বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

১ জুলাই, প্রায় দেড় যুগ পথ হেঁটে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছেছিল পণ্য-পরিষেবা কর (জিএসটি)। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছুঁতেই তা চালু হয়ে গিয়েছিল সারা দেশে। সাক্ষী থেকেছিল সংসদের ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল হল। সংসদে এর আগের মধ্যরাতের বিশেষ অনুষ্ঠানগুলির সঙ্গে এবারের অধিবেশনকে কখনই এক করা যায় না। ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
১ জুলাই, মধ্যরাতে গোটা দেশ যখন দেখেছিল এক অর্থনৈতিক বিপ্লবের মাহেন্দ্রক্ষণ, আমরা শুনেছিলাম দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনবদ্য এক ভাষণ। সেদিন প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং হামিদ আনসারি—এমন দু’জনের মাঝে ছিল প্রধানমন্ত্রীর আসন, যাঁরা আগের সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, যাঁদের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে কংগ্রেস পার্টি। ছিলেন এইচ ডি দেবগৌড়াও। যিনি ১৯৯৬ সালে বিজেপিকে কেন্দ্রে সরকার গঠন করার পথে আটকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর এদের সকলকে পাশে নিয়েই মোদি শুনিয়েছিলেন জিএসটির প্রয়োজনীয়তা এবং কীভাবে এক নয়া অর্থনীতিকে আমরা ছুঁতে পারি। যে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হবে দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ভারতবাসী।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণের কয়েক মিনিটের মধ্যে ফুটে উঠেছিল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ভাষণের সঙ্গে তার তারতম্য। অধিকাংশের মনজগতে দানা বেঁধেছিল আরও এক তুলনার। ২০১৭-র ১ জুলাই নরেন্দ্র মোদির ভাষণ এবং ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা। ভাবুন, ৭০ বছর পর গণতন্ত্রের মন্দিরে জনরায়ে অজেয়, মানুষের চিরসম্মানে সম্মানিত, খ্যাতির শিখরে থাকা দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা শুরু হয়েছে। আর এভাবে নিজেকে তুলনায় নিয়ে আসাও মোদির একটা বড় সাফল্য।
ভবিষ্যৎ এবং দৃঢ় সংকল্প
প্রথমবার সেন্ট্রাল হল সেজে উঠেছিল স্বাধীনতার সময় ১৯৪৭–‌এর ১৪ ও ১৫ আগস্টের মধ্যরাতে। সেবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে স্বাধীনতার ভাষণে ‘ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ পেশ করেছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। নতুন ভারতের জন্মক্ষণে সেই রাত ছিল সত্যি সত্যিই নতুন যুগে প্রবেশের শুভক্ষণ। কিন্তু নেহরুর ভাষণের সেই ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র প্রতিশ্রুতির ভিন্নস্রোতে গিয়ে ১ জুলাই ২০১৭ মোদি শুনিয়েছিলেন তাঁর মূল চিন্তাধারা। বলেছিলেন, দৃঢ়সংকল্পের শপথ নিতে হবে। ‘ডেস্টিনি’ এবং ‘ডিটারমিনেশন’—এই দুই শব্দের পার্থক্য ফুটে ওঠে দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেই। নেহরুর আদর্শগত জায়গায় ছিল ভারত গড়ার স্বপ্ন। মোদি বারবার জানিয়েছেন, নতুন ভারত গড়ে তোলাই তাঁর সংকল্প।
পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতার একটা নিজস্ব ঘরানা ছিল। কিছু নেতার বক্তৃতায় বাগ্মিতা এবং বিচক্ষণতা প্রকাশ পায়, পণ্ডিত নেহরুর সেই গুণ ছিল। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন ছিল শিক্ষণীয়। তাঁর ভাষণ থেকে ভবিষ্যতের বক্তারা পাঠ নিতে পারত। উলটোদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণ একেবারে মোদির নিজস্ব স্টাইল এবং বিচক্ষণ। কিন্তু সেই ভাষণে থাকে দৃঢ় সংকল্পের শপথ এবং লক্ষ্যপূরণের একটা অভিমুখ। দেশের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে জিএসটি সঠিক পদক্ষেপ বলে মোদি যখন জনগণকে আশ্বাস দেন, ঠিক তখনই পথ চলার অভিমুখও বাতলে দেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং বলেন, ১২৫ কোটি ভারতবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েই জিএসটি সফল করবেন, জিএসটি-র সমস্ত ত্রুটি দূর করবেন। কোনও একটি দলের বা সরকারের কৃতিত্ব নয়, সকলের যৌথ প্রয়াসের ফল জিএসটি। জিএসটি আসলে হবে ‘গুড অ্যান্ড সিম্পল ট্যাক্স’। গোড়ায় সামান্য হোঁচট খেতে হলেও শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে না। তাঁর কথায়, ‘নতুন চশমায় সড়গড় হতেও তো দিন দু’য়েক সময় লাগে। একটু সময় দিলে সব ঠিক হবে যাবে।’
ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধার্ঘ
সেদিন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী, যাঁরা দেশকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সম্মান জানিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেল, বাবাসাহেব আম্বেদকর, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, সরোজিনী নাইডু এবং আচারিয়া কৃপালিনীর মতো বিশিষ্টদের প্রতি। আর ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরু বক্তৃতায় কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম উল্লেখ ছিল না। এমনকী যাঁদের সঙ্গে তিনি লড়াই করেছিলেন, তাঁরাও ছিলেন ব্রাত্য।
১ জুলাই, মধ্যরাতে মোদি তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, কেন্দ্র-রাজ্যগুলি দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করেছে, তার ফলস্বরূপ জিএসটি চালু। সেখানে শুধু বিজেপি কিংবা এনডিএ ছিল না। ছিলেন সমস্ত দলের মুখ্যমন্ত্রীরা। জিএসটি টিম ইন্ডিয়ার ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্রমাণ। অথচ, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ ভাষণে কোনও টিম ওয়ার্কের নামগন্ধ ছিল না।
কার জন্য বক্তৃতা?
পণ্ডিত নেহরু শ্রোতাদের মাঝে ভাষণ দিতেন অনবদ্য ইংরেজিতে। তাঁর ভাষণ শুনে অনেকসময় মনে হত বিলেতের ভাষা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সংসদের ফ্লোর কিংবা যে কোনও ভাষণ দেন হিন্দিতে। আর সেই কারণেই ৭০ বছর আগে পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা যত মানুষ বুঝতেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ভারতবাসী আপন করে নেন প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, ইংরেজির থেকে হিন্দি অনেক বেশি সংখ্যক ভারতবাসী বুঝতে পারেন। আর ১৯৪৭-এ তো খুবই অল্প সংখ্যক মানুষ ইংরেজি জানতেন। অ-হিন্দিভাষী এলাকায় আঞ্চলিক ভাষাই প্রাধান্য পায়। সেটাই স্বাভাবিক।
তাহলে কি পণ্ডিত নেহরু তাঁর ভাষণ ভারতের নাগরিকদের কথা ভেবে দিতেন না, ব্রিটিশদের অথবা বিশ্বের কথা ভেবে তাঁর বক্তৃতা রচিত হত? এই প্রশ্ন ওঠা অযাচিত নয় যে, একজন প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলবেন দেশের জন্য নয়, শুধু বিশ্বজয় করতেই?
মোদির ভাষণে ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু লিখেছিলেন ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’, কিন্তু আপনি যদি ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনেন তাহলে নিশ্চিত মনে হবে, সেই ক্ষুদ্র ভাষণ ছিল সত্যিকারের ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’। প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তৃতায় ছিল, আমাদের ইতিহাস উদযাপন এবং আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য রেখেছেন এবং যে বক্তব্যে ছিল তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সংকল্প।
ভারতের কর ব্যবস্থার একত্রীকরণ এবং কেন দেশের অর্থনৈতিক সংযুক্তিকরণের সময় এসেছে, তা ভাষণে তুলে ধরেছিলেন মোদি। পাশাপাশি ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, ভারতের দরিদ্র শ্রেণির মানুষের এমন অনেক কিছু প্রয়োজন, যা গত ৭০ বছরেও মেলেনি। প্রয়োজনীয় সেই জিনিসগুলি কেন তাঁদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন, সেকথাও তুলে ধরেছিলেন তিনি। জুলাই মাসেই দেশ জুড়ে চালু হয়েছে ‘এক দেশ, এক কর’ (জিএসটি) নীতি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় এই পদক্ষেপ ব্যাবসা-বাণিজ্যের পক্ষে কতটা সহায়ক হবে বা রেল ব্যবস্থাকে কতটা উজ্জীবিত করবে, তাও অঙ্ক কষে দেখিয়েছেন মোদি। জিএসটি ব্যবস্থা প্রাণবন্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ হিসাবে ভারতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের বক্তব্যে যে শক্তিশালী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের আভাস মিলেছিল, এখন সেই বিষয়গুলিতে নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে আরও জোর দেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
কেন সেদিন কংগ্রেস বয়কট করেছিল?
অন্য সমস্ত বিরোধী দলগুলি জিএসটি নিয়ে বিশেষ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করলেও কংগ্রেস তা বয়কট করে। তাদের এই সিদ্ধান্ত দেশবাসীকে হতবাক করে দিয়েছিল। অথচ, রাজনৈতিক ব্যবধানকে দূরে সরিয়ে সকলের চেষ্টাতেই জিএসটি চালু করা সম্ভব হয়েছে।
জিএসটি নিয়ে কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশন বয়কট প্রসঙ্গে অজয় সিং বলেন, ৩০ জুন মধ্যরাতে জিএসটি-র সূচনায় যখন সংসদে রাজনৈতিক দলগুলি একত্রিত হয়েছিল, তখন কংগ্রেস এবং কয়েকটি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করে। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে জিএসটি-র সূচনাকে ‘তামাশা’ বলেও কটাক্ষ করে তারা। দেশজুড়ে জিএসটি সূচনার সময়টি ছুঁয়ে ফেলে ১৯৪৭ সালের ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র সেই মুহূর্তকে। অজয় সিংয়ের কথায় পরিস্কার মধ্যরাতে জিএসটি’র সূচনাকালীন বক্তব্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল কংগ্রেস। কারণ, তারা ভেবেছিল মধ্যরাতের মোদির বক্তৃতা ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট নেহরুর ভাষণকে ছাপিয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দিয়েই বোঝা যায়, ক্রমশ বদলাতে থাকা দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সংসদে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মধ্যরাতের ভাষণের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা করাটা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খুব একটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। দু’টি বক্তব্য শোনার পরে এটা বলা কিছু ভুল হবে না যে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট আমরা ভবিষ্যতের পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম। ৭০ বছর পর, ২০১৭ সালের ১ জুলাই আমরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং একত্রীকরণের পথে হাঁটা শুরু করলাম। এই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভাগ্যের জোরে পাওয়া নয়। বরং শক্তিশালী নেতৃত্বের হাত ধরে ১২৫ কোটি ভারতীয়ের মেধা এবং শক্তির জোরে আসা।
লেখক বিজেপির ন্যাশনাল মিডিয়ার প্রধান
18th  July, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বহু স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার কোথাও কম্পিউটার থাকলেও নেই ইন্টারনেট সংযোগ। এই অবস্থায় মাধ্যমিক স্তরের ছাত্রীদের কেন্দ্রীয় স্কলারশিপের টাকা পেতে অনলাইনে আবেদন করার নির্দেশকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কলারশিপের আবেদন সংক্রান্ত নিয়ম পরিবর্তন ...

 বিএনএ, বহরমপুর: দু’টি পঞ্চায়েতের দুই প্রধান সহ ১২জন সদস্যকে দলে টেনে জলঙ্গি ব্লক দুষ্কৃতীমুক্ত করার ডাক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার জলঙ্গির সাহেবনগর পঞ্চায়েতের সাতজন, কাটাবাড়ি পঞ্চায়েতের পাঁচজন এবং পঞ্চায়েত সমিতির দু’জন সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ছেড়ে এসেছেন। ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেলের খাবার নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। দিন কয়েক আগে ক্যাগের রিপোর্টেও রেলের খাবারের করুণ ছবি উঠে এসেছে। রেলকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে জায়গায় রেলের খাবার তৈরি হয়, সার্বিক অবস্থার পরিবর্তনে অবিলম্বে সেই রান্নাঘরে নজরদারি চালানো দরকার। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 জম্মু ও কাশ্মীরের গুর্জ সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নিকেশ ৩ জঙ্গি

11:43:00 AM

নীতীশ কুমার ও সুশীল মোদিকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

 বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমারকে ট্যুকইট করে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিহারের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য দু’জনকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও করেন।

10:54:00 AM

আরামবাগে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

 হুগলির আরামবাগ মহকুমায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আরামবাগ শহর কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পুরশুরা ও খানাকুলে ডিভিসির ছাড়া জলএলাকা প্লাবিত করেছে। বহু দুর্গতদের এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ত্রাণ নিয়ে বাড়ছে ক্ষোভও।

10:50:09 AM

 গল টেস্ট: ভারত প্রথম ইনিংসে ৪২৩/৩
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সফরের প্রথম টেস্টে গলে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে গতকালের ৩৯৯ / ৩ পুঁজি নিয়ে খেলতে নেমে আজ ৪ উইকেটের বিনিময়ে এ পর্যন্ত ৪২৩ রান সংগ্রহ করেছে। রাহানে ৫৪ ও অশ্বিন ০ রানে ক্রিজে রয়েছেন। আজ সকালে ভারত কেবল পূজারার উইকেটটি খুই঩য়েছে। প্রদীপের বলে ডিকবেলার হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১৫৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান চেতেশ্বর পূজারা।

10:44:13 AM

 শহরে ট্রাফিকের হাল tap here

 আজ বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। অফিস টাইমের চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, সৈয়দ আমির আলি এভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। তবে শহরের বড় রাস্তাগুলির কোথাও তেমন জল দাঁড়িয়ে নেই । এদিন শহরে তেমন উল্লেখযোগ্য মিটিং, মিছিল নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই আশা প্রকাশ করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:25:26 AM

 বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন সুশীল মোদি

10:10:58 AM