বিশেষ নিবন্ধ
 

যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
যোগাসন ভারতের পরম্পরা, হাজার হাজার বছর ধরে ভারতের মুনি-ঋষিরা এর চর্চা করেছেন, যোগাসনের উন্নতি সাধন করেছেন, নীরোগ থেকে শতবর্ষ আয়ু পেয়েছেন। উল্লেখ্য, দেবাদিদেব ‘মহাযোগী মহেশ্বর’ আমাদের এ দেশের আরাধ্য দেবতা।
যোগাসনে যে শুধু শরীর এবং মন নীরোগ রাখে তা-ই নয়, চারিত্রিক শুচিতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, শরীর নীরোগ, স্মরণশক্তি এবং কর্মপটুত্ব বাড়াতেও এর জুড়ি নেই। আজ আমাদের দেশের শহরগুলিতে জলাশয় বন্ধ করে, গাছপালা কেটে, কংক্রিটের জঙ্গল তৈরি হয়েছে, খেলার মাঠ দখল হয়ে আবাসন প্রকল্প হয়েছে, পাড়ায় শিশুদের খেলাধুলার আর জায়গা নেই, তার স্থান করে নিয়েছে কম্পিউটার গেম। শরীর চর্চার সুযোগ অনেক কমে গিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় মাল্টিজিম শরীর চর্চায় সহায়তা করছে, কিন্তু তা অধিকাংশের কাছেই অধরা আর তা মেধার উন্নতি, মানসিক বিকাশ এবং চারিত্রিক উন্নতির হয়তো তেমন সহায়ক নয়, খেলাধুলার বিকল্পও নয়। তাই একেবারে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তর থেকেই ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য যোগ ব্যায়ামের সুযোগ থাকা উচিত।
গত দু’বছর ধরে ভারতে প্রতিটি রাজ্যের জনগণ ‘বিশ্ব-যোগদিবসে’ যোগাসনে অংশগ্রহণ করছেন এবং তাদের সংখ্যা দু’কোটিরও বেশি, আর প্রধানমন্ত্রী নিজে এবং বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও জনগণের মধ্যে যোগাসনে অংশগ্রহণ করে জনগণকে উৎসাহিত করেছেন। আমাদের দক্ষিণ কলকাতায় বাবা রামদেবের নিজের হাতে শিক্ষণপ্রাপ্ত মণিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পতঞ্জলি যোগপীঠের ৩০টি যোগাসন কেন্দ্র আছে। ওখানে বিদ্যুৎ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ মাসে মাত্র ১০ টাকা দিতে হয়, শিক্ষকরা কোনও পয়সা নেন না। ওখানে দেখেছি বহু লোক, বিশেষত মহিলা, প্রায় চলচ্ছক্তিহীন অবস্থায় যোগাসন শুরু করে আজ প্রায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছেন। বিভিন্ন অসুখের জন্য তাঁদের ওষুধ খাবার পরিমাণও অনেক কমে গিয়েছে। দেশজুড়ে সবাই যদি যোগাসন আর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারতেন তাহলে সবাই যথেষ্ট সুস্থ থাকতেন, হাসপাতালের ভিড় কম হত; অবশ্য লক্ষ কোটি টাকার চিকিৎসা এবং ওষুধের ব্যাবসা মারাত্মকভাবে মার খেত।
একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, এই যোগা সেন্টারগুলিতে কিন্তু বয়স্কদেরই ভিড়, তাঁরা শেষ জীবনে নানান অসুখ-বিসুখে ভুগে প্রায় চলচ্ছক্তিহীন হয়ে তা থেকে উদ্ধার পেতে যোগাসনের আশ্রয় নিয়েছেন। অল্পবয়সিরা, শিশুরা এতে যোগদান করলেও কয়েকদিন পরেই আর তাদের দেখা মেলে না। এর কারণ অনুধাবন করা দরকার। অল্পবয়সি এবং শিশুদের জন্য আলাদাভাবে শিক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত। প্রাণ-ভরপুর শিশুদের শরীর এবং মন সদা চঞ্চল; তারা এক জায়গায় বেশি সময় স্থির থাকতে পারে না। তাদের জন্য যোগার ক্লাসের সময় হতে হবে অনেক কম, যোগার সঙ্গে খেলাকেও মিলিয়ে দিতে হবে যাতে তাদের কাছে তা উপভোগ্য হয়। আজকের পরিবেশ দূষণের জন্য শিশুদের জন্য যোগা-চর্চা একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। যোগা পরিচালকবর্গের অবিলম্বে শিশুদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয় প্যাকেজ তৈরি করে শিশুদের যোগশিক্ষার ব্যবস্থা করা উচিত।
আজ প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় বিশ্ব-যোগাদিবস নিয়ে উদ্দীপনার ফলে সারা বিশ্ব ভারতীয় যোগার উপকারিতা সম্পর্কে অবগত হয়েছে; বিভিন্ন দেশে ভারত থেকে যোগা বিশেষজ্ঞরা গিয়ে যোগদিবসের যোগাসন পরিচালনা করেছেন, তাঁদের প্রয়াস প্রশংসিত হয়েছে।
কোনও কোনও রাজনৈতিক নেতার চোখে যোগা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মাতামাতি অর্থহীন। তাঁদের মতে, আমাদের প্রধান সমস্যা হল খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, কর্মসংস্থান— তাই সরকারের শুধু এইসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। ওই রাজনীতিবিদরা কিন্তু যোগা নিয়ে বিশ্বজুড়ে এই মাতামাতির সু-স্বাস্থ্যের দিক এবং ব্যাবসায়িক দিকটা এড়িয়ে গিয়েছেন। যোগা ভারতবর্ষের মুনি-ঋষিদের হাজার হাজার বছর ধরে চর্চার অবদান, ভারতের অমূল্য সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্বকে ভারতবর্ষের এই যোগা-সম্পদ সম্পর্কে অবহিত করে সারা বিশ্বে যোগা চর্চার দ্বার উদ্ঘাটন করে দিয়েছেন। ফলে আজ ভারতের জন্য অভাবনীয় ‘যোগা-ট্যুরিজমে’র দ্বার উদ্ঘাটিত হয়ে গিয়েছে। কল্পনা করুন, সারা বিশ্বের জনসংখ্যার ভগ্নাংশও যদি ‘যোগার’ মাধ্যমে সুস্থ থাকতে চান তাহলে তাঁদের প্রশিক্ষণের জন্য কত লক্ষ যোগা-শিক্ষকের দরকার হবে, কত লক্ষ যোগা-ম্যাট লাগবে, যোগা ট্যুরিজমের জন্য থাকা-খাওয়ার কী বিপুল কর্মকাণ্ডের দরকার হবে, দেশে ফেরার পথে তাঁরা এদেশ থেকে কী বিপুল পরিমাণ মার্কেটিং করে নিয়ে যাবেন আর তার ফলে কী বিপুল পণ্যের চাহিদা তৈরি হবে, তাতে কত কর্মসংস্থান হবে!
আজ অবিলম্বে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকদের যোগের প্রশিক্ষণ দিয়ে অসংখ্য যোগা-শিক্ষক তৈরি করা দরকার, আর দরকার ওই সব অঞ্চলে পেয়িং-গেস্ট ট্যুরিজমের ব্যবস্থা করা যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় লোকেরাই উপকৃত হন। সমস্ত রাজ্য সরকারের উচিত এই পেয়িং-গেস্ট হাউসগুলির ডিজাইন এবং নর্ম তৈরি করা, ট্যুরিজমের জন্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে খাদ্য পরিবেশন করার জন্য স্থানীয় লোকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। সারা দেশজুড়ে যে হাজার হাজার যোগা সেন্টার আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষকদের নথিভুক্ত করা। পর্যটকরা ‘যোগা-ট্যুরিজমে’র জন্য পেয়িং-গেস্ট হিসাবে এখানে এসে যোগ শিক্ষা করে ভারত ভ্রমণ করে তাঁদের দেশে ফিরে যাবেন, সুস্থ জীবনযাপন করবেন। একবার কল্পনা করা যাক, বিদেশিরা দমদম বিমান বন্দরে এসে নামলেন। সেখান থেকে চলে গেলেন নামখানা, থাকলেন কোনও গ্রামে পেয়িং-গেস্ট হিসাবে। সেখানে তাঁরা ট্রেনারের সাহচর্যে সকালে যোগা করে সুন্দরবন ভ্রমণে বের হলেন। সুন্দরবন ভ্রমণের সময় প্রতিদিন লঞ্চেই যোগা শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে যোগা সারলেন। এরপর নৌকা ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় দর্শনীয় স্থানগুলি দেখা আর শপিং, আর প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় যোগা করতে করতে নবদ্বীপ, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং হয়ে ফেরার পথে একইভাবে অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলি দেখলেন, যোগা করলেন এবং ফিরে এলেন দমদম। এরপর হয়তো বা তাঁরা ভারত ভ্রমণ করবেন। এই ভ্রমণ তাঁদের সারা জীবন মনে থাকবে।
রাজ্য সরকারগুলির উচিত এই ব্যাপারে প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রী এবং সরকারি আধিকারিকদের বিবৃতির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করা এবং পরীক্ষামূলকভাবে প্রকল্প শুরু করা এবং ধীরে ধীরে প্রকল্পের ফাইন টিউন করা।
১৯৯০-এর দশকে আমাদের অফিসের এক সেমিনারে আইআইএম কলকাতার ডিরেক্টর বলেছিলেন, প্রতি বিদেশি পর্যটকপিছু নাকি প্রায় ৪টি কর্ম-দিবস তৈরি হয়! তাছাড়া আমাদের দেশীয় বহু পর্যটকও এতে অংশগ্রহণ করবেন। ফলে লক্ষ লক্ষ স্থানীয় লোকের কর্মসংস্থান হতে পারবে এবং এর জন্য কোনও রকম জমি অধিগ্রহণ দরকার হবে না, পেয়িং-গেস্ট ট্যুরিজমের জন্য তেমন বিশাল মূলধনও লাগবে না, আর পতঞ্জলি যোগপীঠের কল্যাণে এই দেশে যোগা শিক্ষকেরও অভাব হবে না। পর্যটক আসায় এই দেশের বিক্রিবাটাও বহুগুণ বাড়বে। এখন দেখার, উপযুক্ত বিজ্ঞাপন এবং মানব-সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এই বিশাল ‘যোগা-ট্যুরিজম’ সাম্রাজ্যের কতটা কোন রাজ্য অধিকার করতে পারে।


 লেখক দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (সেইল)  প্রাক্তন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রজেক্ট)
20th  June, 2017
পবন চামলিং কি খুদে নওয়াজ শরিফ হতে চান!
হারাধন চৌধুরী

যত সমস্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে। কোন মমতা? যিনি পাহাড়ের সব শ্রেণির মানুষের সব ধরনের সমস্যা অন্তর থেকেই বোঝার চেষ্টা করেছেন এবং একে একে সেগুলির সমাধান করার জন্যও নিরলসভাবে নির্ভীকভাবে পরিশ্রম করে চলেছেন। আগামী আগস্টেই শেষ হচ্ছে ‘নির্বাচিত’ জিটিএ-র মেয়াদ। ভয়টা এখানেই। চোখে অন্ধকার দেখছেন বিমল ও তাঁর দরদি বন্ধুগণ। মমতার এই নীতি এই রীতি অক্ষুণ্ণ থাকলে জিটিএ-তেও বিমলদের দবদবা বজায় থাকবে তো!
বিশদ

27th  June, 2017
কাশ্মীর প্রসঙ্গ: নতুন ভাবনার খোঁজে
গৌরীশঙ্কর নাগ

 কিছুদিন হল ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সামরিক মেঘ সঞ্চার করেছে। পাকিস্তানের জেলে সর্বজিতের অকাল মৃত্যুর জের কাটতে না কাটতেই কূলভূষণ যাদবের ফাঁসি স্থগিত নিয়ে হারা-জেতার পারস্পরিক দড়ি টানাটানিতে ভারত-পাক সম্পর্ক আর আটকে নেই। বিশদ

27th  June, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

25th  June, 2017
রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা নিয়ে তা করে দিতে না পারায় পুলিশ মঙ্গলবার ...

 সুকান্ত বসু, কলকাতা: ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা ছাড়াই রাজ্যের সিংহভাগ মহকুমা দায়রা আদালতে চলছে ‘দি প্রোটেকশন অব চিল্ডড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যাক্ট, ২০১২’ বা ‘পকসো’ মামলার ...

ওয়াশিংটন ও বেইরুট, ২৭ জুন (এএফপি): ফের আর একটি রাসায়নিক হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে সিরিয়া। বিদ্রোহীদের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিক ও শিশুদের খতম করতেই এই হামলা ...

  সংবাদদাতা, কাঁথি: নিখোঁজ এক গৃহবধূকে উদ্ধার করল খেজুরি থানার পুলিশ। ওই গৃহবধূর বাড়ি খেজুরির বারাতলা গ্রামে। তাঁকে কলকাতা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করেন। তারপর তাঁকে স্বামীর হেপাজতে তুলে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। হিসেব করে চললে তেমন আর্থিক সমস্যায় পড়তে হবে না। ব্যাবসায় উন্নতি ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২১- ভারতের নবম প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের জন্ম
১৯৪০- নোবেলজয়ী বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুসের জন্ম
১৯৭২- বিজ্ঞানী ও পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের জন্ম




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬৫ টাকা ৬৫.৩৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৮ টাকা ৮৩.৪৬ টাকা
ইউরো ৭০.৯৭ টাকা ৭৩.৩৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১৩ আষাঢ়, ২৮ জুন, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ৬/৩৩, মঘানক্ষত্র রাত্রি ৭/১৭, সূ উ ৪/৫৮/২৫, অ ৬/২০/৫৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯-১১/১২ পুনঃ ১/৫৩-৫/২৭ রাত্রি ৯/৫৩ পুনঃ ১২/১-১/২৬, বারবেলা ৮/১৯-৯/৫৯ পুনঃ ১১/৩৯-১/২০, কালরাত্রি ২/১৯-৩/৩৮।

১৩ আষাঢ়, ২৮ জুন, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ১১/১৩/১২, মঘানক্ষত্র রাত্রি ১২/১৬/৩৩, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/২২/২৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭/৩৫-১১/১২/৩, ১/৫৩/৪৪-৫/২৮/৪০ রাত্রি ৯/৫৩/৪৪, ১২/০/৩২-১/২৫/৪, বারবেলা ১১/৩৯/২৪-১/২০/৯, কালবেলা ৮/১৭/৫৩-৯/৫৮/৩৯, কালরাত্রি ২/১৭/৫৪-৩/৩৭/৯।
৩ শওয়াল

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
বিকল লরি, এজেসি বসু রোড ফ্লাইওভারে যানজট 
কলকাতা পুরসভার একটি লরি বিকল হয়ে যাওয়ার জন্য এজেসি বসু রোড ফ্লাইওভারের পশ্চিম অভিমুখে ব্যাপক যানজট রয়েছে। 

12:08:03 PM

সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল 
কলকাতায় সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিলেন নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েল। এদিন সকালে সিবিআই দপ্তরে আসেন তিনি। ম্যাথু জানান, সিবিআই তাঁকে ডেকেছিল। তাই হাজিরা দিতে এসেছেন। একটি তোলাবাজির মামলায় তাঁকে এদিন ফের মুচিপাড়া থানায় যেতে হবে বলেও সিবিআইকে জানিয়েছেন তিনি। এদিনই পরে কলকাতা হাইকোর্টেও যাবেন তিনি। 

11:58:44 AM

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিলেন মীরা কুমার 

11:27:52 AM

কুলটিতে বাসের ধাক্কায় বাইক চালকের মৃত্যু, পথ অবরোধ 

11:20:00 AM

দার্জিলিংয়ে রাতের অন্ধকারে জিটিএ-র ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসে আগুন মোর্চার 

11:11:49 AM

খড়্গপুরে পুলকার দুর্ঘটনায় জখম ১১ 
খড়্গপুরের বেনাপুরের কাছে একটি পুলকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা মারলে ১১জন পড়ুয়া জখম হয়। তাদের খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দু'জনকে কলকাতা পাঠানো হয়েছে। 

10:26:54 AM