বিশেষ নিবন্ধ
 

গোমাতার পর জিএসটি: কি চাইছে মোদি সরকার
শুভা দত্ত

ক্ষমতায় আসার আগে নরেন্দ্র মোদি রাজনৈতিক প্রচার সভায় যেসব কথা বলেছিলেন, যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—তাতে দেশের আমজনতার মনে হয়েছিল, দেশে একটি বড় পরিবর্তন আসছে এবং সেই পরিবর্তনে গরিব মধ্যবিত্ত মানুষের ভালো হবে। নানান দুর্নীতিতে দিশেহারা আর্থিক সংস্কার কর্মসূচি রূপায়ণে দ্বিধান্বিত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ মনমোহন সরকারের ওপর তখন দেশের মানুষ আস্থা অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছেন, বিশেষত মূল্যবৃদ্ধির দাপটে জেরবার গরিব মধ্যবিত্ত কংগ্রেসের বিকল্প খুঁজতে তখন একরকম মরিয়া। বাম-অবাম মেশানো জগাখিচুড়ি তৃতীয় জোটের মধ্যে তেমন কোনও সম্ভাবনা খুঁজে পাচ্ছিলেন না দেশের মানুষ। ঠিক সেই সময় স্বচ্ছ ভারত, দুর্নীতিমুক্ত ভারতের শ্লোগান তুলে একেবারে হইহই রব তুলে দিয়েছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘুষ দুর্নীতির ব্যাপারে তাঁর সাফ জবাব ‘খাব না খেতেও দেব না’ তখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। মোদিজির বলিষ্ঠ নাটকীয় কন্ঠের ভাষণে স্বচ্ছ ভারত, একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তির ভারতের স্বপ্নে একটু একটু করে আচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে দেশ আর দেশের মানুষ তাঁর মধ্যে দেখতে শুরু করেছেন কংগ্রেসের যোগ্য বিকল্প। তারই পরিণতিতে ২০১৪ সালের ভোটে গেরুয়া ঝড় এবং দ্বিতীয়বারের জন্য দিল্লিতে মোদিজির নয়া বিজেপি-র নেতৃত্বে এনডিএ-র নতুন সরকারের পত্তনও হয়ে গেল বিপুল সংখ্যার গরিষ্ঠতায়। কংগ্রেস সমেত বাদবাকি দলগুলির অস্তিত্বটুকু বজায় রইলো সামান্য কটা আসনে।
সত্যি বলতে কী, গোটা দেশ তখন মোদিজিতে মোহিত। তাঁর কাছে মানুষের বিশেষত গরিব মধ্যবিত্তের প্রত্যাশার পারদ চড়তে চড়তে তখন আকাশ ছুঁয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষের সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভাষণ দিয়ে চলেছেন। কিন্তু, কয়েকটা মাস যেতে না যেতেই মোদি সরকারের কিছু সিদ্ধান্তে মানুষের সেই প্রত্যাশা কেমন যেন চুপসে যেতে লাগল। মোদিজির ঘনঘন বিদেশ সফর সোনার সুতোয় বোনা কোট আর তার পাশাপাশি ওঠানামার মধ্য দিয়ে পেট্রল ডিজেলের দাম, রান্নার গ্যাসের দাম, বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, ওষুধপত্রের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম সার সমেত কৃষির নানান সরঞ্জামের দাম সবকিছুর নিঃশব্দ বেড়ে চলা এবং পিএফ সমেত স্বল্প সঞ্চয়গুলিতে সুদের হারের নিম্নগতি— দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত এবং গরিবের স্বচ্ছ ভারতের স্বপ্ন ফিকে করে দিতে শুরু করল। কংগ্রেসের বিকল্প যে কংগ্রেসের চেয়ে অনেক শক্ত শক্তি এবং তাঁরা যে কংগ্রেসের ফেলে যাওয়া আর্থিক সংস্কারের কর্মসূচি রূপায়ণ করতে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে তেমন কোনও সমঝোতা, কম্প্রোমাইজ করবেন না— সেটাও বুঝে গেল দেশ। সুতরাং, সাধারণের ভবিষ্যৎ যে কঠিনতর হতে যাচ্ছে এমন একটা চাপা শঙ্কাও ছড়ালো জনতার একাংশে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেন, দেশের মানুষের ওই আশাভঙ্গের কারণেই ক্ষমতায় আসার পর নানান রাজ্যের নির্বাচন উপনির্বাচনে মোদিজির দল বিজেপি লোকসভার দাপট ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
কিন্তু, উত্তরপ্রদেশের শেষ নির্বাচনী ফলের পর বিজেপি-র সমালোচক নিন্দুকদের মুখ বন্ধ। উপায় নেই। ওই ফলের পর আর কথা চলে? কী করে মুলায়ম মায়াবতীর রাজ্যে অমন গেরুয়া ঝড় সব হিসেব তছনছ করে দিয়ে গেল সে প্রসঙ্গে মুনিজনেরা অনেক মত দিয়েছেন। আমরা সেসব যাচ্ছি না। তবে, গোমাতার সেবা, গো-রক্ষা, গো-মাংস খাওয়া বন্ধ করতে বিজেপি-র উঠেপড়ে লাগা কট্টর হিন্দু-ভারতে কতটা প্রভাব ফেলেছে সেটা ওই ফলাফল থেকে যদি কেউ আঁচ করেন— একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কি? তারওপর গরুদের জন্য আধার কার্ডও নাকি করে দেবে সরকার! ভালো কথা। এবং তাতে ভারতের কিছু অংশে গেরুয়া বাহিনীর প্রভাব প্রতিপত্তি আরও বাড়লেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু, গোমাংস তো বহু মানুষের খাদ্য। সে খাদ্য থেকে তাঁদের বঞ্চিত করা কি যায়? মানুষের ব্যক্তিগত রুচি বিশেষ করে দৈনন্দিন খাবারদাবারের ব্যাপারে তাঁদের পছন্দ অপচ্ছন্দের ওপর কি সরকারি নিয়ন্ত্রণ চলে? তাছাড়া, গরু সমেত নানা পশুর চামড়া দিয়ে দেশে তো বিরাট শিল্প চলে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হয়। সেসব বন্ধ করলে সাধারণ মানুষের পেটেই তো টান পড়বে। আরে, গরু কেনও যে কোনও গৃহপালিত জীবের প্রতি আমাদেরও যথেষ্ট মায়া মমতা আছে। কিন্তু, তাই বলে কি খাদ্য শৃঙ্খল, চর্মশিল্পের বিরাট বাজার— এসবের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায়? বেআইনি সব সময়ই বেআইনি এবং তা রোধ করতে সরকার নিশ্চয়ই পদক্ষেপ করবে। বেআইনি গরু পাচার, গো-হত্যা অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ। তবে, বেআইনি ঠেকাবার নামে যদি আইনি কারবার এবং খাবারদাবারে হস্তক্ষেপ হয়, তাই নিয়ে মারধর খুনোখুনি হয়— তা কি সঠিক হয়? উত্তরপ্রদেশ জয়ের আগেই তো সে রাজ্যে গো-মাংস নিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে গেছে। জয়ের পর অতি উৎসাহী গোরক্ষকদের দাপটে পড়ে কত মানুষ নাজেহাল হয়েছেন, ব্যবসাপাতি বন্ধ হয়েছে— সংখ্যার বিচারে তার হিসেবও তো নিতান্ত ছোট নয়। স্বচ্ছ ভারত, আধুনিক ভারত যাঁদের লক্ষ্য এহেন আচরণ চিন্তা কি তাঁদের মানায়? কী চাইছে মোদি সরকার! এবারে গরুকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নানা রকমের বিধিনিষেধ জারি করে কোন লক্ষ্য পূরণ করতে চাইছে বিজেপি? এসবের সঙ্গে স্বচ্ছ ভারত আধুনিক প্রযুক্তিতে বলীয়ান ভারত গড়ার সম্পর্কটাই-বা কি?
অবশ্য, কিছুদিন হল দেখা যাচ্ছে গো-মাতা নিয়ে মাতামাতিটা একটু হলেও যেন কমেছে। আসলে এখন যে জিএসটি অর্থাৎ পণ্য পরিষেবা কর নিয়ে শুরু হয়েছে মহাউদ্যোগ। সেখানে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন জিনিসপত্রের ওপর নতুন হারে ট্যাক্সের যে বহর দেখা যাচ্ছে তাতে গরিবের তো বটেই, সাধারণ মানুষেরও উৎফুল্ল হওয়ার কোনও কারণ দেখছি না। খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান ওষুধপত্তর সবকিছুরই তো দাম বাড়বে বলে বলছেন তথ্যভিজ্ঞরা। ট্রেন প্লেনের টিকিট— তাও বাড়বে। তাহলে আর রইলটা কী? রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই জিএসটি কাউন্সিলের এই করকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলছেন, জিএসটি লাগু হলে যে সাধারণ মানুষেরই চাপ বাড়বে তাই নয় ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্ট হবে। কিন্তু, বড়শিল্প সমেত দেশের ওপরতলায় বিশেষ অসুবিধে হবে না! বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাই নাকি জিএসটি-র ‘উপকারিতা’ নিয়ে মজামস্করা টীকাটিপ্পনি শুরু হয়ে গেছে!
আসলে জিএসটি হলে এমন সব জিনিসের দাম বাড়বে বলা হচ্ছে যেগুলো সাধারণ সব ঘরেই অত্যাবশ্যকের তালিকাভুক্ত। যেমন বিমার প্রিমিয়াম, কেবল টেভি পরিষেবা, মোবাইলের রিচার্জ, ফ্ল্যাট, বৈদ্যুতিন জিনিসপত্র ইত্যাদি। সাধারণ মানুষ কানাঘুষোয় যা শুনছেন কাগজে মিডিয়ায় যা পড়ছেন তাতে জিএসটি ব্যাপারটা যে খুব ভালোভাবে বুঝছেন এমন নয়। কিন্তু, চতুর্দিকের হালহকিকৎ দেখে ভয় পাচ্ছেন। তাঁদের সংশয় একটাই— জিএসটি চালু হলে দৈনন্দিন খরচখরচা আরও বাড়বে নাতো! তাঁদের এই সংশয়টা আর এক প্রস্থ বাড়িয়ে দিচ্ছে জিএসটি সংক্রান্ত কিছু বিজ্ঞাপন যেখানে বলা হচ্ছে, এই ব্যবস্থা লাগুর আগেই কেনাকাটা সারুন। জিএসটি চালু হওয়ার পর কিনতে গেলে একই জিনিসের জন্য দাম বেশি দিতে হবে। সত্যি বলতে কী, জিএসটি নিয়ে এখন জনমনে যথেষ্ট বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তারওপর মমতা সরকার জিএসটি চালুর ব্যাপারে এখনও সম্মতি না দেওয়ায় লোকে ভাবছে নিশ্চয়ই ওতে গড়বড় আছে। ওতে রাজ্যের সাধারণ মানুষের খুব ভালো কিছু হবে না। সেজন্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা জিএসটি নিয়ে বিশেষ উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। তাঁর অর্থমন্ত্রী দিল্লিতে সেই মনোভাব ব্যক্ত করেও এসেছেন।
বিশেষজ্ঞদের অনেকে এমনও বলছেন, জিএসটি পাকাপাকিভাবে চালু না হলেও বলাই যাবে না ওই কর ব্যবস্থায় কার ঠিক কতটা লাভ হল, দেশের উন্নয়নেই বা তা কতটা কাজে দিল। কিন্তু, একটা ব্যাপার পরিষ্কার- সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের জীবনধারণের খরচখরচা সবদিক থেকেই কিছু না কিছু বাড়বে। যদি তাই হয়— তাহলে তো আবার আশাভঙ্গ! সুদিনের আশায় পেট শুকিয়ে থাকতে চাইবেন ক’জন! একদিকে গোমাতার অর্চনা, তাকে রক্ষা করতে সব ভুলে ঝাঁপাঝাপি অন্যদিকে জিএসটি-র নামে কর বসিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়- মোদি সরকার চাইছেনটা কী!? পথেঘাটে এমন বিস্ময় জড়ানো এই প্রশ্নটা তাই তো উঠতে শুরু করেছে। অস্বাভাবিক নয়। কারণ, ইতিমধ্যেই পিএফ স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমায় সাধারণ মানুষ বিশেষত অবসরপ্রাপ্তরা বিপদে। তারওপর চারপাশে সবকিছুর দাম বেড়েই চলেছে। এর ওপর জিসিটি! আর এক প্রস্থ দাম বাড়ার আশঙ্কা। যাবে কোথায় মানুষ খাবে কী! সেজন্যই লোকে বলতে শুরু করেছে, আম মানুষের চেয়ে গরুর যদি দেশের সরকারের কাছে বেশি মূল্যবান হয়ে পড়ে তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয় বৈকি। আম জনতার এই ক্ষোভ সামাল দিয়ে স্বচ্ছ ভারত, বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ঝাঁ-চকচকে প্রযুক্তির ভারতের রূপকারেরা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হন এখন সেটাই দেখার।
18th  June, 2017
২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার
মেরুনীল দাশগুপ্ত

কিন্তু, একজন ব্যক্তিকে অবলম্বন করে এমন সহজ অঙ্কে তৃণমূল ভাঙার খোয়াব যাঁরা দেখছেন তাঁরা পা দুটো বাস্তবের মাটিতে ঠেকালেই বুঝবেন—অঙ্কটা চট করে মেলার সম্ভাবনা একরকম নেই। কারণ, তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল—তৃণমূল ভাঙতে হলে তো মমতাকে ভাঙতে হয়—তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার! রাজনীতিতে বাঘ-বাহাদুরের অভাব কোনও কালেই ছিল না, একালেও নেই। তবে তাদের অধিকাংশই নিজেদের শেষপর্যন্ত মুখসর্বস্ব প্রমাণ করে গেছেন, আজও তার বিশেষ অন্যথা হয় না।
বিশদ

12th  October, 2017
‘গ্রাম্য সড়কে’ রাজ্য অর্ধেক ব্যয় বহন করেও বামেদের চেয়ে দ্বিগুণ সফল
দেবনারায়ণ সরকার

তৃণমূল সরকারের প্রথম ৪ বছরে (২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় পশ্চিমবঙ্গে মোট ৭৪৩৬.৪১ কিলোমিটার গ্রাম্য সড়ক তৈরি হয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০০০ অর্থবর্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা শুরু হবার পরে ২০০১-০২ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত এই প্রকল্পের সমস্ত ব্যয়ভার (১০০ শতাংশ) বহন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা সত্ত্বেও তৃণমূল সরকার প্রথম ৪ বছরে গড়ে প্রতি বছরে ১৮৫৯ কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা তৈরি করেছে।
বিশদ

12th  October, 2017
মমতার অন্তর্ভুক্তিকরণ রাজনীতি ও উন্নয়নেই মুকুলের ঝরে পড়ার আশঙ্কা
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

শারদ উৎসব পর্বে মুকুল রায়ের দলত্যাগের ঘোষণা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘটনা আপাতত স্থিতিশীল রাজ্য রাজনীতিতে সামান্য পরিমাণে হলেও যে ঢেউ তুলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। রাজনৈতিক মহলে তো বটেই, অনেক সাধারণ মানুষের মনেও মুকুল রায়ের দলত্যাগে দলে এবং রাজ্য রাজনীতিতে আদপেও কোনও প্রভাব পড়ে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিশদ

10th  October, 2017
একনজরে
বিএনএ, মেদিনীপুর: বাজার ফিরেছে মেদিনীপুরের ঐতিহ্যশালী দেওয়ালি পুতুলের। এলইডি, ডিসকো, চায়না আলোর দাপটে মাঝের কয়েক বছর বাজার বেশ মন্দা গেলেও এবছর ভালোই বিক্রিবাট্টা হল দেওয়ালি পুতুলের। এই সময় বাজারে রীতিমতো চোখ ঝলসানো আলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে হয় মৃৎশিল্পীদের। ...

 সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নর্থবেঙ্গল টেবল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আগামী ২৩ থেকে ২৮ অক্টোবর শিলিগুড়ি ইনডোর স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিকমানের টেবল টেনিস প্রতিযোগিতার আসর বসছে। এর জন্য শিলিগুড়ি পুরসভাকে আয়োজকদের ৯০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। ...

 বাংলা নিউজ এজেন্সি: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্প আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রতি স্বীকৃতি পেয়েছে। এরপর রাজ্য জুড়ে বহু পুজো কমিটি কন্যাশ্রীকে থিম করে চমক দিয়েছে। এবার দীপাবলী ও ভ্রাতৃদ্বিতীয়ায় স্পেশাল মিষ্টি হিসাবে কোচবিহারের বাজারে এসেছে ‘কন্যাশ্রী অনন্যা’ সন্দেশ। ...

 পেশোয়ার, ১৮ অক্টোবর (পিটিআই): মারা পড়ল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার খলিফা উমর মনসুর। ২০১৪ সালে পেশোয়ারের স্কুলে ভয়াবহ হামলার মূল চক্রী ছিল এই তালিবান কমান্ডার। ওই ঘটনায় মোট ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গবেষণামূলক কাজে সাফল্য লাভ। কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভের ইঙ্গিত। বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হবার সম্ভাবনা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫০: কোরিয়ার যুদ্ধে যোগ দিল গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্রসংঘের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযানে অংশ নিতে ইয়ালু নদী পার হল চীনের এক হাজার সেনা।
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওল জন্মগ্রহণ করেন
২০০৫: মানবতা বিরোধী অপরাধে সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হল বাগদাদে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৯২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ঘ ১২/৪২, নক্ষত্র-হস্তা, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৫/২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। সন্ধ্যা ঘ ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৬ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।

দীপান্বিতা কালীপুজো
 
১ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ১১/৫১/১০, নক্ষত্র-হস্তানক্ষত্র রাত্রি ৭/৪৪/৩৯, সূ উ ৫/৩৮/২, অ ৫/৪/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৯/৩, ১/১৫/৫৯-২/৪৭/৩৪, রাত্রি ৫/৫৫/১০-৯/১৫/৫৯, ১১/৪৬/৩৬-৩/৭/২৫, ৩/৫৭/৩৮-৫/৩৮/৩৩, বারবেলা ৩/৩৯/৬-৫/৪/৫৮, কালবেলা ২/১৩/১৪-৩/৩৯/৬, কালরাত্রি ১১/২১/৩০-১২/৫৫/৩৮।

দীপান্বিতা কালীপুজো
২৮ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হন্ডুরাসকে হারিয়ে শেষ আটে ব্রাজিল
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:58:14 PM

  পূর্ব মেদিনীপুরে ছুরি মেরে সোনা লুঠ
আজ সন্ধ্যায় খদ্দের সেজে এসে দোকানদারকে ছুরি ...বিশদ

18-10-2017 - 09:57:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ৩ হন্ডুরাস: ০ (৫৫ মিনিট )
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:20:52 PM

  অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (৪৩ মিনিট)
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:55 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (প্রথমার্ধ )

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ১ হন্ডুরাস: ০ (১১ মিনিট)

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:17:43 PM

নাইজেরকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ঘানা

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ নভি মুম্বইয়ে ডঃডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 07:04:08 PM