Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তো তাঁর মর্মান্তিক প্রয়াণের সময়ও সভাপতি পদেই বৃত ছিলেন। আর রাহুল তো মাত্র কয়েক মাস আগেও জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে লোকসভা ভোট লড়েছেন।
কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটের ফলে কংগ্রেসের গুরুতর বিপর্যয়ের পর তার দায় নিয়ে সভাপতি পদ থেকে রাহুল গান্ধী সরে দাঁড়ানোর পর কংগ্রেসের অন্দরে এক অভূতপূর্ব নেতৃত্বহীনতা দেখা দিল! কংগ্রেসের নবীন, প্রবীণ, প্রৌঢ় কোনও শীর্ষ নেতা-নেত্রীই সভাপতি হতে আগ্রহী নন! সকলেই দফায় দফায় রাহুলজিকে অনুরোধ, উপরোধ করে চলেছেন—আপনি ফিরে আসুন পদে, আপনার নেতৃত্বে দল নরেন্দ্র মোদিজির গেরুয়া ব্রিগেডের বিরুদ্ধে লড়াই করবে জান বাজি রেখে—দেশ ও দশের স্বার্থে আগামী দিনের ভারতে ফের একবার কংগ্রেসের তেরঙ্গাকে স্বমহিমায় সগৌরবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংগ্রামে সভাপতি হিসেবে আপনি নেতৃত্ব দিন—সভাপতি তথা নেতা হিসেবে আপনাকে ছাড়া এই মুহূর্তে কোনও বিকল্প নেই আমাদের ইত্যাদি প্রভৃতি কত কী! হরেক নেতার হরেক দাবি, হরেক প্রার্থনা। কিন্তু, রাহুল গান্ধী অনড়। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন—সভাপতি পদে তিনি আর ফিরছেন না। অবশ্যই এখানে ‘আপাতত’ কথাটা যোগ করে নিতে হবে। কারণ, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না।
কিন্তু, যেটা লক্ষণীয়, রাহুল না করে দেওয়ার পর গত তিন মাস যাবৎ খালি পড়ে থাকল জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন! গোটা দেশ থেকে একজন সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কংগ্রেসে! সংসদে বাংলার অধীর চৌধুরীকে নেতা করে সোনিয়া, রাহুল সামাল দিলেন বটে কিন্তু ‘হাইকমান্ডে’র পাশের চেয়ারটি খালিই রইল দিনের পর দিন। তো, কংগ্রেসের মতো এমন একটা বিরাট ঐতিহ্যশালী দলের শীর্ষস্তরে এমন নেতৃত্বহীনতা দেখলে প্রশ্ন তো উঠবেই—উঠেছেও। কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী সমর্থক নেতা-নেত্রী থেকে কংগ্রেস-বিরোধী শিবির মায় দেশের আমজনতা সর্বত্র জিজ্ঞাসা একটাই—রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগতে শুরু করল কেন? গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে কি আজ একজনও নেই যিনি আপন রাজনৈতিক যোগ্যতাবলে শক্ত হাতে কংগ্রেসের হাল ধরতে পারেন, হতে পারেন উমেশচন্দ্র, সুরেন্দ্রনাথ, প্যাটেল, নেতাজি, চিত্তরঞ্জন প্রমুখের মতো চিরস্মরণীয় মহারথীদের আধুনিক উত্তরসূরি!?
সত্যি বলতে কি, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের কেন্দ্রীয় উদ্যোগের পর প্রশ্নটা যেন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। তার অবশ্য সুনির্দিষ্ট কারণও আছে। কারণটা হল, ভারতের সংসদে এত বড় একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে গেল, কাশ্মীরের জনগণ ৩৭০ ধারা রদের সঙ্গে সঙ্গে এতদিন পাওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধা হারাল, এই রদ প্রক্রিয়ায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক রীতিনীতি না মানার অভিযোগ উঠল, দেশের রাজনৈতিক মহল থেকে জনতার দৈনন্দিন জীবন—সর্বত্র এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় চলছে অথচ, দেশের অন্যতম প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের তথাকথিত হাইকমান্ড বা মাস কয়েকের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর তরফে তেমন কোনও সাড়া-শব্দ নেই! বরং ঘটনার দিন সংসদে কংগ্রেসের পক্ষে অধীর চৌধুরীর বক্তব্য শাসক বিজেপি তথা মোদি, অমিত শাহ জুটিকে সন্তুষ্ট করতে পারুক না পারুক সনিয়া-রাহুলের পক্ষে প্রীতিকর হয়নি বলেই খবর!
অন্যদিকে দেখা গেল—কংগ্রেসের তরুণ-প্রবীণ ব্রিগেডের কয়েকজন নেতার মন্তব্যেও ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে সেই মিশ্র-ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে! গত বুধবার রাতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে পর্যন্ত ৩৭০ নিয়ে গরিষ্ঠ জনমতের পক্ষ নেওয়ার জন্য সওয়াল ওঠে বলে খবর! বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ সেই সূত্রে মোদিজি, অমিত শাহের ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থনের কথা বলেন। অবশ্য, রাহুল গান্ধী সেই ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাল্টা লড়াইয়ের কথা বলেন। চিদম্বরম, আহমেদ প্যাটেলের মতো প্রবীণ এবং প্রিয়াঙ্কার মতো নবীন নেতা-নেত্রীর সমর্থনে রাহুলের যুক্তিই কমিটি বৈঠকে শেষ পর্যন্ত মান্যতা পায়। কিন্তু, ৩৭০ বাতিল নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরের মতপার্থক্যটি তাতে কতটা আড়াল করা গিয়েছে তা নিয়ে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞমহলে যথেষ্ট সংশয় ছড়িয়েছে।
তার প্রমাণও মিলেছে। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দল যে দ্বিধার ভাবটা কাটিয়ে উঠতে পারেনি—গত বৃহস্পতিবার সংসদে অধীর চৌধুরী ও গুলাম নবি আজাদের বিতর্কিত মন্তব্য এবং পরবর্তীতে কংগ্রেস নেতা কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্রের বক্তব্য তার প্রমাণ। গুলাম নবি বলে দিলেন, কাশ্মীরের মানুষজনকে টাকা দিয়ে কেনা যায় আর অধীর কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থাকে ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’র সঙ্গে তুলনা করে বিতর্ক বাধালেন। অন্যদিকে কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্র বিক্রমাদিত্য মোদি-শাহের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তকে ভূস্বর্গে নতুন যুগের সূচনা বলে অস্বস্তিতে ফেললেন দলকে! শুধু তাই নয়, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো আরও কেউ কেউ এমনভাবে কেন্দ্রের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে দাঁড়িয়ে—বর্তমান ক্ষেত্রে জাতীয় কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভূমিকা কেবল ধোঁয়াশাচ্ছন্নই করে তোলেননি, পরন্তু সোনিয়া-রাহুল-প্রিয়াঙ্কা ঘোষিত বিরোধিতার নীতির গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। ফলে, শাসক পদ্মদলের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দলের লাইন কী হবে তা নিয়ে রীতিমতো ধন্দে পড়ে গেছেন কংগ্রেসের উপর থেকে নিচুতলার প্রায় সকলেই। এবং প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের অন্দর-বাহিরের এই দ্বিধা দোলাচল, রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণে এই মতপার্থক্যে সঙ্গত কারণেই বিশেষ স্বস্তিতে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। কংগ্রেসের এই টালমাটাল কাটতে কাটতে জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে, দেশের নানা প্রান্তে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে প্রতিবাদের যেটুকু ঢেউ-তরঙ্গ উঠেছে তাও মিলিয়ে যাবে, তখন এ নিয়ে আন্দোলনে নামা কংগ্রেসের পক্ষে খুব সুবিধেজনক হবে না—এমনই ধারণা শাসক বিজেপি’র। অন্তত তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকে তেমনই বলছেন।
কিন্তু, এত বড় একটা দলে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এত বিপরীত মত আসছে কেন? তাহলে কি দলের শীর্ষস্তরে সোনিয়া-রাহুলের মানে গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব শিথিল হতে শুরু করেছে, ‘হাইকমান্ডে’র সার্বজনিক মান্যতায় টান পড়ছে? দলে গান্ধী পরিবারের বাইরের প্রভাব বাড়ছে? তাই যদি, তবে তিন মাসে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে থেকে একজন যোগ্য সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কেন? তাহলে কি প্রকৃত অর্থেই যোগ্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বের খরা দেখা দিয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় কংগ্রেসে? অন্যগুলো নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও শেষ প্রশ্নটিতে দেখা যাচ্ছে অনেকেই সহমত। ইন্দিরার আমল থেকেই কংগ্রেস পুরোপুরিভাবে গান্ধী পরিবার নির্ভর। সীতারাম কেশরী বা নরসীমা রাওয়ের মতো যাঁরা সভাপতি হয়েছেন তাঁরা কার্যত গান্ধী পরিবারের নির্দেশ-নীতিকে শিরোধার্য করেই কাজ চালিয়েছেন। ফলে সভাপতির চেয়ারে যে-ই থাকুন গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব ও শাসনই বহাল থেকেছে কংগ্রেসে—নিন্দুকেরা তেমনটাই বলেন। শনিবার এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনও সভাপতি ঠিক হয়নি কংগ্রেসে। ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হচ্ছে। কুমারী শৈলজা মল্লিকার্জুন খাড়গে, মুকুল ওয়াসনিক, বেণুগোপালের মতো কিছু নাম উড়ছে বাতাসে।
শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে সেটা রাজনীতির ভাগ্যদেবতা জানেন। আমরা কেবল অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে এটুকুই অনুমান করতে পারি—সভাপতি পদে যিনিই মনোনীত হোন—তিনি গান্ধী পরিবারের বিশেষ প্রীতিভাজন হবেন। কিন্তু, আপন রাজনৈতিক দক্ষতা কৌশলে আজকের এই দিশেহারা জাতীয় কংগ্রেসকে তিনি কতটা দিশা দিতে পারবেন, জাতীয় রাজনীতিতে তার হৃত মহিমা কতটা ফেরাতে পারবেন তা বলবে সময়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, সময়ের সেই পরীক্ষায় নয়া সভাপতির সাফল্যই নেতৃত্বহীনতার চলতি দুর্বলতা থেকে কংগ্রেসকে রেহাই দিতে পারে। না হলে ফের গান্ধী রাহুলেরই দ্বারস্থ হতে হবে কংগ্রেসকে। কংগ্রেসে গান্ধী-পরিবার নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন যাঁরা দেখেন তাঁদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। নান্য পন্থা।
11th  August, 2019
স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ জিম জোন্সের নাম আজ ক্যালিফোর্নিয়ায় মুখে আনাও পাপ!
মৃণালকান্তি দাস

জিম জোন্সের নাম শুনেছেন? এ এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর গল্প। যাঁর বিশ্বাসের উপর ভর করে আত্মহত্যার আড়ালে এক নিদারুণ গণহত্যার সাক্ষী হয়েছিল আমেরিকা। ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি দরিদ্র পরিবারে জিমের জন্ম। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন বেশ বুদ্ধিমান এবং কিছুটা অদ্ভুত স্বভাবের। কিশোর বয়স থেকেই ধর্মের প্রতি তাঁর টান ছিল প্রবল।
বিশদ

অসহিষ্ণুতা
জিষ্ণু বসু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৭০ সাল। অতি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন পরীক্ষা বয়কটের ডাক দিয়েছে। কেন? কী কারণ? কারণটা অদ্ভুত। কাউকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এক সিংহহৃদয় মানুষ। অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের প্রবাদপ্রতিম অধ্যাপক এই ছাত্রদরদি মানুষটি অস্থায়ীভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। 
বিশদ

পুজোর মুখে
শুভা দত্ত

পুজো আসছে। মাঝে আর মাত্র ক’টা দিন—তারপরই শুরু হয়ে যাবে দেবী দুর্গার আরাধনায় মত্ত বাঙালির উৎসব যাপন। আমাদের বিশ্বাস, সেই উৎসবের আনন্দ কোলাহলে আলোর বন্যায় জনস্রোতে ক’দিনের জন্য হলেও এনআরসি হোক কি যাদবপুর, কি সারদা নারদা রাজীব কুমার—সব তলিয়ে যাবে। চিহ্নমাত্র থাকবে না। এতদিন তাই হয়েছে—এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
বিশদ

22nd  September, 2019
এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ।
বিশদ

21st  September, 2019
সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
বিশদ

21st  September, 2019
আলোচনার অভিমুখ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দেখা যায় সম্রাটরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী প্রমাণ করার জন্য অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন হিসেবে নিজেদের প্রতিভাত করতেন। এর ফলে প্রজা শুধু সম্রাটকে যে মান্য করত তাই নয়, ভয়ও পেত, সমীহ করত। প্রাচীন মিশরে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে ফারাওরা নিজেদেরই ঈশ্বর হিসেবে ঘোষণা করতেন।
বিশদ

20th  September, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

20th  September, 2019
বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

19th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
একনজরে
শ্রীনগর, ২২ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করার পর কেটে গিয়েছে টানা ৪৯ দিন। এখনও থমথমে উপত্যকা। স্বাভাবিক হয়নি মানুষের জীবনযাত্রা। এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ীভাবে সাপ্তাহিক বাজার বসল শ্রীনগরের রাস্তায়।  ...

হিউস্টন, ২২ সেপ্টেম্বর: অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির পাশাপাশি রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ভাষণ দেওয়ার নির্ঘণ্টও রয়েছে। কিন্তু মার্কিন সফর চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদির পাতে থাকছে কী কী পদ? খাবার-দাবার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে বিশেষ কোনও অনুরোধ করেননি। তাঁর খাবার তৈরির দায়িত্বে থাকছেন শেফ কিরণ ...

সংবাদদাতা, মালদহ: ইংলিশবাজার শহরে চলাচলের অনুমতি দিতে শুরু হয়েছে টোটো বা ই-রিকশর নিবন্ধীকরণ কর্মসূচি। এই সুযোগে শহর জুড়ে পুজোর মুখে ফের হুহু করে বাড়ছে টোটো’র সংখ্যা।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবার তার থিম পর্যটন এবং চাকরি। সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই পর্যটন শিল্পে চাকরির পরিসর বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কলকাতায় আজ, সোমবার থেকে চাকরির মেলা শুরু করছে পর্যটন মন্ত্রক। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধা-বিঘ্ন। হঠকারী সিদ্ধান্তের জন্য আফশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৭: বাংলার প্রথম র‌্যাংলার ও সমাজ সংস্কারক আনন্দমোহন বসুর জন্ম
১৯৩২: চট্টগ্রাম আন্দোলনের নেত্রী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মৃত্যু
১৯৩৫: অভিনেতা প্রেম চোপড়ার জন্ম
১৯৪৩: অভিনেত্রী তনুজার জন্ম
১৯৫৭: গায়ক কুমার শানুর জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, নবমী ৩২/৫১ রাত্রি ৬/৩৭। আর্দ্রা ১৫/১ দিবা ১১/২৯। সূ উ ৫/২৮/৫৭, অ ৫/২৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১১/৫ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে। 
৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, নবমী ১৯/৪৮/৫৫ দিবা ১/২৪/১৪। আর্দ্রা ৫/৩৮/১৫ দিবা ৭/৪৪/৮, সূ উ ৫/২৮/৫০, অ ৫/৩১/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে, বারবেলা ২/৩০/৫০ গতে ৪/১/১০ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৯/১০ গতে ৮/১৯/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৩০ গতে ১১/৩০/১০ মধ্যে। 
২৩ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কলকাতা পুলিসে চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগে ধৃত প্রাক্তন কনস্টেবল 
কলকাতা পুলিসে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার ...বিশদ

10:28:14 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, সোমবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইমের ...বিশদ

10:10:01 AM

মাদাম তুসোতে এবার রণবীরের মূর্তি 
লন্ডনে মাদাম তুসোর মোমের মিউজিয়ামে এবার দেখা যাবে রণবীর সিংকে। ...বিশদ

09:49:25 AM

যাদবপুর কাণ্ড: আজ মিছিল এবিভিপির 
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্তার প্রতিবাদে আজ, সোমবার ...বিশদ

09:28:28 AM

আজ রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক 
আজ, সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট ...বিশদ

09:10:43 AM

পর্যটন মন্ত্রকের উদ্যোগে আজ থেকে চাকরির মেলা 
আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবার তার থিম পর্যটন ...বিশদ

08:57:05 AM