বিশেষ নিবন্ধ
 

পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ কাটাতে ‘নিট’ সংকটের দ্রুত সমাধান জরুরি

নিমাই দে: উদ্দেশ্যটা ছিল খুবই সহজ এবং এর মধ্যে আপাতভাবে জটিলতার তেমন নামগন্ধ ছিল না। সারা দেশজুড়ে সমমেধার চিকিৎসক তৈরি করতে পরীক্ষাটাও নেওয়া হবে সমমানের। অর্থাৎ প্রশ্নপত্র হবে একই, প্রবেশিকা পরীক্ষাও হবে একটাই। তার নামকরণ হল ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা সংক্ষেপে ‘নিট’। এর আরও একটি উল্লেখযোগ্য এবং চমকপ্রদ দিক হল, সারা দেশে ইংরেজিসহ নয় নয় করে দশটি ভাষায় প্রশ্নপত্র তৈরি হয়েছিল। উদ্দেশ্য, ভাষাগত দুর্বলতা এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে আড়ষ্ঠতা থেকে ছাত্রছাত্রীদের মুক্তি দেওয়া। তাই পশ্চিমবঙ্গে বাংলা মাধ্যমে পড়া হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী অনেকটাই আশার আলো দেখেছিলেন। কিন্তু সেই আপাত নিরীহ ব্যাপারটাই যে শেষমেশ তাঁদের কাছে বিভীষিকা হয়ে দাঁড়াবে, তা বোধহয় কেউ কল্পনাতেও আনতে পারেননি।
গত ৭ মে দেশজুড়ে নেওয়া হল মেডিকেলে ভরতির জন্য ওই তথাকথিত অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হতেই যে তথ্য মুহূর্তের মধ্যে চারদিক ছড়িয়ে পড়ল, তা হল, আদৌ অভিন্ন হয়নি ওই পরীক্ষা। প্রথমত, বাংলার ছাত্রছাত্রীদের মনে হয়েছে, প্রশ্নপত্র বেশ কঠিন হয়েছে। প্রশ্ন না হয় কারও কাছে কঠিন লাগতেই পারে। এ নিয়ে বড়জোড় বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু আরও যে অভিযোগটি উঠে এল, তা এর চেয়েও মারাত্মক। তা হল, বাংলা ভাষায় যে প্রশ্নপত্র হয়েছে, তা ইংরেজি ভাষায় হওয়া প্রশ্নপত্রের চেয়ে একেবারে আলাদা। বাংলা মাধ্যমের হাজার হাজার ছেলেমেয়ে শুধু অশেষ ভোগান্তি এবং উদ্বেগের মধ্যে যেমন পড়লেন, পাশাপাশি এটি নতুন বিতর্কেরও জন্ম দিল। প্রশ্ন উঠে গেল, ইংরেজি এবং হিন্দিসহ যেখানে মোট দশটি ভাষায় এবার প্রশ্নপত্র তৈরি হল, সেখানে বাংলার প্রশ্নই আলাদা হয়ে গেল কীভাবে? এ কি নিছক ভুল, নাকি এর মধ্যে সেই পুরানো বিভেদ সৃষ্টির ছকই কাজ করেছে? নিট এই প্রথম হল, এমনটা নয়। এর আগে ২০১৩ এবং ২০১৬ সালে নিট হয়েছিল, তবে এতগুলি ভাষায় নয়। ২০১৬ তে কিন্তু এই সর্বভারতীয় পরীক্ষার আয়োজক সিবিএসই বোর্ডের তুলনায় বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা খুব একটা ভালো ফল করতে পারেননি। কিন্তু তা হলেও সেবার প্রশ্ন ছিল একটাই, অভিন্ন। অথচ এবার ইংরেজির থেকে বাংলায় শুধু প্রশ্নই আলাদা করা হয়নি, প্রশ্নের প্যাটার্নও সম্পূর্ণ আলাদা হয়েছে বলে বহু ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন। মেডিকেলে ভরতি সংক্রান্ত পরীক্ষার প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত অনেক শিক্ষকও একই অভিযোগ করেছেন। তাঁরাও হতাশ এটা শুনে যে অনেক ছেলেমেয়ে ফিজিক্স ও কেমিস্ট্রিতে ৪৫টি করে প্রশ্নের মধ্যে আট-দশটির বেশি উত্তর দিতে পারেননি। বায়োলজির ৯০টি প্রশ্নের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতিটা ছিল কমবেশি একই। এক ছাত্র যেমন নিজের অভিজ্ঞতা শোনাতে গিয়ে বলেছিলেন, পরীক্ষা অভিন্ন হওয়ার কথা থাকলে কী হবে, এবার প্রশ্নও আলাদা ছিল, আলাদা ছিল প্রশ্নপত্রের ধরনও। সবচেয়ে বড় কথা প্রশ্নগুলির উত্তর বড় এবং সময়সাপেক্ষ। ফলে সীমিত সময়ের এই ধরনের পরীক্ষায় তাঁরা যথেষ্টই সমস্যায় পড়েছিলেন। ৭২০ নম্বরের মধ্যে বাংলা মাধ্যমের ছেলেদের অনেকেই বড়জোর ৩০০ নম্বরের উত্তর দিতে সমর্থ হন। সেখানে ইংরেজি মাধ্যমের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই হাসতে হাসতে ৪৫০ নম্বরের উত্তর দিয়েছেন। ফলে বহু অভিভাবকের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। সেই দিনটি থেকেই অনেকের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। কারণ, অনেকেই তাঁদের ছেলেমেয়েকে ভবিষ্যতে ডাক্তার হিসাবে গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন। তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন। ভালো ভালো কোচিং সেন্টারে পড়িয়ে লাখ লাখ টাকা খরচ করতেও দু’বার ভাবেননি। কিন্তু একটা বোর্ডের স্রেফ ‘দ্বিচারিতা’র জেরে এতদিনের পরিশ্রম বিফলে চলে যাবে, এটা কেউই মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। কিন্তু অভিভাবকদের করারই বা কী আছে? তাঁরা তো আর সংঘবদ্ধ নন। ফলে এ নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকলেও তা সেভাবে দানা বাঁধেনি। ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ধিকি ধিকি।
সুখের কথা একটাই। নিট-এ এই প্রশ্নপত্রের বিভ্রাট নিয়ে শোরগোল পড়তেই রাজ্য সরকার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। খোদ শিক্ষামন্ত্রী নবান্নে দাঁড়িয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন, কৌশলে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষেই এমনটা করা হয়েছে। এর পিছনে যে কেউ রয়েছে, এমন সম্ভাবনার কথাও তিনি সেদিন শুনিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন স্বীকার করেছিলেন, পরীক্ষার পর অসংখ্য ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবক-অভিভাবকা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ক্ষোভ এবং উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এমনকী অনেকে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকেও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। তিনি সেদিনই স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে দিল্লিতে চিঠি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সেইমতো রাজ্য সরকার সিবিএসই বোর্ডকে কড়া চিঠি পাঠিয়েও দিয়েছে। এই চিঠি পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফেই। কারণ, এ নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তা হল, পরীক্ষার্থীরা যেহেতু এখনও কোনও মেডিকেল কলেজে ভরতি হননি, তাই তাঁদের স্বার্থরক্ষায় চিঠি পাঠাবে কে, স্বাস্থ্য দপ্তর নাকি উচ্চশিক্ষা দপ্তর, এই প্রশ্নটা উঠেছিল। যদিও শেষমেশ স্বাস্থ্যসচিব আর এস শুক্লাই ওই কড়া চিঠিটি পাঠিয়েছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকও এই একই ইস্যুতে সিবিএসই বোর্ডের জবাবদিহি তলব করেছে। বিক্ষোভ যে শুধু এ রাজ্যেই সীমাবদ্ধ, তা কিন্তু নয়। গুজরাতেও একই ঘটনা ঘটছে।
এইরকম পরিস্থিতিতে সিবিএসই কী করবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। এমন একটি আপাত সহজবোধ্য কেলেঙ্কারির ঘটনায় তদন্ত করতে খুব বেশি সময় লাগারও কথা নয়। কারণ, পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের অনেকেই বলেছেন, এই পরীক্ষা আসলে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আয়োজক সংস্থার এক ধরনের চুক্তি। যা কি না নিয়মাবলীতেই রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী অভিন্ন পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্রই হওয়ার কথা। অথচ বাস্তবে হল ভিন্ন প্রশ্নপত্র। কেন? প্রশ্ন এবং উত্তর সবই এই ছোট্ট বিষয়টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। এর জন্য বিরাট তদন্ত কমিটি গঠন করে, মাসের পর মাস সময় নষ্ট করে এতগুলি ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের চরম দুশ্চিন্তায় রাখার কি কোনও যৌক্তিকতা আছে? অথচ তদন্তের যা গতিপ্রকৃতি, তাতে অনেকেই খুব একটা আশান্বিত হওয়ার মতো কিছু খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ, এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের জবাবদিহি তলব এবং রাজ্য সরকারের কড়া চিঠি ছাড়া এই কাণ্ডের আর কোনও অগ্রগতি নেই।
মেডিকেল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার যুক্তি ছিল, সারা দেশে একাধিক পরীক্ষার বদলে একটিমাত্র পরীক্ষা হলে দুর্নীতি এবং অনিয়মের অবসান ঘটবে। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনও ডাক্তারির মতো পেশার পবিত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষাকে স্বাগত জানিয়েছিল। অন্যদিকে, ডাক্তারির প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহে যে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল, এবার নিটে বসেছিলেন রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার্থী। সারা দেশে সংখ্যাটা ছিল ১১ লক্ষ ৩৫ হাজার ১০৪ জন। গত বছরের তুলনায় যা ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৫১০ জন বেশি। ২০১৬ সালে নিটে বসেছিলেন ৮ লক্ষ ২ হাজার ৫৯৪ জন। রা঩জ্যে ডাক্তারদের নিগ্রহ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ডাক্তারদের কাঠগড়ায় তোলা প্রভৃতি ঘটনা নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের যে ডাক্তার হওয়ার বাসনাকে বিন্দুমাত্র দমাতে পারেনি, তা উপরের পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়।
এরকম একটা প্রেক্ষাপটে অনেক আশা নিয়ে পরীক্ষায় বসা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে যে কোনও ধরনের বিশ্বাসভঙ্গের কাজই চরম অপরাধের শামিল। কারণ, সিবিএসই’র ওই ভুলই (ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত) হাজার হাজার মানুষকে চরম হতাশার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, এর পিছনে কারও হাত আছে। সেই হাত কার, তা তিনি খোলসা করেননি। কিন্তু পার্থবাবুর কথার মধ্যেই কেন্দ্র-রাজ্য দ্বন্দ্ব বা সংঘাতের সেই পুরানো ইঙ্গিত লুকিয়ে ছিল। হতে পারে এর পিছনেও হয়তো রাজনীতির খেলা আছে। থাকতে পারে রাজ্যকে বঞ্চনা করা বা রাজ্যের মেধাকে স্বীকৃতি না দেওয়ার কৌশল।
কিন্তু পিছনে যাই থাক না কেন, হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর মানসিক যন্ত্রণা ও উদ্বেগকে সম্মান দিয়ে এই কেলেঙ্কারির রহস্য দ্রুত উন্মোচন হোক, এটাই সবার একমাত্র কামনা। এবং তা হোক রাজনীতির বাইরে থেকেই।
19th  May, 2017
রাজ্যের উদ্বেগজনক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্র এত উদাসীন কেন?
শুভা দত্ত

 ‘কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণ’ বলে একটা কথা একসময় খুব শোনা যেত। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে তো বটেই, তার পরে তাঁর পুত্র রাজীব গান্ধী বা তাঁর পরের প্রধানমন্ত্রীদের আমলেও এ রাজ্যে ওই ‘বিমাতৃসুলভ আচরণ’ নিয়ে রাজনৈতিক হইচই যথেষ্ট হয়েছে।
বিশদ

আহা, সেই নতুন ভারত ভয়মুক্ত হোক
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চতুর্থ ভাষণ বেশ মন দিয়েই শুনলাম। স্বচ্ছ ভারত, স্মার্ট সিটি, মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, জন ধন প্রকল্প, নমামি গঙ্গে, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, কংগ্রেস মুক্ত ভারত, কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোমর-কষা লড়াই ইত্যাদি ইত্যাদি প্রতিজ্ঞা ও স্বপ্নের জাল গত চারটি ভাষণে শোনানোর পর সেদিন তিনি ‘নিউ ইন্ডিয়া’ বা নতুন ভারত গড়ার কথা শোনালেন।
বিশদ

সফলতা বনাম সফলতা
অভিজিৎ তরফদার

 সংবাদপত্রের প্রথম পাতা আলো করে কোন ব্যক্তিরা শোভা পান? তাঁরা জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দেশের আইনও প্রণয়ন করেন। দুর্জনে বলে তাঁদের এক চতুর্থাংশ বা তারও বেশিজনের নামে ফৌজদারি মামলা আছে। খুন-ধর্ষণ-ডাকাতি ইত্যাদি ভয়ানক সব অভিযোগে তাঁরা অভিযুক্ত। কিন্তু আমরা, আম জনতা, তাঁদের ফুল্লবিকশিত মুখশোভা সংবাদপত্রে দেখতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বিশদ

19th  August, 2017
ভারত চীন যুদ্ধ হলে চীন পরাজিত হবে
প্রশান্ত দাস

 সারা ভারতজুড়ে এখন একটাই আলোচনা ঝড় তুলেছে—ডোকালাম নিয়ে চীন ভারতকে আক্রমণ করবে কি? চীন অনবরত ভারতকে চমকে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপত্র গ্যারিরস বলেছেন—কোনও দেশ যেন নিজেকে সর্বশক্তিমান না ভাবে। চীন এবং ভারত মুখোমুখি আলোচনায় বসে ব্যাপারটি মিটিয়ে নেয়।
বিশদ

19th  August, 2017
শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

18th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: শুক্রবার রাতে ১৬হাজার টাকার জালনোট সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল বড়ঞা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আসেব্বর শেখ। বড়ঞা থানার সাটিতাড়া গ্রামে তার বাড়ি। ...

ডাম্বুলা, ১৯ আগস্ট: হোয়াইটওয়াশের নেশায় বুঁদ হয়ে আছেন বিরাট কোহলিরা। টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে ৩-০ ব্যবধানে চুরমার করার পর দারুণ চনমনে ‘টিম ইন্ডিয়া’। এক দিনের ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে রাস্তার ধারের পুকুরে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল সুকুমার ধর (৭৫) নামে এক প্রৌঢ়ের। শনিবার সকালে চন্দননগরের পালপাড়া সংলগ্ন একটি পুকুরে তাঁর মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় মানুষ পুলিশকে খবর দেয়। তারা এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: প্রতারণা চক্রের জালে পড়ে শুক্রবার বিকালে শামুকতলা থানার ব্রজেরকুঠি গ্রামের এক যুবক প্রতারিত হলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবক তরুণকান্তি দাস ওই চক্রের দেওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিয়ে প্রতারিত হন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তি বিলম্ব হবে। ব্যাবসা সংক্রান্ত কাজে যুক্ত হলে ফল শুভ হবে। উপার্জন একই থাকবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মশা দিবস
১৮২৮: ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন রাজা রামমোহন রায়
১৮৬৪: লেখক রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদির জন্ম
১৮৯৬: ফুটবলার গোষ্ঠ পালের জন্ম
১৯০৬: প্রথম ভারতীয় র্যাংেলার আনন্দমোহন বসুর মৃত্যু
১৯৪৪: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্ম
১৯৮৬: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মৃত্যু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ ভাদ্র, ২০ আগস্ট, রবিবার, চতুদর্শী রাত্রি ২/১০, পুষ্যানক্ষত্র অপঃ ৫/২২, সূ উ ৫/১৮/৫৪, অ ৬/১/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/৯-৯/৩৩ রাত্রি ৭/৩২-৯/২, বারবেলা ১০/৫-১/১৫, কালরাত্রি ১/৫-২/৩০।
৩ ভাদ্র, ২০ আগস্ট, রবিবার, চতুদর্শী রাত্রি ৫/৫১/৫৬, পুষ্যানক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৬/৪৩, সূ উ ৫/১৬/২৯, অ ৬/৩/৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৬/৩৬-৯/৩১/২ রাত্রি ৭/৩২/৫৬-৯/২/৪২, বারবেলা ১০/৩/৫৯-১১/৩৯/৪৯, কালবেলা ১১/৩৯/৪৯-১/১৫/৩৯, কালরাত্রি ১/৩/৫৯-২/২৮/৯।
 ২৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কালিম্পংয়ে সোশ্যাল ফরেস্ট বাংলো জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা 

12:11:00 AM

কালিম্পঙে আরও একটি বিস্ফোরণ: সূত্র 

12:06:34 AM

কালিম্পঙে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১ সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত‍্যু 

19-08-2017 - 11:43:11 PM

কালিম্পং থানায় বিস্ফোরণ, জখম ২ 
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বিস্ফোরণে কাঁপল পাহাড়। এদিন রাতে কালিম্পংয়ে বাদামতামের কাছে থানায় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় পুলিশের এক হোমগার্ড ও এক সিভিক ভলান্টিয়ার জখম হয়েছেন। 

19-08-2017 - 10:44:00 PM

ট্রেন দুর্ঘটনা: মৃত বেড়ে ২৩, জখম বহু

19-08-2017 - 09:33:00 PM

ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা রেলের 
উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুর। তিনি জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবার পিছু সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। গুরুতর জখমরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা করে। যাঁদের আঘাত অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর তাঁদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। 

19-08-2017 - 08:41:54 PM