বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলাভাষাকে অবমাননা করে আর থাকা যাবে না বাংলায়
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

ঢাকায়, শিলচরে বাংলাভাষার জন্য যতই রক্ত ঝরুক না কেন, এ বঙ্গের বাঙালি সমাজের অনেকের মনে বাংলাভাষার প্রতি অন্তর-উৎসারিত ভালোবাসা সত্যিই কি তৈরি হয়েছে? আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই যে, এ প্রশ্নের উত্তর নঞর্থক হবে! ভালোবাসা তো দূরের কথা, আমরা অনেকেই বাংলাভাষাকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক হীনম্মন্যতায় ভুগি। ইংরেজিতে লেখার প্রয়োজন নেই, বাংলায় লিখলেই হয়, এমন ক্ষেত্রেও আমরা ইংরেজিতে লিখে থাকি। বাসে ইংরেজিতে চিঠি লেখার রেডিমেড বই ফেরি হতে দেখেছি। কাজ চালানোর মতো বাংলা যাদের জানা, তারাও চিঠিচাপাটি লিখতে হলে চেনা-জানা লোক ধরে। ব্যাংকে তো হামেশাই নজরে পড়ে, উইথড্রলস্লিপ পূরণ করার জন্য বাংলা অল্পবিস্তর লিখতে পড়তে জানা লোকও ইংরেজিতে লেখানোর জন্য একে-তাকে ধরে, কাকুতিমিনতি করে। কলকাতার দত্তবাগান থেকে হুগলির দশঘড়ায় ডাকে বা ক্যুরিয়ারে চিঠি পাঠাতে হলে আমরা কেউই প্রায় বাংলায় ঠিকানা লিখি না। পোস্ট অফিসে বা ক্যুরিয়ারে বাঙালি-অবাঙালি যে-ই কাজ করুক না কেন, বাংলাভাষা তার তো জানা জরুরি, নিদেনপক্ষে পড়তে লিখতে পারা চাই!
বাংলা মাধ্যমের অধিকাংশ স্কুলই এখন ছাত্রস্বল্পতায় ভুগছে। কোথাও কোথাও ‘দোয়াত আছে কালি নাই’-এর মতো স্কুল আছে ছাত্র নাই। মাস্টারমশায় দিদিমণিরা না পড়িয়ে বিনা মেহনতে পঞ্চাশ-ষাট হাজার টাকা মাসমাইনে নিয়ে যাচ্ছেন। এখন ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত শুধু নয়, নিম্নবিত্ত পরিবার থেকেও ভিড় করছে। বাবা-মা’রা পুলকিত মনে বিগলিত হয়ে সগর্বে সানন্দে ঘোষণা করে, তাদের ছেলেমেয়েদের বাংলা সেভাবে আসে না। কেউ কেউ আরও স্পষ্ট করে বলে, না, বাংলা তারা জানে না।
একথা শুনে কারও কারও নিশ্চিতভাবে মনে হতে পারে, সত্যিই ওরা দুর্ভাগা, উপেন্দ্রকিশোর-সুকুমার-অবনঠাকুর না পড়েই শৈশব-বাল্য ফুরিয়ে অকালেই কেমন বুড়িয়ে গেল। জাগে এখন ফলপাকড় নয়, ছেলেমেয়েরাও পাকছে। এ বঙ্গে যেসব বঙ্গসন্তান বাংলা না-জানার গর্বে গর্বিত, পড়াশোনা করে সাহেবি স্কুলে, সেসব হবু সাহেবদের পাশাপাশি যারা করেকম্মে খেতে এসে বছরের পর বছর এখানে রয়ে গিয়েও ছেলেমেয়েদের বাংলা শেখানোর তাগিদ অনুভব করেনি—এই দু’ধরনের মানুষজনের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যথার্থ এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। বাংলায় থাকলে বাংলা জানতে হবে। কম্পালসারি সাবজেক্ট বা এডিশনাল—যেভাবেই হোক বাংলা রাখতে হবে পাঠক্রমে। বাংলা ছিটেফোঁটাও না জেনে আর এ রাজ্যে পড়াশোনা করা যাবে না। বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বাধ্যতামূলক। মুখ্যমন্ত্রী জরুরি কথাটি খুব স্পষ্ট করে, দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন। এমনটি তো অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
পাহাড়কে যারা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে ভাবতে, সাইনবোর্ডে ঠিকানায় মিরিক-গোর্খাল্যান্ড বা কালিম্পং-গোর্খাল্যান্ড লিখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তারা বাংলা পড়তে হবে শুনে যতই তর্জনগর্জন করুক না কেন, তাদের কাছে মাথা নত করার কোনও বাস্তব কারণ নেই। বাড়তি সম্ভ্রম দেখালে দড়িও যে সাপ হয়ে যায়, তা তো সেই ঘিসিং-জমানা থেকেই আমরা দেখে আসছি।
মাতৃভাষার প্রতি অন্য রাজ্যের মানুষ যে শ্রদ্ধা-সম্মান দেখায়, আমরা বাঙালিরা তা দেখাই না। আমাদের দেখে অন্য রাজ্য থেকে এরাজ্যে বসবাস করতে আসা প্রবাসী মানুষজন যদি বাংলাভাষাকে তুচ্ছ-অপাঙ্‌঩ক্তেয়, এমনকী হাবেভাবে ঘৃণা-প্রদর্শন করে, তা তেমন দোষের নয়, বরং এমনই তো স্বাভাবিক। মাতৃভাষা নিয়ে যে আবেগ ও স্পর্শকাতরতা প্রত্যাশিত, তা অমাদের আছে কি? নব প্রজন্মকে সাহেব-মেম বানানোর জন্য আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। নিঃস্ব-রিক্ত হয়েও এ চেষ্টা চলতে থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। মুখ্যমন্ত্রী যা ভেবেছেন, তা যদি বাস্তবায়িত হয়, বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বাধ্যতামূলক হলে অন্তত বাংলাভাষাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার প্রবণতা খানিক কমবে। বাধ্য হয়েই বাংলা পড়বে। বাংলায় থেকে বাংলা ‘জানি না, বুঝি না’ বুক বাজিয়ে সদর্পে আর বলতে পারবে না। অল্পবয়েসিরা এখন ঠিকঠাক করে বাংলা বলতেও ভুলে গিয়েছে। অকারণে অপ্রয়োজনে ইংরেজি শব্দের ব্যবহার চলে যথেচ্ছ, শুধু শব্দ-ব্যবহার নয়, প্রায়শই বাক্যের ভগ্নাংশ ইংরেজিতে বলা হয়। এমনভাবে কথা বলতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে তরুণ প্রজন্ম। টিভিতেও এভাবে ন্যাকামি সহযোগে কথা বলা হয় নানা অনুষ্ঠানে, বিশেষত সিনেমার লোকজন যখন সাক্ষাৎকার দেন বা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। তাদের এই ‘বাংরেজি’র দেদার অনুকরণ চলে।
বৃহত্তর তরুণ সমাজ এমনভাবে কথা বলাকেই এখন স্বাভাবিক ভাবে। বাংলাভাষা কতখানি মাধুর্যময়, তা তাদের আর জানা হয় না। এই না-জানার আড়ালে অভিভাবককুলেরও ভূমিকা রয়েছে। অভিভাবককুলের ভুলভাল চিন্তায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠার পিছনে সমাজ-আবহাওয়াও অনেকাংশে দায়ী। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়লে, ইংরেজি জানলে বড়সড়ো চাকরি, বিস্তর উপার্জন—এসব অর্থহীন ভাবনা মনে এখন শেকড় ছড়িয়েছে। ফলে দিনে দিনে বাংলা ভাষার প্রতি অনাদর-উপেক্ষা বেড়েই চলেছে। বাংলা জানি না, ইংরেজি জানি—এই অর্ধসত্যটিকে অহরহ জাহির করা হচ্ছে। বাঙালিয়ানা কোথায় লোপাট হয়েছে! সেই বেচারা বা বেচারিকে কে বোঝাবে, বাংলা তো নয়ই, ইংরেজিও তার ঠিকঠাক জানা হয়নি। মায়ের ভাষাকে যদি উপেক্ষা করে, অপাঙ্‌ক্তেয় ভাবে, তাহলে যে অন্য কোনও ভাষাই শেখা যায় না, এই চরম সত্যটি অনেকেই বুঝতে চায় না। ভাষার প্রতি ভালোবাসা না জাগ্রত হওয়ায় সুস্থ সংস্কৃতিভাবনাও বিকশিত হয় না। সবই কেমন এলোমেলো হয়ে এখন ঘেঁটে গিয়েছে। নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির বিস্মরণ কতখানি আত্মঘাতী, নানা প্রেক্ষাপটে প্রমাণিত সত্য। তাই ঘরে বাইরে বাংলা ভাষার যে অবমাননা, তা বন্ধ হোক। ‘আমরি বাংলা ভাষা’-র প্রতি ভালোবাসা জাগুক। দায়ে পড়ে পরীক্ষা-বৈতরণি পেরনোর জন্য পড়া নয়, ভালোবেসে পড়ার বাতাবরণ তৈরি হলে বাংলা ভাষার মাধুর্য ও সৌন্দর্য সহজে অনুভব করা যাবে। বাংলাভাষার যে মহার্ঘ সাহিত্যভাণ্ডার, তার আস্বাদনও সম্ভব হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষে সব স্কুলে বাংলা পড়ানো হবে। সর্বভারতীয় বোর্ড পাঠ্যসূচিতে বাংলা রাখবে না, সেটাই স্বাভাবিক, বাংলা অন্তর্ভুক্তির দায়িত্ব স্কুলকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে স্কুল-কর্তৃপক্ষই পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। মানে, কোনও অজুহাতই খাটবে না। বাংলা না পড়িয়ে, বাংলা সংস্কৃতিকে গোল্লায় পাঠিয়ে যেসব স্কুল মুনাফা লুঠছে, তাদের রাশ টানার পাশাপাশি বাংলাভাষার প্রতি তাদের যে ঘৃণ্য মনোভাব, তাও পালটাতে চাইছে সরকার। প্রাদেশিক ভাষাকে অবহেলা-অবমাননা করার শিক্ষা শিক্ষালয় থেকে, গৃহপরিবেশ থেকে অন্য কোনও রাজ্যে শিক্ষার্থী পায় না। ব্যতিক্রম বোধহয় আমাদের রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গেও প্রাদেশিক ভাষা পড়তে হবে—নিঃসন্দেহে জরুরি সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
ইংরেজি পড়ুক, অন্য ভাষাও পড়ুক, বাংলাভাষাকে অবহেলায় দূরে সরিয়ে কোনও ভাষার পাঠই সফল হতে পারে না। বাংলাভাষাও গুরুত্ব পাক বঙ্গসন্তানের পাঠ্যসূচিতে। বঙ্গভাষী নয়, যারা বঙ্গবাসী, তারাও বাংলাভাষাকে জানুক, যথোচিত মর্যাদা ও সম্মান দিতে শিখুক। ত্রিভাষা রীতির পরিকল্পনা স্বপ্ন-বুদ্‌বুদের মতো হারিয়ে না গিয়ে দ্রুত রূপায়িত হোক। পথেঘাটে, কাজেকর্মে, সরকারিস্তরে—পঞ্চায়েত-পৌরসভা থেকে নবান্ন, সর্বত্রই আরও বেশি করে কি বাংলা ভাষা ব্যবহার করা যায় না?
নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা, চোখে-মুখে যাদের স্বপ্ন-প্রলেপ, তারা বাংলায় বাংলার গান গেয়ে উঠুক, বলুক, ‘আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই...।’ দেখুক, একবার নয়, বারবার
বাংলার মুখ।
 লেখক শিশুসাহিত্যিক ও শিশুসাহিত্যের গবেষক
17th  June, 2017
২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার
মেরুনীল দাশগুপ্ত

কিন্তু, একজন ব্যক্তিকে অবলম্বন করে এমন সহজ অঙ্কে তৃণমূল ভাঙার খোয়াব যাঁরা দেখছেন তাঁরা পা দুটো বাস্তবের মাটিতে ঠেকালেই বুঝবেন—অঙ্কটা চট করে মেলার সম্ভাবনা একরকম নেই। কারণ, তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল—তৃণমূল ভাঙতে হলে তো মমতাকে ভাঙতে হয়—তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার! রাজনীতিতে বাঘ-বাহাদুরের অভাব কোনও কালেই ছিল না, একালেও নেই। তবে তাদের অধিকাংশই নিজেদের শেষপর্যন্ত মুখসর্বস্ব প্রমাণ করে গেছেন, আজও তার বিশেষ অন্যথা হয় না।
বিশদ

12th  October, 2017
‘গ্রাম্য সড়কে’ রাজ্য অর্ধেক ব্যয় বহন করেও বামেদের চেয়ে দ্বিগুণ সফল
দেবনারায়ণ সরকার

তৃণমূল সরকারের প্রথম ৪ বছরে (২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় পশ্চিমবঙ্গে মোট ৭৪৩৬.৪১ কিলোমিটার গ্রাম্য সড়ক তৈরি হয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০০০ অর্থবর্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা শুরু হবার পরে ২০০১-০২ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত এই প্রকল্পের সমস্ত ব্যয়ভার (১০০ শতাংশ) বহন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা সত্ত্বেও তৃণমূল সরকার প্রথম ৪ বছরে গড়ে প্রতি বছরে ১৮৫৯ কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা তৈরি করেছে।
বিশদ

12th  October, 2017
মমতার অন্তর্ভুক্তিকরণ রাজনীতি ও উন্নয়নেই মুকুলের ঝরে পড়ার আশঙ্কা
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

শারদ উৎসব পর্বে মুকুল রায়ের দলত্যাগের ঘোষণা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘটনা আপাতত স্থিতিশীল রাজ্য রাজনীতিতে সামান্য পরিমাণে হলেও যে ঢেউ তুলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। রাজনৈতিক মহলে তো বটেই, অনেক সাধারণ মানুষের মনেও মুকুল রায়ের দলত্যাগে দলে এবং রাজ্য রাজনীতিতে আদপেও কোনও প্রভাব পড়ে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিশদ

10th  October, 2017
একনজরে
বিএনএ, মেদিনীপুর: বুধবার মেদিনীপুরে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ঝাড়গ্রাম জেলার উন্নয়নমূলক কাজকর্মের পর্যালোচনায় বৈঠক ডাকা হয়। নতুন জেলার উন্নয়নে গতি আনতে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকের মাথায় পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসককে বসিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...

 নয়াদিল্লি, ১৮ অক্টোবর (পিটিআই): হিমাচল প্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৬৮টি আসনেই বুধবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বিজেপি। তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেমকুমার ধুমল ও রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি সতপাল সিং সাত্তির। ...

 বাংলা নিউজ এজেন্সি: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্প আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রতি স্বীকৃতি পেয়েছে। এরপর রাজ্য জুড়ে বহু পুজো কমিটি কন্যাশ্রীকে থিম করে চমক দিয়েছে। এবার দীপাবলী ও ভ্রাতৃদ্বিতীয়ায় স্পেশাল মিষ্টি হিসাবে কোচবিহারের বাজারে এসেছে ‘কন্যাশ্রী অনন্যা’ সন্দেশ। ...

 পেশোয়ার, ১৮ অক্টোবর (পিটিআই): মারা পড়ল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার খলিফা উমর মনসুর। ২০১৪ সালে পেশোয়ারের স্কুলে ভয়াবহ হামলার মূল চক্রী ছিল এই তালিবান কমান্ডার। ওই ঘটনায় মোট ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গবেষণামূলক কাজে সাফল্য লাভ। কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভের ইঙ্গিত। বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হবার সম্ভাবনা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫০: কোরিয়ার যুদ্ধে যোগ দিল গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্রসংঘের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযানে অংশ নিতে ইয়ালু নদী পার হল চীনের এক হাজার সেনা।
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওল জন্মগ্রহণ করেন
২০০৫: মানবতা বিরোধী অপরাধে সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হল বাগদাদে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৯২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ঘ ১২/৪২, নক্ষত্র-হস্তা, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৫/২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। সন্ধ্যা ঘ ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৬ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।

দীপান্বিতা কালীপুজো
 
১ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ১১/৫১/১০, নক্ষত্র-হস্তানক্ষত্র রাত্রি ৭/৪৪/৩৯, সূ উ ৫/৩৮/২, অ ৫/৪/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৯/৩, ১/১৫/৫৯-২/৪৭/৩৪, রাত্রি ৫/৫৫/১০-৯/১৫/৫৯, ১১/৪৬/৩৬-৩/৭/২৫, ৩/৫৭/৩৮-৫/৩৮/৩৩, বারবেলা ৩/৩৯/৬-৫/৪/৫৮, কালবেলা ২/১৩/১৪-৩/৩৯/৬, কালরাত্রি ১১/২১/৩০-১২/৫৫/৩৮।

দীপান্বিতা কালীপুজো
২৮ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হন্ডুরাসকে হারিয়ে শেষ আটে ব্রাজিল
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:58:14 PM

  পূর্ব মেদিনীপুরে ছুরি মেরে সোনা লুঠ
আজ সন্ধ্যায় খদ্দের সেজে এসে দোকানদারকে ছুরি ...বিশদ

18-10-2017 - 09:57:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ৩ হন্ডুরাস: ০ (৫৫ মিনিট )
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:20:52 PM

  অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (৪৩ মিনিট)
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:55 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (প্রথমার্ধ )

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ১ হন্ডুরাস: ০ (১১ মিনিট)

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:17:43 PM

নাইজেরকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ঘানা

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ নভি মুম্বইয়ে ডঃডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 07:04:08 PM