বিশেষ নিবন্ধ
 

জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ, নির্বিকার কেন্দ্র
শুভা দত্ত

শুরু থেকেই বলা হচ্ছিল, খুব ভালো ব্যবস্থা। এক দেশ এক কর—এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশ ও দশের উন্নয়নের গতি অনেক জোরালো হবে। ভারত দ্রুত একটা শক্তপোক্ত অর্থনৈতিক ভিতের ওপর দাঁড়াতে পারবে। এবং পণ্য ও পরিষেবা কর অর্থাৎ জিএসটি চালু করার অনেক আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সমেত শাসকদলের গণ্যমান্যরা দেশের মানুষের কাছে এই বার্তাটি দিয়ে আসছিলেন। বড় বড় শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের অনেকেই সে বার্তায় সিলমোহর দিয়েছিলেন। দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এমনকী অ-বিজেপি কিছু রাজ্যের শাসকও তখন জিএসটি চালুর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছিল। সেই সঙ্গে ছিল বিজ্ঞাপন—জিএসটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ‘চিন্তা-বিভ্রান্তি দূর করতে’ লাগাতার বিজ্ঞাপন প্রচার।
জিএসটির সুফল প্রচারের এই বাদ্যিবাজনার আসরে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, মমতা জিএসটি চালুর বিরুদ্ধে ছিলেন না। ছিলেন, জিএসটি চালু নিয়ে তাড়াহুড়ো করা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র ও কৃষি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর লাগু করার বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য ছিল, জিএসটির মাধ্যমে করব্যবস্থার আমূল সংস্কারের জন্য দেশ প্রস্তুত নয়। হুড়োতাড়া করে দেশজুড়ে জিএসটি চালু করলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো অথৈ জলে পড়বে। তাতে বাজারে ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। আর এসবের জেরে শেষ অবধি নাজেহাল হতে হবে দেশের আমজনতাকে। সেসময় জিএসটি নিয়ে মোদিজির রাজ্য গুজরাত সমেত দেশজুড়ে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ দাবি আন্দোলন মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিচার-বিবেচনাকেই সঠিক প্রমাণ করেছিল।
আর আজ দেশের আম জনতাও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জিএসটির যন্ত্রণা। সেই যন্ত্রণার মধ্যেও মুখ্যমন্ত্রী মমতার দূরদর্শিতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন রাজ্যবাসী। ঠিকই বলেছিলেন তিনি, তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করলে শেষ পর্যন্ত ভুগবেন সাধারণ মানুষ। বাস্তবে ঘটছেও তাই। নানা ক্ষেত্রে জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ! অথচ, নির্বিকার কেন্দ্র! আমার এক বন্ধুর কাছেই শুনলাম, জিএসটি চালুর পর থেকেই ওষুধপত্রের দোকানে একরকম হাহাকার চলছে। সামান্য একটা কাফসিরাপ থেকে গুরুত্বপূর্ণ জীবনদায়ী ওষুধ—অনেক কিছুর জোগানই কমে গেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দামও বাড়ছে! বক্তব্য একটাই—জিএসটি। কোথায় কত ট্যাক্স হবে সেটা ঠিক করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রস্তুতকারক এবং সরবরাহকারী—ফলে জোগান কমছে। দামেও তারতম্য হচ্ছে। তারচেয়েও বড় কথা, ওষুধের দোকানে ছাড়ের পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা নাকি বলছেন, উপায় নেই। ঘুরপথে তাঁদের দেয় ট্যাক্সের পরিমাণ বেড়ে গেছে। তা সামাল দিতে ছাড় কমাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে—কেউ জানেন না।
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে শনিবারের খবর জিএসটির দাপটে কেরোসিনের দাম বাড়ছে। শুধু কেরোসিন কেন আরও অনেক কিছুর দামই বাড়ছে। বাজারে সবজিপাতি মাছ-মাংস মুদিখানার দাম খরচখরচাও ঊর্ধ্বমুখী। জামাকাপড়ও রেহাই পাচ্ছে না। হতেই পারে একদিন এই জিএসটি সাধারণের ঘরেও সুফল দেবে। হতেই পারে এই জিএসটি-র জন্য দেশের অর্থনীতি বিশ্বের দরবারে সুনাম কিনবে। কিন্তু, তার জন্য আজ যে গুনাগার সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে তা শোধ করবে কে? কোন জিএসটি? এর আগে আমরা তো নোট বাতিলের মহাযজ্ঞ দেখলাম। তার ক্ষত তো এখনও শুকোয়নি। সেই ক্ষতের যন্ত্রণা প্রথম থেকে আজ অবধি কাকে বইতে হল—সেই সাধারণ মানুষজনকে! মা-মাটি-মানুষের নেত্রী মমতা কি সাধে অমন প্রবল প্রতিবাদে নেমেছিলেন তখন? কলকাতা থেকে দিল্লি ঝড় তুলে দিয়েছিলেন! তিনি তো তাঁর দূরদর্শিতায় বুঝেছিলেন—নোট বাতিলের ঘোষিত উদ্দেশ্য (কালাধন জালিনোটের কারবার বন্ধ) সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, মানুষের হয়রানির আশঙ্কা প্রবল। আজ সেটাও প্রমাণ হয়েছে। মাসের পর মাস নোট বাতিলের জ্বালায় মানুষ ভুগলেন অথচ আজ পর্যন্ত মোদিজির সরকার খোলসা করে জানাতে পারল না তাতে ঠিক কতটা উপকার হল দেশের, কত কালাধন সরকারের কোষাগারে জমা পড়ল, কত নকল নোটের কারবারি ধরা পড়ল। উলটে মাঝে মধ্যেই শোনা যাচ্ছে, জাল ঠেকাতে যে দু’হাজারি নোট সরকার বাজারে ছেড়েছে তা ইতিমধ্যেই জাল হয়েছে এবং তেমন বহু নোট ধরাও পড়েছে!
তাহলে দাঁড়ালটা কী? নোটবন্দি উদ্যোগটাকে আমরা কি সফল বলতে পারব? বলব কীসের ভিত্তিতে? তেমন কোনও পরিসংখ্যান তো মোদি সরকার আম পাবলিকের সামনে আনেননি। এবার জিএসটি। জিএসটি অর্থাৎ সারা দেশে এক করব্যবস্থা খারাপ আমরা একথা কখনও বলছি না। মুখ্যমন্ত্রীও বলেননি। কিন্তু, আজ বাজারের হাল হকিকত দেখে কি সেই মুখ্যমন্ত্রী মমতার আশঙ্কাটাকেই সত্যি বলে মনে হচ্ছে না? জিএসটি নিয়ে বিভ্রান্তি এখনও বহাল, তার ওপর এই নয়া কর ব্যবস্থায় মানিয়ে নিতে না পারায় ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান কম, দামও এদিকওদিক হচ্ছে—সব মিলিয়ে ভোগান্তির মুখে তো সেই সাধারণ মানুষ! এসব নিয়ে কেন্দ্র কতটা খোঁজ-খবর রাখছেন, ভ্রান্তিবিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করছেন তাও আমাদের জানা নেই। অন্তত আমাদের রাজ্যে এখনও তার খবর তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে কি? একদিকে সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের কষ্টের রোজগার থেকে জমানো টাকায় সুদ কমেই চলেছে, আধার কার্ড নিয়ে নিত্যনতুন ফরমান জারি হচ্ছে, বাজারে জিনিসপত্রের দাম থেকে ট্রেনভাড়া বিমা খরচ সব বেড়েই চলেছে অন্যদিকে জিএসটি-র চক্করে ওষুধ সমেত অনেক কিছুরই আকাল, টানাটানি বাড়ছে—কী করবেন সাধারণ মানুষজন! এমন পরিস্থিতিতে মোদিজির সরকারের তো সবকিছু খোলসা করে বুঝিয়ে বলা দরকার, কিন্তু, তা হচ্ছেটা কই!
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু প্রথম থেকে এই জায়গাটা নিয়েই বিচলিত ছিলেন। তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছিলেন—তড়িঘড়ি জিএসটি চালু করলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অসুবিধে হবেই, তবে তার চেয়েও বেশি অসুবিধে হবে সাধারণ মানুষজনের। কারণ, জিএসটি মানে পণ্য ও পরিষেবা কর সম্বন্ধে তেমন কোনও ধারণা তাঁদের ছিল না, এখনও যে খুব আছে হলফ করে বলা মুশকিল। বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে এই সমস্যা মেটে না। এই কর সংস্কারের ভালোমন্দ তার প্রক্রিয়া-প্রকরণ সব একটু সময় নিয়ে আম জনতাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে জিএসটি চালু করলে অনেক কম সময়ে অনেক ভালো ফল মিলত। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতার কথা কেন্দ্র মানবে কেন? তারা তো স্বচ্ছ ভারত গড়ার কারিগর। স্বচ্ছ ভারত গড়তে সংস্কার চাই। কর কাঠামো সংস্কারের এক অন্যতম অধ্যায় জিএসটি। অতএব লাগু করে দাও। পাবলিক ঠিক সামলে নেবে। অত বড় নোটকাণ্ড যদি ভারতের আম পাবলিক সামলে নিতে পারে তবে জিএসটি পারবে না? সুতরাং, মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রতিবাদ, ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী সরবরাহকারীর আন্দোলন আম পাবলিকের বিভ্রান্তি সবকিছু উপেক্ষা করে লাগু হয়ে গেল জিএসটি। আর লাগু হওয়ার পর থেকেই তার যন্ত্রণা ছড়াতে লাগল জনমহলে। তাতে কী? একটা নজিরবিহীন ঘটনা তো ভারতের করব্যবস্থায় ঘটিয়ে ছাড়লেন মোদিজি! এমন এক মহা উদ্যোগের সামনে সাধারণ মানুষের জ্বালা-যন্ত্রণা পাত্তা পাবে কেন!
এই যে দার্জিলিং নিয়ে চলছে। কী হচ্ছে সেখানে? মারামারি আগুন ভাঙচুর সরকারি সম্পত্তি নথি নষ্ট করা—মানেটা কী? এসব করে বাংলা ভাগ করা যাবে, গোর্খাল্যান্ড মিলবে? অত সোজা! আর এসবে ক্ষতি হচ্ছে কার? বিমল গুরুং বা তাঁর সঙ্গীদের নয় নিশ্চয়ই। ক্ষতি হচ্ছে সেই সরল সাদাসিধে খেটে খাওয়া পাহাড়ি মানুষজনের। আন্দোলনের ঠেলায় তাঁদের রুটিরুজি বন্ধ হবার জোগাড় হয়েছে। চা বাগানগুলোর দশা এমনিই রুগ্‌ণ। আন্দোলনের ঝাপটে সেসব বাগানের উৎপাদন আরও কমে গেছে। রাজ্যে দার্জিলিং চায়ের জোগান কমেছে, দামও বাড়ছে। তাতেও চাপ পড়ছে চা-প্রিয় সাধারণ বাঙালির ওপরই। শুধু কি তাই? দার্জিলিং পর্যটনেরও তো দফারফা। বাংলার পর্যটন শিল্পের অন্যতম স্পটটাকে এভাবে পঙ্গু করে দেওয়া কি ন্যায়সংগত হচ্ছে? পাহাড়বাসী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা এর মধ্যেই কতকিছুই না করেছেন। সেসবও তো নাকি নষ্ট করতে লেগেছে গুরুং বাহিনী। এমন ধ্বংসাত্মক বিচ্ছিন্নতাবাদ চলছে দার্জিলিং পাহাড়ে আর কেন্দ্রীয় শাসকদলের কে একজন বলছেন—দার্জিলিং বাংলার কাশ্মীর হবে! বোঝাই যাচ্ছে কার কী উদ্দেশ্য। মানুষের কথা কে কতটা ভাবেন। দার্জিলিঙের মতো প্রাঞ্জল বিষয়ে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য যাঁরা করতে পারেন তাঁরা জিএসটি যন্ত্রণার প্রায় অদৃশ্য অথচ অনিবার্য জ্বালা রোধে কতটা কী করবেন তা নিয়ে সংশয় জাগে বইকি।
16th  July, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেলের খাবার নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। দিন কয়েক আগে ক্যাগের রিপোর্টেও রেলের খাবারের করুণ ছবি উঠে এসেছে। রেলকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে জায়গায় রেলের খাবার তৈরি হয়, সার্বিক অবস্থার পরিবর্তনে অবিলম্বে সেই রান্নাঘরে নজরদারি চালানো দরকার। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

মুম্বই, ২৬ জুলাই (পিটিআই): প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়ছে শেয়ার বাজারের সূচক। এদিন বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স ১৫৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ হাজার ৩৮২.৪৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এত পয়েন্টে এর আগে কখনও সেনসেক্স পৌঁছায়নি। ...

 বিএনএ, জলপাইগুড়ি: বুধবার খুনের দায়ের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল জলপাইগুড়ি জেলা আদালত। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে ১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানার পবিত্রপাড়ায় একটি খুনের মামলায় নিশার বিশ্বাসকে এদিন বিচারক যাবজ্জীবন সাজা এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 জম্মু ও কাশ্মীরের গুর্জ সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নিকেশ ৩ জঙ্গি

11:43:00 AM

নীতীশ কুমার ও সুশীল মোদিকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

 বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমারকে ট্যুকইট করে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিহারের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য দু’জনকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও করেন।

10:54:00 AM

আরামবাগে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

 হুগলির আরামবাগ মহকুমায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আরামবাগ শহর কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পুরশুরা ও খানাকুলে ডিভিসির ছাড়া জলএলাকা প্লাবিত করেছে। বহু দুর্গতদের এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ত্রাণ নিয়ে বাড়ছে ক্ষোভও।

10:50:09 AM

 গল টেস্ট: ভারত প্রথম ইনিংসে ৪২৩/৩
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সফরের প্রথম টেস্টে গলে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে গতকালের ৩৯৯ / ৩ পুঁজি নিয়ে খেলতে নেমে আজ ৪ উইকেটের বিনিময়ে এ পর্যন্ত ৪২৩ রান সংগ্রহ করেছে। রাহানে ৫৪ ও অশ্বিন ০ রানে ক্রিজে রয়েছেন। আজ সকালে ভারত কেবল পূজারার উইকেটটি খুই঩য়েছে। প্রদীপের বলে ডিকবেলার হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১৫৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান চেতেশ্বর পূজারা।

10:44:13 AM

 শহরে ট্রাফিকের হাল tap here

 আজ বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। অফিস টাইমের চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, সৈয়দ আমির আলি এভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। তবে শহরের বড় রাস্তাগুলির কোথাও তেমন জল দাঁড়িয়ে নেই । এদিন শহরে তেমন উল্লেখযোগ্য মিটিং, মিছিল নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই আশা প্রকাশ করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:25:26 AM

 বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন সুশীল মোদি

10:10:58 AM