বিশেষ নিবন্ধ
 

মন খারাপের গল্প ও উনিশে মে

সুব্রত চট্টোপাধ্যায়: মনে পড়ে গতবারের ‘উনিশে মে’তে ছিল ভোটগোনাপড়া। তাই বাংলা ভাষা দিবস-চর্চায় একটু ভাটাই ছিল বলতে হবে। গোনাপড়ার শেষে একটা সুযোগও মিলে গিয়েছিল। বলা গিয়েছিল—এমন দিনে এই উনিশে মে-তে, দাদা, জিতলেন যখন, ভাষার জন্য একটু সময় দেবেন। শিলচরে ১৯৬১-র এই ‘উনিশে’ বাঙালির অনেকটাই রক্ত ঝরেছিল। আজ সেই উনিশে মে। ৫৬-টা বছর কাটলে কী হবে। কটা ‘মন-খারাপ’-ও জমে গিয়েছে। শুনুন তাহলে।
প্রধানবাবুদের মন খারাপ:
পঞ্চায়েতে একটা বিজ্ঞপ্তি এলে প্রধানবাবুরা মুশকিলে পড়েন। হাতে ওটা নিয়ে কতবার নাড়াচাড়া হয়, মানেটা উদ্ধার হয় না। পাবলিক ঘরে ঢুকলে বলেন—বাইরে একটু দাঁড়ান। পরে ডেকে নেব। ততক্ষণে প্রধানবাবু এক মাস্টারবাবুকে ধরে ইংরেজি বিজ্ঞপ্তির মানেটা বুঝে নিলেন। মানেটা শুনে তো প্রধানবাবুর চোখ কপালে। ভাগ্যিস মাস্টারবাবুকে পাওয়া গিয়েছিল, না-হলে তো পাবলিককে উলটোটাই বোঝানো হয়ে যেত। দু-একটা বিজ্ঞপ্তি বাংলায় আসে না এমন নয়। আবার মাঝে মাঝে দুম করে ইংরেজিতে। প্রধানবাবুর মন খারাপ হয়ে যায়।
বাংলা ভাষাপ্রেমীদের মন খারাপ:
বাঙালির একটা ভাষাসংগীত নেই। রাজ্যসংগীতও নেই। নেই আরও অনেক কিছু। পাহাড়ে বাংলা ভাষণ নেই, পড়ুয়াদের বাংলায় আগ্রহ নেই, প্রবাসীদের বাংলা-চর্চা নেই ইত্যাদি কত ‘নেই’ আছে। একটা ভাষাগোষ্ঠীর আইডেন্টিটির জন্য সেই ভাষায় লেখা একটি বিশেষ সংগীত থাকতে পারে। সেই সংগীতের নাম হবে ভাষাস্মারক সংগীত বা জাতীয় ভাষা সংগীত। এই সংগীত গড়ে তুলবে ভাষাগোষ্ঠীর সংহতি। এছাড়া একটি রাজ্যের নিজস্ব ভাষায় লেখা একটি রাজ্য সংগীত থাকবে যা কর্ণাটকে আছে। এমন সংগীত রাজ্যের ভাষাগোষ্ঠীর তথা জনগোষ্ঠীর আত্মপরিচয়ের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। এবং, তাই এইরকম একটা সংগীত থাকা বাঞ্ছনীয়। দার্জিলিংটা কোথায়। এই বাংলায়। তবু সেখানে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিতান্তই কম। সেখানে বাংলা ভাষণ দুষ্প্রাপ্য। সেখানে ভাষণ ইংরেজি-নেপালি-হিন্দিতে। বাংলায় দাঁড়িয়ে বাংলায় কথা হবে না? তাই বলে অন্য ভাষাকে হিংসে করা নয়। কিন্তু বাংলা ভাষণ কি বাঞ্ছনীয় নয়? টাকাওয়ালা পরিবারের ছেলেমেয়েরা এখন বাংলায় আগ্রহ প্রকাশ করে না, ইংরেজি নিয়েই ব্যস্ত। বাংলা ক্লাসে ঘুমোয়, হাই তোলে। হাতে শুধু মুখস্থ করা যুক্তি—মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধ। এ যেন একটা কথার কথা। রবিঠাকুর রাগ করবেন—তাই বলা। আসলে বিদেশি দুগ্ধ খেয়েই বাঁচা হচ্ছে। শামসুর রহমানের দুঃখী বর্ণমালাটা কি দুঃখীই থেকে যাবে? আজ প্রবাসীদের মধ্যেও বাংলাচর্চা প্রায় বন্ধ। তাঁরা সেখানে গিয়েছেন যুবক বয়েসে চাকরি নিয়ে। তার আগ পর্যন্ত বাংলায় কেটেছে বাংলা নিয়ে। বাংলায় ভেসেছেন, ডুবেছেন, পথেঘাটে ড্যাং-কলুই খেলেছেন, মাঠে রাখালি করেছেন, লাঙলও ধরেছেন, অর্থাৎ পুরো বাঙালিয়ানা। সে বাঙালিয়ানা কোথায়। পুরোপুরি থাকাও সম্ভব নয়। রুটিরুজির প্রয়োজনে বিদেশে যাওয়া অপরাধের কিছু নয়। সেখানকার ভাষা চর্চার মধ্যেও অপরাধ নেই। বরং সেটা একটা ক্রেডিট। সুন্দরবনের নোনা মাটিতে যে ছেলেটি মানুষ, সে এখন আমেরিকায়। কম কথা এটা? কিন্তু রাতের খাওয়ার টেবিলে একটু বাংলা কথাটা হবে না? ওঁদের ছেলেমেয়েদের অবস্থাটা দেখেছেন? প্রথম থেকেই বিদেশে। অর্থাৎ বিদেশের মাটি বিদেশের জল। বিদেশের বায়ু বিদেশের ফল। মুখে বাংলাটা কোথায়? বাঙালি আইডেন্টিটি সেখানে হারিয়ে যাচ্ছে। তাই বলে ‘‘এ কোন সকাল/ রাতের চেয়েও অন্ধকার’’ এরকম হতাশার ইঙ্গিতও আমি দিচ্ছি না। ব্যতিক্রমী দু-একটা ঘটনাও আছে।
বাংলা শব্দর মন খারাপ:
কিন্তু আঞ্চলিক বাংলা শব্দ বা লোকশব্দ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই শব্দগুলোর মন খারাপ। শব্দগুলোর ব্যবহার একদম কমে গিয়েছে। সবাই এখন শহরমুখী। চাকরি নিয়ে গ্রাম ছেড়ে কোথায় না পাড়ি দিচ্ছে বাঙালি। গ্রামের শব্দ মুখে আনলে শহর যে গাঁইয়া বলবে। মুখে সবাই রপ্ত করছে শহুরে প্রমিত বাংলা। উচ্চারণভঙ্গিও পালটে যাচ্ছে। গোসাবা-বাসন্তীর মাঝি-মাল্লারা, সাগর-কাকদ্বীপের মুটে-মজুরেরা, নামখানার টিউকল মিস্ত্রিরাই শুধু লোকশব্দগুলো একটু একটু বয়ে বেড়াচ্ছে। খেতে-খামারে ছ্যামোত টানতে টানতে, কুমড়ো-তরমুজের বাগানে ভাটি কাটতে কাটতে মানুষ যেটুকু বলছে, ওইটুকুই। দু’দিন পরে তাও কোথায় উবে যাবে। মাতলার মাঝিরা মুখে মুখে কত শব্দ বলত, এখন তো ব্রিজের পর খেয়াও উঠে গিয়েছে, শব্দগুলো আর কানে আসে না। সেদিন গোসাবার বেলতলি, সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার গোরুহাটে গিয়ে দেখলাম—ওসব গোরুহাটায় এখন আর ব্যবসায়ীদের মুখে ঠারের ভাষা বা সাংকেতিক শব্দগুলো আর নেই। থাকলেও একদম কমে গিয়েছে। গোরু-ছাগল-ভেড়া-মোষের কারবারিরা ব্যাবসার প্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে আড়াল করে অনেক ঠারের ভাষা ব্যবহার করত। সত্তর-আশির দশকে এইসব শব্দ ওদের মুখে মুখে ফিরত। এই প্রতিবেদকের একটা ছোটখাট শব্দসংগ্রহও আছে। এগুলো কি ব্যাকডেটেড, বাসি, বেদামি হয়ে যাবে আজ। শব্দ মানেই তো একটা ভাষার সম্পদ। শব্দগুলোর তাই মন খারাপ। ওদের আজ অস্তিত্বের সংকট।
বাংলা ভাষার মন খারাপ:
বাংলা ভাষাটা এক মলাটের তলায় নেই, এক ভূগোলে নেই। এ ভাষা কিছুটা ওপার বাংলায়, কিছুটা এপার বাংলায়, কিছুটা ত্রিপুরা-শিলচরে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিহারে, ঝাড়খণ্ডে। ভূগোলের রকমফেরে ভাষারও রকমফের দাঁড়িয়ে যায়। প্রমিত ব্যাকরণ থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু ভিন্নতা বানান ইত্যাদিতে রয়েও গিয়েছে। ভাষা-সাফাইয়ের কাজটাও যিনি যেমনভাবে পারছেন করছেন। কটা বিশ্ববিদ্যালয়ের যা একটু ভূমিকা আছে। মাঝে মাঝে বা ফি বছর বাংলাভাষা নিয়ে আলোচনার জন্য, ভাষাটা কোথায় কেমন আছে জানতে একটা সমাবেশের ব্যবস্থা করা যায় না? এমন ব্যবস্থার কথা কোনওকালেই ভাবা হয়নি। এমন সমাবেশ আজ কলকাতায় হলে কাল হবে ঢাকায়, পরের বছর ত্রিপুরায় অথবা শিলচরে। সমাবেশটা এমনভাবে হতে পারে। অর্থাৎ একটা ভাষা-কংগ্রেস ফি বছর দরকার। এমনটা হলে বাংলাভাষার হেঁশেল, ঘর-সংসারটা অন্তত দেখা যায়। সংযোজন-সংশোধনের কাজটাও দারুণভাবে চলতে পারে। ভাষা-কংগ্রেসে বাধা কোথায়। নাকি ইগোর লড়াই বেধে যাবে? শেষমেশ ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গীয় বাংলা, ঢাকাই বাংলা, ত্রিপুরাই বাংলা, শিলচরি বাংলা গড়ে উঠবে না তো? বাংলা ভাষার তাই মন খারাপ।
19th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017
মমতা-সোনিয়া বৈঠক কি সিপিএমের চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

 শুভা দত্ত: কে বেশি বিজেপি বিরোধী? কে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ? হিন্দু-মুসলমান সৌহার্দ সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে কে বেশি তৎপর, আন্তরিক? এইসব নিয়ে এ রাজ্যে শাসক-বিরোধী তরজা বহুদিন ধরেই চলছে।
বিশদ

21st  May, 2017
  এত দেরি করলেন কেন পার্থবাবু?

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: কথায় বলে, বাঙালির ঝুঁটি ধরে না-ঝাঁকালে টনক নাকি নড়ে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একবার খুব বড় একটা ধন্যবাদ জানাই বাঙালির এই টনকটা নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিরকাল বিরোধীদের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে তার হিসাব চেয়ে এসেছে শাসকপক্ষ। এবার তার উলটো পথে হাঁটল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ রয়েছে টিএমসিপি’র হাতেই। তাদের পক্ষ থেকে চিঠি লেখা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ...

 বিএনএ, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার কুলিক ও শ্রীমতি নদীর নাব্যতাসহ নানা ধরণের সমস্যা মেটাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই কুলিক নদীর নাব্যতা হারানো, যত্রতত্র পারের মাটি কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। শ্রীমতি নদীর ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষক শিক্ষণের নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (এনসিটিই) এবার ইনটার্ন নিয়োগ করবে। এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে তারা। পড়ুয়া, গবেষক ও অন্যান্য বিভাগের বিশেষজ্ঞদের এই কাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে এনসিটিই। শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাঠ্যক্রম ...

 সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির ক্রীড়া সংগঠক তথা রাজনৈতিক নেতা পীযূষ বসু শুক্রবার প্রয়াত হলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। এদিন কিালে তিনি কলকাতার একটি নার্সিংহোমে মারা যান। পীযূষ বসুর মৃত্যুতে শিলিগুড়ির ক্রীড়া মহল গভীর শোক ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি শুভ। কর্মে সাফল্য। অবিবাহিতদের বিবাহের যোগ। প্রেমপরিণয়ে জটিলতা বৃদ্ধি।প্রতিকার: প্রবাহিত জলস্রোতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯, ২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০, ৩০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার, দ্বিতীয়া অপঃ ৫/৩২, মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৬/৭, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১০/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১-অস্তাবধি রাত্রি ৬/৫৩-৭/৩৬, পুনঃ ১১/১২-১/২১ পুনঃ ২/৪৭-উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ পুনঃ ১/১৩-২/৫২ পুনঃ ৪/৩২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩২ পুনঃ ৩/৩৬-উদয়াবধি।
১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার,দ্বিতীয়া রাত্রি ৮/৪৯/৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩১/১৬, সূ উ ৪/৫৫/২, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২/১৭-৬/১১/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/২৯-৭/৩৭/২৩, ১১/১১/৫২-১/২০/৩৩, ২/৪৬/২০-৪/৫৪/৫৬, বারবেলা ১/১২/৫৩-২/৫২/২৭, কালবেলা ৬/৩৪/৩৬, ৪/৩২/২২-৬/১১/৩৫, কালরাত্রি ৭/৩২/১, ৩/৫৪/৩০-৪/৫৪/৫৬।
৩০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছেন মোট ৬জন , তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর-৬৮৭

09:36:00 AM

মাধ্যমিকে দ্বিতীয়- মোজোম্মেল হক,প্রাপ্ত নম্বর-৬৮৯, স্কুল-বাঁকুড়া জেলা স্কুল, যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হুগলির রামনগর হাইস্কুলের ছাত্র অনির্বান খাঁড়া

09:27:48 AM

মাধ্যমিকে প্রথম- অন্বেষা পাইন,প্রাপ্ত নম্বর-৬৯০, স্কুল-বিবেকানন্দ শিক্ষায়াতন হাইস্কুল, বাঁকুড়া

09:22:53 AM

এবার সাফল্যের হার ৮৫.৬৫ শতাংশ, গতবারের তুললায় পাসের হার বেড়েছে ২.১৯%

09:18:00 AM

নদীয়ায় পাসের হার ৮২.৩০%

09:16:00 AM

কলকাতায় পাসের হার ৮৮.৯৩%

09:13:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি
অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। ...
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়
অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া ...