বিশেষ নিবন্ধ
 

দেশ ও রাজ্যের স্বার্থেই পাহাড় ইস্যুতে ঘোলা জলে কারও মাছ ধরার চেষ্টা না করাই উচিত
মোশারফ হোসেন

১৯৮৬ সালের ফেব্রুয়ারির এক সকালে দার্জিলিংয়ে অখিল ভারতীয় গোর্খা লিগের সদর দপ্তরে দলের এক প্রবীণ নেতার মুখোমুখি হয়েছিলাম। ওই দলটিই তখন পাহাড়বাসীর প্রধান প্রতিনিধিত্ব করত। ওই দলের বিধায়ক হিসাবে রেণুলিনা সুব্বা বেশ পরিচিতি লাভ করেছিলেন। এর আগে সিদ্ধার্থশংকর রায়ের আমলে পাহাড়ে কিছু আন্দোলন হলেও পরবর্তী দশ-বারো বছর দার্জিলিংয়ে অশান্তির তেমন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। সরল জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত পাহাড়বাসী ও তাঁদের আকাঙ্ক্ষিত নিত্যঅতিথি হাজার হাজার পর্যটককে নিয়ে পাহাড়ের সংসার শান্তিতেই চলছিল।
কিন্তু ’৮৬-র সেই সকালে ওই প্রবীণ ভদ্রলোকের মুখে একটু অন্যরকম গন্ধ পেয়ে খানিকটা বিস্মিত হলাম। উনি বললেন, আপনারা বাইরের মানুষ। পাহাড়বাসীর মর্মবেদনা বোঝা আপনাদের পক্ষে মোটেই সহজ নয়। বাইরে থেকে পরিবেশ পরিস্থিতি মনোরম মনে হলেও এই মুহূর্তে পাহাড় একটি বারুদের স্তূপ হয়ে রয়েছে। এই বারুদের স্তূপকে জীবন্ত করে তুলতে কেবল একটি দেশলাই কাঠি দরকার। একজন তেমন শক্তিশালী নেতা, যিনি নিজের স্বার্থের পরোয়া না করে পাহাড়বাসীর সেন্টিমেন্টকে বাস্তব রূপ দিতে পারবেন। যা আমাদের দলের নেতাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এরা সবাই নিজের নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। তাই একজন নতুন নেতা চাই। আগুনখোর নেতা। যাকে ব্যক্তিগত কিছু পাইয়ে দিয়ে ম্যানেজ করা যাবে না, চোখ রাঙিয়ে দমানো যাবে না।
বললাম, পাহাড় বারুদের স্তূপ হয়ে উঠেছে কেন?
আমার প্রশ্নটি শুনেই দপ করে জ্বলে উঠলেন ভদ্রলোক। ফর্সা মুখ ততক্ষণে লালচে হয়ে উঠেছে। কাটা কাটা ইংরেজিতে বললেন, বলুন তো এত বঞ্চনা, এত প্রতারণা আর কোথাও দেখেছেন? আপনারা, মানে সমতলের মানুষরা আমাদের সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে বঞ্চনা আর প্রতারণার খেলা খেলে চলেছেন। তাকিয়ে দেখুন, পাহাড়ের যত চা বাগান, যা দার্জিলিংয়ের একটি প্রধান সম্পদ, সেগুলির সমস্ত মালিক আপনারা সমতলের লোকজন। আর, চা শ্রমিক কারা? তারা আমার পাহাড়বাসী। আমার ঘরের মেয়ে-বউ, মা-বোন। ছেলে-ভাই। উদয়াস্ত কঠোর পরিশ্রম করেও তাদের ঠিকমতো খাবার জোটে না, তারা একটু ভালোভাবে বাঁচতে পারে না। এই যে পাহাড়ে এত ছোটবড়, রকমারি হোটেল, সেগুলির মালিক কারা? সব সমতলের লোক। আর, চাকরবাকর, যারা আপনারা বেড়াতে এলে আপনাদের সেবা করে ধন্য হয়, তারা? তারা এই পাহাড়েরই ভূমিপুত্র। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে এত স্কুল। তাতে কারা বেশি উপকৃত? ঝাড়ুদারগিরি, বেয়ারাগিরি, দারোয়ানি করেই ভূমিপুত্রদের জীবন কাটে। আপনাদের ছেলেপুলেরা এখানে স্কুলজীবন কাটিয়ে ইলেত-বিলেত গিয়ে আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করে। অন্ধকারে থাকি আমরা। এগুলি বঞ্চনা, প্রতারণা না হলে বঞ্চনা, প্রতারণা কাকে বলে! ভদ্রলোক আরও অনেক কিছু বলেছিলেন, এতদিন বাদে সব মনে পড়ছে না। কলকাতায় ফিরে এগুলি লিখেছিলাম। আমাদের কাগজে যেদিন ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়, সেদিন বিকেলে মহাকরণে দেখা হতে দু-একজন মন্ত্রী আমায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনি যা লিখেছেন, পাহাড়ের পরিস্থিতি কি সত্যিই ওরকম বুঝলেন?
ওই ঘটনার পর বোধহয় ছ’মাসও কাটেনি। খবর পাওয়া গেল পাহাড়ে আন্দোলন শুরু হয়ে গিয়েছে। সুবাস ঘিসিং নামে সদ্য ফৌজ ফেরত এক প্রাক্তন জওয়ান পাহাড়জুড়ে তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন। তিনি গড়ে তুলেছেন গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (জিএনএলএফ)। এর পরের ইতিহাস সবার জানা। আন্দোলন হিংসায় পরিণত হতে সময় নেয়নি। সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে সুবাস ঘিসিং পাহাড়বাসীর অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা হয়ে ওঠেন। তাঁর কথাই পাহাড়ের শেষকথা হয়ে ওঠে। ঘিসিংয়ের ইঙ্গিতে একের পর এক সরকারি অফিস কাছারিতে আগুন জ্বলে, পুড়ে ছাই হয়ে যায় বনবাংলো, ভস্মীভূত হয় গাড়ির পর গাড়ি। রাজ্যের দোর্দণ্ডপ্রতাপ শাসকদল সিপিএমকে একরকম ঘাড়ে ধরে পাহাড় থেকে নীচে নামিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে পুলিশও পাহাড়ে উঠতে ভয় পেতে থাকে। পাহাড়জুড়ে ঘিসিংয়ের একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম হয়। বেপরোয়া ঘিসিং পাহাড়কে নিজের খালতালুক ধরে নিয়ে বাইরের লোকের ওখানে ঢোকার জন্য পাসপোর্টের আদলে একধরনের ছাড়পত্রও ইস্যু করেন। পরিস্থিতি নিয়ে দিল্লি-কলকাতা অনেক কথাবার্তা হয়। পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও পরবর্তীকালে ঘিসিংরা তা থেকে সরে এসে পার্বত্য পরিষদে সম্মত হন। অবশেষে ১৯৮৮ তে ঘিসিংদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে কেন্দ্রেরও বিশেষ ভূমিকা ছিল। গড়া হয় দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পরিষদ। পরিষদের মাথায় বসেন ঘিসিং স্বয়ং। পাহাড়ের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলির প্রধান দায়িত্ব বর্তায় ওই স্বশাসিত সংস্থার উপর।
পরিষদ গড়ার পর পাহাড়বাসীর বঞ্চনা লাঘবের চাবিকাটি তো তাঁদের নেতাদের হাতেই তুলে দেওয়া হল। তবু এতদিন বাদে ফের পাহাড়ে অশান্তির আগুন জ্বলে উঠল কেন, এ প্রশ্ন জাগতেই পারে।
আজ যে সিপিএম নেতারা ঘাড়ের রোঁয়া ফুলিয়ে ভারী ভারী বক্তৃতা দিয়ে বর্তমান পাহাড় পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় তুলতে চাইছেন, তাঁদের নিজেদের ভূমিকাও ভেবে দেখতে অনুরোধ করি। ১৯৮৮ সালে দার্জিলিং গোর্খা পার্বত্য পরিষদ গঠিত হওয়ার পরও দীর্ঘ তেইশ বছর ক্ষমতায় ছিল বামফ্রন্ট সরকার। পার্বত্য পরিষদ স্বশাসিত সংস্থা হলেও রাজ্য সরকার তার অভিভাবকত্ব পরোপুরি হারায় না। পরিষদের অর্থের প্রধান জোগানদার রাজ্য সরকার। ফলে, সরকারের দেওয়া অর্থ সঠিক লক্ষ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, চুক্তির শর্তগুলি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না সেসম্পর্কে সরকার সজাগ দৃষ্টি রাখবে, এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু জ্যোতি বসু-বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকার সে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেনি। করলে পাহাড়ে উন্নয়নের নামে শত শত কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও তা প্রকৃত উন্নয়নের কাজে তেমনভাবে না লাগানোর বিষয়টি নজরে পড়ত। পরিষদের নামে পাহাড়ের একদল প্রভাবশালী লুটেপুটে খেয়েছে, অন্যদিকে বঞ্চিত হয়েছে সাধারণ পাহাড়বাসী। একদিকে উন্নয়নের টাকা নয়ছয় হয়েছে, নেতারা বিলাসব্যসনে ডুবে গিয়েছেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন আরও দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছে। ঘিসিং জমানার মধ্যগগনে একবার পরিষদের সদরদপ্তর লালকুঠিতে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। অফিসের ঠাঁটবাট দেখে আর লোকজনের মুখে কর্তাদের বিলাসের বিবরণ শুনে তাজ্জব বনে গিয়েছিলাম।
প্রসঙ্গত মনে পড়ছে, একসময় খবর সংগ্রহের কাজে পাটনায় গেলে বিহারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের বিরোধী শিবিরের অনেকের মুখে একটা ছড়া শুনতে পেতাম। ছড়াটির বাংলা তর্জমা মোটামুটি এরকম: রুপোর মতো চুল হে তোমার, আপেলের মতো রাঙা গাল, তুমি একাই ধনবান হয়েছ লালু, বাকিরা হয়েছে কাঙাল। এই ছড়ার সত্যতা নিয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই, কেবল ঘিসিং জমানায় তাঁর ও সাঙ্গোপাঙ্গদের কাজকারবার দেখেশুনে অনেকটা ওরকমই মনে হয়েছিল।
ঘিসিং জমানা নয়নয় করে অনেকদিনই চলেছিল। পাশাপাশি বেড়ে চলেছিল পাহাড়বাসীর ক্ষোভ ও যন্ত্রণার মাত্রাও। সেই ক্ষোভ-যন্ত্রণাকে কাজে লাগিয়েই আজকের বিমল গুরুংয়ের উত্থান। ঘিসিংকে সরিয়ে পাহাড়বাসীর আর এক আগুনে নেতা হয়ে উঠতে তাঁর খুব বেশি সময় লাগেনি। জলাপাহাড়ের সুবাস তাঁর সাধের দার্জিলিং থেকে বিতাড়িত হয়ে সমতলে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁর জায়গায় পাতলেবাসের বিমল হয়ে উঠেছিলেন পাহাড়বাসীর স্বপ্নের ত্রাতাপুরুষ- মসিহা। গোর্খা পার্বত্য পরিষদের জায়গায় গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অথরিটি হয়েছে। তার মাথায় চড়ে বসেছেন বিমল। পাহাড়বাসীর সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে চতুর বিমল নিজের আখের গোছানোর কাজে কোনওরকম ত্রুটি রাখেননি। একদিকে বিমল ধনবান হয়েছেন, অন্যদিকে পাহাড়ে ক্ষোভ বেড়েছে। বিশেষ করে, গোর্খা বাদে আরও যেসব জনগোষ্ঠীর লোকজন পাহাড়ের শহরে, বস্তিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাস করেন তাঁরা অনেকটাই বঞ্চিত হয়েই রয়ে গিয়েছিলেন। উন্নয়ন ও সুযোগ সুবিধার ক্ষীর মাখন ননীর সিংহভাগের দখল নিচ্ছিলেন গোর্খারা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। তাই জিটিএ’র কাজে হস্তক্ষেপ না করেই ওই জনজাতিগুলির উন্নয়নে সক্রিয় হন। তাদের জন্য গড়ে দেন একের পর এক উন্নয়ন পর্ষদ। বার বার পাহাড়ে এসে সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ বার্তাও দিতে থাকেন, পাহাড়কে তিনি সমতলের মতোই গুরুত্ব দেন। পাহাড়ের উন্নয়নে তিনি অত্যন্ত সিরিয়াস। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে সিঁদুরে মেঘ দেখেন বিমলরা। বুঝতে অসুবিধে হয় না এমনি চলতে দিলে পাহাড়ে তাঁদের একচেটিয়া আধিপত্যের দিন শেষ হতে খুব সময় নেবে না। তাই যে কোনও মূল্যে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযানকে ঠেকানো জরুরি।
সুযোগ খুঁজছিলেন গুরুং অ্যান্ড কোং। রাজ্যের সমস্ত স্কুলে বাংলা পড়ানোর ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগী হতেই সেই সুযোগ পেয়ে গেলেন গুরুং। পাহাড়ে বাংলাকে আবশ্যিক করা হবে না বলে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার ভাষায় বার বার ঘোষণা করলেও ছল খোঁজা বিমলবাহিনী শান্ত হতে চায়নি। চোরা আবার কবে ধর্মের কাহিনি শুনতে রাজি হয়েছে! উলটে বাংলা নিয়ে অপপ্রচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া হল। সাধারণ পাহাড়বাসীকে খেপিয়ে তোলার সবরকম চেষ্টা চলল। ওরা খানিক সফলও হল। শুরু হল ফের আগুন জ্বলা। এবার মুখ্যমন্ত্রী জিটিএ’র নামে খরচ হওয়া কোটি কোটি টাকার হিসাব নিতে বিশেষ অডিট করাতে চাইলেন। এতে আগুনে ঘি পড়ল। পরিণামে হিংসা, ধ্বংস, মৃত্যু। বিমলদের স্বার্থপূরণ করতে গিয়ে আজ কঠিন মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ পাহাড়বাসীকে।
অন্যদিকে, আমাদের চেনা রাজনৈতিক দলগুলি এই ইস্যুতে কেমন ভূমিকা পালন করছে? মমতাকে হঠিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সিংহাসন দখলের স্বপ্নে বুঁদ বিজেপি’র আচরণ দেখার মতো। ওই দলের দখলে এরাজ্যে মাত্র যে দুটি লোকসভা আসন রয়েছে তার একটিই গুরুংদের বদান্যতায় পাওয়া। আগামী লোকসভা ভোট আসতে খুব দেরি নেই। ফের ওই আসনটি ওদের চাই। সম্ভবত সেকারণেই বিজেপি পাহাড়ের আন্দোলনে হাওয়া দিয়েছে। বিশেষ করে, গুরুংয়ের শাগরেদরা কলকাতায় এসে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে যাওয়ার পরই পাহাড়ের আগুন বহুগুণে বেড়ে গেল। দু’টি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র কি কেবলই কষ্টকল্পনা? নাকি দলীয়স্তরে এরাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত শ্রীবিজয়বর্গীয়র গোর্খাল্যান্ড সংক্রান্ত মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ নয়! দলের সর্বভারতীয় সভাপতিও মাত্র দু-তিনদিনআগেও পাহাড় নিয়ে তাঁর দলের সঠিক অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেননি। এত দোনামনা কেন? কেবল মমতাকে জব্দ করতে! ওঁরা কেন বুঝতে চাইছেন না বিহার অথবা ওড়িশা আর দার্জিলিং এক নয়! দার্জিলিং নিয়ে কোনও ভুল পদক্ষেপ হলে আগামী দিনে গোটা দেশকেই তার কড়া মাশুল গুনতে হতে পারে। তবু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে রাজনাথ সিং গত রবিবার যে বার্তা দিয়েছেন তাতে কিছুটা ভরসা জাগে।
মমতাকে জব্দ করতে চায় সিপিএমও। দেখা যাচ্ছে ওই দলটির নেতাদের মনোভাব এরকম: যেহেতু আমি লিখতে পারিনি, তাই সুযোগ পেলেই অন্যের কালির দোয়াত উলটে দেব। মাননীয়গণ, আপনাদের চৌত্রিশ বছরের পাপ আজকের রাজ্যের গায়ে ফুটে ওঠা অনেক দগদগে ঘায়ের কারণ। অনেক তো হল, এবার একটু দায়িত্বশীল আচরণ করুন না!
আর, কংগ্রেস? ন্যাংটোর নেই বাটপারের ভয়। কংগ্রেসেরও এরাজ্যে হারানোর কিছু নেই। তবু দেশকে অনেক কিছু দেওয়া শতাব্দীপ্রাচীন এই দলটির কাছে মানুষের প্রত্যাশা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। রাজ্যের নেতারা কি এব্যাপারে একেবারেই উদাসীন!
এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে দেশ ও রাজ্যের স্বার্থে বাম দক্ষিণ নির্বিশেষে প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই উচিত পাহাড় প্রশ্নে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানো। ঘোলাজলে মাছ ধরার চেষ্টা নয়।
20th  June, 2017
২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার
মেরুনীল দাশগুপ্ত

কিন্তু, একজন ব্যক্তিকে অবলম্বন করে এমন সহজ অঙ্কে তৃণমূল ভাঙার খোয়াব যাঁরা দেখছেন তাঁরা পা দুটো বাস্তবের মাটিতে ঠেকালেই বুঝবেন—অঙ্কটা চট করে মেলার সম্ভাবনা একরকম নেই। কারণ, তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল—তৃণমূল ভাঙতে হলে তো মমতাকে ভাঙতে হয়—তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার! রাজনীতিতে বাঘ-বাহাদুরের অভাব কোনও কালেই ছিল না, একালেও নেই। তবে তাদের অধিকাংশই নিজেদের শেষপর্যন্ত মুখসর্বস্ব প্রমাণ করে গেছেন, আজও তার বিশেষ অন্যথা হয় না।
বিশদ

12th  October, 2017
‘গ্রাম্য সড়কে’ রাজ্য অর্ধেক ব্যয় বহন করেও বামেদের চেয়ে দ্বিগুণ সফল
দেবনারায়ণ সরকার

তৃণমূল সরকারের প্রথম ৪ বছরে (২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় পশ্চিমবঙ্গে মোট ৭৪৩৬.৪১ কিলোমিটার গ্রাম্য সড়ক তৈরি হয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০০০ অর্থবর্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা শুরু হবার পরে ২০০১-০২ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত এই প্রকল্পের সমস্ত ব্যয়ভার (১০০ শতাংশ) বহন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা সত্ত্বেও তৃণমূল সরকার প্রথম ৪ বছরে গড়ে প্রতি বছরে ১৮৫৯ কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা তৈরি করেছে।
বিশদ

12th  October, 2017
মমতার অন্তর্ভুক্তিকরণ রাজনীতি ও উন্নয়নেই মুকুলের ঝরে পড়ার আশঙ্কা
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

শারদ উৎসব পর্বে মুকুল রায়ের দলত্যাগের ঘোষণা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘটনা আপাতত স্থিতিশীল রাজ্য রাজনীতিতে সামান্য পরিমাণে হলেও যে ঢেউ তুলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। রাজনৈতিক মহলে তো বটেই, অনেক সাধারণ মানুষের মনেও মুকুল রায়ের দলত্যাগে দলে এবং রাজ্য রাজনীতিতে আদপেও কোনও প্রভাব পড়ে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিশদ

10th  October, 2017
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৮ অক্টোবর (পিটিআই): হিমাচল প্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৬৮টি আসনেই বুধবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বিজেপি। তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রেমকুমার ধুমল ও রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি সতপাল সিং সাত্তির। ...

 বাংলা নিউজ এজেন্সি: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্প আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রতি স্বীকৃতি পেয়েছে। এরপর রাজ্য জুড়ে বহু পুজো কমিটি কন্যাশ্রীকে থিম করে চমক দিয়েছে। এবার দীপাবলী ও ভ্রাতৃদ্বিতীয়ায় স্পেশাল মিষ্টি হিসাবে কোচবিহারের বাজারে এসেছে ‘কন্যাশ্রী অনন্যা’ সন্দেশ। ...

 পেশোয়ার, ১৮ অক্টোবর (পিটিআই): মারা পড়ল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার খলিফা উমর মনসুর। ২০১৪ সালে পেশোয়ারের স্কুলে ভয়াবহ হামলার মূল চক্রী ছিল এই তালিবান কমান্ডার। ওই ঘটনায় মোট ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: বুধবার মেদিনীপুরে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ঝাড়গ্রাম জেলার উন্নয়নমূলক কাজকর্মের পর্যালোচনায় বৈঠক ডাকা হয়। নতুন জেলার উন্নয়নে গতি আনতে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকের মাথায় পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসককে বসিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গবেষণামূলক কাজে সাফল্য লাভ। কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভের ইঙ্গিত। বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হবার সম্ভাবনা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫০: কোরিয়ার যুদ্ধে যোগ দিল গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্রসংঘের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযানে অংশ নিতে ইয়ালু নদী পার হল চীনের এক হাজার সেনা।
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওল জন্মগ্রহণ করেন
২০০৫: মানবতা বিরোধী অপরাধে সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হল বাগদাদে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৯২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ঘ ১২/৪২, নক্ষত্র-হস্তা, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৫/২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। সন্ধ্যা ঘ ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৬ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।

দীপান্বিতা কালীপুজো
 
১ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ১১/৫১/১০, নক্ষত্র-হস্তানক্ষত্র রাত্রি ৭/৪৪/৩৯, সূ উ ৫/৩৮/২, অ ৫/৪/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৯/৩, ১/১৫/৫৯-২/৪৭/৩৪, রাত্রি ৫/৫৫/১০-৯/১৫/৫৯, ১১/৪৬/৩৬-৩/৭/২৫, ৩/৫৭/৩৮-৫/৩৮/৩৩, বারবেলা ৩/৩৯/৬-৫/৪/৫৮, কালবেলা ২/১৩/১৪-৩/৩৯/৬, কালরাত্রি ১১/২১/৩০-১২/৫৫/৩৮।

দীপান্বিতা কালীপুজো
২৮ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হন্ডুরাসকে হারিয়ে শেষ আটে ব্রাজিল
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:58:14 PM

  পূর্ব মেদিনীপুরে ছুরি মেরে সোনা লুঠ
আজ সন্ধ্যায় খদ্দের সেজে এসে দোকানদারকে ছুরি ...বিশদ

18-10-2017 - 09:57:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ৩ হন্ডুরাস: ০ (৫৫ মিনিট )
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:20:52 PM

  অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (৪৩ মিনিট)
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:55 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (প্রথমার্ধ )

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ১ হন্ডুরাস: ০ (১১ মিনিট)

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:17:43 PM

নাইজেরকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ঘানা

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ নভি মুম্বইয়ে ডঃডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 07:04:08 PM