বিশেষ নিবন্ধ
 

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা: পূর্ব সাগরে সিঁদুরে মেঘ?

গৌরীশঙ্কর নাগ : অতি সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে, আমেরিকা তথা পশ্চিমি শক্তি-জোটের যে উদ্বেগ তা যেন মুহূর্তে কোরীয় দ্বীপপুঞ্জের ছবিটাই বদলে দিয়েছে। এর ফলে একদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যেমন ত্রস্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি মার্কিন তৎপরতাও লক্ষণীয় মাত্রায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া চ্যানেলের ছবিতে প্রকাশ পাচ্ছে, ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রশাসন সেনেটরদের ডেকে পরিস্থিতির ব্রিফিং দিয়েছে। আবার উত্তর কোরিয়াকে চাপে রাখতে আমেরিকা পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন সাবমেরিন ও বিখ্যাত রণতরি কার্ল ভিনসেনকে উত্তর কোরিয়ার দিকে যেতে নির্দেশ দিয়েছে, যা জাপানের নাগাসাকির উপকূল এলাকা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রসঙ্গত কার্ল ভিনসেন হল সেই পরীক্ষিত রণতরি যা অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম, অপারেশন এনডিয়োরিং ফ্রিডম ইত্যাদি সামরিক অভিযানে আমেরিকা সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও সন্ত্রস্তভাবে পরিস্থিতির দিকে লক্ষ রাখছে, কারণ সামরিক উত্তেজনা যদি শেষ পর্যন্ত সামরিক বিরোধের পর্যায়ে উন্নীত হয় তবে তার প্রথম ঢেউ এসে পড়বে দক্ষিণ কোরিয়ার উপর। সামরিকভাবে তো বটেই, এমনকী মানবিক সংকট যেমন শরণার্থী সমস্যায় দক্ষিণ কোরিয়া নাজেহাল হতে পারে। উল্লেখ্য যে, দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থাও তথৈবচ। কারণ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান সমস্যা একদিকে যেমন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বিবাদজনিত স্থায়ী নিরাপত্তার সমস্যা, তেমনি তার সঙ্গে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো যুক্ত ছিল দুর্নীতির কালো মেঘ। আপাতভাবে গণতান্ত্রিক প্রকরণ থাকলেও সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়ারও চেষ্টা হচ্ছিল। প্রশাসনে এতটাই দুর্নীতির অনুপ্রবেশ ঘটেছিলে যে, দুর্নীতিগ্রস্ত বরখাস্ত-হওয়া প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পার্ক গুয়েন হুইয়ের শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষ পথে নেমেছিল। সাংবিধানিক আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক একটি নামী বহুজাতিক কোম্পানি যেভাবে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে, তার রেশ যে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতিকে ভবিষ্যতে বেশ ভোগাবে, তা বলাই বাহুল্য।
কোরিয়ার সংকটের সঙ্গে যে আঞ্চলিক শক্তি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত তার নাম কমিউনিস্ট চীন। ফলে এই মুহূর্তে চীন কিন্তু চাপে পড়ে গিয়েছে। ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে ট্রাম্পের আমেরিকা। আমেরিকা চাইছে, চীন কিম উনকে বোঝাক যাতে পিয়ংইয়ং পারমাণবিক ও মিসাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে হাত গুটিয়ে নেয়। আমেরিকা এও আশঙ্কা করছে, উত্তর কোরিয়ার হাতে মারাত্মক বায়োলজিকাল ও রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। ফলে সামরিক দ্বৈরথের ক্ষেত্রে বীভৎসতা মাত্রা ছাড়াতে পারে। বিশেষত আশঙ্কার বড় কারণ হল উত্তর কোরিয়ার প্রতি চীনের প্রচ্ছন্ন সমর্থন। মুখে উত্তর কোরিয়াকে সতর্ক করলেও নতুন করে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও অনাস্থা আনা হোক বা অর্থনৈতিক অবরোধ তৈরি করা হোক তা চীন চায় না। বরং চীনের অবস্থান স্পষ্ট। যদি আমেরিকা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া বন্ধ করে, তবে উত্তর কোরিয়াও সংযত হবে।
কিন্তু, চীনের এ জাতীয় কোনও প্রস্তাব মানতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয়। বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উত্তর কোরিয়া হল দায়িত্বজ্ঞানহীন, জঙ্গি ও আগ্রাসী পারমাণবিক শক্তি। তাই রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট দেখিয়ে অবাধ্য উত্তর কোরিয়া বারংবার সামরিক অতি প্রস্তুতির মাধ্যমে আঞ্চলিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তাই এই আপদকে উচিত শিক্ষা দেবার সময় এসেছে। মার্কিন উপ-রাষ্ট্রপতি মাইক পেন্স সম্প্রতি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে।
এখন দেখা যাক, আমেরিকার সামনে এই সংকটের মোকাবিলায় কী কী নীতিগত বিকল্প রয়েছে: ১) কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু বর্তমান উত্তপ্ত আবহে সেটা কতখানি ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া ২০১৭-র ট্রাম্প। মার্চে প্রশাসন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতি আপাতত স্থগিত রেখেছে। ফলে কূটনৈতিক আদানপ্রদানের রাস্তা ক্রমশ রুদ্ধ হয়ে যাবে, তাতে সন্দেহ নেই।
২) আমেরিকা চাইবে রাষ্ট্রসংঘের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অবরোধকে জোরদার করা; সেই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া। টিলারসন রাষ্ট্রসংঘকে সম্প্রতি এ কথা বোঝাতে চেয়েছেন যে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা না নিলে তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, ব্রিটেনসহ ইউরোপের অগ্রবর্তী শক্তিসমূহ আমেরিকার এই অবস্থানকে সমর্থন করেছে। ফলে নিকট ভবিষ্যতে সামরিক বল প্রয়োগের ক্ষেত্রে এরাও আমেরিকার সঙ্গী হতে পারে।
৩) আমেরিকা একসময় আর এক পরিকল্পনার কথাও বলেছিল যার উদ্দেশ্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক একনায়ক কিম উনকে সরিয়ে দেওয়া। তবে আমেরিকা এই বক্তব্য থেকে সরে এসেছে।
৪) চীনের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে শায়েস্তা করা যায় কি না সেটাও আমেরিকাকে ভাবাচ্ছে। চাপের মুখে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে উত্তর কোরিয়া থেকে কয়লা আমদানি চীন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। কিন্তু বন্ধু রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনও বড় রকমের বিরোধিতার পথে চীন হাঁটবে কি না সন্দেহ আছে।
ফলে সবশেষে যে বিকল্প হাতে থাকে, তা হল সামরিক পদক্ষেপ। তবে সেটা কতটা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ উত্তর কোরিয়ার হাতে রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র, আর সেই সঙ্গে ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ওয়াশিংটনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবেই। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়ায় রুষ্ট চীন ও রাশিয়া যদি উত্তর কোরিয়ার পাশে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে তো কথাই নেই। তাহলে সিরিয়া সংকটের মতো আমেরিকা নতুন সংকটে পড়তে বাধ্য। উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট যে তার মধ্যবর্তী পাল্লার মিসাইল পারমাণবিক সমরাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়াকে ইলেকট্রনিক সিগনালের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া যেভাবে বানচাল করতে চাইছে, তাতে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে উত্তর কোরিয়া সাইবার যুদ্ধে অপটু নয়। ফলে কেবল সামরিক প্যাঁচ কষে উত্তর কোরিয়াকে কাবু করা সহজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য। উপরন্তু দক্ষিণ কোরিয়ায় অতি সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী মুন জো বামপন্থী মনোভাবাপন্ন হওয়ায় তাঁকে হাতিয়ার করে উত্তর কোরিয়ার উপর নতুনভাবে চাপ সৃষ্টির ট্রাম্পীয় রণনীতি ততটা সফল হবে বলে মনে হয় না।
এ প্রসঙ্গে ভারতের গঠনমূলক শান্তি প্রচেষ্টার উদ্যোগের কথা এসে পড়ে। ১৯৫০-৫৩ কোরিয়া যুদ্ধের সময় সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রসংঘের উদ্যোগে যে অস্থায়ী কমিশন গঠিত হয়, তার সভাপতির আসন লাভ করেন ভারতের কূটনৈতিক কে পি এস মেনন। মেনন এ ব্যাপারে বৃহৎ শক্তিবর্গকে ঐক্যবদ্ধ হবার আবেদন করেন। তাছাড়া নেহরুর ভারত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সেই যুদ্ধ মেটানোর প্রক্রিয়া চালু রাখে। এতে ভারতের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি রাষ্ট্রসংঘের গুরুত্বও বৃদ্ধি পায়। ভারতের এই দৃষ্টিভঙ্গি ঠান্ডা যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতেও বিদ্যমান। তাছাড়া ভারত নিজে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের দৃঢ় সমর্থক। সুতরাং কোরিয়ার বর্তমান সংকট দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকট নয় বলেই ভারত সে ব্যাপারে নীরব/উদাসীন থাকবে—এ কথা বলা যায় না। চীন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্মরণ সিংয়ের মতে, এখনই যুদ্ধের সম্ভাবনা নেই। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, পরিস্থিতি যে দিকে গড়াচ্ছে তাতে পূর্ব এশিয়ায় কোরীয় সংকট ঘনীভূত হলে তা যে ভারতের ‘পুবে তাকাও’ নীতি এবং ভারত-চীন সম্পর্ককে জর্জরিত করবে— তা বলাই বাহুল্য।
লেখক সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
18th  May, 2017
রাজ্যের উদ্বেগজনক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্র এত উদাসীন কেন?
শুভা দত্ত

 ‘কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণ’ বলে একটা কথা একসময় খুব শোনা যেত। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে তো বটেই, তার পরে তাঁর পুত্র রাজীব গান্ধী বা তাঁর পরের প্রধানমন্ত্রীদের আমলেও এ রাজ্যে ওই ‘বিমাতৃসুলভ আচরণ’ নিয়ে রাজনৈতিক হইচই যথেষ্ট হয়েছে।
বিশদ

আহা, সেই নতুন ভারত ভয়মুক্ত হোক
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চতুর্থ ভাষণ বেশ মন দিয়েই শুনলাম। স্বচ্ছ ভারত, স্মার্ট সিটি, মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, জন ধন প্রকল্প, নমামি গঙ্গে, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, কংগ্রেস মুক্ত ভারত, কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোমর-কষা লড়াই ইত্যাদি ইত্যাদি প্রতিজ্ঞা ও স্বপ্নের জাল গত চারটি ভাষণে শোনানোর পর সেদিন তিনি ‘নিউ ইন্ডিয়া’ বা নতুন ভারত গড়ার কথা শোনালেন।
বিশদ

সফলতা বনাম সফলতা
অভিজিৎ তরফদার

 সংবাদপত্রের প্রথম পাতা আলো করে কোন ব্যক্তিরা শোভা পান? তাঁরা জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দেশের আইনও প্রণয়ন করেন। দুর্জনে বলে তাঁদের এক চতুর্থাংশ বা তারও বেশিজনের নামে ফৌজদারি মামলা আছে। খুন-ধর্ষণ-ডাকাতি ইত্যাদি ভয়ানক সব অভিযোগে তাঁরা অভিযুক্ত। কিন্তু আমরা, আম জনতা, তাঁদের ফুল্লবিকশিত মুখশোভা সংবাদপত্রে দেখতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বিশদ

19th  August, 2017
ভারত চীন যুদ্ধ হলে চীন পরাজিত হবে
প্রশান্ত দাস

 সারা ভারতজুড়ে এখন একটাই আলোচনা ঝড় তুলেছে—ডোকালাম নিয়ে চীন ভারতকে আক্রমণ করবে কি? চীন অনবরত ভারতকে চমকে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপত্র গ্যারিরস বলেছেন—কোনও দেশ যেন নিজেকে সর্বশক্তিমান না ভাবে। চীন এবং ভারত মুখোমুখি আলোচনায় বসে ব্যাপারটি মিটিয়ে নেয়।
বিশদ

19th  August, 2017
শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

18th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: শুক্রবার রাতে ১৬হাজার টাকার জালনোট সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল বড়ঞা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আসেব্বর শেখ। বড়ঞা থানার সাটিতাড়া গ্রামে তার বাড়ি। ...

 ধানবাদ, ১৯ আগস্ট (পিটিআই): ভাইপোর হাতে খুন হলেন রেনবো গ্রুপের চেয়ারম্যান ধীরেন রাওয়ানি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ধানবাদের কাছে ভোরা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধানবাদের বাসিন্দা রাওয়ানি মনসা পূজা উপলক্ষে ভোরায় পৈতৃক বাড়িতে গিয়েছিলেন। ...

 মুম্বই, ১৯ আগস্ট (পিটিআই): রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। ঋণগ্রহীতা সংস্থাগুলির থেকে সেই বকেয়া ঋণ আদায়ে নয়া আইন এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার নাম ‘ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাংকরাপ্সি কোড’ (আইবিসি)। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গের বন্যাবিধ্বস্ত জেলাগুলির কৃষকদের সাহায্য করতে ৫০০ কোটি টাকা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিচ্ছে রাজ্যের কৃষি দপ্তর। শনিবার এই কথা জানিয়েছেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের বন্যায় এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য এসেছে, তাতে দেখা ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তি বিলম্ব হবে। ব্যাবসা সংক্রান্ত কাজে যুক্ত হলে ফল শুভ হবে। উপার্জন একই থাকবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মশা দিবস
১৮২৮: ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন রাজা রামমোহন রায়
১৮৬৪: লেখক রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদির জন্ম
১৮৯৬: ফুটবলার গোষ্ঠ পালের জন্ম
১৯০৬: প্রথম ভারতীয় র্যাংেলার আনন্দমোহন বসুর মৃত্যু
১৯৪৪: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্ম
১৯৮৬: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মৃত্যু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ ভাদ্র, ২০ আগস্ট, রবিবার, চতুদর্শী রাত্রি ২/১০, পুষ্যানক্ষত্র অপঃ ৫/২২, সূ উ ৫/১৮/৫৪, অ ৬/১/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/৯-৯/৩৩ রাত্রি ৭/৩২-৯/২, বারবেলা ১০/৫-১/১৫, কালরাত্রি ১/৫-২/৩০।
৩ ভাদ্র, ২০ আগস্ট, রবিবার, চতুদর্শী রাত্রি ৫/৫১/৫৬, পুষ্যানক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৬/৪৩, সূ উ ৫/১৬/২৯, অ ৬/৩/৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৬/৩৬-৯/৩১/২ রাত্রি ৭/৩২/৫৬-৯/২/৪২, বারবেলা ১০/৩/৫৯-১১/৩৯/৪৯, কালবেলা ১১/৩৯/৪৯-১/১৫/৩৯, কালরাত্রি ১/৩/৫৯-২/২৮/৯।
 ২৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কালিম্পংয়ে সোশ্যাল ফরেস্ট বাংলো জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা 

12:11:00 AM

কালিম্পঙে আরও একটি বিস্ফোরণ: সূত্র 

12:06:34 AM

কালিম্পঙে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১ সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত‍্যু 

19-08-2017 - 11:43:11 PM

কালিম্পং থানায় বিস্ফোরণ, জখম ২ 
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বিস্ফোরণে কাঁপল পাহাড়। এদিন রাতে কালিম্পংয়ে বাদামতামের কাছে থানায় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় পুলিশের এক হোমগার্ড ও এক সিভিক ভলান্টিয়ার জখম হয়েছেন। 

19-08-2017 - 10:44:00 PM

ট্রেন দুর্ঘটনা: মৃত বেড়ে ২৩, জখম বহু

19-08-2017 - 09:33:00 PM

ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা রেলের 
উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুর। তিনি জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবার পিছু সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। গুরুতর জখমরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা করে। যাঁদের আঘাত অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর তাঁদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। 

19-08-2017 - 08:41:54 PM