Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল। কোন রাজ্য সেটা বিচার্য বিষয় নয়, কোন রাজনৈতিক দল সেটাও জানার প্রয়োজন নেই।
মূল কথা হল, শাসক কে? সে কতটা দখলদারি রাখতে চাইছে? এই মুহূর্তে দেশে বিজেপির একচ্ছত্র আধিপত্য। সেই কারণেই সংসদে ফটাফট বিল পাশ, ভারতের মানচিত্রের মাথার দিকের রাজ্যে উল্লম্ব বক্ররেখা টেনে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। একটায় বিধানসভা থাকবে, একটায় থাকবে না। কাশ্মীরে দীর্ঘ স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত বেশ পুরনো কিছু ধারা এক খোঁচায় উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। তাই শুধু অঙ্কের ৩৭০ কিংবা লেজে অক্ষর নিয়ে ৩৫এ, সবই বাতিলের পথে। সেই প্রেক্ষিতে পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত আলোচনা তো তুচ্ছ। ত্রিপুরায় বিজেপিরই সরকার, এবং তারা ক্ষমতায় এসেছে বামেদের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে।
ফলে, সেখানকার পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়জয়কার নিয়ে খুব বেশি ভুরু কোঁচকানোর জায়গা নেই। এমনটাই হওয়া স্বাভাবিক। পশ্চিমবঙ্গ বা ত্রিপুরায় বাম শাসনের ইতিহাসের সঙ্গে এর পার্থক্য কতটা? তা হল, বাম আমলে বিভিন্ন পৌরসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক দলের দাদাগিরি বজায় থাকলেও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিরোধীদেরও অস্তিত্ব ছিল। বাম শাসনের অবসানে বিরোধীদের চিহ্নটুকুও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ত্রিপুরার ক্ষেত্রে আর একটি পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। তা হল ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বামেদের অবক্ষয় সাংঘাতিক গতিতে হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের থেকেও দ্রুত। বিধানসভায় হারার সময়েও বামেরা যথেষ্ট বাহুবলী দ্বিতীয় শক্তি ছিল। তারপর গত লোকসভা নির্বাচনে ভোট শতাংশের হিসেবে বিজেপি ছিল প্রথম, কংগ্রেস দ্বিতীয় আর বামেরা তৃতীয়। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনও সেই পরিসংখ্যানই পেশ করছে। অর্থাৎ বাম শক্তি ক্ষমতা থেকে সরে গেলে প্রধান বিরোধী পক্ষ হিসেবেও নিজেদের অবস্থান বজায় রাখতে পারছে না, চলে যাচ্ছে একেবারে তৃতীয় সারিতে।
বিজেপির যে ভাবনা, তাতে রাজনৈতিকভাবে বামেরাই সবথেকে বড় শত্রু। সুতরাং তাদের মূল লক্ষ্য সংসদীয় গণতন্ত্রে বামেদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। সেই কাজে অবশ্যই সফল বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গ এবং ত্রিপুরায় ভোট শতাংশে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে বামফ্রন্ট। বাকি শুধু কেরল। সেখানেও এবারের লোকসভা নির্বাচনে আসনের হিসেবে বামেরা শূন্যের কাছাকাছি। লোকসভায় প্রতিনিধিত্বের নিরিখে সারা দেশে এক অঙ্ক পার করতে পারে নি এই জোট।
এখানে প্রশ্ন উঠবেই যে বিজেপি কি সামরিক শক্তি ব্যবহার করে বামেদের নিশ্চিহ্ন করেছে? মোটেই তা নয়। একেবারে সংসদীয় ব্যবস্থার মধ্যে থেকে বামেদের বিরুদ্ধে ঘুঁটি সাজিয়েছে তারা। রণে আর প্রণয়ে নীতির বালাই কখনওই থাকে না। সেটুকু গোলমালের সুযোগ বামেরা তাদের সুসময়ে নিয়েছে। আর সেই হিসেব কড়ায়গণ্ডায় নয়, একেবারে কয়েকগুণ বাড়িয়ে ক্ষমতা দখল করছে বিজেপি। সংসদীয় গণতন্ত্রের পরিধিতে বিজেপির যে আগ্রাসী মনোভাব, তা সামলানোর জন্যে এই সময় প্রস্তুত নয় ভারতের অন্যান্য রাজনৈতিক দল।
এই বিজেপি বাজপেয়ি আমলের বিজেপি নয়। যেখানে বিরোধীদের জন্যে কিছুটা জায়গা রাখা থাকত। নরেন্দ্র মোদি আর অমিত শাহের নেতৃত্বে বিজেপি এখন পুরোপুরি ডানপন্থী। মোটামুটিভাবে সংবিধানের আওতায় থেকে যে কোনও উপায়ে ক্ষমতা দখল তাদের কর্মসূচি। সেই পথেই চলছে তারা। কর্ণাটক দখল হয়ে গেছে বিধায়ক সরিয়ে। মধ্যপ্রদেশও টলোমলো। পশ্চিমবঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। সামনের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টি বিজেপির কাছে হেরে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দুহাজার কুড়ির শেষের দিকে গোটা দেশে বিজেপি কিংবা বিজেপির বন্ধু সরকার থাকবে প্রায় সব জায়গাতেই। বড়জোর চার পাঁচটি রাজ্যে থাকতে পারে বিরোধী পক্ষ। সেই হিসেবে ছোট্ট ত্রিপুরার পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি তার বিরোধী দলগুলোকে আসন পেতে দুপুরের ভাত মাছের ঝোল সাজিয়ে দেবে এরকমটা ভাবার কোনও কারণ নেই।
বরং বিজেপি এখন এমন একটা ক্ষমতার জায়গায় এসে গেছে যে তারা ঠিক করে নিতে পারে যে কোন রাজ্যে তাদের বিরোধী কে হবে। অবশ্যই সারা দেশের নিরিখে বিজেপির সবথেকে পছন্দের বিরোধী দল কংগ্রেস। দুর্বল নেতৃত্ব সমেত একটি সর্বভারতীয় বিরোধী দলকে খাড়া করে রাখতে পারলে বিভিন্ন নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোর ভোট কেটে দেওয়া যায় সঠিক অঙ্কে। ফলে কংগ্রেসকে দ্বিতীয় স্থানে রাখার দায় বিজেপির আছে।
সেই কারণেই বাম-বিদায়ের পর ত্রিপুরায় কংগ্রেসের উত্থান প্রধান বিরোধী দল হিসেবে। যেখানে বিজেপির জিততে কিছুটা সময় লাগবে, সেখানে বাম দলগুলোর তুলনায় কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকা বিজেপির পক্ষে মঙ্গলের। কেরলের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। বামেরা নিশ্চিহ্ন, আর প্রায় সব আসন পেয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপির অগ্রগতি সেখানে লক্ষণীয়। সামনের বিধানসভা নির্বাচনে কেরল অবশ্যই দেখবে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেখানে বামেরা তিন নম্বরে নেমে গেলে খুব অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে শক্তিশালী আঞ্চলিক দলও তো একেবারে বিনা যুদ্ধে লড়াই ছাড়বে না। সেই হিসেবে আলোচনা করতে হবে তৃণমূলের কথা। তাদের সঙ্গে বিজেপির গোপন আঁতাঁতের তত্ত্ব অবশ্যই বামেদের নির্বাচনী ইস্তাহারে থাকবে।
কিন্তু সেটা না-মেনে যদি সত্যিই বিজেপি এবং তৃণমূলকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা যায়, তাহলে সেখানেও লড়াইটা নিজেদের এক-দুই-এ রেখে বাকিদের অনেকটা পেছনে ফেলে দেওয়া। লক্ষ করলে দেখবেন, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট যথেষ্ট ভোট পেয়ে প্রধান বিরোধী জোট হলেও তারপর থেকে বিজেপির প্রকৃত উত্থান শুরু। পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল গায়ের জোর দেখালেও বিজেপি সেখানে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছিল বেশ ভালোভাবেই। এখানেও সেই একই তত্ত্ব লাগানো যায়, যে রাজ্যের হিসেবে বামফ্রন্ট কিংবা বামঘেঁষা কংগ্রেসের তুলনায় তৃণমূল এবং বিজেপির নিজেদের এক আর দুই-এ রাখাটা অনেক বেশি যুক্তিযুক্ত। যথাক্রমটা তারাই ঠিক করবে।
লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেস শেষমেশ কোনওভাবে দুটি আসন জোটালেও বামেরা এই রাজ্যে একেবারে শূন্য। অর্থাৎ ২০১৮ এবং ২০১৯-এ ভারতের ক্ষুদ্রতম (পঞ্চায়েত) থেকে বৃহত্তম (লোকসভা) নির্বাচনের সবকটাতেই বামেরা বিপর্যস্ত এবং ভ্যানিশ। বিজেপি রাজনীতির এখানেই চূড়ান্ত সফলতা।
আপাতত যা পরিস্থিতি তাতে বামেদের পক্ষে নতুন করে ক্ষমতায় ফেরা প্রায় অসম্ভব। ‘প্রায়’ শব্দটি যোগ করতে হল কারণ রাজনীতিতে কখনও কখনও অবাক করার মতো কিছু ঘটনা ঘটে। যদিও তার সম্ভাবনা কম। তাহলে বামেরা করবেনটা কি?
একটা সহজ সমাধান দলে দলে বিজেপিতে যোগ দেওয়া, এবং সেই দলের মধ্যে ঢুকে নিজেদের বাম মতামত প্রকাশের চেষ্টা করা। আরএসএস-এর বেশ কিছু কর্মসূচিতে দেশের পিছিয়ে-পড়া মানুষের উন্নয়নের কথা আছে। সেই সমস্ত কাজে যোগ দিতে পারেন বাম নেতৃত্ব। বিজেপিরও এ ব্যাপারে বিশেষ ছুঁতমার্গ নেই। যে-কোনও দল থেকেই লোক নিতে তারা আগ্রহী। আর এর মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু বাম জনপ্রতিনিধি তৃণমূল কিংবা বিজেপিতে ঢুকে আবার ভোটে জিতেছেন।
তবে শিক্ষিত বাম নেতৃত্ব তো এরকম সহজ সমাধান মেনে নেবেন না। সুতরাং জটিল হিসেবে দলটা থাকবে। সেখানে অন্য দলগুলোর তুলনায় হয়তো শিক্ষিত এবং সৎ নেতাকর্মীর ঘনত্ব চূড়ান্ত অবক্ষয় সত্ত্বেও কিছুটা বেশিই হবে। সিপিএমের স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার জন্যে অন্তর্জালে নাম লেখানোর সাম্প্রতিক আহ্বানে অবশ্যই সাড়া দেবেন গুটিকয়েক যুক্তিবাদী যুবক-যুবতী। তবে তাতে আজকের পরিস্থিতিতে ভোট আসবে না। সংবাদমাধ্যমে প্রায় হারিয়ে যাবে এই দলের উপস্থিতি। বড়জোর দু-একটি বাক্যে খবর হবে যে কাশ্মীরে সিপিএম বিধায়ক তারিগামিকেও গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারা দেশের বাম ভোট ধীরে ধীরে শতাংশের হিসেবে দশমিকের ডানদিকের অঙ্কেও হারিয়ে যাবে। অন্তত আজকে সামনে তাকিয়ে তেমনটাই মনে হচ্ছে। গত বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই তৃণমূলের দেখানো পথ, যেটা বছর বদলানোর পর ত্রিপুরায় রূপায়ণ করেছে বিজেপি।
কিন্তু, বিজেপির মতো উন্নত সাংগাঠনিক শক্তির অভাবে তৃণমূলের পক্ষে সে ধারা ধরে রাখা শক্ত। আর একটি মাত্র রাজ্যে ক্ষমতায় থেকে গোটা দেশের শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন, যদি না ভেতরে ভেতরে কিছুটা বোঝাপড়া করা যায়। ফলে, সামনের দিনগুলোতে রাজ্য কিংবা দেশের আসন-বিন্যাস ত্রিপুরার পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলের মতোই হবে। বিজেপিই ঠিক করবে কোথায় তারা জিতবে, কোথায় তারা বিরোধীদের ক’টা আসন দেবে। গোপনে বা প্রকাশ্যে বিজেপির বিরোধিতা করে তাদের গাল দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু ফলাফল বদলানো কঠিন।
সেই কারণেই বোধহয় কাশ্মীর সংক্রান্ত বিষয়ে ভোট না-দিয়েই সংসদ ছেড়েছে তৃণমূল। পাড়ার ক্লাবের সভাসদ নির্বাচন তাই কাগজের ব্যালটেই হোক কিংবা বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রে, দুর্গাপুজোয় এবার এরাজ্যের অনেকটা দখল নেবে বিজেপি। সামনের দু’বছর বিজেপিই স্থির করবে পশ্চিমবঙ্গে তারা কী চায়। থুড়ি, সারা ভারতেই—ত্রিবান্দ্রম থেকে ত্রিপুরা, কন্যাকুমারিকা থেকে কাশ্মীর।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
10th  August, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
একনজরে
মুম্বই, ১৪ নভেম্বর: জয়ের আশা জাগিয়েও মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে হেরে গেল বাংলা। তার ফলে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টের পরের রাউন্ডে ওঠা অনিশ্চত হয়ে পড়ল অরুণ লালের ছেলেদের। প্রথমে ব্যাট করে বাংলা তোলে ৪ উইকেটে ১৫৩ রান। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রশান্ত কিশোরের দাওয়াই মেনে এবার ইস্তাহার উপনির্বাচনেও। দলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও উপনির্বাচনে ভোটারদের কাছে পৌঁছতে এলাকা ভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিল ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

গাজা সিটি, ১৪ নভেম্বর (এপি): টানা বহু মাস ধরে গাজার ইসলামিক জিহাদ জঙ্গি বাহিনী এবং ইজরায়েল সেনাবাহিনীর লাগাতার গোলাগুলির লড়াইয়ের পর অবশেষে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। উচ্চতর বিদ্যার ক্ষেত্রে শুভ ফল পাবে। কর্মপ্রার্থীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৩: ইনকা সভ্যতার রাজধানী কুঝকোয় পদার্পণ করলেন ফ্রান্সিসকো পিজারিও
১৬৩০: জার্মান জ্যোতির্বিদ তথা গণিতজ্ঞ জোহানেস কেপলারের মৃত্যু
১৮৫৯: গ্রিসের এথেন্সে আধুনিক ওলিম্পিকসের সূচনা
১৯৪৯: মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার দায়ে ফাঁসি হল নাথুরাম গডসে এবং নারায়ণ আপ্তের
১৯৮২: মহাত্মা গান্ধীর অন্যতম অনুগামী তথা ভারতের জাতীয় শিক্ষক বিনায়ক নরহরি ভাবের মৃত্যু
১৯৮৬: টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার জন্ম
২০০০: পৃথক রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেল ঝাড়খণ্ড
২০০৭: ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, মৃত ৫ হাজার। ধ্বংস হয় সুন্দরবনের একাংশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.০০ টাকা ৯৪.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৯২ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৪/৪৩ রাত্রি ৭/৪৬। মৃগশিরা ৪৩/১৮ রাত্রি ১১/১২। সূ উ ৫/৫২/৪৬, অ ৪/৪৯/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৭ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, তৃতীয়া ৩৩/৪৬/২৯ রাত্রি ৭/২৪/৪৫। মৃগশিরা ৪৪/২৬/৪৪ রাত্রি ১১/৪০/৫১, সূ উ ৫/৫৪/৯, অ ৪/৫০/১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে ও ৭/৩১ গতে ৯/৩৯ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৩৮ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ৩/২৪ মধ্যে ও ৪/১৯ গতে ৫/৫৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৮/৭ গতে ১০/০/৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/০/৬ গতে ১১/২২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬/৩ গতে ৯/৪৪/৪ মধ্যে।
 ১৭ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ মুক্তি
ঘরে বাইরে আজ: অপর্ণা সেন পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, ...বিশদ

11:13:39 AM

মুর্শিদাবাদের পদ্মপুরে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
 

গতকাল জিয়াগঞ্জ থানার পদ্মপুর স্টেশনপাড়া এলাকায় বিএ প্রথম বর্ষের এক ...বিশদ

11:06:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, শুক্রবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:16:57 AM

সিউড়ির সার্কিট হাউসে এলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার

10:03:00 AM

জয়েন্টে বাংলার দাবিতে মোদিকে চিঠি মান্নানের
একমাত্র আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে গুজরাতিতে জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজাম (মেইন)-এর প্রশ্নপত্র ...বিশদ

09:47:43 AM

২০০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

09:45:31 AM