বিশেষ নিবন্ধ
 

যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
যোগাসন ভারতের পরম্পরা, হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের মুনি-ঋষিরা এর চর্চা করেছেন, যোগাসনের উন্নতি সাধন করেছেন, নীরোগ থেকে শতবর্ষ আয়ু পেয়েছেন। উল্লেখ্য, দেবাদিদেব ‘মহাযোগী মহেশ্বর’ আমাদের এ দেশের আরাধ্য দেবতা।
যোগাসনে যে শুধু শরীর এবং মন নীরোগ রাখে তা-ই নয়, চারিত্রিক শুচিতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, শরীর নীরোগ, স্মরণশক্তি এবং কর্মপটুত্ব বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। আজ আমাদের দেশের শহরগুলিতে জলাশয় বন্ধ করে, গাছপালা কেটে, কংক্রিটের জঙ্গল তৈরি হয়েছে, খেলার মাঠ দখল হয়ে আবাসন প্রকল্প হয়েছে, পাড়ায় শিশুদের খেলাধুলার আর জায়গা নেই, তার স্থান করে নিয়েছে কম্পিউটার গেম। শরীর চর্চার সুযোগ অনেক কমে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় মাল্টিজিম শরীর চর্চায় সহায়তা করছে, কিন্তু তা অধিকাংশের কাছেই অধরা আর তা মেধার উন্নতি, মানসিক বিকাশ এবং চারিত্রিক উন্নতির হয়তো তেমন সহায়ক নয়, খেলাধুলার বিকল্পও নয়। তাই একেবারে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তর থেকেই ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য যোগ ব্যায়ামের সুযোগ থাকা উচিত।
গত দু’বছর ধরে ভারতে প্রতিটি রাজ্যের জনগণ ‘বিশ্ব-যোগদিবসে’ যোগাসনে অংশগ্রহণ করছেন এবং তাদের সংখ্যা দু’কোটিরও বেশি, আর প্রধানমন্ত্রী নিজে এবং বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও জনগণের মধ্যে যোগাসনে অংশগ্রহণ করে জনগণকে উৎসাহিত করেছেন। আমাদের দক্ষিণ কলকাতায় বাবা রামদেবের নিজের হাতে শিক্ষণপ্রাপ্ত মণিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পতঞ্জলি যোগপীঠের ৩০টি যোগাসন কেন্দ্র আছে। ওখানে বিদ্যুৎ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ মাসে মাত্র ১০ টাকা দিতে হয়, শিক্ষকরা কোনও পয়সা নেন না। ওখানে দেখেছি বহু লোক, বিশেষত মহিলা, প্রায় চলচ্ছক্তিহীন অবস্থায় যোগাসন শুরু করে আজ প্রায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন। বিভিন্ন অসুখের জন্য তাঁদের ওষুধ খাবার পরিমাণও অনেক কমে গিয়েছে। দেশজুড়ে সবাই যদি যোগাসন আর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারতেন তাহলে সবাই যথেষ্ট সুস্থ থাকতেন, হাসপাতালের ভিড় কম হত; অবশ্য লক্ষ কোটি টাকার চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যাবসা মারাত্মকভাবে মার খেত।
একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, এই যোগা সেন্টারগুলিতে কিন্তু বয়স্কদেরই ভিড়, তাঁরা শেষ জীবনে নানান অসুখ-বিসুখে ভুগে প্রায় চলচ্ছক্তিহীন হয়ে তা থেকে উদ্ধার পেতে যোগাসনের আশ্রয় নিয়েছেন। অল্পবয়সিরা, শিশুরা এতে যোগদান করলেও কয়েকদিন পরেই আর তাদের দেখা মেলে না। এর কারণ অনুধাবন করা দরকার। অল্পবয়সি এবং শিশুদের জন্য আলাদাভাবে শিক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত। প্রাণ-ভরপুর শিশুদের শরীর এবং মন সদা চঞ্চল; তারা এক জায়গায় বেশি সময় স্থির থাকতে পারে না। তাদের জন্য যোগার ক্লাসের সময় হতে হবে অনেক কম, যোগার সঙ্গে খেলাকেও মিলিয়ে দিতে হবে যাতে তাদের কাছে তা উপভোগ্য হয়। আজকের পরিবেশ দূষণের জন্য শিশুদের জন্য যোগা-চর্চা একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। যোগা পরিচালকবর্গের অবিলম্বে শিশুদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয় প্যাকেজ তৈরি করে শিশুদের যোগশিক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত।
আজ প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বিশ্ব-যোগাদিবস নিয়ে উদ্দীপনার ফলে সারা বিশ্ব ভারতীয় যোগার উপকারিতা সম্পর্কে অবগত হয়েছে; বিভিন্ন দেশে ভারত থেকে যোগা বিশেষজ্ঞরা গিয়ে যোগদিবসের যোগাসন পরিচালনা করেছেন, তাঁদের প্রয়াস প্রশংসিত হয়েছে।
কোনও কোনও রাজনৈতিক নেতার চোখে যোগা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মাতামাতি অর্থহীন। তাঁদের মতে, আমাদের প্রধান সমস্যা হল খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, কর্মসংস্থান— তাই সরকারের শুধু এইসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। ওই রাজনীতিবিদরা কিন্তু যোগা নিয়ে বিশ্বজুড়ে এই মাতামাতির সু-স্বাস্থ্যের দিক এবং ব্যাবসায়িক দিকটা এড়িয়ে গিয়েছেন। যোগা ভারতবর্ষের মুনি-ঋষিদের হাজার হাজার বছর ধরে চর্চার অবদান, ভারতের অমূল্য সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্বকে ভারতবর্ষের এই যোগা-সম্পদ সম্পর্কে অবহিত করে সারা বিশ্বে যোগা চর্চার দ্বার উদ্ঘাটন করে দিয়েছেন। ফলে আজ ভারতের জন্য অভাবনীয় ‘যোগা-ট্যুরিজমে’র দ্বার উদ্ঘাটিত হয়ে গিয়েছে। কল্পনা করুন, সারা বিশ্বের জনসংখ্যার ভগ্নাংশও যদি ‘যোগার’ মাধ্যমে সুস্থ থাকতে চান তাহলে তাঁদের প্রশিক্ষণের জন্য কত লক্ষ যোগা-শিক্ষকের দরকার হবে, কত লক্ষ যোগা-ম্যাট লাগবে, যোগা ট্যুরিজমের জন্য থাকা-খাওয়ার কী বিপুল কর্মকাণ্ডের দরকার হবে, দেশে ফেরার পথে তাঁরা এদেশ থেকে কী বিপুল পরিমাণ মার্কেটিং করে নিয়ে যাবেন আর তার ফলে কী বিপুল পণ্যের চাহিদা তৈরি হবে, তাতে কত কর্মসংস্থান হবে!
আজ অবিলম্বে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকদের যোগের প্রশিক্ষণ দিয়ে অসংখ্য যোগা-শিক্ষক তৈরি করা দরকার, আর দরকার ওই সব অঞ্চলে পেয়িং-গেস্ট ট্যুরিজমের ব্যবস্থা করা যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় লোকেরাই উপকৃত হন। সমস্ত রাজ্য সরকারের উচিত এই পেয়িং-গেস্ট হাউসগুলির ডিজাইন এবং নর্ম তৈরি করা, ট্যুরিজমের জন্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে খাদ্য পরিবেশন করার জন্য স্থানীয় লোকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। সারা দেশজুড়ে যে হাজার হাজার যোগা সেন্টার আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষকদের নথিভুক্ত করা। পর্যটকরা ‘যোগা-ট্যুরিজমে’র জন্য পেয়িং-গেস্ট হিসাবে এখানে এসে যোগ শিক্ষা করে ভারত ভ্রমণ করে তাঁদের দেশে ফিরে যাবেন, সুস্থ জীবনযাপন করবেন। একবার কল্পনা করা যাক, বিদেশিরা দমদম বিমান বন্দরে এসে নামলেন। সেখান থেকে চলে গেলেন নামখানা, থাকলেন কোনও গ্রামে পেয়িং-গেস্ট হিসাবে। সেখানে তাঁরা ট্রেনারের সাহচর্যে সকালে যোগা করে সুন্দরবন ভ্রমণে বের হলেন। সুন্দরবন ভ্রমণের সময় প্রতিদিন লঞ্চেই যোগা শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে যোগা সারলেন। এরপর নৌকা ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় দর্শনীয় স্থানগুলি দেখা আর শপিং, আর প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় যোগা করতে করতে নবদ্বীপ, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং হয়ে ফেরার পথে একইভাবে অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলি দেখলেন, যোগা করলেন এবং ফিরে এলেন দমদম। এরপর হয়তো বা তাঁরা ভারত ভ্রমণ করবেন। এই ভ্রমণ তাঁদের সারা জীবন মনে থাকবে।
রাজ্য সরকারগুলির উচিত এই ব্যাপারে প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রী এবং সরকারি আধিকারিকদের বিবৃতির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা এবং পরীক্ষামূলকভাবে প্রকল্প শুরু করা এবং ধীরে ধীরে প্রকল্পের ফাইন টিউন করা।
১৯৯০-এর দশকে আমাদের অফিসের এক সেমিনারে আইআইএম কলকাতার ডিরেক্টর বলেছিলেন, প্রতি বিদেশি পর্যটকপিছু নাকি প্রায় ৪টি কর্ম-দিবস তৈরি হয়! তাছাড়া আমাদের দেশীয় বহু পর্যটকও এতে অংশগ্রহণ করবেন। ফলে লক্ষ লক্ষ স্থানীয় লোকের কর্মসংস্থান হতে পারবে এবং এর জন্য কোনও রকম জমি অধিগ্রহণ দরকার হবে না, পেয়িং-গেস্ট ট্যুরিজমের জন্য তেমন বিশাল মূলধনও লাগবে না, আর পতঞ্জলি যোগপীঠের কল্যাণে এই দেশে যোগা শিক্ষকেরও অভাব হবে না। পর্যটক আসায় এই দেশের বিক্রিবাটাও বহুগুণ বাড়বে। এখন দেখার, উপযুক্ত বিজ্ঞাপন এবং মানব-সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এই বিশাল ‘যোগা-ট্যুরিজম’ সাম্রাজ্যের কতটা কোন রাজ্য অধিকার করতে পারে।


 লেখক দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (সেইল)  প্রাক্তন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রজেক্ট)
20th  June, 2017
২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার
মেরুনীল দাশগুপ্ত

কিন্তু, একজন ব্যক্তিকে অবলম্বন করে এমন সহজ অঙ্কে তৃণমূল ভাঙার খোয়াব যাঁরা দেখছেন তাঁরা পা দুটো বাস্তবের মাটিতে ঠেকালেই বুঝবেন—অঙ্কটা চট করে মেলার সম্ভাবনা একরকম নেই। কারণ, তৃণমূল মানে মমতা, মমতাই তৃণমূল—তৃণমূল ভাঙতে হলে তো মমতাকে ভাঙতে হয়—তাঁকে ভাঙবে সাধ্য কার! রাজনীতিতে বাঘ-বাহাদুরের অভাব কোনও কালেই ছিল না, একালেও নেই। তবে তাদের অধিকাংশই নিজেদের শেষপর্যন্ত মুখসর্বস্ব প্রমাণ করে গেছেন, আজও তার বিশেষ অন্যথা হয় না।
বিশদ

12th  October, 2017
‘গ্রাম্য সড়কে’ রাজ্য অর্ধেক ব্যয় বহন করেও বামেদের চেয়ে দ্বিগুণ সফল
দেবনারায়ণ সরকার

তৃণমূল সরকারের প্রথম ৪ বছরে (২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় পশ্চিমবঙ্গে মোট ৭৪৩৬.৪১ কিলোমিটার গ্রাম্য সড়ক তৈরি হয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০০০ অর্থবর্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা শুরু হবার পরে ২০০১-০২ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের শেষ পর্যন্ত এই প্রকল্পের সমস্ত ব্যয়ভার (১০০ শতাংশ) বহন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করা সত্ত্বেও তৃণমূল সরকার প্রথম ৪ বছরে গড়ে প্রতি বছরে ১৮৫৯ কিলোমিটার গ্রাম্য রাস্তা তৈরি করেছে।
বিশদ

12th  October, 2017
মমতার অন্তর্ভুক্তিকরণ রাজনীতি ও উন্নয়নেই মুকুলের ঝরে পড়ার আশঙ্কা
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

শারদ উৎসব পর্বে মুকুল রায়ের দলত্যাগের ঘোষণা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘটনা আপাতত স্থিতিশীল রাজ্য রাজনীতিতে সামান্য পরিমাণে হলেও যে ঢেউ তুলেছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। রাজনৈতিক মহলে তো বটেই, অনেক সাধারণ মানুষের মনেও মুকুল রায়ের দলত্যাগে দলে এবং রাজ্য রাজনীতিতে আদপেও কোনও প্রভাব পড়ে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন লক্ষ করা যাচ্ছে।
বিশদ

10th  October, 2017
একনজরে
দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: বুধবার থেকেই কালীপুজোয় মেতে উঠেছে দমদম থেকে রাজারহাট। অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের মধ্যেই কালীপুজোতেও জমজমাট সল্টলেক। বিশ্বকাপ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আলোর রোশনাইয়ে ভরে ...

 পেশোয়ার, ১৮ অক্টোবর (পিটিআই): মারা পড়ল তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার খলিফা উমর মনসুর। ২০১৪ সালে পেশোয়ারের স্কুলে ভয়াবহ হামলার মূল চক্রী ছিল এই তালিবান কমান্ডার। ওই ঘটনায় মোট ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ...

 সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নর্থবেঙ্গল টেবল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আগামী ২৩ থেকে ২৮ অক্টোবর শিলিগুড়ি ইনডোর স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিকমানের টেবল টেনিস প্রতিযোগিতার আসর বসছে। এর জন্য শিলিগুড়ি পুরসভাকে আয়োজকদের ৯০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: বুধবার মেদিনীপুরে জেলাশাসকের কার্যালয়ে ঝাড়গ্রাম জেলার উন্নয়নমূলক কাজকর্মের পর্যালোচনায় বৈঠক ডাকা হয়। নতুন জেলার উন্নয়নে গতি আনতে ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকের মাথায় পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসককে বসিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গবেষণামূলক কাজে সাফল্য লাভ। কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভের ইঙ্গিত। বন্ধুর দ্বারা প্রতারিত হবার সম্ভাবনা। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫০: কোরিয়ার যুদ্ধে যোগ দিল গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্রসংঘের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিযানে অংশ নিতে ইয়ালু নদী পার হল চীনের এক হাজার সেনা।
১৯৫৬: বলিউড তারকা সানি দেওল জন্মগ্রহণ করেন
২০০৫: মানবতা বিরোধী অপরাধে সাদ্দাম হুসেনের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হল বাগদাদে

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,০৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৯২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ঘ ১২/৪২, নক্ষত্র-হস্তা, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৫/২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। সন্ধ্যা ঘ ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৬ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।

দীপান্বিতা কালীপুজো
 
১ কার্তিক, ১৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, অমাবস্যা রাত্রি ১১/৫১/১০, নক্ষত্র-হস্তানক্ষত্র রাত্রি ৭/৪৪/৩৯, সূ উ ৫/৩৮/২, অ ৫/৪/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/৯/৩, ১/১৫/৫৯-২/৪৭/৩৪, রাত্রি ৫/৫৫/১০-৯/১৫/৫৯, ১১/৪৬/৩৬-৩/৭/২৫, ৩/৫৭/৩৮-৫/৩৮/৩৩, বারবেলা ৩/৩৯/৬-৫/৪/৫৮, কালবেলা ২/১৩/১৪-৩/৩৯/৬, কালরাত্রি ১১/২১/৩০-১২/৫৫/৩৮।

দীপান্বিতা কালীপুজো
২৮ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হন্ডুরাসকে হারিয়ে শেষ আটে ব্রাজিল
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:58:14 PM

  পূর্ব মেদিনীপুরে ছুরি মেরে সোনা লুঠ
আজ সন্ধ্যায় খদ্দের সেজে এসে দোকানদারকে ছুরি ...বিশদ

18-10-2017 - 09:57:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ৩ হন্ডুরাস: ০ (৫৫ মিনিট )
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 09:20:52 PM

  অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (৪৩ মিনিট)
অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:55 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ২ হন্ডুরাস: ০ (প্রথমার্ধ )

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল ...বিশদ

18-10-2017 - 08:49:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ: ব্রাজিল: ১ হন্ডুরাস: ০ (১১ মিনিট)

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ কোচির জওহরলাল নেহরু ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 08:17:43 PM

নাইজেরকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ঘানা

 অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে আজ নভি মুম্বইয়ে ডঃডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে গ্রুপ ...বিশদ

18-10-2017 - 07:04:08 PM