বিশেষ নিবন্ধ
 

বিজ্ঞান, প্রযুক্তির অগ্রগতির যুগেই এত কুসংস্কার! বড় ভয়ংকর লাগে এই বৈপরীত্যের সহবাস

শাঁওলী মিত্র: আজকের এই সমাজের দিকে চেয়ে দেখি আর আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। আজ তো আমার সে ছেলেবেলাকে স্বপ্নরাজ্য বলে বোধ হবে। সদ্য স্বাধীন দেশে অন্য ধর্মের প্রতি এত বিশ্বাসহীনতা ছিল না তো। বরং কম্যুনাল হওয়াকে কেউ ভালো চোখে দেখত না। সেদিন আমরা সেই কসমোপলিটন পাড়ায় হিন্দু বাঙালি, হিন্দু পাঞ্জাবি, সিন্ধি, বোরি মুসলমান, বাঙালি মুসলমান, পার্শি, বাঙালি ক্রিশ্চান, মাদ্রাজি ক্রিশ্চান— সবরকম জাত-ধর্ম-ভাষা-সংস্কৃতি নিয়ে আমাদের পাড়া। পারস্পরিক কোনও বিদ্বেষ ছিল না।
আমার জন্মের আগেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। নতুন দু-টুকরো দেশ, পূর্বে ও পশ্চিমে, ধর্মের অধিকারে মানচিত্রে স্থান পেয়েছে। সেই লড়াইয়ের নমুনা দেখেছে ইতিহাস। কলকাতায় ঘটে গিয়েছে দুর্ভাগ্যজনক দাঙ্গা। গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং। সেই সময়ে রাস্তায় পড়ে-থাকা অগণিত বীভৎস লাশের গল্প শুনেছি বাবা-কাকাদের মুখে। সে তো এক মর্মান্তিক ঘটনা। তারপরে দেশবিভাগ, দাঙ্গা এবং পাড়ায় পাড়ায় ‘রিফিউজি’ আগমন।
কিন্তু তার দু-এক বছরের মধ্যেই তো আমরা মিলেমিশে থাকতে শিখে গিয়েছি। এমনই তো মনুষ্যজাতির স্বভাব! মিলেমিশে থাকাতেই তার শান্তি। কিছু বছর বাদে অকস্মাৎ দুই ধর্মের মধ্যে পুনরায় বৈরিতা! আবারও কলকাতায় দাঙ্গা, তখন আমার বছর পনেরো বয়স। সাধারণ মানুষ দায়ী ছিলেন না এতে।
অকস্মাৎ কেন এ বৈরিতা? সত্যিই কি শত্রুতা ছিল? না, তা কোনও অজানিত কারণে তৈরি হয়ে উঠত? আজকে আমরা যাদের এই ভয়ানক খেলায় মাততে দেখতে পাচ্ছি তাদেরই পূর্বসূরিরা কি রাজনৈতিক কারণে মেতে ওঠেননি এই একই খেলায়? স্বাধীনতার আগে কিংবা পরে? কিংবা হাল আমলে?
ধর্মের জিগির তুলে মানুষকে খেপিয়ে তোলা রাজনৈতিক ব্যবসায়ীদের বরাবরের দস্তুর। মানুষকে অন্তর থেকে শুদ্ধ করে ‘মানুষ’ গড়ে তুলতে অনেক সময় লাগে। নেতাদের হাতে সে সময়, সেই ধৈর্য কই? তার চেয়ে তো অনেক সহজ ধর্মের আফিমে চুবিয়ে সাধারণ মানুষের মনকে অন্ধ বিশ্বাসে ডুবিয়ে রাখা। তাতে ডান-বাম সব রাজনীতির খেলোয়াড়দের সুবিধা।
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে এবং আরও বেশ কিছু দেশে মহম্মদের রক্ষকরা তাঁর বাণীর বিরুদ্ধে গিয়ে পৃথিবী কাঁপিয়ে তুলছে থেকে থেকে। আর, আমরা ‘হিন্দুত্ব’র জিগির তুলে তরোয়াল-নৃত্য করছি। রাম মন্দিরের ধুয়ো তুলছি। রাম মিথ্‌ না ইতিহাস— সে-সম্পর্কে নিশ্চিত নন বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। আর রাম যদি সুবুদ্ধিসম্পন্ন রাজা থেকে থাকেন তাহলে তাঁকে ঘিরে এত হিংসা কেন?
স্কুলের শিশুদের শতবার রামনাম লিখে পাঠারম্ভের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কোথাও। আবার অন্য ধর্মেও সেই একই প্রকারে বিষিয়ে তোলা হচ্ছে শিশুদের মন। এতে কুসংস্কারের শিক্ষা হয়, মানবধর্মকে মর্যাদা দেওয়া হয় না। অথচ সেই ধর্মের মর্যাদা তো সকলের উপরে। কোনও এককালে আমাদের বাঙালি কবি বড় এক সত্য কথা বলেছিলেন,
‘শুন হে মানুষ ভাই
সবার উপরে মানুষ সত্য
তাহার উপরে নাই।’
সে কি মানি আমরা? বরং তার অপব্যাখ্যা করি।
আমাদের আশ্চর্য লাগে ভাবতে দেশবিভাগে সায় ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী সকল দলগুলোর। দেশের কথা তারা ভাবেনি। কাশ্মীর নিয়ে যেমন সুষ্ঠু বিচার হয়নি, তেমনি চীন-ভারত সীমানা নির্বাচনে অবহেলার ফলে অন্য দেশকে তার সুযোগ নিতে দিচ্ছি আমরা। দেশের পক্ষে ভয়ানক এই অবস্থান। আমাদের দেশকে কেন্দ্র করে যা ঘটে চলেছে পর পর, আমরা তো বুঝতে পারছি, এগুলো কোনও ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলার জট পাকিয়ে তুলছি আমরা এমন করেই। বাইরের বিপদের মোকাবিলা করব কেমন করে?
আগুন নিয়ে এই ভয়াবহ খেলা কি অকস্মাৎ শুরু হল? নাকি অনেকদিন ধরে তার প্রেক্ষিত তৈরি হয়েছিল? আর তা মূলত রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাব কষেই। রবীন্দ্রনাথের অনেক চিঠি-পত্রে, নিবন্ধে, গল্পে, উপন্যাসের বর্ণনায় মুসলমানদের প্রতি হিন্দুদের অশ্রদ্ধা প্রকাশের কথা আমরা জানি। তা উচ্ছেদ করবার পন্থা আমরা গ্রহণ করিনি। এবং রাজনীতির খেলায় ধর্মকে হাতিয়ার করেছি। বারবার ইতিহাস সে ঘটনা ঘটতে দেখেছে। বড় সহজ এই পন্থা ব্যবহৃত হয়েছে সে ব্রিটিশের বিরুদ্ধেই হোক আর স্বাধীন দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই হোক। অব্যাহত সে খেলা।
রবীন্দ্রনাথ বারবার বলেছেন ভারতবর্ষ যদি আমাদের দেশ হয়, তাহলে তার মধ্যে মুসলমানও আছে। এত জোর দিয়ে কেন বলতে হয়েছিল তাঁকে একথা? নিশ্চয়ই তিনি মানবাত্মার অবমাননা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। আর তা যে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না তা তো সাল-তারিখ মেলালেই বুঝতে পারা যায়। গো-রক্ষকদের তো জানা আছেই হিন্দুধর্মে পাঁঠাবলি মোষবলি কত বছরের ট্র্যাডিশন।
সাধারণ মনে বিদ্বেষ ও হিংসার বাতাবরণ তৈরির বহু উদাহরণ ইতিহাস জানিয়েছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তা না পেলে ব্রিটিশের পক্ষে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং ঘটিয়ে, নোয়াখালিতে অত বড় দাঙ্গা বাধিয়ে দেশবিভাগের পথ সুগম করে তোলা হল।
এই পারস্পরিক হিংসা রোধ করবার জন্য মহাত্মা গান্ধীর ভূমিকা আমরা জানি। আর এও জানি সর্বধর্মের মানুষের সুসম্পর্কের কথা বলবার জন্য বৃদ্ধকে দাম দিতে হয়েছিল নিজের প্রাণটি দিয়ে। স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক গুলি করে হত্যা করেছিল তাঁকে। ব্রিটিশ শক্তি নয়।
অথচ গত দু-দশকে যখন থেকে ক্রমে এই বিভাজন নীতি প্রদর্শিত হতে শুরু করল তখন কি এই ধর্মের বিভেদ ঘটাতে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাধরেরাই সচেষ্ট হননি? নীরবে এমন সব ধর্মীয় কার্যকলাপকে সহায়তা দেননি সেই বামপন্থী জোটসরকার? ‘বিখ্যাত রথযাত্রা’ রুখেছিলেন কি এঁরা কেউ? সমস্ত ধর্মীয় উৎসবের রমরমা বাড়তে বাড়তে চরমে পৌঁছাল ‘বাবরি মসজিদ’ ঘটনার পরে! এই পশ্চিমবঙ্গে! তার আগে রাস্তায় রাস্তায় শনিপুজো, গণেশপুজোর কথা তো মনে পড়ে না।
স্বাধীনতার পরে ভারতবর্ষ তার সংবিধানে সমস্ত ধর্মের ও জাতির সমানাধিকারের কথা বলেছিল। মৌলবাদীরাও এর বিরোধিতা করতে সাহস করেননি। কারণ, সাধারণ মানুষের এতে সায় ছিল। এখন ধীরে ধীরে সেই সাধারণ মানুষের সহজ বুদ্ধিকে ঘুলিয়ে দেওয়ার প্রয়াস পেতে দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে।
বহু সাধারণ মানুষ যাঁদের মধ্যে মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি কখনও বিরূপতা প্রকাশ পেতে দেখিনি হিন্দু করসেবকরা মসজিদ ভাঙার পরে যা অকস্মাৎ প্রকট হয়ে উঠল। হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়! দায় গিয়ে পড়ল অন্য সম্প্রদায়ের ওপরে।
ইতিহাসে কখনও কখনও অন্ধকার সময় নেমে আসে যখন ‘হাঁচি’, ‘টিকটিকি’, ‘কালো বেড়াল’—ইত্যাদির প্রকোপে সাধারণ বুদ্ধি হ্রাস পেতে থাকে। আজ বৈজ্ঞানিক অভিযান, প্রযুক্তির উন্নতির অভাবিত সুবিধার পাশাপাশি শিক্ষিত মধ্যবিত্তরাও নানা কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। এই বৈপরীত্যের সহবাস বড় ভয়ংকর লাগে।
আমরা নিজেরা যদি এত অন্ধ হয়ে পড়ি তাহলে আমাদের বাঁচাবে কে? আমাদের নিজেদের কি একটু থিতু হয়ে নিজেদের বিচার করবার প্রয়োজন নেই?
20th  May, 2017
নদী তুমি কার

বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত করে দেয়। অবশ্য দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা পাবার আগে ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে ভারতবর্ষের নেতৃত্ব যখন আলোচনা আরম্ভ করেন তখনই ভারতবর্ষ দ্বিখণ্ডিত হলে প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে জলবণ্টনের নীতি কীভাবে স্থিরীকৃত হবে সে ব্যাপারে কয়েকজন আলোচনাকারী উত্থাপন করলেও, দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা লাভ করার দুরন্ত আশা তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছিল।
বিশদ

চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে

কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে হেরে প্রমাণ করল ক্রিকেট বিশ্বে ভারত কতটা বন্ধুহীন। যেসব দেশকে ভারত হাতে করে জাতে তুলেছে তারাও ভারতের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
বিশদ

ভুলে যাওয়ার রাজনীতি

 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব সুবিধা হয় আমাদের বোকা বানাতে। এই তো মার্চ মাসে সংগীতশিল্পী কালিকাপ্রসাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বাংলা সংগীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতির জন্য যথার্থ শোকজ্ঞাপন করা হয়েছিল।
বিশদ

26th  May, 2017
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি

অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। কয়েকটা রেললাইনের পরে সারি সারি ওয়াগনের পাশে শান্টিং করছে একটা ডিজেল ইঞ্জিন। এই স্টেশনটা আমি বা আমার মতো অনেকেই হয়তো আগে চোখে দেখিনি।
বিশদ

25th  May, 2017
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়

অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া যাবে। এই ভাবনা এখন সবথেকে বেশি চর্চিত। কিন্তু এটা মাথায় রাখতে হবে যুদ্ধ কখনওই কাম্য নয়। যুদ্ধ কোনও দেশই চায় না। সবচেয়ে বড় কথা, আমার মনে হয় যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান বা আমরা কেউই তেমন তৈরি নয়।
বিশদ

25th  May, 2017
লোকসভার ভোট যখনই হোক এবার
মমতাই হবেন মোদির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

হিমাংশু সিংহ : অধীরবাবুরা এতদিন রাজনীতি করছেন, এত দীর্ঘ সময় সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এখনও কংগ্রেস নেতৃত্বের মেজাজটাই বুঝতে পারেন না। গত বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে সিপিএমের সঙ্গে জোট করে, খুলে আম বুদ্ধদেববাবুর সঙ্গে মালাবদল করে কংগ্রেসের কোন লাভটা হয়েছে? 
বিশদ

24th  May, 2017
মমতা-সোনিয়া বৈঠক কি সিপিএমের চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে?

 শুভা দত্ত: কে বেশি বিজেপি বিরোধী? কে বেশি ধর্মনিরপেক্ষ? হিন্দু-মুসলমান সৌহার্দ সম্প্রীতি রক্ষার ব্যাপারে কে বেশি তৎপর, আন্তরিক? এইসব নিয়ে এ রাজ্যে শাসক-বিরোধী তরজা বহুদিন ধরেই চলছে।
বিশদ

21st  May, 2017
  এত দেরি করলেন কেন পার্থবাবু?

 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: কথায় বলে, বাঙালির ঝুঁটি ধরে না-ঝাঁকালে টনক নাকি নড়ে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও একবার খুব বড় একটা ধন্যবাদ জানাই বাঙালির এই টনকটা নাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
 বিএনএ, তমলুক: লালবাজার অভিযানে দলের নেতা-কর্মীদের উপর লাঠি চালানোর প্রতিবাদে শুক্রবার বিকালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন বিকালে তমলুকের হলদিয়া-মেচেদা ...

 বিএনএ, রায়গঞ্জ: উত্তর দিনাজপুর জেলার কুলিক ও শ্রীমতি নদীর নাব্যতাসহ নানা ধরণের সমস্যা মেটাতে দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠন আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই কুলিক নদীর নাব্যতা হারানো, যত্রতত্র পারের মাটি কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। শ্রীমতি নদীর ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিরকাল বিরোধীদের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে তার হিসাব চেয়ে এসেছে শাসকপক্ষ। এবার তার উলটো পথে হাঁটল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ রয়েছে টিএমসিপি’র হাতেই। তাদের পক্ষ থেকে চিঠি লেখা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিক্ষক শিক্ষণের নিয়ামক সংস্থা ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (এনসিটিই) এবার ইনটার্ন নিয়োগ করবে। এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে তারা। পড়ুয়া, গবেষক ও অন্যান্য বিভাগের বিশেষজ্ঞদের এই কাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে এনসিটিই। শিক্ষক প্রশিক্ষণের পাঠ্যক্রম ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি শুভ। কর্মে সাফল্য। অবিবাহিতদের বিবাহের যোগ। প্রেমপরিণয়ে জটিলতা বৃদ্ধি।প্রতিকার: প্রবাহিত জলস্রোতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯, ২৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০, ৩০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার, দ্বিতীয়া অপঃ ৫/৩২, মৃগশিরানক্ষত্র অপঃ ৬/৭, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১০/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১-অস্তাবধি রাত্রি ৬/৫৩-৭/৩৬, পুনঃ ১১/১২-১/২১ পুনঃ ২/৪৭-উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৩৬ পুনঃ ১/১৩-২/৫২ পুনঃ ৪/৩২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/৩২ পুনঃ ৩/৩৬-উদয়াবধি।
১২ জ্যৈষ্ঠ, ২৭ মে, শনিবার,দ্বিতীয়া রাত্রি ৮/৪৯/৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩১/১৬, সূ উ ৪/৫৫/২, অ ৬/১১/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৩/৩২/১৭-৬/১১/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/২৯-৭/৩৭/২৩, ১১/১১/৫২-১/২০/৩৩, ২/৪৬/২০-৪/৫৪/৫৬, বারবেলা ১/১২/৫৩-২/৫২/২৭, কালবেলা ৬/৩৪/৩৬, ৪/৩২/২২-৬/১১/৩৫, কালরাত্রি ৭/৩২/১, ৩/৫৪/৩০-৪/৫৪/৫৬।
৩০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছেন মোট ৬জন , তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর-৬৮৭

09:36:00 AM

মাধ্যমিকে দ্বিতীয়- মোজোম্মেল হক,প্রাপ্ত নম্বর-৬৮৯, স্কুল-বাঁকুড়া জেলা স্কুল, যুগ্মভাবে দ্বিতীয় হুগলির রামনগর হাইস্কুলের ছাত্র অনির্বান খাঁড়া

09:27:48 AM

মাধ্যমিকে প্রথম- অন্বেষা পাইন,প্রাপ্ত নম্বর-৬৯০, স্কুল-বিবেকানন্দ শিক্ষায়াতন হাইস্কুল, বাঁকুড়া

09:22:53 AM

এবার সাফল্যের হার ৮৫.৬৫ শতাংশ, গতবারের তুললায় পাসের হার বেড়েছে ২.১৯%

09:18:00 AM

নদীয়ায় পাসের হার ৮২.৩০%

09:16:00 AM

কলকাতায় পাসের হার ৮৮.৯৩%

09:13:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...
রোমান্টিক বিপ্লবের ৫০ বছর নকশালবাড়ি
অভিজিৎ দাশগুপ্ত: আগে কোনওদিন এই স্টেশনটা আমি দেখিনি। শহরের রাস্তা থেকে সরাসরি উঠে গিয়েছে ওভারব্রিজ। ...
 ভারতীয় সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যায়
অরুণ রায়: পাকিস্তান আমাদের সৈন্যকে মেরেছে। তাই যুদ্ধ চাই। যুদ্ধ করেই পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া ...