Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তিন তালাক: এক কুপ্রথার অবসান
অমিত শাহ

কিছু দিন ইতিহাসে বিশিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। ভারতের সংসদের ইতিবৃত্তে ৩০ জুলাই, ২০১৯ তেমনই একটি দিন। সংসদের উচ্চকক্ষে ঐতিহাসিক তিন তালাক বিলের জায়গা করে নেওয়াটা নিছক একটি নতুন আইনপ্রণয়ন নয়। এটি একটি ঐতিহাসিক ভুলের সংশোধনের বিষয়। এটি মুসলিম নারীদের সম্মান ও মর্যাদার পুনরুদ্ধারের বিষয়। এটি লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠার বিষয়।
এই বিলটির উত্থাপন দেখিয়ে দিল বিরোধীদের প্রতিরোধ সত্ত্বেও মোদি সরকার দ্রুত সমাজ সংস্কারের অঙ্গীকার রক্ষায় কতটা আন্তরিক। এটা সেই সমস্ত মুসলিম নারীর জন্য একটি বিধিবদ্ধ রক্ষাকবচ হয়ে উঠল যাঁরা একটি চূড়ান্ত অন্যায় প্রথার নীরব শিকার হচ্ছিলেন।
বিলটিকে রাজ্যসভায় জায়গা করে দেওয়ার বৃত্তান্ত এবং একইসঙ্গে সংসদের বাইরেটাও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত রেখে গিয়েছে। প্রথমত পরিষ্কার হল যে ভারতে নারীদের সামাজিক মর্যাদা, সম্মান ও সম্ভ্রম দিতে নরেন্দ্র মোদির সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা রয়েছে। সমানভাবে প্রকট হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস দলের দ্বিচারিতামূলক মতলবটি, যারা বরাবর সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে এসেছে, নারীর আত্মমর্যাদার কথা না-ভেবে তাদের নিদারুণ বৈষম্যের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করেছে।
আর একটি উল্লেখযোগ্য দিক লক্ষ করা গিয়েছে যে তাদের তাঁবের দলগুলিকে বাগে আনার ব্যাপারে কংগ্রেসের ক্ষমতা আজ ক্রমহ্রাসমান। যখন কোনও একটি সরকার জনগণের ও সমাজের কল্যাণে ব্রতী থাকে, যেমনটা নরেন্দ্র মোদির সরকার রয়েছে, তখন অন্যদলগুলির পক্ষে তাতে সমর্থন দেওয়াটাই শুধু স্বাভাবিক।
তিন তালাক বিল এনডিএ-বহির্ভূত দলগুলির যে সমর্থন পেয়েছে তা স্বাগত। সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের আরও আবেদন, ভারতকে একটি জাতি এবং সমাজ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধাস্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলিতে তারা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে আসুক এবং দলাদলি ভুলে সমর্থন দিক।
ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাস প্রিজমের মাধ্যমে তিন তালাকে কংগ্রেস দলের ভূমিকার বিশ্লেষণটি গুরুত্বপূর্ণ। তিন দশক আগে লোকসভায় কংগ্রেসের চারশোর বেশি এমপি ছিলেন, তাদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ ছিল শাহবানু মামলাটিকে হাতিয়ার করে মুসলিম নারীদের প্রতি ঐতিহাসিক অন্যায়ের প্রতিকার করে ফেলার। ১৯৮৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাকের শিকার শাহবানুর পক্ষে রায় দিয়েছিল, তাঁর জন্য প্রতি মাসে ৫০০ টাকা ভাতার সংস্থান করেছিল এবং বলেছিল যে তাদের রায়টি শরিয়া বা ইসলামি আইন মোতাবেক। যাই হোক, এটা কার্যকর করার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সেদিন আত্মসমর্পণ করেছিল—মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের প্রতিনিধিদের চাপের কাছে এবং ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির লালসার কাছে, এবং আদালতের রায় নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য একটি আইনও প্রণয়ন করেছিল তারা।
কংগ্রেস সরকারের এই আত্মসমর্পণ আহত করেছিল বামপন্থী আইনজ্ঞ তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ভি আর কৃষ্ণ আয়ারকে। কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী আরিফ মহম্মদ খান আদালতের সিদ্ধান্তটিকে ‘সঠিক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন এবং সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি ইস্তফাও দিয়েছিলেন। আরিফ মহম্মদ খানকে রাজীব গান্ধী বুঝিয়েছিলেন যে সুপ্রিম কোর্টের এই প্রগতিশীল রায়টিকে তিনি কার্যকর করবেন। ইস্যুটিকে সেই থেকে বছরের পর বছর ঠান্ডাঘরে ফেলে রাখা হয়েছিল, নরেন্দ্র মোদির সরকার যখন সেটাকে সামনে আনল, তখনও কংগ্রেসের বিদ্বেষপূর্ণ দোলাচলে কোনও পরিবর্তন দেখা গেল না। তিরিশ বছর আগে কংগ্রেসের যে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ এবং বিভাজনের রাজনীতি ছিল, সেটা স্পষ্ট হয়েছিল যখন রাজীব গান্ধীর ভুলটি নিয়ে অস্বস্তি এড়ানোর কৌশল তারা করেছিল। প্রতিবন্ধকতার নীতিতে অন্তরের চেহারাটি প্রতিফলিত হয়েছিল, যা তোষণ আর ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি চিরস্থায়ী করে। তিন তালাক নিষিদ্ধকরণের আইন এই ধরনের রাজনীতির উপর এক বিরাট আঘাত।
এই বিল ভারতের তথাকথিত উদারপন্থীদের পুরো বেআব্রু করে দিয়েছে। এই সমস্ত ‘উদারপন্থীদের’ মধ্যে যাঁরা লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে স্বঘোষিত ‘চ্যাম্পিয়ন’ তাঁরা লক্ষণীয়ভাবে নীরব অথবা যে বিলটি মুসলিম নারীদের ক্ষমতায়নের চেষ্টা করছে তার বিরোধিতার চাতুরিতে নিয়োজিত হয়েছেন। এই দ্বিচারিতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই স্বঘোষিত উদারপন্থীরা মানবিক মূল্যবোধের পূজারি না-হয়ে, নিছক সংকীর্ণ দলীয় রাজনীতির ক্রীড়নক।
উল্লেখ করার মতো বিষয় এই যে, এই ধরনের একটি আইনপ্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা কী—এই প্রশ্ন যাঁরা তুলছেন তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন যে—২০১৭ সালের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রথা বাতিল করে দেওয়ার পরেও কয়েকশো নারী তিন তালাকের শিকার হয়েছেন বলে খবর আছে। এই ঔদ্ধত্যের কারণেই একটি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যা দিয়ে অন্যায় প্রথাটি রুখে দেওয়া সম্ভব হবে। আইনটি ইসলাম-বিরুদ্ধ নয়—এটাকে সমর্থন করে পাকিস্তান, ইরান, ইরাক ও সিরিয়াসহ ১৯টি দেশ এবং তারা তাৎক্ষণিক মৌখিক বিবাহবিচ্ছেদ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
আমাদের বোঝা দরকার যে, তিন তালাকের বিরুদ্ধে যে মহিলারা দীর্ঘ লড়াইটা করেছেন তাঁদের কারও মধ্যে কোনোরকম রাজনৈতিক অভিসন্ধি ছিল না। নিজেদের জীবনে নেমে আসা অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইতে এই অসীম সাহসী মহিলারা ছিলেন সাধারণ। এই অন্যায় প্রথার শেষ দেখে ছাড়ার প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলেন তাঁরা এবং শেষমেশ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জয়লাভ করেছেন। আমাদের সরকার তিন তালাক আইন প্রণয়ন করে তাঁদের সংগ্রামের পিছনে বিধিবদ্ধ সমর্থন জোগাল। যাই হোক, আইনপ্রণেতা এবং রাজনৈতিক দলগুলির অবশ্যকর্তব্য হল এই ধরনের লড়াইকে সমর্থন জোগানো এবং সঠিক দিশা দেখানো।
শুধুমাত্র মুসলিম সমাজের জন্য প্রযোজ্য আইনপ্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিরোধী পক্ষ যে বিতর্কটি তুলেছে তা ভিত্তিহীন। অন্যসকল গোষ্ঠীর ভেতরে বদ্ধমূল অনেক প্রথার সংস্কারের লক্ষ্য নিয়েও স্বাধীন ভারত আইন তৈরি করতে দেখেছে। হিন্দু বিবাহ আইন, খ্রিস্টান বিবাহ আইন, এবং বাল্যবিবাহ ও পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণের আইনগুলি হল সামাজিক প্রথার সংস্কারে হস্তক্ষেপের দৃষ্টান্ত।
যাঁরা সুবিধাবাদী, সংকীর্ণ রাজনীতির বিতর্কে মগ্ন তাঁরা এগুলি মানতে অস্বীকার করছেন। তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধ করা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন আর কিছু সত্য যে—হিন্দু সমাজের অনেক প্রথাকেও ক্রিমিনাল অফেন্স বা ফৌজদারি অপরাধ গণ্য করা হয় এবং সেসবের জন্য কঠোর শাস্তির বিধানই রয়েছে।
তিন তালাক নিষিদ্ধকরণের আইন তৈরি করার জন্য নরেন্দ্র মোদির সরকারের কৃতিত্ব প্রাপ্য। এখন আমি নিশ্চিত যে মোদিজি একজন সমাজ সংস্কারক হিসেবে ইতিহাসে উজ্জ্বল স্থান করে নেবেন—তাঁর আসন নির্দিষ্ট হবে রাজা রামমোহন রায় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পঙ্‌঩ক্তিতে, যাঁরা অসংখ্য নারীর কল্যাণে লড়েছিলেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
06th  August, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তর পূর্ব ভারত থেকে আসছে নিষিদ্ধ মাদক ট্যাবলেট ইয়াবা। এই কারবারের মাধ্যমে পাচার হচ্ছে জাল নোটও। তদন্তে নেমে এই তথ্য হাতে পেল ...

মুম্বই, ১৪ নভেম্বর: জয়ের আশা জাগিয়েও মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে হেরে গেল বাংলা। তার ফলে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টের পরের রাউন্ডে ওঠা অনিশ্চত হয়ে পড়ল অরুণ লালের ছেলেদের। প্রথমে ব্যাট করে বাংলা তোলে ৪ উইকেটে ১৫৩ রান। ...

বিএনএ, সিউড়ি: সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ভোটার তথ্য যাচাই প্রক্রিয়ায় ৯৯ শতাংশ সাফল্য আসায় নজির গড়েছে বীরভূম। কিছুদিন আগে পর্যন্ত ভোটার তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার গতি শ্লথ ছিল। কিন্তু, বর্তমানে তা লক্ষ্যমাত্রার খুব কাছে গিয়ে পৌঁছেছে।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রশান্ত কিশোরের দাওয়াই মেনে এবার ইস্তাহার উপনির্বাচনেও। দলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও উপনির্বাচনে ভোটারদের কাছে পৌঁছতে এলাকা ভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৩: ইনকা সভ্যতার রাজধানী কুঝকোয় পদার্পণ করলেন ফ্রান্সিসকো পিজারিও
১৬৩০: জার্মান জ্যোতির্বিদ তথা গণিতজ্ঞ জোহানেস কেপলারের মৃত্যু
১৮৫৯: গ্রিসের এথেন্সে আধুনিক ওলিম্পিকসের সূচনা
১৯৪৯: মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার দায়ে ফাঁসি হল নাথুরাম গডসে এবং নারায়ণ আপ্তের
১৯৮২: মহাত্মা গান্ধীর অন্যতম অনুগামী তথা ভারতের জাতীয় শিক্ষক বিনায়ক নরহরি ভাবের মৃত্যু
১৯৮৬: টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার জন্ম
২০০০: পৃথক রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেল ঝাড়খণ্ড
২০০৭: ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, মৃত ৫ হাজার। ধ্বংস হয় সুন্দরবনের একাংশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.০০ টাকা ৯৪.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৯২ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৪/৪৩ রাত্রি ৭/৪৬। মৃগশিরা ৪৩/১৮ রাত্রি ১১/১২। সূ উ ৫/৫২/৪৬, অ ৪/৪৯/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৭ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৩/৪৬/২৯ রাত্রি ৭/২৪/৪৫। মৃগশিরা ৪৪/২৬/৪৪ রাত্রি ১১/৪০/৫১, সূ উ ৫/৫৪/৯, অ ৪/৫০/১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে ও ৭/৩১ গতে ৯/৩৯ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ৩/২৪ মধ্যে ও ৪/১৯ গতে ৫/৫৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৮/৭ গতে ১০/০/৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/০/৬ গতে ১১/২২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬/৩ গতে ৯/৪৪/৪ মধ্যে।
 ১৭ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দঃ ২৪ পরগনায় অটোতে ধাক্কা মারল বাস, জখম একাধিক পুলিস কর্মী 
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাগিরহাট সংলগ্ন ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে অটোতে ...বিশদ

01:13:00 PM

গোসাবায় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী

12:55:00 PM

সিআইডিকে চিঠি সিবিআইয়ের 
চিটফান্ড নিয়ে সেবি-র অভিযোগের ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ...বিশদ

12:54:00 PM

জোড়-বিজোড় নীতির সম্প্রসারণ নয়, পরিস্থিতি খতিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সোমবার: কেজরিওয়াল

12:48:00 PM

ইন্দোর টেস্ট: সেঞ্চুরি মায়াঙ্ক আগরওয়ালের, ভারত ২০৬/৩ 

12:46:20 PM

কোলাঘাটে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী 
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বণ্টন এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন ...বিশদ

12:38:00 PM