বিশেষ নিবন্ধ
 

রিঙ্কু, রিঙ্কুর মা এবং বাবুবিবি বৃত্তান্ত
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

আধুনিক নাগরিক সমাজে ‘গেটেড সোসাইটি’ বলে যা পরিচিতি পেয়েছে, রাজধানী ও তার আশপাশে এইরকম কিছু আবাসনে ইদানীং কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে। শেষ ঘটনাটা চিন্তাজনক।
এই আবাসনগুলি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা এবং তাতে ঢোকা ও বেরনো মোটেই চাট্টিখানি কথা নয়। প্রাইভেট সিকিউরিটি গার্ড চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকে। গোটা আবাসন সিসিটিভির নজরবন্দি। কারও কাছে যেতে গেলে সিকিউরিটি আগে ইন্টারকমে জানতে চাইবে। অনুমতি পেলে তবেই ছাড়পত্র। তবে তার আগে ভিজিটর বুকে নাম-ধাম লেখা বাধ্যতামূলক। অনেক হ্যাপা। আবাসনের অভ্যন্তর সাধারণত বেশ ঝকঝকে-তকতকে। সে জন্য আবাসিকদের মাসিক মূল্য ধরে দিতে হয়। কলকাতাতেও এমন আবাসন এখন অনেক।
দিল্লি এবং তার লাগোয়া নয়ডা ও গুরুগ্রামের (আগে নাম ছিল গুরগাঁও) বেশ কিছু আবাসন তাদের মতো করে কিছু নিয়ম সৃষ্টি করেছে। যেমন, কোথাও নিয়ম রয়েছে পোষ্য হিসেবে কুকুর রাখা চলবে না। কেননা তারা নাকি সকাল-সন্ধে আবাসন নোংরা করে। পলিথিন বোঝাই কুকুরের ‘পটি’ এখানে-সেখানে দেখা যায়। কাদের কুকুর বা তার মালিক/মালকিন এই অপকম্মটি করছে তা বোঝা দুষ্কর বলে এই নিয়ম। দেশ যেহেতু গণতান্ত্রিক এবং যেহেতু আবাসনের বেশিরভাগ গৃহেই এমন ‘অবলা পোষ্য’ নেই, তাই গভর্নিং বডির বৈঠকে অধিকাংশের মতোই প্রাধান্য পেয়েছে।
কিছু আবাসন আবার অবিবাহিত ছেলে বা মেয়েকে ভাড়া না-দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ সহজেই অনুমেয়। কোনও কোনও আবাসন আবার আফ্রিকানদের ওপর বেজায় খাপ্পা। তাদের সংস্কৃতি, উদ্দাম জীবন দর্শন ‘ভারতীয়ত্বের সঙ্গে বেমানান’ বলে। প্রতিটি সিদ্ধান্তই কিন্তু গণতান্ত্রিক উপায়ে গৃহীত। এ নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচনা যে হয়নি বা হচ্ছে না তা নয়। কিন্তু আবাসিকেরা যদি সিদ্ধান্ত নেন, সরকারের কীই বা বলার থাকে?
ক’দিন আগে নয়ডায় যে-ঘটনাটা ঘটল সেটা কিন্তু অন্য ধরনের এবং চিন্তাজনক। কাগজে পড়লাম, চুরির অভিযোগে এক গৃহকর্তা ও তাঁর পরিচারিকার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ, পরিচারিকাটি নাকি অনেকক্ষণ ‘নিখোঁজ’ ছিলেন এবং গৃহকর্তার গাড়ির ‘বুট’ থেকে নাকি তাঁকে পাওয়া যায়। পুলিশ অবশ্য জানায়, পরিচারিকাটিকে তাঁর ঝুপড়ি-ঝুগ্গিতেই দেখা গিয়েছে। এর পরের ঘটনা হল মারাত্মক। ঝুপড়িবাসী মানুষ লাঠি, রড, কাঠের টুকরো ও ইটপাটকেল নিয়ে আবাসন আক্রমণ করেন। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে তাঁদের মারপিট হয়। অনেকেই আহত। তারপর পুলিশ ও আদালত।
এই ঘটনার পরেই ওই আবাসন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, সেখানে কোনও বাংলাদেশিকে আর কখনও পরিচারক বা পরিচারিকা অথবা পাহারাদার কিংবা ড্রাইভারের কাজে বহাল করা হবে না। কারণ, ‘ওরা নাকি স্বভাবগতভাবে ঝঞ্ঝাটের মানুষ এবং অবিশ্বাসী।’
যাঁর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ, তিনি মুসলমান, বাঙালি এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা। আবাসনের বাঙালি আবাসিকদের ঘোরতর সন্দেহ, আদতে তাঁরা বাংলাদেশি।
অস্বীকার করার উপায় নেই, দিল্লির কিছু কিছু এলাকায় বাংলাদেশি বোঝাই। নয়ডাসহ দিল্লি-লাগোয়া উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানার কোনও কোনও এলাকাতেও। মাঝে মাঝেই এই বিদেশিদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান চলে। কিন্তু তাতে বিশেষ কিছুই হয় না। আমাদের দেশের রাজনীতি ও পুলিশি-চরিত্র ওই বিশেষ কিছু না-হওয়ার প্রধান কারণ। তাছাড়া ‘বাংলাদেশি ধরো’ অভিযানকে কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ‘বাঙালি ধরো’ বলে তকমা দিয়ে তা প্রতিরোধে এগিয়েও আসে। মানবাধিকার কর্মীরাও তাঁদের পাশে দাঁড়ান। অভাবী এই মানুষজন পেটের দায়ে চলে এসে রাজধানীর ‘ডোমেস্টিক হেল্প’-এর বিপুল চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করছেন। পুরানো দিল্লির প্রতি পাঁচজন রিকশ চালকের একজন বাঙালি। বাঙালি সিকিউরিটি গার্ডও অগুনতি।
রাজধানীর আশপাশে চলে আসা সব বাংলাদেশিই যে বাঙালি তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সব বাঙালিই বাংলাদেশি নন। পশ্চিবঙ্গের সীমান্তবর্তী নদীয়া, দুই চব্বিশ পরগনা, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রতিদিন কিছু না কিছু দরিদ্র কিশোরী ও যুবতী আড়কাঠির হাত ধরে দিল্লি আসছে। এদের কেউ কেউ পরিচারিকা হয়ে ভালোমন্দ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে, কারও কারও জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। শারীরিক ও মানসিক শোষণের শিকার হয়ে কেউ কেউ আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছে। কারও স্থান হয়েছে বেশ্যাপল্লিতে। কে বাঙালি, কে বাংলাদেশি, কে মুসলমান, কেই বা হিন্দু আড়কাঠিদের কাছে এসব বিচার অবান্তর। তাদের মন নেই। মানবিকতার ধারও তারা ধারে না। তারা জানে একটা মেয়ে পাচার করতে পারলে তারাও ক’টা মাস নিশ্চিন্তে খেতে পারবে।
সেদিন নয়ডায় এক পরিচিতের বাড়ি গিয়েছিলাম। সে বাড়ির পরিচারিকা মা ও মেয়ে। দু’জনে ভাগাভাগি করে কাজ করে। বাঙালি। কিশোরীটির নাম রিঙ্কু, তার মা ‘রিঙ্কুর মা’। কথায় কথায় রিঙ্কুর মা স্বীকার করলেন, তাঁরা বাংলাদেশি। পেটের দায়ে দেশত্যাগী হয়েছেন। রিঙ্কুর বাবা দেশে মাছ ধরতেন, এখন গাজিয়াবাদের মাছের মন্ডিতে সকালবেলায় কাজ করেন। বাকি সময় রিকশ চালান। সেই রিকশর মালিক আবার পুলিশ। ধরপাকড়ের সম্ভাবনা তাই কম।
সহানুভূতিশীলের কাছে দুর্গত সব সময়েই আশ্রয় খোঁজে। রিঙ্কুর মাও তাই অকপট। বললেন, ইদানীং খরচ ও ভয় খুব বেড়ে গেছে। সস্তার গো-মাংস অমিল। মোষের মাংস যেটুকু পাওয়া যায় লুকিয়ে-চুরিয়ে। অচেনাদের কাছে মুসলমান পরিচয় গোপন রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। ধরা পড়ার চেয়ে মার খেয়ে মরার ভয় দিন দিন বেশি জাঁকিয়ে বসছে।
আমি হাঁ করে রিঙ্কুর মায়ের কথা শুনতে শুনতে আগডুম বাগডুম কত কিছু ভাবি। ভাবতে ভাবতে ভেসে উঠল দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (কনসুলার) মোশারফ হোসেনের মুখ। ক’দিন আগেই ডেপুটি হাই কমিশনার সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরিকে নিয়ে তিনি পুনে গিয়েছিলেন দুর্গতদের উদ্ধার করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে। বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার মোশারফ ভাই সেই কাহিনি শোনাচ্ছিলেন। শুনতে শুনতে চোখে জল এসে যাচ্ছিল। আড়কাঠি ও পাচারকারীদের মন থাকে না। আবেগও নয়। কারও কান্না তাদের মন ছোঁয় না। কাউকে গৃহহীন করে পাতালে নিক্ষেপ করতে তাদের মায়া হয় না।
মোশারফ ভাই কেরল গিয়েছেন। বেঙ্গালুরু। পুনে। পাঞ্জাবেও। বাংলাদেশিদের শনাক্ত করে তাদের ফেরত পাঠানোর হ্যাপা প্রচুর। তবু তিনি তাঁর মতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে চারশো পুরুষ ও নারী বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ তিনি শেষ করতে পেরেছেন। যাঁরা যাচ্ছেন তাঁদের কেউ কেউ স্ব-ইচ্ছায়। কেউ ধরা পড়ে বাধ্য হয়ে। কেউ বা স্রেফ অনিচ্ছায়।
অনিচ্ছায়, কেননা, এত কাঠখড় পুড়িয়ে এত চোখ এড়িয়ে এত খরচ করে ভারতে এসে ফের দেশের অনিশ্চিত জীবনে কেইবা ফিরে যেতে চায়?
বাংলাদেশের রাজনীতিকবৃন্দ এবং সরকার ভারতে ‘লাগামহীন’ অনুপ্রবেশের তত্ত্ব প্রকাশ্যে মানতে নারাজ। অথচ অসম ও পশ্চিমবঙ্গের ছবি এবং অভিজ্ঞতা ভিন্ন। সত্যটা ভারতের দক্ষিণপন্থী রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের সরকারি কর্তাদের পরস্পর-বিরোধী দাবির মধ্যবর্তী কিছু একটা।
আমি বরং বাংলাদেশের উপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাম্প্রতিক চাপ সৃষ্টির কাহিনিটা শোনাই। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ডিঙি নৌকায় ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে অবৈধভাবে পাড়ি দেওয়া বাংলাদেশিদের রমরমায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বিগ্ন। তাদের প্রস্তাব, গ্রেপ্তার করা বাংলাদেশিদের পরিচয় জানানোর আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারকে তাদের পরিচয় সম্পর্কে ইইউকে নিশ্চিত করতে হবে। না হলে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। আপাতত এ নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপান-উতোর চলছে।
অনুপ্রবেশ নিয়ে ভারতীয় রাজনীতিকদের দাবি যত সহজে পাশ কাটানো সম্ভব, এক্ষেত্রে অস্বীকার করা ততটাই কঠিন। আমার চোখে এসব ছাপিয়ে ভেসে ওঠে বেঁচে থাকার তাগিদে প্রাণ হাতে করে ডিঙি নৌকোয় সাগরপাড়ের দুঃসাহস। কিংবা পেটের খিদে মেটাতে কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে দেশান্তরী মানুষদের মনুষ্যেতর জীবনযাপনের অন্ধকারে মাখামাখি হওয়ার কাহিনি।
বাংলাদেশিদের কাজে বহাল না করার যে-সিদ্ধান্ত নয়ডার ‘গেটেড সোসাইটি’ নিয়েছে, তা আদৌ কত দিন মানা যাবে সন্দেহ। বাংলাদেশিদের সস্তার শ্রম অচ্ছুৎ হলে ফ্ল্যাটবাসীদেরও যে চিল-চিৎকার শোনা যাবে না, কে তা বলতে পারে? আমি ভাবছি অন্য কথা। এইসব শ্রমজীবীকে সপ্তাহান্তে এক দিন ছুটি দিতেও ফ্ল্যাটবাড়ির বাবু ও বিবিরা বাড়াবাড়ি মনে করেন। তাঁদের ছুটি চাইতে নেই, অসুখ হতে নেই, শখ-আহ্লাদ করতে নেই, বাড়তি টাকা দাবি করতে নেই, স্বপ্ন দেখতে নেই, নিদেনপক্ষে পেট চালানোর মতো অর্থ দাবি করার মুরোদও দেখাতে নেই। বাবু-বিবিদের করুণা, কিছু উচ্ছিষ্ট ও সময়-অসময়ের লাথি-ঝাঁটা তাঁদের একমাত্র পাওনা।
16th  July, 2017
শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে। বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017
রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

 চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা!
বিশদ

11th  August, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের ভুয়ো ডাক্তার ধরা পড়ল সিআইডির হাতে। পুলিশ জানিয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাম দিব্যেন্দু চক্রবর্তী। তিনি ডাক্তার ডি চক্রবর্তী নামে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। ভুয়ো চিকিৎসক-কাণ্ডের তদন্তে নেমে তাঁর নাম উঠে আসে। ...

 সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: রাজ্যের কলেজগুলিতে ভরতির প্রক্রিয়া শেষ। কিন্তু তারপরও দেখা যাচ্ছে, অনেক কলেজেই অনেক আসন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। যা যথেষ্ট চিন্তার কারণ। উচ্চশিক্ষা দপ্তরে ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: বুধবার এগরা ও কাঁথির দুই নাবালিকার বিয়ে রুখল পুলিশ ও প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুদি এলাকার বছর ষোলোর এক নাবালিকার সঙ্গে এগরার পিরিচখাঁবাড় এলাকার এক যুবকের বিয়ে ঠিক হয়। পরিবারের লোকজনের চাপে ওই নাবালিকা বিয়েতে মত দেয় ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা ২ ব্লকের লতাপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের দ্বারিকামারি গ্রামের চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরদ্ধে। বুধবার রাতে শিশুটির পরিবারের তরফ থেকে ঘোকসাডাঙা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০০- রাজনীতিক বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিতের জন্ম
১৯৩৬- গীতিকার ও পরিচালক গুলজারের জন্ম
১৯৫৮- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করলেন প্রথম এশীয় ব্রজেন দাস
১৯৮০- গায়ক দেবব্রত বিশ্বাসের মৃত্যু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
17th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৪৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৯৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৩৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ১ ভাদ্র, ১৮ আগস্ট, শুক্রবার, একাদশী দিবা ১০/১, আর্দ্রানক্ষত্র রাত্রি ৯/৩, সূ উ ৫/১৮/১৩, অ ৬/২/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৯ পুনঃ ৭/৫১-১০/২৪ পুনঃ ১২/৫৭-২/৩৯ পুনঃ ৪/২০-অস্তাবধি, বারবেলা ৮/২৯-১১/৪১, কালরাত্রি ৮/৫২-১০/১৭।
১ ভাদ্র, ১৮ আগস্ট, শুক্রবার, একাদশী ৮/২৮/১১, আর্দ্রানক্ষত্র রাত্রি ৮/৪৬/১২, সূ উ ৫/১৫/৫৩, অ ৬/৪/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮/২৩, ৭/৪৯/৩৯-১০/২৩/২৪, ১২/৫৭/১০-২/৩৯/৫০, ৪/২২/১১-৬/৪/৪১ রাত্রি ৭/৩৪/১১-৯/৩/১১, ৯/৩/৪০, ৩/১/৩৯-৩/৪৬/২৩, বারবেলা ৮/২৮/৫-১০/৪/১১, কালবেলা ১০/৪/১১-১১/৪০/১৭, কালরাত্রি ৮/৫২/২৯-১০/১৬/২৩।
২৫ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিয়ে করলেন রিয়া সেন 
গুঞ্জন সত্যি প্রমাণ করে বিয়েটা সেরে ফেললেন রিয়া সেন। গত বুধবার পুনেতে প্রেমিক শিবম তিওয়ারির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি। সূত্রের খবর, বিয়েতে নিমন্ত্রিতদের তালিকায় একেবারেই ঘনিষ্ঠ আত্মিয়রা ছিলেন। হাজির ছিলেন রিয়ার মা তথা বর্তমানে এমপি মুনমুন সেন এবং তাঁর অভিনেত্রী বোন রাইমা সেন। রাইমাই প্রথম বিয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। শিবম তিওয়ারির সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই ছবি পোস্ট করছিলেন সুচিত্রা সেনের নাতনি রিয়া। শোনা যাচ্ছিল, এমাসেই বিয়ে করবেন তাঁরা। বিয়ে অবশ্য করলেন কিন্তু লোকচক্ষুর আড়ালে গিয়ে। বি-টাউনের খবর, সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েছেন রিয়া। তাই তাড়াহুড়োয় বিয়ে সেরে ফেললেন।

04:06:08 PM

জলপাইগুড়ির নার্সিংহোমে চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ

 জলপাইগুড়ির একটি নার্সিংহোমে রোগী মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে পরিবারের পক্ষ থেকে।

03:34:00 PM

 নেতাজি ইস্যুতে বোস পরিবারের সদস্য ও নেতাজি অনুগামীদের মিছিল শুরু

03:32:00 PM

মানিক সরকারকে খুনের হুমকি 
স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ কাটছাঁট করা নিয়ে প্রসার ভারতীর সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন তিনি। এর তিনদিনের মধ্যেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে ফেসবুকে খুনের হুমকি দেওয়া হল। পুলিশ সূত্রে খবর, ফেসবুকে এক মহিলার নামের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি সংগঠনের নাম করে মানিক সরকারকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, যে বা যারা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে খুন করতে পারবে, সে বা তাদের ৫ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। ঘটনার কথা জানতে পেরে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। 

03:04:39 PM

কেতুগ্রামে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ, গুলিবিদ্ধ হয়ে কিশোরের মৃত্যু 

02:53:12 PM

কোলাঘাট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ছাত্র বিক্ষোভ, অধ্যাপকদের ঢুকতে বাধা, পঠনপাঠন শিকেয় 

01:41:07 PM