বিশেষ নিবন্ধ
 

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা: পূর্ব সাগরে সিঁদুরে মেঘ?

গৌরীশঙ্কর নাগ : অতি সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে, আমেরিকা তথা পশ্চিমি শক্তি-জোটের যে উদ্বেগ তা যেন মুহূর্তে কোরীয় দ্বীপপুঞ্জের ছবিটাই বদলে দিয়েছে। এর ফলে একদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যেমন ত্রস্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি মার্কিন তৎপরতাও লক্ষণীয় মাত্রায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া চ্যানেলের ছবিতে প্রকাশ পাচ্ছে, ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রশাসন সেনেটরদের ডেকে পরিস্থিতির ব্রিফিং দিয়েছে। আবার উত্তর কোরিয়াকে চাপে রাখতে আমেরিকা পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন সাবমেরিন ও বিখ্যাত রণতরি কার্ল ভিনসেনকে উত্তর কোরিয়ার দিকে যেতে নির্দেশ দিয়েছে, যা জাপানের নাগাসাকির উপকূল এলাকা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত কার্ল ভিনসেন হল সেই পরীক্ষিত রণতরি যা অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম, অপারেশন এনডিয়োরিং ফ্রিডম ইত্যাদি সামরিক অভিযানে আমেরিকা সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও সন্ত্রস্তভাবে পরিস্থিতির দিকে লক্ষ রাখছে, কারণ সামরিক উত্তেজনা যদি শেষ পর্যন্ত সামরিক বিরোধের পর্যায়ে উন্নীত হয় তবে তার প্রথম ঢেউ এসে পড়বে দক্ষিণ কোরিয়ার উপর। সামরিকভাবে তো বটেই, এমনকী মানবিক সংকট যেমন শরণার্থী সমস্যায় দক্ষিণ কোরিয়া নাজেহাল হতে পারে। উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও তথৈবচ। কারণ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সমস্যা একদিকে যেমন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিবাদজনিত স্থায়ী নিরাপত্তার সমস্যা, তেমনি তার সঙ্গে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো যুক্ত ছিল দুর্নীতির কালো মেঘ। আপাতভাবে গণতান্ত্রিক প্রকরণ থাকলেও সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছিল। প্রশাসনে এতটাই দুর্নীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছিলে যে, দুর্নীতিগ্রস্ত বরখাস্ত-হওয়া প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পার্ক গুয়েন হুইয়ের শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষ পথে নেমেছিল। সাংবিধানিক আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক একটি নামী বহুজাতিক কোম্পানি যেভাবে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে, তার রেশ যে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতিকে ভবিষ্যতে বেশ ভোগাবে, তা বলাই বাহুল্য।
কোরিয়ার সংকটের সঙ্গে যে আঞ্চলিক শক্তি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত তার নাম কমিউনিস্ট চীন। ফলে এই মুহূর্তে চীন কিন্তু চাপে পড়ে গিয়েছে। ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে ট্রাম্পের আমেরিকা। আমেরিকা চাইছে, চীন কিম উনকে বোঝাক যাতে পিয়ংইয়ং পারমাণবিক ও মিসাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে হাত গুটিয়ে নেয়। আমেরিকা এও আশঙ্কা করছে, উত্তর কোরিয়ার হাতে মারাত্মক বায়োলজিকাল ও রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। ফলে সামরিক দ্বৈরথের ক্ষেত্রে বীভৎসতা মাত্রা ছাড়াতে পারে। বিশেষত আশঙ্কার বড় কারণ হল উত্তর কোরিয়ার প্রতি চীনের প্রচ্ছন্ন সমর্থন। মুখে উত্তর কোরিয়াকে সতর্ক করলেও নতুন করে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও অনাস্থা আনা হোক বা অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করা হোক তা চীন চায় না। বরং চীনের অবস্থান স্পষ্ট। যদি আমেরিকা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া বন্ধ করে, তবে উত্তর কোরিয়াও সংযত হবে।
কিন্তু, চীনের এ জাতীয় কোনও প্রস্তাব মানতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয়। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উত্তর কোরিয়া হল দায়িত্বজ্ঞানহীন, জঙ্গি ও আগ্রাসী পারমাণবিক শক্তি। তাই রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে অবাধ্য উত্তর কোরিয়া বারংবার সামরিক অতি প্রস্তুতির মাধ্যমে আঞ্চলিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তাই এই আপদকে উচিত শিক্ষা দেবার সময় এসেছে। মার্কিন উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্স সম্প্রতি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে।
এখন দেখা যাক, আমেরিকার সামনে এই সংকটের মোকাবিলায় কী কী নীতিগত বিকল্প রয়েছে: ১) কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু বর্তমান উত্তপ্ত আবহে সেটা কতখানি ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া ২০১৭-র ট্রাম্প। মার্চে প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতি আপাতত স্থগিত রেখেছে। ফলে কূটনৈতিক আদানপ্রদানের রাস্তা ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাবে, তাতে সন্দেহ নেই।
২) আমেরিকা চাইবে রাষ্ট্রসংঘের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অবরোধকে জোরদার করা; সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। টিলারসন রাষ্ট্রসংঘকে সম্প্রতি এ কথা বোঝাতে চেয়েছেন যে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা না নিলে তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, ব্রিটেনসহ ইউরোপের অগ্রবর্তী শক্তিসমূহ আমেরিকার এই অবস্থানকে সমর্থন করেছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে সামরিক বল প্রয়োগের ক্ষেত্রে এরাও আমেরিকার সঙ্গী হতে পারে।
৩) আমেরিকা একসময় আর এক পরিকল্পনার কথাও বলেছিল যার উদ্দেশ্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক একনায়ক কিম উনকে সরিয়ে দেওয়া। তবে আমেরিকা এই বক্তব্য থেকে সরে এসেছে।
৪) চীনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে শায়েস্তা করা যায় কি না সেটাও আমেরিকাকে ভাবাচ্ছে। চাপের মুখে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে উত্তর কোরিয়া থেকে কয়লা আমদানি চীন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। কিন্তু বন্ধু রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনও বড় রকমের বিরোধিতার পথে চীন হাঁটবে কি না সন্দেহ আছে।
ফলে সবশেষে যে বিকল্প হাতে থাকে, তা হল সামরিক পদক্ষেপ। তবে সেটা কতটা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ উত্তর কোরিয়ার হাতে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র, আর সেই সঙ্গে ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ওয়াশিংটনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবেই। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়ায় রুষ্ট চীন ও রাশিয়া যদি উত্তর কোরিয়ার পাশে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে তো কথাই নেই। তাহলে সিরিয়া সংকটের মতো আমেরিকা নতুন সংকটে পড়তে বাধ্য। উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট যে তার মধ্যবর্তী পাল্লার মিসাইল পারমাণবিক সমরাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়াকে ইলেকট্রনিক সিগনালের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া যেভাবে বানচাল করতে চাইছে, তাতে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে উত্তর কোরিয়া সাইবার যুদ্ধে অপটু নয়। ফলে কেবল সামরিক প্যাঁচ কষে উত্তর কোরিয়াকে কাবু করা সহজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য। উপরন্তু দক্ষিণ কোরিয়ায় অতি সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী মুন জো বামপন্থী মনোভাবাপন্ন হওয়ায় তাঁকে হাতিয়ার করে উত্তর কোরিয়ার উপর নতুনভাবে চাপ সৃষ্টির ট্রাম্পীয় রণনীতি ততটা সফল হবে বলে মনে হয় না।
এ প্রসঙ্গে ভারতের গঠনমূলক শান্তি প্রচেষ্টার উদ্যোগের কথা এসে পড়ে। ১৯৫০-৫৩ কোরিয়া যুদ্ধের সময় সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে যে অস্থায়ী কমিশন গঠিত হয়, তার সভাপতির আসন লাভ করেন ভারতের কূটনৈতিক কে পি এস মেনন। মেনন এ ব্যাপারে বৃহৎ শক্তিবর্গকে ঐক্যবদ্ধ হবার আবেদন করেন। তাছাড়া নেহরুর ভারত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সেই যুদ্ধ মেটানোর প্রক্রিয়া চালু রাখে। এতে ভারতের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি রাষ্ট্রসংঘের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়। ভারতের এই দৃষ্টিভঙ্গি ঠান্ডা যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতেও বিদ্যমান। তাছাড়া ভারত নিজে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দৃঢ় সমর্থক। সুতরাং কোরিয়ার বর্তমান সংকট দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকট নয় বলেই ভারত সে ব্যাপারে নীরব/উদাসীন থাকবে—এ কথা বলা যায় না। চীন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্মরণ সিংয়ের মতে, এখনই যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে তাতে পূর্ব এশিয়ায় কোরীয় সংকট ঘনীভূত হলে তা যে ভারতের ‘পুবে তাকাও’ নীতি এবং ভারত-চীন সম্পর্ককে জর্জরিত করবে— তা বলাই বাহুল্য।
লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
18th  May, 2017
পবন চামলিং কি খুদে নওয়াজ শরিফ হতে চান!
হারাধন চৌধুরী

যত সমস্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে। কোন মমতা? যিনি পাহাড়ের সব শ্রেণির মানুষের সব ধরনের সমস্যা অন্তর থেকেই বোঝার চেষ্টা করেছেন এবং একে একে সেগুলির সমাধান করার জন্যও নিরলসভাবে নির্ভীকভাবে পরিশ্রম করে চলেছেন। আগামী আগস্টেই শেষ হচ্ছে ‘নির্বাচিত’ জিটিএ-র মেয়াদ। ভয়টা এখানেই। চোখে অন্ধকার দেখছেন বিমল ও তাঁর দরদি বন্ধুগণ। মমতার এই নীতি এই রীতি অক্ষুণ্ণ থাকলে জিটিএ-তেও বিমলদের দবদবা বজায় থাকবে তো!
বিশদ

27th  June, 2017
কাশ্মীর প্রসঙ্গ: নতুন ভাবনার খোঁজে
গৌরীশঙ্কর নাগ

 কিছুদিন হল ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সামরিক মেঘ সঞ্চার করেছে। পাকিস্তানের জেলে সর্বজিতের অকাল মৃত্যুর জের কাটতে না কাটতেই কূলভূষণ যাদবের ফাঁসি স্থগিত নিয়ে হারা-জেতার পারস্পরিক দড়ি টানাটানিতে ভারত-পাক সম্পর্ক আর আটকে নেই। বিশদ

27th  June, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

25th  June, 2017
রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা নিয়ে তা করে দিতে না পারায় পুলিশ মঙ্গলবার ...

নয়াদিল্লি, ২৭ জুন (পিটিআই): বিভিন্ন সমাজকল্যাণ মূলক পরিষেবা পেতে আধার কার্ড ব্যবহার বাধ্যতামূলক সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে কোনও অন্তর্বর্তী আদেশ দিতে অস্বীকার করল সুপ্রিম ...

 সুকান্ত বসু, কলকাতা: ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা ছাড়াই রাজ্যের সিংহভাগ মহকুমা দায়রা আদালতে চলছে ‘দি প্রোটেকশন অব চিল্ডড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যাক্ট, ২০১২’ বা ‘পকসো’ মামলার ...

নয়াদিল্লি, ২৭ জুন (পিটিআই): রাজ্যগুলি করের ভাগ ছাড়তে চায়নি বলেই পেট্রপণ্য ও পানীয়যোগ্য অ্যালকোহলকে জিএসটিভুক্ত করা হয়নি। এক অনুষ্ঠানে স্পষ্টভাষাতেই একথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। হিসেব করে চললে তেমন আর্থিক সমস্যায় পড়তে হবে না। ব্যাবসায় উন্নতি ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২১- ভারতের নবম প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের জন্ম
১৯৪০- নোবেলজয়ী বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুসের জন্ম
১৯৭২- বিজ্ঞানী ও পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬৫ টাকা ৬৫.৩৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৮ টাকা ৮৩.৪৬ টাকা
ইউরো ৭০.৯৭ টাকা ৭৩.৩৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ আষাঢ়, ২৮ জুন, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ৬/৩৩, মঘানক্ষত্র রাত্রি ৭/১৭, সূ উ ৪/৫৮/২৫, অ ৬/২০/৫৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯-১১/১২ পুনঃ ১/৫৩-৫/২৭ রাত্রি ৯/৫৩ পুনঃ ১২/১-১/২৬, বারবেলা ৮/১৯-৯/৫৯ পুনঃ ১১/৩৯-১/২০, কালরাত্রি ২/১৯-৩/৩৮।

১৩ আষাঢ়, ২৮ জুন, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ১১/১৩/১২, মঘানক্ষত্র রাত্রি ১২/১৬/৩৩, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/২২/২৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭/৩৫-১১/১২/৩, ১/৫৩/৪৪-৫/২৮/৪০ রাত্রি ৯/৫৩/৪৪, ১২/০/৩২-১/২৫/৪, বারবেলা ১১/৩৯/২৪-১/২০/৯, কালবেলা ৮/১৭/৫৩-৯/৫৮/৩৯, কালরাত্রি ২/১৭/৫৪-৩/৩৭/৯।
৩ শওয়াল

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
জিটিএ-র ২ প্রাক্তন সদস্য আটক, দার্জিলিং থানা ঘেরাও মোর্চার 
জিটিএ-র দুই প্রাক্তন সদস্যকে আটক করার জেরে ফের উত্তপ্ত পাহাড়। এদিন দার্জিলিং থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় মোর্চা। লোকসাং লামা ও আরবি ভূজল নামে জিটিএ-র দুই প্রাক্তন সদস্যর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে তারা। এছাড়া সকালে চকবাজারে শিশুদের দিয়ে একটি মিছিলও করা হয়। 

12:31:47 PM

বিকল লরি, এজেসি বসু রোড ফ্লাইওভারে যানজট 
কলকাতা পুরসভার একটি লরি বিকল হয়ে যাওয়ার জন্য এজেসি বসু রোড ফ্লাইওভারের পশ্চিম অভিমুখে ব্যাপক যানজট রয়েছে। 

12:08:03 PM

সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল 
কলকাতায় সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিলেন নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েল। এদিন সকালে সিবিআই দপ্তরে আসেন তিনি। ম্যাথু জানান, সিবিআই তাঁকে ডেকেছিল। তাই হাজিরা দিতে এসেছেন। একটি তোলাবাজির মামলায় তাঁকে এদিন ফের মুচিপাড়া থানায় যেতে হবে বলেও সিবিআইকে জানিয়েছেন তিনি। এদিনই পরে কলকাতা হাইকোর্টেও যাবেন তিনি। 

11:58:44 AM

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন মীরা কুমার 

11:27:52 AM

কুলটিতে বাসের ধাক্কায় বাইক চালকের মৃত্যু, পথ অবরোধ 

11:20:00 AM

দার্জিলিংয়ে রাতের অন্ধকারে জিটিএ-র ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে আগুন মোর্চার 

11:11:49 AM