব্যবহার করেছি এমন কোনও দাবি করছি না, কিন্তু আমি আনন্দিত যে ‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ কথাটি বাজেট ভাষণে এবং অন্য অনেক উপলক্ষে বারংবার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
রাজ্যগুলি সার্বভৌম
‘কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম’ বলতে কী বোঝায়? এই ফ্রেজ এটাই নিশ্চিত করে যে ভারত হল একটি ফেডারাল স্টেট বা যুক্তরাষ্ট্র। একটি কেন্দ্রীয় সরকার আছে এবং কিছু রাজ্য সরকার আছে। প্রত্যেক সরকারের জন্যই সংরক্ষিত নিজস্ব সাংবিধানিক পরিধি (এরিয়াস অফ লেজিসলেশন) আছে। রাজ্য সরকারের জন্য সংরক্ষিত ক্ষেত্র কেন্দ্রীয় সরকার (সংসদের মাধ্যমে) বেদখল করতে পারে না, তেমনি রাজ্য সরকারও (বিধানসভার মাধ্যমে) কেন্দ্রের জন্য সংরিক্ষত ক্ষেত্র বেদখল করতে পারে না। আবার কিছু ক্ষেত্র আছে যেখানে উভয় সরকারই আইনপ্রণয়ন করার অধিকারী। আইনপ্রণয়ণের ক্ষেত্রগুলির (লেজিসলেটিভ ফিল্ডস) বিভাজনই হল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর সার। সাংবিধানিক ব্যবস্থার (কনস্টিটিউশনাল স্কিম) প্রতি শ্রদ্ধাটিই হল সহযোগিতামূলক মৈত্রীতন্ত্র (কোঅপারেটিভ ফেডারালিজম)।
তা সত্ত্বেও, ভারতের সংবিধানে কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবস্থাও আছে—যে-কোনও অনির্ণীত বিষয়ে আইনপ্রণয়নের জন্য সংসদকে অনুমতি দিতে (সংবিধানের ২৪৮ ধারা); রাজ্য তালিকাভুক্ত যে-কোনও বিষয় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ‘জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় অথবা উপযুক্ত’ গণ্য হলে (সংবিধানের ২৪৯ ধারা); যখন দেশে জরুরি অবস্থা চলছে তখন
যে-কোনও বিষয়ের ক্ষেত্রে (সংবিধানের
২৫০ ধারা)।
সংবিধানের ২৫৮(২) ধারাটি একটি ‘ইন্টারেস্টিং’ ব্যবস্থা। সংসদে প্রণীত একটি আইন যা রাজ্যকে বা তার অফিসারদের উপর কিছু ক্ষমতা এবং দায়িত্ব অর্পণ করতে পারে, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্রকে এই বাবদ রাজ্যকে অর্থ দিতে হবে। এই ব্যবস্থাটিতে রাজ্যগুলির সার্বভৌম, অধিকার এবং ক্ষমতার প্রতি জোরালো সমর্থন রয়েছে।
বিলগুলি পিছন দিয়ে আনা হচ্ছে
বিজেপি সরকারটি ব্যতিক্রম: এটা না রাজ্যগুলির অধিকারকে মর্যাদা দেয়, না খেয়াল করে সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা বা সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্যগুলি।
ফেডারালিজমের প্রতি বিজেপি সরকারের দায়বদ্ধতা কতখানি, রাজ্যসভায় তাদের বিল পাস করিয়ে নেওয়ার রকম দেখেই তা পরিমাপ করা যায়। লোকসভা যেখানে জনগণের কক্ষ (হাউস অফ দ্য পিপল) সেখানে রাজ্যসভা হল রাজ্যগুলির একটি পর্ষদ (কাউন্সিল অফ স্টেটস)। ২ আগস্ট চলতি অধিবেশনে লোকসভা ২৮টি বিল পাস করে দিল এবং রাজ্যসভা পাস করে দিল ২৬টি বিল। সেগুলির একটিও ‘রিপিট’ হল না, ‘একটি বিলও’ বিরোধী দলগুলির সঙ্গে আলোচনার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হল না। বিস্তারিত ‘স্ক্রুটিনি’র জন্য একটিও বিলকে স্ট্যান্ডিং কমিটি কিংবা সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হল না। কোনও বিলের জন্য রাজ্য সরকারগুলির মতামত নেওয়া হল না, এমকী সেই বিলগুলিকেও নেওয়া হল না যেগুলি সংবিধানের যুগ্মতালিকাভুক্ত (তালিকা ৩) এবং এর ফলে রাজ্যগুলির অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করা হল। বিরোধীদের পক্ষ থেকে আনা একটিও সংশোধনী প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করেনি।
কয়েকটি দৃষ্টান্তই যথেষ্ট। ‘জাস্টিস পুত্তাস্বামী’তে সংবিধানের ১১০ ধারার পরিধি সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট তার ব্যাখ্যা দিয়ে দিয়েছে এবং সরকারের পক্ষে এই রায় অবশ্যপালনীয়। রাজ্যসভা একটি অর্থবিল (মানি বিল) সংশোধন করতে পারে না বা বিলটি বাতিল করতে পারে না; রাজ্যসভা কিছু পরামর্শ দিতে পারে মাত্র এবং বিলটি লোকসভায় ফেরত পাঠাতে পারে, পরামর্শগুলি লোকসভা গ্রহণ করতেও পারে, না-ও পারে। রাষ্ট্রপতি অর্থবিলের জন্য তাঁর সম্মতি ঝুলিয়ে রাখতে পারেন না কিংবা পুনর্বিবেচনার জন্য সেটি সংসদে ফেরতও পাঠাতে পারেন না। এই
সকল সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে, ১১০ ধারা নির্লজ্জের মতন লঙ্ঘন করে, সরকার অর্থবিলের [ফিনান্স (নং ২) বিল] মাধ্যমে অন্তত দশটি নন-ফিনান্সিয়াল আইন সংশোধন করে নিয়েছে এবং এইভাবে এড়িয়ে গিয়েছে রাজ্যসভার স্ক্রুটিনি অথবা একটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পুনর্বিবেচনার নির্দেশ।
তথ্যের অধিকার আইন, ২০০৫ সর্বত্র ‘সেমিফাইনাল লেজিসলেশন’ হিসেবে অভিনন্দিত হয়েছে। এই আইনের ১৫ নম্বর ধারা রাজ্য তথ্য কমিশন গঠনের জন্য রাজ্য সরকারকে ক্ষমতা দিয়েছে। রাজ্য তথ্য কমিশনার বাছাই এবং নিয়োগ রাজ্যগুলিই করবে। এই অফিসের প্রাথমিক মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বেতন, ভাতা এবং অন্যসকল শর্ত নির্ধারণের ক্ষমতা এযাবৎ রাজ্যগুলির উপর ন্যস্ত ছিল (ধারা ১৬)। এখন প্রাথমিক শর্ত এবং বেতন, ভাতা ও অন্য শর্তাবলি নির্ধারণের ওই ক্ষমতাটি কেন্দ্র নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছে! আমরা জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেন? কোনও জবাব মেলেনি।
‘ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন বিল’ নামে যেটি আনা হয়েছে সেটি রাজ্যগুলিকে চূড়ান্ত অপমান। মেডিকেল শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্য সরকারগুলির হাতে যে ক্ষমতা আছে সেগুলির সবই কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং পড়ে রইল মাত্র প্রতিটি রাজ্যকে কমিশনের চার বছর মেয়াদের মধ্যে দু’বছরের সদস্যপদ দেওয়ার ব্যবস্থাটি! এটা মেডিকেল শিক্ষাকে তালিকা ৩ থেকে তালিকা ১-এ সরিয়ে দেওয়ারই শামিল। তবুও রাজ্যগুলির পর্ষদ এটাকে অনুমোদন দিয়ে দিল রাজ্যগুলির কোনোরকম আপত্তি ছাড়াই।
ঝুলিতে প্রতিটি চাতুরি
রাজ্যসভায় বিলগুলির উপর ভোটাভুটি সরকার কী করে ‘ম্যানেজ’ করে? মুসলিম নারী (বিবাহ অধিকার সুরক্ষা) বিল বা তিন তালাক বিল নামে পরিচিত বিলটির কথাই ধরা যাক। সরকার ৯৯-৮৪ ভোটে জিতে গেল, কারণ ভোটাভুটির সময় ৪৬ জন বিরোধী সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন! বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) একজনও উপস্থিত ছিলেন না। সমাজবাদী পার্টির (এসপি) ছ’জন সদস্য গরহাজির ছিলেন। এনসিপির চারজন সদস্যের মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন দু’জন। একেবারে ভোটাভুটির দিনেই একজন কংগ্রেস সদস্য ইস্তফা দিলেন (এবং পরদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন)। কংগ্রেসের চারজন সদস্য অনুপস্থিতও ছিলেন। এআইএডিএমকে, জেডি(ইউ), টিআরএস এবং পিডিপি সদস্যরা বিলের বিরুদ্ধে ভাষণ দিলেন বটে ভোটাভুটির সময় তাঁরা উধাও হয়ে গেলেন!
বিভাজন, ফুসলানি, চোখরাঙানি, শাসানি, অথবা ‘ক্লোজ ডিল’—ঝুলিতে যতরকম চাতুরি কৌশল আছে, আইন পাস করানোর জন্য, তার সবগুলিই ব্যবহার করেছে বিজেপি—এর ফলে যে জিনিসটি হতে চলেছে তা হল—রাজ্যগুলি পুরপ্রশাসনের স্তরে নেমে আসবে এবং ওইসঙ্গে যোগ হবে ‘ওয়াননেস’-এর অশুভ আইডিয়া—সবকিছুর জন্য একটিই সরকার।
05th  August, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: ঘোষণাই সার, বেআইনি টোটো বন্ধ হয়নি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। এনিয়ে একদিনের জন্যও কোনও অভিযান চালাতে দেখা যায়নি আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরকে। ফলে টোটোযন্ত্রণা নিয়ে ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

বিএনএ, সিউড়ি: সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ভোটার তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ায় ৯৯ শতাংশ সাফল্য আসায় নজির গড়েছে বীরভূম। কিছুদিন আগে পর্যন্ত ভোটার তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার গতি শ্লথ ছিল। কিন্তু, বর্তমানে তা লক্ষ্যমাত্রার খুব কাছে গিয়ে পৌঁছেছে।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রশান্ত কিশোরের দাওয়াই মেনে এবার ইস্তাহার উপনির্বাচনেও। দলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও উপনির্বাচনে ভোটারদের কাছে পৌঁছতে এলাকা ভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৩: ইনকা সভ্যতার রাজধানী কুঝকোয় পদার্পণ করলেন ফ্রান্সিসকো পিজারিও
১৬৩০: জার্মান জ্যোতির্বিদ তথা গণিতজ্ঞ জোহানেস কেপলারের মৃত্যু
১৮৫৯: গ্রিসের এথেন্সে আধুনিক ওলিম্পিকসের সূচনা
১৯৪৯: মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার দায়ে ফাঁসি হল নাথুরাম গডসে এবং নারায়ণ আপ্তের
১৯৮২: মহাত্মা গান্ধীর অন্যতম অনুগামী তথা ভারতের জাতীয় শিক্ষক বিনায়ক নরহরি ভাবের মৃত্যু
১৯৮৬: টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার জন্ম
২০০০: পৃথক রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেল ঝাড়খণ্ড
২০০৭: ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, মৃত ৫ হাজার। ধ্বংস হয় সুন্দরবনের একাংশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.০০ টাকা ৯৪.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৯২ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৪/৪৩ রাত্রি ৭/৪৬। মৃগশিরা ৪৩/১৮ রাত্রি ১১/১২। সূ উ ৫/৫২/৪৬, অ ৪/৪৯/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৭ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৩/৪৬/২৯ রাত্রি ৭/২৪/৪৫। মৃগশিরা ৪৪/২৬/৪৪ রাত্রি ১১/৪০/৫১, সূ উ ৫/৫৪/৯, অ ৪/৫০/১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে ও ৭/৩১ গতে ৯/৩৯ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ৩/২৪ মধ্যে ও ৪/১৯ গতে ৫/৫৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৮/৭ গতে ১০/০/৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/০/৬ গতে ১১/২২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬/৩ গতে ৯/৪৪/৪ মধ্যে।
 ১৭ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দঃ ২৪ পরগনায় অটোতে ধাক্কা মারল বাস, জখম একাধিক পুলিস কর্মী 
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাগিরহাট সংলগ্ন ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অটোতে ...বিশদ

01:13:00 PM

গোসাবায় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী

12:55:00 PM

সিআইডিকে চিঠি সিবিআইয়ের 
চিটফান্ড নিয়ে সেবি-র অভিযোগের ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ...বিশদ

12:54:00 PM

জোড়-বিজোড় নীতির সম্প্রসারণ নয়, পরিস্থিতি খতিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সোমবার: কেজরিওয়াল

12:48:00 PM

ইন্দোর টেস্ট: সেঞ্চুরি মায়াঙ্ক আগরওয়ালের, ভারত ২০৬/৩ 

12:46:20 PM

কোলাঘাটে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী 
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বণ্টন এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন ...বিশদ

12:38:00 PM