বিশেষ নিবন্ধ
 

গোমাতার পর জিএসটি: কি চাইছে মোদি সরকার
শুভা দত্ত

ক্ষমতায় আসার আগে নরেন্দ্র মোদি রাজনৈতিক প্রচার সভায় যেসব কথা বলেছিলেন, যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—তাতে দেশের আমজনতার মনে হয়েছিল, দেশে একটি বড় পরিবর্তন আসছে এবং সেই পরিবর্তনে গরিব মধ্যবিত্ত মানুষের ভালো হবে। নানান দুর্নীতিতে দিশেহারা আর্থিক সংস্কার কর্মসূচি রূপায়ণে দ্বিধান্বিত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ মনমোহন সরকারের ওপর তখন দেশের মানুষ আস্থা অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছেন, বিশেষত মূল্যবৃদ্ধির দাপটে জেরবার গরিব মধ্যবিত্ত কংগ্রেসের বিকল্প খুঁজতে তখন একরকম মরিয়া। বাম-অবাম মেশানো জগাখিচুড়ি তৃতীয় জোটের মধ্যে তেমন কোনও সম্ভাবনা খুঁজে পাচ্ছিলেন না দেশের মানুষ। ঠিক সেই সময় স্বচ্ছ ভারত, দুর্নীতিমুক্ত ভারতের শ্লোগান তুলে একেবারে হইহই রব তুলে দিয়েছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘুষ দুর্নীতির ব্যাপারে তাঁর সাফ জবাব ‘খাব না খেতেও দেব না’ তখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। মোদিজির বলিষ্ঠ নাটকীয় কন্ঠের ভাষণে স্বচ্ছ ভারত, একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তির ভারতের স্বপ্নে একটু একটু করে আচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে দেশ আর দেশের মানুষ তাঁর মধ্যে দেখতে শুরু করেছেন কংগ্রেসের যোগ্য বিকল্প। তারই পরিণতিতে ২০১৪ সালের ভোটে গেরুয়া ঝড় এবং দ্বিতীয়বারের জন্য দিল্লিতে মোদিজির নয়া বিজেপি-র নেতৃত্বে এনডিএ-র নতুন সরকারের পত্তনও হয়ে গেল বিপুল সংখ্যার গরিষ্ঠতায়। কংগ্রেস সমেত বাদবাকি দলগুলির অস্তিত্বটুকু বজায় রইলো সামান্য কটা আসনে।
সত্যি বলতে কী, গোটা দেশ তখন মোদিজিতে মোহিত। তাঁর কাছে মানুষের বিশেষত গরিব মধ্যবিত্তের প্রত্যাশার পারদ চড়তে চড়তে তখন আকাশ ছুঁয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষের সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভাষণ দিয়ে চলেছেন। কিন্তু, কয়েকটা মাস যেতে না যেতেই মোদি সরকারের কিছু সিদ্ধান্তে মানুষের সেই প্রত্যাশা কেমন যেন চুপসে যেতে লাগল। মোদিজির ঘনঘন বিদেশ সফর সোনার সুতোয় বোনা কোট আর তার পাশাপাশি ওঠানামার মধ্য দিয়ে পেট্রল ডিজেলের দাম, রান্নার গ্যাসের দাম, বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, ওষুধপত্রের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম সার সমেত কৃষির নানান সরঞ্জামের দাম সবকিছুর নিঃশব্দ বেড়ে চলা এবং পিএফ সমেত স্বল্প সঞ্চয়গুলিতে সুদের হারের নিম্নগতি— দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত এবং গরিবের স্বচ্ছ ভারতের স্বপ্ন ফিকে করে দিতে শুরু করল। কংগ্রেসের বিকল্প যে কংগ্রেসের চেয়ে অনেক শক্ত শক্তি এবং তাঁরা যে কংগ্রেসের ফেলে যাওয়া আর্থিক সংস্কারের কর্মসূচি রূপায়ণ করতে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে তেমন কোনও সমঝোতা, কম্প্রোমাইজ করবেন না— সেটাও বুঝে গেল দেশ। সুতরাং, সাধারণের ভবিষ্যৎ যে কঠিনতর হতে যাচ্ছে এমন একটা চাপা শঙ্কাও ছড়ালো জনতার একাংশে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেন, দেশের মানুষের ওই আশাভঙ্গের কারণেই ক্ষমতায় আসার পর নানান রাজ্যের নির্বাচন উপনির্বাচনে মোদিজির দল বিজেপি লোকসভার দাপট ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
কিন্তু, উত্তরপ্রদেশের শেষ নির্বাচনী ফলের পর বিজেপি-র সমালোচক নিন্দুকদের মুখ বন্ধ। উপায় নেই। ওই ফলের পর আর কথা চলে? কী করে মুলায়ম মায়াবতীর রাজ্যে অমন গেরুয়া ঝড় সব হিসেব তছনছ করে দিয়ে গেল সে প্রসঙ্গে মুনিজনেরা অনেক মত দিয়েছেন। আমরা সেসব যাচ্ছি না। তবে, গোমাতার সেবা, গো-রক্ষা, গো-মাংস খাওয়া বন্ধ করতে বিজেপি-র উঠেপড়ে লাগা কট্টর হিন্দু-ভারতে কতটা প্রভাব ফেলেছে সেটা ওই ফলাফল থেকে যদি কেউ আঁচ করেন— একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কি? তারওপর গরুদের জন্য আধার কার্ডও নাকি করে দেবে সরকার! ভালো কথা। এবং তাতে ভারতের কিছু অংশে গেরুয়া বাহিনীর প্রভাব প্রতিপত্তি আরও বাড়লেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু, গোমাংস তো বহু মানুষের খাদ্য। সে খাদ্য থেকে তাঁদের বঞ্চিত করা কি যায়? মানুষের ব্যক্তিগত রুচি বিশেষ করে দৈনন্দিন খাবারদাবারের ব্যাপারে তাঁদের পছন্দ অপচ্ছন্দের ওপর কি সরকারি নিয়ন্ত্রণ চলে? তাছাড়া, গরু সমেত নানা পশুর চামড়া দিয়ে দেশে তো বিরাট শিল্প চলে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হয়। সেসব বন্ধ করলে সাধারণ মানুষের পেটেই তো টান পড়বে। আরে, গরু কেনও যে কোনও গৃহপালিত জীবের প্রতি আমাদেরও যথেষ্ট মায়া মমতা আছে। কিন্তু, তাই বলে কি খাদ্য শৃঙ্খল, চর্মশিল্পের বিরাট বাজার— এসবের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায়? বেআইনি সব সময়ই বেআইনি এবং তা রোধ করতে সরকার নিশ্চয়ই পদক্ষেপ করবে। বেআইনি গরু পাচার, গো-হত্যা অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ। তবে, বেআইনি ঠেকাবার নামে যদি আইনি কারবার এবং খাবারদাবারে হস্তক্ষেপ হয়, তাই নিয়ে মারধর খুনোখুনি হয়— তা কি সঠিক হয়? উত্তরপ্রদেশ জয়ের আগেই তো সে রাজ্যে গো-মাংস নিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে গেছে। জয়ের পর অতি উৎসাহী গোরক্ষকদের দাপটে পড়ে কত মানুষ নাজেহাল হয়েছেন, ব্যবসাপাতি বন্ধ হয়েছে— সংখ্যার বিচারে তার হিসেবও তো নিতান্ত ছোট নয়। স্বচ্ছ ভারত, আধুনিক ভারত যাঁদের লক্ষ্য এহেন আচরণ চিন্তা কি তাঁদের মানায়? কী চাইছে মোদি সরকার! এবারে গরুকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নানা রকমের বিধিনিষেধ জারি করে কোন লক্ষ্য পূরণ করতে চাইছে বিজেপি? এসবের সঙ্গে স্বচ্ছ ভারত আধুনিক প্রযুক্তিতে বলীয়ান ভারত গড়ার সম্পর্কটাই-বা কি?
অবশ্য, কিছুদিন হল দেখা যাচ্ছে গো-মাতা নিয়ে মাতামাতিটা একটু হলেও যেন কমেছে। আসলে এখন যে জিএসটি অর্থাৎ পণ্য পরিষেবা কর নিয়ে শুরু হয়েছে মহাউদ্যোগ। সেখানে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন জিনিসপত্রের ওপর নতুন হারে ট্যাক্সের যে বহর দেখা যাচ্ছে তাতে গরিবের তো বটেই, সাধারণ মানুষেরও উৎফুল্ল হওয়ার কোনও কারণ দেখছি না। খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান ওষুধপত্তর সবকিছুরই তো দাম বাড়বে বলে বলছেন তথ্যভিজ্ঞরা। ট্রেন প্লেনের টিকিট— তাও বাড়বে। তাহলে আর রইলটা কী? রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই জিএসটি কাউন্সিলের এই করকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলছেন, জিএসটি লাগু হলে যে সাধারণ মানুষেরই চাপ বাড়বে তাই নয় ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্ট হবে। কিন্তু, বড়শিল্প সমেত দেশের ওপরতলায় বিশেষ অসুবিধে হবে না! বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাই নাকি জিএসটি-র ‘উপকারিতা’ নিয়ে মজামস্করা টীকাটিপ্পনি শুরু হয়ে গেছে!
আসলে জিএসটি হলে এমন সব জিনিসের দাম বাড়বে বলা হচ্ছে যেগুলো সাধারণ সব ঘরেই অত্যাবশ্যকের তালিকাভুক্ত। যেমন বিমার প্রিমিয়াম, কেবল টেভি পরিষেবা, মোবাইলের রিচার্জ, ফ্ল্যাট, বৈদ্যুতিন জিনিসপত্র ইত্যাদি। সাধারণ মানুষ কানাঘুষোয় যা শুনছেন কাগজে মিডিয়ায় যা পড়ছেন তাতে জিএসটি ব্যাপারটা যে খুব ভালোভাবে বুঝছেন এমন নয়। কিন্তু, চতুর্দিকের হালহকিকৎ দেখে ভয় পাচ্ছেন। তাঁদের সংশয় একটাই— জিএসটি চালু হলে দৈনন্দিন খরচখরচা আরও বাড়বে নাতো! তাঁদের এই সংশয়টা আর এক প্রস্থ বাড়িয়ে দিচ্ছে জিএসটি সংক্রান্ত কিছু বিজ্ঞাপন যেখানে বলা হচ্ছে, এই ব্যবস্থা লাগুর আগেই কেনাকাটা সারুন। জিএসটি চালু হওয়ার পর কিনতে গেলে একই জিনিসের জন্য দাম বেশি দিতে হবে। সত্যি বলতে কী, জিএসটি নিয়ে এখন জনমনে যথেষ্ট বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তারওপর মমতা সরকার জিএসটি চালুর ব্যাপারে এখনও সম্মতি না দেওয়ায় লোকে ভাবছে নিশ্চয়ই ওতে গড়বড় আছে। ওতে রাজ্যের সাধারণ মানুষের খুব ভালো কিছু হবে না। সেজন্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা জিএসটি নিয়ে বিশেষ উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। তাঁর অর্থমন্ত্রী দিল্লিতে সেই মনোভাব ব্যক্ত করেও এসেছেন।
বিশেষজ্ঞদের অনেকে এমনও বলছেন, জিএসটি পাকাপাকিভাবে চালু না হলেও বলাই যাবে না ওই কর ব্যবস্থায় কার ঠিক কতটা লাভ হল, দেশের উন্নয়নেই বা তা কতটা কাজে দিল। কিন্তু, একটা ব্যাপার পরিষ্কার- সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের জীবনধারণের খরচখরচা সবদিক থেকেই কিছু না কিছু বাড়বে। যদি তাই হয়— তাহলে তো আবার আশাভঙ্গ! সুদিনের আশায় পেট শুকিয়ে থাকতে চাইবেন ক’জন! একদিকে গোমাতার অর্চনা, তাকে রক্ষা করতে সব ভুলে ঝাঁপাঝাপি অন্যদিকে জিএসটি-র নামে কর বসিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়- মোদি সরকার চাইছেনটা কী!? পথেঘাটে এমন বিস্ময় জড়ানো এই প্রশ্নটা তাই তো উঠতে শুরু করেছে। অস্বাভাবিক নয়। কারণ, ইতিমধ্যেই পিএফ স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমায় সাধারণ মানুষ বিশেষত অবসরপ্রাপ্তরা বিপদে। তারওপর চারপাশে সবকিছুর দাম বেড়েই চলেছে। এর ওপর জিসিটি! আর এক প্রস্থ দাম বাড়ার আশঙ্কা। যাবে কোথায় মানুষ খাবে কী! সেজন্যই লোকে বলতে শুরু করেছে, আম মানুষের চেয়ে গরুর যদি দেশের সরকারের কাছে বেশি মূল্যবান হয়ে পড়ে তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয় বৈকি। আম জনতার এই ক্ষোভ সামাল দিয়ে স্বচ্ছ ভারত, বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ঝাঁ-চকচকে প্রযুক্তির ভারতের রূপকারেরা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হন এখন সেটাই দেখার।
18th  June, 2017
রাজ্যের উদ্বেগজনক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্র এত উদাসীন কেন?
শুভা দত্ত

 ‘কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণ’ বলে একটা কথা একসময় খুব শোনা যেত। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে তো বটেই, তার পরে তাঁর পুত্র রাজীব গান্ধী বা তাঁর পরের প্রধানমন্ত্রীদের আমলেও এ রাজ্যে ওই ‘বিমাতৃসুলভ আচরণ’ নিয়ে রাজনৈতিক হইচই যথেষ্ট হয়েছে।
বিশদ

আহা, সেই নতুন ভারত ভয়মুক্ত হোক
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চতুর্থ ভাষণ বেশ মন দিয়েই শুনলাম। স্বচ্ছ ভারত, স্মার্ট সিটি, মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, জন ধন প্রকল্প, নমামি গঙ্গে, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, কংগ্রেস মুক্ত ভারত, কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোমর-কষা লড়াই ইত্যাদি ইত্যাদি প্রতিজ্ঞা ও স্বপ্নের জাল গত চারটি ভাষণে শোনানোর পর সেদিন তিনি ‘নিউ ইন্ডিয়া’ বা নতুন ভারত গড়ার কথা শোনালেন।
বিশদ

সফলতা বনাম সফলতা
অভিজিৎ তরফদার

 সংবাদপত্রের প্রথম পাতা আলো করে কোন ব্যক্তিরা শোভা পান? তাঁরা জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দেশের আইনও প্রণয়ন করেন। দুর্জনে বলে তাঁদের এক চতুর্থাংশ বা তারও বেশিজনের নামে ফৌজদারি মামলা আছে। খুন-ধর্ষণ-ডাকাতি ইত্যাদি ভয়ানক সব অভিযোগে তাঁরা অভিযুক্ত। কিন্তু আমরা, আম জনতা, তাঁদের ফুল্লবিকশিত মুখশোভা সংবাদপত্রে দেখতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বিশদ

19th  August, 2017
ভারত চীন যুদ্ধ হলে চীন পরাজিত হবে
প্রশান্ত দাস

 সারা ভারতজুড়ে এখন একটাই আলোচনা ঝড় তুলেছে—ডোকালাম নিয়ে চীন ভারতকে আক্রমণ করবে কি? চীন অনবরত ভারতকে চমকে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপত্র গ্যারিরস বলেছেন—কোনও দেশ যেন নিজেকে সর্বশক্তিমান না ভাবে। চীন এবং ভারত মুখোমুখি আলোচনায় বসে ব্যাপারটি মিটিয়ে নেয়।
বিশদ

19th  August, 2017
শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

18th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: প্রতারণা চক্রের জালে পড়ে শুক্রবার বিকালে শামুকতলা থানার ব্রজেরকুঠি গ্রামের এক যুবক প্রতারিত হলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবক তরুণকান্তি দাস ওই চক্রের দেওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিয়ে প্রতারিত হন। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে রাস্তার ধারের পুকুরে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল সুকুমার ধর (৭৫) নামে এক প্রৌঢ়ের। শনিবার সকালে চন্দননগরের পালপাড়া সংলগ্ন একটি পুকুরে তাঁর মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় মানুষ পুলিশকে খবর দেয়। তারা এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ...

 ধানবাদ, ১৯ আগস্ট (পিটিআই): ভাইপোর হাতে খুন হলেন রেনবো গ্রুপের চেয়ারম্যান ধীরেন রাওয়ানি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ধানবাদের কাছে ভোরা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধানবাদের বাসিন্দা রাওয়ানি মনসা পূজা উপলক্ষে ভোরায় পৈতৃক বাড়িতে গিয়েছিলেন। ...

 মস্কো, ১৯ আগস্ট (এএফপি): রাশিয়ার রাস্তায় ছুরি নিয়ে হামলা চালাল অজ্ঞাতপরিচয় এক আততায়ী। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ রাশিয়ার সুরগুট শহরে ঘটনাটি ঘটে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তি বিলম্ব হবে। ব্যাবসা সংক্রান্ত কাজে যুক্ত হলে ফল শুভ হবে। উপার্জন একই থাকবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মশা দিবস
১৮২৮: ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন রাজা রামমোহন রায়
১৮৬৪: লেখক রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদির জন্ম
১৮৯৬: ফুটবলার গোষ্ঠ পালের জন্ম
১৯০৬: প্রথম ভারতীয় র্যাংেলার আনন্দমোহন বসুর মৃত্যু
১৯৪৪: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্ম
১৯৮৬: গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের মৃত্যু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ ভাদ্র, ২০ আগস্ট, রবিবার, চতুদর্শী রাত্রি ২/১০, পুষ্যানক্ষত্র অপঃ ৫/২২, সূ উ ৫/১৮/৫৪, অ ৬/১/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/৯-৯/৩৩ রাত্রি ৭/৩২-৯/২, বারবেলা ১০/৫-১/১৫, কালরাত্রি ১/৫-২/৩০।
৩ ভাদ্র, ২০ আগস্ট, রবিবার, চতুদর্শী রাত্রি ৫/৫১/৫৬, পুষ্যানক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৬/৪৩, সূ উ ৫/১৬/২৯, অ ৬/৩/৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৬/৩৬-৯/৩১/২ রাত্রি ৭/৩২/৫৬-৯/২/৪২, বারবেলা ১০/৩/৫৯-১১/৩৯/৪৯, কালবেলা ১১/৩৯/৪৯-১/১৫/৩৯, কালরাত্রি ১/৩/৫৯-২/২৮/৯।
 ২৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কালিম্পংয়ে সোশ্যাল ফরেস্ট বাংলো জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা 

12:11:00 AM

কালিম্পঙে আরও একটি বিস্ফোরণ: সূত্র 

12:06:34 AM

কালিম্পঙে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১ সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত‍্যু 

19-08-2017 - 11:43:11 PM

কালিম্পং থানায় বিস্ফোরণ, জখম ২ 
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের বিস্ফোরণে কাঁপল পাহাড়। এদিন রাতে কালিম্পংয়ে বাদামতামের কাছে থানায় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় পুলিশের এক হোমগার্ড ও এক সিভিক ভলান্টিয়ার জখম হয়েছেন। 

19-08-2017 - 10:44:00 PM

ট্রেন দুর্ঘটনা: মৃত বেড়ে ২৩, জখম বহু

19-08-2017 - 09:33:00 PM

ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা রেলের 
উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরে ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুর। তিনি জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবার পিছু সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। গুরুতর জখমরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা করে। যাঁদের আঘাত অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর তাঁদের ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। 

19-08-2017 - 08:41:54 PM