Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুতিন কি পারবেন নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে?
গৌরীশঙ্কর নাগ

১৯১৭ খ্রিস্টব্দে বা তার কিছু আগে থেকে লেনিন, ট্রটস্কি প্রমুখ নিবেদিত প্রাণ কমরেডের হাত ধরে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র নামক যে মহীরুহটি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছিল তা গর্বাচেভ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে—বিস্ময়ের সঙ্গে আমরা সেটা দেখেছি। একদিকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে এটা যেমন ছিল অভূতপূর্ব নতুন অধ্যায়ের সূচনা তেমনি সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত রাশিয়ায় যে সার্বিক সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনীতিতে শক-থেরাপি, রাজনীতিতে নাটকীয়ভাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা এবং সর্বোপরি যে বিষয়টি আরও আলোড়ন তুলেছিল তা হল বাহ্যিক সম্পর্কের দিক থেকে তার ক্ষমতা এতটা হ্রাস পেয়েছিল যে রাশিয়া আর পাঁচটা মাঝারি ইউরোপীয় রাষ্ট্রের মতোই মামুলি একটা রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। পতনের এই মাধ্যাকর্ষণ থেকে রাশিয়াকে কেউ যদি টেনে বের করতে পারেন, তবে তিনি ভ্লাদিমির পুতিন।
ইতিমধ্যেই সুবিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ২০০৭-এর রেটিংয়ে তাঁকে 'A Man of steel confidence and strength' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এটা বলার পিছনে একটা গভীর ব্যঞ্জনা রয়েছে। তা হল ঠান্ডা যুদ্ধের অবসানে অভূতপূর্ব পরিস্থিতিতে নতুন যে বিশ্ব ব্যবস্থার আবির্ভাব ঘটছিল, তাতে মার্কিন নেতৃত্বে পশ্চিমি শক্তিজোট বেশ খানিকটা স্বস্তিবোধ করেছিল এটা ভেবে যে, এবার হয়তো পশ্চিমি উদারনীতিবাদ, মানবাধিকার, মুক্ত বাজারের মাধ্যমে একতরফা আধিপত্য কায়েম করা যাবে। কিন্তু এইসব নতুন মূল্যবোধের ভিত্তিতে শুধু নতুন বিশ্বব্যবস্থার কথা বললেই তো হল না, তার জন্য চাই নতুন নেতৃত্ব, মজবুত ব্যক্তিত্ব, দৃঢ়তার নতুন প্রযুক্তি। এই সবকিছুই যদি কোনও রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠে থাকে তবে যাঁর নাম প্রথমেই উঠে আসবে নিঃসন্দেহে তিনি হলেন ভ্লাদিমির পুতিন।
কিন্তু কী সেই বিশ্বব্যবস্থা যা পশ্চিমের পাল্টা বিতর্ক হিসেবে পুতিন তৈরি করতে চাইছেন? বলাবাহুল্য, পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার যে একতরফা আগ্রাসী মনোভাবের প্রতিফলন ঘটছে—তাকে আর যাইহোক ঠিক ‘গণতান্ত্রিক’ এমনটা বলা যায় না। ইউরোপের অশান্ত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে, বিশেষত ব্রেক্সিট নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও অচলাবস্থায় গোটা ইউরোপ যখন একপ্রকার মুহ্যমান, তখন আমরা দেখেছি কীভাবে রাশিয়া ক্রিমিয়াকে অধিগ্রহণ করে নিয়েছে। এই ইস্যুতে রাশিয়ার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সমমনস্ক চীন, উত্তর কোরিয়া ও ইরান। এখান থেকে যদি একটা সরলরেখা টানা যায় তাহলে বিশ্ব রাজনীতিতে এই ঘটনার সুদূরপ্রসারী তাৎপর্য পরিষ্কার হয়ে যায়।
যদি রাজনৈতিক চিন্তার দিক থেকে আমরা দেখি, তাহলে এ কথা অস্বীকার করা যায় না যে আমরা বাধা অতিক্রম করে ক্রমশ মুক্ত গণতান্ত্রিক লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কার্ল পপার বা ইসিয়া বার্লিনের মতো বিংশ শতকের উজ্জ্বল উদারনৈতিক চিন্তাবিদদের মতে উদারনীতির সড়ক ধরে যে যাত্রা তা খুব একটা সহজ নয়। ইতিমধ্যেই চীন-রাশিয়ার নৈকট্য সেই অশনি সংকেতের সম্ভাবনাকেই উসকে দিচ্ছে। ২৩ জুলাই জাপান সাগর ও পূর্ব চীন সাগরে রাশিয়া ও চীনের যৌথ বিমান মহড়া একদিকে যেমন জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে, তেমনি এই বিমান মহড়ার টার্গেট যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য রাশিয়ার পক্ষেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক নয়। তার কারণ পশ্চিমে অবস্থিত জার্মানি ও বিশেষত ইউক্রেন সবসময়ই রাশিয়ার ভয়ে কণ্টকিত। ফলে একটা গভীর অস্থিরতার বাতাবরণকে যেন কোনওভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।
রাশিয়া যেন সবকিছুতেই NATO-র গন্ধ পাচ্ছে। এই বোধ থেকে ২০১৮-র নভেম্বরে রাশিয়ার নৌবাহিনী আজভ সাগরের দিকে অগ্রসর হওয়া ইউক্রেনের জাহাজগুলিকে আটক করেছিল এই অজুহাতে যে এর পিছনে NATO-কে আজভ সাগরে ইউক্রেন ডেকে আনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এটা যদি হয় মুদ্রার একদিক, তবে মুদ্রার অন্যদিকটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তা হল ঠান্ডা যুদ্ধের অবসানে হাতে চাঁদ পাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতুন বিশ্বব্যবস্থাকে পরিচালনা করার মতো কতটা প্রযুক্তি ও ‘ভিশন’ রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে আমরা ইতিমধ্যেই যেসব মারাত্মক ঘটনার অভিঘাত দেখলাম তাতে একটি বিষয় পরিষ্কার—শুধু চীন নয়, ইরানের মতো মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক শক্তি, এমনকী লাতিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলার মতো শক্তিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে টক্কর দেওয়ার চেষ্টা করছে। শুধু কি তাই? হিসেব দিতে গেলে দীর্ঘ তালিকা পূর্ণ হয়ে যাবে। এর সাম্প্রতিকতম দৃষ্টান্ত এরদোগানের তুরস্ক। তুরস্ক যদি রাশিয়ার থেকে S400 প্রযুক্তি কেনে, তাহলে তাকে F35-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির বিমান দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অস্বীকার করে। অনেকে ভেবেছিল এই চাপের কাছে তুরস্ক মাথা নোয়াবেই। কিন্তু আদতে তুরস্ক নিজের জেদে অনড় থাকে। পরিবর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই তার অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। বলা হয়েছিল অনুরূপ প্রযুক্তি কিনলে ভারতকেও CAATSA-র নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়তে হবে। নানা ইস্যুতে ব্যতিব্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নিষেধাজ্ঞা এখনও অবধি প্রয়োগ করেনি।
ভারতের পক্ষে রাশিয়ার উত্থানের তাৎপর্য কোথায়—সেই ভাবনার পরিপ্রেক্ষিত থেকে দেখলে এটা অবশ্যই ভারতের পক্ষে অশনি সংকেত যে চীন-রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা যত বাড়বে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে চীনের একতরফা উন্নাসিকতা। সেই সঙ্গে অতি সম্প্রতি আমরা দেখেছি ট্রাম্পের সঙ্গে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বৈঠক, যেখানে অনিবার্যভাবে কাশ্মীর ইস্যু উঠে এসেছে। ফলে ভারতের উপরে চাপ বাড়ছে। তবে কি ব্যালেন্স অফ পাওয়ারের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের পুরনো বন্ধুত্বের প্রয়োজন হবে? তবে সাম্প্রতিককালে ভারতের বিদেশনীতি অনুধাবন করলে আমরা দেখব রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা সেভাবে নিতে পারিনি। তবে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশে এবার রাশিয়াও। অন্যদিকে আমরা দেখেছি চীনকে মোকাবিলা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অফ শোর ব্যালেন্সিং’ এবং মার্কিন ঘেঁষা ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি। এমনকী আফ্রিকায় ভারতের জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতাও আমরা দেখছি। এরমধ্যে রাশিয়ার উপস্থিতি বেশ গৌণ। অবশ্য এরমধ্যে প্রচ্ছন্ন রয়েছে ভারতের পোস্ট-কোল্ড ওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি। মাল্টিপোলারিটির মধ্যে ভারত নিজেকেও একটি মেরু হিসেবে ধরে নিয়ে আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে।
কিন্তু শুধু চাইলেই তো হল না। দক্ষিণ এশিয়ায় এখনও যে অঞ্চলটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে তার নাম আফগানিস্তান। ইতিমধ্যে কাতারের দোহায় বেশ কয়েক রাউন্ড আলোচনার পরেও শান্তির নিশ্চয়তা বিশবাঁও জলে। সেখানে ভারতের ভূমিকা কী হবে—তা দেখার বিষয় বইকি। ইতিমধ্যে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে ভারতের বক্তব্য অনুপস্থিত। অথচ মনে রাখা দরকার তাজাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে উত্তরের জোটকে ভারতই প্রথম সামরিক সাহায্য করেছিল।
আজ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতের কণ্ঠস্বর স্তিমিত। সেখানে ভারতকে যদি গুরুত্ব পেতে হয় তবে রাশিয়ার থেকে জোরালো সমর্থন পাওয়া দরকার। শুধু মার্কিন সাহায্য পেলেই হবে না মধ্য এশিয়ায় প্রবেশ করতে গেলে আফগানিস্তানই হল ভারতের কাঙ্ক্ষিত প্রবেশদ্বার।
অধিকর্তা, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাটিজ, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়
12th  August, 2019
ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব! বিশদ

স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে।
বিশদ

15th  August, 2019
বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। 
বিশদ

13th  August, 2019
রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি।  
বিশদ

13th  August, 2019
স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

 জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
বিশদ

12th  August, 2019
রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

 প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন।
বিশদ

11th  August, 2019
শুধু উন্নয়ন নয়, ভোটের জন্য চাই ভালো মাস্টার
তন্ময় মল্লিক

মোটা বেতন দিয়ে মাস্টার রাখলেই ছেলেমেয়ে মানুষ হয় না। তেমনটা হলে সব বড়লোকের ছেলেমেয়েই উচ্চশিক্ষিত হতো। কিন্তু, তা তো হয় না। ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনায় আগ্রহ, মেধা যেমন থাকা দরকার, তেমনই নজরদারিটাও জরুরি। ফাঁকিবাজি থাকলেই ছাত্র হয় গাড্ডু খাবে, অথবা ‘বিবেচনায়’ পাশ।
বিশদ

10th  August, 2019
পঞ্চায়েত নির্বাচন, ৩৭০ কিংবা ৩৫এ
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গ ২০১৮, আর ত্রিপুরা ২০১৯। পঞ্চায়েত ভোটে ফলাফল একইরকম। ঠিক কত আসন সেটা গোনার দরকার নেই। সহজ অঙ্কে বিষয়টা এরকম। ধরা যাক, মোট আসন ১০০, শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৭০টি আসনে। বাকি তিরিশের মধ্যে তীব্র লড়াইয়ের শেষে শাসক দল ২০, বিরোধীরা দশ। পাটিগণিতের অঙ্ক একেবারে মিলে গেল।
বিশদ

10th  August, 2019
কাশ্মীর: নতুন চ্যালেঞ্জ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রকৃত চ্যালেঞ্জ সরকারের। কাশ্মীরকে আন্তরিকভাবে ভারতের অন্তঃস্থলে মিশিয়ে দেওয়ার কাজটিই কিন্তু হবে কাশ্মীরের নয়া ইতিহাস রচনা। সেটা নিছক একটা ভূমিখণ্ড দখল নয়। কাশ্মীরিয়াৎকে আপন করে নেওয়া। একমাত্র তাহলেই পাকিস্তান সবথেকে বেশি ধাক্কা খাবে! আর কাশ্মীরিদের আমরা যদি শত্রু বিবেচনা করে চলি, তাহলে কিন্তু টেনিসের পরিভাষায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান হয়ে যাবে! সে সুযোগ দেব কেন?
বিশদ

09th  August, 2019
সংযুক্তিকরণের মিশ্র অভিজ্ঞতার পংক্তিতে কাশ্মীর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 সমস্ত প্রশ্ন আসলে আবর্তিত হচ্ছে মূলত কাশ্মীরসমস্যা সমাধানের প্রশ্নে ‘স্বাধিকার বনাম সংযুক্তিকরণ’ ভাবনাকে কেন্দ্র করে। নেহরুর অনুসৃত কাশ্মীরের স্বাধিকার মডেল বিগত ৭০ বছর ধরে কার্যকরী থাকলেও কাশ্মীরসমস্যার সমাধান কিন্তু অধরাই থেকে গিয়েছে। তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। বিজেপির সংযুক্তিকরণ মডেলে কাশ্মীরের এই দীর্ঘ অচলাবস্থা ভেঙে এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংযুক্তিকরণ মডেলের যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা মিশ্র। চীনের সঙ্গে তিব্বতের সংযুক্তিকরণ সফল হয়েছে। আলাস্কার ক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্তিকরণ সফল ছিল। আবার চীনের সঙ্গে হংকংয়ের সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া কিন্তু কঠিন বাধার সম্মুখীন হয়েছে। এখন দেখার, কাশ্মীরকে ভারতের মূল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার ফল কী হয়? বিশদ

08th  August, 2019
জিতে গেলেন শ্যামাপ্রসাদ
জিষ্ণু বসু 

দিনটি ছিল ১১ মে, ১৯৫৩। পারমিট ছাড়া কাশ্মীরে প্রবেশের অপরাধে পাঠানকোটের মাধোপুর সীমান্তে গ্রেপ্তার হলেন শ্যামাপ্রসাদ। সেখান থেকে শ্রীনগর ৩০০ কিমির বেশি। এতটা পথ পুলিসের জিপে আনা হল তাঁকে।  বিশদ

07th  August, 2019
তিন তালাক: এক কুপ্রথার অবসান
অমিত শাহ

কিছু দিন ইতিহাসে বিশিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। ভারতের সংসদের ইতিবৃত্তে ৩০ জুলাই, ২০১৯ তেমনই একটি দিন। সংসদের উচ্চকক্ষে ঐতিহাসিক তিন তালাক বিলের জায়গা করে নেওয়াটা নিছক একটি নতুন আইনপ্রণয়ন নয়। এটি একটি ঐতিহাসিক ভুলের সংশোধনের বিষয়। এটি মুসলিম নারীদের সম্মান ও মর্যাদার পুনরুদ্ধারের বিষয়।
বিশদ

06th  August, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: দলছুট একটি প্রকাণ্ড দাঁতাল হাতি রাস্তার উপর ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকায় শুক্রবার প্রায় ২০ মিনিটের মতো যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় বীরপাড়া-ফালাকাটা এশিয়ান হাইওয়ে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডুরান্ডের গুরুত্বহীন ম্যাচে শুক্রবার এটিকে’র রিজার্ভ টিম উইলিয়ামের গোলে হারিয়ে দিল মহমেডান স্পোর্টিংকে। কালো-সাদা শিবিরের কোচ সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমি দলে কোনও বিদেশি ডিফেন্ডার খেলাইনি। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: পুরনো শত্রুতার জেরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোজালি দিয়ে কুপিয়ে এক যুবককে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইসলামপুর থানার সিসাপাড়া মুরাডাঙা এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম মাসাদুল শেখ (৩০)। খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত শুকবর শেখকে স্থানীয়রা ধরে উত্তম মধ্যম দেয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধি হবে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মাঝে মতান্তর হবে। সন্তানের স্বাস্থ্য বিষয়ে সাবধান থাকা দরকার।প্রতিকার— ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৮: আনাতোলিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত ৮ হাজার মানুষ। রিখটার স্কেলে তীব্রতার মাত্রা ছিল ৮
১৯৩২: নোবেলবিজয়ী ত্রিনিদাদ বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নইপলের জন্ম
১৯৪৩: মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক রবার্ট ডি নিরোর জন্ম
১৯৪৭: ভারত-পাকিস্তানের সীমানা বিভক্ত করে আত্মপ্রকাশ ঘটল র্যা ডক্লিফ লাইনের
১৯৪৯: ভারতীয় বিপ্লবী তথা ঢাকা অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা পুলিনবিহারী দাসের মৃত্যু
১৯৭৭: ফরাসি ফুটবলার থিয়েরি অঁরির জন্ম
১৯৮২: বাজারে প্রথম সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) প্রকাশ করল জার্মানি
১৯৮৮: বিমান দুর্ঘটনায় মৃত পাকিস্তানের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
১৯৯৮: হোয়াইট হাউসের মহিলা কর্মী মনিকা লিউনস্কির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন
২০০৫: বাংলাদেশের ৬৩টি জেলার ৩০০টি জায়গায় ৫০০টি বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গিরা।
২০০৮: প্রথম ব্যক্তি হিসাবে একটি ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৮১ টাকা ৮৭.৯৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৩ টাকা ৮০.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,১৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৬৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৪৩/৪৮ রাত্রি ১০/৪৯। শতভিষা ২১/৩৪ দিবা ১/৫৫। সূ উ ৫/১৭/৩৯, অ ৬/৪/১, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩ গতে ১২/৫৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/১৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৮ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে উদয়াবধি।
৩১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ আগস্ট ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৯/৫৮ রাত্রি ৮/৩২/৩৭। শতভিষানক্ষত্র ১৯/৪২/০ দিবা ১/৯/২৬, সূ উ ৫/১৬/৩৮, অ ৬/৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩১ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ১/৩২ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ১/১৭/৪৮ গতে ২/৫৪/২ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫২/৫২ মধ্যে ও ৪/৩০/১৬ গতে ৬/৬/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০/১৬ মধ্যে ও ৩/৫২/৫২ গতে ৫/১৬/৫৮ মধ্যে।
১৫ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নয়াদিল্লির এইমস-এ আগুন
নয়াদিল্লির এইমস -এ আগুন। ঘটনাটি ঘটে আজ বিকাল ৫টা নাগাদ। ...বিশদ

05:47:48 PM

ভাইকে নিয়ে স্বামীকে খুন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
ভাইকে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুনের ঘটনায় দু’জনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ...বিশদ

04:09:34 PM

জলমগ্ন শহর, পুরকর্মীদের ছুটি বাতিল 
টানা বৃষ্টিতে কার্যত জলের নীচে মহানগর। ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। দ্রুত ...বিশদ

02:13:11 PM

ট্রাকে ধাক্কা যাত্রীবোঝাই বাসের, জখম ২০ 
গভীর রাতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা যাত্রীবোঝাই বাসের। ঘটনায় ...বিশদ

01:55:28 PM

ভুয়ো পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, ধৃত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী 
সচিব পদমার্যাদার অফিসার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মীদের লক্ষ লক্ষ ...বিশদ

01:07:00 PM

সঙ্কটে জেটলি, রাখা হল লাইফ সাপোর্টে 
আরও সঙ্কটে অরুণ জেটলি। এদিন সকাল থেকে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে ...বিশদ

12:57:58 PM