Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অজানা ভবিষ্যৎ
সমৃদ্ধ দত্ত

অপেক্ষা থাকে কবে প্রোমোটার ফ্ল্যাটের পজেশন দেবে। প্রতি মাসের অন্তে সামান্য হলেও অপেক্ষায় মন উচাটন থাকে কখন হবে স্যালারি ট্র্যান্সফার, আসবে মেসেজ। অপেক্ষা থাকে মেয়েকে গত রবিবার দেখে যাওয়া পাত্রপক্ষের ফোনের। অপেক্ষা করি ছেলেমেয়ের রেজাল্টের। অপেক্ষায় দিন গুনি কবে হবে ডিএ কিংবা পে কমিশন। আর কতদিন পুজোর? অপেক্ষা। একটা আই ফোন কিনব কবে? অপেক্ষা। আমার প্রিয় দল কবে বসবে ক্ষমতায়? অপেক্ষা করি। এসব নয়। রামশংকর সিং-এর প্রিয় অপেক্ষার নাম লাঞ্চ ব্রেক এবং টি ব্রেক। অপেক্ষা থাকে তাঁর কখন একটু বসবেন! রামশংকর সিং অপেক্ষা করেন বসার। দিল্লি লাগোয়া উত্তরপ্রদেশের এক উজ্জ্বল জনপদ বৈশালীর একটি ঝকঝকে শপিং মলে ভারতবিখ্যাত ব্র্যাণ্ড ক্লোদিং আউটলেটের পুরুষদের ট্রায়াল রুমের বাইরে ডিউটি রামশংকর সিং-এর। পরপর চারটি কাঠে ঘেরা ট্রায়াল রুম। ঠিক মুখেই তিনি দাঁড়িয়ে থাকেন। কোন কোন পোশাক নিয়ে সম্ভাব্য ক্রেতারা ঢুকছে এবং বেরচ্ছে সেদিকে খেয়াল রাখা এবং তাঁদের পছন্দ বা ফিট না হওয়া হেলাফেলায় একটা টেবিলে রেখে যাওয়া পোশাকগুলি নিয়ে আবার স্টোর সুপারভাইজারকে দেওয়া। সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা। ডিউটি। একটাই শর্ত। বসা যাবে না।
উত্তরপ্রদেশের খুর্জার এক গ্রাম থেকে শহরে চলে আসা ৫৩ বছরের রামশংকর সিং নিচুগলায় বললেন, মেরুদণ্ডে একটা গোলমতো কি যেন হয়েছে। খুব ব্যথা করে। রাতে ফিরে ঘুমাতে পারি না যন্ত্রণায়। ডাক্তার কিছু পরীক্ষা দিয়েছেন। আর বলেছেন, দাঁড়ানো বন্ধ করতে হবে। ম্লান হেসে রামশংকর সিং বলেছিলেন, কোনওটাই তো হল না। কেন? জানা গেল আটমাস আগে এই স্টোর চারজন সিকিউরিটি গার্ডকে সরিয়ে দিয়েছে। আর তার পরিবর্তে রামশংকর সিং-এর মতো কয়েকজনের আর ছুটি নেই। সপ্তাহে সাতদিনই ডিউটি। তাই মেরুদণ্ডের পরীক্ষা করবেন কখন। সাতদিন ১২ ঘণ্টা একমাস। ১২ হাজার টাকা। রামশংকর সিং-এর তাই একটাই অপেক্ষা লাঞ্চ ব্রেক। ৩০ মিনিটের। খাওয়ার অপেক্ষা? না। বসার। টি ব্রেক। ১৫ মিনিট।
একটু বসার অপেক্ষা। ১২ ঘণ্টার মধ্যে ১১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যায় বলুন? অন্য কোথাও যাচ্ছেন না কেন? রামশংকর সিং সিসিটিভির দিকে ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে দৃষ্টি নামিয়ে বললেন, সব ছাঁটাই হচ্ছে জানেন তো। সর্বত্র। ছেলে রয়পুরে কনস্ট্রাকশনের কাজ করত। কিন্তু সে তো সেই নোটবন্দির পর থেকে আর কাজ নেই তেমন। তাই ছেলে গ্রামে ফিরে কোনওমতে চাষ করে। গ্রামে কাজ নেই। এই চাকরিটা দরকার বড়। তাই মেরুদণ্ডের ব্যথার কথাও বলিনি। রামশংকর সিং-এর প্রিয় মুদ্রাদোষ ঘনঘন ঘড়ির দিকে তাকানো। কখন দুপুর দুটো বাজবে। লাঞ্চ। একটু বসবেন। ওই যে অপেক্ষা করছেন ভারতের রামশংকর সিংরা। সামান্য চাহিদা নিয়ে। বসার।
মুম্বইয়ের মাহিমে ৪০০ স্কোয়ার ফিট ঘরে ৩৫ জন জরিশিল্পীর মধ্যে সারাদিন খুব বন্ধুত্ব। সন্ধ্যার পর সেই বন্ধুত্বে ফাটল ধরে। তখন প্রতিযোগী পরস্পরের। কে আগে রাতের খাওয়া সেরে আসতে পারবে। আর এসেই শুয়ে পড়বে কয়েকটি বিশেষ জায়গায়। ৪০০ স্কোয়ার ফুট ঘরে তিনটি ফ্যান। ৩৫ জনের প্রত্যেকেই চায় ফ্যানের নীচে শুতে। আর তা নিয়েই বাদানুবাদ, তর্কাতর্কি আর মতান্তর।
একটা রুটিন করে দিয়েছেন মালিক। সোম থেকে রবি। প্রত্যেকের নামের তালিকা করা হয়েছে যে কে কবে ফ্যানের নীচে। রোটেশন করে। যেখানে ১২ ঘণ্টা ধরে শাড়িতে মেটালিক থ্রেড, প্লাস্টিকের ফুল, পাতা লাগাতে হয় ছোট ছোট নিডল দিয়ে। মুম্বইয়ের জরি শিল্পের নিয়ম হল ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম ৬ ঘণ্টার জন্য জরিশিল্পীরা পায় ২২৫ টাকা। পরবর্তী ৪ ঘণ্টার জন্য ২২৫ টাকা। আর একেবারে শেষে ২ ঘণ্টার জন্য ১০০ টাকা। একে বলে নাফরি। মাসে ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা আয়। নিজেদের খরচ চালাতে ব্যয় হয় ৪ হাজার টাকা। বাকি টাকা আসে বিহারে, ঝাড়খণ্ডে, পশ্চিমবঙ্গে, উত্তরপ্রদেশে, দিল্লিতে। অর্থাৎ পরিবারের কাছে ৪৫০ টাকা নেওয়া সয় ১২ টা মিলের জন্য।
গত সাড়ে তিন বছরে এই মজুরি বহু ওয়ার্কশপে এক পয়সাও বাড়েনি। আর অন্যদিকে নাফরি কমে যাচ্ছে। কারণ অর্ডার নেই। জিএসটির কারণে সুরাত, দিল্লি, দেরাদুন, হায়দরাবাদ, আমেদাবাদ, কেরল, ভোপাল, বিলাসপুর সর্বত্র বাজার মন্দা হওয়ায় মুম্বইয়ের প্রতিটি ওয়ার্কশপে কমে যাচ্ছে অর্ডার। আর তাই এখন আর একজনকে ১২ ঘণ্টা ডিউটি দেওয়া যাচ্ছে না। হয়তো ৬ ঘণ্টা ডিউটি পাচ্ছে। অন্য কেউ পাচ্ছে বাকি ৬ ঘণ্টা। এক ধাক্কায় আয় কমেছে। কিন্তু জানা যাচ্ছে বিহার আর উত্তরপ্রদেশের কয়েকটি জেলা থেকে যাওয়া কর্মীরা উভয়সঙ্কটে। কারণ আয় অর্ধেক হয়ে গেলেও তাঁরা নিজেদের গ্রামে ফিরেও আসতে পারছেন না। কারণ গ্রামে ১০০ দিনের কাজ করলেও নাকি সেই টাকা পাওয়া যাচ্ছে না।
সীতাপুর জেলায় গ্রামের পর গ্রামে গ্রামবাসীর কাছে ফোন এসেছিল এখনই আধার নম্বর মোবাইলে লিংক করো, তা না হলে সিম বন্ধ হয়ে যাবে। দেডোরিয়া গ্রামের প্রমোদ কুমার গ্রাম থেকে চার কিলোমিটার দূরে মোবাইল শপে সেকথা বললে, দোকানি একটা কালো মেশিনে প্রমোদ কুমারের আঙুল রাখতে বলে দুবার পুশ করেন এবং বলেন যাও, হয়ে গেল। প্রমোদকুমার ফিরে এলেন। চারমাস ধরে তিনটে পুকুর কাটার কাজ করেছেন। মোট প্রাপ্তি ৪২০০ টাকা। ব্যাঙ্কে সেই টাকা আর আসে না। ৬০ টাকা খরচ করে টেম্পোতে চেপে যেতে হয়েছিল শহরের দপ্তরে। সেখানে কম্পিউটার দেখে বলা হল তোমার টাকা তো ব্যাঙ্ক ট্র্যান্সফার হয়েছে। এই তো দেখাচ্ছে! প্রমোদকুমার মহা বিপদে পড়লেন।
টাকা কোথায় গেল? একের পর এক গ্রামবাসীর টাকা উধাও। তারা সকলে মিলে সেই অফিসে আবার গেলেন। তারা এবার ভালো করে কম্পিউটার চেক করে বললেন, তোমাদের আগে যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল সেটা তো চেঞ্জ হয়েছে। এখানে নতুন এক অ্যাকাউন্ট দেখাচ্ছে। ওখানেই গেছে টাকা। প্রমোদকুমাররা জানেই না কোথায় নতুন অ্যাকাউন্ট! এক সহৃদয় ব্যাঙ্ককর্মী আবিষ্কার করলেন মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি পেমেন্ট ব্যাঙ্ক চালু করেছে। ওই যে ফোনে আধার নম্বর চাওয়া হল এবং প্রমোদকুমাররা গিয়ে লিংক করিয়ে এলেন, আসলে ওই আধার নম্বরের মাধ্যমে তাঁদের অজ্ঞাতেই তাঁদের নামে পেমেন্ট ব্যাঙ্ক ‌অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গিয়ে সেই অ্যাকাউন্টই শো করতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরে। আর সব টাকা সেখানে যাচ্ছে।
কিন্তু সেই ব্যাঙ্কের তো কোনও অবয়ব নেই। সবটাই অনলাইন। সেই মোবাইল কোম্পানির আউটলেটে গেলে তারা বলল,এখন ২১০০ টাকা দেওয়া যাবে। বাকি টাকা একমাস পর। প্রমোদকুমার তাই নিলেন। এবং একমাস পর গিয়ে তাঁকে দেওয়া হল ২০৫০ টাকা। ৫০ টাকা তখনও রয়ে গেল। গ্রাম থেকে প্রত্যেকবার এখানে আসতে তাঁর খরচ ৬০ থেকে ৭০ টাকা। খাওয়া আলাদা। সারাদিনের ধাক্কা। আর পরের মাসে যখন আনতে গিয়েছিলেন তখন তাঁকে বলা হল ওই ৫০ টাকা তো তোলা যাবে না! কেন? কারণ ১০০ টাকার কমে টাকা উইথড্র হয় না। সুতরাং ওই ৫০ টাকা পেতে প্রমোদকুমারদের আবার ১০০ দিনের কাজ করতে হবে। সেই টাকা আবার জমা পড়তে হবে। কবে পাওয়া যাবে ঠিক নেই। সীতাপুর জেলার বহু গ্রামেব বাসিন্দারা তাই ১০০ দিনের কাজে আর অ্যাপ্লাই করছে না। কারণ টাকা পাওয়ার ঠিক নেই।
সাধারণত এইসব গ্রামের মানুষের একাংশ চলে যান মুম্বইয়ে কাজের খোঁজে। যেমন জরিশিল্প। অথবা দিল্লি নয়ডা গুরুগ্রাম। কনস্ট্রাকশন সাইটে। আর অন্যরা গ্রামেই কৃষি বা ১০০ দিনের কাজে থেকে যান। এখন উভয় সঙ্কট। গ্রামে ১০০ দিনের কাজে টাকার নিশ্চয়তা নেই। কৃষিতে লাভ নেই। আবার শহরের রিয়াল এস্টেট স্তব্ধ। মুম্বইয়ের জরি শিল্প সঙ্কটে। সুরাতের টেক্সটাইল মিলে কাজ নেই। গোটা দেশের সমান্তরাল ইকনমি আসলে চালায় মাইগ্রেটেড লেবাররা। ওড়িশা দলে দলে যায় গুজরাত। বাংলা যায় গোটা দেশেই। আজও ভদোদরা গেলে দেখা যাবে সেখানে গণেশ চতুর্থীর প্রতিমা নির্মাণের কারিগর হিসাবে সবথেকে বড় চাহিদা যাঁকে ঘিরে, তাঁর নাম তপন মণ্ডল। আর সবথেকে বড় ধাক্কা এই আর্থিক মন্দায় খেয়েছে এই মাইগ্রেটেড লেবাররাই।
এই কাহিনীগুলি উল্লেখের কারণ হল জিডিপি বৃদ্ধির হার বিগত ৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হয়ে কত পার্সেন্ট হল অথবা ম্যানুফাকচারিং রেট ১ শতাংশের নীচে নেমে গেল এগুলো অবশ্যই সাংঘাতিক উদ্বেগজনক। কিন্তু নেহাত এসব দিয়ে অর্থনীতির সঙ্কট যে কতটা গভীরে তা বোঝা যাবে না। আর্থিক মন্দার অন্যতম প্রধান কারণ একদিকে গ্রামীণ অর্থনীতি প্রায় ডুবে যাচ্ছে ভারতে, আবার অন্যদিকে শহরাঞ্চলে কাজের সুযোগ কমছে। আর এই দুটির জন্যই দায়ী দুটি অবিমৃশ্যকারী সিদ্ধান্ত। নোটবাতিল এবং সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত জিএসটি। ২০১৮ সালে তামিলনাড়ু সরকার বিধানসভায় বিবৃতি দিয়ে বলেছে ওই রাজ্যে নোটবাতিলের ফলে ৫০ হাজার ক্ষুদ্র শিল্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সাড়ে ৬ লক্ষ মানুষ কর্মহীন হয়েছেন।
তাহলে গোটা দেশের চিত্রটা কেমন? নোটবাতিল আর জিএসটি সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল এই প্রচারে অনড় থেকে কেন্দ্রীয় সরকার এই দুটির যে কোনও বিরুদ্ধমতকেই অসত্য বলে পাল্টা আক্রমণ করে এসেছে বরাবর। কিন্তু তাহলে এখন কেন দফায় দফায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে শুধুই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য হাজারো আর্থিক প্যাকেজ দিতে হচ্ছে? কেনই বা জিএসটির রেট বারংবার পরিবর্তন করে,পূর্বঘোষিত তাবৎ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হচ্ছে? সুতরাং সরকারও পরোক্ষে স্বীকার করছে ওই সিদ্ধান্তগুলি ভুল ছিল। ডঃ মনমোহন সিং অথবা নরেন্দ্র মোদি—কোনও প্রধানমন্ত্রীই তো কখনও চাইবেন না যে দেশের অর্থনীতির সর্বনাশ হোক! তিনি তো চাইবেন যাতে অর্থনীতির উন্নতি হয়, কর্মসংস্থান বেড়ে যায়। যাতে তিনি মানুষের সমর্থন পান। আবার ভোটে জেতেন। এটা তো স্বাভাবিক।
তাহলে তাঁরা কারা, যাঁরা এসব সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে বলেছিল মোদি সরকারকে? তাঁরা কী উপকার করেছে এই সরকারের? নাকি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়ে শুধু দেশকে নয়, সরকারকেও বিপাকে ফেলেছে। তাঁদেরও কিন্তু চিহ্নিত করা দরকার। তাঁদের কী উদ্দেশ্য ছিল? এসবকে ছাপিয়ে যে প্রশ্নটা আরও বড় আকারে সামনে আসছে সেটি হল তাহলে এরপর কী? দুনিয়া জুড়ে অর্থনীতির সঙ্কট চলছে অনেকদিন হল। আমেরিকা, রাশিয়াতেও আর্থিক মন্দা। কিন্তু তাদের সুবিধা আছে। অস্ত্রবিক্রির ব্যবসা। অসংখ্য কর্পোরেট। আর তেল। এই তিনটি কর্পোরেশন ওই দুই দেশকে বাঁচিয়ে দেয়। যখনই আর্থিক মন্দা আসে তখনই এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অস্থিরতা তৈরি হয়। আর আমেরিকা রাশিয়াদের অস্ত্রবিক্রির চুক্তি বেড়ে যায়। ব্যালান্স হয়ে যায় তাদের। কিন্তু ভারত কী করবে?
লক্ষ করা যাচ্ছে সবরকম প্যাকেজ, সবরকম উদার অর্থনীতির সুযোগ ঘোষণা করা সত্ত্বেও অর্থনীতির বেহাল দশা থেকে মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না। কর্মীছাঁটাই হয়ে চলেছে, ক্রয়ক্ষমতা কমার ফলে পণ্য বিক্রি কমছে। মুদ্রার নিম্নমুখী প্রবণতা বিপজ্জনক। এ থেকে একটি প্রশ্ন বিশ্বজুড়ে তৈরি হচ্ছে। তাহলে কি অবশেষে ক্যাপিটালিজমের পথ এখানেই শেষ? নতুন কিছু উদ্ভাবনের আর ক্ষমতা নেই পুঁজিবাদের? প্রমাণিত হচ্ছে ক্যাপিটালিজম ব্যর্থ? সমাজতন্ত্রের পরীক্ষা তো আগেই ব্যর্থ। ক্যাপিটালিজম ব্যর্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা যাচ্ছে ডেমোক্রেসিও ক্রমেই কমছে। বাড়ছে ধনীদরিদ্র বৈষম্য। তাহলে কোনদিকে যাচ্ছে নতুন পৃথিবী? এরপর কী?
06th  September, 2019
পুজোর মুখে
শুভা দত্ত

পুজো আসছে। মাঝে আর মাত্র ক’টা দিন—তারপরই শুরু হয়ে যাবে দেবী দুর্গার আরাধনায় মত্ত বাঙালির উৎসব যাপন। আমাদের বিশ্বাস, সেই উৎসবের আনন্দ কোলাহলে আলোর বন্যায় জনস্রোতে ক’দিনের জন্য হলেও এনআরসি হোক কি যাদবপুর, কি সারদা নারদা রাজীব কুমার—সব তলিয়ে যাবে। চিহ্নমাত্র থাকবে না। এতদিন তাই হয়েছে—এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
বিশদ

এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ।
বিশদ

21st  September, 2019
সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
বিশদ

21st  September, 2019
আলোচনার অভিমুখ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দেখা যায় সম্রাটরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী প্রমাণ করার জন্য অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন হিসেবে নিজেদের প্রতিভাত করতেন। এর ফলে প্রজা শুধু সম্রাটকে যে মান্য করত তাই নয়, ভয়ও পেত, সমীহ করত। প্রাচীন মিশরে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে ফারাওরা নিজেদেরই ঈশ্বর হিসেবে ঘোষণা করতেন।
বিশদ

20th  September, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

20th  September, 2019
বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

19th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
একনজরে
 জম্মু, ২১ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাল পুলিস। গ্রেপ্তার করা হল জয়েশ-ই-মহম্মদের দুই সক্রিয় কর্মীকে। কিছুদিন আগেই ট্রাক নিয়ে পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর আসার পথে কাঠুয়ায় প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র সহ গ্রেপ্তার হয়েছিল তিন জঙ্গি। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত এক সপ্তাহ ধরে মহমেডান স্পোর্টিং মাঠের পরিচর্যা চলছে। কালো-সাদা ব্রিগেডের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর দীপেন্দু বিশ্বাসের উদ্যোগে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা এসে মাঠটির হাল ফেরানোর চেষ্টা করছেন। গত এক সপ্তাহর মধ্যে শনিবারই মহমেডান নিজেদের মাঠে অনুশীলন করল। ...

সংবাদদাতা, কালনা: কালনা থানার বাঘনাপাড়া এলাকায় শুক্রবার রাতে এক প্রৌঢ়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম কল্পনা দুর্লভ(৫০)। বাড়ি স্থানীয় দেউলপাড়া এলাকায়। শনিবার কালনা হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।  ...

 অভিমন্যু মাহাত, সোদপুর, বিএনএ: ১৫০ বছরের পুরনো আস্ত জমিদার বাড়িকেই তুলে ধরছে সোদপুরের উদয়ন সংঘ। এবার তাদের থিম ‘খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার’। থিম ড্রামা, থিম সং ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার— ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক
১৭৯১: ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের জন্ম
১৮৮৮: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত
১৯১৫ - নদিয়া পৌরসভার নামকরণ বদল করে করা হয় নবদ্বীপ পৌরসভা
১৯৩৯: প্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা জুনকো তাবেইয়ের জন্ম
১৯৬২ – নিউজিল্যাণ্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার মার্টিন ক্রোর জন্ম
১৯৬৫: শেষ হল ভারত-পাকি স্তান যুদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দু’দেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করল
১৯৭০: লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭৬: ব্রাজিলের প্রাক্তন ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
১৯৮০: ইরান আক্রমণ করল ইরাক
১৯৯৫: নাগারকোভিল স্কুলে বোমা ফেলল শ্রীলঙ্কার বায়ুসেনা। মৃত্যু হয় ৩৪টি শিশুর। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই তামিল
২০১১: ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, অষ্টমী ৩৫/৫৪ রাত্রি ৭/৫০। মৃগশিরা ১৫/৪৪ দিবা ১১/৪৬। সূ উ ৫/২৮/৪০, অ ৫/৩০/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৯ গতে ১/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।
৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, অষ্টমী ২৩/৭/৩২ দিবা ২/৪৩/৩১। মৃগশিরা ৬/৫২/৫৬ দিবা ৮/১৩/৪০, সূ উ ৫/২৮/৩০, অ ৫/৩২/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৯ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/০ গতে ১১/৩০/৩০ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩০/৩০ গতে ১/১/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/০ গতে ১১/৩০/৩০ মধ্যে।
 ২২ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহে বজ্রাঘাতে তিনজনের মৃত্যু
রবিবার দুপুরে মালদহের পরানপুর চুনাখালী মাঠে বাজ পড়ে তিনজনের মৃত্যু ...বিশদ

04:09:46 PM

রায়গঞ্জে ব্যাপক বৃষ্টি 

03:42:00 PM

মদ বিক্রির প্রতিবাদ করায় এক যুবককে ধারাল অস্ত্রের কোপ
পাড়ায় মদ বিক্রির প্রতিবাদ করায় এক যুবককে ধারাল অস্ত্র দিয়ে ...বিশদ

03:40:00 PM

রাজীব কুমারকে ফের নোটিস সিবিআইয়ের 

02:44:03 PM

অবশেষে নিভল পেট্রকেমের আগুন 
তিনদিন ধরে লাগাতার চেষ্টার পর রবিবার সকালে নিভল পেট্রকেমের আগুন। ...বিশদ

02:12:00 PM

দিল্লিতে অক্ষরধাম মন্দিরের কাছে পুলিসকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা 

02:08:00 PM